Learn with Sobuj

Learn with Sobuj

Share

While learning is never limited, a guide to "what to learn" and "how to learn" always helps to direc

20/04/2023

মার্কেটপ্লেস এর বাইরে ক্লায়েন্ট পাচ্ছেন না? ক্লায়েন্ট পাওয়ার জন্য ইনস্টাগ্রাম টিপস :
আমরা অনেকেই শুধু মার্কেটপ্লেস এ কাজ এর জন্য চেষ্টা করি। অনেকেই হয়তো জানি না, মার্কেটপ্লেস এর বাহিরেও রয়েছে আরেক জগৎ যেখান থেকে আমরা অনেক ক্লায়েন্ট পেতে পারি।
---
📍 ইনস্টাগ্রাম একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। আমি খুব সহজে ১৫ টি পয়েন্ট এর মাধ্যমে ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল খোলা থেকে শুরু করে, একাউন্ট সাজানো, আপনার কাজ রিলেটেড পোস্ট, রীল, স্টোরি, ফলোয়ার বাড়ানো সহ আদ্যোপান্ত সব বলার চেষ্টা করেছি ।
---
📍 📍 আমাদের অনেকেই মনে করি, ইনস্টাগ্রাম শুধু মাত্র সেলেব্রেটি দের জন্য, আসলে তা নয়। ইনস্টাগ্রাম যেকোনো প্রোডাক্ট / সার্ভিস সেল করার জন্য এফেক্টিভ একটা মার্কেটিং প্লাটফর্ম। e-Market এর 2019 সালের গবেষণা অনুসারে, 202৪ সালের মধ্যে ৯৩% ব্যবসায়ের একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থাকবে বলে প্রেডিক্ট করছে । তো আমরা কেন বসে থাকবো ?
---
🎯🎯আসুন জেনে নেই কিভাবে স্টার্ট করা যাবে ?
————————————————–
১. মোবাইল এ অথবা ডেস্কটপ এ ইনস্টাগ্রাম app টি ডাউনলোড করে ফেলুন ।
---
২. একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন এবং একটি ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ফটো বেছে নিন । যদি বিসনেস প্রোফাইল থাকে বিসনেস লোগো আপলোড করুন।
---
৩. আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল সম্পূর্ণ করুন আর অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইট যদি থাকে সেটা দিতে ভুলবেন না, অথবা আপনার যদি কোনো ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস এ যথেষ্ট রিভিউ থাকে, আপনি আপনার মার্কেটপ্লেস এর প্রোফাইল লিংক দিতে পারেন।
---
৪. ৭ দিন পর আপনার বেসিক ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলটিকে Business Profile এ কনভার্ট করুন। ইনস্টাগ্রামে একটি Business Profile আপনাকে আপনার ব্র্যান্ডটিকে পরিচালনা ও বাড়ানোর জন্য আরও অনেক Tools দিবে, যা আপনি পার্সোনাল প্রোফাইল এ পাবেন না।
---
ইনস্টাগ্রামে এ ফেইসবুক এর মতো পেজ হয় না, তাই পার্সোনাল প্রোফাইল কে সেটিংস থেকে Business Profile এ কনভার্ট করে নিন। (Settings > Account > Switch to Professional Account) প্রফেশনাল একাউন্ট এ আপনি অনেক ডিটেল এ ডাটা ও এনালিটিক্স ও আপনার গ্রোথ দেখতে পাবেন।
---
৫. এখন প্রোফাইল টি আপনার সার্ভিস গুলো শোকেস করে সাজান সময় নিয়ে, আপনার সাথে যোগাযোগ এর জন্য ফোন নম্বর, ইমেল এবং লোকেশন অ্যাড করুন। আপনার সার্ভিস ক্যাটাগরি সিলেক্ট করুন। যেমন ওয়েব ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইন ইত্যাদি।
---
৬. এখন ইনস্টাগ্রাম সেটিংস থেকে আপনার ফেইসবুক পেজ কে লিক করে দিন ইনস্টাগ্রাম একাউন্ট এর সাথে, এতে আপনি ইনস্টাগ্রাম এ কিছু পোস্ট করলে ফেইসবুক পেজ ও দেখা যাবে, এছাড়া আপনি ইনস্টাগ্রাম এর মেসেজ গুলো ফেইসবুক পেজ এর ইনবক্স দিয়ে reply করতে পারবেন।
---
৭. আপনার ইনস্টাগ্রাম ফিডে আপনার সার্ভিস রিলেটেড ফটো এবং ভিডিও পোস্ট করুন। ভিডিও অবশ্যই ৯০ সেকেন্ড এর কম হতে হবে । ভিডিও আপনার প্রোফাইল এর REACH অনেক বাড়িয়ে দিবে।
অন্তত ২০-৩০ টি পোস্ট করে রাখুন । যাতে যখন ফলোয়ার্স আসবে তারা যেন খালি প্রোফাইল না দেখে ।
---
৮. ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল টি এখন এখনো আপনার কোনো ফলোয়ার নাই, এখন কাজ হচ্ছে ফলোয়ার বাড়ানো ।
---
🍥 প্রথমে, আপনার ফোন কন্টাক্টস আর ফেইসবুক কন্টাক্টস দের ফলো করুন, যেহেতু তারা আপনার পরিচিত তারা ফলো ব্যাক করবে ।
---
🍥 দ্বিতীয়ত, এইবার আপনি ইনস্টাগ্রাম এর সার্চ এ আপনার সার্ভিস রিলেটেড হ্যাশ ট্যাগ ( #) দিয়ে সার্চ করে, রিলেটেড পিপল দের ফলো করুন, ৩০% ফলো ব্যাক পাবেন শিওর, যদি ফলো ব্যাক না করলে তাহলে তাদের Unfollow করে দিন। এছাড়াও আপনার সার্ভিস নিতে পারে এমন মানুষ দের ফলো করুন। আপনি leadstal টুল ব্যবহার করে আপনার niche এর মানুষদের সহজে খুঁজে পেতে পারেন।
---
🍥 তৃতীয়ত, আপনার কম্পিটিটর কে খুঁজে বের করুন, তাদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল এ ঢুকে তাদের followers দের follow করুন, কারণ তাদের ইন্টারেস্ট ও অবশ্যই আপনার সার্ভিস অনুযায়ী হবে, তাই তারাই আপনার প্রকৃত কাস্টমার হবেই হবে 🙂
---
এই ৩ ভাবে আপনি অনেক দ্রুত followers পেয়ে যাবেন। কিন্তু আমরা followers পেতে অনেক তাড়াহুড়া করি যেটা ঠিক না, অনেক বেশি ফলো করতে গেলে ইনস্টাগ্রাম ভাববে আপনি স্প্যাম করছেন। ভয় নেই আমি বলে দিচ্ছি, প্রতিদিন ৫০ জন কে ফলো করুন, এভাবে ৭ দিন যাওয়ার পর আপনি ১০০ করে ফলো করুন প্রতিদিন। এক মাস পর ইনস্টাগ্রাম আপনাকে যতক্ষণ ফলো করতে দিচ্ছে ততক্ষন ফলো করতে থাকুন ।
খুব বেশি ফলো করতে থাকলে আপনার প্রোফাইল এর REACH কমে যাবে । যারা ফলো ব্যাক করবে না, কিছু দিন পর তাদের unfollow করে দিন ।
---
৯. ইনস্টাগ্রাম এ আপনার নতুন সার্ভিস এর স্টোরি তৈরী করুন, আর আপনার রিসেন্ট সার্ভিস গুলোকে highlight করে রাখুন ।
---
১০. সপ্তাহে অন্তত একটা লাইভ ইভেন্ট করুন, যেটা আপনার সব ফলোয়ার এর নোটিফিকেশন বক্স এ চলে যাবে, মনে রাখবেন, লাইভ ইভেন্ট / ভিডিও এর REACH অনেক বেশে হয় সাধারণ পোস্ট / ভিডিও থেকে ।
---
১১. ভিডিও রেকর্ড এর জন্য ইনস্টাগ্রাম টিভি (IGTV) এবং Instagram Reels ব্যবহার করুন।
🍥 IGTV সাধারণত বড় ভিডিও এর জন্য, আপনাকে মোবাইলের মাধ্যমে 15 মিনিট এবং PC এর মাদ্ধমে ৬০ মিনিটের ভিডিও আপলোড করতে দেয়।
🍥 Instagram Reels সাধারণত ১৫-৯০ সেকেন্ডের মাল্টি-ক্লিপ আপলোড করতে পারবেন, TikTok এর ভিডিও এর মতো ।
---
১২. প্রতিদিন ই আপনার সার্ভিস রিলেটেড কিছু না কিছু পোস্ট করুন । সব সময় সার্ভিস পোস্ট করতে হবে এমন না, আসুন উদহারণ দেই, ধরা যাক আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস দিয়ে থাকেন। এটার উপর আজকে একটা পোস্ট করলেন। আগামী কাল ইনফোরমেটিভ কিছু পোস্ট করুন, যেমন কেন ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সার্ভিস অন্যদের থেকে ভালো, কেন php বা লারাভেল দিয়ে ওয়েবসাইট করা উচিত, ওয়ার্ডপ্রেস এর সুবিধাগুলো কি কি .. bla..bla..bla.
---
এতে আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল এ সার্ভিস না কিনলেও কিছু ভালো ফলোয়ার পাবেন, যারা প্রতিদিন আপনার পোস্ট পড়ার জন্য অপেক্ষা করবে, একদিন পোস্ট পড়তে পড়তে তারা আপনার সার্ভিস টি কিনবেই, কারণ ততদিন এ আপনি তাদের মনে একটা ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি করে ফেলেছেন, তারা আপনার কথা trust করে এবং আপনার থেকে শুনতে চায় ।
---
১৩. অবশ্যই প্রতিটি পোস্ট এ ৫-৮ টি রিলেটেড হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করবেন(অবশ্যই ১০ টির বেশি হ্যাশট্যাগ দিবেন না, এতে হ্যাশট্যাগ গুলোর গুরুত্ব কমে যায়) এতে যারা আপনার ফলোয়ার না, তারাও সার্চ এর মাধ্যমে আপনার পোস্ট খুঁজে পাবে। এতে পোস্ট এর রিচ বেড়ে যাবে।

এভাবে প্রতিদিন আপনার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল এ রেগুলার পোস্ট করুন । প্রতিদিন ফলোয়ার বাড়ান, স্টোরি এবং highlight তৈরী করুন, সপ্তাহে লাইভ এ কিছু প্রোডাক্ট show করুন অথবা লাইভ এ।
---
১৪. এছাড়াও কিছু রীল পোস্ট করুন আপনার সার্ভিস রিলেটেড ইনফোরমেটিভ শর্ট ভিডিও দিয়ে(Duration ৩০-৬০ সেকেন্ড), যেমন কেন ওয়ার্ডপ্রেস এত জনপ্রিয়, FIGMA VS ADOBE ইত্যাদি। আপনি chatgpt কে জিজ্ঞাসা করে কিছু ইনফরমেশন পাবেন রীল তৈরী করার জন্য। ইনস্টাগ্রাম ইদানিং রীল কে প্রচুর প্রোমোটে করছে, তাই আপনার সার্ভিস কে অনেকের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য রীল অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
---
১৫. অবশ্যই আপনার ইনস্টাগ্রাম এর ইনবক্স রেগুলার চেক করবেন। যারা আপনার সার্ভিস কিনতে চায়, তারা আপনাকে ইনবক্স এ যোগাযোগ করবে। তাছাড়াও আপনি তাদের ফ্রি এপয়েন্টমেন্ট/ কন্সালটেন্সি সার্ভিস অফার করতে পারেন, যেখানে আপনি তার সাথে ৩০ মিনিট কথা বলবেন তাকে কিভাবে হেল্প করবেন সাজেশন দিয়ে তার একটা ট্রাস্ট বিল্ড করতে পারবেন। পরবর্তীতে সে আপনার থেকে সার্ভিস নিবেই।
---
এবার আসল কথায় আসি। আমি অনেককেই দেখেছি এভাবে ইনস্টাগ্রাম এ ১-২ মাস চেষ্টা করে ধর্যহারা হয়ে যায়। মনে রাখবেন এই ১৫ টি প্রসেস এ আপনাকে ৬-৮ মাস কাজ করে যেতে হবে আপনার একাউন্ট গ্রো করতে, ফলোয়ারদের ট্রাস্ট বিল্ড আপ করতে, পোস্ট এর রিচ বাড়াতে, তারপর আস্তে আস্তে আপনি ক্লায়েন্ট পাওয়া শুরু করবেন।
---
শুভকামনা সবাই-কে।
©মিনহাজুল আসিফ

24/07/2021

The 4 Ps of Marketing: Product, Price, Place, Promotion যেটা সম্পর্কে সব Marketer এবং Business Owner দের ধারণা থাকা জরুরী।

Part-4 (Final Part)

গত ৩ টি পর্বে আমরা 4 Ps of Marketing এর Product, Price & Place নিয়ে বিস্তারিত জেনেছিলাম।
আজ আমরা জানবো The Fourth “P” of Marketing: Promotion নিয়ে। Promotion, 4 Ps of Marketing এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ Element.

যারা আগের তিনটি পোস্ট পড়েননি এই পোস্ট পড়ার আগে সেগুলো পড়ে আসুন না হয় অনেক কিছুই বুঝবেন না। আগের পোস্টে গুলোর লিংক আমি কমেন্টে দিয়ে দিব।
তাহলে শুরু করা আজ আজকের পর্ব।

The Fourth “P” of Marketing: Promotion

মার্কেটিং এর অন্য P গুলো( Product, Price, Place ) অপ্টিমাইজ করার পর , এখন আপনার প্রোডাক্টটি Promote করার পালা।
আপনার একটি প্রোডাক্ট আছে , আপনি সেটার প্রাইজ নির্ধারণ করেছেন, আপনার প্রোডাক্টের কাস্টমার কোথায় আছে সেটাও জেনেছেন এখন কথা হচ্ছে আপনি কিভাবে Audience দের কাছে আপনার প্রোডাক্টি পৌছে দিবেন ও বিক্রি করবেন? সেখানেই আসে Promotion .

Promotion কে সহজ ভাবে বলা যায় আপনি আপনার প্রোডাক্টের মার্কেটিং কিভাবে এবং কোথায় করবেন সেটাই Promotion . এটা হতে পারে Advertising, Direct marketing, Email marketing, Social media marketing, SEO, Public relations , Sales promotions etc এর মাধ্যমে।

আপনার প্রোডাক্ট ইন্ড্রাস্টির সেরা কোয়ালিটির প্রোডাক্ট , আপনার প্রাইজ রিজনেবল সব কিছুই পারফেক্ট কিন্তু আপনি যদি Promotion ঠিক ভাবে না করতে পারেন তাহলে সব কিছুই ফ্লপ , আপনার প্রোডাক্ট সেল হবেনা। কারন আপনি ঠিকভাবে মার্কেটিং করতে ব্যর্থ।
তাই Quality Products তো অবশ্যই জরুরী তার সাথে সেই প্রোডাক্টের Promotion ঠিক ভাবে করা আরও বেশি জরুরী।

কিভাবে আপনার প্রোডাক্ট Promote করবেন?
তার জন্য কিছু প্রশ্নের উত্তর আপনার জানা থাকতে হবেঃ

১। আপনার পটেনশিয়াল কাস্টমাররা প্রোডাক্ট কেনার আগে কোথায় থেকে ইনফরমেশন কালেক্ট করে? সেটা কি Social Media, Search Engine , Television , Offline Newspaper or something else?

২। কিভাবে আপনি পটেনশিয়াল কাস্টমারের কাছে আপনার প্রোডাক্টের মার্কেটিং ম্যাসেজ পাঠাতে পারেন?

৩। আপনার প্রোডাক্টটি প্রোমোট করার Best Time কখন? এটা কি কোনো সিজনাল প্রোডাক্ট নাকি সারা বছর মানুষের দরকার পরবে?

৪। আপনার কম্পিটিটিররা কিভাবে তাদের প্রোডাক্টের প্রোমোশন করছে?

এসব কিছু যখন আপনি জানবেন তখন খুব Easily and Effectively আপনি প্রোডাক্টের প্রোমোশন করতে পারেন। আপনার প্রোমোশনের বাজেট Wisely Distribute করতে পারবেন।
আশা করি 4 Ps of Marketing এর ধারাবাহিক পোস্ট গুলো আপনাদের ভালো লেগেছে এবং অনেক কিছু জানতে পেরেছেন।

4 Ps of Marketing পর্বটি এখানেই শেষ হলো।
আবার অন্য কোনো বিষয় নিয়ে লিখবো পরে।
আপনাদের যদি কোনো কিছু জানার ইচ্ছা থাকে, কোনো বিষয় নিয়ে লিখার সাজেশন চান অবশ্যই জানাতে ভুলবেন না। আমি চেষ্টা করব সেটা নিয়ে নিজে স্ট্যাডি করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে ।

ভালো থাকবেন সবাই।

(অনুমতি ছাড়া কেউ পোস্ট কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিবেন না দয়া করে। একটা পোস্ট লিখতে অনেক সময় এবং রিসার্চের দরকার হয়। তাই যে কারোও লিখা কপি করলে অরিজিনাল রাইটারকে ক্রেডিট দিতে ভুলবেন না। এতে করে তারা অনুপ্রেরণা পায়)
ধন্যবাদ।

23/07/2021

The 4 Ps of Marketing: Product, Price, Place, Promotion যেটা সম্পর্কে সব Marketer এবং Business Owner দের ধারণা থাকা জরুরী।
Part-3
গত দুটি পর্বে আমরা জেনেছিলাম 4 Ps of Marketing এর First “P”: Product এবং Second “P” of Marketing: Price সম্পর্কে।
আজ আমি লিখবো The Third “P” of Marketing: Place নিয়ে। যারা আগের দুটি পোস্টটি পড়েননি এই পোস্ট পড়ার আগে সেগুলো পড়ে আসুন না হয় অনেক কিছুই বুঝবেন না। আগের পোস্টে গুলোর লিংক আমি কমেন্টে দিয়ে দিব।

তাহলে শুরু করা আজ আজকের পর্ব।
The Third “P” of Marketing: Place
আপনার প্রোডাক্টটি সেল করার জন্য যেই প্লাটফর্ম/যেই লোকেশন সেটাকেই হচ্ছে Place. যখন কোম্পানি কোনো প্রোডাক্ট তৈরি করে সেটার টার্গেটেড কাস্টমার কোথায় আছে, কোথায় সে প্রোডাক্টের মার্কেটিং করতে হবে এটি খুবই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
Business Executives দের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে সব সময় ঐসব কাস্টমারের কাছে প্রোডাক্ট পৌছে দেয়া যারা most likely সেই প্রোডাক্টটি কিনতে চায়।
বলা হয়ে থাকে,
Marketing is putting the right product, in the right place, at the right price, at the right time, in front of the customer.
Place নিয়ে যে প্রশ্নের উত্তর গুলো আপনার জানা উচিত আগেইঃ

১। আপনার টার্গেটেড কাস্টমাররা কোথায় থাকে?
২। আপনার টার্গেটেড কাস্টমাররা কোথা থেকে কেনাকাটা করে, তারা কি অনলাইন থেকে বেশি কেনাকাটা করে নাকি অফলাইন শপ থেকে?
৩। তারা কি ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করে Online Shopping করে , Desktops or Mobile devices?
৪। তারা কোন social media তে বেশি সময় কাটায় এবং Engage থাকে?
৫। আপনার competitors রা কোথায় সেল করছে?

মার্কেটিং ঠিকভাবে করতে হলে আপনার প্রোডাক্টের কাস্টমার কোথায় সেটা জানা জরুরী। তাই The Third “P” of Marketing: Place অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
আশা করি আজকের পর্বটি সবার ভাল লেগেছে।

আগামী পর্বে আমরা জানব The Fourth “P” of Marketing: Promotion নিয়ে। খুবই গুরুত্বপূর্ণ টপিক হতে যাচ্ছে আগামী পর্বটি।
সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

(অনুমতি ছাড়া কেউ পোস্ট কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিবেন না দয়া করে। একটা পোস্ট লিখতে অনেক সময় এবং রিসার্চের দরকার হয়। তাই যে কারোও লিখা কপি করলে অরিজিনাল রাইটারকে ক্রেডিট দিতে ভুলবেন না। এতে করে তারা অনুপ্রেরণা পায়)
ধন্যবাদ।

16/07/2021

The 4 Ps of Marketing: Product, Price, Place, Promotion যেটা সম্পর্কে সব Marketer এবং Business Owner দের ধারণা থাকা জরুরী।

Part-2
গত পর্বে আমরা জেনেছিলাম 4 Ps of Marketing হলো: Product, Price, Place, Promotion এবং আমরা First “P” of Marketing মানে Product নিয়ে বিস্তারিত জেনেছিলাম।
আজ আমি লিখবো The Second “P” of Marketing: Price নিয়ে। যারা প্রথম পোস্টটি পড়েননি এই পোস্ট পড়ার আগে সেটা পড়ে আসুন না হয় অনেক কিছুই বুঝবেন না। আগের পোস্টের লিংক আমি কমেন্টে দিয়ে দিব।

তাহলে শুরু করা আজ আজকের পর্ব।

The Second “P” of Marketing: Price
4 Ps of Marketing এর প্রথমেই ছিল Product এবং তার পর পরই আসে Price.
Price হলো আপনার প্রোডাক্ট কিনার জন্য কাস্টমারকে কত অর্থ ব্যয় করতে হবে। আপনার প্রোডাক্টের প্রকৃত ভেল্যুর উপর নির্ভর করে প্রোডাক্টের Price নির্ধারণ করতে হবে।
প্রোডাক্টের Price নির্ধারণ করার আগে আরও বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
Production cost, Supply Cost, Seasonal Discounts, Competitors Price, Marketing costএসব কিছু হিসেব এবং বিবেচনা করে প্রোডাক্টের Price নির্ধারণ করতে হবে।
Pricing strategy is very important. খুবই সতকর্তার সাথে প্রোডাক্টের প্রাইস নির্ধারণ করা জরুরী।
তার জন্য মার্কেট ডাটা এবং পর্যবেক্ষন স্কিল কাজে লাগাতে হবে। প্রাইজ খুব বেশি কিংবা কম করা যাবেনা। Pricing এ ব্যালেন্স ঠিক ভাবে না রাখতে পারলে তা আপনার কোম্পানির জন্য ক্ষতি ডেকে আনবে। আপনার ইন্ড্রাস্টি এবং কম্পিটিটরদের অন্যান্য বিষয় গুলোর উপর নির্ভর করে Price নির্ধারণ করতে হবে।

প্রোডাক্টের প্রাইজ নির্ধারণের আগে যেই প্রশ্ন গুলো আপনার নিজেকে করা উচিতঃ
১। কাস্টমারের কাছে আপনার প্রোডাক্টের ডিমান্ড, ভেল্যু কেমন?
২। সর্বোনিন্ম কত প্রাইজে আপনি প্রোডাক্ট বিক্রি করে প্রফিট করতে পারবেন?
৩। আপনার প্রোডাক্টের জন্য কাস্টমার সর্বোচ্চ কত অর্থ ব্যয় করতে রাজি আছে?
৪। আপনার প্রোডাক্টের জন্য মার্কেটের অন্যান্য কম্পিটিটররা কেমন প্রাইজ নিচ্ছে?
৫। আপনার প্রাইজের সাথে আপনার কম্পিটিটরদের প্রাইজের তফাৎ কেমন?

এসব কিছু বিচার বিবেচনা করে আপনাকে প্রোডাক্টের প্রাইজ নির্ধারন করতে হবে।
এই ছিল The Second “P” of Marketing: Price নিয়ে আজকের পর্ব।
আশা করি সবার ভাল লেগেছে।
আপনাদের মতামত জানাতে ভুলবেন না।

আগামী পর্বে আমরা জানব The Third “P” of Marketing: Place নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

(অনুমতি ছাড়া কেউ পোস্ট কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিবেন না দয়া করে। একটা পোস্ট লিখতে অনেক সময় এবং রিসার্চের দরকার হয়। তাই যে কারোও লিখা কপি করলে অরিজিনাল রাইটারকে ক্রেডিট দিতে ভুলবেন না। এতে করে তারা অনুপ্রেরণা পায়)
ধন্যবাদ।

16/07/2021

The 4 Ps of Marketing: Product, Price, Place, Promotion যেটা সম্পর্কে সব Marketer এবং Business Owner দের ধারণা থাকা জরুরী।

আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে টুকটাক জ্ঞানও রাখেন তাহলে আপনি কখনো না কখনো 4 Ps of Marketing সম্পর্কে শুনেছেন।
অনেকেই ভাবতে পারেন এসব হয়তো বড় বড় কোম্পানির জন্য কিন্তু না, ছোট বড় সব ধরনের বিজনেসের জন্য এই সম্পর্কে জানা এবং ইমপ্লিমেন্ট করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তো প্রথমেই জানা যাক 4 Ps of Marketing আসলে কি?
Jerome McCarthy একজন American Marketing Professor and Author ১৯৬০ সালে তার Basic Marketing: A Managerial Approach বই এ প্রথম 4 Ps of Marketing Introduce করেন।
4 Ps of Marketing কে সবাই আরও একটি নামেও জানে সেটি হচ্ছে Marketing Mix.
কোনো কোম্পানি তার ব্র্যান্ড অথবা প্রোডাক্ট প্রোমোট করতে কি কি কার্যকলাপ এবং কৌশল অবলম্বন করবে সেটাই হচ্ছে Marketing Mix বা 4 Ps of Marketing .
যেকোনো Marketing Strategy এর সামারি বা মূল স্তম্বই হচ্ছে 4 Ps of Marketing কনসেপ্টি।

মার্কেটিং এর ৪ P হলোঃ
1. Product
2. Price
3. Place
4. Promotion
শুনতে খুব সহজ মনে হলেও এগুলো ইমপ্লিমেন্ট করা খুবই কষ্টসাধ্য। যারা এসব কিছু ঠিক ভাবে করতে পারে তারাই বিজনেসে সফলতা পায়।
পোস্টের পরবর্তী অংশে আমরা এসব সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানবো।

৪ টা বিষয় নিয়ে বিস্তারিত লিখলে পোস্ট অনেক বড় হবে এবং পাঠকদের পড়তেও অনেক সময় লাগবে তাই আমি প্রতিটা টপিক নিয়ে আলাদা করে লিখব এবং ধারাবাহিক ভাবে পোস্ট করতে থাকবো।
তাই আমার সাথেই কানেক্ট থাকুন এবং কিছু জানার থাকলে অবশ্যই প্রশ্ন করতে ভুলবেন না।
আজকে আমি, The First “P” of Marketing: Product নিয়ে লিখবো।

The First “P” of Marketing: Product
Product বলতে এখানে শুধুমাত্র ফিজিক্যাল প্রোডাক্টকে বুঝাচ্ছেনা কিন্তু।
প্রোডাক্ট বলতে বুখানো হচ্ছে একটি কোম্পানি কি Sell করে সেটাকে। সেটা হতে পারে একটা ফিজিক্যাল প্রোডাক্ট, যেমনঃ একটি T-Shirt , হতে পারে কোনো সার্ভিস যেমনঃ AC Repairing Service, হতে পারে কোনো ডিজিটাল প্রোডাক্ট যেমনঃ Software or Apps, হতে পারে কোনো Consulting Service যেমনঃ Legal Advice Service. You got the idea right?
একজন মার্কেটার হিসেবে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে আপনার ক্লিয়ার ধারণা থাকা খুবই জরুরী।
আপনার প্রোডাক্ট মানুষের কোন চাহিদা পূরণ করছে, কাস্টমারের কিসের অভাব পূরণ করছে, কেন আপনার প্রোডাক্ট কিনবে, অন্য কম্পিটিটর দের চেয়ে আপনার প্রোডাক্ট কিভাবে আলদা এবং ভালো এগুলো যদি আপনি না জানেন তাহলে আপনি সে প্রোডাক্টের মার্কেটিং করতে পারবেন না, মার্কেটে টিকতেও পারবেন না।

কোন প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন কিনা তা জানার আগে আপনার কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে হবে।

• কাস্টমার আপনার প্রোডাক্ট থেকে কি প্রত্যাশা করে? কি ধরনের প্রয়োজন এই প্রোডাক্ট মিটাবে? মানে আপনি কাস্টমারের কি ধরনের Problem Solve করবেন আপনার প্রোডাক্টের মাধ্যমে।
আপনি দুনিয়ার সেরা প্রোডাক্ট তৈরি করলেন কিন্তু দেখা গেল সেটা মানুষের কোনো প্রয়োজনই মিটাচ্ছেনা তাহলে কেন তারা আপনার প্রোডাক্ট কিনবে?

•আপনার প্রোডাক্টে এমন কি আছে যেটা আপনাকে মার্কেটের অন্য কম্পিটিটর থেকে আলাদা করবে? অন্যদের থেকে আপনি কি কি ব্যাটার দিচ্ছেন যেন তারা অন্যদের প্রোডাক্ট না কিনে আপনারটা কিনবে?

• কিভাবে আপনি আপনার প্রোডাক্টকে আরও ব্যাটার বানাবেন যা আপনার কাস্টমার প্রত্যাশা করে এবং যা আপনার প্রোডাক্টকে মার্কেটের অন্য প্রোডাক্ট থেকে ইউনিক করবে।

• আপনার প্রোডাক্টের Long Term Potentiality কেমন? আপনি এমন কোনো প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন না যেটা মানুষ কিছু দিন ব্যবহার করবে, কয়েক বছর পর করবে না। এমন কোনো প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করবেন যেটা আপনি মনে করেন আগামী অনেক বছর মানুষের দরকার হবে এবং চাহিদা থাকবে।

এই ছিল 4 Ps of Marketing প্রথম পর্ব The First “P” of Marketing: Product.
আগামী পর্বে আমরা জানব The Second “P” of Marketing: Price নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন।

এই পোস্ট নিয়ে আপনার মতামত জানাতে ভুলবেন না।

(অনুমতি ছাড়া কেউ পোস্ট কপি করে নিজের নামে চালিয়ে দিবেন না দয়া করে। একটা পোস্ট লিখতে অনেক সময় এবং রিসার্চের দরকার হয়। তাই যে কারোও লিখা কপি করলে অরিজিনাল রাইটারকে ক্রেডিট দিতে ভুলবেন না। এতে করে তারা অনুপ্রেরণা পায়)
ধন্যবাদ।

14/07/2021

Keyword Research পর্ব-০৩
গুগলের adword টুলটা খুবই সাহায্যকারী যার মাধ্যমে আমরা প্রচুর পরিমাণে ডাটা research এর জন্য পেতে পারি। অবশ্য এই টুলটা এমন অনেক অপ্রয়োজনীয় keyword ও আমাদের দেয়, যার সরাসরি আমাদের সাইটের সাথে কোন যোগাযোগ নাও থাকতে পারে।

excel sheet open করুন এবং নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন এই keyword টা আমার সাইটের জন্য যথোপযুক্ত অথবা কেউ যদি search engine এ এই keyword টা প্রবেশ করায় তাহলে সেকি আমার সাইটটা খুজে পাবে। যদি আমার সাইটটা কেউ search engine এর মাধ্যমে খুজে পায়, তাহলে আমি কি তাদের প্রয়োজনমত information অথবা service দিতে পারছি বা পারবো। তারপর সেই সমস্ত phrase গুলো খুজে বের করুন, যে word গুলো আপনার ওয়েবসাইটের সাথে related না এবং সেগুলো বাদ দিন।

যেমন দেখুন এখানে আমরা উদাহরণ হিসেবে যে সাইটটা ব্যবহার করছি তার সাথে kindle, ebook reader, book reviews ইত্যাদি শব্দগুলো related কিন্তু দেখুন একদম শেষে kindled শব্দটি related নয়, তাই আমরা এটিকে বাদ দিব।

এভাবে সমস্ত irrelevant word গুলো বাদ দিন এবং সবশেষে Excel sheet টা সেভ করুন।

এখন আমাদের কাজ হবে, যে sheet টা আমরা সেভ করছি ঐটা open করা এবং এখান কিছু highly related keyword select করা এবং phrase গুলো যেন বিভিন্ন category তে ভাগ করা যায়। এখন ধরুন আমরা 'electronic book reader' phrase টা নির্বাচন করলাম যা আমাদের ওয়েবসাইটের বিষয়ের সাথে highly related.

এখন আমরা এই keyword copy করে আগের পর্বে দেখানো নিয়মানুযায়ী google adword tool এর মাধ্যমে আমরা electronic book reader phrase টার সাথে related অন্যান্য phrase গুলো এবং search এর পরিমাণ বের করব এবং তারপর আগের নিয়মে excel sheet save করব এবং অপ্রয়োজনীয় keyword গুলো বাদ দিব।

তারপর আমরা একটা excel এ এই ফাইলগুলোকে sheet আকারে রাখব এতে করে কাজ করতে অনেক সুবিধা হবে। প্রথম ফাইলটা General Keywords নামে একটা sheet এ সেভ করুন এবং ২য় ফাইলটা electronic book reader নামক একটা sheet এ সেভ করুন।

এভাবে করে আরো কয়েকটি category (highly related) নির্বাচন করে, google adword tool এর মাধ্যমে আপনার সাইটের সাথে related keyword গুলো বাছাই করুন এবং excel এ sheet আকারে সেভ করুন।

আমাদের সেভ করা last ফাইলটা ওপেন করুন, যেখানে আমাদের keyword এবং monthly search volume আছে। এখন আমাদের কাজ হবে, বিভিন্ন keyword এর competitiveness বের করা। এখানে আমরা competetiveness অর্থ বলতে পারি যে, একটা keyword optimize করা সহজ নাকি কঠিন সেটা বুঝায়। আরও বিস্তারিতভাবে বলতে পারি, ঐ keyword টার জন্য ওয়েবে কতগুলো পেজ প্রতিযোগীতা করছে। কাজেই প্রতিযোগী যত বেশি হবে, ঐ keywordটা optimize করা তত কঠিন হবে। তাই আমাদের এমন keyword নির্বাচন করতে হবে, যে keyword এর প্রতিযোগী কম, কিন্তু search বেশি।

10/07/2021

Keyword Research পর্ব-০২
এবার আসুন গত পর্বে দেখানো নিয়মানুযায়ী keyword research শুরু করি। এখানে আমি উদাহরণ হিসেবে যে, ছবিগুলো ব্যবহার করেছি, তা Jill Whalen নামক একজন Seo Trainer এর keyword research থেকে নেয়া হয়েছে। উনি lynda এর video tutorial করেছেন।

প্রথমে একটি word file এ আপনার ওয়েবসাইটটি যে সার্ভিস প্রোভাইড করে তা লিখুন এবং তারপর আপনার ওয়েবসাইটের Goal লিখে ফেলুন। সাথে আরো লিখুন, Brainstorming এর মাধ্যমে আমরা যে phrase গুলো পেয়েছি সেগুলো। উদাহরণ হিসেবে দেয়া ছবির, text টুকু পড়ুন।

তাহলেই বুঝতে পারবেন আমরা যে ওয়েবসাইট নিয়ে কাজ করব সেটার মেইন উদ্দেশ্য হল Amazon Kindle এর বিভিন্ন product review করা, এদের সর্ম্পকে বিভিন্ন তথ্য দেয়া এবং সেই সাথে এই product গুলা বিক্রি করা amazon's affilliate program এর মাধ্যমে।

এবার আমরা ছবিতে দেখানো url এ প্রবেশ করি অর্থাৎ google adwords tool এ প্রবেশ করি। red marked অংশগুলো লক্ষ করুন। বামপাশে দেখানো website content এর radio button টি click করলে, আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের link ডানপাশে মার্ক করা অংশে দিতে পারব। এখান থেকে আমরা বিভিন্ন keyword phrase সর্ম্পকে ধারনা পেতে পারি।

যেহেতু আমরা brainstorming এর মাধ্যমে কিছু phrase আগে থেকে ঠিক করে রাখছি। তাই আমরা Descriptive words or phrases option select করে ডান পাশে মার্ক করা অংশে আমাদের keyword গুলো পেস্ট করে দিব। তারপর Use synonyms এ টিক দিয়ে Get keyword ideas এ click করুন।

নিচের দিকে scroll করুন তাহলে নিচের মত একটি list দেখতে পাব। তারপর Broad Match থেকে Exact Match সিলেক্ট করুন। তাহলে আমরা নির্দিষ্ট phrase এর জন্য result দেখতে পাব।

তারপর নিচের ছবির মত Choose columns to display থেকে Hide Advertiser competition এবং hide local search volume এ ক্লিক করি। তাহলে আমাদের screen টা নিচের মত দেখতে হবে। এখানে এই দুইটা hide করব কারন আমরা আমাদের মত করে keyword research করব।

হাইড করার পর এমন হবে।

এখন নিচের দিকে স্ক্রল করে csv for excel এ ক্লিক করে। এই ফাইলটা excel আকারে save করে নিন। এই ফাইলের মাধ্যমে আমরা পরবর্তীতে, খুব সহজেই কাজ করতে পারব।

09/07/2021

Keyword Research পর্ব-০১

কেন করবেন keyword research?
১. কারণ মানুষ kewword ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় সমাধান খোজে

২. SEO চায় সবসময় best result দেখাতে

৩. আপনার জানা উচিৎ কোন ধরনের keyword বেশি খোজা হচ্ছে

৪. সবথেকে প্রধান কারণ হল, keyword research tools আপনাকে সাহায্য করে এটা জানার জন্য যে, ওয়েবে কি খোজা হচ্ছে এবং কি খোজা হচ্ছে না

keyword research এর জন্য অনেক ধরনের tools আছে। তার মধ্যে wordtracker, keyword discovery, google Adwords etc অন্যতম।

অধিকাংশ মানুষ google adwords ব্যবহার করে - এটা অনেক দ্রুত ও বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।

Keyword Research এর নিয়ম:
আসলে এটার কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই, বাজারে অনেক paid tool পাওয়া যায়, যা দিয়ে খুব সহজ ভাবে সঠিক keyword select করা যায়। কিন্তু

আমরা যেহেতু ঐসব paid tools ব্যবহার করব না, তাই আমাদের keyword researchএর basic procedure জানা উচিৎ।

Keyword Research এর সময় ৭টা জিনিস বিবেচনা করা উচিৎ


১. Brainstorming (কোন বিষয়ে চিন্তা করা): আমার Target Market কে এবং ঐ বিষয়ের উপর কোন keyword নিয়ে চিন্তা করা এবং লক্ষ করা যে, আমি কি স্থানীয়ভাবে না দেশের ভিতরে, নাকি সারা বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগীতা করতে চাচ্ছি। আমার target market এর উপর কি লিঙ্গ, বয়স ঐ দেশের Income এর কোন যোগসূত্র আছে, যদি থাকে তাহলে এটা কিভাবে আমার desired keyword এর উপর প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন: আপনার যদি একটি Furniture এর দোকান থাকে শুধুমাত্র একটি জেলাতে তাহলে আপনার keyword হতে পারে \"Khulna Furniture\" আবার আপনার যদি Otobi এর মত একটি প্রতিষ্ঠান থাকে তাহলে আপনাকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চিন্তা করতে হবে।

সঠিক keyword selection এর জন্য আপনি আরো যে কাজ করতে পারেন, তা হল আপনি আপনার target customer, sales people, friend and relatives দের জিজ্ঞাসা করতে পারেন তারা ঐ বিষয়ে search করতে হলে কোন wordটা বাছাই করত। এমনও হতে পারে, আপনি যে technical terms চিন্তা করছেন, তাদের সাথে তা নাও মিলতে পারে। আপনি আপনার বিষয় সম্পর্কিত বিভিন্ন Online forum/blogs visit করতে পারেন। আপনি আপনার Competitors এর ওয়েবসাইট visit করে সেখান থেকে ধারনা নিতে সে কি করছে, কোন ধরনের keyword ব্যবহার করছে ইত্যাদি। তারপর আপনার idea গুলো একটা কাগজে লিখে রাখুন।

২.keyword গুলোকে বিভিন্ন বিষয়ানুযায়ী ভাগ করা :আপনার product অথবা service অনুযায়ী একের অধিক keyword set তৈরি করুন। অনেক সময় এই step টা সঠিক ভাবে করা সম্ভব নাও হতে পারে, কারন আপনি যতক্ষণ না keyword research করছেন, ততক্ষণ আপনি জানতে পারবেন না, অন্যরা কোন ধরনের search term ব্যবহার করছে। তাই অনেক সময় এই ধাপটা research এর আগেও করা হয়। যখন যেভাবে সুবিধা হয়।

৩. research করা :

keyword research করার জন্য আপনি keyword research tools ব্যবহার করতে পারেন।
যে কোন ক্যাটাগরি একটা seed phrase পছন্দ করুন ।

অথবা যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থেকে থাকে, তাহলে আপনি সরাসরি google keyword research tool এ আপনার desired url টি প্রবেশ করান।

৪. compile বা সংকলন করা : এখন keyword research tools থেকে Export spreadsheet করুন।

যদি প্রয়োজন মনে করেন তাহলে keyword গুলোকে Re-categorize করতে পারেন

৫. remove বা অপসারণ করা :

spreadsheet খোলা থাকা অবস্থায় কোন non-relevant phrases বাদ দিতে পারেন।

যেসব keyword এর search count low সেগুলো বাদ দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করুন। দরকার হলে আপনার ক্লায়েন্টকে জিজ্ঞাসা করুন।

৬. Determine Competitiveness : এখানে আপনার সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, আপনি কি অনেক বেশী প্রতিযোগীতা চান নাকি অল্প। প্রতিটা Phrase এর একটি আলাদা আলাদা competitiveness আছে। এখন আপনি যদি সবাই যে phrase এর পিছনে দৌড়াচ্ছে, আপনিও তার পিছনে গেলে আপনার জন্য target achieve করা কঠিন হয়ে যাবে। তাই এমন keyword ঠিক করতে হবে যা থেকে প্রয়োজনীয় ভিজিটর পাওয়া যাবে, আবার প্রতিযোগীতাও কম থাকবে।

Competitiveness অনুযায়ী phrase গুলোকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:

1.highly competitive
2.fairly competitive
3.non-competitive

৭. সঠিক keyword select করুন:

এই ধাপগুলো শেষ হয়ে গেলে আপনি খুব সহজেই আপনার keyword গুলো পছন্দ করতে পারবেন। keyword select করার সময় নিচের বিষয়গুলোর
উপর লক্ষ্য রাখুন:

1.number of searches
2.relevancy to your web site (ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা)
3.competitiveness level

09/07/2021

SEO কী? কেন ব্যবহার করা হয়?

সবাইকে আমার প্রথম ধারাবাহিক seo সম্পর্কিত লেখায় স্বাগতম। শিরোনাম দেখে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগতে পারে, A to Y পর্যন্ত অর্থ কি? এটা তো A to Z হওয়া উচিৎ। আসলে seo এর বিষয়বস্তু এত বিশাল যে কারো পক্ষেই সম্পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব নয় এবং প্রতিনিয়ত seo এর rules গুলো পরিবর্তন হচ্ছে। তাই এটা A to Y পর্যন্ত।

seo সম্পর্কিত অনেক টিউটোরিয়ালই আছে, কিন্তু সেগুলোর অধিকাংশ ইংরাজীতে হওয়ায় অনেকেরই ঠিকমতো বুঝতে অনেক সমস্যা হয়। বাংলাতে seo বিষয়ে যে পোস্টগুলো আছে, তার প্রায়ই সবই Entry Level এর। তাই আমি চেষ্টা করব আপনাদের Entry level থেকে Advance level এর seo সম্পর্কে ধারনা দেয়ার, যদিও Basic rules গুলো একই। তাই seo এর জন্য Fundamental rulesগুলো জানা খুব জরুরী।

আমার লেখায় যদি কোন ভুল ক্রটি থাকে, তবে আমাকে তা যে কেউ কমেন্টের মাধ্যমে জানালে, আমি খুবই খুশি হবো। Seo এমন একটি বিষয় যে বিষয়ে Knowledge share করার মাধ্যমেই সঠিক জ্ঞানার্জন করা সম্ভব। আর আমার লেখায় যদি কোন শব্দের অর্থ বুঝতে সমস্যা হয়, তাহলে গুগল করতে পারেন বা আমাকেও জানাতে পারেন। অনেক কথা বলে ফেললাম চলুন মূল প্রসঙ্গে যাই।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (seo) কি এবং কেন ব্যবহার করা হয়?
২ধরনের search result আছে।

1. 2.Paid.

আমরা এখানে organic search result নিয়ে কথা বলব। কারন এটা Free আর paid search result এ তো টাকা খরচ করলেই Ad দেওয়া যায়।

প্রথমেই আমাদের জানা উচিৎ search কিভাবে কাজ করে?
search engine প্রধানত দুইটা component নিয়ে কাজ করে:

Crawler - এটা প্রধানত বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে Information Collect করে (spider, robot/bot মাধ্যমে) এখানে Search Engine or SE প্রধানত যেকোন link কে follow করে তারপর তথ্য সংগ্রহ করে এবং তাদের ডাটাবেসএ সেই তথ্য সংরক্ষণ করে।
Algorithm -এখানে search engine প্রাপ্ত information গুলো বিশ্লেষণ করে, বিভিন্ন page এর content এর relevancy ও quality অনুযায়ী ranking প্রদান করে। SE এর Algorithm অনেক factor এর উপর নির্ভর করে।



seo - search engine optimization. বাংলাতে সংজ্ঞা দিলে বলা যায়, seo হল কিছু নিয়মনীতি/টেকনিক যার মাধ্যমে কোন একটা ওয়েবসাইট বিভিন্ন ধরনের সার্চ ইঞ্জিন (google, msn, yahoo etc) থেকে বেশি পরিমাণে ভিজিটর/ট্র্যাফিক পেতে পারে। আসলে, seo এর মাধ্যমে যে কোন ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথমে পাতায় আনতে পারলে, ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনাও অনেকাংশে বেড়ে যায়।

আরো সহজ ভাবে বলা যায়: যদি আমরা একটি গান ডাউনলোড করতে চাই, তাহলে আমরা সাধারণত যে কাজটি করি তা হল google এ আমরা ঐ গানের লাইনটি লিখে search করি। এখন লক্ষ্য করুন আমরা search button press করার পর google কিছু website এর নাম দেখায় যেখানে আমরা ঐ গানটি পেতে পারি। এভাবে google প্রতি page এ ১০টি ওয়েরসাইটএর নাম দেখায়। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে কেন কিছু সাইট প্রথম পেজে আসলো, আর কেনইবা বাকি ওয়েবসাইটগুলো পেছনের পেজে গেলো - google কি ইচ্ছা মত করছে নাকি এর পেছনে অন্য কোন কারণ আছে? নিশ্চয় প্রথমপেজের সাইটগুলোর মধ্যে বিশেষ কিছু আছে, যা অন্য সাইটগুলাতে নাই। এই বিশেষ কিছুই হল seo এর কৌশল, যার মাধ্যমে আপনিও আপনার ওয়েবসাইটটিকে প্রথম পেজে নিতে পারেন। আর প্রথম পেজ মানেই বেশি বেশি ভিজিটর।

seo তে যারা নতুন তারা Google Webmaster Guideline follow করতে পারেন। আপনি যদি বেসিক rules follow করেন তাহলে আপনাকে seo নিয়ে বেশি চিন্তা করতে হবে না। আমরা একটা ওয়েবসাইট বানাই ভিজিটরের জন্য, কাজেই আপনি যদি তারা যা জানতে চায়, তা যদি তাদের কাছে সঠিক ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন, তাহলেই আপনার ৫০-৬০% seo হয়ে গেলো।

একজন ভিজিটর কেন search করে: হয় তারা কোন প্রশ্নের উত্তর খুজছে, বা তারা কোন সমস্যার সমাধান খুজছে অথবা তারা তাদের প্রয়োজন মেটাতে চায়। আপনি যদি আপনার সাইটের মাধ্যমে তাদের প্রশ্নের উত্তর, সমস্যার সমাধান বা তাদের প্রয়োজনীয় তথ্য তাদের দিতে পারেন তাহলে আপনার আর কোন চিন্তা নেই।

seo কে সাধারণত ২ভাগে ভাগ করা হয়:

1.On Page Seo এবং
2.Off page seo.

On page seo: সহজভাবে বলা যায়, আপনি আপনার ওয়েবসাইট সর্ম্পকে যা বলছেন তা On Page Seo আর Off page seo হল অন্যরা আপনার সর্ম্পকে যা বলছে।

seo এর ব্যবহার:
ধরুন আপনার একটি Baseball বিষয়ক সাইট আছে যা বর্তমানে #১০ এ অবস্থান করছে। আপনি চাচ্ছেন কেউ যদি search engine এ \"Baseball Cards\" লিখে search করে তাহলে এটি #১ অবস্থানে দেখাবে - এটা করতে হলে আপনাকে ঐ সাইট এর seo করতে হবে। seo সাধারণত কোন popular search term বা keyword ব্যবহার করে করা হয়। এখন আপনি যদি seo করে আপনার Brand name কে উপরের দিকে নিতে চান এবং সফলও হন, তাহলেও এটিকে ঠিক seo বলা যায় না। কারণ search engine যথেষ্ট smart এবং se আপনার company name ও keyword কে খুব সহজেই আলাদা করতে পারে। আর প্রধান ব্যাপার হল, যে keyword এর জন্য যত প্রতিযোগীতা, সেই keywordএ rank করা তত কঠিন।

এই জন্য seo শুরু করার আগে কিছু planning করে নেয়া ভাল। ধরুন, আপনি একটি নতুন সাইট খুললেন, যে বিষয়ে আগে থেকেই লাখ লাখ প্রতিযোগী আছে, আর অন্য একজন একটা সাইট বানাল যে বিষয়ে হয়ত ১০০০টা সাইট আছে, এখন আপনিই বলুন কোথায় প্রতিযোগীতা করা সহজ হবে লাখের ভেতরে না হাজার এর ভিতরে?

এই কারণে সাইট এর সঠিক seo planning এর জন্য সঠিক keyword নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। keyword selection ঠিক না হলে আপনি আপনার কাঙ্খিত ফলাফল পাবেন না। কারণ কোন মানুষ যখন Search engine কোন কিছু খোজে তখন এই search term গুলো ব্যবহার করে। কাজেই আপনি যদি না জানেন যে মানুষ কি খুজছে, তাহলে আপনি কিভাবে তাদের প্রয়োজন পূরণ করবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Website

Address


Hathazari
Chittagong
4330