Mayani Bagala Kumar Primary School

Mayani Bagala Kumar Primary School

Share

এটি একটি আদর্শ বিদ্যালয়।

29/03/2026
Photos from Mayani Bagala Kumar Primary School's post 30/12/2025

আজ মায়ানী বগলা কুমার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৫ইং বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি কর্মদূত ভদন্ত জিনালংকার মহাথেরো। তাঁর সান্নিধ্যে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিদ্যালয়ের নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ, শিক্ষার্থীরা এবং সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ।

সকলের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি।

25/06/2025

ভাইয়ে ভাইয়ে কতটা মিল থাকলে চারটা পরিবারে যুগের পর যুগ একসাথে বসবাস করা যায়? আসলেই কি সম্ভব?

হ্যাঁ - অবশ্যই সম্ভব যদি বৌয়ের কথায় উঠাবসা না করেন।
আর জায়গা সম্পত্তি নিয়ে ভাগাভাগি মারামারি না হয়।

শুধু বৌয়ের কারনে আজ কতো ভাইয়ে ভাইয়ে যুগের পর যুগ সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন,,, শুধু ভাইয়ে ভাইয়ে না, কতো মা বাবার সাথে ও সম্পর্ক নেই অনেক ছেলর এরকম অহরহ আছে।🥲

পরিশেষে কথা একটাই - ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন তবুও পৃথক হয় নারীর কারণ,, ও সম্পত্তি ভাগাভাগির কারণ।

বর্তমান সমাজে এরকম পরিবার একেবারে নেই বললেই চলে
তাঁরা যে ধর্মের হোক না কেন এই বন্ধন অটুট থাকুক।❤️

ভালো থাকুক ভাইয়ে ভাইয়ে মধুর সম্পর্ক গুলো এবং আরও ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল মা বাবা ভাই বোনদের সম্পর্ক।

12/06/2025

মায়ের স্বপ্ন ছিল ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত বানাবে। তাই নিজের সর্বোচ্চ উৎসর্গ করে ছেলেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করান। পরে অতি কষ্টে টাকা সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠান উচ্চশিক্ষিত করতে।

অবশেষে ছেলে এখন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েছে। এরপর দেশে আসলে ছেলেকে একজন এডভোকেট নারীর সাথে বিয়ে করায় মা। কত সুখী পরিবার, তাই না?

কিন্তু গতকাল ছেলে ও বউ মিলে সেই মাকে বৃ /দ্ধা /শ্র /মে পাঠিয়েছে। এটাই নাকি এই ঈদে তার জন্য সারপ্রাইজ।

06/06/2025

মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আমাদের কত টাকা রয়ে যায়! অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না।

সেদিন এক ধনকুবের মারা গেলেন। ভদ্রলোকের বিধবা স্ত্রী ২০০ কোটি টাকার মালিক হয়ে তার মৃত স্বামীর ড্রাইভারকে বিয়ে করে ফেললেন। সদ্য বিবাহিত ড্রাইভার মনে মনে বলল, এতদিন জানতাম আমি আমার মালিকের জন্য কাজ করেছি। এখন দেখি আমার হৃদয়বান মালিকই আমার জন্য শ্রম দিয়ে গেছেন!

নিরেট সত্যটি হচ্ছে, অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে সুস্থ শরীর এবং দীর্ঘজীবন লাভ করা অনেক বেশি জরুরি।

তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়ে তোলা উচিত।

আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায়। যেমন:

* দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

* একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।

* প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

* কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

* আপনার সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্য। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না।

তাহলে করণীয় কী?

✓ অসুস্থ না হলেও সুযোগ থাকলে মেডিকেল চেকআপ করুন।

✓ অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

✓ মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

✓ রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন, কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

✓ পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন। শরীরের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এর বিকল্প নেই।

✓ সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

✓ যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীর সাথে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও হাত ধরে হাঁটুন, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যান। তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

✓ ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

✓ সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে সামর্থ্য অনুযায়ী নিজের দেশকে এমনকি ভিনদেশে বেড়াতে নিয়ে যান।

✓ ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন। মনে রাখবেন, সকল ধনী লোক কিন্তু মানসিক শান্তিতে থাকে না।

✓ মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয়, রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না।

✓ বৃষ্টিজলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১বার গায়ে রোদ লাগান।

✓ মাঝে মাঝে উচ্চস্বরে হাসবেন।

জীবন তো একটাই, তাই পরিপূর্ণভাবে বাঁচার চেষ্টা করুন।

01/06/2025

প্রিয় সন্তান,

আমি যখন বার্ধক্যে উপনীত হবো, আমি আশা করবো “তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”, ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি, অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে ন*ষ্ট করি! কারণ আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হরিয়ে ফেলছি, আশা করি তুমি আমার প্রতি চিৎকার করবে না।

বয়স্ক মানুষ খুব স্প*র্শকাতর! তুমি যখন চিৎকার করে কথা বলো তখন তারা নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যায়, অসহায় আর অপরাধী মনে করে নিজেকে। যখন আমার শ্রবণশক্তি শেষ হয়ে আসছে এবং আমি শুনতে পাচ্ছি না তুমি কী বলছ! তোমার তখন আমাকে “বধির” বলা উচিৎ নয়। দয়া করে তুমি পুনরায় বলো।

আমি দুঃখিত বাবা! আমি বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছি, আমার পা দুর্বল হয়ে আসে। আমি মনে মনে চাই তোমার সে ধৈর্য থাকবে আমাকে দাঁড়াতে সাহায্য করার জন্য। যেভাবে আমি তোমার পাশে ছিলাম, যখন তুমি ছোট ছিলে হাঁটতে শিখছিলে পা পা করে।

আমার কথা শুনো, যখন আমি অসহায়ের মত তোমার নিকট কথা বলবো। ভাঙা রেকর্ডের মতো, আমি চাইবো তুমি শুধু আমার কথাটুকু শুনবে, আমাকে নিয়ে ঠাট্টা করো না অথবা আমার কথা শুনে বিরক্ত হয়ো না।

তোমার মনে আছে? তুমি ছোট থাকতে আমার কাছে ৫ টাকার চেয়েছিলে! সেটা না পাওয়া পর্যন্ত তুমি বারবার আমাকে সেটাই বলতে,সারাক্ষণ জিজ্ঞেস করতে। “কখন দেবে কখন দেবে ”এবং আমার গন্ধ সহ্য করো, বৃদ্ধের মতই আমার গন্ধ হবে, এজন্য দয়া করে আমাকে গোসল করার জন্য জোর করোনা, আমার শরীর দুর্বল, ঠাণ্ডায় বয়স্ক মানুষেরা খুব তাড়াতাড়ি অসুস্থ হয়ে পড়ে।

আমার আশা আমি তোমাকে অমার্জিত করিনি। তুমি যখন ছোট ছিলে, আমাকে তোমার পেছনে দৌড়াতে হতো, কারণ তুমি গোসল করতে চাইতে না। আমি যখন সহজে রেগে যাই, এটা বয়স্ক হবার একটা সাধারণ দো'ষ, বার্ধক্য আসলে তুমি নিজেই বুঝতে পারবে। আর যখন তোমার অলস সময় থাকবে, আমি আশা করবো তুমি আমার সাথে একটু সময়ের জন্য হলেও কথা বলো, আমি এ সময়ে সর্বদা একাকীত্বে ভুগি এবং কথা বলার মানুষ পাই না।

আমি জানি তুমি ব্যস্ত থাকো! কাজের মাঝে যদিও তুমি আমার কথায় ও গল্পে আনন্দ না পাও! আমার জন্য কিছু সময় রেখো। তুমি যখন ছোট ছিলে তোমার কী মনে পড়ে? তোমার গল্পও কথাও আমি শুনতাম।

যখন সময় আসবে আমি অসুস্থ হয়ে পড়বো এবং বিছানায় শায়িত হয়ে পড়বো, তুমি কী আমার যত্ন করার মতো ধৈর্য রাখবে? আমি দুঃখিত, দুর্ঘটনা বশত যদি বোকার মত আচরণ করি, আমি আশা করি তুমি এটুকু ধৈর্য রাখবে জীবনের শেষ মুহূর্তগুলোতে আমাকে দেখে রাখার জন্য, আমি আর বেশিদিন বেঁ'চে থাকব না।

যাই হোক! যখন আমার মৃ*ত্যু আসবে, তুমি কী আমার হাত ধরে থাকবে না, যা আমাকে মৃ*ত্যুকে আলিঙ্গন করার জন্য সাহস যোগাবে! এবং চিন্তা করোনা। যখন আমার সৃষ্টিকর্তার সাথে দেখা হবে, আমি তার কানে অবশ্যই বলবো তোমাকে অনুগ্রহ করতে, কারণ তুমি তোমার বাবা-মাকে ভালবেসেছিলে।

প্রতিটি বাবা-মা তার সন্তানের কাছে হয়তো
এইটুকুই চেয়ে থাকে হয়তো মুখে বলে না!

সংগৃহীত

23/05/2025

একদিন এক শিক্ষক একটি অংক কষতে দিয়ে ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বললেন, "তোমাদের মধ্যে যে অংকটি পারবে, তাকে আমি এই জুতা জোড়া উপহার দেব।

প্রত্যেকেই অংকটির সঠিক উত্তর দিল।

শিক্ষক কিছুটা হতাশ হয়ে বললেন, "আমি তো মাত্র একজনকে জুতা দিতে পারব। একটা কাজ কর, একটা বাক্স নিয়ে এসো, লটারি করা যাক! তোমরা তোমাদের নাম আর রোল নম্বর লিখে বাক্সের মধ্যে দাও। লটারিতে যার নাম উঠবে সে-ই জুতা জোড়া পাবে।"

শিক্ষকের কথামতো ছাত্রছাত্রীরা তাদের নাম আর রোল নম্বর লিখে বাক্সে ফেলল। শিক্ষক বাক্স একটু ঝাঁকিয়ে চোখ বন্ধ করে একটি কাগজ তুলে বললেন, "আমি কি নামটি পড়ব?"

ছাত্রছাত্রীরা সমস্বরে বলল, "পড়ুন স্যার!"

শিক্ষক পড়লেন, "রাজু। রোল নম্বর ১।"

ছাত্রছাত্রীরা হাত তালি দিয়ে রাজুকে অভিনন্দন জানাল। শিক্ষক নিজের হাতে জুতা জোড়া বিজয়ী ছাত্রের হাতে তুলে দিলেন।

কিছু সময় পর টিচার্স রুমে ওই শিক্ষককে কাঁদতে দেখে সহকারী শিক্ষক জিজ্ঞাসা করলেন, "স্যার, আপনার চোখে অশ্রু কেন?"

শিক্ষক জুতার ঘটনা খুলে বলে বললেন, "রাজু ক্লাসের একমাত্র ছাত্র যে কিনা খালি পায় ক্লাসে আসে। আমি ওর কথা চিন্তা করেই অংকটি দিয়েছিলাম। সবাই অংকের সঠিক উত্তর দিল। সবচেয়ে অবাক লাগল, যখন লটারির বাক্স খুলে দেখলাম ছাত্রছাত্রীরা তাদের নিজের নাম না লিখে, সবাই রাজুর নাম লিখেছে, যাতে করে জুতা জোড়া রাজু পায়!"

Photos from Mayani Bagala Kumar Primary School's post 22/03/2023
Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Mayani
Chittagong

Opening Hours

09:00 - 17:00