নোয়াখালী আইন কলেজ - "প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী ফোরাম"
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from নোয়াখালী আইন কলেজ - "প্রাক্তন ছাত্র ছাত্রী ফোরাম", Education, Noakhali, Chittagong.
05/02/2024
১ বছর মেয়াদি চারুকলা ও আইসিটি কোর্সে ভর্তি চলছে
সেশন: জানুয়ারি-ডিসেম্বর ২০২৪ইং
ভর্তি ও রেজিষ্ট্রেশনের শেষ তারিখ : ১৮-০৫-২০২৪ ইং
প্রিয় অনার্স /ডিগ্রি /ফাজিল পাস শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম
কেমন আছেন আপনারা?
ঘুষ দিয়ে চাকরি আর নয়। অনার্স /ডিগ্রি/ফাজিল পাশ করেও বর্তমান বাংলাদেশে বেকার বসে থাকাটা বোকার সাথে তুলনা করা। সারা বাংলাদেশে হাজার হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিল্প ও সংস্কৃতি( চারুকলা) এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি (আইসিটি) পদ গুলো খালি পড়ে আছে যেগুলোতে জব নিতে আপনাদের ভয় তারা করছে NTRCA পরীক্ষা, আসলেই কি কঠিন? না তা নয় একেবারেই সহজ NTRCA পরীক্ষা পাস করা, সামান্য গাইড লাইনে আপনার জীবন ঘুরে দাঁড়াতে পারে,তাই আজই চলে আসুন আইডিয়াল প্রফেশনাল ইন্সটিটিউট এ, আপনার ভয় ভীতিকে জয় করে ছিনিয়ে নিন হাজার হাজার শুন্য পদ থেকে আপনার চাকুরীটি।
যোগাযোগ - আইডিয়াল প্রফেশনাল ইন্সটিটিউট, মাদাম, সদর, লক্ষিপুর।
#হটলাইনঃ 📱01330-019111, 01859-001573
12/12/2022
এলএলবি শেষ বর্ষ পরীক্ষা২০২০ এর রুটিন প্রকাশ।
#ভূমি বিষয়ক তথ্য
#খতিয়ান কী ?
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাদিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরন সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।
#সি,এস রেকর্ড কী ?
সি,এস হল ক্যাডাস্টাল সার্ভে। আমাদের দেশে জেলা ভিত্তিক প্রথম যে নক্সা ও ভূমি রেকর্ড প্রস্তুত করা হয় তাকে সি,এস রেকর্ড বলা হয়।
#এস,এ খতিয়ান কী ?
সরকার কর্তৃক ১৯৫০ সনে জমিদারি অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন জারি করার পর যে খতিয়ান প্রস্তুত করা হয় তাকে এস,এ খতিয়ান বলা হয়।
#নামজারী কী ?
উত্তরাধিকার বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোন প্রক্রিয়ায় কোন জমিতে কেউ নতুন মালিক হলে তার নাম খতিয়ানভূক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলে।
#জমা খারিজ কী ?
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়।
#পর্চা কী ?
ভূমি জরিপকালে প্রস্তুতকৃত খসরা খতিয়ান যে অনুলিপি তসদিক বা সত্যায়নের পূর্বে ভূমি মালিকের নিকট বিলি করা হয় তাকে মাঠ পর্চা বলে। রাজস্ব অফিসার কর্তৃক পর্চা সত্যায়িত বা তসদিক হওয়ার পর আপত্তি এবং আপিল শোনানির শেষে খতিয়ান চুরান্তভাবে প্রকাশিত হওয়ার পর ইহার অনুলিপিকে পর্চা বলা হয়।
#তফসিল কী ?
তফসিল অর্থ জমির পরিচিতিমূলক বিস্তারিত বিবরন। কোন জমির পরিচয় প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট মৌজার নাম, খতিয়ান নং, দাগ নং, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমান ইত্যাদি তথ্য সমৃদ্ধ বিবরনকে তফসিল বলে।
#মৌজা কী ?
ক্যাডষ্টাল জরিপের সময় প্রতি থানা এলাকাকে অনোকগুলো এককে বিভক্ত করে প্রত্যেকটি একক এর ক্রমিক নং দিয়ে চিহ্নিত করে জরিপ করা হয়েছে। থানা এলাকার এরুপ প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
#খাজনা কী ?
ভূমি ব্যবহারের জন্য প্রজার নিকট থেকে সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে ভুমি কর আদায় করে তাকে ভুমির খাজনা বলা হয়।
#ওয়াকফ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মুসলিম ভূমি মালিক কর্তৃক ধর্মীয় ও সমাজ কল্যানমুলক প্রতিষ্ঠানের ব্যায় ভার বহন করার উদ্দেশ্যে কোন সম্পত্তি দান করাকে ওয়াকফ বলে।
#মোতওয়াল্লী কী ?
ওয়াকফ সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধান যিনি করেন তাকে মোতওয়াল্লী বলে।মোতওয়াল্লী ওয়াকফ প্রশাষকের অনুমতি ব্যতিত ওয়াকফ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন না।
#ওয়রিশ কী ?
ওয়ারিশ অর্থ ধর্মীয় বিধানের আওতায় উত্তরাধিকারী। কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলে আইনের বিধান অনুযায়ী তার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্নীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে ওয়ারিশ বলা হয়।
#ফারায়েজ কী ?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
#খাস জমি কী ?
ভূমি মন্ত্রনালয়ের আওতাধিন যে জমি সরকারের পক্ষে কালেক্টর তত্ত্বাবধান করেন এমন জমিকে খাস জমি বলে।
#কবুলিয়ত কী ?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহন করে খাজনা প্রদানের যে অংঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
#দাগ নং কী ?
মৌজায় প্রত্যেক ভূমি মালিকের জমি আলাদাভাবে বা জমির শ্রেনী ভিত্তিক প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার লক্ষ্যে সিমানা খুটি বা আইল দিয়ে স্বরজমিনে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়। মৌজা নক্সায় প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে জমি চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রদত্ত্ব নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে।
#ছুট দাগ কী ?
ভূমি জরিপের প্রাথমিক পর্যায়ে নক্সা প্রস্তুত বা সংশোধনের সময় নক্সার প্রত্যেকটি ভূ-খন্ডের ক্রমিক নাম্বার দেওয়ার সময় যে ক্রমিক নাম্বার ভূলক্রমে বাদ পরে যায় অথবা প্রাথমিক পর্যায়ের পরে দুটি ভূমি খন্ড একত্রিত হওয়ার কারনে যে ক্রমিক নাম্বার বাদ দিতে হয় তাকে ছুট দাগ বলা হয়।
#চান্দিনা ভিটি কী ?
হাট বাজারের স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান অংশের অকৃষি প্রজা স্বত্ত্য এলাকাকে চান্দিনা ভিটি বলা হয়।
#অগ্রক্রয়াধিকার কী ?
অগ্রক্রয়াধিকার অর্থ সম্পত্ত্বি ক্রয় করার ক্ষেত্রে আইনানুগভাবে অন্যান্য ক্রেতার তুলনায় অগ্রাধিকার প্রাপ্যতার বিধান। কোন কৃষি জমির মালিক বা অংশিদার কোন আগন্তুকের নিকট তার অংশ বা জমি বিক্রির মাধ্যমে হস্তান্তর করলে অন্য অংশিদার কর্তৃক দলিলে বর্নিত মূল্য সহ অতিরিক্ত ১০% অর্থ বিক্রি বা অবহিত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে জমি ক্রয় করার আইনানুগ অধিকারকে অগ্রক্রয়াধিকার বলা হয়।
#আমিন কী ?
ভূমি জরিপের মধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তুত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলা হত।
#সিকস্তি কী ?
নদী ভাংঙ্গনে জমি পানিতে বিলিন হয়ে যাওয়াকে সিকস্তি বলা হয়। সিকস্তি জমি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়স্তি হলে সিকস্তি হওয়ার প্রাককালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন, তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
#পয়স্তি কী ?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়স্তি বলা হয়।
#নাল জমি কী ?
সমতল ২ বা ৩ ফসলি আবাদি জমিকে নাল জমি বলা হয়।
#দেবোত্তর সম্পত্তি কী ?
হিন্দুদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদির আয়োজন, ব্যাবস্থাপনা ও সু-সম্পন্ন করার ব্যয় ভার নির্বাহের লক্ষ্যে উৎসর্গকৃত ভূমিকে দেবোত্তর সম্পত্তি সম্পত্তি বলা হয়।
#দাখিলা কী ?
ভূমি মালিকের নিকট হতে ভূমি কর আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফরমে (ফরম নং-১০৭৭) ভূমিকর আদায়ের প্রমানপত্র বা রশিদ দেওয়া হয় তাকে দাখিলা বলে।
#ডি,সি,আর কী ?
ভূমি কর ব্যতিত অন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফরমে (ফরম নং-২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে ডি,সি,আর বলে।
#দলিল কী ?
যে কোন লিখিত বিবরনি যা ভবিষ্যতে আদালতে স্বাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিষ্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করেন তাকে সাধারনভাবে দলিল বলে।
#কিস্তোয়ার কী ?
ভূমি জরিপকালে চতুর্ভূজ ও মোরব্বা প্রস্তুত করারপর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভূমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নক্সা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
#খানাপুরি কী ?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরণ করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে
27/11/2022
31/08/2022
২০১৯ সালের এল.এল.বি শেষ পর্ব পরীক্ষার পূননিরীক্ষনের ফলাফল প্রকাশ।
ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন...
২০১৯ সালের এল.এল.বি শেষ পর্ব পরীক্ষার পূননিরীক্ষনের ফলাফল প্রকাশ। ফলাফল দেখতে এখানে ক্লিক করুন...
31/08/2022
২০১৯ সালের এলএলবি শেষপর্বের পুন:নিরীক্ষনের রেজাল্ট প্রকাশিত হয়েছে।
এইবার ২০২০ সালের এলএলবি শেষপর্বের ফর্ম ফিলাপের জন্য তৈরি থাকেন, নোটিশ আসবে শ্রীঘই। ইনশাল্লাহ ! [যাদের প্রথম পর্ব ছিল ১৮-১৯ তাদের শেষপর্ব পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ এটি, তাদের শেষপর্ব সেশন ১৯-২০]
এলএলবি প্রথম পর্ব পরীক্ষা ২০২০ এর ফল প্রকাশিত হয়েছে।
10/06/2022
প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ২য় ধাপ #নোয়াখালী জেলা
সাক্ষ্য আইন
সাক্ষ্য আইন প্লাস ফৌজধারী কার্যবিধি সহ যেসব বিষয়ের মিল রয়েছে চেষ্টা করা হলো তুলে ধরতে......
সাক্ষ্য আইন 24 ধারা +ফৌজধারী 163
সাক্ষ্য আইন 25 ধারা+ফৌজধারী 161
সাক্ষ্য আইন 28 ধারা +ফৌজধারী 164
সাক্ষ্য আইন 45+ফৌজধারী 509ক
সাক্ষ্য আইন 159+ ফৌজধারী 172
সাক্ষ্য আইন 40+ ফৌজধারী 403
সাক্ষ্য আইন 10+ দন্ড বিধি 34
সাক্ষ্য আইন 115 + সুনির্দিষ্ট 18
সাক্ষ্য আইন 133+ ফৌজধারী 337
🔴 ইন্টিমেশন জমা দান পদ্ধতি
যারা এবার এলএল.বি পাশ করেছেন
তাদের ইন্টিমেশন জমা :
সাধারণত এল এল,বি রেজাল্ট প্রকাশের ১ মাসের মধ্যে স্ব স্ব কলেজে সার্টিফিকেট ও মার্কশিট চলে আসে।
সার্টিফিকেট ও মার্কশিট হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অনেকে অনলাইন থেকে মার্কশিট প্রিন্ট নিয়ে ইন্টিমেশন জমা দেন। পূর্বে এমন নিয়ম থাকলেও বর্তমানে নেই। যদি কেউ এভাবে জমা দেয় তাহলে তার টাকা ও সময় উভয়ই বৃথা হয়ে যাবে। অর্থাৎ তাকে আবার ইন্টিমেশন জমা দিতে হবে।
সার্টিফিকেট ও মার্কশিট হাতে আসার পূর্বে নিম্নে কাগজপত্র রেডি করুন :
১। পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৫ কপি (কালো কোর্ট, টাই ও সাদা শার্ট পরিহিত)। ৪ কপি ফরমের সাথে এবং ১ কপি এফিডেভিট এর সাথে দিতে হবে।
২। এস.এস. সি’র সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
৩। এইস.এস. সি’র সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
৪। ডিগ্রি / অনার্স এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
৫। মাস্টার্স এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি। (যদি মাস্টার্স না থাকে তাহলে প্রয়োজন নেই)
৬। জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি।
৭। এলএল.বি এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট এর ফটোকপি।
উপরের কাগজ-পত্র প্রস্তুত করার পর (এলএল.বি এর সার্টিফিকেট ও মার্কশিট হাতে পাওয়ার পর) করনীয় কাজকে আমরা কয়েকটি পর্যায়ে ভাগ করে উল্লেখ করতে পারি-
প্রথম পর্যায় : প্রথমে বার কাউন্সিল অফিসে যেতে হবে।অফিস রুম থেকে একটা হলুদ এবং একটা নীল রঙের টাকা জমার রশিদ নিতে হবে। অতপর পঞ্চম ফ্লোরে উঠে ব্যাংকে (SIBL) নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা দিতে হবে। প্রত্যেক রশিদে চারটি করে পার্ট থাকবে। প্রত্যেক পার্টে তারিখ, টাকার পরিমাণ, নিজের নাম, পিতার নাম, কোন জেলার বারে কাজ করবেন সেই জেলার নাম, মোবাইল নাম্বার লিখতে হয়। যেমন আপনি যদি ঢাকা জর্জ কোর্টে কাজ করতে চান তাহলে ঢাকা, নড়াইল জর্জ কোর্টে হলে নড়াইল, খুলনা হলে খুলনা, চট্টগ্রাম হলে চট্টগ্রাম ইত্যাদি। অবশ্য এ্যাডভোকেট হওয়ার পর নির্দিষ্ট ফি দিয়ে বার চেঞ্জ করা যায়। ব্যাংক দুই পার্ট রেখে দিবে। বাকী দুই পার্ট নিয়ে আবার ৪র্থ ফ্লোরে পূর্বের যায়গায় গিয়ে উক্ত রশিদ দেখিয়ে ৩ পাতার ইন্টিমেশন ফরম নিতে হবে। এরা রশিদের কোনো পার্ট রাখবে না। (এফিডেভিটের একটি নমুনা কপি সাথে থাকবে)। অতপর ১০০ টাকা মূল্যের ২ টি নন-জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ক্রয় করতে হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষ।
দ্বিতীয় পর্যায় : নিজের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ৩ পাতার উক্ত ফরম পূরন করতে হবে। কেউ চাইলে ফরম ফটোকপি করে রাফ হিসেবে একবার পূরণ করতে পারেন। ১০০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্প দুটিতে বার কাউন্সিলের প্রদানকৃত এফিডেভিটের নমুনা কপিতে যা আছে তা লিখে পূরণ করতে হবে এবং উক্ত স্ট্যাম্প এফিডেভিট করতে হবে। স্ট্যাম্পের উপরে ১ কপি ছবি লাগাতে হবে। এ পর্যায়ে একজন সিনিয়রের নিকট যেতে হবে। সিনিয়র এমন একজনকে করতে হবে যিনি আইনজীবী হিসেবে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞ। ফরমে সিনিয়রের কিছু তথ্য আছে তা লিখতে হবে। অতপর সিনিয়র সকল কাগজ-পত্র, ছবি ইত্যাদি সত্যায়িত করবেন।
তৃতীয় পর্যায় : সিনিয়রের কাজ শেষ হলে সমস্ত কাগজ-পত্র ফটোকপি করতে হবে। এবার মূল সেট এবং ফটোকপি উভয় সেট নিয়ে বাংলামটর থেকে দক্ষিণে পরিবাগে- বোরাক টাওয়ার এর তৃতীয় ফ্লোর এ যেতে হবে। সেখানে অফিস মেইনকপি রেখে দিবে এবং ফটোকপিতে রিসিভ সিল মেরে আপনাকে দিয়ে দিবে। রিসেভ কপি নিয়ে চলে আসুন। আপনার কাজ শেষ।
মনে রাখতে হবে আপনার কাছে টাকা জমার হলুদ ও নীল রঙের দুইটি রশিদ রয়েছে। উভয়ের দুটি করে পার্ট। উভয় রশিদের এক পার্টের উপরে লেখা আছে- “এই অংশ বার কাউন্সিল অফিসে জমা দিন” এই অংশ দুটি ছিড়ে মূল সেটের সাথে পিন করুন। অন্য দুই অংশ ফটোকপি সেটের সাথে পিন করুন। এই সেট রিসিভ করাতে হবে।
চতুর্থ পর্যায় : ৬ মাস অপেক্ষা করুন। ৬ মাস অতিবাহিত হলে উক্ত রিসিভ কপি নিয়ে বোরোক টাওয়ার অর্থাৎ যেখানে ইন্টিমেশন জমা দিয়েছিলেন সেখানে যান। তারা আপনার রিসিভ কপির তারিখ ও নাম দেখে অনলাইনে চেক করবে। যদি সকল কাগজ-পত্র, ছবি ঠিক থাকে তাহলে কিছু সময়ের মধ্যে আপনাকে রেজিষ্ট্রশন কার্ড দিয়ে দিবে। আর যদি কোনো কাগজ শর্ট থাকে বা ছবি কম থাকে বা এফিডেভিট না থাকে বা সিনিয়রের তথ্য ঠিক না থাকে তাহলে আপনাকে রেজি: কার্ড দিবে না। কোথায় সমস্যা আছে তা জানিয়ে দিবে। যেটি ঘাটতি থাকবে সেটি আবার জমা দিতে হবে। অতপর এক সপ্তাহ পর আপনি রেজি: কার্ড পাবেন। যদি রিসিভ কপি হারিয়ে যায় তাহলে সেখানে গিয়ে নিজের নাম, পিতার নাম ও ইন্টিমেশন জমার তারিখ একটি কাগজে লিখে জমা দিলেও আপনাকে রেজি: কার্ড দিয়ে দিবে।
পঞ্চম পর্যায় : রেজি: কার্ড হাতে পাওয়ার পর বার কাউন্সিল পরীক্ষার ফরম ফিল-আপের নোটিশ দিলে আপনি ফরম ফিল-আপ করতে পারবেন এবং পরীক্ষা দিতে পারবেন। এই রেজি: কার্ডের মেয়াদ ৫ বছর। অর্থাৎ ৫ বছর পর্যন্ত আপনি পরীক্ষা দিতে পারবেন। মনে রাখতে হবে ৫ বছর বলতে ৫ বার বোঝায় না। আপনি রেজি: কার্ড হাতে পেলে পরবর্তী ৫ বছর যে কয়বার পরীক্ষা হবে আপনি দিতে পারবেন।
মোঃ শরিফুল ইসলাম
লেকচারার, সেন্ট্রাল ল কলেজ, গাজীপুর
এলএলবি এবং এলএলএম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা জজ কোর্ট
#কপি_পোস্ট
এলএলবি শেষ পর্বের ২০১৯ রেজাল্ট প্রকাশ হয়েছে! আপনার রেজাল্ট চেক করে নিন•••
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Noakhali
Chittagong