05/05/2023
✅কিরগিজস্তানে ডাক্তারি পড়া সম্পর্কে খুঁটিনাটি আলোচনা :
👉কিরগিজস্তান দিন দিন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে একটি আকর্ষণীয় এবং জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠছে ডাক্তারি/মেডিকেল সায়েন্সে পড়ার জন্য। এর পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে।
কারণসমূহ:
-শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি এবং ভিসা প্রক্রিয়া খুবই সহজ।
👉 আবেদন করার পর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই অ্যাডমিশন লেটার এবং ইলেকট্রনিক ভিসা (E-VISA)পাওয়া সম্ভব।
👉ইউরোপিয়ান কারিকুলামে কোর্স সম্পন্ন করার সুযোগ ।
👉বিশ্ববিদ্যালয় ভেদে টিউশন ফি নির্ভর করে।
👉প্রাকৃতিক ভাবে খুবই সুন্দর একটি দেশ, কিরগিজস্তান কে এশিয়ার সুইজারল্যান্ড বলা হয়ে থাকে।
👉কিছু অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেগুলো কিরগিজস্তানে ডাক্তারি পড়তে আসার আগে বিবেচনায় রাখা দরকার:
-বাংলাদেশ মেডিকেল এবং ডেন্টাল কাউন্সিল থেকে এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা।
✅শহর এবং বিশ্ববিদ্যালয় সিলেকশন:
👉প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য শহর এবং বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে রাজধানী শহর কে বেছে নেওয়া নিঃসন্দেহে একটি চমৎকার সিদ্ধান্ত হতে পারে কারণ যে কোনো দেশেই রাজধানী শহর হচ্ছে শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান এবং অর্থনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু।
পড়াশোনার জন্য রাজধানী শহর কে বেছে নিলে আরো কিছু বাড়তি সুবিধা পাওয়া যাবে যেমন উন্নত আবাসন, স্বাস্থ্য, যাতায়াত এবং বিনোদন ব্যবস্থা।
বিশ্ববিদ্যালয় সিলেকশন একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গঠনে একটি মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অপরিসীম। যে কোনো দেশেই সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের মান সমান হয় না তাই এক্ষেত্রে সুচিন্তিতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। কিরগিজস্তানে ডাক্তারি পড়তে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কে বিশ্ববিদ্যালয় সিলেকশন এর ক্ষেত্রে
1.KYRGYZ STATE MEDICAL ACADEMY
2.INTERNATIONAL HIGHER SCHOOL OF MEDICINE 3.INTERNATIONAL UNIVERSITY OF KYRGYZSTAN 4.ADAM UNIVERSITY SCHOOL OF MEDICINE
5.ALA-TOO INTERNATIONAL MEDICAL UNIVERSITY
6.SALYMVEKOV MEDICAL UNIVERSITY
কে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করবো। কারণ ,এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কিরগিস্তানের রাজধানী বিশকেক শহরে অবস্থিত, এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর রয়েছে মানসম্মত অবকাঠামো, অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকমন্ডলী , আধুনিক এবং সুসজ্জিত আবাসন ব্যবস্থা, নিজস্ব হসপিটাল যেখানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা তাদের প্রফেশনাল জ্ঞান অর্জনের পর্যাপ্ত সুযোগ পাবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা দ্বারা অনুমোদিত।
✅কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেগুলো কিরগিজস্তানে ডাক্তারি পড়তে আসার পর অথবা অধ্যায়নরত অবস্থায় বিবেচনায় রাখা দরকার:
পড়াশোনার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বিভিন্ন এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিস এ নিজেকে যুক্ত করা, শিক্ষকমন্ডলী , বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিভিন্ন দেশ থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরন করা, কিরগিজস্তানের আইন মেনে চলা, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেগুলেশন মেনে চলা, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সাথে সর্বদা কানেক্ট থাকা।
এই বিষয়গুলোই মেইনটেইন করলে পরবর্তী পাঁচ বছরের শিক্ষাজীবন খুব সুন্দর এবং উপভোগ্য হবে একজন শিক্ষার্থীর জন্য।
👉কিরগিজস্তান থেকে ডাক্তারি পাশ করার পর দেশে-বিদেশে ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ প্রসঙ্গে:
অনেকের মধ্যেই একটি ভুল ধারণা রয়েছে সেটি হচ্ছে বিদেশ থেকে ডাক্তারি পাশ করে বাংলাদেশে এসে প্র্যাকটিস করার সুযোগ কম রয়েছে। এটি সম্পূর্ণরূপে একটি ভুল ধারণা ।কিরগিজস্তান থেকে ডাক্তারি পাশ করার পর দেশে এবং বিদেশে ক্যারিয়ার গঠনের অনেক সুযোগ রয়েছে ।
👉প্রথমত, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল এর কোয়ালিফাইং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এক বছরের ইন্টার্নশিপ শেষ করার পর সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হসপিটাল অথবা ক্লিনিকে চাকরি করা অথবা বিসিএস পরীক্ষায় নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করে উত্তীর্ণ হয়ে ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ রয়েছে।
মূল কথা, একজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে ডাক্তারি পাশ করার পর ক্যারিয়ার গঠনে যে সুযোগগুলো পেয়ে থাকে কিরগিজস্তান থেকে ডাক্তারি পাশ করার পর একজন শিক্ষার্থী সেই একই সুযোগগুলো পাবে এবং নিজ দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করতে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।
👉দ্বিতীয়ত, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং পৃথিবীর অন্যান্য দেশের লাইসেন্সিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সেই সব দেশে ক্যারিয়ার গঠনের অনেক সুযোগ রয়েছে। পোস্ট গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ রয়েছে।
✅বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর : +996228035685