𝚃𝙷𝙴 𝚁𝙴𝙰𝙻𝙼 𝙾𝙵 𝙺𝙽𝙾𝚆𝙻𝙴𝙳𝙶𝙴

𝚃𝙷𝙴 𝚁𝙴𝙰𝙻𝙼 𝙾𝙵 𝙺𝙽𝙾𝚆𝙻𝙴𝙳𝙶𝙴

Share

আমাদের এই পেজ এর উদ্দেশ্য হল আপনাকে নতুন কিছু জানানো, যা আপনার জ্ঞানের সীমাকে প্রসারিত করবে।

09/08/2023

𝐉𝐀𝐌𝐄𝐒 𝐖𝐄𝐁𝐁 𝐒𝐏𝐀𝐂𝐄 𝐓𝐄𝐋𝐄𝐒𝐂𝐎𝐏𝐄

পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ!!

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ হলো এমন একজনের টেলিস্কোপ, যা দৃশ্যমান আলোর নীচে ইনফ্রারেডে কাজ করে। এটি মানুষের চোখের অদৃশ্য আলোকে আটকাতে সক্ষম, তবে সঠিক যন্ত্রের সাহায্যে সনাক্ত করা গেলে, এটি ঠান্ডা জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক অধ্যয়ন করতে সাহায্য করতে পারে, যেমন তরুণ গ্রহ।

এই টেলিস্কোপ বাল্টিমোরের স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউট দ্বারা পরিচালিত হয়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গোল্ডস্টোন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), মাদ্রিদ এবং ক্যানবেরা (অস্ট্রেলিয়া) এর রেডিও অ্যান্টেনার মাধ্যমে মাটিতে থাকা বিজ্ঞানীরা জেমস ওয়েবের সাথে যোগাযোগ করে। টেলিস্কোপটি তার যোগাযোগের অ্যান্টেনার মাধ্যমে ডেটা গ্রহণ করে এবং একবার এটি STScI থেকে পাঠানো কমান্ড(গুলি) সম্পূর্ণ করে, এটি সেখান থেকে নিজস্ব ডেটাও প্রেরণ করে।

নাসার দূরবীক্ষণ যন্ত্র জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ বৃহস্পতি গ্রহের অভূতপূর্ব কিছু ছবি তুলেছে।

এসব ছবিতে দেখা যাচ্ছে বৃহস্পতি গ্রহের অরোরা বা বর্ণচ্ছটা, দানবীয় ঝড়, বৃহস্পতির চাঁদ এবং গ্রহটিকে ঘিরে থাকা বলয়।

এই ছবিগুলো বৃহস্পতি গ্রহের ব্যাপারে বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন সূত্র দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপে তোলা এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ক্যারিনা নেবুলা নিহারীকার নক্ষত্রপুঞ্জ এবং কিছু তারকা। এর আগে এই ছায়াপথ ছিল অস্পষ্ট।ক্যারিনা নেবুলা মহাকাশের বৃহত্তম এবং উজ্জ্বলতম নিহারীকাগুলোর একটি।এটির অবস্থান পৃথিবী থেকে কমবেশি ৭ হাজার ৬শ আলোকবর্ষ দূরে।একগুচ্ছ নক্ষত্রের সমষ্টিতে তৈরি এক একটি নিহারীকা।এগুলো অতিকায় মেঘ, গ্যাস আর ধূলির সমন্বয়ে গঠিত যেখানে নতুন নতুন তারা তৈরি হয়।

𝙵𝙾𝙻𝙻𝙾𝚆 𝚃𝙷𝙸𝚂 𝙿𝙰𝙶𝙴

08/08/2023

যে কারণে বিবর্তন ভূয়া

“...ধরেন আপনি চাঁদে (ছাদে নয়) হাঁটছেন। হঠাৎ আপনি দেখতে পেলেন একটা স্যামস্যাং স্মার্টফোন পড়ে আছে,...”

নাহ, জমছে না। ফোনের তো আর প্রাণ নেই যে সেটা দিয়ে বিবর্তনের বিরুদ্ধে বলতে পারব। কারো কাছে ভালো এনালজি থাকলে বলতে পারেন।

বিবর্তন।
খুবই সংবেদনশীল একটা শব্দ। শুধু একারণে নয় যে এই শব্দটা শুনলেই ব্যাক্তিভেদে বিচিত্র অনুভূতি তৈরী হয়, বরং সামাজিকভাবে এই শব্দটার প্রভাব অনেক বেশি। শব্দটা কীভাবে উচ্চারণ করছেন, বা সবার আগে মাথায় কোন চিত্র ভেসে আসে বা আপনি কীভাবে এটাকে সংজ্ঞায়িত করছেন, এর সবই বলে দেবে সমাজে আপনার অবস্থান কোথায়, আপনাকে নিয়ে মানুষের মনে কেমন ধারণা রয়েছে, কীংবা আপনি নিজের ব্যাপারেই বা কেমন ধারণা রাখেন। আবার, বিষয়টা এতটাই জটিল যে আপনি এর পক্ষে বলেন কীংবা বিপক্ষে, সামনের মানুষটির ওপর যেন সেটা কোনো প্রভাবই ফেলে না যদি তার আগে থেকেই একটা নির্দিষ্ট চিন্তার সীল মননে ছাপ দেয়া থাকে।

এসব ছাইপাঁশ বলার একটা কারণ হল এটা পরিষ্কার করে দেয়া যে আমি জানি আমার এই লেখাটা আপনার সীল মেরে দেয়া চিন্তায় কোনো পরিবর্তন আনবে না, এবং সেটাতে আমার তেমন কিছু যায় আসেও না। আমার লেখা সেই ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সংখ্যাক মানুষদের উদ্দেশ্য করে লেখা যাদের মন খানিকটা প্রশস্ত, যারা প্রশ্ন করতে ভালোবাসে এবং যেকোনো বিষয়েই পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিগুলো নিয়ে চিন্তা করে।

তো, বিবর্তন কেন অসম্ভব (ভূয়া) একটি বিষয় তা নিয়ে আলাপচারিতা শুরু করা যাক।

একটু বড় পোস্ট, তাই গুগল ড্রাইভে পড়তে হবে কষ্ট করেঃ-
এখানে ক্লিক করে পড়ে আসেনঃ- shorturl.at/egBDT

Photos from 𝚃𝙷𝙴 𝚁𝙴𝙰𝙻𝙼 𝙾𝙵 𝙺𝙽𝙾𝚆𝙻𝙴𝙳𝙶𝙴's post 06/08/2023

চেরনোবিলের নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্টে অতিরিক্ত মাত্রায় ফিসন বিক্রিয়া হওয়ার জন্য তার ৫-৬ সেকেন্ড পর একটি বিস্ফোরণ আর তার ২-৩ সেকেন্ড পর আরও একটা বিস্ফোরণ হয়। যাতে বর্তমানে ঐ চেরনোবিল সিল। তখন আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১০ দিন সময় লাগে। ১০ দিন পরও অতি মাত্রায় তাপ উৎপন্ন হচ্ছিল। আর তার নিচে ছিলো একটা ওয়াটার ট্যাংক যা নিউক্লিয়ার বর্জ্য দিয়ে ভরা ছিল সামহাও যদি তাপ গিয়ে ওইখানে পৌছায় তাহলে যে বিস্ফোরণ হতো তাতে গোটা ইউরোপ এখনও ভুগত। তখন বুদ্ধি একটাই ছিল তা হল কেউ গিয়ে ওই ওয়াটার ট্যাংকে ডুব দিয়ে ড্রিল করে পানি বের করে দিবে। এতে, সমস্যা ছিল যে যাবে সে কয়েক মাস বা, বছরের মধ্য মারা যাবে না হয় মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হবে। তখন ছবিতে থাকা ৩ জন সুপারহিরো এই কাজটি করে।
আজব করার বিষয় এই যে, তাদের তেমন কিছু হয় নাই তাদের মধ্যে একজন মারা গেছে তাও হার্ট অ্যাটাকে আর ২ জন এখোন জীবিত।
By a visitor of Science Bee 😊

29/07/2023

একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ প্রতিদিন গড়ে ৫৫০ লিটার অক্সিজেন গ্রহণ করে । যার বাজার মূল্য পরিস্থিতি ও পথের ভিন্নতায় ২০ হাজার হতে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে😯।

26/07/2023

চলতি বছরই মানবমস্তিষ্কে চিপ বসাবে নিউরালিংক

চলতি বছরেই মানবমস্তিষ্কে চিপ ঢুকিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করতে পারে নিউরালিংক। প্যারিসে অনুষ্ঠিত ভিভাটেক ইভেন্টে এ কথা জানান নিউরালিংকের সহপ্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। তিনি আরো জানান, সর্বপ্রথম পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিদের ওপর প্রয়োগ করা হবে ব্রেন কম্পিউটার ইন্টারফেস প্রযুক্তি। নিউরালিংকের চিপ তাদের মস্তিষ্কের সঙ্গে কম্পিউটারের সংযোগ ঘটাবে।
যা কিছু তারা চিন্তা করবে তা কম্পিউটার স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। এর ফলে পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তিও নিজের মনের কথা জানাতে পারবে। মানবমস্তিষ্কে নিউরাল ইমপ্ল্যান্ট বসানোর পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে লাইভ দেখানো হবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ সংস্থা (এফডিএ) থেকে এবিষয়ক ছাড়পত্র পেয়েছে নিউরালিংক।
উল্লেখ্য, এত দিন বিভিন্ন প্রাণীর মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করে চিপ স্থাপন করা হতো। তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোর সময় নিউরালিংকের গবেষণাগারে দেড় হাজার ভেড়া, শূকর ও বানর মারা যায়। এ বিষয়ে নিউরালিংকের বিরুদ্ধে তদন্ত করছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচার (ইউএসডিএ)।
সূত্র : গিজচায়না
সংগৃহিত:রহস্যময় বিজ্ঞান জগৎ

25/07/2023

প্রতি বছর গড়ে ১০০ জন আত্মহত্যা করেন রহস্যময় এই জঙ্গলে।

আত্মহত্যা থেকে বিরত থাকার নানা পরামর্শ বা সতর্কবার্তা সাইন বোর্ডের আকারে ঝোলানো রয়েছে এই জঙ্গলের আনাচে কানাচে। তবুও প্রতি বছর গড়ে ১০০ জন এই জঙ্গলে এসে আত্মহত্যা করেন।

অদ্ভুত রহস্যে ঘেরা এই জঙ্গলের নাম অওকিগাহারা। এটি জাপানের ফুজি পর্বতমালার উত্তর-পশ্চিমে প্রায় ৩৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে।
বনটি জাপানিদের কাছে আত্মহত্যার সবচেয়ে জনপ্রিয় জায়গা।

১৯৫০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৫শ’র মতো জাপানি এখানে আত্মহত্যা করেছেন। ১৯৯৮, ৭৪জন, ২০০২, সালে ৭৮ জন, ২০০৩, সালে ১০০ এর ও বেশি মানুষের আত্মহত্যার জরিপ পাওয়া যায় এরপর জাপানি সরকার আত্মহত্যার হার প্রকাশ করা বন্ধ করে দেয়। ২০১০ সালে ২৪৭ জন লোক আত্মহত্যার চেষ্টা করে যার মধ্যে ৫৪ জনকে মৃত উদ্ধার করা হয়।

১৯৬০ সালে সাইকো মাটসুমোটো নামক এক জাপানি লেখকের টাওয়ার অফ ওয়েবস নামে একটি উপন্যাস প্রকাশের পর থেকেই এখানে এসে আত্মহত্যার প্রবণতা বেড়ে যায়। এই উপন্যাসের দুটি চরিত্র এই বনে এসে আত্মহত্যা করেছিল। এর পর থেকে জাপানিরা এই বনে এসে এই আশায় আত্মাহুতি দেয় যে তাদের সন্তানেরা পরবর্তীকালে ভালোভাবে চলতে পারবে।

সূত্র: উইকিপিডিয়া

Photos from 𝚃𝙷𝙴 𝚁𝙴𝙰𝙻𝙼 𝙾𝙵 𝙺𝙽𝙾𝚆𝙻𝙴𝙳𝙶𝙴's post 24/07/2023

"Now I Am Become Death,
the Destroyer of Worlds."
উক্তিটি ভগবত গীতা হতে অনুপ্রানিত হয়ে বললেও ওপেনহাইমারের জীবনে এটি অক্ষরে অক্ষরে মিলে গিয়েছিল।
কেন পারমানবিক বোমার জনকেরই এই বোমার জন্য নিজের জীবন ধ্বংস হয়েছিল??
১৯০৪ সালে জন্ম এই বিজ্ঞানীর ১৮ বছর বয়সেই কেমিস্ট প্রবল ইচ্ছা জাগে এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে মাত্র ৩ বছরে তার ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।২৩ বছর বয়সে থিওরেটিক্যাল ফিজিক্সে তিনি Ph.d সম্পন্ন করে নিজের রিসার্চে মনোযোগ দেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের দুনিয়ার সবথেকে শক্তিশালী অস্ত্র বানানো নিয়ে আলবার্ট আইনস্টাইন যখন তৎকালীন আমেরিকার প্রেসিডেন্টকে অবগত করে চিঠি লেখেন তখনই আমেরিকান মিলিটারিদের এটমিক বোম্ব তৈরির প্রজেক্ট শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। এটা সত্য যে, আমেরিকান আর্মি এটমিক বোমা বানানোর প্রজেক্ট শুরু করতে আইনস্টাইনকেই বেছে নিতো কিন্তু তাদের আইনস্টাইনের উপর সন্দেহের জন্য পরবর্তীতে ওপেনহাইমারকে বেছে নেওয়া হয়। ইতিহাসে এই প্রজেক্টকে 'The Manhattan Project' নামে অভিহিত করা হয়।

ওপেনহাইমার আইনস্টাইন হতে অনেক অনুপ্রাণিত ছিলেন এবং তিনিও মনে করতেন আমেরিকার পারমানবিক বোমা বানিয়ে ফেলা উচিত। এই প্রজেক্টের জন্য 'লস আলামোস' নামে একটি সিক্রেট শহর বানিয়ে ফেলা হয় যেখানে ১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ একসাথে কাজ করতো। প্রত্যেক নিযুক্ত ব্যাক্তিদের ছদ্মনাম,এন্ট্রি পাসকোড, পরিবারকে দেওয়া চিঠিতে নকল ঠিকানা, সকল চিঠি স্ক্যানার দিয়ে পড়ে তারপর আদান-প্রদান করা হতো। এমনকি লস আলামোসে জন্মগ্রহন করা শিশুর জন্ম নিবন্ধনে ঠিকানা হিসেবে 'P.O Box 1663' ব্যাবহার করা হতো। এসব সিকিউরিটি ব্যাবস্থা শুধু প্রজেক্টের তথ্য ফাঁস রক্ষার্থে করা হতো। আর এই লস আলামোসের ল্যাবের ডিরেক্টর ছিলেন ওপেনহাইমার।
ওপেনহাইমার কর্তৃক রিসার্চে প্রথমে Uranium-235 দিয়ে পারমানবিক বোমা তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেও এটির স্বল্পতা এবং এটি প্রাকৃতিক হওয়ায় পরে Uranium-235 এর মতোই কৃত্তিম ভাবে নতুন পদার্থ Plutonium তৈরি করা হয়। যেটি Uranium থেকেও বেশি অস্থিতিশীল এবং চেইন বিক্রিয়ার মাধ্যমে প্রচুর শক্তি নির্গমন হিসেবে একটি বিশাল বিস্ফোরণ লক্ষ্য করা যায় । ধারাবাহিক রিসার্চ চলমান রেখে শেষ পর্যন্ত ১৬ জুলাই ,১৯৪৫ সালে পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবার পারমানবিক বোমার পরীক্ষামুলক বিস্ফোরণ ঘটানো হয় । তখন এর তীব্রতা দেখে ওপেনহাইমার ভীত হয়ে পরেন। এমনকি এমন বিস্ফোরণ প্রজেক্টের সকল রিসার্চারদেরও ভীত করে তোলে। মানবসভ্যতাকে হুমকির মুখে ফেলানো এই প্রথম কোনো অস্ত্র মানুষের হাতে চলে আসে। মানবতায় কেমন প্রভাব ফেলবে এটি অজ্ঞাত অবস্থায় পরের মাসেই আমেরিকা জাপানের হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে বোমা বিস্ফোরণ করে।
ওপেনহাইমার লক্ষ লক্ষ মানুষের হত্যার অনুশোচনায় ভুগতে শুরু করেন। তার ধারনা ছিলোনা এই পৃথিবীতে তার হাত ধরে একটি কালো অধ্যায়ের সূচনা হবে। বাইরের পৃথিবী থেকে ওপেনহাইমার নিজেকে গুটিয়ে নিতে শুরু করেন। যদি তিনি চাইতেন কয়েক মিনিটেই আমেরিকার এই শক্তি অন্য জায়গায় স্থানান্তর করতে পারতেন। আর এসবের জন্য ওপেনহাইমার আমেরিকার একটি দুর্বলতা হয়ে ওঠেন। আমেরিকার সকল সিক্রেট এজেন্সি তার উপর নজর রাখতে থাকেন। এরপর আমেরিকার চিরশত্রু সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৪৯ সালে হঠাৎ তাদের প্রথম পারমানবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালালে আমেরিকা কর্তৃক তথ্য ফাঁসের সন্দেহটি ওপেনহাইমারের উপর ফেলানো হয়। আবার তার বান্ধবী কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য থাকায় সন্দেহটি আরো জোরদার হয়। আমেরিকার কমিউনিস্ট পার্টির সাথে সোভিয়েত ইউনিয়নের খুব ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এর ফলে ওপেনহাইমারকে সোভিয়েত ইউনিয়নের এজেন্ট হিসেবে আখ্যা দিয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয় । কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণ না থাকলেও আদালতের সকল সিদ্ধান্ত তার বিপক্ষে যায় । ওপেনহাইমারের প্রজেক্টের সকল রাইটস ও তার সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স নিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ওপেনহাইমার নিরবতা ও একাকীত্বে তার জীবনযাপন শুরু করেন এবং সকল সরকারি প্রজেক্ট থেকে নিজেকে বিরত রাখেন । এরপর ১৯৬১ সালে জন এফ কেনেডি ক্ষমতায় আসলে তিনি ওপেনহাইমারকে আশ্বাস দেন তিনি একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ ট্রাইব্যুনাল বানাবেন যাতে ওপেনহাইমার পুনরায় সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স পেতে পারেন।কিন্তু ওপেনহাইমার তা সম্পূর্ণ নাকচ করেন। জন এফ কেনেডি জানতেন ওপেনহাইমার নির্দোষ ছিলেন। তাই পরবর্তীতে ওপেনহাইমারকে তিনি আমেরিকার বিজ্ঞানের সবচেয়ে সম্মানসূচক পুরস্কার প্রদান করেন। কিন্তু এই প্রাপ্য সম্মানটুকু ওপেনহাইমারকে দিতে অনেক দেরি করেছিলো আমেরিকানরা। ১৯৬৬ সালে কান্সারে এই কিংবদন্তির মৃত্যু হয়।

YouTube :Dhruv Rathee

20/07/2023

মহীশূরের বাঘ'টিপুর তরবারি কেন এত দামি!!

ইতিহাসের পাতায় এখনো জ্বলজ্বল করে টিপু সুলতান ও তার তরবারি 'দ্য সোর্ড অব টিপু সুলতান'। ধরে নেওয়া হয় ইংরেজদের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনচেতা মনোভাবের শেষ হাতিয়ার ছিল এটি। মৃত্যুর পর টিপু সুলতানের ব্যক্তিগত কক্ষে এই তরবারিটি পাওয়া গিয়েছিল।

আমরা যতই আধুনিকতার স্রোতে ভেসে যাই না কেন, ইতিহাসের প্রাচীন গন্ধ এখনো রহস্য নিয়ে আমাদের আশেপাশে ঘুরে বেড়ায়। কখনো কখনো বহু পুরোনো কোনো গল্প বাঁক নেয় নতুন মোড়ে, ধরা দেয় কোনো নতুন মোড়কে। শের-ই-মহীশূর তথা টিপু সুলতানের একটি তরবারিও সেভাবেই পুরোনো গল্পের অলি-গলি পেরিয়ে সম্প্রতি একটি নিলামের বদৌলতে নতুন মোড়কে উপস্থাপিত হয়েছে।

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে তখনো সূর্য অস্ত যেতে শেখেনি। তখনো ভারত-বিহার-উড়িষ্যা-বাংলার মাটি কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে ইংরেজদের বুটের গটগট আওয়াজ। তখন হাতেগোণা কয়েকজন সময়ে সময়ে ইংরেজ দখলদারিত্ব থেকে উপনিবেশকে রক্ষার পণ করেন। তাদের মধ্যে মহীশূরের এই শাসনকর্তা অন্যতম। ইতিহাসের পাতায় এখনো জ্বলজ্বল করে টিপু সুলতান ও তার তরবারি 'দ্য সোর্ড অব টিপু সুলতান'। ধরে নেওয়া হয় ইংরেজদের বিপরীতে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনচেতা মনোভাবের শেষ হাতিয়ার ছিল এটি।

আর তাই এত বছর পরও নিলামে উঠে মঞ্চ কাঁপিয়ে দেওয়ার শক্তি এর মধ্যে আছে। আজ পর্যন্ত নিলামে ওঠা ভারতীয় বস্তুর তালিকার সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে এটি। যে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে একদিন রুখে দাঁড়িয়েছিল, সেই ব্রিটিশ মুদ্রাতেই এখন এর মূল্য ছাড়িয়ে যায় ১৪ মিলিয়নেরও বেশি, ভারতীয় রুপিতে যা ১৪৩ কোটির কাছাকাছি। এই নিলাম হয় লন্ডনে, ইসলামিক অ্যান্ড ইন্ডিয়ান আর্ট সেল সপ্তাহে। বোনহ্যামস নামক নিলাম ঘরে এই ইতিহাস পরবর্তী ইতিহাস রচিত হয়। কিন্তু, বোনহ্যামস কীভাবে এই তরবারির খোঁজ পেল, সে কথা তারা খোলাসা করেনি। এমনকি এমন তত্ত্বেরও উদয় হচ্ছে যে, বেয়ার্ড পরিবার আদতে টিপু সুলতানের দুখানা তরবারি বাগিয়ে নিতে পেরেছিল। তবে এমনটা ঘটে থাকলেও সেই দ্বিতীয় তরবারির কথা জানা যায় না, সেটির শান-শৌকত এটির মতো উজ্জ্বল নয় বলেই হয়তো।

বিস্তারিত আনতে কমেন্টে দেখুন।

18/07/2023

•• ভাস্কো-দা-গামা দ্বিতীয়বার ভারতে এসে সমুদ্রে হজব্রত পালন শেষে ফিরছিল যে জাহাজ তা সমুদ্রেই পুড়িয়ে দিল। (ঐতিহাসিক) সুরজিৎ দাশগুপ্ত এ ঘটনাটি উল্লেখ করেছেন জনৈক ইউরোপীয় ঐতিহাসিকের বর্ণনা থেকে:

‘A rich Muslim Pilgrim vessel on its way to India from the Red Sea, was intercepted by da Gama's fleet, plundered and sunk; there were many women and children on board; but to there no mercy was shown..’

ভারতের কালিকটে পৌঁছে এ পর্তুগিজ দস্যু (ভাস্কো-দা-গামা) রাজ্যের সমস্ত মুসলিমদের বহিষ্কার দাবি করল। ভারতীয় রাজা একে মনে করেছিলেন ‘অদ্ভুত' এক দাবি। ফলে ‘হিংস্র’ গামা জাহাজ থেকে গোলাবর্ষণ করে বন্দর প্রায় ধ্বংস করে দিতে উদ্যত হলো। রাজা ব্রাহ্মণ পুরোহিতকে পাঠালেন মধ্যস্থতা করতে। ভাস্কো-দা-গামা ব্রাহ্মণ পুরোহিতের হাত ও কান কেটে ‘একটি সুন্দর মোড়কে' রাজার কাছে পাঠিয়ে দিল। সাথে একটি চিঠি, গামা লিখল যাতে কর্তন করা ব্রাহ্মণের আঙুলগুলো রাজা রান্না করে খান। অথচ এ ব্রাহ্মণ ভদ্রলোক গামাদের জন্য রাজার কাছে সুপারিশ করেছিলেন। ••

ড. মোহাম্মদ হাননান, মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে আলেম সমাজের ভূমিকা, পৃ ৪৭-৪৮ (অন্যপ্রকাশ, ২০২১)

সংগৃহিত:ইতিহাস কথন

17/07/2023

নতুন সভ্যতার খোঁজে ভয়েজার-১।

এপর্যন্ত অনেক মহাকাশযান মহাশূন্যে পাঠানো হয়েছে। মনে প্রশ্ন আসতে পারে না যে,"এমন কোন মহাকাশযান নেই, যা আমাদের সৌরজগতের সীমার বাইরে? "
তাহলে প্রশ্নের উত্তরটি হল ভয়েজার 1।

এটি পৃথিবী থেকে এতই দূরে যে, এর থেকে আলোর বেগে সিগন্যাল আসতে ২১ ঘণ্টা সময় লাগে। এটি প্রায় 24 বিলিয়ন কিলোমিটার দূরে রয়েছে।প্রতিসেকেন্ডে ১৭ কিলোমিটার করে দূরে সরে যাচ্ছে। এটি সৌর জগতকে অতিক্রম করে ইন্টারস্টেলার স্পেস অর্থাৎ অন্ধকার জগতে রয়েছে। এর প্রায় ৯০-৯৫ শতাংশই অন্ধকার।

১৯৭৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ কেনাভারাল এয়ার ফোর্স স্টেশন থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় ভয়েজার ১।সৌরজগতের গ্রহ-উপগ্রহ পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো হয়।

এই মিশনের উদ্দেশ্য ছিল আমাদের সৌরজগতের বৃহৎ দুই গ্রহ— বৃহস্পতি, এবং শনি সম্পর্কে আরো তথ্য জোগাড় করা। এছাড়া বৃহস্পতির চাঁদ টাইটানের আবহাওয়া, ম্যাগনেটিক ফিল্ড, এবং অন্যান্য উপগ্রহগুলো পরীক্ষা করাও ছিল এই মিশনের অংশ।

৫ই মার্চ ১৯৭৯ সালে এটি গ্যাস দানব বৃহস্পতির সবচেয়ে কাছে চলে যায়। বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডলে যে রিং সিস্টেম রয়েছে, তা আমরা এই মিশন থেকে পাঠানো ছবি থেকে প্রথম জানতে পারি। এছাড়া বৃহস্পতি গ্রহে প্রায় ৩৫০ বছর ধরে ঘটে চলা ঘূর্ণিঝড় ‘গ্রেট রেড স্পট’-এর ছবি এবং ছোট ভিডিও সংস্করণ তুলে পাঠায় ভয়েজার। ঝড়টি এতই বড় যে, এতে অনায়াসে পৃথিবীর মতো গ্রহ ঢুকিয়ে রাখা যাবে। ভয়েজার ১ কেবল বৃহস্পতিরই প্রায় ১৯ হাজার ছবি তুলে পৃথিবীতে প্রেরণ করে।

১২ নভেম্বর ১৯৮০ সালে এটি শনিগ্রহের কাছে পৌঁছে যায়। এরপর শনির রিং বা বলয়ের হাই রেজুলেশন ছবি পৃথিবীতে পাঠাতে থাকে।

এরপর ভয়েজার ১ শনি গ্রহের আকর্ষণ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে সৌরজগত অতিক্রম করার মতো গতিশক্তি লাভ করে। অবশেষে ২০১২ সালের আগস্ট মাসে এটি আমাদের সৌর জগতকে অতিক্রম করে ইন্টারস্টেলার চলে যায়।

দীর্ঘ ৪৪ (নভেম্বর-২০২১ অনুসারে) বছরের যাত্রায় ভয়েজার ১ এর অনেক যন্ত্রাংশই পুরনো হয়ে গিয়েছে। তাই বিজ্ঞানীরা এর কিছু যন্ত্রাংশ বন্ধ করে দিয়েছেন।যেহেতু বর্তমানে এটি অন্ধকার জগতে, তাই এর ক্যামেরা বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে একে গরম রাখার জন্য এর কিছু কিছু যন্ত্রাংশ চালু রাখা হয়েছে। এর চারটি কম্পোনেন্ট এখনো চালু রাখা আছে যা ম্যাগনেটিক ফিল্ড ও সোলার উইন্ড পরীক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।৷

ভয়েজার-১ মহাকাশযানের সাথেই রয়েছে একটি গোল্ডেন রেকর্ড। এই গোল্ডেন রেকর্ড হলো স্বর্ণের প্রলেপ দেয়া তামার তৈরি ডিস্ক, যাতে আমাদের পৃথিবীর বিভিন্ন তথ্য রেকর্ড করে দেয়া হয়েছে।

এই ডিস্কে বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাণীর শব্দসহ অন্যান্য শব্দ, গান, পৃথিবীর ৫৪টি ভাষার সম্ভাষণ এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক তথ্য রেকর্ড করে দিয়েছেন। এতে বাংলা ভাষায় রেকর্ড করা আছে— “নমস্কার, বিশ্বে শান্তি হোক”।

সৌরজগতে পৃথিবীর অবস্থান কোথায় সেই বিষয়ে উল্লেখ আছে এতে। বিজ্ঞানীদের আশা- মহাবিশ্বের কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী যদি এই গোল্ডেন রেকর্ড পেয়ে থাকে, তবে তারা আমাদের পৃথিবী এবং আমাদের সম্পর্কে জানতে পারবে। তারা যাতে এটি চালাতে পারে তার সমস্ত কিছুর নির্দেশনা এই ডিস্কে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের নেতৃত্বে এই কাজটি করা হয়।

12/07/2023

ইলেকট্রিক ঈল দিয়ে কি মানব জীবনে ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব?

আপনাদের অনেকেই হয়তো প্রথমবার এ মাছের নাম শুনছেন!
মনে প্রশ্ন আসতে পারে,"মাছ আবার ইলেকট্রিক(বৈদ্যুতিক) হয় কেমনে?
--মাছও বৈদ্যুতিক হতে পারে। এদের মধ্যে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক মাছ হল ইলেকট্রিক ঈল।এরা বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে।এরা ৬০০ ভোল্ট ক্ষমতা সম্পন্ন শক দিতে পারে। এই মাছ অনেক বড় বড় প্রাণী যেমন-ঘোড়াকেও বিদুতায়িত করতে পারে।

ইলেকট্রিক ঈলের তিন জোড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী অঙ্গ রয়েছে। এদের মধ্যে প্রধান অঙ্গ হল হান্টার্স এবং স্যাচস অঙ্গ।এগুলো লেজের দিকে অবস্থিত। এই অঙ্গগুলো হাজার হাজার ইলেকট্রিক সেল বা বৈদ্যুতিক কোষ দিয়ে তৈরি। প্রতিটি কোষ 0.15 ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে।

অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, "ইলেকট্রিক ইল বিদ্যুৎ উৎপন্ন করার সময় তারা নিজের বৈদ্যুতিক শক খায় না?
--না, এই মাছের ইলেকট্রিক অর্গান বা অঙ্গের চারপাশে ইনসুলেটর(অন্তরক) থাকে।অন্তরকের মধ্যে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয় না, তাই এরা শক খায় না।

তবে এখন প্রশ্ন হচ্ছে এর মাধ্যমে কি মানব জীবনের ব্যবহারযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব??

-না, সেটা সম্ভব নয়। কারন-
-ইলেকট্রিসিটি হিসাব করা হয় কিলোওয়াট-ঘন্টা(kwh)বা Unit এ।ঈলের তৈরি করা বিদ্যুতের ভোল্টেজ এর পরিমাণ বেশি হলেও কারেন্টের পরিমাণ এত বেশি থাকে না,আর এর সময় কালও অনেক কম। যার ফলে মোট উৎপন্ন বিদ্যুৎ অনেক কম হয়। আর ঈল তো সবসময় এটি তৈরি করে না। তাই দেখা যাবে উৎপাদন খরচ আরও বেশি পড়ে যাবে।

Writer-The Realm Of Knowledge.

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Chattogram
Chittagong
108751