দারুস সালাম তাহফিজুল কুরআন মাদরাসা

দারুস সালাম তাহফিজুল কুরআন মাদরাসা

Share

সহিহ হিফজ, আদর্শ আখলাক ও কুরআনের আলোয় গড়ে ওঠা প্রজন্মের নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান

27/05/2026

সকল মুসলিম ভাই-বোনকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক🤍

27/05/2026

💙🖤

26/05/2026

আমাদেরকেও কবুল করুন ইয়া রব্ব!

26/05/2026

লাব্বাঈক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক

24/05/2026

কো*রবানির আড়ালে থাকা অবিশ্বাস্য অর্থনীতি!

রাজধানীর গাবতলী, আফতাবনগর কিংবা শ্যামপুর গরুর হাটই নয়; বরং সারা দেশে অসংখ্য গরুর হাট যখন জমজমাট অবস্থা, তখন দেশীয় অস্ত্রের বাজারও হয়ে ওঠে জমজমাট! হ্যাঁ, দেশীয় অ/স্ত্র অর্থাৎ ছু/রি, চা/পা/তি আর কি!

একটি গরুকে জ*বাই করে চামড়া ছাড়িয়ে মাংস কা*টা পর্যন্ত প্রয়োজন হয় প্রায় ছয় থেকে সাতটি ধা*রালো ছু*ড়ির। তার মধ্যে বড় ও ছোট মিলিয়ে সাতটি ছুড়ির খরচ প্রায় ২৫০০ থেকে ৩০০০ টাকা। কারওয়ান বাজারের পূর্ব প্রান্তে রেললাইন ঘেঁষে গোটা বিশেক দোকানে বিক্রি হয় ছুরি, চাপাতি, কু*ড়াল, দা ও বঁটি। সেসব দোকানের তথ্যমতে, করোনা মহামারীর আগে অর্থাৎ ১৮ ও ১৯ সালে কোরবানির আগে দিনে বিক্রি হতো প্রায় ৯০-৯৫ হাজার টাকার বেশি। সে হিসেবে ঈদের পাঁচ দিনে এসব দোকানে বিক্রি হয় ৯৫ লক্ষ টাকা।

এবার আসা যাক কো*রবানির হাটে।

২০১৮ সালে সারা বাংলাদেশে কোরবানির হাট থেকে বিক্রি হয়েছিলো ৫৫ লাখ গরু। ছাগল ও ভেড়া সহ অন্যান্য পশু ৪০ লাখের মত। যদি গড়ে একটি গরুর দাম হয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা এবং ছাগলের গড় দাম হয় ৫-৭ হাজার টাকা ধরা হয়, তবে শুধু কো*রবানির পশু কেনা-বেচাতেই লেনদেন হয় প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা। আর পুরো এই লেনদেনের ব্যবস্থা একদম হাতে হাতে ব্যাংকের সাহায্য ছাড়াই। পৃথিবীর কোথাও ম্যানুয়ালি হাতে হাতে মাত্র কয়েক দিনে এত লেনদেন হয় কিনা তা বলা মুশকিল। তবে ২০২০ সালের তথ্যমতে, বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংক এমনকি মোবাইল ব্যাংকিং- যেমন বিকাশ, নগদ, রকেটেও এত টাকা লেনদেন হয় না।
আর এই দুই হাজার কোটি টাকার ৯৮ শতাংশ লেনদেন হয় এমন সব মানুষের সঙ্গে যারা নিম্নবিত্ত কিংবা দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করেন।

দুই হাজার কোটি টাকার বিজনেস, তাও প্রায় পুরোটাই গরিব মানুষের সঙ্গে। ক্যান ইউ ইমাজিন ইট?

বাংলাদেশের কোন বিজনেস ফেয়ারে, অর্থনৈতিক ভাবে অসচ্ছল কিংবা খেটে খাওয়া মানুষের সঙ্গে আর্থিক এত বড় লেনদেনের ঘটনা কখনই ঘটে না।

সরকারি নিয়ম অনুসারে, প্রতিটি গরু-মহিষের জন্য ৫০০ টাকা, দুম্বা বা ছাগলের জন্য ২০০ টাকা এবং উটের জন্য ৬ হাজার টাকা রাজস্ব দিতে হয়। সে হিসেবে সরকার রাজস্ব পাওয়ার কথা প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকার। পশুর হাট ইজারা দিয়ে শুধু ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনেরই আয় হয় প্রায় ২০ কোটি টাকা। দেশের বিভিন্ন জেলায় গড়ে ওঠা খামারগুলোতে কর্মসংস্থান হচ্ছে লক্ষাধিক মানুষের। তাছাড়াও কোরবানির পশু পরিবহন, টোল, বকশিস, বাঁশ-খুঁটির ব্যবসা, পশুর খাবারেও লেনদেন হয় কোটি কোটি টাকা।

কো*রবানির পশুর চামড়া গড় প্রতি এক হাজার টাকা ধরলেও ২০১৮ সালে বিক্রি হওয়া ৫৫ লক্ষ গরুর চামড়ার দাম ৫৫০ কোটি টাকা। আর ৪০ লাখ ছাগলের চামড়া মাত্র একশো টাকা ধরলেও শুধু চামড়া বাবদই ২০১৮ সালে এসেছে ৬০০ কোটি টাকা। যার পুরোটাই চলে গেছে নিম্নবিত্তদের হাতে।

একবার ভাবুন, মাত্র একদিনে দরিদ্র ও গরিব মানুষদের হাতে চলে যাচ্ছে ৬০০ কোটি টাকা!

জাস্ট আনবিলিভেবল!

চামড়াগুলো দিয়ে বাংলাদেশের ট্যানারিগুলো কী করছে তার একটা হিসেব পাওয়া যায় রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রতিবেদনে। তাদের দেয়া তথ্যমতে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসেই (জুলাই-আগস্ট) বাংলাদেশ থেকে ৯ কোটি ৫৫ লাখ ডলারের জুতা রফতানি করা হয়। যার সত্তর ভাগ চামড়া নেয়া হয় কোরবানি ঈদ থেকে। অর্থাৎ ২০১৫ অর্থবছরে জুলাই-আগস্ট মাত্র দুই মাসে বাংলাদেশের কোরবানির চামড়া দিয়ে বানানো জুতা বিদেশে রফতানি করে আয়- ৬ কোটি ৬৫ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায়- ৬১২ কোটি টাকা!

শুধুমাত্র কো*রবানির চামড়া সংরক্ষণে যেমন লবণ, তাপ নিয়ন্ত্রন সহ বিভিন্ন সরঞ্জামে বিজনেস হয় প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। ২০১৮ সালেই চামড়ার জন্য শুল্কমুক্ত লবন সংরক্ষণ করা হয়েছিলো চল্লিশ হাজার টন। এসব কাজে যুক্ত হয় প্রচুর পরিমাণে শ্রমিক, যারা কাজের জন্য বেশ ভালো পরিমাণে একটি অর্থ পান।

এবার আসি কোরবানি উপলক্ষ্যে মাংস রান্নার জন্য বিভিন্ন মশলার বিক্রির ইকোনমিতে। প্রতি বছর দেশে ২২ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ, ৫ লাখ মেট্রিক টন রসুন আর ৩ লাখ টন আদার চাহিদা থাকে। এর উল্লেখযোগ্য অংশই ব্যবহার হয় কোরবানিতে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন এলাচ, ৭ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন দারুচিনি, ১৭০ মেট্রিক টন লবঙ্গ এবং ৩৭০ মেট্রিক টন জিরা আমদানি করা হয়েছে। কো*রবানির বাজারে প্রায় এসব পণ্যের বিক্রি উপলক্ষ্যে লেনদেন হয় প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার।

এতক্ষণ আমরা কত টাকার লেনদেনের কথা বলেছি, আমরা নিজেরাও জানি না।

সবশেষ বলি রেফ্রিজারেটরের কথা। প্রতি বছর দেশে বছরে ১৪ লাখ ফ্রিজের চাহিদা আছে। বছরের ৩০ ভাগ ফ্রিজই বিক্রি হয় কো*রবানি ঈদে। সে হিসেবে প্রতি বছর কো*রবানির ঈদে প্রায় ৪ লাখ ফ্রিজ বিক্রি হয়। ফ্রিজের সবচেয়ে কম মূল্য ২০ হাজার টাকা ধরলেও প্রতি কো*রবানির ঈদে শুধু ফ্রিজ বিক্রি হয়- ৮০০ কোটি টাকা।

কো*রবানি ঈদের এই অবিশ্বাস্য ইকোনমি পুরোটাই দাঁড়িয়ে আছে গ্রাম-বাংলার নিম্নবিত্ত মানুষের উপর। ঈদের আনন্দ, কো*রবানির ত্যাগ কিংবা মাংস বিলিয়ে দেয়ার সংস্কৃতি- এসব কিছুর বাইরেও কো*রবানি ঈদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অভূতপূর্ব এই অর্থনীতির কথা হয়ত আপনি কখনও ভাবেননি।

লেখা সংগ্রহ : Bengal Opera

দারুস সালাম মাদরাসা

24/05/2026

চলছে মহিমান্বিত দিনগুলো। আমল করা হচ্ছে তো?

22/05/2026

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম❤️

22/05/2026

🥺

18/05/2026

শুরু হয়েছে পবিত্র জিলহজ্জ মাস।
গুরুত্ব সহকারে আমলগুলো করার চেষ্টা করি।
রব তাওফিক দান করুন, আমীন।

15/05/2026

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম❤️
📌 পবিত্র জুমার দিনে দরুদ শরীফ পড়ছেন তো?

15/05/2026

📌 সুরা কাহাফ থেকে যুবকের পাথেয়..
জুম্মার দিনের অন্যতম আমল সুরা কাহাফ পাঠ করা। পাঠ করার পাশাপাশি চলুন জেনে নিই এই সুরা থেকে আমাদের জন্য কী কী শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Anowara
Chittagong
4376