15/08/2023
মহান আল্লাহ তায়ালা এই কুরআনের পাখিকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম - জান্নাতুল ফেরসাউস করুন। 😓🤲
সোর্স: Pathagor. org
আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জীবনী:
আল্লামা দেলাওয়ার সাঈদী
১৯৪০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর বাবা মাওলানা ইউসুফ সাঈদী দক্ষিণাঞ্চলের একজন শৈল্পিক বক্তা ও পীর। তিনি নিজ গ্রামে বাবার নির্মিত মাদরাসা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা নেন। এর পর তিনি শার্ষিনা আলিয়া ও খুলনা আলিয়া মাদরাসায় অধ্যয়ন করেন। ১৯৬২ সালে শার্ষিনা আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি বিভিন্ন বিষয়ে ও তত্ত্বের ওপর অধ্যয়ন করেন। তিনি ভাষা, ধর্ম, দর্শন, বিজ্ঞান, রাজনীতি, অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি, পররাষ্ট্রনীতি, মনোবিজ্ঞানের মতো বিষয় প্রায় পাঁচ বছর অধ্যয়ন করেন।
আল্লামা সাঈদী তার জীবন শুরু করেন দায়ী ইলাল্লাহ হিসেবে ১৯৬৭ সালে। তিনি দেশ ও বিদেশে কোরআনের দাওয়াত দিতে থাকেন। কোনো বাধা-বিপত্তি তাঁর এ দাওয়াতী মিশনকে দমিয়ে রাখতে পারেনি।
মওলানা সাঈদী পৃথিবীর প্রায় পঞ্চাশটি দেশে বিভিন্ন সংগঠন ও সংস্থার আহ্বানে ইসলামের দাওয়াতি কাজে ভ্রমণ করেছেন।
মওলানা সাঈদী একজন জননন্দিত নেতা। ১৯৯৬ সালে তিনি পিরোজপুর সদর উপজেলা থেকে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৯৬ সালে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচিত তিনজন সদস্যের সংসদীয়নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বলিষ্ঠ বক্তৃতার মাধ্যমে তিনি তত্কালীন আওয়ামী সরকারের সব দুষ্ককর্মের সমুচিত জবাব দেন।
২০০১ সালে তিনি ফের সংসদর সদস্য নির্বাচিত হন।
দেশ-বিদেশে তফসির-মাহফিলের সঙ্গে সঙ্গে সাংগঠনিক কাজও চালিয়ে যেতে থাকেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীরের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। তিনি রাবেতা আলম আল ইসলামের উপদেষ্টা, ইসলমী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের শরিয়াহ কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ট্রাস্টিবোর্ড চট্টগ্রামের উপদেষ্টা, জামিয়া দ্বীনিয়া টঙ্গী, জামিয়া কাসেমিয়া নরসিংদী,দারুল কোরআন সিদ্দিকিয়া আলিয়া মাদরাসা খুলনা, দারুল হামান শিশু সদন, এস বি মদীনাতুল উলুম কামিল মাদরাসা পিরোজপুরের চেয়ারম্যান।
এছাড়া তিনি দেশি ও বিদেশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সংগঠনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন। আল্লামা সাঈদী একজন জনপ্রিয় নেতা।
তিনি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তার কোরআনের তাফসির শুনে অসংখ্য অমুসলিম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।
02/08/2023
আমি একটি বিষয়ে এই কয়েকদিন ধরে উপলব্ধি করছি ও ব্যাপকভাবে বুঝতে পেরেছি -
যারা এসএসসি পরীক্ষার খাতায় নম্বর কম পেয়েছে, তারা কিন্তু মোটেও এরকম ফল আশা করতে পারেনি। অহেতুক লেখায় নাম্বার দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থার GPA 5 এর তালিকায় ভুলের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারবে তেমনে সঠিক প্রাসঙ্গিক লেখায় প্রাপ্য নম্বর না দিয়েও জাতির চরম অর্ধপতন ঘটাতে পারে।
একটি বিষয়ে আমার শতভাগ ধারণা হয়ে গেছে এখন। সেটা অন্য কারো কাছে কতটুকু হয়েছে আমি জানি না। সেটা হচ্ছে - অন্যদের একই বিষয়ের মার্ক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় আমরা যারা ছেলেরা আছি তাদের মধ্য থেকেই কিন্তু বাংলায় ৪ মার্ক আন্সার না করেও আমার নাম্বার তুলমামূলক বেশি আসছি, যদিও ১৫০ মার্ক ছিলো। আমার সাথের অনেকে ১৪০,১৪১,১৪৯ ইত্যাদি ইত্যাদি পেয়েছে।
একই সাথে মেয়েরা যারা আছে তাদের প্রত্যেকের মার্ক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় তাদের মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠর ১৬০ এর উপরে নাম্বার। এখানেই সবচেয়ে বড় কথা হলো - যিনি খাতা মূল্যায়ন করছে তিনিই ম্যাটার। একই কাগজ আলাদা আলাদা দু'জন শিক্ষকের কাছে গেলে নাম্বারো দেখি ডিরেসেন্স অনেক। একজনের কাছে ৬৯, আরেকজনের কাছে ৮৭। তাহলে বিবেচনায় শিক্ষার্থী কি একই বিষয়ে অজ্ঞ ছিলো? নাকি তাকে সঠিক মূল্যায়ন করতে পারে নাই?!
আরো কথা হচ্ছে- ছেলেদের বাংলা পরীক্ষার খাতা যদি ঐ শিক্ষকের কাছে যেতো যিনি মেয়েদের বাংলা পরীক্ষার খাতা মুল্যায়ন করেছেন তাহলে সব ছেলেদের এরকম দুর্দশা দেখতে হতো না।
একইভাবে ছেলেদের ইসলাম শিক্ষা খাতা যে শিক্ষক মূল্যায়ন করেছে সেই শিক্ষকের কাছে যদি মেয়েদের ইসলাম শিক্ষা পেপার যেতো তাহলে এই বিষয়ে মেয়েদেরো এরকম দূর্দশার স্বীকার হতো না।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে একইজনের খাতায় রচনার ২০ মার্কের মধ্যে একজন শিক্ষক দিবে ১৮ আরেকজন দিবে ১১। এই জন্যইতো বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হয় না, বরঞ্চ সংখ্যালঘু শিক্ষার্থীর পরিবর্তন হয়। এটাই ছিলো মুল কারণ। যা কনফিডেন্সকেই হার মানায়। 😐
বোর্ড চ্যালেঞ্জ করলে আসলে কি দেখা হয়? 🤔
- উত্তর পত্রে সব প্রশ্ন উত্তরের নাম্বার দেওয়া আছে কিনা
- প্রাপ্ত নম্বর গণনা ঠিক আছে কিনা
- প্রাপ্ত নম্বর সঠিকভাবে ওএমআর শীটে ওঠানো হয়েছে কিনা
- প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ওএমআর শীটে সঠিক বৃত্ত বরাট করছে কিনা
এই চারটি বিষয়ই যাচাই করা হয়।
ছোটখাটো কিছু বিশ্লেষণ করলেই আরো কিছ বুঝতে পারি পাইলট, ক্যাডেট, কলেজিয়েট কলেজের কিছু শিক্ষার্থীর কিছু কিছু বিষয়ের যেমন সমাজ, ধর্ম এইসব বিষয়ের প্রাপ্ত নাম্বার ১০০ তে ১০০, যা সাধারণ স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুলেও নেই। কারণটা কি শিক্ষার্থীই সাধারণ? না, আসলেই না। সাধারণত তাদের কাগজ কাটার জন্য স্পেশিয়ালিস্ট নিয়োগ করা হয় বোধহয় 🤭😱। তাদের কনসেপ্ট যা যতপাবে তাকে ততই দিবো।
আর সাধারণ মানুষের কাছে খাতা মূল্যায়নের জন্য পড়লে কিছু কিছু আছে সৃজনশীলে মার্ক পদ্ধতি ১,২,২,৩ কনসেপ্টেই চলে। এখানেই এসে বৈষম্য সৃষ্টি হয়।
আরো বলতে দিন - কেউ বলে আমার লেখা সুন্দর না, কিন্তু আমার পাশেরটার লেখা সুন্দর। সব লেখা আমার থেকে কপি করেও দেখি তার মার্ক ৮৯ আর আমার মার্ক ৭৮ 😅 এইসব দেখেই আপনি বলেন এটা ঠিক করলো না। আপনার সাথে আমিও একমত। চলুন চা খেয়ে আসি 🍵।৷ তাই অনেক খারাপ পরীক্ষার্থীর ১০ বছর মূল্যায়ন হয় এভাবে ভালো পয়েন্ট দিয়ে আর ভালো পরীক্ষার্থীর মূল্যায়ন হয় কম পয়েন্ট দিয়ে। এটাই বাস্তকবতা। 😅
এরকম বারবার প্রতিবাদে আমার কিছু যায় আসে না। এখানে লাভ-ক্ষতি ম্যাটার না।
অনেকগুলা উদাহরণ সব প্লেসের জন্য প্রযোজ্য আর অনেকগুলো উদাহরণ ঠিক কোনো নির্দিষ্ট প্লেসকে কেন্দ্র করে বলা। তাই বিভ্রান্তিতে পড়বেন না আবার।
সকলের জন্য শুভকামনা, একটি হুচট হয়তো আগামী দিনের আরো জগন্য ১০টি হুচট থেকে আপনাকে রক্ষা করছে। যা হইছে আলহামদুলিল্লাহ।
পরিশেষে একটি নিতান্তই সত্য ও বাস্তব কথা হচ্ছে - আমি মেধাবীদের হারতে দেখেছি, কিন্তু পরিশ্রমীদের হারতে দেখি নাই। 🤭 তাই শুধু হার্ড ওয়ার্কের সাথে আমাদের জীবনে স্মার্ট ওয়ার্কো আয়ত্ত্ব করতে হবে। আসুন, ধৈর্যের মহত গুণটি আমাদের জিবনে প্রয়োগ করেই জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাই।
বাকিটা ইতিহাস......
✍️🤔 Habibur Rahman Meheraj (Me)
26/07/2023
জীবনের জন্যই তো পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার জন্য জীবন নয়। ধরো তোমাকে আমি একটি উদাহরণ দিই- ধরো তুমি বাচতে চাও। এই জন্য তোমাকে দেওয়া হলো ভাত, মাছ, মাংস, পানি ইত্যাদি ইত্যাদি। এখন বাচার জন্য তোমাকে এগুলোর জন্য সবকিছু দেওয়া হয়েছে কিন্তু তুমি দুর্ভাগ্যবশত তোমার খাবারের তালিকায় মাংস কোনো বেলায় থাকে না। সেই জন্য বাকি যা কিছু আছে তাই দিয়েই তো বেচে থাকা সম্ভব। খাবারের জন্য মাংস না পেয়ে জীবনকে ধ্বংস করে দিবে এটার মতো বোকামি আর কিছু কি হয়! ঠিক তেমনি পরীক্ষাগুলো তোমার জীবনে হয়তো এরকম। তবে মনে রাখবে পরীক্ষারগুলো জীবনের জন্য নগন্য।
নগন্য মানে হলো তোমার মাথার একটি চুল মাটিরে পড়ে গেলে তোমার শরীরের ওজন মাপার ক্ষেত্রে যেরকম ওজনের পরিবর্তন হবে না ঠিক একইরকম জীবনের হলো তোমার দেহের ওজন আর চুলটি হলো এই পরীক্ষাগুলো। চুল পড়ে যাওয়াই যেরকম শরীরের ওজনে বাধা যেমন সৃষ্টি করে না ঠিক সেরকম পরীক্ষার ফলাফলে সমস্যা হলে জীবনের কোনো বাধা করবে না।
✍️ Hr Meheraj
13/06/2023
আপনার নফস শয়তান থেকেও ভয়ংকর।।