IIUC Student Association

IIUC Student Association বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল তথ্য সব সময় পেতে আমাদের সাথে থাকুন

সব ভুলে যাও, কিন্তু টাকার কথা ভুলো নাPayment Notice - (2nd Installment)
21/08/2020

সব ভুলে যাও, কিন্তু টাকার কথা ভুলো না
Payment Notice - (2nd Installment)

https://ctgpratidin.com
21/08/2020

https://ctgpratidin.com

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঘাতকচক্রের ভয়ঙ্কর গ্রেনেড হামলা থেকে অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ ...

গুলির শব্দ শুনেই বঙ্গবন্ধু তার ঘরের দরজা খুলে বারান্দায় চলে আসেন। এর আগেই বঙ্গবন্ধু আবদুর রব সেরনিয়াবাতের হত্যাকাণ্ডের খ...
13/08/2020

গুলির শব্দ শুনেই বঙ্গবন্ধু তার ঘরের দরজা খুলে বারান্দায় চলে আসেন। এর আগেই বঙ্গবন্ধু আবদুর রব সেরনিয়াবাতের হত্যাকাণ্ডের খবর জেনে যান।
গুলির শব্দ শুনে ঘুম থেকে ওঠেন গৃহকর্মী আব্দুল আর রমাও। বেগম মুজিবের নির্দেশে রমা নিচে নেমে দেখেন সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য গুলি করতে করতে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির দিকে এগিয়ে আসছে।

এরই মধ্যে লুঙ্গি আর গেঞ্জি পরা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু নিচতলায় নামতে থাকেন।

দোতলায় বেগম মুজিব আতঙ্কিত অবস্থায় ছোটাছুটি করছেন। রমা তিন তলায় চলে আসেন এবং বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে শেখ কামাল ও তার স্ত্রী সুলতানা কামালকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন। ঘটনা শুনে শার্ট –প্যান্ট পরে নিচতলায় নামেন শেখ কামাল। সুলতানা কামাল আসেন দোতলায়।
শেখ জামাল তার স্ত্রীকে নিয়ে দোতলায় বেগম মুজিবের কক্ষে যান।

ওদিকে গোলাগুলির মধ্যে অভ্যর্থনা কক্ষে বঙ্গবন্ধুর সামনেই বিভিন্ন জায়গায় ফোন করতে থাকেন মহিতুল ( বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত সহকারী)। পুলিশ কন্ট্রোল রুম ও গণভবন এক্সচেঞ্জের চেষ্টার একপর্যায়ে রিসিভার নিয়ে বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিব বলছি...।’ বঙ্গবন্ধু তার কথা শেষ করতে পারেননি।

একঝাঁক গুলি জানালা দিয়ে অফিসের ভেতরে এসে দেয়ালে লাগে। কাচের জানালা ভেদ করে গুলি এসে মহিতুলের ডান হাতে লাগে। বঙ্গবন্ধু টেবিলের পাশে শুয়ে পড়েন।
এরপর শেখ কামাল নিচে বারান্দায় দাঁড়িয়ে বলেন, ‘আর্মি আর পুলিশ ভাইরা, আপনারা আমার সঙ্গে আসেন।’ এ সময় শেখ কামালের পেছনে গিয়ে দাঁড়ান মহিতুল ইসলাম ও পুলিশের ডিভিশনাল সুপারিনটেনডেন্ট নুরুল ইসলাম খান।

ঠিক তখনই মেজর নূর, মেজর মহিউদ্দিন (ল্যান্সার) ও ক্যাপ্টেন বজলুল হুদা সৈন্যদের নিয়ে বাড়িতে প্রবেশে করেন। গেটের ভেতরে ঢুকেই তারা ‘হ্যান্ডস্ আপ’ বলে চিৎকার করতে থাকেন।

এ সময় কোনো কথা না বলেই শেখ কামালের পায়ে গুলি করেন বজলুল হুদা। নিজেকে বাঁচাতে লাফ দিয়ে ঘরের মধ্যে গিয়ে পড়েন শেখ কামাল। তিনি মহিতুলকে বলতে থাকেন, ‘আমি শেখ মুজিবের ছেলে শেখ কামাল। আপনি ওদেরকে বলুন।’

মহিতুল এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে বজলুল হুদা তার হাতে থাকা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে ব্রাশফায়ার করেন। ওখানেই মারা যান শেখ কামাল।

নিচে কী হচ্ছে তার কিছুটা টের পাচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু। তিনি তার ঘরের দরজা বন্ধ করে বিভিন্ন জায়গায় ফোন করতে থাকেন। একপর্যায়ে ফোনে তার সামরিক সচিব কর্নেল জামিল উদ্দিনকে পান। বঙ্গবন্ধু তাকে বলেন, ‘জামিল, তুমি তাড়াতাড়ি আস। আর্মির লোকেরা আমার বাসায় অ্যাটাক করেছে। সফিউল্লাহকে ফোর্স পাঠাতে বল। ’

তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল সফিউল্লাহকেও ফোন করেন বঙ্গবন্ধু। তিনি তাকে বলেন, ‘সফিউল্লাহ তোমার ফোর্স আমার বাড়ি অ্যাটাক করেছে, কামালকে বোধহয় মেরে ফেলেছে। তুমি জলদি ফোর্স পাঠাও।’

জবাবে সফিউল্লাহ বলেন, ‘আই অ্যাম ডুয়িং সামথিং। ক্যান ইউ গেট আইট অব দ্য হাউজ?’

এদিকে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে কথা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্নেল জামিল তার ব্যক্তিগত লাল রঙের গাড়িটি নিয়ে বঙ্গবন্ধু বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু সোবহানবাগ মসজিদের কাছে আসতেই ঘাতকরা জামিলকে হত্যা করে।

এর কিছুক্ষণ পর ঘাতকরা গুলি করতে করতে ওপরে চলে আসে। তারা শেখ জামালের ঘরের বাথরুমে আশ্রয় নেয়া গৃহকর্মী আব্দুলকে গুলি করে। হাতে ও পেটে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি সিঁড়ির পাশে গিয়ে হেলান দিয়ে বসে থাকেন।

এ সময় নিজ ঘরে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ছিলেন বেগম মুজিব, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল।

ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুর ঘরের বাইরে অবস্থান নেয়। গোলাগুলি থামলে বঙ্গবন্ধু দরজা খুলে বাইরে আসামাত্র ঘাতকরা তাকে ঘিরে ধরে। মেজর মহিউদ্দিন ও তার সঙ্গের সৈন্যরা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নিচে নেমে আসতে থাকেন। তখন ঘাতকদের উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘তোরা কী চাস? কোথায় নিয়ে যাবি আমাকে?’

বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, ‘তোরা আমাকে কোথায় নিয়ে যাবি, কী করবি, বেয়াদবি করছিস কেন?’ নিচতলা ও দোতলার সিঁড়ির মাঝামাঝি অবস্থানে এলে নূর কিছু একটা বলতেই মহিউদ্দিন সরে দাঁড়ান। সঙ্গে সঙ্গে বজলুল হুদা ও নূর স্টেনগান দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গুলি করেন।

বঙ্গবন্ধুর বুকে ও পেটে ১৮টি গুলি লাগে। নিথর দেহটা সিঁড়ির ওপর পড়ে থাকে। রমার কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে গুলির কথা শুনে বেগম মুজিব, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, সুলতানা কামাল, রোজী জামাল, শেখ নাসের ও গৃহকর্মীরা বাথরুমে আশ্রয় নেন।

ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে নিচে নেমে এসে বেরিয়ে যান। এরপর মেজর আজিজ পাশা ও রিসালদার মোসলেউদ্দিন তাদের সৈন্যসহ বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে প্রবেশ করেন। আজিজ পাশা তার সৈন্যদের নিয়ে দোতলায় যান এবং ঘরের দরজায় গুলি করতে থাকেন। পরে বেগম মুজিব দরজা খুলে তাদের না মারার অনুরোধ করেন। ঘাতকরা বেগম মুজিব, শেখ রাসেল, শেখ নাসের ও রমাকে নিয়ে নিচে আসার নির্দেশ দেয়।

সিঁড়িতে বঙ্গবন্ধুর লাশ দেখেই বেগম মুজিব চিৎকার করে বলেন, ‘আমি যাব না, আমাকে এখানেই মেরে ফেল।’বেগম মুজিব অস্বীকৃতি জানালে তাকে ঘরে ফিরিয়ে আনা হয়। শেখ রাসেল, শেখ নাসের ও রমাকে নিয়ে নিচে আসা হয়। বঙ্গবন্ধুর ঘরেই বেগম মুজিব, শেখ জামাল, সুলতানা কামাল ও রোজী জামালকে গুলি করে হত্যা করেন ঘাতক আজিজ পাশা ও রিসালদার মোসলেউদ্দিন।

শেখ নাসের, শেখ রাসেল আর রমাকে নিচে নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের সবাইকে এক লাইনে দাঁড় করানো হয়। পরে অফিসের সঙ্গে লাগোয়া বাথরুমে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয় শেখ নাসেরকে।

লাইনে দাঁড়িয়ে শেখ রাসেল প্রথমে রমা এবং পরে মহিতুল ইসলামকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘ভাইয়া, আমাকে মারবে না তো?’ মহিতুল জবাব দেন, ‘না ভাইয়া, তোমাকে মারবে না।’ এ সময় শেখ রাসেল তার মায়ের কাছে যেতে চাইলে আজিজ পাশা মহিতুলের কাছ থেকে জোর করে তাকে দোতলায় নিয়ে যেতে বলেন।

আজিজ পাশার কথামতো এক হাবিলদার শেখ রাসেলকে দোতলায় নিয়ে গিয়ে গুলি করে হত্যা করে। রাসেলের চোখ বের হয়ে যায়। আর মাথার পেছনের অংশ থেঁতলে যায়। রাসেলের দেহটি পড়ে থাকে সুলতানা কামালের পাশে।

এ হত্যাযজ্ঞে ঘরের মেঝেতে রক্তের মোটা স্তর পড়ে যায়। এর মাঝেই লুটপাট চালায় ঘাতকের দল।

সূত্র : তিনটি সেনা অভ্যুত্থান এবং না বলা কিছু কথা : লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) আব্দুল হামিদ-পিএস

প্রয়ান দিবসে বীর বিপ্লবী, মাত্র ১৮ বছর বয়সে যিনি দেশ ও দেশের মানুষের স্বাধীনতার তরে ফাঁসি কাষ্ঠে নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেন...
11/08/2020

প্রয়ান দিবসে বীর বিপ্লবী, মাত্র ১৮ বছর বয়সে যিনি দেশ ও দেশের মানুষের স্বাধীনতার তরে ফাঁসি কাষ্ঠে নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেন সেই ক্ষুদিরাম বসুর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

ফাঁসির আগেরদিন মানে ১০ আগস্ট যখন আইনজীবী সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী ক্ষুদিরামের সাথে জেলে দেখা করতে যান, তখন ক্ষুদিরাম তাঁকে বলেছিলেন -

'রাজপুত নারীরা যেমন নির্ভয়ে আগুনে ঝাঁপ দিয়া জওহরব্রত পালন করিত, আমিও তেমন নির্ভয়ে দেশের জন্য প্রাণ দিব। আগামীকাল আমি ফাঁসির আগে চতুর্ভুজার প্রসাদ খাইয়া বধ্যভূমিতে যাইতে চাই।'

এইসময় যখন গোটা দেশ ভারতমাতার এই বীর সন্তানের জন্য চোখের কোণায় জল নিয়ে প্রার্থনা করছে তখন ক্ষুদিরাম বসুর সম্মানে লোককবি মুকুন্দ দাস একটি গান রচনা করলেন -

একবার বিদায় দে মা ঘুরে আসি।

হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে ভারতবাসী।

কলের বোমা তৈরি করে

দাঁড়িয়ে ছিলেম রাস্তার ধারে মাগো,

বড়লাটকে মারতে গিয়ে

মারলাম আরেক ইংলন্ডবাসী।

হাতে যদি থাকতো ছোরা

তোর ক্ষুদি কি পড়তো ধরা মাগো

রক্ত-মাংসে এক করিতাম

দেখতো জগতবাসী

08/08/2020

বঙ্গমাতা ফজিলতু নেছা মুজিব এর ৯০ তম জন্মবার্ষিকী তে উনার বিদেহী আত্নার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

২০১৭ সালের এই দিনে সিলেটে ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর সন্ত্রাসী শিবির ক্যাডাররা বর্বর হামলা চালায়, এবং মধ্যযুগীয় কায়দায় হাত কে...
07/08/2020

২০১৭ সালের এই দিনে সিলেটে ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর সন্ত্রাসী শিবির ক্যাডাররা বর্বর হামলা চালায়, এবং মধ্যযুগীয় কায়দায় হাত কেটে বিচ্ছিন্ন করে ছাত্রলীগ কর্মী শহিনের ও পায়ের রগ ও হাতের রগ কেটে দেয় আরেক ছাত্রলীগ কর্মী আসিফের, মৃত্যুর সাথে লড়াই করে বেঁচে ফিরে আজো ক্ষত নিয়ে ছাত্রলীগের জন্য করে যাচ্চে, সিলেট ছাত্রলীগের প্রতি অনুরোধ থাকবে তাদের প্রতি একটু সহায় হতে।

আজ ২২ শে শ্রাবণ..... কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।
07/08/2020

আজ ২২ শে শ্রাবণ.....
কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি।

A wise teacher once brought balloons to school, told her pupils to blow them up and write their name on one. After the c...
05/08/2020

A wise teacher once brought balloons to school, told her pupils to blow them up and write their name on one. After the children tossed their balloons into the hall, the teacher moved through the hall mixing them all up.

The kids were given five minutes to find the balloon with their name on it, but though they searched frantically, no one found their own balloon.

Then the teacher told them to take the balloon closest to them and give it to the person whose name was on it. In less than two minutes, everyone was holding their own balloon.

The teacher said to the children, “These balloons are like happiness. We won't find it when we're only searching for our own. But if we care about someone else's happiness...it will ultimately help us find our own.”

collected

প্রথম লোগোটি ইসলামি ছাত্র সংঘের বর্তমানে পাকিস্তানে যা ইসলামী জামিয়তে ই তালাবা নামে পরিচিত। আর ২য় ছবিটি বাংলাদেশ ইসলামী ...
01/08/2020

প্রথম লোগোটি ইসলামি ছাত্র সংঘের বর্তমানে পাকিস্তানে যা ইসলামী জামিয়তে ই তালাবা নামে পরিচিত। আর ২য় ছবিটি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের লোগো।

৭১ এ শিবিরের মানে তৎকালীন ইসলামী ছাত্রসংঘের ভূমিকা নিয়ে আলাপ করলে তারা বলে ইসলামী ছাত্র সংঘ আর শিবির এক না। অথচ স্বাধীনতার পর জিয়াউর রহমান জামাত সহ স্বাধীনতা বিরোধীদের এদেশে পুনঃ প্রতিষ্ঠা করেন। এদের সাথে ১৯৭৭ সালে ইসলামী ছাত্রসংঘ নতুন নামে কার্যক্রম চালু করে। নাম পাল্টালে তাদের পুরানো লোগোতে ঈষৎ পরিবর্তন এনে আগের লোগোটিই রাখা হয়।

পরের বার কোন শিবিরের কর্মী যদি বলে এই শিবির সেই স্বাধীনতা বিরোধীতাকারি ইসলামী ছাত্র সংঘ না তাইলে তাদের জবাব দিয়ে দেবেন।

একটু হাসুন
01/08/2020

একটু হাসুন

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IIUC Student Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to IIUC Student Association:

Shortcuts

Share

Category