04/04/2021
প্রশ্নঃ আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কেন রাখাইন এত গুরুত্বপূর্ণ?
প্রশ্নঃ রাখাইনকে বাংলাদেশের সাথে যুক্ত করলে লাভ বা ক্ষতি কি?
রাখাইন বার্মার একটি প্রদেশ, বার্মার পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত। এর উত্তরে চীন, পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর-পশ্চিমে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগ। আরাকান পর্বত, যার সর্বোচ্চ চূড়া ভিক্টোরিয়া শৃঙ্গের উচ্চতা ৩,০৬৩ মিটার যা রাখাইন প্রদেশকে মূল বার্মা থেকে পৃথক করে রেখেছে। রাখাইন রাজ্যের আয়তন ৩৬,৭৬২ বর্গকিলোমিটার এবং এর রাজধানীর নাম সিত্তে।
আয়তনগত গুরুত্বঃ
বাংলাদেশের আয়তন ৫৫ হাজার বর্গমাইল যেখানে রাখাইন বা আরাকান রাজ্যের আয়তন ১৪,১৯৪ বর্গমাইল বা ৩৭ হাজার বর্গকিলোমিটার । যেটা বাংলাদেশের চার ভাগের একভাগের থেকেও বেশি।
সমুদ্রসীমাগত গুরুত্বঃ
রাখাইনের জনসংখ্যা ৪১ লক্ষ এবং বার্মার সব থেকে দরিদ্র অঞ্চলগুলির একটি। যদিও রাখাইনের সাথে সমুদ্রসীমা যতটুকু তা প্রায় বাংলাদেশের মোট সমুদ্রসীমার কাছাকাছি। আর এই বিষয়টি রাখাইনকে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। এর রাজধানী সিত্তও। রাখাইনেই চীন সমুদ্র বন্দর করছে যেটার ৭০% মালিকানা চীনের।
রাখাইন কেন গুরুত্বপূর্ণঃ
এখন কথা হল আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সঙ্কটের সময় বলেছিলেন, বিশ্বের শক্তিশালী কোন এক দেশ বাংলাদেশকে বলেছে যে যদি বাংলাদেশ চায় তবে সামরিক সহযোগিতা দিতে তারা প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, এটা দিয়ে যে বার্মার সাথে কোন যুদ্ধে ‘আমেরিকা’ সহায়তা দিতে চেয়েছে সেটা বুঝতে বাকি থাকে না। কারণ আমেরিকার কংগ্রেসম্যান ইতিমধ্যে বলেছেন, রাখাইনকে স্বাধীন বা বাংলাদেশের সাথে যুক্ত করে দিতে। এটা বাস্তবিক অর্থে কখনো সম্ভব না। আমাদের পররাষ্ট্রনীতিও এটা সমর্থন করে না।
বাঘে-মহিষে লড়াইয়ের মাঝে রাখাইনঃ
কিন্তু রাখাইনে চীনের যেমন স্বার্থ রয়েছে ঠিক তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থও রয়েছে। কারণ যেখানে চীন সেখানে যুক্তরাষ্ট্রও থাকার চেষ্টা করবে। এত দীর্ঘ সমুদ্রসীমা রাখাইনকে কার্যত বঙ্গোপসাগরে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অন্যতম মাধ্যমে পরিণত করেছে। বাংলাদেশের সাথে যদি রাখাইন যুক্ত হতো তবে বঙ্গোপসাগরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতেই থাকত। তাতে বার্মাকে পড়ত হতো সঙ্কটে। কারণ বঙ্গোপসাগরের সাথে যুক্ত তাদের প্রধান রাজ্য হল রাখাইন। এই রাজ্য হারালে কার্যত বঙ্গোপসাগরে তাদের নিয়ন্ত্রণ শূন্যের কোঠায় দাঁড়াতো।
বাংলাদেশের সাথে যুক্ত করা কতটুকু সম্ভব?
রোহিঙ্গা সমস্যা গুরুতর সমস্যা। কিন্তু মনে হয় না মিষ্টি কথায় এর কোন সমাধান খুব শীঘ্রই হচ্ছে। তাই বার্মার সাথে মিষ্টি কথা বাদ দিয়ে একটু শক্তি প্রদর্শন জরুরি। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ চাইলে যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য নিতে পারতো। চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক খারাপ নয়। বরং চীনা বিনিয়োগ বার্মার থেকে বাংলাদেশে বহুগুণ বেশি। তথাপি চীনকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে খুব বেশি টলানো যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সংযুক্তি চীনকে এই ইস্যুতে নতুন ভাবে অবস্থান নিতে বাধ্য করতো।
কূটনৈতিক ও সামরিক টোপ ব্যবহারঃ
যেহেতু সামরিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বার্মাকে ভীত করার মত অবস্থানে নেই এবং বার্মাও বাংলাদেশকে ভীত করার মত অবস্থানে নেই, সেক্ষেত্রে চীনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলার জন্য আহবান জানানো যেতো। চীন সাড়া না দিলে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সামরিক মহড়া করা যেতো বঙ্গোপসাগরে। বঙ্গোপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজ আসলেই যে তারা বাংলাদেশ দখল করে নিবে এমন কিছু নয়। এখানে তেল নেই। তাই এখানে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ তেলের জন্য না। বরং বঙ্গোপসাগরে চীনের প্রভার কমিয়ে মার্কিন প্রভাব বৃদ্ধি করা হলো যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য।
বাংলাদেশের কী কৌশলগত ভুল ছিল?
এখানে বলে রাখা ভাল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বড় সামরিক মহড়া এবং বার্মা সীমান্তে প্রকাশ্যে ভারি অস্ত্রের সমাবেশ এবং দুই চারটা কড়া হুমকি দিলে বার্মাকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করা যেত। হুমকি যা দেবার জাতিসংঘ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র দিয়েছে। এখন হুমকির বাস্তবতা ধরে রাখতে সামরিক উপস্থিতি জরুরি। যেটা বাংলাদেশের একার পক্ষে সম্ভব না। যুক্তরাষ্ট্রের দ্বারা এটা সম্ভব ছিল। এরকম কিছু করলে চীন বাংলাদেশকে একপাক্ষিক ভাবে দোষ চাপাতে পারতো না। কারণ আমরা চীনকে আগেই বলে রেখেছি এই ইস্যু সমাধান করার জন্য। অন্তত যুক্তরাষ্ট্রের কথা চিন্তা করেও চীন তার অবস্থান পরিবর্তন করা দরকার ছিল।
Divide and Distribution theory এর প্রয়োগঃ
ধরে নেই, রাখাইনের মত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর রাজ্য বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয়েছে। আমার ব্যাক্তিগত মত হল রাখাইনের দুই তিনটা দ্বীপ যদি আমরা চীনকে অথবা যুক্তরাষ্ট্রকে অফার করি তাতেও আমি কোন লোকসান দেখি না।
Coercive Diplomacy এর প্রয়োগঃ
সামরিক উপস্থিতির রাজনৈতিক ভূমিকা অনেক গভীর। ১৯৭১ সালে রাশিয়াকে যুদ্ধে জড়াতে হয়নি। তাদের যুদ্ধজাহাজ বঙ্গোপসাগর অভিমুখে রওনা করার সাথে সাথে আমেরিকা তার ৭ম নৌবহর ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়। পাকিস্তানের মত দেশের ভাঙ্গন হয়। সেখানে বার্মা তো অনেক দুর্বল।
রাখাইন কী পূর্ব তিমুর হবে নাকি দক্ষিণ সুদান?
নতুন ভূখণ্ড নিয়ে নতুন দেশ গঠন এটা অলিক কল্পনা বলেও উড়িয়ে দেয়া যায় না। পূর্ব তিমুর যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ইন্দোনেশিয়া থেকে পৃথক হয়ে আলাদা দেশ হয়েছে। বার্মা নিশ্চয় ইন্দোনেশিয়ার মত শক্তিশালী দেশ নয়?
দক্ষিণ সুদান পৃথক হয়েছে সুদান থেকে। রাশিয়া তো কয়েক বছর আগে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়া দখল করে নিজেদের ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত করেছে মার্কিন ও ইউরোপীয়দের চোখ রাঙিয়ে। ইউক্রেনও কোন দুর্বল রাষ্ট্র নয়।
সুপার পাওয়ারদের কাছে কে এগিয়ে; বাংলাদেশ নাকি বার্মা?
তাই যদি বাংলাদেশের সত্যিকার ইচ্ছে থাকে এবং যুক্তরাষ্ট্রের যদি সত্যিকারের স্বার্থ থাকে; তবে বার্মা তাদের দেশকে অখণ্ড রাখতে পারবে না। এমনিতেই দেশটি বিদ্রোহীদের সাথে সংঘর্ষে জর্জরিত। এখানে ফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করবে রাশিয়া এবং চীন উভয় দেশ ভেটো দিবে। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে যুদ্ধ কখনো করবে না তারা। বার্মা যতই আপন হোক। বাংলাদেশের সাথে রাশিয়ার এবং চীনের সম্পর্ক মোটেও খারাপ নয়।
সুতরাং এতে পরিস্থিতি যা দাঁড়াবে তাহলো-
চীন-রাশিয়া একটু নড়েচড়ে বসবে। যুক্তরাষ্ট্র যাতে এখানে না জড়ায় তারা সবকিছুই করবে। তারাই বার্মাকে দিয়ে বলাবে যে, রোহিঙ্গাদেরকে তারা ফিরিয়ে নেবে এবং নাগরিকত্ব দেবে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের অফারকে বাংলাদেশের উচিত কাজে লাগানো।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যঃ
রাখাইনকে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যান ব্রাড শেরম্যানের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে। রাখাইন মিয়ানমারের অংশ। আমরা এটা (রাখাইন) চাই না। কখনই চাইব না। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার মানে এই না যে, তাদের একটা অংশ নিয়ে চলে আসব। সেই মানসিকতা আমাদের নেই। সেখানে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে রাখাইনকে জুড়ে দিতে চায় কেন? এ প্রস্তাব কখনও গ্রহণযোগ্য নয়।’
প্রধানমন্ত্রী কেন এই কথা বলেছেন?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো কারণে এই কথা বলেছেন। কারনগুলা হলোঃ
- ভৌগোলিকভাবে ভারত তিনটি সীমানা দিয়ে বাংলাদেশকে ঘিরে রেখেছে। দুই প্রতিবেশীর বাংলাদেশের সাথে ভারতের সম্পর্ক তেমন ভালো নয়। এখন মিয়ানমারের সাথেও সম্পর্ক খারাপ করলে আমরা ভৌগোলিকভাবে একা হয়ে পড়বো। আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তা একেবারেই অসম্ভব।
- আমাদের সংবিধানের পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত ২৫ অনুচ্ছেদ এই নীতির পরিপন্থী।
- আমাদের উন্নয়ন অংশীদার চীন ও ভারতের কাছে আমরা অবিশ্বাসী হয়ে যাবো।
- জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী কাজ এটি।
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।
01/04/2021
জাতির পিতা #বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের পটভূমিতে নির্মিত মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘ #বাবা’। সম্প্রতি এটি পুরস্কৃত হয়েছে ভারতে।
পরিচালক #রেমন্ড_সালোমন জানান, সদ্য অনুষ্ঠিত ভারত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২০-এ ছবিটি সেরা মিউজিক্যাল ফিল্ম হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। ছবিটির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন #নাফিসা_শামা।
১৯ মার্চ এই পুরস্কার অনুষ্ঠান আয়োজন হয় ভারতের মুম্বাইয়ে, সিনসিটি রুফটপ লাউঞ্জে।
অস্ট্রেলিয়ান ফিল্ম রেডিও অ্যান্ড টেলিভিশন স্কুল থেকে নির্মাণ বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন রেমন্ড। তিনি বলেন, ‘‘শুরু থেকেই আমার স্বপ্ন, বাংলাদেশের শিল্পীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়মিত কাজ করবে। এরপর নিজেই নির্মাণ বিষয়ে পড়াশোনা করি। অভিবাসন আইন পেশা ও শিক্ষার পাশাপাশি পরিচালনার ওপরে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নিয়েছি। এখন আমি আমার পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের অসাধারণ সব গল্প ও ইতিহাস পৃথিবীকে জানাতে চাই। তারই শুরুটা হলো ‘বাবা’ কাজটির মাধ্যমে।’’
গত বছর ১৮ আগস্টে প্রায় ৬ মিনিট দৈর্ঘ্যের মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘বাবা’ ইউটিউবে মুক্তি দেওয়া হয়। রেমন্ড জানান, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ৬০টির বেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে ছবিটি জমা দেওয়া হয়। সেখান থেকে এখন পর্যন্ত ১০টি সম্মাননা ঘরে তুলেছেন তিনি।
বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা রেমন্ড ১৮ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। একসময় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে বৈমানিক হিসেবে কাজ করতেন। সেখান থেকে বেরিয়ে ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়া চলে যান।
30/03/2021
👍 তরঙ্গ
সুয়েজ খালে আটকে পড়া আলোচিত কনটেইনারবাহী জাহাজ - ‘এভার গিভেন’
পরিচালনা করে: এভারগ্রিন মেরিন করপোরেশন (তাইওয়ান)।
মালিকানা প্রতিষ্ঠান: শোয়েকি কিসেন কাইশা (জাপান)।
জাহাজটি যে দেশে নিবন্ধিত: পানামায়
একনজরে ‘এভার গিভেন’:
নির্মাণকাল: ২০১৮ সালে।
ওজন: ২ লাখ ২০ হাজার টন (ধারণক্ষমতা: ২০,০০০ কনটেইনার)।
জাহাজটির দৈর্ঘ্য ও প্রশস্ত: ৩৯৯.৯৪ মিটার দীর্ঘ ও ৫৮.৮ মিটার প্রশস্ত।
জাহাজটি সুয়েজ খালে আটকা পড়ে: ২৩ মার্চ, ২০২১ (প্রবল বাতাস ও ধূলিঝড়ের কারণে)।
উদ্ধারকারী সংস্থা: স্মিত সালভেজ (ডাচ), ২৯ মার্চ, ২০২১।
জাহাজটির গন্তব্যস্থল ছিলো: তানজং পেলেপাস বন্দর, মালয়েশিয়া - রটারডাম বন্দর, নেদারল্যান্ডস।
26/03/2021
স্বাধীনতার ঘোষণা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাত ১২টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
"This may be my last message: from today Bangladesh is independent. I call upon the people of Bangladesh wherever you might be and with whatever you have, to resist the army of occupation to the last. Your fight must go on until the last soldier of the Pakistan occupation army is expelled from the soil of Bangladesh and final victory is achieved."
[ অনুবাদ : “এটাই হয়তো আমার শেষ বার্তা, আজ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন। বাংলাদেশের জনগণ, তোমরা যে যেখানেই আছ এবং যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শেষ পর্যন্ত দখলদার সৈন্য বাহিনীকে প্রতিরােধ করার জন্য আমি েতামাদের আহ্বান জানাচ্ছি। পাকিস্তান দখলদার বাহিনীর শেষ সৈনিকটিকে বাংলাদেশের মাটি থেকে বিতাড়িত করে চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত তোমাদের যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।" ]
এই ঘোষণা বাংলাদেশের সর্বত্র ওয়ারলেস, টেলিফোন ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
23/03/2021
Ukhiya Rohingya Camp: Massive fire razes homes
Raze - ধ্বংস করা
20/03/2021
এভাবে ভোকাবুলারি শিখুনঃ
♪Of no use: (অফ নো ইউজ) কোন লাভ না হওয়া/ কোন কাজে না আসা।
♪এই অর্থ আমার কোন কাজে আসে না।
♪This money is of no use to me.
♪দিস মানি ইজ অফ নো ইউজ টু মি।
♪All the while : (অল দ্যা ওয়াইল) সবসময়।
♪সে সব সময় অনলাইন গেম খেলছিল।
♪She was playing online game all the while.
♪Shirk : (শার্ক) এড়িয়ে চলা, পালানো।
♪আমি কখনোই দায়িত্বকে এড়িয়ে চলি না।
♪I never shirk responsibility
♪আই নেভার শার্ক রেস্পন্সিবিলিটি।
♪Imposing : (ইম্পোজিং) চাপিয়ে দেয়া।
♪তুমি তোমার ইচ্ছাকে আমার উপর চাপিয়ে দিচ্ছ।
♪You are imposing your will on me.
♪ইউ আর ইম্পোজিং ইউর উইল অন মি।
♪Fond of : (ফন্ড অফ) পছন্দ, শখ।
♪আমার ভাইয়ের গাড়ির শখ।
♪My brother is fond of car.
♪Negligence : (নেগলিজেন্স) অবহেলা।
♪জেনির অবহেলার জন্য শাস্তি হবে।
♪Jenny will be punished for negligence.
♪জেনি উইল বি পানিশড ফর নেগলিজেন্স্।
♪Get on : (গেট অন) আরোহন করা, উঠা।
♪আমি বাসে উঠেছিলাম।
♪I got on the bus.
♪আই গট্ অন দ্যা বাস।
♪Get off : (গেট অফ) নামা।
♪আমরা ট্রেন থেকে নেমেছিলাম।
♪We got off the train.
♪উই গট অফ দ্যা ট্রেইন।
♪Stand by : (স্ট্যান্ড বাই) পাশে থাকা।
♪আমি সবসময় তোমার পাশে আছি।
♪I always stand by you.
♪আই অলওয়েজ স্ট্যান্ড বাই ইউ।
♪Bring up : (ব্রিঙ্ আপ) লালন পালন করা/ বেড়ে উঠা।
♪আমি রাঙ্গামাটিতে বড় হয়েছি।
♪I was brought up in Rangamati.
♪আই ওয়াজ বট আপ ইন রাংগামাটি।
♪Pass away : (পাস আওয়ে) মারা যাওয়া।
♪আমার বাবা গতবছর মারা গেছেন।
♪My father passed away last year.
♪মাই ফাদার পাসড আওয়ে লাস্ট ইয়ার।
♪Chill out : (চিল আউট) মাস্তি করা, কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়া মজা করা।
♪আজকাল আমরা অনেক মজা করছি।
♪We are chilling out these days.
♪উই আর চিলিং আউট দিজ ডেইজ।
♪Whisper : (হুইস্পার) ফিসফিস করে কিছু বলা।
♪ফিসফিস করা বন্ধ করো।
♪Stop whispering.
♪স্টপ হুইস্পারিং।
♪Interfere : (ইন্টারফেয়ার) হস্তক্ষেপ করা।
♪দয়া করে আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না।
♪Please don't interfere in my personal matter.
♪প্লিজ ডোন্ট ইন্টারফেয়ার ইন মাই পারসোনাল ম্যাটার।
♪Irritate : (ইরিটেইড) বিরক্ত করা।
তোমার অহঙ্কারী আচরণ আমাকে সর্বদা বিরক্ত করে।
♪Your arrogant behaviour always irritates me.
ইউর এ্যারোগ্যান্ট বিহেভিয়ার অলওয়েজ ইরিটেইটস মি।
♪Cherish : (চেরিশ) মনে লালন করা, পুষা, যত্নে আগলে রাখা।
♪আমি সেই স্মৃতি চিরকাল লালন করব।
♪I will cherish that memory forever.
♪আই উইল চ্যারিশ দ্যাট মেমোরি ফর এভার।
♪Obsession : (অবসেশন) আবেশ, ঘোর।
♪তার অর্থের প্রতি আবেশ রয়েছে।
♪He has an obsession for money.
♪হি হ্যাজ এন অবসেশন ফর মানি।
♪Admire : (এডমাইয়ার) প্রশংসা করা।
♪আমি আপনার কঠোর পরিশ্রমের জন্য আপনাকে প্রশংসা করি।
♪I admire you for your hardwork.
♪আই এডমাইয়ার ইউ ফর ইউর হার্ড ওয়ার্ক।
যারা শেষ পর্যন্ত পড়লেন তারা "Done" লিখুন।
Happy learning with Mamun sir
Copyright: Crazy English Centre.
19/03/2021
ইংরেজি উচ্চারণের ৫০ টি নিয়মঃ
➤Rule-1 : শব্দের শুরুতে KN থাকলে তার উচ্চারণ হবে “ন” এক্ষেত্রে K অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Knowledge (নলেজ) – জ্ঞান
☞Knight (নাইট) – অশ্ব।
☞Knee (নী) – হাটু।
➤Rule-2 : W এর পরে h/r থাকলে w উচ্চারণ হয় না।
উদাহরণ:
☞Write (রাইট) – লেখা।
☞Wrong (রং) – ভুল।
☞Who (হু) – কে।
☞Wrestling (রেস্টলিং) – কুস্তি।
➤Rule-3 : শব্দের শেষে “e” থাকলে “e” এর উচ্চারণ হয়না।
উদাহরণ:
☞Name (নেইম) – নাম।
☞Come (কাম) – আসা।
☞Take (ঠেইক) – নেওয়া।
☞Fake (ফেইক) – ভূয়া।
➤Rule-4 : M+B পর পর থাকলে এবং B এর পর কোন Vowel না থাকলে B উচ্চারিত হয় না।
উদাহরণ:
☞Bomb (বম) – বোমা।
☞Comb (কৌম) – চিরুনি।
☞Thumb (থাম) – হাতের বুড়ো আঙ্গুল।
☞Thumbnail (থামনেল) – ছোট।
➤Rule-5 : Word এর শেষে I G N থাকলে তার উচ্চারণ “আইন” হয়। এ ক্ষেত্রে G অনুচ্চারিত থাকে।
☞Design (ডিজাইন) – আকা।
☞Resign (রিজাইন) – পদত্যাগ করা।
☞Reign (রেইন) – রাজত্ব।
☞Feign (ফেইন) – উদ্ভাবন করা।
➤Rule- 6 : L+ M পর পর থাকলে এবং পরে vowel না থাকলে L অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Calm (কাম) – শান্ত।
☞Alms (আমজ) – ভিক্ষা।
☞Palm (পাম) – তালগাছ।
➤Rule- 7 : শব্দে T থাকলে T এর পরে U থাকলে T এর উচ্চারণ “চ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Lecture (লেকচার) – বক্তৃতা।
☞Century (সেঞ্চুরী) – শতক।
☞Furniture (ফার্নিচার) – আসবাবপত্র।
☞Structure (স্ট্রাকচার) – গঠন।
➤Rule-8 : Consonant+ I A+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে, I A এর উচ্চারণ (আইঅ্যা) মত হয়।
উদাহরণ:
☞Dialogue (ডায়ালগ) – কথোপকথন।
☞Diamond (ডায়ামন্ড) – হীরক।
☞Liar (লায়ার) – মিথ্যাবাদী।
☞Liability (লাইয়াবিলিটি) – দায়।
➤Rule-9 : I+ R+ Consonant এভাবে Word গঠিত হলে “I” এর উচ্চারণ “আই” না হয়ে “অ্যা” হয়।
উদাহরণ:
☞First (ফার্স্ট) – প্রথম।
☞Birth (র্বাথ) – জন্ম।
☞Bird (বার্ড) – পাখি।
☞Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।
➤Rule-10 : ৩ বর্ণ বিশিষ্ট Word এ Consonant+ I+ E এভাবে ব্যবহৃত হলে তার উচ্চারণ “আই” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Mice (মাইস) – ইদুর।
☞Rice (রাইস) – চাউল।
☞Wise (ওয়াইস) – বিজ্ঞ
☞Size (সাইজ) – আয়তন।
➤Rule-11 : Consonant+ U+ Consonant এভাবে word
গঠিত হলে U এর উচ্চারণ “আ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Null (নাল) – বাতিল
☞But (বাট) – কিন্তু।
☞Nut (নাট) – বাদাম
☞Cut (কাট) – কাটা।
➤Rule-12 : I G H এর উচ্চারণে G উচ্চারিত হয় না। সেই অংশটুকুর উচ্চারণ “আই” হবে।
উদাহরণ:
☞Night (নাইট) – রাত্র।
☞Sight (সাইট) – দৃশ্য।
☞Might (মাইট) – হতে পারে।
➤Rule-13 : “I O” এর উচ্চারণ সাধারণত “আইয়” হয়।
উদাহরণ:
☞Violet (ভাইয়লেইট) – বেগুনী রঙ।
☞Biology (বাইয়োলজি) – জীব বিদ্যা।
☞Biography (বাইয়োগ্রাফি) – জীবনী।
☞Violation (ভাইয়লেশন) – ভঙ্গ।
➤Rule-14 : Consonant এর পর “AI” এর উচ্চারণ সবসময় “এই” বা “এয়্যা” হয়।
উদাহরণ:
☞Rail (রেইল) – রেলের লাইন।
☞Nail (নেইল) – পেরেক
☞Straight (স্ট্রেইট) – সোজা।
➤Rule-15 : O+ consonant+ U+ consonant+ A/E/I এভাবে word গঠিত হলে, U এর উচ্চারণ “ইউ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Document (ডকিউমেন্ট) – দলিল।
☞Procurement (প্রকিউরমেন্ট) – চেষ্টা দ্বারা পাওয়া।
➤Rule-16 : I+ R+ E এর ক্ষেত্রে যদি বর্ণ তিনটি word এর শেষে থাকে তবে এর উচ্চারণ “আয়্যা” হয়।
উদাহরণ:
☞Dire (ডায়্যার) – ভয়ংকর।
☞Mire (মায়্যার) – কাদা।
☞Admire (এ্যাডমায়্যার) – তারিফ করা।
➤Rule-17 : U I + consonant এরপর vowel না থাকলে U I এর উচ্চারণ “ই” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Guilty (গিল্টি) – দোষী।
☞Guilt (গিল্ট) – দোষ।
☞Build (বিল্ড) – নির্মাণ করা।
➤Rule-18 : E A+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং R যদি word এর শেষ বর্ণ হয় তাহলে E A এর উচ্চারণ “ঈঅ্যা” হবে।
☞Dear (ডিয়্যার) – প্রিয়।
☞Fear (ফিয়্যার) – ভয়।
☞Bear (বিয়্যার) – বহন করা।
➤Rule-19 : EA+ R+ consonant এভাবে word গঠিত হলে, EA এর উচ্চারণ “অ্যা” হবে।
উদাহরণ:
☞Heart (হার্ট) – হৃদয়।
☞Earth (আর্থ) – পৃথিবী।
☞Earn (আর্ন) – আয় করা।
➤Rule-20 : Consonant+ EA+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে EA এর উচ্চারণ ঈ হবে।
☞Feather (ফেদার) – পালক।
☞Tread (ট্রেড) – পদদলিত করা।
☞Leader (লিডার) – সর্দার।
➤Rule-21 : শব্দস্থিত EE+ R এভাবে ব্যবহৃত হলে R যদি word শেষ অক্ষর হয় তাহলে EE এর উচ্চারণ “ইঅ্যা” হবে।
উদাহরণ:
☞Peer (পিয়্যার) – সমকক্ষ।
☞Steer (স্টিয়্যার) – হাল ধরা।
☞Deer (ডিয়্যার) – হরিণ।
➤Rule-22 : P+ S পরপর থাকলে এবং P এর আগে কোন vowel না থাকলে P অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Psyche (সাইকি) – আত্মা
☞Psycho (সাইকো) – মন।
☞Psora (সৌরা) – খোসপাচঁড়া।
➤Rule-23 : শব্দস্থিত STL এর উচ্চারণ হয় “সল্” এখানে T অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Bustle (বাসল্) – অতিশয় কর্ম ব্যস্ততা।
☞Rustle (রাসল) – খসখস শব্দ।
☞Nestle (নেসলে) – বাসা বাঁধা
➤Rule-24 : ইংরেজি শব্দের শেষে TCH থাকলে এর উচ্চারণ হয় “চ”।
উদাহরণ:
☞Batch (ব্যাচ) – ক্ষুদ্রদল।
☞Match (ম্যাচ) – ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
☞Scratch (স্ক্র্যাচ) – আচঁড়ের দাগ।
➤Rule-25 : শব্দস্থিত OA+ R থাকলে, OA এর উচ্চারণ হবে “অ্য”।
উদাহরণ:
☞Board (বোর্ড) – মোটা শক্ত কাগজ।
☞Boar (বোর) – শূকর।
☞Boat (বোট) – নৌকা।
☞Road (রোড) – রাস্তা।
➤Rule-26 : E+ consonant (R ছাড়া) + E এভাবে ব্যবহৃত হলে এবং তার পর আর কিছু না থাকলে প্রথম E এর উচ্চারণ হয় “ঈ” এবং দ্বিতীয় E অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Complete (কমপ্লীট) – সম্পূর্ণ।
☞Mete (মীট) – অংশ ভাগ করে দেয়া।
➤Rule-27 : শব্দস্থিত OE এর উচ্চারণ হয় “ঈ”।
উদাহরণ
☞Phoenix (ফীনিক্স) – রুপ কথার পাখি বিশেষ।
☞Amoeba (এ্যামিবা) – ক্ষুদ্র এক কোষী প্রাণী।
➤Rule-28 : Consonant এরপর OI এর উচ্চারণ হয় “অই”।
উদাহরণ:
☞Coin (কইন) – মুদ্রা।
☞Foil (ফইল) – পাত।
☞Join (জইন) – যোগদান করা।
➤Rule-29 : শব্দস্থিত OA+ Consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে OA এর উচ্চারণ হয় “ঔ”।
উদাহরণ:
☞Road (রৌড) – রাস্তা।
☞Loan (লৌন) – ঋণ।
☞Toad (টৌড) – ব্যাঙ।
➤Rule-30 : UI+ consonant+ A/E/O এভাবে word গঠিত হলে সচরাচর UI এর উচ্চারণ হয় ইংরেজি “আই” এর মত।
উদাহরণ:
☞Guide (গাইড) – পথ প্রদর্শক।
☞Guile (গাইল) – ছলনা, ফাঁকি।
☞Misguidance (মিসগাইড্যান্স) –
বিপথগামীতা।
➤Rule-31 : শব্দের মাঝে E+ R ছাড়া অন্য consonant এভাবে ব্যবহৃত হলে E এর উচ্চারণ সাধারণত “এ” বা “ই” হয়।
উদাহরণ:
☞Rent (রেন্ট) – ভাড়া।
☞Comet (কমিট) – ধূমকেতু।
☞Comment (কমেন্ট) – মন্তব্য।
➤Rule-32 : EE+ consonant (R ছাড়া) এভাবে ব্যবহৃত হলে, EE এর উচ্চরণ “ঈ” হয়।
উদাহরণ:
☞Need (নীড) – প্রয়োজন।
☞Feel (ফীল) – অনুভব করা।
☞Steel (স্টীল) – ইস্পাত।
☞Meek (মীক) – বিনম্র।
➤Rule-33 : R+ vowel+ CH এভাবে ব্যবহৃত হলে CH এর উচ্চারণ হবে “চ”।
উদাহরণ:
☞Approach (অ্যাপ্রোচ) – অভিগমন।
☞Branch (ব্রাঞ্চ) – শাখা।
☞Crunch (ক্র্যাঞ্চ) – গুড়ানো।
➤Rule- 34 : C এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ “স” হবে।
উদাহরণ:
☞Center (সেন্টার) – কেন্দ্র।
☞Cyclone (সাইক্লোন) – ঘূর্ণিঝড় ।
☞Cell (সেল) – কোষ।
☞Circle (সার্কেল) – বৃত্ত।
➤Rule- 35 : Y সাধারণত One-syllable এর শব্দে Y, (আই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
☞Fly (ফ্লাই) – উড়া।
☞Shy (শাই) – লজ্জা।
☞Buy (বাই) – ক্রয় করা।
☞Toy (টই) – খেলনা।
☞Joy (জয়) – আনন্দ।
⇨Two-syllable এর শব্দে Y (ই) হিসেবে উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ
☞City (সিটি) – শহর।
☞Funny (ফানি) – আনন্দ করা।
☞Happy (হ্যাপি) – খুশি।
☞Policy (পলিসি) – নীতিমালা।
➤Rule-36 : শব্দের শেষে MN এর পরে কোন vowel না থাকলে এবং MN পরপর থাকলে N অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Solemn (সলেম) – গুরুগম্ভীর।
☞Condemn (কনডেম) – দোষারোপ করা।
☞Damn (ড্যাম) – অভিশাপ দেয়া ।
➤Rule-37 : ইংরেজি শব্দের শেষে gh থাকলে তার উচ্চারণ হয় “ফ” অথবা কখনো তা অনুচ্চারিত থাকে । কিন্তু এরপর T, N বা M থাকলে gh উচ্চারিত হয় না।
উদাহরণ:
☞Tough (টাফ) – কঠিন।
☞Enough (ইনাফ) – যথেষ্ট।
☞Mighty (মাইটি) – বলশালী।
☞High (হাই) – উচ্চ।
➤Rule-38 : IGH এর উচ্চারণ “আই”। “augh” এবং “ough” এর উচ্চারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই “অ” বা “আ” তাছাড়া eigh এর উচ্চারণ হয় এই কিন্তু Height এর উচ্চারণ ব্যতিক্রম।
উদাহরণ:
☞Night (নাইট) – রাত্র।
☞Dight (ডাইট) – সাজানো।
☞Fight (ফাইট) – লড়াই।
☞Tight (টাইট) – টানটান।
➤Rule-39 : Consonant এরপর BT এর উচ্চারণ “ট” এক্ষেত্রে “B” অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Doubt (ডাউট) – সন্দেহ।
☞Debt (ডেট) – ঋণ।
☞Doubtful (ডাউটফুল) – সন্দিহান।
➤Rule-40 : শব্দের শেষে que এর উচ্চারণ “ক”।
উদাহরণ:
☞Cheque (চেক) – কিস্তি, হুন্ডি।
☞Baroque (ব্যারক) – বলিষ্ঠ।
☞Clique (ক্লীক) – ক্ষুদ্রদল
➤Rule-41 : LK এর আগে E বা U না থাকলে LK এর উচ্চারণ হবে “ক” এবং “L” অনুচ্চারিত থাকে।
উদাহরণ:
☞Talk (টক) – আলাপ।
☞Walk (ওয়াক) – হাটা।
☞Chalk (চক) – খড়ি।
➤Rule-42 : KN বা GN এর আগে vowel থাকলে K ও G উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
☞Agnostic (এ্যাগনষ্টিক) – অজ্ঞেয়
☞Acknowledge (এ্যাকনলেজ) – স্বীকার করা
☞Acknowledgement (এ্যাকনলেজমেন্ট) –স্বীকৃতি।
➤Rule- 43 : কোন শব্দে CC+ OU/ consonant থাকলে CC এর উচ্চারণ হবে “ক”।
উদাহরণ:
☞Accuse (এ্যাকিউজ) – অভিযুক্ত করা।
☞According (এ্যাকর্ডিং) – অনুযায়ী।
☞Accurate (এ্যাকিউরেট) – যথার্থ।
➤Rule- 44 : কোন শব্দে U এরপর consonant+ vowel+….. থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” হয়।
উদাহরণ:
☞Mute (মিউট) – স্তব্ধ, নির্বাক।
☞Tube (টিউব) – নল।
☞Duteous (ডিউটিয়াস) – অনুগত , বাধ্য।
➤Rule- 45 : কোন শব্দে U এর পূর্বে consonant+ R/L+…… থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।
উদাহরণ:
☞Blue (ব্লু) – নীল।
☞Glue (গ্লু) – শিরিসের আঠা।
☞True (ট্রু) – সত্য।
➤Rule- 46 : কোন শব্দে U+E এর পূর্বে consonant + R বা L না থাকলে U এর উচ্চারণ সাধারণত “ইউ” এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Sue (স্যু) – আদালতে অভিযুক্ত করা।
☞Hue (হিউ) – রং।
☞Imbue (ইমবিউ) – অনুপ্রানিত করা।
➤Rule-47 : কোন শব্দে U এর পূর্বে R বা L একক ভাবে থাকলে তার পরে E বা consonant+ E/L থাকা স্বত্তেও তার উচ্চারণ সাধারণত “উ” হয়।
উদাহরণ:
☞Nude (নুড) – নগ্ন, ন্যাংটা।
☞Lunacy (লুনাসি) – পাগলামি, বকা আচরণ।
☞Lutanist (লূটানিস্ট) – বীণা-বাদক।
➤Rule- 48 : U এর পর যদি এমন দুটি Consonant থাকে যাদেরকে আলাদাভাবে উচ্চারণ করতে হয় (ফলে প্রথমটিতে একটি syllable শেষ হয় এবং পরেরটিতে আরেকটি syllable শুরু হয়) তাহলে ঐ দুটি consonant এর পর E/I/A থাকা স্বত্তেও U এর উচ্চারণ বাংলা “আ”- এর মত হয়।
উদাহরণ:
☞Incumbent (ইনকামবেন্ট) – বাধ্যতামূলক।
☞Number (নাম্বার) – সংখ্যা।
☞Constructive (কনস্ট্রাকটিভ) – গঠনমূলক।
☞Nudge (নাজ) – কনুয়ের মৃদু ঠেলা দেয়া।
➤Rule- 49 : LM এর আগে কোন vowel অর্থাৎ “ই”, “ঈ” বা “এ” ধ্বনি থাকলে L উচ্চারিত হয়।
উদাহরণ:
☞Film (ফিল্ম) – চলচ্চিত্র।
☞Elm (এল্ম) – দেবদারু জাতীয় গাছ।
☞Filmy (ফিল্মি) – মেঘাচ্ছন্ন।
➤Rule- 50 : UI+ consonant+ I কিংবা consonant+ L/R+ UI এভাবে গঠিত হলে UI এর উচ্চারণ “ইউই” বা “উই” হয়।
উদাহরণ:
☞Perpetuity (প্যারপিচিউইটি) – চিরস্থায়ীত্ব।
☞Ingenuity (ইনজিনিউইটি) –
☞Liquidity (লিকুইডিটি) – তারল্য, তরল অবস্থা।