06/06/2025
এরই নাম জীবন।😍😍❤️❤️❤️😍😍
ধর্ম ও নৈতিকতার শিক্ষা সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় সম্পদ। -আল কুরআন।
06/06/2025
এরই নাম জীবন।😍😍❤️❤️❤️😍😍
06/06/2025
পাসপোর্ট জটিলতার কারনে আমিন নামক লোকটিকে (হজযাত্রী) নিরাপত্তা বাহিনিরা আটকে দেয়। তাকে ছাড়াই উড়াল দেয় বিমান,তখন সে কান্না করতে থাকেন। নিরাপত্তা বাহিনিরা তাকে শান্তনা দিয়ে বলেন" মন খারাপ করোনা,আল্লাহ হয়তো তোমার জন্য এবারের হজ্জ কবুল করেনি। -লোকটি উত্তর দেয়,আমি হজ্জের নিয়তে এসেছি,আমার বিশ্বাস বিমান আবার ফেরত আসবে আমাকে নিতে। পরক্ষণেই খবর এলো যান্ত্রিক ত্রুটি থাকার কারনে বিমান পুনরায় ফেরত আসছে।
আসার পর ত্রুটি সেরে নেয় এবং ক্যাপ্টেইন তাকে না নিয়ে প্লেন নিয়ে ২ বারের মতো উড়াল দেয়।
এরপর ঝড়ের কারনে বিমান আবার ৩য় বারের মতো ফিরে এসে জরুরি অবতরন করেন। এরপর ক্যাপ্টেইন ওই যাত্রীকে বলেন " আল্লাহর কসম আমি আর উড়বোনা,যতোক্ষণ না আপনি প্লেনে উঠেন। অবশেষে সব জটিলতা শেষ করে বিমান তাকে নিয়েই সৌদি আরবে হজ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।
NS Academy - NSA
16/05/2025
✍️
প্রজ্ঞা ক্রয়ের মুদ্রার নাম "সওয়াব"
শব্দরূপে জ্ঞান তো টাকা দিয়ে বই কিনে,
বিভিন্ন কোর্স করে বা
দ্বীনি প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করে অর্জন করাই যায়।
কিন্তু ইলমের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য ও প্রজ্ঞা অর্জন করতে লাগে সওয়াব নামক মূদ্রা।
হে ত্বলিবুল ইলম! সওয়াব জমা করো, তা দিয়ে প্রজ্ঞা কেনো।
স্মরণ রাখো,টাকা দিয়ে ইনফরমেশন কেনা যায়,
আর সওয়াব দিয়ে প্রজ্ঞা।
এবার জেনে নাও, সর্বাধিক সওয়াব অর্জন হয় সকল ফরজ, ওয়াজিব ইবাদতের মাধ্যমে, অতঃপর গভীর রাতের ইবাদত দ্বারা।
এই ইবাদাতের সংজ্ঞা ব্যপক।
একজন মুসলমানের হায়াতে জিন্দেগী কেমন হওয়া উচিত; যার ২৪ ঘন্টাই ইবাদতের শামিল তা জানতে
হাকীমুল উম্মত রহঃ এর "হায়াতুল মুসলিমীন"মন লাগিয়ে পড় এবং তদানুযায়ী নিজের সাথে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হও..."আমি প্রকৃত মুসলমান হবোই"!
দু'জাহানের শান্তি, সম্মান, সফলতা শুধুই তোমার, শুধুই তোমার।
সূর্যটাও তোমার, চন্দ্রটাও তোমার, জমিন তোমার, আসমানও তোমার,
গর্তের পীপিলিকা থেকে শুরু করে সাগরের মাছ, জ্বীন-ইনসান, মালাঈকার দল সব তোমারই জন্য।
ওয়াল্লাহি!সব তোমার, সব তোমার।
ইলমের সাথে ইবাদতের মিশ্রণে যদি প্রকৃত মুসলমান হতে পারো তাহলে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তোমার হৃদয়ে ঈমান খোদাই করে দিবেন এবং
~~~ তুমিই হবে সে ব্যক্তি~~~
যার সম্পর্কে রব সূরা মুজাদালার ২২ নং আয়াতে বলেছেন-وَاَیَّدَہُمۡ بِرُوۡحٍ مِّنۡہُ যাদেরকে তিনি শক্তিশালী করেন অদৃশ্য শক্তি দ্বারা।
16/05/2025
জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিয়ে প্রতি রাতের ৩০ মিনিটের জন্য না। বাকি ২৩ ঘন্টা ৩০ মিনিটের কথাটাও মাথায় রাখা উচিত। নয়তো জীবনটা তছনছ হয়ে যাবে।
বিয়ে কেন করে সেটা না জেনেই অনেকে বিয়ে করছে। কেউ বিয়ে করছে নিজের বিলাসী শখ পূরণ করতে। কেউ বিয়ে করছে সামাজিক স্ট্যাটাস তৈরি করতে। কেউ বিয়ে করছে আবেগে। কেউ বিয়ে করছে খুশিতে। কেউ বিয়ে করছে ঠ্যালায় পড়ে। কেউ বিয়ে করছে ট্রেন্ডি হতে।
নিজেকে মূল্যায়ন না করে যার-তার সাথে ঘর বাঁধার মাশুল চড়া মূল্যে দিতে হয় এক সময়।
বিয়ে একটা প্রয়োজনীয়তা। প্রথম প্রয়োজন বৈধ উপায়ে যৌ*ন চাহিদা পূরণ করা। এরপর একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু পাওয়া। একজন সোল মেট পাওয়া।
মানসিকতা না মিললে, চিন্তা-চেতনার মধ্যে বিস্তর ফারাক থাকলে, জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য এক না হলে গলার কাঁটা নিয়ে সারাটা জীবন পার করতে হয়। যারা ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলেন, তারা একসময় বিচ্ছেদের মতো জীবন অচল করে দেওয়া সিদ্ধান্তের পথে পা বাড়ান।
কেউ কারো মতো হুবুহু হতে পারবে না। এ কথা যেমন সত্য। আবার একে অপরের হৃদয়টা বুঝতে না পারলে দুজনের মধ্যে দূরত্ব যে সৃষ্টি হবে, সেটাও কিন্তু সত্য। তাই মাথার ওপরের পাখাটা ধীরে চলবে নাকি দ্রুত গতিতে, রাতের খাবার কি দেরি করে খাবে নাকি আগেভাগে, খাবারের ঝাল কিংবা লবন কমবেশি করার ব্যাপারে একে অপরকে স্যাক্রিফাইস করতেই পারে। তবে তার মানে এই নয় যে দুজন মানুষ আলাদা দুই জগতের বাসিন্দা। দুজনের মৌলিক চাওয়া-পাওয়া একেবারেই ভিন্ন হবে।
চোখের ভালো লাগার একটা বিষয়ও কিন্তু আছে। এটা মৌলিক চাহিদা। সঙ্গীকে যদি ভালো নাই লাগে, তখন বিয়েটা অর্থহীন হয়ে যায়। কাঁধের ওপর স্রেফ 'বিবাহিত' তকমাটাই থাকে; সঙ্গীর হাতটা পাওয়া যায় না।
অথচ কান্না করার জন্য সঙ্গীর কাঁধে মাথা রাখাটা প্রাপ্য অধিকার। বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিয়ে সকল দুঃখগুলো এক নিমিষেই পানি করে ফেলার জন্য কোনো অনুমতি বা পরিবেশের জন্য অপেক্ষা করতে যেন না হয়, সেটার নিশ্চয়তা থাকতে হয়। একে অপরকে ঠিক সেভাবেই বুঝবে, যেমনটা তারা নিজেকে বুঝে।
বিয়ের আগে কারো মনের ভেতরে গিয়ে তো আর এসব যাচাই করা যায় না। তাহলে উপায় কি? সংসার জীবন তো তাহলে আর হবে না।
না, ব্যাপারটা সেরকম না।
ভালোবাসা মানে শুধু পাওয়া না। ভালোবাসলে ত্যাগও করতে হয়। যা নিঃস্বার্থভাবে ভালোবাসার উদাহরণ!
12/05/2025
প্রথমে সাব-রেজিস্ট্রার, এডি, ৩৬ বিসিএসে শিক্ষায়, শেষে ৩৭ এ পুলিশ ক্যাডার পলাশ সাহা নিজের পিস্তলের গু'লিতে দুনিয়ায় সব বেড়াজাল থেকে মুক্ত হয়!উদ্ধারের সময় তার টেবিলে একটি চিরকুটে লেখা ছিল, "আমার মৃ'ত্যুর জন্য মা এবং বউ কেউ দায়ি না! আমিই দায়ি! কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না! বউ যেন সব স্বর্ণ নিয়ে যায় এবং ভালো থাকে
মায়ের দায়িত্ব দুই ভাইয়ের উপর! তারা যেন মাকে ভালো রাখে! স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য! দিদি যেন কো অর্ডিনেট করে..!😭😌😌
12/05/2025
পলাশ সাহার স্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে তার শাশুড়ির নি*র্যা*ত*নে*র কথা জানান।
পলাশের স্ত্রী বলেন, বিয়ের প্রথম সাত মাস আমি আমার শাশুড়িকে নিজের মায়ের থেকেও বেশি ভালবাসতাম।
তাকে গোসল করিয়ে দেওয়া, তার জন্য সেরা কাপড়টাই পছন্দ করতাম।
ফ্ল্যাটের সবথেকে ভালো বেডরুম'টা তার জন্য সিলেক্ট করি। তাঁকে (শাশুড়িকে )আমার সবটা দিয়ে ভালবেসেছি।
কারণ আমার স্বামী তাঁর মাকে অনেক ভালোবাসতো।
তাই আমিও আমার শাশুড়ি মাকে অনেক ভালবাসতাম যেন, আমার হাজবেন্ড ভালো থাকে।
কিন্তু আমি খেয়াল করি, আমার শাশুড়ি তার ছেলের জন্য সকালের নাস্তা তৈরি করে। আমার জন্য কোন খাবার রাখে না।
এমনকি আমার স্বামী আমার হাতের রান্না পছন্দ করতেন বলে। আমার শাশুড়ি আমার রান্না পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করে দেন।
আমাকে আর রান্না করতে দিতেন না। তিনি সব সময় চাইতেন আমাকে আমার হাজব্যান্ডের থেকে দূরে রাখার।
আমরা বেবি নেয়ার প্ল্যান করি।
কিন্তু আমার স্বামী আমাকে বোঝায়, মা চান না যেন আমাদের বেবি হোক। আসলে আমার মা একটা ফ্যাসিস্ট!
পলাশের স্ত্রী আরো বলেন, আমার শাশুড়ি চাইতেন আমার স্বামী যেন আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেন।
এটা নিয়েও অনেক ঝামেলা করে আমার স্বামীর সাথে।
কিন্তু কারো কাছে হয়তো জানতে পারে যে, আমাকে ডিভোর্স দিলে আমার স্বামীর চাকরির সমস্যা হবে।
কিন্তু আমি যদি নিজের থেকে চলে যাই তাহলে কোন সমস্যা হবে না। তাই তিনি আমার উপর আরো বেশি অ*ত্যা*চা*র শুরু করে দেন, যেন আমি নিজে থেকে আমার স্বামীকে রেখে চলে যায়!
ঐনি আমাকে সংসারটা করতে দিলেন না,,,,,,!
কথাগুলো বলতে গিয়ে বারবার কান্নায় ভেঙে পড়েন পলাশের স্ত্রী সুস্মিতা।
শুরুটা এমন হলে শেষটা মৃত্যু কেন?
11/05/2025
সম্ভবত তিনিই বাংলাদেশের
একমাত্র আলেম যার কোন হেটার্স নেই।
তাকে হানাফী ভাইয়েরা ভালবাসেন, আহলে
হাদীস ভাইয়েরাও ভালবাসেন! কওমিরা ভালবাসেন, আলিয়ারাও ভালবাসেন! শুধুমাত্র ভ'ন্ড পীর মুরিদরা বিরো'ধীতা করেছে!
ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ তার সাবলীল বক্তব্য, মুক্তোঝ'রা হাসিমুখ আর সাধাসিধে জীবন দিয়ে খুব সহজ ভাবে দ্বী'ন বুঝিয়েছেন!
একজনও অ!লেমের বিরু'দ্ধে কখনাে খারাপ মন্তব্য করেননি! কিভাবে দাওয়াত সহজ করতে হয় সেটা তার চেয়ে সুন্দরভাবে কেউ বুঝাতে পারেনি! প্রতিষ্ঠা করে গেছেন আস সুন্নাহ ট্রাস্ট।
লিখে গেছেন অনবদ্য অসংখ্য বই! শিক্ষিত, অশিক্ষিত উভয় শ্রেণির লক্ষ লক্ষ মানুষকে দেখিয়েছেন হেরার আলো!
২০১৬ সালের ১১মে অর্থাৎ আজকের
দিনে একটি সড়ক দুর্ঘ*টনায় ইন্তে'কাল করেন!
আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'আলা প্রিয় এই
মানুষটিকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন,আমিন!
09/05/2025
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এক যুদ্ধবিমান সাহারা মরুভূমিতে ভেঙে পড়ে। পাইলট প্রাণে বেঁচে যায়, কিন্তু চারদিকে শুধু ধু-ধু বালির সমুদ্র আর ঝলসানো রোদ। খাবার নেই, পানি নেই — কেবল এক বোতল পানি আর কিছু শুকনো বিস্কুট।
তিনদিনের মাথায় তার পানি ফুরিয়ে যায়। প্রচণ্ড রোদ, পানির অভাব আর একাকীত্বের ভারে সে প্রায় মৃত্যুর মুখে। ঠিক তখনই মনে পড়ে — পাইলট হওয়ার আগে সে ছিল একজন শিল্পী। পকেটে ছিল একটি পেন্সিল আর ভাঙা একটা চশমা। মরুভূমির বালুর ওপর সে আঁকতে শুরু করে — তার পরিবার, শহর, রাস্তা আর টলমলে পানি!
জানি সে বাঁচবে না, তবু শেষ মুহূর্তগুলোতে সে তার স্মৃতি ধরে রাখতে চায়। অবাক করা বিষয়, ছবি আঁকতে আঁকতে তার তৃষ্ণা কিছুটা কমে যায়, মন শান্ত হয়ে আসে। সে ভাবল, "আমি এখনো বেঁচে আছি। স্বপ্ন দেখতে পারি মানে এখনো হার মানিনি।"
অষ্টম দিনে এক ফরাসি উদ্ধারকারী দল তাকে খুঁজে পায়। তারা দেখে — কঙ্কালসার দেহ, ফেটে যাওয়া ঠোঁট, ক্লান্ত চোখ — কিন্তু সেই পাইলট তখনো বালিতে ছবি আঁকছে, যেন কোনো মন্ত্রমুগ্ধ শিল্পী!
উদ্ধারের পরে পাইলট বলেছিল, "আমি টিকে ছিলাম, কারণ আমি বিশ্বাস হারাইনি। আমার ভাঙা চশমা আর এক টুকরো পেন্সিলও আমাকে মরুভূমিতে বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।”
শিক্ষা: জীবন অনেক কিছু কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু আপনার বিশ্বাস কেড়ে নিতে পারে না। যদি আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস রাখেন, কেউ আপনাকে হারাতে পারবে না।
05/05/2025
নারী তুমি সমাধিকার বলতে কি বোঝাতে চাও???
কুরআন পড়,কুরআনের অর্থ পড়,কুরআনের তাফসির পড়।
তুমি নিজেই বলতে বাধ্য হবে- আমি ন্যায্য অধিকার চাই।🤲🤲🤲🤲🤲
02/05/2025
এই তুই IELTS করছোস 😂.
02/05/2025
ভারত-অধিকৃত কাশ্মির ভূখণ্ড নিয়ে আরও ১০টি যুদ্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আসিম মুনির।