CUETism - চুয়েটিজম

CUETism - চুয়েটিজম CUETian Community

17/12/2024

সবুজে মোড়া প্রকৃতির চাদরে ঘেরা এক স্নিগ্ধতার নাম চুয়েট। বাংলাদেশের প্রকৌশল বিদ্যা চর্চার দিগন্তে চুয়েট যেন অক্ষত এক রং.. 💚

🎬 Team Eccentric Six ❤️

15/12/2024

বিজয়ের সাজে চুয়েট প্রাঙ্গন.. ❤️

📷 : Shutter Speed

15/08/2024

ক্যাডার যার মন্ত্রণালয় হোক তার! যে যেই ফিল্ডের ক্যাডার সেই তার মেধার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত হোক। প্রকৌশলী-ডাক্তার-সাধারণ বৈষম্য দূর হোক!

প্রথাগত পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সরকার কীভাবে কাজ করে?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বা মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার অধীনে কিছু মন্ত্রণালয় থাকে। মন্ত্রণালয়গুলোতে কয়েকটি করে বিভাগ/অধিদপ্তর/পরিদপ্তর প্রভৃতি থাকে। মন্ত্রণালয় গুলোর প্রধান থাকেন সচিব এবং তার উপরে থাকেন মন্ত্রী মহোদয়গণ। প্রধানমন্ত্রী/প্রধান উপদেষ্ঠার কার্যালয়ে যারা থাকেন তাদের সবাই প্রশাসন ক্যাডারের, ফলে দেশ চালনার জন্য যে অন্য সার্ভিসের লোকজনের জ্ঞান বা অভিজ্ঞতার ফল সরকার প্রধানের কাছে যায় না।

সেজন্য বিসিএস ক্যাডার অফিসারদের ক্ষেত্রেও বৈষম্য দূর হোক। উদাহরণস্বরূপ, বিসিএস( সড়ক ও জনপথ-সওজ) ক্যাডারের কর্মকর্তারা বিসিএসের মাধ্যমে সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরে যোগদান করেন। পদন্নোতি পেয়ে তারা উক্ত অধিদপ্তরের চীফ ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেন কেবল একজন। সেই চিফ ইঞ্জিনিয়ারের বস আবার একজন প্রশাসন ক্যাডার থেকে আসা সচিব। এছাড়া অত্র মন্ত্রণালয়টি প্রকৌশল নির্ভর হলেও অন্য বিভাগ বা অধিদপ্তর যেমন- সেতু বিভাগের প্রধান নির্বাহী পরিচালক একজন নন টেক অফিসার। অথচ তার কাজ ব্রিজ নির্মাণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত দেয়া। এভাবে সবগুলো মন্ত্রণালয়ের প্রধান হলেন সচিব যিনি একজন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। বর্তমান সচিবদের প্রায় ৯৫% প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা। ফলে সরকারের নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞরা মতামত দিতে পারেন না। কারণ তারা সেসব মিটিংয়ে থাকার মতো সুযোগ থাকে না। ফলে কৃষি/স্বাস্থ্য/পূর্ত/রেল/বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি/আইসিটি/টেলিযোগাযোগ এরকম টেকনিক্যাল সবগুলো মন্ত্রণালয়ের কাজের সিদ্ধান্ত অনেকসময় বাস্তবতা বিবর্জিত হয়। কেননা সরকারকে একজন পেশাজীবী মাঠের অবস্থা বোঝে যেভাবে উপস্থাপন করতে পারবেন, সেভাবে অন্য ক্যাডারের লোক উপস্থাপন করতে পারবেন না।

স্বাস্থ্যখাতের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারনী ব্যাক্তিটি যেমন ডাক্তার হওয়া দরকার, তেমন প্রকৌশল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দরকার প্রকৌশলী, কৃষিক্ষেত্রে হওয়া উচিত কৃষিবিদ। রাষ্ট্রের স্বার্থে দেশের উন্নয়নে অবশ্যই এর বাস্তবায়ন জরুরি।

এবার একটু সংক্ষিপ্ত ইতিহাস জেনে নেয়া যাক,
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত পদগুলি কোনো ক্যাডার পদ নয়, সরকারের নিজস্ব বিশেষ পদ। এই পদগুলির জন্য ১৯৭৪ সালে সিনিয়র সার্ভিস পুল গঠন করা হয় যেটি ১৯৮৯ সালে বাতিল করে দেয়া হয়।উক্ত পুলে উপসচিব থেকে সচিব পর্যন্ত পদে সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রদানের কথা এবং তা সব ক্যাডারের জন্য উন্মুক্ত রাখার সুপারিশ করা হয় । ১৯৭২ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২ ডজন কমিশন/কমিটি এবং পে এন্ড সার্ভিস কমিশন ১৯৭৭ একই সুপারিশ করে। ১৯৯৭ সালে সামসুল হক কমিশন গঠিত হয়। সে কমিশনও পরীক্ষাভিত্তিক মেধাক্রমে নিয়োগের মাধ্যমে সচিবালয়ে সকল ক্যাডারের বা অধিনস্থ প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিত্বশীল যোগ্য প্রশাসন গড়ে তোলার সুপারিশ করে। মেধাভিত্তিক সেই পদ্ধতির পরিবর্তে সংবিধানের ১৯, ২৮ ও ২৯ অনুচ্ছেদকে পুরোপুরি লঙ্ঘন করে বর্তমানে শুধুমাত্র প্রশাসন ক্যাডার (সাবেক রাজস্ব ক্যাডার) থেকেই ৭৫% এবং অন্যান্য সকল ক্যাডার থেকে মাত্র ২৫% অসাংবিধানিক কোটাভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়।

অন্যদিকে মন্ত্রণালয়-এ প্রশাসন ক্যাডার থেকে আগত উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব পদের কর্মকর্তাগন সাময়িক সময় (২-৩ বছর) দায়িত্ব পালন করেন এবং সচিব পদের কর্মকর্তাগন কোন কোন ক্ষেত্রে এক বছর দায়িত্ব পালন করেন। ফলে উক্ত সময় পরে কর্মকর্তা পরিবর্তনের ফলে প্রকল্পের অগ্রগতি ব্যহত হয় ও সিদ্ধান্তে সুফল কম পাওয়া যায়।

তাই মন্ত্রণালয়গুলোতে বৈষম্য দূর করতে প্রশাসন ক্যাডার থেকে ৭৫% এবং অন্যান্য সকল ক্যাডার থেকে মাত্র ২৫% অসাংবিধানিক কোটাভিত্তিক নিয়োগ বাদ দিয়ে, সরকারী কর্ম কমিশন কর্তৃক সকল ক্যাডারের জন্য উন্মুক্ত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে উপসচিব পদে পদন্নোতি দিলে এবং এভাবে তৈরিকৃত লিস্ট থেকে যোগ্যতা অনুযায়ী উপসচিব থেকে থেকে সচিব পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রে নিয়োগ প্রদান করলে রাষ্ট্র সংস্কার সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি। নাহলে সংস্কার না হয়ে শুধু ক্ষমতার পালাবদলই চলবে আর এক কেন্দ্রিক ও একটা বিশেষ গোষ্ঠীকেন্দ্রিক হবে নির্বাহী বিভাগ।

আরো অনেক বৈষম্য আছে, কোটা আছে- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে একটা প্রকল্পেএ আওতায় বিসিএস ক্যাডারদের বিদেশে পড়তে স্কলারশিপ দেয়া হয়। সেখানে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডার থেকে পায় ৭০% আর বাকি ২৫টি ক্যাডার থেকে পায় ৩০%. যা আরেকটি চরম বৈষম্য। তাছাড়া প্রশাসন ক্যাডারের জন্য আলাদা স্কলারশিপও আছে যেটা আবার অন্যদের নাই। বাসা, গাড়ি এসব তো আর বলার অপেক্ষাই রাখে না। তাই কৃত্য পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় গঠন সময়ের দাবি। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে এর বিকল্প নেই।।

[তথ্যসূত্রঃ গুগল ও অন্যান্য]

06/08/2024

আধুনিক চুয়েটের রূপরেখা▶️
🟢সকল প্রকার রাজনীতি(শিক্ষক/শিক্ষার্থী) চিরতরে নিষিদ্ধ করতে হবে।প্রয়োজনে ছাত্র সংসদ চালু করা যেতে পারে।

🟢ডিজিটাল চুয়েট গঠন।এনালগের যুগ ছেড়ে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত সকল কাজকর্ম ডিজিটালাইজেশন করে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে হবে।অনলাইন আইডিতে রেজাল্ট প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে।

🟢ক্যাফেটেরিয়ায় একক পরিচালক থাকতে পারবে না।বরং ভেরিয়েশন ও মান বাড়াতে কয়েকটি খাবারের দোকান থাকতে পারে।দাম সাধ্যের মধ্যে থাকবে।

🟢বাসের রুট নির্ধারণ করবে শিক্ষার্থীরা। প্রয়োজনে ট্রান্সফারেবল রুটের নামফলক বসিয়ে বাস চলাচল করতে পারে।এতে করে সব রুটের শিক্ষার্থীদের উপকার হবে।সর্বপরি বাস সংখ্যা বাড়াতেই হবে।

🟢পরীক্ষায় কোডিং সিস্টেম চালু করতে হবে।ইম্প্রুভমেন্ট এক্সামের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

🟢ক্লাসরুম নিয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ শুনে সেই অনুসারে ব্যবস্থা নিতে হবে।এক্ষেত্রে স্ব স্ব বিভাগ ব্যবস্থা নিবেন।

🟢ডিজিটালাইজেশনের পাশাপাশি কচ্ছপ গতির ইন্টারনেট বাদ দিয়ে আধুনিক যুগের সুপারফাস্ট নেট অবিলম্বে চালু করতে হবে।

🟢কিছু হলেই বিদ্যুৎ নেই। এইসব অজুহাত থেকে বেড়িয়ে সার্বক্ষণিক বিদ্যুত সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

🟢নতুন মেডিকেল সেন্টার দ্রুত চালু করে অন্তত ১৬-১৮ঘন্টা খোলা থাকে এমন মেডিসিন শপ ক্যাম্পাসের ভিতরেই চালু করতে হবে।অ্যাম্বুলেন্সকে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার না করে এর সংখ্যা বাড়াতে হবে।

🟢হলের খাবারের মান বাড়াতে হবে।প্রয়োজনে ভর্তুকির ব্যবস্থা করবে প্রশাসন।কোনো প্রকার হল অফিস সিন্ডিকেট চলবে না। ডাইনিং ম্যানেজার শিক্ষার্থীদের মতের ভিত্তিতে নির্বাচন করতে হবে এবং তিনিই সর্বেসর্বা হবেন।

🟢পুরাতন সিলেবাস ভেঙ্গে আধুনিকায়ন করতে হবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয় বা সমসাময়িক বিষয়ের সাথে তাল মিলিয়ে সিলেবাস পরিবর্তন করে পড়াতে হবে।

🟢র‍্যাগিং,পরিচয়পর্ব নিষিদ্ধ করতে হবে।

🟢চুয়েট লেকসহ খেলার মাঠের সংস্কার করে সেখানে প্রয়োজনীয় খেলার সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে।জিমনেসিয়াম ও ইন্ডোর খেলার মাঠ চালু করতে হবে।

🟢মেয়েদের হলে বাধ্যতামূলক হল টোকেন কাটার রীতির সংশোধন আনতে হবে।

🟢বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনে অন ক্যাম্পাস জব রিক্রুমেন্ট,অনলাইন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম এসবের আয়োজন করবে।

🟢চুয়েট বাস ধূমপানমুক্তকরণ সহ মাদকমুক্ত চুয়েট গড়তে হবে।

🟢যত্রতত্র গাছ কেটে, প্ল্যান না করে অসুন্দর বিল্ডিং না বানিয়ে প্রয়োজনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মতামত নেয়া যেতে পারে।

🟢চলমান সংকটময় পরিস্থিতিতে যেসকল কারণে শিক্ষার্থীরা বিপদের মুখোমুখি হয়েছিলো তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

সর্বপরি আমরা একটি আধুনিক চুয়েট চাই।কোনোপ্রকার রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি ও সিন্ডিকেটের গ্যাড়াকলে পড়তে চাই না।

[লেখা- Sayeed Chowdhury, Ex-CUETian]

২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষা-গবেষণার একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান...
31/08/2020

২০০৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের দক্ষিণ- পূর্বাঞ্চলের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষা-গবেষণার একমাত্র উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে চুয়েট আত্মপ্রকাশ করে। এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালের ১ জুলাই বি.আই.টি, চট্টগ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ❤
আজ চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( চুয়েট ) ১৮ তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে বি.আই.টি এবং বি.আই.টি থেকে চুয়েট হওয়ার পেছনে যেই সকল অগ্রজদের ভূমিকা রয়েছে তাদের সবার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। 🥰

26/08/2020

"🅲🆄🅴🆃🅸🆂🅼"-CUET+ISM
'CUET' চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ; অত্র বিশ্ববিদ্যালয় এর সকল প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অন্তরে একটি বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। 'ISM' মূলত একধরণের মনস্তাত্ত্বিক ক্রিয়া, প্রক্রিয়া যা ব্যক্তি, জাতি,প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইতিবাচক ভিন্নতা সৃষ্টি করে এবং এই পৃথককৃত জনগোষ্ঠীর নিজেদের মধ্যে আবেগ, টান, সম্প্রীতি ও উৎকর্ষ সাধনের প্রাবল্যতা পরিলক্ষিত হয়৷

'CUETISM' একটি ক্ষুদ্র শব্দ হলেও এর ভাবের প্রগাঢ়তা ব্যাপক। 'CUET' প্রত্যেক 'CUETIAN' এর জীবনের, স্মৃতির এবং আবেগের একটা বিশাল অংশ নিয়ে আছে। 'CUET' আমাদের একটি গর্বের জায়গা। সকল প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থী 'CUET' নামক এই বিশালতার মাঝে সর্বদা একতার ভিত্তিতে থাকতে চায়। প্রতিষ্ঠানের কল্যাণের লক্ষ্যে কাজ করতে চায়। ❤

চুয়েটিজম-
★মূলত প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মাঝে সর্বদা সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে।
★এই পেইজ সর্বদা চুয়েট এর যেকোন অবকাঠামোগত উন্নয়ন সম্পর্কিত বিষয়াদি,কারিগরি বিষয়াদি,গবেষণামূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সকলকে অবগত করবে।
★দেশে ও বিদেশে অবস্হানকারি সম্মানিত প্রাক্তন চুয়েটিয়ানদের হতে প্রাপ্ত দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য তুলে ধরবে।
★বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে গুণগতভাবে চুয়েট-কে সামনে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে চুয়েটিয়ানদের ভাবনা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করবে।
★ক্যাম্পাসে কাঁটানো স্মরণীয় মুহুর্ত, ক্যাম্পাস জীবন চুয়েটিয়ানদের ভাবনা ও কিভাবে আরো সুন্দর ক্যাম্পাস জীবন গঠণের মাধ্যমে চুয়েট কে এগিয়ে নেয়া যায় তা নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবে।

সবাইকে পাশে থাকার আহ্বান রইলো.. 🥰

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CUETism - চুয়েটিজম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to CUETism - চুয়েটিজম:

Shortcuts

Share