Alchemy Academy

Alchemy Academy

Share

অল্প জ্ঞানী লাফায় বেশি, মধ্য জ্ঞানী চুপ! পূর্ণ জ্ঞানীর বিনয় বেশি, শান্ত তাহার রূপ..!

17/12/2025
10/12/2025

বেগম রোকেয়া সম্পর্কে তৎকালীন আলেমদের কোনো অবস্থান পাওয়া যায় না কেন?

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে বলা হয় নারীজাগরণের অগ্রদূত, কিন্তু তার জীবদ্দশায় কিংবা মৃত্যুর পর দীর্ঘ সময় ধরে আলেম সমাজের পক্ষ থেকে তার সম্পর্কে সুস্পষ্ট কোনো অবস্থান লক্ষ্য করা যায় না। এই অনুপস্থিতির পেছনে জটিল কিছু ঐতিহাসিক ও সামাজিক বাস্তবতা আছে।

প্রথমত, রোকেয়ার প্রধান কর্মক্ষেত্র ছিল নারীশিক্ষা, সামাজিক সংস্কার, অন্ধ কুসংস্কার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই। বেগম রোকেয়া ইসলামের প্রচলিত রক্ষণশীল ব্যাখ্যা, পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং পর্দার কঠোর রূপ নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। ফলে তার বক্তব্যের কিছু অংশ ইসলামি বিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়েছে। যেহেতু আলেম সমাজের বড় অংশ সে সময়ে তার লেখাগুলো পড়তেন না। কারণ সেগুলো বাংলায় লেখা, কিছুটা সাহিত্যধর্মী, আর তার চিন্তাধারা নারীর অধিকার ও সামাজিক সংস্কারের ইস্যুতে কেন্দ্রীভূত। ফলে আলেম সমাজে তার কাজ নিয়ে বড় পরিসরে আলোচনার কোনো সুযোগই তৈরি হয়নি।

দ্বিতীয়ত, তার লেখালেখির সময়কালের (১৯০০-১৯৩২) সমাজ ছিল গভীরভাবে রক্ষণশীল; নারীর স্বাধীন চলাফেরা, পর্দার ব্যাখ্যা বা উচ্চশিক্ষা বিষয়ে সামাজিক মনোভাব ছিল সীমাবদ্ধ। অনেক আলেম তখন নারীর শিক্ষা-বিস্তার দেখতে সতর্ক দৃষ্টিতে তাকালেও রোকেয়ার নাম উল্লেখ করে প্রতিক্রিয়া দেননি। তারা ব্যক্তিকে নয়, বৃহত্তর সামাজিক প্রবণতাকেই লক্ষ্য করে বক্তব্য দিতেন। ফলে সমাজের রক্ষণশীল প্রতিরোধ থাকলেও তা কখনোই রোকেয়াকে কেন্দ্র করে সুস্পষ্ট ফতোয়া বা ঘোষণায় রূপ নেয়নি।

তৃতীয়ত, রোকেয়ার সাহিত্য ও প্রবন্ধসমগ্র সে সময়ের শিক্ষাব্যবস্থার মূল পাঠপরিসরে প্রবেশ করেনি। আলেম সমাজের বড় অংশ বাংলা সাহিত্য পড়তেন না অথবা নারীর আত্মজাগরণমূলক লেখার প্রতি বিশেষ আগ্রহী ছিলেন না। আলেমদের বুদ্ধিবৃত্তিক পরিমণ্ডলে আরবি, ফারসি ও উর্দুভিত্তিক ধর্মীয় গ্রন্থই ছিল প্রধান। ফলে রোকেয়ার লেখার সঙ্গে তাদের পরিচয় ছিল সীমিত। যে লেখককে জানাই হয়নি, তার সম্পর্কে মত গঠনের প্রশ্নও তেমনভাবে তৈরি হবে না, এটাই স্বাভাবিক।

এছাড়া রোকেয়ার সময়ের মুসলিম সমাজে নারী-পুরুষের আলাদা জনজীবন ছিল, ফলে রোকেয়ার পাঠকরা ছিল শিক্ষিত মধ্যবিত্ত নারীদের মধ্যেই সীমিত। এই পরিসর আলেম সমাজের সিদ্ধান্ত ও আলোচনার কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারেনি। যদিও তারা নারীর নৈতিকতার প্রশ্নে সব সময় সামাজিক সতর্কতা জারি রেখেছিলেন। এ কারণে আলেম সমাজের বিরোধিতা দেখা গেছে সমাজ-ভিত্তিক; ব্যক্তি-ভিত্তিক নয়।

সমসাময়িক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল রাজনৈতিক-ঔপনিবেশিক বাস্তবতা। ব্রিটিশ শাসন, হিন্দু-মুসলিম সম্পর্ক, ভাষা ও শিক্ষা সংস্কারসহ এত সব বড় বড় প্রশ্নে তখনকার আলেমরা বিভিন্ন আন্দোলনে ব্যস্ত ছিলেন। রোকেয়ার এসব নারীমুক্তি-কেন্দ্রিক কর্মসূচি তাদের অগ্রাধিকারের তালিকায় ছিল না। ফলে তার কর্মকাণ্ড ও সাহিত্যরচনা আলেমদের দৃষ্টিতে উপেক্ষিতই রয়ে যায়।

বেগম রোকেয়ার লেখনীতে অনেক স্ববিরোধী যুক্তি রয়েছে। ফলে কোথাও তাকে ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেখা গেছে, আবার কোথাও সে ধর্মীয় কাঠামোর কঠোর সমালোচক হিসেবে হাজির হয়েছে। রোকেয়া আসলে সমাজের ভুল প্রয়োগকে আক্রমণ করলেও ভাষার কারণে অনেক সময় সেটি সরাসরি ধর্মের বিরুদ্ধে চলে গেছে, এটি সুস্পষ্ট প্রমাণিত।

কিন্তু এটি তার বিশ্বাসের অন্তর্ভুক্ত ছিল কিনা, সেটি জানার কোনো উপায় নেই। তাই মরণোত্তর মুরতাদ বা কাফির বলার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নেয়া উচিত। আবেগের বশবর্তী হয়ে কাউকে তাকফিরের সুযোগ নেই। তবে এটা সত্য যে, মুসলিম সমাজে বেগম রোকেয়াকে ‘নিরুঙ্কুশ মহীয়সী নারী’ বা ‘মুসলিম নারী জাগরণের পথিকৃৎ’ বলাটাও ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে বর্জনীয়।

তবে যদি বেগম রোকেয়ার সুস্পষ্ট শিরক, আল্লাহ ও তার রাসূল কিংবা ইসলামি কোনো বিধানকে অস্বীকার করার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়, এক্ষেত্রে তার রচনাবলী বা চিন্তাধারাকে মরণোত্তর সুস্পষ্টকরণ বা খণ্ডন করা জরুরি, যেন তার চিন্তা দ্বারা পরবর্তী প্রজন্ম বিভ্রান্ত না হয়।

07/12/2025

একপাশে ৮৫° আর আরেক পাশে মাইনাস ২৩৩° সেলসিয়াস।

মহাকাশের নিঃসঙ্গ যাত্রী জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপের তোলা হাজার কোটি বছর অতীতের ছবিগুলো নিশ্চয় দেখেছেন। ইন্টারেস্টিং বিষয় কি জানেন, এর একপাশ যখন সূর্যের তাপে ফুটন্ত কড়াইয়ের মতো প্রায় ৮৫° সেলসিয়াস গরম, ঠিক তার উল্টো পিঠেই তাপমাত্রা তখন হাড়কাঁপানো মাইনাস ২৩৩ ডিগ্রির বরফশীতল হতে পারে! মাঝখানে থাকা ৫ স্তরের বিশাল ছাতার মত সানশিল্ডটাই মূলত এই দুই মেরুর ব্যবধান গড়ে দিয়েছে।

এখন প্রশ্ন হলো, এত ঠান্ডার দরকারটা কী? এর সহজ উত্তর হলো ইনফ্রারেড আলো। জেমস ওয়েবের জন্মই হয়েছে মহাবিশ্বের ক্ষীণ ইনফ্রারেড সিগন্যাল ধরার জন্য। টেলিস্কোপ নিজেই যদি গরম থাকত, তবে সেই নিজস্ব তাপে দূরের নক্ষত্রদের ক্ষীণ সংকেতকে ঢেকে ফেলত। অনেকটা দিনের কড়া রোদে জোনাকি পোকা খোঁজার মতো হতো ব্যাপারটা! তাই নিখুঁত ছবি পেতেই এই অতি নিম্ন তাপমাত্রার আয়োজন।

আপনার মনে হতে পারে, মাইনাস ২৩৩ ডিগ্রিতে তো যন্ত্রপাতিতে বরফ জমে যাওয়ার কথা! আসলে মহাকাশে বরফ জমার সুযোগ নেই, কারণ সেখানে বাতাস বা জলীয় বাষ্প কিছুই নেই। পুরোটাই ভ্যাকুয়াম। আর আমাদের ফোন বা ল্যাপটপ ঠান্ডায় বন্ধ হয়ে গেলেও ওয়েবের সেন্সরগুলো বানানোই হয়েছে এই চরম প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার জন্য। বিশেষ করে MIRI নামের যন্ত্রটাকে তো হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে কৃত্রিমভাবে মাইনাস ২৬৬° পর্যন্ত ঠান্ডা রাখা হয়, যা পরম শূন্যের মাত্র কয়েক ডিগ্রি ওপরে!

এতসব মিলিয়ে মানবসভ্যতার এই বিস্ময়কর ‘টাইম মেশিন’ বানাতে খরচ হয়েছে ১০ বিলিয়ন ডলার, যা আমাদের দেশের বর্তমান মোট জিডিপির প্রায় ২.২২ শতাংশ।
সূত্র: নাসা

05/12/2025

এমন মা-বাবা হারিয়ে যাচ্ছে আজ...

গভীর রাত। নিস্তব্ধতা ভেঙে হঠাৎ বাড়ির সবচেয়ে আদুরের একমাত্র ৩ বছরের ছোট্ট সোনামণির একটা দুর্বল গোঙানির শব্দ। ঘুম ভাঙল বাবা-মায়ের। চোখ কচলে পাশে তাকালেন।

মা কপালে হাত রাখতেই যেন বিদ্যুৎ চমকালো। ছোট্ট সোনামণির শরীরটা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে! থার্মোমিটার দিয়ে জ্বর মাপা হলো। প্রায় ১০২ ডিগ্রি! চোখ যেন ছানাবড়া হয়ে গেল মা-বাবার।

কিছুক্ষণ পরই শুরু হলো বাচ্চার চিৎকার। এমন চিৎকার যে পুরো বাড়ি জেগে উঠলো।

অবস্থা দেখে কেউ ছুটছে জলপট্টির জন্য, কেউ সাপোজিটরি খুঁজছে, কেউ নাপা সিরাপের বোতল হাতে নিয়ে দিশেহারা আর কেউবা ফোনে ডাক্তারের সন্ধান করছে। চারদিকে হৈচৈ, অস্থিরতা, উদ্বেগ আর আতঙ্কের ছোটাছুটি।

কিন্তু মা? মা তখনও শান্ত।

শান্তভাবে বাচ্চাকে কোলে তুলে নিলেন। আস্তে আস্তে পিঠে হাত বুলাতে লাগলেন। আর মুখে? মুখে অবিরাম শেফা সংক্রান্ত দু'আগুলো পড়ে যাচ্ছেন।

"আসআলুল্লা-হাল ‘আযীম, রাব্বাল ‘আরশিল ‘আযীম আন ইয়াশফিইয়াক..."

সবাই মিলে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু মা? তিনি তখনও শান্তভাবে জ্বর কমানোর ঘরোয়া চিকিৎসায় ব্যস্ত। মুখে দু'আর জপ অব্যাহত।

কিছুক্ষণ পরও জ্বর না কমায় মা বাচ্চাকে বাবার কোলে দিলেন। গেলেন অযু করতে। ফিরে এসে দুই রাকাত সলাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। সিজদায় গেলেন। সেই সিজদায় মাথা রেখে কাঁদলেন। সবটুকু কথা, সবটুকু আকুতি উজাড় করে দিলেন তাঁকে, যিনি সব শোনেন, যিনি সব দেখেন, যিনি একমাত্র শিফা দানকারী।

সলাত শেষে এসে কিছু টাকা সদাকা করে ছোট্ট করে আবারো রুকইয়াহ করে দিলেন সোনামণিকে। তারপর ফোনে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় মেডিসিন দিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটি শান্ত হতে শুরু করলো। জ্বরও নামতে লাগলো।

এবার একটা রূঢ় সত্যের মুখোমুখি হই। আমাদের সমাজের অধিকাংশ বাবা-মা সন্তানের কোন বিপদ বা অসুস্থ হলে আমরা কী করি?

পেরেশান হয়ে যাই। ভয়ে অস্থির হয়ে যাই। এদিক-ওদিক ছোটাছুটি শুরু করি। বাচ্চার অস্বস্তিতে নিজেরাও বিরক্ত হয়ে উঠি। হাসপাতালে দৌড়াই।

কিন্তু জানেন কি, আমাদের প্রথম পদক্ষেপটা কী হওয়া উচিত ছিল? যে কাজটা সবার আগে করা দরকার, সেটাই আমরা বেমালুম ভুলে যাই!

সেটা হলো রবের কাছে ফিরে যাওয়া।

দুই রাকাত সলাত পড়ে আল্লাহ তা'আলার কাছে সাহায্য চাওয়া। সিজদায় পড়ে তাঁর কাছে বলা, যিনি একমাত্র শিফা দানকারী।

হ্যাঁ, ডাক্তার দেখাবেন। মেডিসিন দেবেন। প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থাই নেবেন। ইসলাম কখনো দুনিয়ার এই মাধ্যমগুলো নিতে নিষেধ করেনি।

কিন্তু সবার আগে রবের কাছে যান। কারণ তিনিই তো বলেছেন,"আর যখন আমার বান্দাগণ তোমাকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবে, আমি তো নিশ্চয় নিকটবর্তী। আমি আহবানকারীর ডাকে সাড়া দেই, যখন সে আমাকে ডাকে।....." (সূরা বাকারাহ: ১৮৬)

আসুন, আমরা এমন মা হই। এমন বাবা হই।

যারা সবার আগে, যেকোনো প্রয়োজনে, যেকোনো বিপদে সবার আগে মহান রবের দিকেই ফিরে যান।

আপনারা ভাবছেন, এতে কী লাভ?
লাভ শুধু আপনার একার নয়। ডাবল লাভ!

১. আপনার সাথে আল্লাহর সম্পর্ক মজবুত হবে।
২. সবচেয়ে বড় কথা হলো, আপনার সন্তানও শিখবে!
যখন সে অসুস্থ হবে, কোনো বিপদে পড়বে, তখন সে সবার আগে কার কাছে যাবে? ইন শা আল্লাহ, সে তার রবের কাছেই যাবে।

কারণ, বাচ্চাকে শুধুমাত্র কথা দিয়ে দ্বীন শেখানো যায় না, জীবন দিয়ে শেখাতে হয়! আপনার প্রতিটি কাজ, আপনার প্রতিটি প্রতিক্রিয়া, এগুলোই তো আপনার সন্তানের জীবনের প্রথম ইসলাম শিক্ষা কেন্দ্র।

তাই আসুন, এমন মা-বাবা হই, যারা হারিয়ে যায়নি। যারা আজও জানে, বিপদে সবার আগে কার দরজায় কড়া নাড়তে হয়।

#প্যারেন্টিং #সন্তান

30/07/2025

🌙 ইউরেনিয়াম-২৩৫: আল্লাহর কুদরতের নিদর্শন ও মানুষের সীমা
আল্লাহ তা'আলা পৃথিবীতে প্রতিটি জিনিসই অসীম জ্ঞানে ও পরিমিতভাবে সৃষ্টি করেছেন। এমনই এক বিস্ময়কর সৃষ্টি হলো — ইউরেনিয়াম-২৩৫, একটি পারমাণবিক উপাদান। মাত্র ১০ গ্রাম ইউরেনিয়াম ভেঙে গেলে যে পরিমাণ শক্তি বের হয়, তা দিয়ে শহর ধ্বংস করা সম্ভব। অথচ আল্লাহ এই শক্তিকে এমনভাবে লুকিয়ে রেখেছেন, যাতে এটি ধ্বংস নয়, বরং ভারসাম্য ও উপকার বয়ে আনে।
🕰 আল্লাহর তৈরি হিসাব: ৭০৪ মিলিয়ন বছরের ধৈর্য
ইউরেনিয়াম-২৩৫ ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়। এর হাফ-লাইফ প্রায় ৭০৪ মিলিয়ন বছর। অর্থাৎ ১০ গ্রাম ইউরেনিয়াম → ৭০৪ মিলিয়নে → ৫ গ্রাম → এরপর আরও ৭০৪ মিলিয়নে → ২.৫ গ্রাম...
এইভাবে সম্পূর্ণ ক্ষয় হতে সময় লাগে প্রায় ৪০০০ মিলিয়ন বছর।
এই সময়জুড়ে শক্তি খুব ধীরে নির্গত হয়—যাতে কোনো প্রাণী বা পরিবেশের ক্ষতি না হয়।
➡️ এটা আল্লাহর মহান কুদরতের নিদর্শন:
"إِنَّا كُلَّ شَيْءٍ خَلَقْنَاهُ بِقَدَرٍ"
"নিশ্চয়ই আমি সবকিছু একটি পরিমাপে সৃষ্টি করেছি।"
(সূরা আল-কামার, আয়াত 49)
⚠️ কিন্তু মানুষ কী করল?
মানুষ বিজ্ঞান দিয়ে এমন থিওরি আবিষ্কার করল, যার মাধ্যমে এই ইউরেনিয়ামকে মাত্র মিলিসেকেন্ডে ফাটানো যায়। আর এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তারা বানাল পারমাণবিক বোমা।
হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে লাখো মানুষ এক নিমিষেই মৃত্যুবরণ করল। যেটা আল্লাহ ৪০০০ মিলিয়ন বছরে বের করতেন, আমরা তা এক সেকেন্ডেই বের করে ফেললাম ধ্বংসের জন্য!
➡️ মানুষ তখনই বিপথে যায়, যখন সে আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করে।
🤲 আল্লাহর শক্তি দিয়েই পরীক্ষা
আল্লাহ আমাদের জ্ঞান দিয়েছেন, কিন্তু সেই জ্ঞান কোন পথে ব্যয় করবো — কল্যাণে না ধ্বংসে — সেটাই হচ্ছে পরীক্ষার বিষয়।
ইউরেনিয়ামের শক্তি দিয়ে চাইলে আমরা শুধু বিদ্যুৎ বানাতে পারতাম,চিকিৎসা ও উন্নয়নের কাজে লাগাতে পারতাম।কিন্তু আমরা তা প্রথমেই ব্যবহার করলাম যুদ্ধ ও হত্যা করার জন্য!
📖 কুরআনের আলোকে বার্তা:
"وَلَا تُفْسِدُوا فِي الْأَرْضِ بَعْدَ إِصْلَاحِهَا"
"পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার পর তাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করো না।"
(সূরা আরাফ, আয়াত 56)
🧭 উপসংহার
ইউরেনিয়াম-২৩৫ আল্লাহর কুদরতের এক অদ্ভুত নিদর্শন। তা আমাদের শিক্ষা দেয়—
❖ আল্লাহ কত নিখুঁতভাবে শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করেন
❖ আর মানুষ কীভাবে সীমা ভেঙে নিজের হাতেই ধ্বংস ডেকে আনে
আমরা যদি আল্লাহর তৈরি সৃষ্টিকে বুঝে, তার নিয়ম মেনে চলি, তাহলে বিজ্ঞানও আমাদের জন্য রহমত হয়ে উঠবে।
অন্যথায়, সেই জ্ঞানই আমাদের জন্য আজাব হয়ে দাঁড়াবে।

22/07/2025

Scientists have discovered certain bacteria that can transform toxic metals into less harmful forms, and in some cases, produce gold nanoparticles.
🔬 Cupriavidus metallidurans:
This bacterium thrives in environments with high concentrations of heavy metals like copper and gold compounds.
It can detoxify these metals and, under certain conditions, produce gold nanoparticles.
The process involves biochemical reactions that reduce toxic gold compounds (like gold chloride) into elemental gold (Au⁰), which can form microscopic gold particles.
A 2009 study led by Dr. Kazem Kashefi and Prof. Adam Brown demonstrated that Cupriavidus metallidurans could survive in toxic gold chloride and precipitate gold nanoparticles.
This has potential applications in biomining and green synthesis of gold for nanotechnology.

24/06/2025

কিছু বাস্তবতা:
০১. কোনো বন্ধুত্বই চিরস্থায়ী নয়। জীবনের পথে অনেক ঘনিষ্ঠ বন্ধুও সময়ের সঙ্গে দূরে সরে যায়।(ব্যতিক্রম আছে খুব অল্প ক্ষেত্রে)

০২. নিজের সঙ্গে সম্পর্কই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই তো আত্মসম্মান ও মানসিক শান্তি বিশ্বের সব সম্পর্কের চেয়ে মূল্যবান।

০৩. কেউ পরিশ্রম দেখে না, সবাই শুধু ফলাফল দেখে। সফল হলে প্রশংসা, ব্যর্থ হলে সমালোচনা। তাই নিজের জন্যই পরিশ্রম করে যান।

০৪. হৃদয়ভঙ্গ ও ব্যর্থতা জীবনেরই অংশ। সুতরাং এগুলো এড়ানো নয় বরং শেখার সুযোগ হিসেবে দেখাই শ্রেয়।

০৫. বাড়ির মতো শান্তির কোনো জায়গা নেই। দুনিয়ার যেখানেই যান, মানসিক শান্তির ঠিকানা একটাই—নিজের ঘর।

০৬. পরিবার ও অর্থই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, বন্ধু - গ্ল্যামার বা সামাজিক মর্যাদা ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরিবার ও অর্থ দীর্ঘমেয়াদে আপনাকে আগলে রাখবে।

০৭. বই-ই সত্যিকার বন্ধু। বই কখনোই প্রতারণা করে না, বরং জ্ঞানের আলো দিয়ে পথ দেখায়।

০৮. শারীরিক ব্যায়াম চাপ কমায়। তাই শুধু ফিটনেসের জন্য নয়, মানসিক প্রশান্তির জন্যও ব্যায়াম জরুরি।

০৯. অনুশোচনা ও কান্নায় সময় নষ্ট নয়। বরং যা হয়ে গেছে, তা আর ফিরে আসবে না। সামনে এগোনোর দিকেই নজর দিন।

১০. আজ যা চাইছেন, কাল হয়তো তার মূল্যই থাকবে না। মানুষের চাহিদা বদলায়। তাই আবেগের বশে সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো।

১১. আপনার সিদ্ধান্তই জীবন গড়ে দেয়, ভাগ্য নয়। ভাগ্য অজানা।তাই আপনার সিদ্ধান্তই আপনার ভবিষ্যৎ তৈরি করে দেবে।

১২. শৈশবই জীবনের সেরা সময়। ভাবনাহীন, নির্মল # আনন্দের সেই দিনগুলো আর কখনোই ফিরে আসবেনা।

31/05/2023

Once a tourist went to Mexico; The fishermen praised the fish very much. Then he said,
"Well, how long does it take you to catch a fish?"
"Not long" is the answer of one of the fishermen.

"Then why don't you spend more time catching more fish?" The man asked. "The fish we catch meets our needs," the fishermen said.

"So what do you do with the rest of your time after fishing?" the man asks. The fishermen replied,
“We sleep, fish, play with children, eat with husband, hang out with friends in the evening, have fun, laugh, sing at the top of our lungs…”. The tourist stopped them and said,
“I have an MBA from Harvard University. I can help you with wisdom. You have to spend more time fishing, sell the extra fish and buy bigger fishing boats. "

"Then?" Fisherman's Question
“You will catch more fish with a bigger boat, earn more. Buy two, three or more bigger boats with that. One day you will build a fishing fleet. Then, instead of selling fish to middlemen traders, they will trade directly with fish processing factories. One day they will open a fish processing factory themselves. Then become very rich and leave the village to the capital of Mexico, Los Angeles or New York. From there you will launch the mega project. "

"How long will it take to do this?" Fisherman's Question
"It will take twenty/twenty-five years." replied the tourist.
“Then,” asked the fisherman.
The man laughed and replied, "When the business gets bigger, you will go to the stock market, make millions of dollars."
“Million dollars! Suppose I got a million dollars. But, then?” The fishermen asked in amazement. The tourist then replied,
“You will then retire. Come back to the quiet village and sleep by the sea, play with the kids, eat with the wife, hang out with friends in the evening, have fun…,”. Then the fishermen said,
"That is what we are doing now. So what is the meaning of this twenty/twenty-five years of suffering life?”

29/05/2023

افلا بعدون الى الإبل كيف خلقت

Do they not look at the camel, how it was created?

Camels can drink salt water, even water from the Dead Sea. It does not raise his blood pressure. Because, his kidneys filter the water so that he can drink it fresh. So his kidneys separate water from salt.

Camels can eat thorns. It does not cause any damage to his stomach and intestines. Because, its saliva is like acid, which dissolves the thorns. Later he ate the thorn like bread and flour. For this reason, Arab Bedouins put camel saliva on the thorn in their hands and feet. And that thorn melts out.

The camel's eyelids are two. One is a curtain of petals and the other is flesh. That is why he can walk in the dust of the desert and his eyes are not damaged. Because he then closes the transparent petal curtain.

Camels can change their body temperature. He can raise his temperature if he is in a frozen land and he can lower his temperature if he is in a hot desert.

افلا بعدون الى الإبل كيف خلقت

Do they not look at the camel, how it was created. [Surah Al-Gashiyyah:17]

Subhanallah!

26/05/2023

নিউজে দেখলাম - টেলিগ্রামে বাংলাদেশী তরুণদের সোয়া ৪ লাখ সদস্যদের একটা গ্রুপ আছে, যারা মেয়েদের অনুমতিহীন ন্যুড ভিডিও ধারণ/সংগ্রহ করে সেগুলো অন্যের কাছে বিক্রি করতো, আবার সেসব দিয়ে ব্লাকমেইল করে অর্থ আত্মসাৎ করতো। চক্রটি ইন্টারনেটে ছড়িয়েছে ২০ হাজার আপত্তিকর ভিডিও এবং ৩০ হাজার ছবি।

যাইহোক। এই তো গেলো মাত্র ৪ লাখ সদস্যের কথা।

মাত্র ২০ বছর আগেও পিছিয়ে থাকা আজকের চীনের ইয়াং জেনারেশন যখন জ্ঞান বিজ্ঞান, শিক্ষা গবেষণায়, তথ্যপ্রযুক্তিতে বিশ্বকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে; তখন আমাদের দেশের ইয়াং জেনারেশনের কাজ কি জানেন?

লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেন - কে কার সাথে শুইলো, কে কার সাথে গেলো, কে কাকে জড়িয়ে ধরলো, কার সাথে কার ভাব হইলো, এগুলোই আমাদের দেশের মানুষ, জোয়ান, বৃদ্ধ সব বয়সীদের আলোচ্যের বিষয়। এসব লাইক শেয়ার কমেন্ট করে দেশের প্রায় প্রতিটা ছেলেমেয়েই যেনো একরকম পৈশাচিক আনন্দ পায়!

চায়নিজ শিক্ষার্থীরা যখন AI নিয়ে আমেরিকার সাথে প্রতিযোগিতা করছে, তখন আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা কার ন্যুডস ফাঁস করা যায় সেটা নিয়ে প্রতিযোগিতায় রয়েছে। চায়নিজ ছেলেমেয়েরা যখন মহাকাশে/মঙ্গল গ্রহে পৌঁছে গেছে, তখন আমাদের দেশের ছেলেমেয়েরা অন্যের কাপড়ের নিচ থেকেই বেরুতে পারেনি। চিন্তা করেছেন - আমাদের দৌঁড়, আমাদের রুচিবোধ, আমাদের ভিশন/মিশন কোথায় আটকে গেছে? আমরা কোথায় আর তারা কোথায়?!

বিশ্বে কতকি ঘটে যাচ্ছে, কতকি আবিষ্কার হচ্ছে, সমগ্র বিশ্বে AI, Robot, Machine Learning নিয়ে তমুল আলোচনা চলছে। AI platform সম্পূর্ণ ইম্প্রুভ করলে বিশ্বে কাজ হারাবে প্রায় ৩০-৫০ কোটি মানুষ।কিছু কি ভাবা যায়? এরসঙ্গে তাল মিলাতে আমরা কি করছি?!

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে হওয়ার কথা বিশ্বমানের। দেশে বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী দুটাই বেড়েছে, অথচ আমরা অন্যের কাপড়ের নিচ থেকেই এখনো বেরুতে পারিনি, বিশ্বমঞ্চে ঠিক পৌঁছাবোই বা কিভাবে? কারোর মধ্যেই তথ্য প্রযুক্তি, জ্ঞান, বিজ্ঞান, শিক্ষা ও গবেষণা নিয়ে কোন আলোচনাই নেই!

- বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে অশ্লীলতা ব্যতীত আর কোন কিছুর চর্চা নেই!

26/05/2023

আহ, আজ আমাদের এই কি অবস্থা।

"তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়াছেন তিনি ব্যতীত অন্য কাহারও ইবাদত না করিতে ও পিতা-মাতার প্রতি সদ্ব্যবহার করিতে। তাহাদের একজন অথবা উভয়েই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হইলে তাহাদেরকে উফ্' বলিও না এবং তাহাদেরকে ধমক দিও না ; তাহাদের সঙ্গে সম্মান সূচক কথা বলিও।"

وَقَضَى رَبُّكَ أَلَّا تَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِندَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلْهُمَا فَلَا تَقُل لَّهُمَا أفْ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَّهُمَا قَوْلًا كَرِيمًا

"মমতা বশে তাহাদের প্রতি নম্রতার পক্ষপুট অবনমিত করিও এবং বলিও, হে আমার প্রতিপালক! তাহাদের প্রতি দয়া কর যেভাবে শৈশবে তাহারা আমাকে প্রতিপালন করিয়াছিলেন।"

وَاخْفِضْ لَهُمَا جَنَاحَ الذُّلِّ مِنَ الرَّحْمَةِ وَقُل رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيْنِي صَغِيرًا সূরা বানী ইসরাইল [ ১৭:২৩-২৪]

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Chittagong