রমজানের ১ম ১০ দিন
"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ"
-১০০০ বার
MD RAKIB
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MD RAKIB, Personal coach, Chittagong.
যে সব কাজে রোযা ভঙ্গ হয় না
১. অনিচ্ছাকৃত গলার ভেতর ধুলা-বালি, ধোঁয়া অথবা মশা-মাছি প্রবেশ করা।
২. অনিচ্ছাকৃত কানে পানি প্রবেশ করা।
৩. অনিচ্ছাকৃত বমি আসা অথবা ইচ্ছাকৃত অল্প পরিমাণ বমি করা (মুখ ভরে নয়)।
৪. বমি আসার পর নিজে নিজেই ফিরে যাওয়া।
৫. চোখে ওষুধ বা সুরমা ব্যবহার করা।
৬. ইনজেকশন নেয়া।
৭. ভুলক্রমে পানাহার করা।
৮. সুগন্ধি ব্যবহার করা বা অন্য কিছুর ঘ্রাণ নেয়া।
৯. নিজ মুখের থুথু, কফ ইত্যাদি গলাধঃকরণ করা।
১০. শরীর ও মাথায় তেল ব্যবহার করা।
১১. ঠাণ্ডার জন্য গোসল করা।
১২. মিসওয়াক করা। যদিও মিসওয়াক করার দরুন দাঁত থেকে রক্ত বের হয়। তবে শর্ত হলো গলার ভেতর না পৌঁছানো।
১৩. ঘুমের মাঝে স্বপ্নদোষ হলে।
১৪. স্ত্রীলোকের দিকে তাকানোর কারণে কোনো কসরত ছাড়া বীর্যপাত হলে।
১৫. স্ত্রীকে চুম্বন করলে, যদি বীর্যপাত না হয় (রোজা না ভাঙলেও এটা রোজার উদ্দেশ্যের পরিপন্থী)।
১৬. দাঁতের ফাঁকে আটকে থাকা গোশত খেয়ে ফেললে (যদি পরিমাণে কম হয়), পরিমাণ বেশি হলে রোজা ভেঙে যাবে।
হে আল্লাহ!
আমি জানি না কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন। আমি জানি না কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া আপনি পুরন করবেন। আমি জানি না কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত আপনি ভরে দিবেন। আমি জানি না কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া গুলো আপনি কবুল করবেন। কিন্তু আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন। ইয়া রব আপনি তো আমার অন্তরটা দেখেন আপনি তো বলেছেন তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো। তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করবো। আপনি তো বলেছেন আপনি খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। আমি আপনার অযোগ্য বান্দা সত্বেও আপনি আমাকে যোগ্যতার বাইরে অনেক কিছু দান করেছেন। আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না। আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উত্তম বান্দা আছে। কিন্তু আপনি ছাড়া আর কেউ নেই আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো চাওয়ার মতো। ইয়া রব। আমি দুর্বল আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিবেন না। আমি তার উপযুক্ত নই আমার। পরীক্ষা সহজ করে দিন। আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন। আমার চাওয়া পুরন করুন। ইয়া মালিক। আমার খালি হাত আপনার রহমত দিয়ে পূর্ণ করে দিন। আল্লাহ
রোযার গুরুত্ব
ইসলামের পঞ্চ স্তম্ভের মধ্যে যাকাতের পরই রোযার স্থান। ইবাদতসমূহের মধ্যে রোযার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য আছে। রোযা দ্বারা অভ্যাস অবলম্বনে দুঃখী ও নিরন্নদের ক্ষুধার কষ্ট অনুভবের সুযোগ হয় এবং তা দ্বারা গরীবদের প্রতি করুণা এবং দয়া-মমতা সৃষ্টি হয়ে দানশীলতা ও পরোপকার করার আগ্রহ সৃষ্টি হয়। তাছাড়া রোযা দ্বারা মানুষের সংযম, ধৈর্য, গুণ এবং স্বাস্থ্যগত উপকার সাধিত হয়। রোযা দ্বারা মানুষ কর্মী, সক্রিয়, সহনশীল, কষ্টসহিষ্ণু, নিয়মানুবর্তিতা এবং পরিশ্রমী হতে সুযোগ লাভ করে। রোযার গুরুত্ব আরোপ করে মহান আল্লাহ পাক বলেন, তোমাদের মধ্যে যে কেউ রমযান মাস পাবে, সে যেন রোযা রাখে। রমযান মাসের গুরুত্ব সম্পর্কে মহান আল্লাহ কুরআন পাকে এরশাদ করেন, রমযান এমন একটি মহান মাস, যাতে মানুষের হেদায়েত এবং হেদায়েত বিষয়ক প্রকাশ্য শিক্ষাপূর্ণ কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে, (সত্যকে মিথ্যা এবং খাঁটিকে ভেজাল হতে) পার্থক্যকারী।
17/12/2023
যে আমাকে বুঝেনা
সে আমার একাকীত্ব
বুঝবে কি করে?
#একাকীত্ব #
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Chittagong