24/05/2023
👉🏿 ইমামতি কাকে বলা হয়?
১/ গোটা পৃথিবীর আজব এক চাকুরির নাম ইমামতি!
২/ গোটা পৃথিবীর আজব এক দায়িত্ব পালনের নাম, ইমামতি।
৩/ বেতন যেমন-তেমন দায়িত্ব বেশি, তার নাম ইমামতি।
৪/ যে চাকুরি সকালে আছে বিকালে নাই, তার নাম ইমামতি।
৫/ যে দায়িত্ব শুরু হয় ইজ্জতের সাথে এবং বিতাড়িত করা হয় বে-ইজ্জতের সাথে, তার নাম ইমামতি।
৬/ যে চাকুরির দোকান-খামারে ও চায়ের আড্ডায় সমালোচনা হয়, তার নাম ইমামতি।
৭/ বেতন বৃদ্ধির কথা বললেই যাদের চাকরি চলে যায়, তার নাম ইমামতি।
৮/ বেশিরভাগ জাহেল, মূর্খ লোকেরা ইমামের দোষ খুঁজে বেড়ায়, তার নাম ইমামতি।
৯/ যে চাকুরিতে অপমান করার লোক আছে কিন্তু অপমান শোনার কেউ নাই, তার নাম ইমামতি।
১০/ সহজে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে চাকরিচ্যুত করা যায়, তার নাম ইমামতি।
১১/ যে ব্যক্তি জোরে হাঁটলেও দোষ ধীরে হাঁটলেও দোষ, তার নাম ইমামতি।
১২/ যে চাকুরির নিয়োগপত্র ও যোগদান পত্র কিছুই নাই, তার নাম ইমামতি।
১৩/ যে দায়িত্ব পালনে এক মিনিট দেরি হলে সমালোচনা শুরু হয়, তার নাম ইমামতি।
১৪/ যে চাকুরির ছুটি ও বোনাস থাকে সীমিত, তার নাম ইমামতি।
১৫/ যে চাকরিতে কিছু জায়গায় কালেকশন করে বেতন নিতে হয়, তার নাম ইমামতি।
১৬/ যে চাকুরির সময়ের অভাবে পরিবার নিয়ে ভ্রমন করার সুযোগ নেই, তার নাম ইমামতি।
১৭/ যে অনুষ্ঠানে ইমাম সাহেব তেলাওয়াত করেন অথচ সেখানে তার বসার আসন থাকে না, তার নাম ইমামতি।
১৮/ কেউ মারা গেলে যাদের শুধু প্রয়োজন হয়, তার নাম ইমামতি।
১৯/ পুলিশ যাদের সহজে গ্রেফতার করে, তার নাম ইমামতি।
২০/ সমাজে সন্তানরা বাবার যে পেশার পরিচয় দিতে চায় না, তার নাম ইমামতি।
২১/ শত নির্যাতন সহ্য করে যিনি জাতির কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেন, তার নাম ইমামতি।
অতএব, যারা ইমাম সাহেবের পিছনে সালাত আদায় করেন, যারা তার দ্বারা কোরআন ও হাদিসের বানী শুনেন, যারা তার দ্বারা পিতা-মাতার দাফন-কাফন করান, তাকে আর কত অপমান করবেন? আপনাদের ভেবে দেখার সময় হয় নাই? মনে রাখবেন, দুনিয়াতে আপনাদের কেউ বিচার করতে না পারলেও, পরকালে আহকামুল হাকিমীন আপনাদের অবশ্যই উপযুক্ত বিচার করবেন। ইনশাআল্লাহ্(কপিপেষ্ট)
02/03/2023
শোক সংবাদ
ডক্টর এনায়েত উল্ল্যাহ আব্বাসী সাহেবের বড় ভাই মাওলানা সাইয়িদ মুহাম্মদ উল্ল্যাহ আব্বাসী জৈনপুরী ইন্তেকাল করেছেন, ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাযিউন, আল্লাহ ওনাকে জান্নাত বাসী করুন।
09/08/2022
১টি হাদিস পড়িঃ-
وَعَنْ أَنَسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يُؤْمِنُ أَحَدُكُمْ حَتَّى أَكُونَ أَحَبَّ إِلَيْهِ مِنْ وَالِدِهِ وَوَلَدِهِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ»
৭-[৬] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে কেউ (প্রকৃত) মু’মিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি তার কাছে তার পিতা, তার সন্তান-সন্ততি এবং অন্যান্য সকল মানুষ হতে প্রিয়তম হই। (বুখারী, মুসলিম)[1]
ব্যাখ্যা: হাদীসে স্বীয় সত্তার কথা উল্লেখ করা হয়নি এজন্য যে, তা وَالنَّاسِ أَجْمَعِيْنَ এর মধ্যে নিহিত রয়েছে। অথবা পিতা ও সন্তান উল্লেখ করার পর স্বীয় সত্তার উল্লেখ করা প্রয়োজন হয়নি এজন্য যে, পিতা ও সন্তান নিজ সত্তার চেয়েও ব্যক্তির নিকট মর্যাদাবান। ইমাম খাত্ত্বাবী বলেনঃ হাদীসে মুহাব্বাত বা ভালোবাসা দ্বারা অভ্যাসগত ভালোবাসা বুঝানো হয়নি। বরং তা দ্বারা ইখতিয়ারী (ইচ্ছাকৃত) ভালোবাসা বুঝানো হয়েছে। কেননা মানুষের পরিবার ও সম্পদের প্রতি ভালোবাসা প্রকৃতিগত ভালোবাসা যা থেকে পরিত্রাণ মানুষের সাধ্যাতীত। তা পরিবর্তন করার কোন পথ নেই। অতএব হাদীসের মর্ম হলো, কোন ব্যক্তি তার ঈমানের দাবীতে সঠিক বলে প্রমাণিত হবে না যতক্ষণ না সে স্বীয় সত্তাকে আমার আনুগত্যের উদ্দেশে উৎসর্গ করবে এবং আমার সন্তুষ্টিকে স্বীয় প্রবৃত্তির উপর প্রাধান্য দিবে।
হাদীসের শিক্ষাঃ
১। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভালোবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।
২। এ ভালোবাসা অর্জনে মানুষের মধ্যে শ্রেণী বিন্যাস রয়েছে। অর্থাৎ- রসূলের প্রতি ভালোবাসা অর্জনে সকলে একই স্তরের নয়।
৩। রসূলের প্রতি ভালোবাসার কারণে ঈমান বৃদ্ধি পায়। আর তাঁর প্রতি ভালোবাসা কমে গেলে ঈমানও কমে যায়।
01/08/2022
১টি হাদিস পড়িঃ/باب الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ
حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ، قَالَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي السَّفَرِ، وَإِسْمَاعِيلَ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ـ رضى الله عنهما ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْمُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ الْمُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ، وَالْمُهَاجِرُ مَنْ هَجَرَ مَا نَهَى اللَّهُ عَنْهُ ". قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ وَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا دَاوُدُ عَنْ عَامِرٍ قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم. وَقَالَ عَبْدُ الأَعْلَى عَنْ دَاوُدَ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم.
আদম ইবনু ইয়াস (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, প্রকৃত মুসলিম সে-ই, যার জিহ্বা ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে এবং প্রকৃত মুহাজির সে-ই, যে আল্লাহ্ তা’আলার নিষিদ্ধ কাজ ত্যাগ করে।
আবূ আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, আবূ মু’আবিয়া (রহঃ) বলেছেন, আমার কাছে দাউদ ইবনু আবূ হিন্দ (রহঃ) আমির (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেনঃ তিনি বলেছেন যে, আমি আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি এবং আবদুল আ’লা (রহঃ) দাউদ (রহঃ) থেকে, দাউদ (রহঃ) আমির (রহঃ) থেকে, আমির (রহঃ) আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
27/07/2022
১টি হাদিস পড়িঃ- باب أُمُورِ الإِيمَانِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ " الإِيمَانُ بِضْعٌ وَسِتُّونَ شُعْبَةً، وَالْحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإِيمَانِ "
আবদুল্লাহ ইবনু জু’ফী (রহঃ) ... আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ঈমানের শাখা রয়েছে ষাটের কিছু বেশি। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।
আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ পূর্ব এবং পশ্চিম দিকে তোমাদের মুখ ফেরানোতে কোন কল্যাণ নেই; কিন্তু কল্যাণ আছে কেউ ঈমান আনলে আল্লাহ তা’আলার উপর, আখিরাত, ফেরেশতাগণ, কিতাবসমূহ ও নবীগণের উপর ঈমান আনলে এবং আল্লাহ্র মুহাব্বতে আত্মীয়-স্বজন, ইয়াতিম, অভাভগ্রস্থ, মুসাফির, সাহায্য-প্রার্থীদের এবং দাসত্ব মোচনের জন্য সম্পদ দান করলে, সালাত কায়িম করলে ও যাকাত দিলে এবং ওয়াদা দিয়ে তা পূরণ করলে, অর্থসংকটে, দুঃখ-কষ্টে ও যুদ্ধকালে ধৈর্য ধারণ করলে। তারাই সত্যপরায়ণ, ও তারা মুত্তাকী’’- (২ঃ ১৭৭)। (... قَدْ أَفْلَحَ الْمُؤْمِنُونَ) ’’অবশ্যই সফলকাম হয়েছে মু’মিনগণ, যারা বিনয়-নম্র নিজেদের সালাতে ... (২৩ঃ ১-২)