বি- অর্থ বড়হাতিয়া জি-অর্থ গারাংগিয়া এবং সেনেরহাট বাজার সংলগ্ন তাই অত্র বিদ্যালয়টি- বি,জি,সেনেরহাট উচচ বিদ্যালয় ।অত্র বিদ্যালয়টি বড়হাতিয়া ইউনিয়নে অবস্থিত এবং পাশেই রয়েছে গারাংগিয়া গ্রাম এই জন্য বি,জি,সেনেরহাট উচচ বিদ্যালয় নাম করন করা হয়েছে।অত্র বিদ্যালয়ের উত্তরে সোনাকানিয়া ইউনিয়ন এবং দক্ষিনে আধুনগর ইউনিয়ন পূর্বে ডলু খাল ও আমিরাবাদ ইউনিয়ন পশ্চিমে পাহাড় ও জলদি সিমানা ।
১৯৬৮ সনে ক)বাবু রেবতী রঞ্জন দত্ত খ) বাবু নগেন্দ্র লাল সেন গ) বাবু বঙ্কিম চন্দ্র দত্ত ঘ)জনাব ইউনুচ আলী কর্তক দানকৃত জমির উপর স্থানিয় সেনেরহাট বাজারের পাশে ক) জনাব হাজী আবুল খায়ের সওদাগর সাবেক সভাপতি অত্র বিদ্যালয় খ) জনাব ডাঃ মফিজুর রহমান সাবেক সিকিৎসক সেনেরহাট হাসপাতাল গ) বাবু সুশীল কান্তি সেন হিন্দু পাড়া ঘ) জনাব মাহবুবল হক গারাংগিয়া হাতিরকুল সাবেক শিক্ষক অত্র বিদ্যালয় ঞ) জনাব হাজী সমশুল ইসলাম সাবেক সভাপতি অত্র বিদ্যালয় চ) জনাব হাজী মোহাম্মদ ইসমাইল বড়হাতিয়া হাদুর পাড়া ।উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গের আর্থিক সহায়তা এবং স্থানিয়ভাবে ধান্যচাঁদা ছোট-ছোট চাদাঁর মাধ্যমে অত্র বিদ্যালয়ের বর্তমান এই অবস্থা ।অত্র বিদ্যালয়টির অগ্রগতির পিছনে যাদের সবচেয়ে বেশি অবদান ছিল তারাঁ হলেন সাবেক প্রধানশিক্ষক বাবু সন্তোষ কান্তি দাশ অত্র বিদ্যালয়।সাবেক সহকারী প্রধানশিক্ষক ও প্রধানশিক্ষক জনাব মোঃ আবুল কাশেম চৌধুরী অত্র বিদ্যালয়। সাবেক শিক্ষক প্রয়াত বাবু নির্মলেন্দু পারিয়াল ,সাবেক শিক্ষক জনাব ফারুখ আহমদ, সাবেক প্রয়াত সিনিয়র জনাব আবুল হাশেম ,বর্তমান শিক্ষক বাবু চিত্ত রঞ্জন ধ্র ,জনাব আবদুল ওয়াছে , বাবু,,লালেন্দ্র কুমার বড়ুয়া ,বাবু সাধনচন্দ্র নাথ ,জনাব মোহাং সরওয়ার কামাল বর্তমান প্রধানশিক্ষক(চঃদা) অত্র বিদ্যালয় ।অত্র বিদ্যালয়ের ক্রান্তিলগ্নে যার সবচেয়ে বেশি অবদান তিনি হলেন প্রখ্যাত দানবীর আলহাজ্ব নুর আহমদ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার জিয়া ফাউন্ডেশান ও চেয়ারম্যান সোনাকানিয়া ইউনিয়ন পরিষদ।অত্র বিদ্যালয় যখন সা্মনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল তখন ১৯৯৫ ইং সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস প্রতিষ্ঠাতা ক্যাটাগরি থেকে সেন বংশের সুশীল কান্তি সেন গংদের নাম ভোটার লিষ্ট হতে নাম কেটে দিলে সেন গং সাতকানিয়া আদালতে মামলা করেন উক্ত মামলা অদ্যাবধি চলমান রয়েছে।সাবেক প্রধান শিক্ষক বাবু সন্তোষ কান্তি দাশ ১২-১০-৯৯ইং অবসর গ্রহন করলে তৎকালিন প্রধানশিক্ষক জনাব আবুল কাশেম চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহন করেন।জনাব আবুল কাসেম চৌধুরী ১৫-১১-০৭ইং অবসর গ্রহন করলে জনাবা ফাতেমা আক্তার ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকের দায়িত্ব গ্রহন করেন।জনাবা ফাতেমা আক্তার দায়িত্ব নেয়ার পর পর প্রতিহিংসার পথ বেচে নেন এবং বিভিন্ন শিক্ষক-কর্মচারীর বিরুদ্বে শো-কজের পথ বেচে নিলে ইহাতে বিদ্যালয়ে চরম বিশৃংখলা সৃষ্টি হয় । অত্র বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কাটামো ভেংগে পড়লে বিগত ২৭-০৩-১০ইং অত্র বিদ্যালয়টি অরক্ষিত রেখে জনাবা ফাতেমা আক্তার বিদ্যালয়ের দলিল দাখিলা ,খতিয়ান,নগদ টাকা ও মামলার কাগজ পত্র বিদ্যালয়ের চাবিসমুহ ওনগদ-২১০০০/টাকা নিয়ে কাঊকে দায়িত্ব না দিয়ে পালিয়ে যান।অত্র এলাকাবাসী ১০-০৪-১০ইং অত্র বিদ্যালয়টি ঘেরাও করে এবং ৯ম শ্রেনি রেজিঃ, উপবৃত্তি,ও ১ম সাময়িক পরীক্ষা ২০১০ সামনে থাকায় বিদ্যালয়ের যে কোন একজন শিক্ষককে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব নেয়ার জন্য বাধ্য করেন ।এই সংকটময় মুহুর্তে ১১-০৪-১০ইং এলাকাবাসীসহ, শিক্ষক-কর্মচারীসহ লোহাগাড়া উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়ের নিকট যান ইহাতে কোন সুরাহা না হওয়ায় ১২-০৪-১০ইং জেলা শিক্ষা অফিস চট্টগ্রাম মহোদয়ের নিকট গেলে জেলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় তাৎক্ষনিক সহকারী জ়েলা শিক্ষা অফিসার চট্টগ্রাম, জনাব রীনা-প্রভাকর মহোদয়কে অত্র বিদ্যালয়টি সরজমিনে পরির্দশনে পাঠান। অত্র বিদ্যালয়টি পরির্দশন শেষে সকল শিক্ষক-কর্মচারী, এলাকাবাসী,ও ছাত্র-ছাত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মোহাং সরওয়ার কামাল সাহেবকে অত্র বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষকের চলতি দায়িত্ব অপর্ন করা হয় ।বর্তমানে অত্র বিদ্যালয়ে ১৫জন শিক্ষক-কর্মচারীর স্থলে মাত্র ০৬ জন এম,পি,ও শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।বর্তমানে ফাতেমা আক্তারের দায়ের করা ২টি মামলা যথাক্রমে লোহাগাড়া আদালত সাতকানিয়া চৌকি অপর ১৫৭/২০১০ এবং অন্যটি মামলাটি হাইকোর্টে রিট ১৯৯৯/২০১৩ ও প্রতিষ্ঠাতা ক্যাটাগরি নিয়ে হাইকোটে সিভিল রিভিশন ৬৯০/২০০৬ ১টি মামলা চলমান রয়েছে ।অত্র বিদ্যালয়টি বর্তমানে জ়েলা শিক্ষা অফিসার মহোদয় চট্টগ্রামের সার্বিক তত্তাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।