Daily Deen

Daily Deen Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Daily Deen, Religious school, Chittagong.

15/04/2026
23/10/2025

উম্মুল মুমিনীন খাদিজা রাযিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা
--------------_---
★সাইয়্যিদাতুনা হযরত খাদিজাতুল কুবরা রাদিয়াল্লাহু আনহা: ইবাদত ও নফল আমলসমূহ ঃ
নবুওয়াত প্রকাশের পূর্বে ইবাদত
তিনি ছিলেন একনিষ্ঠ আল্লাহভীরু একজন নারী মূর্তিপূজা থেকে সম্পূর্ণ দূরে,হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর তাওহীদের পথে দৃঢ়।
“كانت خديجة ممن كره الأوثان وعبادتها.”
(السيرة النبوية لابن هشام 1/188)

নবুওয়াতের প্রকাশের পর নফল নামাজ
নবী ﷺ ওহি প্রাপ্তির পর তাঁর সঙ্গে নামাজ আদায় করতেন। তখন নামাজ ফরজ ছিল না - এটি ছিল নফল ইবাদত।
“كان رسول الله ﷺ يصلي، وكانت خديجة تصلي معه.”
(ابن هشام 1/252)

নামাজ ফরজ হওয়া
নামাজ ফরজ হয় ইসরা ও মিরাজের রাতে - নবুওয়াতের দশম বছর পর, হিজরতের এক বছর আগে।
আর হযরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহা মি'রাজের পূর্বে ইন্তেকাল করেন।
এর আগে রহমতে আলম ﷺ ও মুমিনরা নামাজ আদায় করতেন নফল ও ইখলাসের ভিত্তিতে।
“فرضت الصلاة ليلة أُسري بالنبي ﷺ.”
(صحيح البخاري 349، صحيح مسلم 162)

ওহির প্রতি ঈমান
প্রথম ওহি নাজিলের পর তিনিই প্রথম ঈমান আনেন - তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন:
“وَاللَّهِ إِنَّهُ لَنَبِيٌّ لِهَذِهِ الْأُمَّةِ.”
(ابن هشام 1/252)

রাত্রিকালীন ইবাদত ও জিকির
তিনি নবী ﷺ-এর সঙ্গে রাত জেগে নামাজ ও জিকিরে অংশ নিতেন, দীর্ঘ সময় আল্লাহর স্মরণে কাটাতেন।
“كانت خديجة تقوم مع النبي ﷺ بالليل تذكر الله وتصلي.”
(الطبقات الكبرى لابن سعد 8/13)

রোজা ও কৃতজ্ঞতার ইবাদত
রোজা ফরজ হওয়ার আগে থেকেই তিনি নফল রোজা রাখতেন আল্লাহর কৃতজ্ঞতাস্বরূপ।
“كانت خديجة تصوم أياماً كثيرة شكراً لله تعالى.”
(الطبقات الكبرى 8/15)
রোজা ফরজ হওয়া ও হযরত খাদিজা রা.-এর রোজা :

রোজা ফরজ হয়েছিল হিজরতের দ্বিতীয় বছরে, রমাদান মাসে।
খাদিজা রা. তখন দুনিয়ায় ছিলেন না, তাই তিনি ফরজ রমাদান রোজা পেয়েছিলেন না।
তবে ঐতিহাসিক বর্ণনায় আছে, নবুওয়াতের প্রথম যুগেই তিনি নফল রোজা রাখতেন।
দলীল:
“كانت خديجة تصوم أياماً كثيرة شكراً لله تعالى.”
(الطبقات الكبرى 8/15)

দান ও ত্যাগ :
তিনি তাঁর সমস্ত সম্পদ নবী ﷺ ও ইসলামের জন্য উৎসর্গ করেন - নিঃস্বার্থভাবে দান করেন দ্বীনের পথে।
قال النبي ﷺ: “وَاسَتْنِي بِمَالِهَا إِذْ حَرَمَنِي النَّاسُ.”*
(مسند أحمد 6/118)

ধৈর্য, ত্যাগ ও তাকওয়া :
মাক্কার কষ্টকর সময়ে তিনি ছিলেন ধৈর্যশীলা, সাহসদাত্রী ও আল্লাহনির্ভর।
তিনি কখনো নবী ﷺ-এর সাথে তর্ক করেননি, তাঁর আদেশে দ্বিধা করেননি।
তাঁর জীবনে পর্দা, ইবাদত, সাদাকাহ, ও কষ্টে ধৈর্য সবই ছিল পূর্ণ।
তাঁর মুখে ঝরত এই কথাটি -
“إِنَّ اللَّهَ مَعَنَا” - নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।

জান্নাতের সুসংবাদ :
আল্লাহ তাঁর ইখলাস, ত্যাগ ও ঈমানের প্রতিদান হিসেবে জান্নাতে শান্তির ঘরের সুসংবাদ দিয়েছেন।
“وَبَشِّرْهَا بِبَيْتٍ فِي الْجَنَّةِ مِنْ قَصَبٍ لَا صَخَبَ فِيهِ وَلَا نَصَبَ.”
(صحيح البخاري 3820)

হযরত খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন প্রথম মুমিনা, প্রথম সহযোগী, প্রথম ইবাদতকারী নারী।
তাঁর জীবন ছিল নবী ﷺ-এর ভালোবাসা, আনুগত্য, ত্যাগ ও ইখলাসের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

اياك يا حمزة! ان تتعرض بسوء لمن هي ام المؤمنين خديجة رضي الله عنها،
الزوجة الاولى لرسول الله ﷺ، وأول من آمن به ونصره وواسه.
إن مس كرامتها نقص في الإيمان، وسوء القول فيها خبث في اللسان والقلب.
فاتق الله، واحفظ لسانك، واعلم أن من تجرأ على أمهات المؤمنين فقد عرض نفسه لسخط رب العالمين ونار جهنم.
তাছাড়া,বুখারী শরিফের ২য় হাদিসে ওহি নাজিল হর পরে আল্লাহর রাসুলকে সান্ত্বনা দেয়ার সেই ঐতিহাসিক কথাগুলো তো আছেই।
সুতরাং আম্মাজান খাদিজা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহার শানে মিথ্যাচার ও মারাত্মক বেয়াদবী ।

রমাদানের পর সবচেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ সিয়াম হলো মুহাররাম এর সিয়াম....
17/07/2024

রমাদানের পর সবচেয়ে বেশি ফজিলতপূর্ণ সিয়াম হলো মুহাররাম এর সিয়াম....

12/07/2024

শিগগিরই এমন যুগ আসবে যখন মানুষের অন্তরগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তারা কুরআন পড়ে কোনো স্বাদ পাবে না। আল্লাহর কোনো আদেশ মানতে না পারলে তারা বলবে, ‘আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ আবার যখন আল্লাহর নিষিদ্ধ কোনো কাজ করবে তখন বলবে, ‘আমরা আল্লাহর সাথে কোনো শিরক না করলেই তো হলো, আমাদের সব ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’ তাদের সব কিছু শুধু আশার ছলনা, সত্যের লেশমাত্র নেই।
— আবুল আলিয়া (রহ.)

সূত্র: আয-যুহদ, ইমাম আহমাদ, ১৭১৪.

09/07/2024

কোনো ব্যক্তি যদি যুবক বয়সে শক্তিশালী অবস্থায় আল্লাহর দিকে মনোযোগী হয়, তাহলে ঐ ব্যক্তির বৃদ্ধ বয়সে দুর্বল অবস্থায় আল্লাহ তায়ালা তার যত্ন নেবেন। তার এই বৃদ্ধাবস্থায়ই আল্লাহ তায়ালা তাকে ভালো শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি এবং বুদ্ধি দান করবেন।

একজন আলেম একশ বছরেরও বেশি বেঁচেছিলেন। তিনি ছিলেন সুস্বাস্থ্য এবং তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী। একদিন তিনি হটাৎ স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে লাফ দিয়ে উঠলেন। তাকে হঠাৎ লাফিয়ে ওঠার কারণ সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলে তিনি প্রত্যুত্তরে বলেন—আমি যুবক বয়সে আমার এই শারীরিক শক্তি খারাপ কাজ থেকে বিরত রেখেছিলাম এবং এ কারণেই আল্লাহ তায়ালা আমার শক্তিকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত সংরক্ষণ করেছেন।

এর বিপরীত ঘটনাও জানা যায়। যেমন—একজন আলেম দেখলেন একজন ভিক্ষুক মানুষের কাছে ভিক্ষা করছে। তখন তিনি বললেন—এই দুর্বল ব্যক্তিটি যৌবন বয়সে আল্লাহ তায়ালার অবজ্ঞা করেছে। এ কারণে আল্লাহ তায়ালা ঐ ব্যক্তির বৃদ্ধ বয়সে তাকে অবজ্ঞা করেছেন।

—ইমাম ইবনে রজব আল হাম্বলী রহ.

[জামিউল বয়ান ওয়াল হিকাম : ১/১৮৬]

06/07/2024

আজ পবিত্র জুমাবার
আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) একদা জুম’আর দিন সম্বন্ধে আলোচনা ক’রে বললেন, “এই দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি ঐ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে নামায অবস্থায় আল্লহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে, তাহলে আল্লাহ তাকে দান ক’রে থাকেন।”
এ কথা বলে তিনি স্বীয় হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত।
(সহীহ বুখারী – ৯৩৫,৫২৯৫,৬৪০০; সহীহ মুসলিম – ৮৫২)
আবু হুরায়রা(রাঃ) বলেন, আমি আব্দুল্লাহ ইবনু সালামের সাথে সাক্ষাত করে তাঁকে এ হাদীস প্রসঙ্গে জানালাম। তিনি বলেন আমি সে সময়টি জানি। আমি বললাম, তাহলে আমাকেও বলে দিন, এ ব্যাপারে কৃপণতা করবেন না। তিনি বললেন, এ সময়টি আসরের পর হতে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত। আমি বললাম, তা কি করে আসরের পর হতে পারে? অথচ রাসূলুল্লাহ(সাঃ) বলেছেন, বান্দা নামাযরত অবস্থায় এই মুহূর্তটি পেয়ে...। অথচ আপনি যে সময়ের কথা বলেছেন, তখন তো নামায আদায় করা হয় না। আব্দুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ(সাঃ) কি বলেননি ‘যে ব্যক্তি নামাযের অপেক্ষায় বসে থাকে প্রকারান্তে সে নামাযের মধ্যেই থাকে? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন সেটাই এ সময়।
(সহীহ আত তিরমীযী – ৪৯১; ইবনু মাযাহ – ১১৩৯; মুয়াত্তা মালিক,৭ম পরিচ্ছেদ; নাসায়ী – ১৪৩৩).

05/07/2024

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Daily Deen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share