উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা বা production possibility curve কী?
যে রেখার বিভিন্ন বিন্দু সীমিত সম্পদের সাহায্যে দুটি দ্রব্যের সম্ভাব্য উৎপাদন নির্দেশ করে তাকে উৎপাদন সম্ভাবনা রেখা বলে। এটিকে সংক্ষেপে PPC রেখাও বলে।
Education center of economics
অর্থনীতির বিভিন্ন সমস্যা ও তার সমাধান?
ডানদিকে উর্ধগামী বক্ররেখার ঢাল। পর্ব ৪
আমরা জানি,একটি বক্ররেখার বিবেচ্য বিন্দুতে অংকিত স্পর্শকের ঢালই ঐ বক্ররেখার ঢাল।
ডানদিকে উর্ধগামী যে কোনো রেখার ঢাল ধনাত্মক হয়। অত,এব ডানদিকে উর্ধগামী বক্ররেখার ঢাল ধনাত্মক হবে।
ডানদিকে উর্ধগামী বক্ররেখার ঢাল দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:-
ক. ভূমি অক্ষের দিকে অবতল।
ডানদিকে উর্ধগামী রেখার ঢাল হ্রাস পেলে রেখাটি ভূমি অক্ষের দিকে অবতল আকৃতির হয়।
খ.ভূমি অক্ষের দিকে উত্তল।
ডানদিকে উর্ধগামী রেখার ঢাল বৃদ্ধি পেলে রেখাটি ভূমি অক্ষের দিকে উত্তল আকৃতির হয়।
ঢাল বা slope
৩য় পর্ব
ডানদিকে নিম্নগামী বক্ররেখার ঢাল।
আমরা জানি,একটি বক্ররেখার বিবেচ্য বিন্দুতে অংকিত স্পর্শকের ঢালই ঐ বক্ররেখার ঢাল।
ডানদিকে নিম্নগামী যে কোনো রেখার ঢাল ঋনাত্মক হয়। অত,এব ডানদিকে নিম্নগামী বক্ররেখার ঢাল ঋনাত্মক হবে।
ডানদিকে নিম্নগামী বক্ররেখার ঢাল দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:-
ক. মূল বিন্দুর দিকে উত্তল।
ডানদিকে নিম্নগামী রেখার ঢাল হ্রাস পেলে রেখাটি মূল বিন্দুর দিকে উত্তল আকৃতির হয়।
খ.মূল বিন্দুর দিকে অবতল।
ডানদিকে নিম্নগামী রেখার ঢাল বৃদ্ধি পেলে রেখাটি মূল বিন্দুর দিকে অবতল আকৃতির হয়।
15/04/2022
ডান দিকে উর্ধ্বগামী ও ডান দিকে নিম্নগামী সরল রেখার ঢাল।
সরল রেখার কোনো বিন্দুর ঢাল বের করতে হলে ঐ বিন্দুর নিকটতম একটি বিন্দু কল্পনা করতে হয়। এই দুটি বিন্দুর লম্বের পরিবর্তন এবং ভূমির পরিবর্তনের অনুপাত হলো সরল রেখার ঢাল।
কোনো রেখার ঢাল ধনাত্মক হলে রেখাটি ডানদিকে উর্ধ্বগামী হয়।অর্থাৎ:- ক,চিত্রের রেখাটির ঢাল ধনাত্মক।
আবার,কোনো রেখার ঢাল ঋনাত্মত হলে রেখাটি ডানদিকে নিম্নগামী হয়।অর্থাৎ:-খ,চিত্রের রেখাটির ঢাল ঋনাত্মত।
আর সরল রেখার প্রতিটি বিন্দুতে ঢাল স্থির থাকে।
ঢাল বা slope............. ২য় পর্ব
13/04/2022
ঢাল বা slope..............১ম পর্ব
স্বাধীন চলকের মানের পরিবর্তনে অধীন চলকের মানের পরিবর্তন হয়। কাজেই অধীন চলকের পরিবর্তন ও স্বাধীন চলকের পরিবর্তের অনুপাতকে ঢাল বলে।
অন্যভাবে,স্বাধীন চলকের মানের এক একক পরিবর্তনের ফলে অধীন চলকের মানের যে পরিবর্তন হয় তাকে ঢাল বলে। অর্থাৎ: ১ম মাত্রার অন্তরক সহগই ঢাল।
ঢাল দুপ্রকার। যথা
১ সরল রেখার ঢাল।
২ বক্ররেখার ঢাল।
১। সরল রেখার ঢাল(slope of a straight line).
কোনো সরলরেখা ভূমি অক্ষের ধনাত্মত দিকে যে কোণ উৎপন্ন করে তার ত্রিকোণমিতিক tan কে ই রেখার ঢাল বলে।
অন্যভাবে,সরল রেখার ঢাল=dলম্বের পরিবর্তনঃdভূমির পরিবর্তন।
২। বক্ররেখার ঢাল(slope of a curvilinear curve).
একটি বক্ররেখার বিবেচ্য বিন্দুতে অংকিত স্পর্শকের ঢালই ঐ বক্ররেখার ঢাল।
অর্থনীতির বিভিন্ন রেখা যেমন -চাহিদা রেখা, যোগান রেখা,মোট খরচ রেখা , মোট উপযোগ রেখা,ভোগ রেখা,ইত্যাদি রেখাগুলো ভালো মতো বুঝার জন্য ঢাল বিষয়টা খুবই গুরুত্বপূণ।
অর্থাৎ:-কোন রেখাটি ডান দিকে উর্ধগামী বা নিম্নগামী হবে এবং কোন রেখাটি উত্তল বা অবতল আকৃতির হবে তা আমরা বুঝতে পারি ঢালের মাধ্যমে।
ঢাল প্রথম পর্ব।
12/04/2022
What is opportunity cost?(সুযোগ ব্যয় কি?)
ছেড়ে দেওয়া সুযোগকে সুযোগ ব্যয় বলে। অর্থাৎ:কোনো দ্রব্যের উৎপাদনের জন্য অন্য দ্রব্য পরিহার করাই হলো সুযোগ ব্যয়।
যেমন-মনে করি, একজন কৃষক তার জমিতে পেঁয়াজ উৎপাদন করতে পারে আবার, বেগুনও উৎপাদন করতে পারে। এখন পেঁয়াজ উৎপাদন করলে বেগুনের সুযোগ ত্যাগ করতে হবে। তাই পেঁয়াজ উৎপাদনের সুযোগ ব্যয় হলো বেগুন উৎপাদন।আবার একইভাবে বেগুন উৎপাদনের সুযোগ ব্যয় পেঁয়াজ উৎপাদন।
অন্যদিকে, একজন ভোক্তার পছন্দ পূর্ণ করার জন্য তার অন্য যে পছন্দটি ত্যাগ করতে হয় তাকেও সুযোগ ব্যায় বলা হয়।
যেমন-একজন ছাত্র উপন্যাস না কিনে অর্থনীতির বই কিনতে পারে। এতে অর্থনীতি বইটির সুযোগ ব্যয় হলো উপন্যাস ক্রয় না করা।
11/04/2022
ব্যষ্টিক ও সামষ্টিকের দৃষ্টিকোণ থেকে অর্থনীতি।
অর্থনীতির বিভিন্ন তত্বকে সঠিকভাবে উপলব্ধি করার জন্য ১৯৩৩ সালে সুইডেনের ওসলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক Ragner Frisch অর্থনীতিকে ব্যষ্টিক ও সামষ্টিক অর্থনীতি নামে দু'ভাগে বিভক্ত করেন।
১.ব্যষ্টিক অর্থনীতি(Micro economics):
ব্যষ্টিক এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Micro গ্রিক শব্দ Mikros হতে উদ্ভূত। যার অর্থ-ক্ষুদ্র।
অর্থাৎ:-অর্থনীতির যে শাখায় প্রতিটি এককের অর্থনৈতিক আচরণ বিশ্লেষণ করা হয় তাকে ব্যষ্টিক অর্থনীতি বলে।
যেমন-ব্যক্তিগত চাহিদা, ভোগ,সঞ্চয় এবং কোনো একক প্রতিষ্টানের আয়, ব্যায়,মুনাফা ইত্যাদি ব্যষ্টিক অর্থনীতির বিষয়।
২.সামষ্টিক অর্থনীতি (Macro economics):
সামষ্টিক এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Macro গ্রিক শব্দ Makros হতে উদ্ভূত।যার অর্থ-বৃহৎ।
অর্থাৎ:-অর্থনীতির যে শাখায় সামগ্রিক বা জাতীয় পর্যায়ের বিষয়কে বিশ্লেষণ করা হয় তাকে সামষ্টিক অর্থনীতি বলে।
যেমন-জাতীয় আয়,সামগ্রিক চাহিদা,সামগ্রিক যোগান,মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি সামষ্টিক অর্থনীতির বিষয়।
10/04/2022
অর্থনীতির সজ্ঞা:
অর্থনীতির ইংরেজি প্রতি শব্দ Economics.গ্রিক শব্দ Oikonomia হতে Economics শব্দের উৎপত্তি।
সাধারণত:যে শাস্ত্র মানুষের অর্থনৈতিক কার্যকলাপ নিয়ে আলোচনা করে তাকে অর্থনীতি বলে।
সময়ের বিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের সমস্যার যেমন পরিবর্তন হয়েছে তেমনি অর্থনীতির সজ্ঞাও পরিবর্তন হয়েছে।ফলে অর্থনীতিবিদগণ অর্থনীতির বিভিন্ন সজ্ঞা প্রদান করেছেন।
1.Alfred Marshall.
আধুনিক অর্থনীতির জনক বলে খ্যাত Alfred Marshall ১৮৯০ সালে অর্থনীতি বিষয়ে একটি সরল সজ্ঞা প্রদান করেন। তাঁর মতে,(Economics is the study of mankind in the ordinary business of life.)
অর্থাৎ:অর্থনীতি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ কার্যকলাপ আলোচনা করে।
2. L Robbins.
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক L Robbins ১৯৩১ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ (Nature and significance of economic science)এ একটি বিজ্ঞানসম্মত ও সার্বপেক্ষা গ্রহণ যোগ্য সজ্ঞা প্রদান করেছেন।তাঁর মতে,(Economics is a science which studies human behaviour as a relationship between ends and scarce means which have alternative uses.)
অর্থাৎ:অর্থনীতি একটি বিজ্ঞান যা বিকল্প ব্যবহারযোগ্য
সীমিত সম্পদ এবং অসীম অভাবের সমন্বয় সাধনে মানুষের আচরণ আলোচনা করে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Chittagong