আল্লাহর কসম, আমার ভোটটা আমি ইসলাম বিদ্বেষীদের দেবোনা, ভারতের এজেন্টদের দেবোনা। সংস্কার বিরোধীদের দেবোনা, শহীদ ওসমান হাদিকে নিয়ে যারা নোংরামি করে তাদেরকে দেবোনা, বিপ্লবের অগ্রপথিক মজলুম সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে যারা অপপ্রচার করে তাদেরকে দেবোনা।
সর্বোপরি আওয়ামী লীগের দোসরদের দেবোনা। আওয়ামী লীগের সাথে যাদের আচরণগত মিল আছে তাদেরকে দেবোনা।
'না' মানে 'না'।
গণভোটে 'হ্যাঁ'।
Battle of Biology.Sayeed
SAYEED'S CREATIONS
20/08/2025
#মুজিব_ও_মুক্তিযুদ্ধ-🫵
মুজিবকে ২৫ তারিখ রাতে ধরে নেওয়ার সময় সে নিজের লেখা বা বক্তব্যে কিন্তু সরাসরি স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দেন নাই, বরং তার অনুপস্থিতিতে তার নাম ব্যবহার করে দুজন ঘোষণা দেন নিজেদের সিদ্ধান্তে।মুজিবের বিভিন্ন কর্মকান্ড নিয়ে আমার মনে বেশ কিছু প্রশ্ন জেগেছে-🤔
দীর্ঘ ৯ মাসের বেশি সময় কেন পাকিস্তান মুজিব পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী থাকার পরও- যদি যুদ্ধের মেইন মাস্টার মাইন্ড মুজিব হয়, তাহলে তাকে পাকিস্তান হাতে পেয়েও কেন হত্যা করলো না..?
কেন সে সেখানে রাজকীয় আয়েশে বন্দী ছিলো,তার চেহায়ায় সামান্যও পরিবর্তন আসেনি.রাষ্টীয় অতিথির মতো সে ব্রিটেনে যাবার সুযোগ পেলো..!?
হাসিনাকে কেন নিরাপদে পাকিস্তানি ক্যান্টরমেন্টে রেখে ভাতা দিয়ে তার সব সুবিধা নিশ্চিত করে পাকিস্তানি সেনাদের তত্বাবধায়ণে হাসপাতালে হাসিনার ছেলে জয় জন্মগ্রহণ করলেন সাবলীল ভাবে..?
কেন আওয়ামীলীগে কোনো খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা নেই..??
কেন মুজিব পাকিস্তান থেকে এসেই পাকিস্তানের সরকারের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে,পাকিস্তানের সরকারের লোকজনকে হাসিমুখে রাষ্ট্রীয় অভ্যাত্থনা জানিয়ে আমন্ত্রণ করে এদেশে নিয়ে আসলো যুদ্ধের এত অল্প সময় পরেই..??
যেই পাকিস্তানি বাহিনিতে যোগ দেওয়া বাঙালি সেনারা জীবনের মায়া ত্যাগ করে ঝুকি নিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করলো,তাদের কেন মুজিব স্বাধীন দেশ হবার পর জেলে পুরেছিলো যেখানে মেজর জলীলের মতো কমান্ডার সহ হাজার হাজার মুক্তিযোদ্ধা কে মুজিব বন্দী করে,সিরাজ সিকদার এর মতো সাহসী বীর মুক্তিযোদ্ধা সহ সবচেয়ে বেশি মুক্তিযোদ্ধাদের কেন হত্যা করা হলো মুজিবের শাসনামলে..?
কেন অধিকাংশ যুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া মুক্তিযোদ্ধা মুজিবের ক্ষমতা গ্রহণের পর তার শাসনে অসন্তুষ্ট হয়,বিপ্লব ও বিরোধিতা করে..বর্তমানেও বহু খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা তার অপশাসন ও নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কথা বলে??
কেন মুজিব তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু ও খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের হাতেই হত্যা হলো,তাও সরকারের থাকা কালিন..??
যার কথায় নাকি মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো-তার হত্যায় সারা দেশে তো বিশাল অরাজকতা,বিদ্রোহ তৈরি হবার কথা ছিলো,কিন্তু মিষ্টির দোকান কেন খালি হলো,কেন তার সরকারের বৃহৎ সেনা ও রক্ষি বাহিনি সামান্য একটা সামরিক বিদ্রোহী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তারা এসে স্বাগতম জানায় নতুন সরকার গঠনে..??
কেন যুদ্ধের সময় এত কঠিন মুহুর্তে দুর্ভিক্ষ দেখা না দিয়ে,তারও ৩ বছর পর ৭৪ সালে না খেয়ে নির্ভরযোগ্য নিরপেক্ষ বিদেশী তথ্য মতে প্রায় ৫/১৫ লক্ষ মতো লোক মারা যেতে হলো..আর এমন সময় মুজিবের ছেলের বিয়ে হলো সোনার মুকুটে এলাহি আয়োজনে ??
যে দেশে লোক ছিলো ৭ কোটি,সেখানে যুদ্ধের সময় পাকিস্তান ১/২ লক্ষ সেনা পাঠিয়েছিলো যুদ্ধের জন্য- তারা কি ভাবে ৩০ লক্ষ মানুষকে শহীদ,কোটি কোটি মানুষ কে আহত ও প্রায় ৩ লক্ষ নারীকে ধর্ষণ করলো...??
যার ভিতর আবার এক কোটি মতো নাকি ভারতে আশ্রয় নিয়েছিলো!
তাহলে পাকিস্তানি সেনাদের দিনে কতগুলো হত্যা করতে হয়েছে ভাবতে পারছেন..??
আর ত্রিশ লক্ষ শহীদের ভিতর আপনার এলাকায় খোজ নিয়ে বা পরিচিত জনদের থেকে জেনে দেখুন তো ৩০ জন শহীদের তথ্য তারা সঠিক ভাবে দিতে পারে কিনা..?
আসলে আমার মনে হয় মুজিব ছিলো কথায় জনদরদী,যা ৭১এর আগে ক্ষমতায় যাবার জন্য আমাদের নেতাদের মতো ভাষণ দিয়ে জনতার মন জয়ের মতো, কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর প্রমাণিত হয়,সে আসলে কোনো দেশের দালাল ও একনায়কতন্ত্র ক্ষমতালোভী।
একটা সময় খুব খুব দুর্বল ছিলাম এই নেতার প্রতি,প্রচুর লিখেছি তাকে নিয়ে,কিন্তু যতোই আগ্রহ নিয়ে তথ্য আর যৌক্তিক বাস্তবতা নিয়ে তাকে জানতে চেয়েছি নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে ততই তার প্রতি কেমন অনুভূতি কমছে!
এদেশে পাকিস্তানের অপশাসন ও বৈষম্য থেকে যে মুক্তিযোদ্ধারা রণাঙ্গনে জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করলো তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা,শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় এ জাতী সারা জীবন স্বরণ করবে,সেই সাথে এই যুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও নেতৃত্ব আমরা তরুণ প্রজন্ম জানতে আগ্রহী,কোনো বিশেষ পক্ষের গালগল্পের মিথ্যে ইতিহাসে আমরা বিশ্বাসী হতে চাইনা।💗🌹
এই দেশে ৭২ পূর্বে শেখ মুজিবের অবদান সবাই এক বাক্যে স্বীকার করে,সব দলগুলোকে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে দেখি,নিজেও তার অনুরাগী ও সাহসী বক্তব্যের প্রশংসাকারী।কিন্তু ৭২ পরবর্তী মুজিবকে নিয়ে সত্য জানতে আগ্রহী,কেন তাকে নিয়ে এত সমালোচনা ও তার হত্যা..!?
আর উপরের প্রশ্ন গুলোর যৌক্তিক উত্তর দিতে পারলে আমি শতভাগ মুজিববাদী হতে রাজি এখনও।💗🇧🇩✊
25/05/2025
#নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে যখন বন্দী করে টেনে হিচঁড়ে নিয়ে যাওয়া হয়, তখন অসংখ্য মানুষ হা করে নীরব দর্শকের মতো সেই দৃশ্য উপভোগ করেছিল। শুধু তাই নয়, পিঠে ছুরিকাঘাত করার পূর্বে নবাবকে কাঁটাওয়ালা সিংহাসনে বসিয়ে ও ছেঁড়া জুতা দিয়ে পিটিয়ে যখন অপমান করা হচ্ছিল, তখন হাজার হাজার মানুষ সেই তামাশা দেখে ব্যাপক বিনোদিত হয়েছিল! মাস সাইকোলজিটা একটু খেয়াল করে দেখুন, এই জাতি দুইশত বছরের গোলামি সাদরে গ্রহণ করেছিল ওভাবেই।
একটি মজার তথ্য দেই। লর্ড ক্লাইভ তার ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লিখেছেন, নবাবকে যখন ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন দাঁড়িয়ে থেকে যারা এসব প্রত্যক্ষ করেছিল তারা যদি একটি করেও ঢিল ছুঁড়ত তবে ইংরেজদের করুণ পরাজয় বরণ করতে হতো। আরো চমকপ্রদ তথ্য হচ্ছে, প্রায় ১০ হাজার অশ্বারোহী, ৩০ হাজার পদাতিক এবং অসংখ্য কামান, গোলাবারুদ সহ বিশাল সুসজ্জিত সৈন্যবাহিনী নিয়েই পলাশীর ময়দানে এসেছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা । কিন্তু তার বিপরীতে রবার্ট ক্লাইভের সৈন্যসংখ্যা ছিলো মাত্র ৩ হাজার, যার মধ্যে ৯ শত জনই ছিল হাতেপায়ে ধরে নিয়ে আসা সৌখিন ব্রিটিশ অফিসার যাদের অধিকাংশেরই তলোয়ার ধরার মতো সুপ্রশিক্ষণ ছিল না, এরা কোনোদিন যুদ্ধও করেনি।
এত কিছু জেনেও রবার্ট ক্লাইভ যুদ্ধে নেমেছিলেন এবং জিতবেন জেনেই নেমেছিলেন। কারণ, তিনি খুব ভালো করেই জানতেন একটি হীনমন্য ব্যক্তিস্বার্থলোভী দ্বিধাগ্রস্ত জাতিকে পরাস্ত করতে খুব বেশি আয়োজনের প্রয়োজন নেই, বড় সৈন্যবাহিনী এদের জন্য মশা মারতে কামান দাগার মতো। যাদেরকে সামান্য দাবার চালেই মাত করে দেয়া যায়, তাদের জন্য হাজার হাজার সৈন্যের জীবনের ঝুঁকি তিনি কেন নেবেন? এছাড়াও, মীরজাফরকে যখন নবাবীর টোপ গেলানো হয়, রবার্ট ক্লাইভ তখনই সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন যে, সিরাজকে পরাজিত করার পর এই বদমাশটি সহ বাকিগুলোর পরিণতিও তাদের নবাবের মতোই হবে এবং হয়েছেও তাই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, মীরজাফর, উমিচাঁদ, রায়বল্লভ, ঘষেটি বেগম সহ প্রত্যেকটি বেইমানের করুণ মৃত্যু হয়েছে।
রবার্ট ক্লাইভ মীরজাফরের বেঈমানির উপর ভরসা করে যুদ্ধ করতে আসেননি। তিনি যুদ্ধে নেমেছিলেন বাঙালির মানসিকতা নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ আন্দাজ করে। তিনি জানতেন, যুদ্ধশেষে জনসম্মুখে নবাবকে হেনস্থা করলে এই জাতি বিনোদনে দাঁত কেলাবে কিংবা হা করে চেয়ে চেয়ে দেখবে। তাই বিনা দ্বিধায় সার্টিফিকেট দেয়াই যায়, বাঙালি জাতির মানসিকতা সবচেয়ে নিখুঁতভাবে মাপতে পারা ইতিহাসের প্রথম ব্যক্তিটির নাম রবার্ট ক্লাইভ!
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের ঘোষণার মধ্যে যেমন জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া ছিল; সেই সাথে স্টেকহোল্ডারদের কিছু হিসাব-নিকাশও ছিল। এনসিপি এটাকে কেন্দ্র করে তাদের হারানো অবস্থান ফিরে পেতে চেয়েছিল। তাদের কিছুটা মুখ রক্ষা হলেও জুলাইয়ের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য কায়েম করা সম্ভব হয়নি। এটা আর কখনও হবেও না। এনসিপিতে হাসনাত আবদুল্লাহ এর মধ্য দিয়ে এনসিপির সবাইকে ছাড়িয়ে গেল। এতে মাহফুজ গোস্বান্বিত হয়েছে।
বিএনপি ধারণাও করেনি যে, তার অংশগ্রহণ ছাড়া আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা সম্ভব হতে পারে। এটা তাদের প্রতিও একটা চপেটাঘাত। এটা তাদেরও হজম করতে কষ্ট হচ্ছে।
যারাই ঘোঁৎঘোঁৎ করতেছে, তারা সবাই কম-বেশি ধরা খেয়েছে। আহত ব্যাঘ্রকে খোঁচাতে নেই।
10/04/2025
প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় নাই, নকলের ও সুযোগ নাই। স্বাভাবিক ভাবেই পাশের হার কমে যাবে এবং "ইউসুফ সরকারকে চরম মূল্য দিতে হবে!!"
শীঘ্রই শাহবাগে একদল অটোপাশের জন্য আন্দোলন করবে, আরেকদল ফেসবুকে পোষ্ট দিবে - আগেই তো ভালো ছিলাম। 🥲🥲
ইনভেস্টমেন্ট সামিটে জামায়াত নিজেদের রাজনৈতিক কমিটমেন্ট সম্বলিত একটা পাবলিকেশন বিলি করেছে — সেটা নিয়ে এখুনি কথা বলার ইচ্ছা আমার নাই। আমি কথা বলতে চাই, জুলাই শহীদদের নিয়ে জামাতের দশ খন্ডের বইটার ব্যাপারে।
আমি আল্লাহর কাছে দুআ করি— এই কাজের পুরস্কার যেন আল্লাহ জামাতকে দান করেন। ৭১৭ জন শহীদের জীবনী, তাদের পরিচয়, আকাঙ্ক্ষা, পরিবার, শাহাদতের বিবরণ, তাদের উপর চালানো নির্মমতা— এসব কিছু রঙ্গিন পাতায় এতো উত্তমভাবে আনা হয়েছে, বলার মত নয়।
এমন একটা প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করতে জামাতের যাতায়াত, লেখক খরচ, ইন্টারভিউ খরচ, এডিট এবং অন্যান্য খরচ কত হতে পারে, সেটা আমার আমি ভালোই অনুমান করতে পারি কারণ — আমি পাবলিকেশন সেক্টরে অনুবাদক হিসেবে আমি কাজ করছি।
সবচেয়ে বড় কথা হল— এই বইয়ের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে, জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষার প্রতি জামাতের কমিটমেন্ট আছে এবং এইটা তারা রক্ষা করতে চায়।
আমরা অনেকেই সমালোচনা করেছিলাম— জামাত কেন তাদের দলের শহীদদের নাম প্রকাশ করেনা? আমীরে জামাত Dr. Shafiqur Rahman বলেছিলেন— জুলাইয়ের সকল শহীদই আমাদের শহীদ। আমরা দলীয় ক্রেডিট নেবার মধ্য দিয়ে বিভাজন করব না। সকল শহীদ পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করব।
আমীরে জামাত তাঁর কথা রেখেছেন কিনা, আপনারা খোঁজ নিয়েছেন? আমি নিয়েছি। জানতে পেরেছি, তারা শহীদ পরিবারের খোজ নিয়েছেন এবং পরিবারের অবস্থা ভেদে গড়ে পড়তায় দুই লক্ষ টাকা পর্যন্ত অনুদান দিয়েছেন। প্রায় ৬০০ পরিবারকে তারা এই অনুদান দিয়েছেন।
এসব গোপনও রেখেছে জামাত। কারণ, জামাতের অনুদান পেয়েছে, এটা জানলে অনেকে শহীদ পরিবারকে 'জামাতি' বলে ট্যাগ দিবে। রাষ্ট্রীয় অনুদান কিংবা অন্য কোনো সংগঠন থেকে অনুদান প্রাপ্তির পথ তখন রুদ্ধ হতো।
সেদিন এক ভিডিওতে দেখলাম, জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের এক অনুষ্ঠানে এক শহীদমাতা কেঁদে কেঁদে বলছেন— জামাত থেকে কয়েক লাখ টাকা পেয়েছেন, আর কেউ তাদের খোজ নেয়নি।
জামাত এইসব অনুদান দল দেখে দেয় নাই, কোনো বিভেদ করে নাই।
আজকে দেখলাম— অনেকেই একটা পোস্ট শেয়ার দিচ্ছে যে, জামাত নাকি সবাইকে ধারণ করতে পারবেনা ক্যাডারভিত্তিক হবার কারণে।
কথাটা ভুল, একইসাথে অন্যায়। দলীয় প্রতিষ্ঠানে তারা নিজেদের লোকদের জব দেবে কারণ, কেবল জামাত করার অপরাধে তাদেরকে সরকার বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান জব দেয়না। এই মজলুমদের দায়িত্ব তো জামাতকেই নিতে হবে, তাই নয়কি? এটাকে সমালোচনার অংশ বানানো উচিত নয়।
জামাত ক্ষমতায় গেলে সবাইকে রাষ্ট্রে স্বীকার করবে। জামাতি না হলেও যোগ্য লোকদের চাকরি দেবে, সরকারে বসাবে, যেটা ইউনুস করছেন। এটাই জামাতের বর্তমান রাজনৈতিক কমিটমেন্ট, সেটা আমরা বুঝতে পারি। অনেকে না বুঝার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছেন আগ থেকেই, সেখানে কি আর করা যাবে।
আচ্ছা, প্রতি পরিবারকে গড়ে পড়তায় ২ লাখ করে দিলে এখন পর্যন্ত দেওয়া ৬০০+ শহীদ পরিবারকে দেওয়া হয়েছে। তাহলে মোট ১২ কোটি টাকা তারা শহীদ পরিবারকে এখন পর্যন্ত দিয়েছে। তারা বাকি শহীদ পরিবারকেও দিতে থাকবে, এটাই তাদের সিদ্ধান্ত।
এটা যদি ভোটের জন্য হতো, তাহলে জামাত ফলাও করে প্রচার করত। সেটা তারা করে নাই।
নিভৃতে কাজ করে জামাত, এজন্য জামাতের পিআর খারাপ— এসব বলে অনেকেই মজা নেয়। আমিও নেই, কিন্তু জামাত যা করছে, সেগুলোর স্বীকৃতি দেওয়া আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে।
জামাত চুপচাপ কাজ করছে বলে আপনি গালি দিতে পারেন, কিন্তু নিজ থেকে জামাতের ভালো কাজ তুলে ধরতে পারেন না— সেটাও একটা দৈন্যতা। এই দৈন্যতা আমরা কাটিয়ে উঠতে পারি যেন, সেই কামনা।
07/02/2025
এই লেজেন্ড গুলোকে কখনো ভুলনা কারণ এরা সর্বদা রাষ্ট্রের ভালো চেয়েছে🥹🥹🥹
হালিল পাশা, নাসির উদ্দিন, কুরদুগলু, দুন্দার বে, শেখ হাসিনা।
জাতি তোমাদের ত্যাগ ও অবদান ভুলবেনা🥹🥹
16/12/2024
ভারত তাদের সুবিধার জন্য বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে ছিলো। যার বাস্তবায়ন আমরা বিগত দিনে দেখেছি।
কি বলেন আপনারা?
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Chittagong