07/08/2024
আসসালামুয়ালাইকুম
আমি একজন হাফিজা
যেসকল বোনেরা কুরআন তাজবিদসহ পড়তে পারেন না অথবা ভুলে গেছেন,
একেবারে কায়দা থেকে মাখরাজ -সিফাত সহকারে অনলাইনে শিখানো হয়।
ইনবক্স করুন ।
যারা হিফজ করতে চাচ্ছেন ইনবক্স করুন
মাসিক পেমেন্ট আছে ❤️
আপনি কি আর্থিকভাবে দূর্বল?সমস্যা থাকলে কনসিডার করব।
01601716327 শুধু মাত্র মহিলারা প্রয়োজনে কল করুন।
20/05/2024
যেসকল বোনেরা কুরআন তাজবিদসহ পড়তে পারেন না অথবা ভুলে গেছেন,
একেবারে কায়দা থেকে মাখরাজ -সিফাত সহকারে অনলাইনে শিখানো হয়।
ইনবক্স করুন ।
যারা হিফজ করতে চাচ্ছেন ইনবক্স করুন
মাসিক পেমেন্ট আছে ❤️
আপনি কি আর্থিকভাবে দূর্বল?সমস্যা থাকলে কনসিডার করব
29/04/2024
[ একটু আগে দেওয়া পোস্টটা ফেইসবুক নিজ থেকে ডিলেট করে দিয়েছে কোনো ধরণের নোটফিকেশন ছাড়াই৷ ওরা মনে হয় বুঝতে পেরেছে এই অ্যাপ ব্যবহার করলে ওদের অ্যাড আর হারাম কন্টেন্ট কনজিউমার কমে যাবে—তাই। সরাসরি পোস্টে লিঙ্কটা দিলাম না৷ আগের মতো কমেন্টে দিলাম সব। ]
কোনো সন্দেহ নেই যে—ফিতনা-কালের চরম উর্বর সময়টা অতিক্রম করছি আমরা। চারপাশে হারামের এতো এতো ছড়াছড়ি যে, হাজার চেষ্টা করেও যেন এসব থেকে নিষ্কৃতি মিলানো সেরকম দুষ্কর, হাদিসের ভাষায় যেরকম দুষ্কর বলা হয়েছিল হাতের তালুতে আগুনের কয়লা ধরে রাখার বিষয়টাকে। ফিতনা এখন হাতের মুঠোয়—ফোন খুললেই যেন হুড়মুড় করে উদ্ভাসিত হয়ে উঠে চোখের সামনে।
ফিতনার এই বিষবাষ্প থেকে বাঁচতে আমাদের চেষ্টারও অন্ত নেই। আমরা মোবাইল কম ব্যবহার করি, হারাম কন্টেন্ট থেকে দূরে থাকি, হারাম ছড়ায় এমন ব্যক্তি থেকেও রাখি নিরাপদ দূরত্ব। কিন্তু, এতোসব চেষ্টা তদবিরের পরও কি আমরা আদৌ নিরাপদ? আদৌ কি আমরা সকল হারাম কন্টেন্ট আর তার নির্মাতাদের এড়িয়ে যেতে পারি?
সেটা সম্ভব হয় না, কারণ এসব হারাম যারা বানায় আর যারা ছড়ায়, তাদের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা জড়িত এসবের সাথে। সুতরাং আমি আর আপনি দেখতে না চাইলেও আমাদের টাইমলাইনে, আমাদের ভিডিওর মধ্যে, আমাদের পড়তে থাকা আর্টিকেলের মধ্যে তারা কখনো ‘সাজেশান’ অথবা কখনো ‘পুশ’ নোটিফিকেশন আকারে সেসব হারাম কন্টেন্ট আর তার উৎসকে অনুপ্রবেশ করিয়ে দেয়।
স্ক্রীনের এই হারাম দেখা থেকে বাঁচার দুটো উপায় হতে পারে। প্রথম উপায়—স্মার্টফোন ব্যবহারটাই বাদ দেওয়া। কিন্তু আমরা জানি, স্মার্টফোন বর্তমানে আমাদের জীবনের সাথে এমনভাবে মিশে গেছে যে, এটাকে বাদ দিয়ে কাজ আর জীবনকে অনেকপর্যায়ে কল্পনাও করা যায় না ।
দ্বিতীয় উপায় হলো—এমন কোনো প্রযুক্তির দ্বারস্থ হওয়া যারা আমার সামনে আসা হারাম জিনিসগুলোকে আটকে দেবে।
কিন্তু, মুসলিম-ফ্রেণ্ডলি এই প্রযুক্তি কোথায় পাবেন আপনি, তাই তো?
আপনার জন্য সেরকম একটা প্রযুক্তি নিয়েই হাজির হয়েছে কাহাফ গার্ড।
কাহাফ গার্ড অ্যাপটা ডাউনলোড করে যদি আপনি ফোনে কানেক্ট করে রাখেন, তাহলে এর DNS সিস্টেম ভার্চুয়াল জগতের মিলিয়ন মিলিয়ন হারাম কন্টেন্ট আপনার সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।
অর্থাৎ, আপনি যখন কোনোকিছু সার্চ দেন ইউটিউব অথবা গুগলে, তখন সাজেশানে এমন অনেক ভিডিও বা ওয়েবসাইট অথবা আর্টিকেল লিঙ্ক চলে আসা যার মধ্যে হারাম কন্টেন্ট বিদ্যমান। কাহাফ গার্ড সেসমস্ত হারাম উৎসগুলোকে আপনার সামনে আসতে দিবে না।
কাহাফ গার্ড আরো যেসব সুবিধা আপনাকে দেবে:
০১. কোনো ধরণের হারাম বিজ্ঞাপন আপনার সামনে শো করবে না। আর, বিজ্ঞাপন ব্যতীত যেকোনো ওয়েবসাইট অনেক দ্রুত লোড হয় । ফলে, আপনার জন্য যেকোনো সাইটে এক্সেস নেওয়া আগের চাইতে সহজতর হবে।
০২. ৫.৫ মিলিয়ন হারাম ওয়েবসাইট আপনার সামনে আসা সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বাই ডিফল্ট। ফলে, গুগল বা অন্যান্য ব্রাউজার আমাদের সামনে রেগুলার বেইসিসে যেসব হারাম ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট শো করতো, সেসবের অধিকাংশই আর আসতে পারবে না।
০৩. ইসলামের বিষয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ায় বা ইসলামবিদ্বেষ প্রচার করে এমন এন্টি-ইসলামিক ওয়েবসাইটগুলোকে কাহাফ গার্ড ব্লক করে দেবে।
০৪. পর্ণোগ্রাফিক ওয়েবসাইট, অশ্লীল ওয়েবসাইট, জুয়া বা প্রতারণা টাইপ ওয়েবসাইট, ফিশিং বা ড্রাগ ওয়েবসাইট সহ যাবতীয় হারাম ওয়েবসাইট ব্লক করে দেবে এই কাহাফ গার্ড।
০৫. গুগল/Bing এ দিবে সেইফ সার্চ নিশ্চয়তা যা অশ্লীল কন্টেন্ট সামনে আসা থেকে আটকে দেবে।
০৬. ইউটিউবে অ্যাডাল্ট বা অশ্লীল ভিডিও ব্লক করবে।
মোস্ট ইন্টারেস্টিংলি, কাহাফ গার্ড অ্যাপ একদম ফ্রি এবং অ্যাড মুক্ত অ্যাপ । শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য নিরাপদ এবং হারাম মুক্ত ইন্টারনেট নিশ্চিত করাই এই প্রজেক্টের একমাত্র লক্ষ্য।
কমেন্টে দেওয়া লিঙ্কগুলো থেকে Kahf Guard অ্যাপটা নামিয়ে নিন। অথবা, প্লে-স্টোর/অ্যাপ স্টোরে গিয়ে Kahf Guard লিখলেই পেয়ে যাবেন অ্যাপটি।
কাহাফ গার্ড ব্যবহার করুন এবং দূরে থাকুন ইন্টারনেটের যাবতীয় হারাম কন্টেন্ট থেকে । নিজে ব্যবহার করুন, সাথে নিজের পরিবার, বাবা-মা, ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন সহ সকলকে কাহাফ গার্ড ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করুন ।
আলহামদুলিল্লাহ, এতোবড় এই প্রজেক্টে আমার খুব ক্ষুদ্র আকারে হলেও কন্ট্রিবিউশান থাকছে—সেটাই মহা আনন্দের 💚
আমাদের ইন্টারনেট হোক অশ্লীলতা মুক্ত 💚
22/04/2024
আপনার কি কোনও মেয়েকে তালাক দেওয়া হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর দুই মেয়েকে তালাক দেওয়া হয়েছে।
--
আপনার কি জীবদ্দশায় আপনার কোনও সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর জীবদ্দশায় তার সব সন্তান মৃত্যুবরণ করেছে শুধু সাইয়্যিদা ফাতেমা [রা.] ছাড়া।
--
আপনার বা আপনার পরিবারের ইজ্জতের উপর কি মিথ্যা রটানো হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর স্ত্রী হযরত আয়েশা [রায.] এর ইজ্জতের উপর মিথ্যা রটানো হয়েছিল, সপ্তম আসমানের উপর হতে তার পবিত্রার ঘোষণা করা হয়েছে।
--
আপনি কি ঋণগ্রস্ত?
রাসুলুল্লাহ ﷺ মৃত্যুবরণ করেছেন অথচ ঋণের কারণে রাসূলের বল্লামটি ইহুদীর কাছে বন্ধকরূপে ছিল।
--
আপনার অবস্থা কি এতোটা নাজুক —একদিনের খাবার ব্যবস্থা করার মতো অর্থ নাই আপনার?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর ঘরে মাসকে মাস অতিক্রম হয়েছে চুলায় রান্না করার মতো কিছু ছিল না।
--
আপনি কী পিতা-মাতার কাউকে হারিয়েছেন?
রাসুলুল্লাহ ﷺ বাবা-মা হারিয়ে এতিম অবস্থায় বড় হয়েছেন।
--
আপনাকে কি হত্যা করার প্লান করা হয়েছে?
ইহুদী মুশরিকরা রাসুলুল্লাহ ﷺ কে হত্যা করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।
--
আপনার প্রতিবেশি কি আপনাকে কষ্ট দিয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে পুরো দেশ মিলে কষ্ট দিয়েছে। পরিশেষে চক্রান্ত করে নিজ দেশ থেকে বের করে দিয়েছে।
--
আপনাকে কি তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ কে নিজ কওমের লোকেরা গালিগালাজ করেছে, সিজদাহ্ রত অবস্থায় উটের নোংরা ভূরি উপরে তুলে দিয়েছে।
--
আপনার উপর কি খাবারদাবার ও সামাজিক অবরোধ জারি করা হয়েছে?
রাসূল ﷺ ও তার পরিবারকে 'শিআবে' তিনবছর অবরোধ করে রাখা হয়েছে।
--
আপনাকে কি মিথ্যাপ্রতিপন্ন করা হয়েছে?
রাসূল ﷺ কে তার কওম (জাতি) মিথ্যাপ্রতিপন্ন করেছে।
--
আপনার দাঁত কি ভেঙে ফেলা হয়েছে?
রাসুলুল্লাহ ﷺ এর 'রুবায়ী' দাঁত ভেঙে ফেলা হয়েছে।
--
আপনাকে কি এমন কিছুর অপবাদ দেওয়া হয়েছে যেটা আপনি করেন নি?
রাসূল ﷺ কে যাদু ও পাগলামির অপবাদ দেওয়া হয়েছে।
--
আপনি আল্লাহর ইবাদত করতে গিয়ে কতোটুকু কষ্ট করেছেন?
রাসুলুল্লাহ ﷺ দীর্ঘ সময় নামাজের ক্বিয়াম করার কারণে পা মোবারক ফুলিয়ে ফেলতেন।
আল্লাহুম্মা সাল্লি ও সাল্লিম বারিক আ'লা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদ ওয়ালা আ'লিহি ওয়া সাহবিহি আজমাঈন...
-সংগৃহীত
20/04/2024
👍 কোরআন সহিহ করুন 💯💯💯
👉 অনলাইনে আপনি সহি ভাবে কোরআন শিখতে চান?
✋আলহামদুলিল্লাহ 15 বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলছি আপনাকে স্বাগতম
👉 কোর্স ভিত্তিক নয়, বরং হেফজখানার পদ্ধতিতে সবাইকে আলাদা আলাদা বুঝিয়ে দেওয়া হবে।
👉 যার যত দিন লাগে ধৈর্য সহকারে পড়ানো হবে।
✋কায়দা/আমপারা/কোরআন সাবলীলভাবে পড়তে পারার জন্য বোনেরা ইনবক্স করুন।
👉 প্রবাসী বোনদের তাদের সময় অনুযায়ী পড়ানো হবে।
👉হাদিয়া প্রযোজ্য।
👉অডিও লাইভ ক্লাস।
👉সাপ্তাহিক পরীক্ষার মাধ্যমে পাঠের মানোন্নয়ন।
আপনি কি আর্থিকভাবে দূর্বল?সমস্যা থাকলে কনসিডার করব
👉 প্রাইভেটে একা পড়ানোর সুব্যবস্থা রয়েছে।
👉 ফ্রি ক্লাস এর মাধ্যমে পড়ার মান যাচাই করতে পারেন।
👉খাস পর্দার সহিত পড়ানোর সুব্যবস্থা।
👉(টেলিগ্রাম অ্যাপ এ তালীমের ব্যবস্থা রয়েছে।
01/04/2024
অনেক বোনেরা রমজানের শেষ দশকে এসে মা'জুর হয়ে যান, এতে করে তারা মনে মনে ভীষণ আফসোস করেন; কেননা ইবাদতের মওসূম তো চলে যাচ্ছে।
যারা এমন অবস্থায় পড়েন তাদের জন্যে কিছু কথা —
এই সময়ে নামাজ তো আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকেই মাফ করে দেওয়া হয়েছে, তাই বাড়তি নফল পড়তে না পারার বদলে অন্যান্য কিছু আমলের মাধ্যমে আমরা নিজেদের আমলনামা সজ্জিত করতে পারি।
✪ চলতে-ফিরতে, উঠতে-বসতে সব সময়ের সুন্নাতগুলোকেই অত্যান্ত গুরুত্ব এবং ভালোবেসে করা। রমজানের একেকটি সুন্নাতের সাওয়াবও বেড়ে যায় বহুগুণে!
✪ অনবরত যিকিরের মাধ্যমে নিজের জিহ্ববাকে সতেজ রাখা। গীবত, শেকায়েত যেন কোনোভাবে না হয়, সেজন্য জবানকে সব সময় যিকিরে ব্যস্ত রাখা।
✪ অধিকহারে ইস্তেগফার পাঠ করা। বারবার নিজের সকল পাপের জন্যে অনুতপ্ত মনে ক্ষমা চাইতেই থাকা। প্রতিদিন কমপক্ষে এক হাজার বার ইস্তেগফার পড়া। এরচে বেশি পড়তে পারলে আরও বেশি পড়া।
✪ দুআ কবুলের মুহূর্তগুলোতে দুআ করা। নিজের জন্য, প্রিয়জনের জন্যে, পরিবার-পরিজন, উম্মাহের জন্যে মন খুলে দুআ করা।
✪ তেলাওয়াত করতে না পারলেও সকাল-সন্ধ্যার যিকির-আযকার, মাসনূন আমল এগুলো বাদ না দেওয়া। আয়াতুল কুরসি, তিন কুল, সূরা ফাতিহা, চল্লিশ রব্বানা পাঠ করতে থাকা।
✪ দিন বা রাতের কোনো এক অংশে নিভৃতে রবের কাছে কাঁদা। জায়নামাজ বিছিয়েও বসে যেতে পারেন রবের সামনে। আপনার নামাজের ছুটি চলছে, কিন্তু রবের সামনে হাজির হতে তো কোনো বাধা নেই!
✪ প্রতিদিন এক টাকা হলেও দান-সাদকাহ করা। টাকাপয়সা দিতে না পারলে কাউকে উপকারি ইলম শেখানো। রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে দেওয়া কিংবা যে কারো সাহায্য করা।
✪ সকলের সাথে যথাসম্ভব ভালো ব্যবহার করা। আপনি রোজা নেই, তারা তো আছেন; যথাসম্ভব তাদেরকে সাহায্য করা। বিশেষত, মায়েদেরকে রান্নাঘর থেকে ছুটি দিয়ে নিজেই রান্না করা। খাবারদাবার পরিবেশন করা। সাওয়াবের নিয়তে, খেদমতের নিয়তে সবার উপকার করা।
✪ অনেকেই এই সময়ে সেহরি কিংবা ইফতারে অংশ নেয় না। সেহরিতে উঠতে পারলে সেহরি করা। আর অবশ্যই সবার সাথে ইফতারে অংশ নেওয়া উচিত। কারণ সেহরি, ইফতার এগুলোও ইবাদাতেরই অংশ। রোজার ছুটি, কিন্তু এগুলোর বরকত তো পাবোই, তাই না?
✪ মুহাব্বাতের সাথে দুরুদ পাঠ করা। প্রতিদিন কমপক্ষে এক হাজার বার দুরুদ পাঠ করা। দুরুদ শরীফের মাধ্যমে দুনিয়া, আখিরাতের অজস্র কল্যাণ আমাদের ঝুলিতে চলে আসবে ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ পাক আমাদেরকে কবুল ও মঞ্জু