07/05/2025
*বিশেষ জরুরি ঘোষণা।*
সম্মানিত অভিভাবক আশা করছি, সকলেই ভালো আছেন।
আজকে মাদ্রাসা বিষয়ক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করবো।
১/ অনাবাসিক ছাত্র এবং আবাসিক ছাত্রদের দেখা যায় যে, এরা বিভিন্ন অপুষ্টিকর খাবার বা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক এমন খাবার মাদ্রাসাতে নিয়ে আসছে বা আপনারা কিনে দিচ্ছেন, এতে করে নিজেদের ক্ষতি হচ্ছে এবং মাদ্রাসার অভ্যন্তরীণ পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এবং দেখা যায় সেগুলো খেতে গিয়ে এক্সট্রা সময় নষ্ট করছে, তাই অভিভাবকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের যথাসম্ভব ঘরোয়া পরিবেশে তৈরি করা খাবার খাওয়াবেন, এবং বাসায় নাস্তা খাওয়াই পাঠাবেন, মাদ্রাসায় খাওয়ার জন্য নাস্তা না দেওয়ার জন্য বলা হলো।
লিচু জুস বা বিভিন্ন পানীয় খাদ্য দ্রব্য ইত্যাদি খাওয়ানো থেকে বিরত রাখবেন।
♦️♦️(খুব বেশি প্রয়োজন হলে সেটা ভিন্ন) বিষয়।)
⚡⚡এটা শুধু মাত্র অনাবাসিক ছাত্রদের জন্য প্রযোজ্য
আবাসিকে থাকা বা রাত্রি যাপন করা ছাত্রদের জন্য এই ঘোষণা নয়।
২/ মাদ্রাসাতে খাওয়ার জন্য দেওয়া পানির বোতল পাঠান এগুলো দিয়ে ছাত্র ছাত্রীরা বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি করে, উল্লেখযোগ্য হলো বোতল গুলো পুটু করে আনে এবং এগুলো অন্য ছাত্রদের পানি মেরে দেয় ইত্যাদি।
এবং পানি খাওয়ার নাম দিয়ে পড়ার নামে বিভিন্ন ফাঁকি বাজি করতে চেষ্টা করে।
🧭🛑 এই সমস্যা নিরসনের জন্য আমরা মাদ্রাসা কতৃপক্ষ একটা পানির ফিল্টারের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ। 🥰
▶️▶️ আমি মাদ্রাসার শুভাকাঙ্ক্ষী এবং মাদ্রাসার অভিভাবকদের সহযোগিতা কামনা করছি। আল্লাহ সকলের সহযোগিতা কবুল করুন আমিন...।
৩/ মাদ্রাসায় পড়া চলাকালীন সময়ে এবং ঘুমের সময় অভিভাবকদের অপ্রয়োজনীয় ভাবে মাদ্রাসায় প্রবেশ করা থেকে বিরত থাকার জন্য বলা হলো।
বিশেষ করে ঘুমের সময়ে ভাত পাঠাতে হলে হয়তো ঘুমের আগে পাঠাবেন নয়তো ঘুমের পর পাঠাবেন, ঘুমের মাঝখানে ভাত বা নাস্তা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
এই ছাড়া মাদ্রাসার যেকোনো বিষয়ে পরামর্শ বা আপনার মহা মূল্যবান মতামত জানাতে সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করুন।
অথবা কল করুন: 01609-470087