The School of 360
This is the online platform to learn more beyond classroom.
সুইজারল্যান্ডের জুরিখে স্নাতকোত্তরের সুযোগ!
সব শিক্ষার্থীরই স্বপ্ন থাকে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়ার। আর তা যদি হয় একদম প্রথম সারির তাহলে কেমন হয়? স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য তেমনই একটি সুযোগ নিয়ে এসেছে সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত ইটিএইচ বিশ্ববিদ্যালয়। ফুল-ফ্রি স্কলারশিপ নিয়ে বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা এ স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন। টাইমস হায়ার এডুকেশন এর র্যাংকিং অনুযায়ী এর অবস্থান বিশ্বে ১৫ তম। আবেদনের শেষ সময় আগামী ১৫ ডিসেম্বর। গত ১ নভেম্বর থেকে আবেদন শুরু হয়।
‘এক্সিল্যান্স স্কলারশিপ এন্ড অপর্চুনিটি প্রোগ্রাম (ইএসওপি)’ এর আওতায় টিউশন ফি প্রদান করা হবে। এছাড়াও আবাসন ও জীবনযাত্রার খরচ বাবদ ১২ হাজার সুইস ফ্রাঙ্ক প্রদান করা হবে। মোট ৩ থেকে ৪ সেমিস্টারের যে কোনো স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে পারবেন।
ইটিএইচ বিশ্ববিদ্যালয় সুইজারল্যান্ডের প্রাচীন একটি পাবলিক রিসার্চ প্রতিষ্ঠান। ১৮৫৫ সালে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি যাত্রা শুরু করে। ২০১৯ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ২১ জন নোবেল পেয়েছেন।
সুবিধাসমূহ:
* যে কোনো দেশের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।
* টিউশন ফি মওকুফ করা হবে।
* আবাসন এবং জীবনযাত্রার খরচ বাবদ মোট ১২ হাজার সুইস ফ্রাঙ্ক প্রদান করা হবে। বাংলাদেশি টাকায় যার পরিমাণ প্রায় ১১ লক্ষ টাকা।
যোগ্যতা:
* স্নাতকে খুব ভালো ফলাফলের অধিকারী হতে হবে।
* ইটিএইচ এ স্নাতকোত্তর করেছেন এমন শিক্ষার্থীরা আবেদনের যোগ্য নয়।
* অবশ্যই ইটিএইচ এ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করতে হবে।
* স্নাতকোত্তর ভর্তির জন্য নথি ছাড়াও থিসিসের জন্য একটি প্রি-প্রপোজাল আপলোড করতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া:
অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন করতে ক্লিক করুন এখানে-
https://www.lehrbetrieb.ethz.ch/eApply/ealogin.view?lang=en
বিস্তারিত জানতে পড়ুন-
https://ethz.ch/students/en/studies/financial/scholarships/excellencescholarship.html
Collected and Edited by Meer Eikram.
ETH Zürich - eApply Site-Index
27/10/2021
#আমেরিকা
বিদেশে তো পড়ার অনেক দেশ আছে, কিন্তু অ্যামেরিকা কেন সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত?
ওয়েল, উত্তর দেবার আগে সহজ সূত্রের মতো একটা কথা বলে রাখি — মনে রাখবেন, "যে দেশে ঢোকা যত সহজ, সেখানে টেকা তত কঠিন”। কাজেই, শর্টকাটের সন্ধানে বিশ্বের অনেক দেশই আপনাকে “উচ্চশিক্ষা বা স্কলারশিপ” এর টোপ দেখাতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী হিসাবে ইনভেস্টমেন্টের রিটার্ন তুলে আনার অঙ্কে ইউএসএ সেসব দেশের তুলনায় বহুগুণ এগিয়ে।
আবারো বলছি, অ্যামেরিকায় আসা কঠিন মানেই যে আপনি ইউএসএকে তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেবেন, ব্যাপারটা যেন তা না হয়। আর ইউএসএতে আসা কঠিন নাকি সহজ তা নির্ভর করছে আপনি আপনার প্রোফাইলের বিপরীতে কোন ধরণের প্রোগ্রাম নির্বাচন করে কিভাবে আবেদন করছেন তার উপরে। অনেকের জন্য এটা একেবারেই সহজ, আবার অনেকের জন্য প্রায় অসম্ভব। আপনার উচিত হবে শুরুতেই পজিটিভ অ্যাটিচুড নিয়ে যাত্রা শুরু করা। প্রধান কয়েকটা কারণ তুলে ধরছি, কেন ইউএসএ পুরো পৃথিবীর স্টুডেন্টদের সবচেয়ে পছন্দের গন্তব্য।
(১) বিনিয়োগকৃত টাকার বিপরীতে প্রাপ্ত ডিগ্রির “ভ্যালু”
ধরা যাক আপনি 0% স্কলারশিপ পেলেন, মানে পুরো টাকাটাই পকেট থেকে দিয়ে পড়লেন। তার পরেও যে মানের ডিগ্রি আপনি পাবেন এবং প্রাপ্ত ডিগ্রি দিয়ে বিশাল জব মার্কেটে যতটা স্বাচ্ছন্দে নিজেকে সেট করে নিতে পারবেন, তা পৃথিবীর অনেক দেশেই সম্ভব না। সারা দুনিয়ার কোম্পানিগুলো চেষ্টা করে আমেরিকায় যেন তাদের একটা অফিস থাকে। বিদেশী প্রতিষ্ঠান একটু ব্যবসায় ভালো করতে পারলেই নিউইয়র্ক, এলএ বা মায়ামিতে একটা অফিস খুলে ফেলে নিজেদের ইমেজ বাড়ানোর জন্য। যার ফলে প্রতিদিনই একেকটা নতুন প্রতিষ্ঠান আমেরিকার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে, নতুন জবের ক্ষেত্র তৈরী হচ্ছে। ভালো একটা ইউনিভার্সিটি থেকে পড়া শেষে ঠিক মতো নেটওয়ার্কিং করতে পারলে সহজেই জব মার্কেটে নিজেকে সেট করে নিতে পারবেন। তবে মনে রাখতে হবে, এই “সহজে” মানে কিন্তু আরাম আয়েসে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়। আগেই বলেছি, শর্টকাটে কিছু কোনোখানেই হয় না।
(২) যে কোন সাবজেক্ট যে কোন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে
অ্যামেরিকায় ব্যালেন্সড ডাইভার্সিটি প্রমোট করে। মানে এখানে আপনি বায়োলজি থেকে ব্যাচেলর শেষ করে কম্পিউটার সায়েন্সের কোন প্রফেসরের বায়োলজিকাল ফিল্ডের একটা রিসার্চে যুক্ত হতে পারেন । খুব স্পেসিফিক কয়েকটা সাবেজক্ট বাদে মোটামুটি সবখানেই ডাইভার্সিটিকে স্বাগত জানানো হয়। আপনি মিউজিকে পড়ে এসেছেন, এবার ফার্মেসি পড়তে চান? ব্যাস, কোন অসুবিধা নেই। কোন একটা কমিউনিটি কলেজে গিয়ে অ্যানাটমি ফিজিওলজি কোর্স করে নিন, অনলাইনে ক্যালকুলাস কোর্স করে নিন, ব্যাস, আপনি অধিকাংশ ফার্মেসি স্কুলের জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। বয়েস, স্টাডি গ্যাপ বা ভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডে আন্ডারগ্র্যাড করে আসা এগুলো আমেরিকার জন্য কোন বিষয়ই না।
(৩) আকাশচুম্বী রিসার্চ ফান্ড
NSF, NIH, DOD, DOE ছাড়াও স্টেটের নিজস্ব অসংখ্য ছোট খাটো ফান্ডিং সোর্স থাকে। তেলা মাথায় তেল দেবার মতো যে প্রফেসররা গ্র্যান্ট পান, যাদের টিম বড় এবং পাবলিকেশন বেশি, তারা গ্র্যান্টও পান বেশি। মোট আর এন্ড ডি বাজেটে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী চায়নার (378 বিলিয়ন) থেকে আমেরিকা অনেক এগিয়ে (584 বিলিয়ন)। এবং সব চেয়ে বড় কথা হলো, রিসার্চের পেছনে আমেরিকার বিনিয়োগের সংষ্কৃতি চায়নার মতো দশ পনের বছর আগে শুরু হয়নি। এটা তারা করে আসছে মোটামুটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে। চায়না রিসেন্টলি উঠে এসেছে (তিরিশ বছর আগে, 1991 সালে এদের ছিল 13 বিলিয়ন, যখন আমেরিকার ছিল 257 বিলিয়ন)। 2009 সাল থেকে চায়না টানা দ্বিতীয় অবস্থানে আছে তাই অনেকেই ভুল করে ভেবে বসেন যে চায়না বোধ হয় আমেরিকাকে ছাড়িয়ে গেছে, ব্যাপারটা আসলে সেরকম না। আপনি যদি রিসার্চে বুঁদ হয়ে থাকতে চান, তাহলে মনে রাখবেন অ্যামেরিকার ফেডারেল থেকে শুরু করে স্টেট এমনকি কাউন্টি লেভেলের পুঁচকে ইউনিয়ন পর্যন্ত আপনাকে টাকা গ্র্যান্ট করার জন্য বসে আছে — শুধু পাবার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
(৪) ক্যাম্পাস, ফ্র্যাটার্নিটি এবং নেটওয়ার্ক
এই ব্যাপারটা গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্টরা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারেন না। ইউ এস ইউনিভার্সিটির প্রত্যেকটা আন্ডারগ্র্যাড স্টুডেন্ট তার নিজের ক্যাম্পাস ম্যাস্কট থেকে শুরু করে অ্যাথলেটিক টিম, মোটো এবং ছোট ছোট অর্গ্যানাইজেশনের সুসম্পর্ক অনেক গভীর পর্যন্ত উপলব্ধি করতে পারেন। ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করার সময় আমি ফাই ডেল্টা কাই নামে একটা প্রফেশনাল ব্রাদারহুডের মেন্টর ছিলাম, তাদের নিয়ম কানুন এবং অন্যান্য ‘ব্রাদার’দের সাথে পেশাদারী সম্পর্ক বিষয়ে তাই কিছুটা জানি। এছাড়া অসংখ্য প্রফেশনাল কনফারেন্স এবং অন-ক্যাম্পাস ক্যারিয়ার ফেয়ারে অ্যালামনাইদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে জবে সহজে প্লেসমেন্ট এক বিশাল সুবিধা। আমেরিকা দেশটা এমনিতেই অনেক বড়, জায়গার অভাব নেই। তাই ক্যাম্পাসগুলোও অনেক ব্যাপক জায়গা নিয়ে নির্মাণ হয় (আর্বান ক্যাম্পাসগুলো ছাড়া)। একটা আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে পারা তাই জীবন বদলে দেওয়ার সুযোগের অপর নাম।
(৫) কালচারাল ডাইভার্সিটি এবং ইনক্লুশন
ইনক্লুশন মানে হলো আপনি যত “উদ্ভট”-ই হোন না কেন, আপনাকে আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো আপন করে নেবে। আপনি ট্রান্সজেন্ডার? সারা জীবন ভয়ে কুঁকড়ে কেটেছে? আমেরিকায় যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি নিজের পছন্দের পরিচয়ে বাঁচতে পারবেন (ভয়ের বিপরীত হলো PRIDE, এবং এলজিবিটিকিউপ্লাস এর প্রতীক হিসাবে প্রাইড পতাকা ব্যবহৃত হয়)। আপনি হিজাব করেন? রঙ অন্যরকম? আপনার এই ডাইভার্সিটিকে গ্রহণ ও বরণ করার জন্যই আমেরিকান বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বিশেষ ভাবে প্রস্তুত হয়ে আছে।
(৬) পড়া শেষে জব এবং ইমিগ্রেশন
হ্যা, আমেরিকায় যে কোন সাবজেক্টে পড়ালেখা করলেই ১ বছরের ওয়ার্ক পারমিট (ওপিটি) পাওয়া যায়। আর স্টেম হলে আরো দুই বছর বেশি। আগেই বলেছি, এমপ্লয়ারের সংখ্যা বেশি বলে চাকরি পাওয়া যায় পৃথিবীর অনেক দেশের থেকে অনেক সহজেই। ভাষারও কোন অসুবিধা নেই — সবখানেই ইংলিশ (যদিনা আপনি হিস্পানিক পপুলেশনের সাথে কাজ করার চাকুরি নেন)। বৈধ উপায় স্টুডেন্ট থেকে গ্রিন কার্ড প্রাপ্তির অনেকগুলো উপায় আছে। মাস্টার্স, পিএইচডি বা প্রফেশনাল সাবজেক্টে (ফার্মেসি, ল বা নার্সিং ইত্যাদি) পড়ালেখা করলে ন্যাশনাল ইন্টারেস্ট ওয়েইভারের আওতাও গ্রিনকার্ডও পাওয়া যায়। আমেরিকার জব মার্কেটে টিকতে হলে আমেরিকা থেকে নেওয়া ডিগ্রির বিকল্প নেই। তাই ভালে প্রোগ্র্যামে ভর্তি হবার পরে আপনি নিজের অজান্তেই এমন একটা সিস্টেমের অংশ হয়ে যাবেন যেখানে জব বা গ্রিনকার্ড প্রাপ্তি এগুলো সব একটার পর একটা হতেই থাকবে। আপনি লিটারেলি চিন্তা করতে পারেন: স্কাই ইজ দ্যা লিমিট।
আর অবশ্যই মনে রাখবেন,
শিক্ষার থেকে বড় বিনিয়োগ আর হয় না।
আলসেমিতে নষ্ট হয়ে যাওয়া সময়ের চেয়ে লোকসান আর হয় না
15/10/2021
নেদারল্যান্ডসে স্কলারশিপ: সুযোগ আছে সবার জন্য
নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ। রাজধানী আমস্টারডাম। নেদারল্যান্ডস ইউরোপের সেনজেনভুক্ত। দেশটি পড়াশোনা করার জন্য বিশ্বের অন্যতম সেরা দেশ হিসেবে বিবেচিত। প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রধান ভাষা হিসেবে ইংরেজি ব্যবহার করে।
ইউরোপের দেশগুলোর মধ্য নেদারল্যান্ডসে পড়াশোনার সুযোগ অনেক। পড়ালেখার মান আর বসবাসের নির্ভরযোগ্যতার কারণে দেশটিতে পড়তে যান বিশ্বের নানা দেশের শিক্ষার্থীরা। ডাচ শিক্ষা ব্যবস্থা গবেষণাকেন্দ্রিক। এখানে সবকিছুই আপনি হাতে কলমে শিখতে পারবেন। জীবনে সফল হতে হলে যেসব দক্ষতা দরকার, হল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা অর্জন করতে এসে সবকিছুই শিখতে পারবেন।
হল্যান্ডে পড়াশোনা করার মানে হলো আপনার নিজস্ব মতামতের উন্নয়ন, খোলা মনের অধিকারী হওয়া, আন্তর্জাতিক অভিযোজন বৃদ্ধি করা।
নেদারল্যান্ডসে পড়ালেখার মান ইউরোপে নয় শুধু, বিশ্বেও স্বীকৃত। দেশটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর অনেক বৃত্তিও প্রদান করে থাকে। ব্যাচেলর, মাস্টার্স, পিএইচডি ও বিভিন্ন শর্টকোর্স অফার করে থাকে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ব্যাচেলর কোর্স (৩-৪ বছর মেয়াদি), মাস্টার্স কোর্স (১-২ বছর মেয়াদি), পিএইচডি/ডক্টোরাল কোর্সগুলো ৩-৫ বছর মেয়াদি হয়ে থাকে। বেশিরভাগ ব্যাচেলর কোর্স ডাচ ভাষায় পড়ানো হয়, তবে মাস্টার্স ও ডক্টোরাল প্রোগ্রামগুলোতে যথেষ্ট ইংরেজি মাধ্যম রয়েছে। ব্যাচেলর লেভেলেও ইংরেজি মাধ্যমের কোর্স রয়েছে।
নেদারল্যান্ডসে বৃত্তির সংক্ষিপ্ত কোর্সে সময়কাল ২ সপ্তাহ থেকে ১২ মাস এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামে সময়কাল ১২ থেকে ২৪ মাস। এ বৃত্তির কর্মসূচি ডাচ আন্তর্জাতিক বিষয়ের মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিবেশিত এবং অর্থায়িত হয়। দেশটির সরকার কর্তৃক প্রদত্ত 'হল্যান্ড স্কলারশিপ' বৃত্তিটি অনেকের পছন্দের।
স্কলারশিপের লক্ষ্য হলো, সমাজের টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে অবদান রাখা।
যেভাবে আবেদন করতে হবে
বৃত্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রথমে একটি কোর্স নির্বাচন করতে হবে। ফেব্রুয়ারি-মে মাসে আবেদন করা হয়। ২০২১ সালের জন্য নতুন বছরের ফেব্রুয়ারিতে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিস্তারিত জানতে: (If not link works, Plz check comment box)
https://www.studyinholland.nl/finances/orange-knowledge-programme?fbclid=IwAR1FIb4ADDQz_6Mj8OAjCWHAPecoFCU4gVeDQB7W_FjJPxeKzXD8TWUJB0
জাভেদ ইকবাল, সমকাল
13/10/2021
উচ্চশিক্ষা: অবারিত সুযোগ সুইডেনে
আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা, বৃত্তি, গ্রুপ ওয়ার্ক, মুক্তচিন্তার পরিবেশ পশ্চিমইউরোপের উন্নত দেশ সুইডেনকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে শিক্ষার্থীদের কাছে। উচ্চশিক্ষা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য জানাচ্ছেন সুইডেন থেকে মারুফ রায়হান
আমি এখানে প্রায় তিন বছর ধরে সুইডেনে আছি। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে টেলিকমিউনিকেশন নিয়ে পড়ছি। পরিবেশ বিজ্ঞান, ভাষা শিক্ষা, কৃষি গবেষণা ও ইঞ্জিনিয়ারিং- এসব বিষয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য সুইডেনকে আদর্শ বলা হয়। আরও কিছু বিষয় যেমন এমবিএ, টেলিকমিউনিকেশন, আইন, ম্যাথমেটিকস, জনস্বাস্থ্য, আর্ট অ্যান্ড ডিজাইন, মেডিকেল, অর্থনীতি, ভূগোল, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট, ফিল্ম ও মিডিয়া বিশ্বমানের। উত্তর ইউরোপে বাল্টিক সাগরতীরের দেশ সুইডেন। শিক্ষা, গবেষণা, চাকরি ও ব্যবসার জন্য পৃথিবীর বহু দেশ থেকে মানুষ জড়ো হয়েছে এ দেশে।
পড়াশোনার বিষয়: এ দেশটিতে যেসব বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে সেগুলো হলো পরিবেশ বিজ্ঞান, ভাষা শিক্ষা, কৃষি গবেষণা ও ইঞ্জিনিয়ারিং, এমবিএ, টেলিকমিউনিকেশন, আইন, গণিত, জনস্বাস্থ্য, আর্ট অ্যান্ড ডিজাইন, মেডিকেল, অর্থনীতি, ভূগোল, হিউম্যান রিসোর্স, হেলথ কেয়ার ম্যানেজমেন্ট, ফিল্ম ও মিডিয়া, লাইফ সায়েন্স ইত্যাদি। দেশটির শিক্ষাব্যবস্থা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই ব্যয়বহুল। তাই সুইডেনে পড়তে গেলে বেস্ট অপশন হলো স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়া।
বিশ্ববিদ্যালয় ও টিউশন ফি: সুইডেনে বেশ কয়েকটি বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। যার প্রায় সবগুলোই দেশীয় সরকারি তহবিলে পরিচালিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে তিন বছর মেয়াদি ব্যাচেলর, দুই বছর মেয়াদি মাস্টার্স এবং পিএইচডি করার সুযোগ আছে। সুইডেনের শিক্ষাব্যবস্থা সব স্তরেই অনেকটা গবেষণানির্ভর। আর এ কারণেই সারা বিশ্বের ছাত্রছাত্রীদের কাছে এর চাহিদাও অনেক বেশি। এখানে ব্যাচেলর প্রোগ্রামের জন্য ১২ বছরের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য ১৬ বছরের শিক্ষা যোগ্যতার প্রয়োজন হয়। ইউরোপের অন্য দেশগুলোর তুলনায় এখানে টিউশন ফি অনেক কম। তবে এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক স্কলারশিপের সুযোগ দিয়ে থাকে।
সুইডেনের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোয় রয়েছে ইংরেজি ভাষায় প্রায় ৯০০ স্নাতকোত্তর প্রোগ্রাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পেলে বিশাল অঙ্কের টিউশন ফি দেওয়া লাগবে না, যা একটা বড় প্রাপ্তি। যেহেতু টিউশন ফির চাপ নেই সেক্ষেত্রে শুরুতেই থাকা-খাওয়া বাবদ কয়েক মাসের টাকা সঙ্গে করে নিয়ে এলে পরবর্তী সময়ে একটা খণ্ডকালীন কাজ জোগাড় করে মাসিক খরচ চালিয়ে নেওয়া সম্ভব। তবে কাজের ক্ষেত্রে সুইডিশ ভাষা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
সুইডেনে বিভিন্ন বৃত্তির মধ্যে অন্যতম এসআই স্কলারশিপ। আবেদনের জন্য প্রথমে সুইডেনে মাস্টার্স প্রোগ্রামে ভর্তির আবেদন করতে হবে। প্রায় সব বিষয়েই ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। এ জন্য লাগবে ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং আইইএলটিএস। একটি অ্যাপ্লিকেশনে চারটি বিষয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আপনার পছন্দের কোর্স এবং এ সংক্রান্ত সব তথ্য খুঁজে পাবেন www.universityadmissions.se সাইটে। এসআই স্কলারশিপে আবেদনের জন্য বাড়তি হিসেবে লাগবে তিন হাজার কর্মঘণ্টা কাজের অভিজ্ঞতা, ফুলটাইম কাজ করলে যা প্রায় দেড় বছরের কাজের অভিজ্ঞতার সমতুল্য। এসআই স্কলারশিপপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে অনেক সুযোগ-সুবিধা। রয়েছে এককালীন ১৫ হাজার ক্রোনারের ভ্রমণ অনুদান এবং স্বাস্থ্যবীমা, ভিসা ফিসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণের সুযোগ।
ভর্তির জন্য বিষয়ভিত্তিক বেশ কিছু শর্ত (স্নাতক ডিগ্রি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মোটিভেশন লেটার/স্টেটমেন্ট অব পারপাস, রেফারেন্স লেটারস, সিভি ইত্যাদি) পূরণের পাশাপাশি ইংরেজি ভাষাগত যোগ্যতা যেমন- ন্যূনতম আইইএলটিএস বা টোফেল স্কোরের কথা বলা থাকে।
সুইডেনের প্রথম সারির কয়েকটি ইউনিভার্সিটি
Stockholm University-https://www.su.se/cmlink/stockholm-university
lLund University-https://www.lunduniversity.lu.se/
lUppsala University-https://www.uu.se/en/admissions/
l University of Gothenburg-www.gu.se/en
এক অনুষ্ঠানে বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, ছবি: সংগ্রহ
সমকাল
Universityadmissions.se - Apply to Swedish universities The official website for application to higher education studies in Sweden. Study bachelor's and master's courses and programmes taught in English.
02/10/2021
Higher Study Series 22 - Master’s level এ ফান্ডিং করে এমন University কিভাবে খুঁজব?
(সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অতি জ্ঞানী শিক্ষার্থীরা এই ব্লগটি পড়া থেকে দূরে থাকুন।)
ব্লগের শুরুতেই বলে নেই আমার University খোঁজ করার পদ্ধতি কেমন ছিলো? এটা নিঃসন্দেহ বলতে হয় সেটা চরম চরম বাজে ছিলো। সে জন্যই আজকের ব্লগটা লিখা। অনেকটাই আমার শিখা থেকে লিখা। তবে বলে নেওয়া ভালো Top Ranking এর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে MS এ Full Fund পাওয়াটা অনেকটাই কঠিন বিশেষত একটু ফাঁকিবাজ শিক্ষার্থীদের জন্য। তাই আসুন কিছু বকর বকর করি। আশা করি সেটা সবার উপকারে লাগবে।
আমরা বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা University/Professor খুঁজি খড়ের গাদায় সুঁই খোঁজার মত করে! হ্যাঁ আসলেই তাই করি। আমরা কোন Strategy ফলো করি নাহ। তবে বাংলাদেশের হাতে গোণা কয়েক এলিট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা University/Professor খোঁজার জন্য তারা Alumni দের প্রচুর সহযোগীতা পেয়ে থাকে যা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সে ব্যবস্থা মোটেই থাকে নাহ। তবে India তে Yocket এর কিছু গ্রুপে Indian রা সাজেশন পেলেও বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা সেসবের খোঁজ খবর জানে নাহ বললেই চলে।
এসব সমস্যার সমাধানের জন্য আমি কিছু পদ্ধতি বলে দেইঃ
১) USA তে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে যাদের PhD নেই। তাই বলে সেসব যদু মদু Unversity নাহ। At least বাংলাদেশের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে ভালো। উদাহরণস্বরূপ ধরে নিন আমার বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় UTRGV। এখানে Engineering, Science এ PhD নেই বললেই চলে তবে Business এ আছে কিছু। আপনি State Wise খুঁজে খুঁজে ঠিক এই ধরণের বিশ্ববিদ্যালয়ই বের করতে পারেন। University list পাওয়ার জন্য আপনি Google এর পাশাপাশি Chea ব্যবহার করতে পারেন। Chea (Council for Higher Education Accreditation) কি তা Google করলেই বুঝবেন। তবে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের Website এ ঢুকে আপনার বিষয়ে PhD আছে কিনা তা দেখতে পারেন। না থাকলে, আপনি আপনার MS এর লিস্টে সেটা ঢুকান।
২) HigherStudyAbroad — Global Hub of Bangladeshis, NexTop-USA তে প্রায়ই অতি দয়াবান কিছু বাংলাদেশী ভাই বোন তাদের ল্যাব, বিশ্ববিদ্যালয়ের Vaccancy দিয়ে থাকেন। আপনি সেসবও ফলো করতে পারেন।
৩) HigherStudyAbroad — Global Hub of Bangladeshis, NexTop-USA এসবে অনেক দয়াবান কিছু ভাই বোন Interview Experience শেয়ার করেন। আপনি সেসব ঘেঁটে দেখতে পারেন তারা কোথায় কোথায় থেকে ফান্ড পেয়েছে। , এসব ট্যাগ দিয়ে সার্চ করলেও আপনি পেতে পারেন সেসব Interview Experience। এখান থেকেও একটা লিস্ট করতে পারেন। এতে করে বুঝতে পারবেন আগের বছর এখান থেকে ফান্ড হয়েছে।
এবার বলি কেন ১ নম্বর পয়েন্টটি বললাম। আপনি এই টাইপের বিশ্ববিদ্যালয় বের করলে অনেকটাই সুবিধা হবে ফান্ড পেতে কারণ এসব বিশ্ববিদ্যালয় Research এর জন্য MS level এর শিক্ষার্থীদের Funding করে। এবং মোটামুটি বেশ ভালো পরিমাণে ফান্ডিং করে। এবার আপনি আপনার Subject এ আপনার Research Area তে Professor খুঁজে তাদের মেইল করতে পারেন।
এসব করলে আশা করি আপনাকে খড়ের গাদায় সুঁই না খুঁজে পেলেও, কিছুটা ব্যবস্থা হবে।
তবে হ্যাঁ কিছু এলিট বিজ্ঞ ব্যক্তিদের বলে রাখি এই ধরণের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Research based MS করলে পরে PhD তে Top 100–200 University থেকে PhD করার দুয়ার অনেকটাই খুলে যায়। তাই বাংলাদেশে বসে ভাওতাবাজি মার্কা Paper Publish এর পিছনে না ছুটে অতি দ্রুত এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে MS শুরু করতে পারেন।
আজ এ পর্যন্তই। সামনের ব্লগটা লিখব হয়ত নতুন কিছু নিয়ে। সে পর্যন্ত সঙ্গেই থাকুন। আমার পোস্টে Like, Comment, Profile Follow এসব করে আমার ব্লগ লেখায় উৎসাহ দিতে পারেন। আর আমার সব লেখা একসাথে পেতে দিয়ে সার্চ করতে পারেন Facebook এ।
Medium এও পড়তে পারেন: smsnobin77.medium.com/higher-study-series-22-c14062a16d58
S M Sarwar Nobin
MS Student and Graduate Research Assistant (CS),
University of Texas Rio Grande Valley, Texas, USA
শুভ কামনা
সকল উচ্চশিক্ষা প্রার্থীদের।
Higher Study Series 22 — Master’s level এ ফান্ডিং করে এমন University কিভাবে খুঁজব? (সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ অতি জ্ঞানী শিক্ষার্থীরা এই ব্লগটি পড়া থেকে দূরে থাকুন।)
29/09/2021
সাম্প্রতিক সময়ের GRE নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন আশংকা প্রকাশ করছেন।আমি সাম্প্রতিক সময়ে আমার GRE অভিজ্ঞতা এখানে শেয়ার করছি।
আমি GRE তে 320 ( Q-166, V- 154 ) পেয়েছিলাম। আমি এবং আমার এক বন্ধুর ( যে 322 পেয়েছে ) প্রস্তুতি মোটামুটি একই ছিল। আমি এখানে জিয়ারির খুঁটিনাটি নিয়ে আলোচনা করব এবং কিছু টিপস দেওয়ার চেষ্টা করব যাতে অনেকের কিছুটা হলেও উপকার হয় ।প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি লেখাটা বড় হয়ে যাওয়ার কারণে তবে আমি এখানে সামগ্রিক সব বিষয় নিয়েই আলোকপাত করার চেষ্টা করব।
কোয়ান্ট : শুরুতেই Magoosh এর ভিডিওগুলো দেখে নেওয়া উচিত কোয়ান্ট এর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত বই হচ্ছে Manhattan 5lb। শুধু এই একটি বই সল্ভ করেই আমি 166 পেয়েছিলাম। খুব ভালোভাবে বুঝে বুঝে অংক করতে হবে ,কনসেপ্ট অনেক ক্লিয়ার থাকতে হবে। জিয়ারিতে সবসময়ই কোয়ান্টিটির চেয়ে কোয়ালিটি বড় বলে আমার মনে হয়। প্রচুর মেটেরিয়ালস সলভ করার চেয়ে কিছু ম্যাটেরিয়াল খুব ভালোভাবে বুঝে সল্ভ করলেই হয়। জিয়ারির ম্যাথগুলো হচ্ছে মেন্টাল ম্যাথ। ক্যালকুলেটর ব্যবহার না করে খুব সহজে মাথায় অনেক হিসাব নিকাশ করতে হবে। জ্যামিতি এবং সম্ভাব্যতার জন্য অবশ্যই Nova Math Bible দেখা উচিত। কারো Magoosh একাউন্ট থাকলে সেখান থেকে অংকগুলো প্র্যাকটিস করা উচিত। যদিও অংকগুলো জিয়ারি মান এর না তারপরও সময় ধরে ধরে প্র্যাকটিস করলে সময়ের সাথে অভ্যাস তৈরি হবে। সাধারণত সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর ছাত্রদের কোয়ান্টে অতোটা প্রবলেম হয় না। তারপরও Manhattan 5lb কারো কাছে কঠিন লাগলে বেসিক এর জন্য Manhattan 1-6 দেখা যেতে পারে।
ভার্বাল : সাধারণত কারো ইংরেজি দক্ষতা খুব উচ্চমানের না হলে তাকে ভার্বালে প্রথমে অনেক কষ্ট করতে হয় ।ভার্বাল এক বিভীষিকার নাম। তবে প্ল্যান করে আগালে পরের দিকে অনেক কিছুই সহজ হয়ে যাবে। শব্দের জন্য Barrons High Frequency 333 এবং Magoosh GRE Flashcard অ্যাপ ব্যবহার করা উচিত। অনেকের ধারণা প্রচুর শব্দ জানলেই ভার্বালে ভালো করা যায় কিন্তু এটা একেবারেই ভুল। 1000 শব্দ ভালোভাবে জানলেও তা দিয়ে অনেক কিছু করা সম্ভব। Wordsmart 1 ও শব্দের জন্য ভালো। শব্দের শুধু অর্থ জানলে হবে না বাক্যে তার ব্যবহার খুব ভালোভাবে জানতে হবে এবং একটা শব্দের বিভিন্ন অর্থ গুলো সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখতে হবে। প্রচুর পেপার পড়ার অভ্যাস থাকলে সেটা খুবই ভালো। রেগুলার Newyork Times,Aldaily,Telegraph এগুলো 2-3 টি আর্টিকেল পড়া উচিত এবং নতুন শব্দগুলো শেখা উচিত। একটা আর্টিকেল এর সারমর্ম খুব অল্প সময়ের মধ্যে বুঝতে পারলে সেটা পরবর্তীতে RC( Reading Comprehension ) এর জন্য অনেক ভালো হবে। শব্দ ,বাক্যের গঠন এবং একটা প্যাসেজের সারমর্ম এগুলো না বুঝতে পারলে এই স্কিল ডেভলপ করতে প্রচুর সময় দিতে হবে। কারো Magoosh একাউন্ট থাকলে সেটা অবশ্যই হেল্পফুল হবে। শব্দ এবং বাক্য গঠন সম্পর্কে খুব ভালো না খুব ভালো ধারনা থাকলে সেটা TC ( Text Completion ) এবং SE ( Sentence Equivalence ) জন্য খুবই ফলপ্রসূ হবে। অনেকেই বলে Magoosh এর সবকিছুই ভালো কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে গ্রেক বাংলা বিগ বুক এর কোনো বিকল্প নাই RC এর জন্য। এটা অবশ্যই সলভ করা উচিত। এছাড়াও আমি কিছু পিডিএফ যেগুলো রিয়েল জিয়ারির বিভিন্ন সময় এর প্রশ্ন সেগুলো সল্ভ করেছিলাম যা আমার কাছে অনেক বেশি কার্যকরী বলে মনে হয়েছে কারণ পরীক্ষায় আমি ওই টাইপের অনেক প্রশ্ন পেয়েছি। সব পিডিএফ আমি গুগল ড্রাইভে আপলোড করে দেব। প্রথমদিকে ভার্বাল সেকশন খুবই বিরক্তিকর লাগবে কিন্তু ট্রাস্ট মি সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছুই বুঝতে পারা যাবে। RC এর জন্য প্যাসেজে যা বলেছ ঠিক সেইভাবে উত্তর করতে হবে এবং প্যাসেজের অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বুঝতে হবে। আমি কি ভাবলাম, সমাজ কি ভাবে ,সবাই কি ভাবে এই ভেবে আন্সার করা যাবে না। যদি প্যাসেজে বলা থাকে সূর্য দক্ষিনে ওঠে তাহলে সূর্য অবশ্যই দক্ষিনে ওঠে। যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালীন জি আর ই প্রিপারেশন নিতে চাও তাদের অবশ্যই বলবো প্রচুর পড়ার অভ্যাস করা উচিত,আর্টিকেল নভেল পড়ার অভ্যাস থাকলে সেটা পরবর্তীতে অবশ্যই উপকারী হবে। ও হ্যাঁ যেটা বলতে ভুলে গিয়েছি তা হল RC এর জন্য Gregmat ইউটিউব চ্যানেল অনেক বেশি কার্যকরী। অনেকেই RC গুরুত্ব দেয় না কিন্তু কখনো এটা করা উচিত নয় কারণ প্রায় অর্ধেক প্রশ্ন এখান থেকে আসে। পরীক্ষার 15- 20 দিন আগে অবশ্যই ETS মেটেরিয়াল খুব ভালভাবে সলভ করা উচিত।
অনেক মকটেস্ট থাকলেও Powerprep-1,Powerprep-2 ই সবচেয়ে ভাল মানের । এই দুটি অবশ্যই পরীক্ষার কমপক্ষে ৫-৬ দিন আগে শেষ করা উচিত যাতে কি কি ভুল হয়েছে তা ঠিক করার কিছুটা সময় পাওয়া যায় ।
দ্রষ্টব্য :
১| ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রদের অবশ্যই কোয়ান্টে 160 + পাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রফেসর ই 160+ কে খুব গুরুত্ব দেয়।
২| প্রচুর মেটেরিয়াল সলভ করার চেয়ে কম মেটেরিয়াল খুব ভালোভাবে সলভ করা অবশ্যই কার্যকরী উদ্যোগ বলে আমার কাছে মনে হয়।
৩| প্রস্তুতি অবশ্যই স্ট্রং পয়েন্ট এবং উইক পয়েন্ট এর উপর নির্ভর করে নেওয়া উচিত। যে যে ক্ষেত্রে দুর্বল তার অবশ্যই সেই ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
৪| Powerprep-1,2 তে খারাপ করলেও মন খারাপ করার কিছু নেই। আমি নিজেই PP1-308 এবং PP2-310 পেয়েছিলাম। কি কি ভুল গিয়েছে সেই গুলো অবশ্যই বেশি করে চর্চা করা উচিত।
৫| পরীক্ষায় ব্রেকে অবশ্যই চকলেট খাওয়া উচিত :p । শুনেছি চকলেট খেলে মাথা দ্রুত কাজ করে।
সব পিডিএফ এর গুগোল ড্রাইভ লিনক হচ্ছে এইটা :
https://drive.google.com/drive/folders/1Z6Uoj2Zf5jPtaaVNy635QOVFl5QUtaNi?usp=sharing
Happy Learning...
©Saadman Adip
28/09/2021
সবগুলো স্কলারশিপ এ আবেদন করার জন্যে কোনো আবেদন ফি দেয়া লাগবে না। আবেদন করার পূর্বে স্কলারশিপ এর রিকোয়ারমেন্টস, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস গুলো পোস্টগুলো থেকে দেখে নিন।
১. চেভেনিং স্কলারশিপ
https://researchscl.com/chevening-scholarships-to-study-in-the-uk-for-bangladeshi-students/
২. চেভেনিং ফেলোশিপ
https://researchscl.com/chevening-oxford-centre-for-islamic-studies-ocis-fellowships-for-bangladeshi-professionals/
৩. ভেনিয়ার কানাডা গ্র্যাজুয়েট স্কলারশিপ
https://researchscl.com/vanier-canada-graduate-scholarship-for-bangladeshis-studying-in-canada/
৪. কমনওয়েলথ ইয়ুথ এওয়ার্ডস
https://researchscl.com/the-commonwealth-youth-awards/
৫. ওয়েলিংটন মাস্টার্স (থিসিস) স্কলারশিপ
https://researchscl.com/wellington-masters-by-thesis-scholarships-an-opportunity-to-study-in-new-zealand/
৬. ওয়েলিংটন ডক্টরাল/ পিএইচডি স্কলারশিপ
https://researchscl.com/wellington-doctoral-scholarships-an-opportunity-to-study-in-new-zealand-for-bangladeshi-students/
Resource: HigherStudyAbroad - Global Hub of Bangladeshis
Chevening Scholarships to Study in the UK for Bangladeshi Students - Research School This scholarship provides complete financial support for future leaders to pursue any suitable master's degree at any UK university.
IELTS কী? IELTS এ কিভাবে সহজেই ভালো Score করা যায়? আদ্যোপান্ত এক লেখায়!
পৃথিবীর একজন বিখ্যাত দার্শনিক এবং সাবেক ব্রিটিশ স্টেটমেন্ট Education কী তা বুঝাতে বলেছিলেন,
"Education consists of two things- first of all, language, second one is Mathematics. As mathematics is also a language, so education is all about Language! "
এবার তাহলে বুঝতেই পারছেন-আমরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যা শিখি তা আসলে ভাষা! জীবনে এই ভাষাটাই ভালো মতো শিখলে সব হয়ে যাবে।
এবার আসুন IELTS কী?
সেই একই কথা, এটা একটি ভাষার এক্সাম! যেহেতু English আন্তর্জাতিক ভাষা তাই আমরা এর দক্ষতা যাচাইয়ের পরীক্ষাটি সবাই জানি। আসলে পৃথিবীর সকল ভাষারই এমন পরীক্ষা রয়েছে!
সকল ভাষার ন্যায় এর চারটি অংশ পরীক্ষায় যাচাই করা হয়। যথাঃ
1) Listening
2) Reading
3) Writing
4) Speaking
মোট সময় ২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট (Speaking বাদে)।
এই পরীক্ষার রেজাল্ট Band Score আকারে প্রকাশ করা হয়। সর্বোচ্চ Band 9। আপনি ৫.৫ এর উপর পেলেই ধরে নেয়া হয় আপনি মোটামুটি গুড! তবে আসলে সেরা বিশ্ববিদ্যালয় এবং উন্নত দেশের Embassy কে Satisfy করতে আপনাকে 6-9 ব্যান্ড এর মধ্যে রাখতে হবে। এখন প্রশ্ন এই ৪ টি পার্টে আলাদা আলাদা করে কিভাবে সর্বোচ্চ মার্কস আমরা পেতে পারি। চলুন এবার কৌশলগুলো জেনে নেই।
আর হ্যাঁ, কৌশল জানবার আগে একটু জেনে নিন এই পোস্ট আপনার উপকারে আসবে কী না! ভাষা শেখার আসলে কোন শর্টকাট এখনো পৃথিবীতে আবিষ্কার হয়নি! তবে পরীক্ষার ভাষায় ভালো করার হাজারটা কৌশল আছে। তাই এখন যা শেয়ার করব তা একান্ত আমার নিজস্ব উপলব্ধি থেকে। কেউ যদি IELTS এ Band 10 তুলতে চান নিশ্চয়ই এটি তাদের জন্য সুখপাঠ্য হবেনা! এটি আমার মতো দুর্বল ছাত্রদের জন্য যারা উচ্চশিক্ষার জন্যে জোড়াতালি দিয়ে 'ধর তক্তা মার পেরেক' টাইপ কিছু একটা করতে চান! কিংবা যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম থেকেই নিজেকে এ ভাষায় দক্ষ করতে দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যান নিয়ে এগোতে চান। তারপরও বলব, পড়া শেষে যদি ভালো না লাগে; বাদাম খেয়ে খোসা যেভাবে ফেলে দেন, ঠিক সেভাবে আমার পরামর্শও আপনি ফুটপাতের ডাস্টবিনে নিজ গুণে ফেলে দিবেন!
Section 1: Listening:
এর অর্থ যেহেতু আপনার ইংরেজি শুনে বুঝতে পারার ক্ষমতা কেমন তা যাচাই করা হয়, তাই Native speaker রা কোন বর্ণ, সংখ্যা কিংবা শব্দ কিভাবে উচ্চারণ করে তা জানতে হবে।
“IELTS with Liz” নামে একটি ওয়েবসাইট আছে, ওখান থেকে শিখে নিতে পারেন। তাহলে আপনি সহজেই কারও নাম, স্ট্রিট নেম, স্ট্রিট নাম্বার, টেলিফোন নাম্বার এমনকি জটিল বানানের প্রশ্নগুলো সহজেই পেরে যাবেন। এর জন্য কিছু শব্দ আছে যার সাউন্ড দুই রকম শোনা যায়। সেগুলো নোট করে বার বার আপনি বলুন ও শুনুন। যেমন নিচের বিষয়গুলোর উচ্চারণ গুলো এই মূহুর্তে আপনি কী জানেন একটু কমেন্টে লিখুন তো!
Number & Symbol:
0= Sound টা বলুন?
@=........................?
Alphabets:
O=.....…..................?
Z=
G=
A=
R=
E=..........................?
দেখুন প্রতিদিনের এই ব্যবহার করা জিনিস গুলোই আপনার কী পরিমাণ ভুল হয়! এই অংশে মোট ৪০ টি প্রশ্ন থাকে। একটু সময় দিলে এখান থেকে ৩০-৩৫ পাওয়া কোন ঘটনাই না! Band বাড়ানোর এটাই হাতিয়ার।
যাইহোক আপনি General or Academic IELTS যাই দেননা কেন, অবশ্যই Cambridge University Press থেকে প্রকাশিত হওয়া IELTS এর জন্য অবশ্য পাঠ্য ৫-১৬ বা এখন যতোগুলো বই আছে সেগুলো থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে ২ টা Listening Test দিন। BBC, CNN এর থেকে প্রতিদিন একটি করে Volume বাড়িয়ে দিয়ে পুরো সংবাদ শুনুন। একটি অনুরোধ কেউ নানান কোচিং এর বের করা বাংলা বই গুলো কখনোই কিনবেন না। এতে বরং আরো কঠিন হয়ে উঠবে প্রিপারেশন!
Section 2: Reading:
যে যাই বলুক এটাই IELTS এর সবচেয়ে কঠিন পার্ট। এর প্রশ্ন একটু কঠিন হলে আপনার অনেক কৌশল কাজ নাও করতে পারে।
১ ঘন্টায় ৩ টি Passage Solve করতে হবে। ধারাবাহিকতা অনুযায়ী প্রথমটার চেয়ে দ্বিতীয়টা এবং দ্বিতীয়টার চেয়ে তৃতীয়টা একটু কঠিন হয়ে থাকে, উল্টাও হতে পারে (৩য়
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
Sanowara R/a
Chittagong
4212