Talshahar Budhai Saha Online High School
Education
আগামীকাল ৯ ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার ১০ ঘটিকায় অত্র বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণির ছাত্র/ছাত্রীদের ফলাফল প্রকাশ হবে।
https://drive.google.com/folderview?id=18GoQiw850Uw_RHBC7yNJf77O9oSmGnCf
ষষ্ঠ শ্রেনির মজিববর্ষে গাছ রোপণ - পরিবেশ সংরক্ষণ - Google Drive
পৌরনীতি ৬ষ্ঠ ও সপ্তম অধ্যায়
১।.মি. ‘অ' শাসনবিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি এবং আলঙ্কারিক প্রধান। সরকারের সকল শাসন সংক্রান্ত কাজ তার নামে পরিচালিত হয় এবং তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে নানা পরামর্শ প্রদান করে থাকেন।
[পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়]
ক. জাতীয় স্বার্থের রক্ষক কে? ১
খ. দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষা মন্ত্রিপরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব- ব্যাখ্যা কর। ২
গ. উদ্দীপকের উল্লিখিত অ ব্যক্তি কীভাবে নির্বাচিত হন? বর্ণনা কর। ৩
ঘ. ‘দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে পরামর্শ প্রদান করাই তার একমাত্র কাজ’−তুমি কি এ বক্তব্যের সাথে একমত? আলোচনা কর। ৪
ক জাতীয় স্বার্থের রক্ষক হলেন প্রধানমন্ত্রী।
খ দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষা মন্ত্রিপরিষদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠনের দায়িত্ব মন্ত্রিসভার। মূলত মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দেশরক্ষা বাহিনীর প্রধানকে নিয়োগ দান করেন। দেশের ভিতরে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও মন্ত্রিপরিষদের অন্যতম কাজ।
গ উদ্দীপকে উল্লিখিত মি. ‘অ’ ব্যক্তি হলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, যিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে নির্বাচিত হন। উদ্দীপকে দেখা যায়, মি. ‘অ' শাসনবিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি এবং আলঙ্কারিক প্রধান। সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তার নামে পরিচালিত হয় এবং তিনি দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে নানা পরামর্শ প্রদান করেন, যা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে নির্দেশ করে। রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্র প্রধান। তার কার্যকাল পাঁচ বছর। রাষ্ট্রপতি পুনর্নির্বাচিত হতে পারেন। তবে কোনো ব্যক্তি পরপর দুই মেয়াদ অর্থাৎ ১০ বছরের বেশি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারেন না। রাষ্ট্রপতি হতে হলে ব্যক্তিকে অবশ্যই এদেশের নাগরিক ও কমপক্ষে ৩৫ বছর বয়স্ক হতে হবে। এছাড়া তার জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে। যদি কেউ রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারিত হন, তাহলে তিনি আর রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন না।
ঘ দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে পরামর্শ প্রদান করাই রাষ্ট্রপতির একমাত্র কাজ- আমি এ বক্তব্যের সাথে একমত নই। কারণ, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান। সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তার নামে পরিচালিত হয়। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন। এছাড়া মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের তিনিই নিয়োগদান করেন। রাষ্ট্রপতি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন। তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত কিংবা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন। রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না। তাছাড়া রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সম্মানের উৎস। তার অনুমতি ছাড়া দেশের কোনো নাগরিক অন্য কোনো দেশের দেওয়া কোনো সম্মাননা বা পদবি গ্রহণ করতে পারে না। তিনি জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী, অন্যান্য মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করান। অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে দেশের নিরাপত্তা বা শান্তি বিনষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। তাই বলা যায়, শুধু দেশের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডে পরামর্শ প্রদান করা ছাড়াও রাষ্ট্রপতি আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন
২।.মোজাম্মেল হোসেন একটি সংস্থার সদস্য। সংস্থাটির কতকগুলো নীতি রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ করা। এছাড়া দেশের জাতীয় সমস্যা সমাধানে তার সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ক. নির্বাচন কী? ১
খ. রাজনৈতিক দলের নির্বাচনসংক্রান্ত কাজ ব্যাখ্যা কর। ২
গ. মোজাম্মেল হোসেন কোন সংস্থার সদস্য? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. উক্ত সংস্থার কতিপয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান বক্তব্যটি বিশ্লেষণ কর। ৪
ক নির্বাচন হচ্ছে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের পদ্ধতি।
খ আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা তথা গণতান্ত্রিক অথবা একনায়কতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একনায়কতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার চেয়ে গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনের গুরুত্ব অধিকতর। এসব নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি, প্রার্থী মনোনয়ন, নির্বাচনে দলীয় কর্মসূচি প্রণয়ন, নির্বাচনি প্রচার ও ভোট সংগ্রহ দলের এবং দলীয় কর্মীদের দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে।
গ মোজাম্মেল হোসেন রাজনৈতিক দলের সদস্য। রাজনৈতিক দল হচ্ছে একটি দেশের জনগোষ্ঠীর সেই অংশ যারা একটি আদর্শ বা কিছু নীতি বা কর্মসূচির ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে সংগঠিত হয়। রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে ক্ষমতায় গিয়ে দলের নীতি ও আদর্শ অনুযায়ী দেশ পরিচালনা করা এবং নির্বাচনি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা। উদ্দীপকেও দেখা যায়, মোজাম্মেল হোসেন একটি সংস্থার সদস্য। সংস্থাটির কতকগুলো নীতি রয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ করা। এছাড়া দেশের জাতীয় সমস্যা সমাধানে তার সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে। সুতরাং বলা যায়, মোজাম্মেল হোসেন যে সংস্থার সদস্য তাহলো রাজনৈতিক দল।
ঘ উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত রাজনৈতিক দলের কতিপয় বৈশিষ্ট্য রয়েছে। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল অপরিহার্য। আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা মূলত রাজনৈতিক দলেরই শাসন। রাজনৈতিক দল ছাড়া সরকার গঠন সম্ভব নয়। উদ্দীপকে বর্ণিত মোজাম্মেল হোসেনও একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। রাজনৈতিক দলের মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতা লাভ করা। এছাড়া জাতীয় সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক দল গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করে। রাজনৈতিক দলের কতকগুলো বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলো হলো :
১. রাজনৈতিক দল হচ্ছে কতকগুলো নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে সংগঠিত একটি জনসমষ্টি।
২. রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রক্ষমতা লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করা।
৩. প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের একটি আদর্শ ও সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
৪. জাতীয় সমস্যা সমাধানে রাজনৈতিক দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৫. আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা তথা গণতান্ত্রিক অথবা একনায়কতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি, প্রার্থী মনোনয়ন, নির্বাচনে দলীয় কর্মসূচি প্রণয়ন, নির্বাচনি প্রচার ও ভোট সংগ্রহ রাজনৈতিক দলের কর্মীদের দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে।
উপরিউক্ত আলোচনা থেকে একথা স্পষ্ট যে, কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতেই রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।
৩।.আরমান সাহেব বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের নেতা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ঐ দলের একজন কর্মী ছিলেন। দলীয় প্রধানের ডাকে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং শত্রুপক্ষকে পরাজিত করেন। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টিতে আরমান সাহেবের ন্যায় তার দলটির ভূমিকাও অনেক।
ক. নির্বাচন কমিশন কয়জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়? ১
খ. প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতি বলতে কী বোঝ? ২
গ. ‘আরমান সাহেব বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলের নেতা? ব্যাখ্যা কর। ৩
ঘ. ‘আরমান সাহেবের দলের নেতৃত্বেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম’- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর। ৪
ক নির্বাচন কমিশন ৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়।
খ ভোট প্রদানের একটি পদ্ধতি হচ্ছে প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতি। প্রকাশ্য ভোটদান পদ্ধতিতে ভোটারগণ নিজ নিজ পছন্দের ব্যক্তিকে সকলের সামনে প্রকাশ্যে ভোট দেয়। এতে ভোটাররা প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ বা ‘হাত তুলে’ সমর্থন দান করে।
গ আরমান সাহেব বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দল। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় আওয়ামী মুসলিম লীগ নামে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য ১৯৫৫ সালে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় এ দলের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার ডাকে বাংলাদেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে এবং শত্রুপক্ষকে পরাজিত করে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটায়। উদ্দীপকেও দেখা যায়, আরমান সাহেব বাংলাদেশের একটি রাজনৈতিক দলের নেতা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় ঐ দলের একজন কর্মী ছিলেন। দলীয় প্রধানের ডাকে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং শত্রুপক্ষকে পরাজিত করেন। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টিতে আরমান সাহেবের ন্যায় তার দলের ভূমিকাও অনেক। সুতরাং বলা যায়, আরমান সাহেব ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নামক রাজনৈতিক দলের নেতা।
ঘ আরমান সাহেবের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম-প্রশ্নোক্ত এই উক্তিটি যথার্থ। ১৯৪৯ সালের জুন মাসে একটি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী মুসলিম লীগের উদ্ভব, যার পরিমার্জিত রূপ হলো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ভাসানী, সামসুল হক, সোহরাওয়ার্দী প্রভৃতি নেতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দলটির হাল ধরেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন এই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ‚মিকাই ছিল অগ্রগণ্য। উদ্দীপকে বর্ণিত আরমান সাহেব বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নামক যে রাজনৈতিক দলের নেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ, সে দলটির সময়োপযোগী দিক নির্দেশনাতেই রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল। যুদ্ধপূর্বকালীন ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলেও পশ্চিম পাকিস্তান সরকার ক্ষমতা হস্তান্তর না করে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র ও নিরীহ বাঙালির উপর হত্যাযজ্ঞ শুরু করলে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। আওয়ামী লীগ প্রধান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ডাকে আরমান সাহেবের মতো আওয়ামী লীগের হাজারো তরুণ কর্মীসহ জাতি-ধর্ম-আবালবৃদ্ধবনিতা নির্বিশেষে দেশের সকল স্তরের মানুষ মুক্তিসংগ্রামে লিপ্ত হয়। দীর্ঘ নয় মাস চলে এ রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। অবশেষে ৩০ লক্ষ শহিদের প্রাণ এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এবং তার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সময়োপযোগী বলিষ্ঠ নেতৃত্বের ফলেই আজ আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশে বসবাস করছি। তাই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।
Class Eight 1st paper dialogue
ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য প্রজেক্ট নির্দেশিকামুলক ভিডিও শিরোনামঃ "মুজিবর্ষে গাছ রোপন - পরিবেশ বিজ্ঞান বইয়ের চতুর্দশ অধ্যায় "পরিবেশের ভারসাম্য এবং আমাদের জীবন" ও কৃষি শিক্ষা বইয়ের ষষ্ঠ অধ্যায় "বনায়ন( ক্রসকাটিং)''
অষ্টম শ্রেণির গণিত নবম অধ্যায়
Ashoke Kumar Das
Assistant Teacher
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Talshahar, Ashuganj, Brahmanbaria
Chittagong
3401