Dipaloy Autism children Academy

Dipaloy Autism children Academy

Share

Proper child care can change everything.

12/12/2025

৫ মাস আগে প্রথম এসেছিলো আর্জু। ছোটো বয়সে আওয়াজ করলেও পরবর্তীতে কোনো শব্দ বলতে পারতো না,কান্নাতেও আওয়াজ ছিলো না, সম্পুর্ন ইশারায় আকার ভংগিমার সাহায্যে দেখাতো। আজ তার এই পরিবর্তন আমাদের অনেক আনন্দিত করেছে, সেই সাথে অনেক ধন্যবাদ জানায় বাচ্চার মা,বাবা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের, খুব সুন্দর ভাবে আমাদের নিয়ম অনুসরণ করে অধিক সময় প্রদান করে বাচ্চাকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য।
আপনার এবং আমাদের অক্লান্ত চেষ্টা বাচ্চাদের পরিবর্তন আনতে সাহায্য করবে।

10/11/2025

আপনার পিছিয়ে থাকা শিশুর মানসিক বিকাশে আপনার পাশাপাশি আমরাও কাজ করে যাচ্ছি।

07/11/2025

ধন্যবাদ বাংলাদেশ টেলিভিশন, #চট্টগ্রামটেলিভিশন

25/10/2025

কিছু অভিভাবক বলেন, বাচ্চাকে শুধু খাওয়ানোর সময় মোবাইল দেখিয়ে খাওয়ায়।
মোবাইল দেখে দেখে খাওয়া একটা বড় সমস্যা। এতে শিশু আরো বেশি মোবাইলের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে যায়। আবার খাওয়ার সময় সে কী খাচ্ছে তার সঙ্গেও তার যোগাযোগ থাকে না। মোবাইল দেখে খাওয়ার সময় শিশুর মনোযোগ দুই দিকে ভাগ হয়ে যায়। ফলে সে তার একটা জগৎ কল্পনা করা শুরু করে দেয়। কম্পানিগুলো তাদের ব্যাবসায়িক সুবিধার জন্য নিত্যনতুন ফিচার যোগ করে মোবাইলে। এ জন্য সে শিশু হোক কিংবা বড়—বেশি ব্যবহার করলে আসক্তি তৈরি হবেই। সাম্প্রতিক গবেষণার মতে, ১ বছর বয়স থেকে যত বেশি শিশুরা মোবাইল, টিভি কিংবা ট্যাবের দিকে তাকিয়ে থাকবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের স্মৃতিশক্তি ততই হ্রাস পাবে।

হতাশ না হয়ে নিয়মিত প্রয়োজন অনুসারে স্পেশাল কেয়ার নিলে বাচ্চাকে মোবাইল থেকে দূরে রাখা সম্ভব।

24/10/2025

মোবাইল কেন্দ্রিক শৈশব এখন অধিকাংশ শিশুর। আপাতদৃষ্টিতে তেমন কিছু মনে না হলেও বিপজ্জনক এই স্ক্রিন দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হতে পারে। এমনকী মোবাইলের আসক্তিতে শিশুর আচরণগত পরিবর্তনও দেখা যায়। আপনার সন্তানের মধ্যে কি তেমন কোনও পরিবর্তন এসেছে? সেক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি লক্ষণ নজরে এলে অভিভাবকদের সতর্ক হতে হবে।

১. বিরক্তি এবং দ্রুত রেগে যাওয়া: মোবাইল থেকে শিশু তাৎক্ষণিক আনন্দ পায়। ধীরে ধীরে এই বিনোদনই আসক্তিতে পরিণত হয়। তাই ফোন কেড়ে নিলে সে অল্পেতেই রেগে যায়। এক্ষেত্রে ছোটখাটো বিষয়ে চিৎকার করা বা রেগে যাওয়া একটি সাধারণ লক্ষণ। অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।

২. সামাজিক ভাবে মিশতে না পারা: এই বিষয়টি শিশুদের মোবাইলের / টিভির প্রভাবের কারণে হয়। ফোনের জগতে বিনোদন খুঁজে পাওয়ায় অনেক সময়ে খুদে সদস্যটি সকলের সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেয়। বাবা-মা, বন্ধু, স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গেও কথা বলতে চায় না। একটি বদ্ধ জায়গায় শিশু নিজেকে আবদ্ধ করে রাখতে চায়, যা তাদের সার্বিক বৃদ্ধিতে বাধা দেয়। অন্যমনস্ক হয়ে নিজের জগতে থাকতে চাই।

৩. মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা কমে যাওয়াঃ ক্রমাগত মোবাইল দেখার ফলে শিশুদের মনোযোগ মাত্র কয়েক মিনিট / সেকেন্ডের মধ্যেই অন্যদিকে সরে যেতে শুরু করে। স্কুলে বা পড়াশোনার সময় তাদের মনোযোগ কমে যায় । ছোটখাটো জিনিসও ভুলে যেতে শুরু করে। এই ধরণের কিছু লক্ষ্মণ দেখা দিতে পারে।

৪. ঘুমের সমস্যা:
এইটা মোবাইল ফোনের নীল আলো ঘুমের মান নষ্ট করে। ফোনের প্রতি আসক্তি হলে শিশুরা রাত পর্যন্ত জেগে থাকে এবং সকালে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে। যার কারণে তারা ছোট বিষয়ে বিরক্ত হয়ে ওঠে। এমনকী অনেক জটিল রোগেরও শিকার হতে পারে।
৫. একগুঁয়ে এবং অসহযোগী মনোভাবঃ মোবাইলের অভ্যাসের কারণে শিশুরা প্রায়ই সবকিছুতেই 'না' বলতে শুরু করে। ক্রমাগত অভিভাবকদের অবাধ্য হতে থাকে, নিজের ইচ্ছা মতো কাজ করতে চায়। সবকিছুতেই একগুঁয়ে হয়ে ওঠে।

এই লক্ষণ গুলো দেখলে স্পেশাল কেয়ার সার্ভিস দিতে হবে। অন্যথায় ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে পারে। বাসার পাশাপাশি স্পেশাল চাইল্ড কেয়ার প্রফেশনাল দিয়ে স্পিচ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি ও বিহেভিয়ার থেরাপি দিয়ে অস্থিরতা কমাতে পারলে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসবে। মনে রাখতে হবে যত কম বয়সে চিকিৎসা শুরু করা যাবে ততই ভালো পরিবর্তন আসবে।

20/09/2025

✔️বাচ্চা নিজের জগতে থাকে?
💢হতাশায় না থেকে এখনই আপনার বাচ্চার বিষয়ে সচেতন হোন, যত কম বয়সে সচেতন হবেন ততোই বাচ্চা দ্রুত পরিবর্তন হবে।💢
দীর্ঘ ২৮ বছরের সাফল্যের সাথে বিহেভিয়ার থেরাপি ও স্পেশাল কেয়ার এর মাধ্যমে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

28/08/2025

মোবাইলের প্রতি আকর্ষণ ছিলো অনেক, আগে কিছুটা কথা বলতে পারলেও পরবর্তীতে সম্পুর্ন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
২ মাস আগে প্রথম ক্লাসে এসেছিলো সে।
অনেক অস্থিরতা, অনেক কান্না, চিৎকার করা, মোবাইল ছাড়া থাকতে না চাওয়া, মা- বাবা ছাড়া কারো সাথে মিশতে না চাওয়া এই সকল কিছু সমস্যা কাটিয়ে মাত্র ২ মাস বিহেভিয়ার থেরাপি নিয়ে এখন সে অনেকটাই স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করছে, সেই সাথে স্পিচ থেরাপি নিতে প্রস্তুত এখন।
কিছু সম্মানিত অভিভাবক সরাসরি স্পিচ থেরাপি দিতে অনুরোধ করেন। তবে বাচ্চার প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিক থেরাপি দিতে হবে।
আপনার বাচ্চার অস্থিরতা না কমিয়ে স্পিচ থেরাপি দিলে কোনো রূপ ভালো ফলাফল আশা করা যাবে না।
আরো অস্থিরতা বৃদ্ধি পেতে পারে।
বাচ্চাকে স্ক্রিন টাইম কম দেওয়ার চেষ্টা করুন।

27/08/2025

Behavior Modification Therapy (BMT) কি ?


এটি মূলত আচরণ বা ব্যবহারজনিত সমস্যাগুলি পরিবর্তন করার থেরাপি।

এই ধরনের থেরাপি একজন মানুষের ইতিবাচক/নেতিবাচক বিষয়গুলিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কৌশল এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

বিশেষ এই থেরাপির লক্ষ্য হল কার্যকরভাবে এবং ধীরে ধীরে নেতিবাচক আচরণকে ইতিবাচক আচরণ দিয়ে প্রতিস্থাপন করা।

ছোট বাচ্চাদের জন্য Behavior modification থেরাপি সবচেয়ে কার্যকর হয় যখন তাদের বাবা -মা থেরাপিস্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশল শিখে এবং সেই কৌশলগুলি ব্যবহার করে তাদের শিশুদের আচরণ পরিচালনা করে।

Behavior modification থেরাপি
Attention Deficit Hyperactivity Disorder। (ADHD),
Autism spectrum disorder ( ASD),
Obsessive-Compulsive Disorder (OCD),
Generalized Anxiety Disorder (GAD), Phobias, এবং অটিজম চিকিত্সার জন্য বিশেষভাবে কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে।



► কখন বুঝবেন আপনার শিশুর Behavior modification থেরাপি প্রয়োজন :


সাধারণত একটি শিশুর ব্যবহার ও আচরণ কেমন হবে তা নির্ভর করে ৩টি বিষয়ের উপর : বয়স, মানসিক বিকাশের স্তর ও পরিবেশ। এই বিষয়গুলির কোনোটিতে কোনো পরিবর্তন আসলে শিশুর আচরণের এই প্রভাব পড়তে পারে।



► যেসকল গুরুতর সমস্যার জন্য এই থেরাপি প্রয়োজন :

>অতিরিক্ত বিরক্ত প্রকাশ ও চিৎকার করে কান্না করা।
>অহেতুক কামড়, নিজেকে ও অন্যকে আঘাত করা।
>অস্থিরতা প্রকাশ।
>নিজের জগতের সাথে কথা বলা।
>সমবয়সী বাচ্চাদের সাথে মিশতে না চাওয়া।
>মাথা কোনো শক্ত বস্তুতে আঘাত করা।
>মারামারি করার প্রবণতা।
>নিজের ক্ষতি করা।
>আক্রমণাত্মক ব্যবহার।
>জিনিস ভেঙে ফেলা /নষ্ট করতে চাওয়া।
>বড়দের অসম্মান করা।
>অসততা।
>স্কুলে খারাপ পারফর্ম করা
>ঘুম বা খাওয়ার অভ্যাসে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন
ইত্যাদি।

26/06/2025

✔️বাচ্চা নিজের জগতে থাকে?
✔️আগে অনেক কিছুই বলতো এখন বলছে না?
✔️ভিত্তিহীন কথা বলে?
✔️কোন কথাই বলে না?
✔️অনেক চঞ্চল ও অস্থির?
✔️কারো সাথে মিশতে চায় না?
💯তাহলে বুঝে নিন সে স্পেশাল চাইল্ড💯
💢হতাশায় না থেকে এখনই আপনার বাচ্চার বিষয়ে সচেতন হোন, যত কম বয়সে সচেতন হবেন ততোই বাচ্চা দ্রুত পরিবর্তন হবে।💢
দীর্ঘ ২৮ বছরের সাফল্যের সাথে বিহেভিয়ার থেরাপি ও স্পেশাল কেয়ার এর মাধ্যমে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

23/06/2025

অটিজম কি পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব?
সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে শিশুদের ৯০ থেকে ৯৫ ভাগ জীবন আচরণ স্বাভাবিক ধারায় নিয়ে আসা সম্ভব। বর্তমানে দেশের অনেক শিশুই অটিস্টিক হওয়া সত্ত্বেও স্বাভাবিক জীবনের সঙ্গে মানিয়ে চলতে সক্ষম হচ্ছে। এই জন্য অটিজম শিশুর অভিভাবকদের সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে।

অটিজমের লক্ষণ:
‘আরওয়া’ বয়স দুই বছর চার মাস। সে কথা বলতে শিখেনি। ডাকলে সাড়া দেই না। ডাকলে চোখের দিকে তাকাই না। একা একা থাকে, বাড়িতে সমবয়সী কোনো শিশু এলে তাদের সঙ্গে মেশে না। মাঝেমধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই উত্তেজিত হয়ে পড়ে, কখনো নিজেকে আঘাত করে, একই কাজ বারবার করে। যেমন বারবার হাত নাড়ায়। অস্থির, শুধু দৌড়াদৌড়ি করে। শরীর অল্পতেই ঠাণ্ডা লাগে। সঠিক ভাবে খাওয়া-দাওয়া করলেও শরীর পুষ্টি পায় না। সে একজন অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু। অটিজম হচ্ছে স্নায়ুর বিকাশজনিত সমস্যা। মায়ের গর্ভ থেকে জন্মের কয়েক বছর পর পর্যন্ত শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ ঘটতে থাকে। কোনো কারণে স্নায়ুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হলে শিশু অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হতে পারে।

অটিজম শিশুর মধ্যে নিম্নলিখিত কারণসমূহ দেখা যায়:
১২ মাস বয়সের মধ্যে আধো আধো কথা বলতে পারছে না, পছন্দের বস্তুর দিকে ইশারা করছে না।
১৬ মাসের মধ্যে কোনো একটি শব্দ বলতে পারে না।
২৪ মাস বয়সের মধ্যে দুই বা ততোধিক শব্দ দিয়ে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না।
বয়স উপযোগী সামাজিক আচরণ করছে না।
ভাষার ব্যবহার রপ্ত করতে পারার পর আবার ভুলে যাচ্ছে।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Road No/2, House/105, Sobahan Manzil, Shugondha Abashik, Panchlaish
Chittagong
4000

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 14:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00