05/01/2026
#অভিনন্দন-শুভেচ্ছা ওশুভকামনা...
"আজকের আলোকিত শিশু আগামীর আলোকিত মানু?
05/01/2026
#অভিনন্দন-শুভেচ্ছা ওশুভকামনা...
05/01/2026
আজকের মানব সময় দৈনিক আজকের নয়া বাংলা দৈনিক নয়া বাংলা সংবাদ দৈনিক আকাশ বাংলা নিউজ ২৪ ডটকম। বিজয় এর ৫২ টিভি। সহ যে সকল মিডিয়ায় আমাদের চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের নিউজটি প্রকাশিত প্রসারিত হচ্ছে সকলকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
01/01/2026
নতুন বই,নতুন স্বপ্নে প্রাণবন্ত শিক্ষার্থী: চট্টগ্রাম মডেল স্কুল-এ পাঠ্যপুস্তক-শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ
১ জানুয়ারি ২০২৬ নতুন শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনটি শিশুদের জন্য চিরচেনা এক অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে আসে।
নতুন বইয়ের ঘ্রাণে, আনন্দে ও উৎসবের মুখর শিক্ষঙ্গন।
বাংলাদেশ সরকারের ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের সূচনালগ্নে সারাদেশব্যাপী বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ।
নতুন বইয়ের ঘ্রাণে মুখর হয়ে ওঠে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। হাতে নতুন পাঠ্যপুস্তক পেয়ে শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে ফুটে ওঠে উচ্ছ্বাস ও আনন্দের ঝিলিক। শিশুদের হাসি, কলরব ও প্রাণচাঞ্চল্যে বিদ্যালয়টি এদিন রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়। শিক্ষার সামগ্রী বিতরণ, নতুন শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রমের সূচনা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের আন্তরিক অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে করে তোলে ব্যতিক্রমী ও স্মরণীয়।স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি, পরিচালক মোসা. ইয়াসমিন ইসলাম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য
রাখেন চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক এম নজরুল ইসলাম খান।
পাঠ্যপুস্তক বিতরণকে কেন্দ্র করে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সরকারি পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক এম নজরুল ইসলাম খান উপদেশ মূলক এবং পাঠ্যপুস্তক নতুন পাঠ্যপুস্তক সুন্দরভাবে ব্যবহার বিধি এবং তাদের পড়ালেখার নতুন উদ্যোগে আরো শিক্ষায় উৎসাহ উদ্দীপনা বৃদ্ধিতে পরামর্শ সূচক বক্তব্য দেন।
এতে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ইয়াসমিন ইসলাম,সিনিয়র শিক্ষক মোঃ ইলিয়াছ,রুমানা পারভীন, কণিকা দাস, লাকি আক্তার, মমিনা আক্তার সহ প্রমুখ।
নতুন বই হাতে পেয়ে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের শুরু হোক আনন্দ আগ্রহ ও সাফল্যে ভরপুর।
সব মিলিয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিনটি চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে নতুন বইয়ের আনন্দ, শিক্ষার প্রত্যয় ও সামাজিক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
26/12/2025
দৈনিক অপরাধ অনুসন্ধান, দৈনিক আজকের মানব সময়, অপরাধ অনুসন্ধান টিভি, বিজয় বায়ান্ন টিভি, জে বাংলা, Daily Naya Bangla,আজকের নয়া বাংলা, সহ যে সকল মিডিয়াতে চট্টগ্রাম মডেল স্কুল এর নিউজটি প্রচারিত, সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
20/12/2025
“রেজাল্ট কার্ডের নম্বরের বাইরে অর্জন: যোগ্যতা, নৈতিকতা ও মনুষ্যত্বের বিকাশ”
---এম নজরুল ইসলাম খান
পরীক্ষার পর শিক্ষার্থী, অভিভাবক,শিক্ষক এমনকি আত্মীয়-স্বজন অনেকেই প্রতীক্ষায় থাকে রেজাল্টে নাম্বার কত হবে,কিনা কি পায় তারজন্য। প্রার্থনা করে ভালো নাম্বার পাওয়ার জন্য।কেউ কেউ দান-খয়রাত করে থাকেন প্রত্যাশিত ফলাফলের জন্য। শিক্ষার যে আসল কথা যোগ্যতা, দক্ষতা, মানবিকতা, মনুষ্যত্বের বিকাশ সে বিষয় চিন্তা অনেকেই করে না।রেজাল্ট কার্ডে কত নাম্বার পেল সেদিকে নজর বেশি থাকে। রেজাল্ট যেন ভালো হয়, আশানুরূপ হয় সেই প্রার্থনা করে। কিন্তু পরিশ্রম, সততা, নিষ্ঠা,অধ্যাবসয় এসব ছাড়া কেউ কি কখনো নাম্বারের ভিত্তিতে বড় হতে পেরেছেন।যাদের রেজাল্ট কার্ডের নাম্বারটাই শিক্ষার মূল অর্জন মানুষ হওয়া বিষয়টি যাদের মাথায় থাকে না তারা শিক্ষিত নয়, আসল কথা হচ্ছে তারা শিক্ষা অর্জন করেনি। ফলাফল নির্ভর বা নাম্বারের হিসাব নিয়ে যে শিক্ষা সে শিক্ষা যোগ্যতা, মানবিকতা নির্মাণের শিক্ষা নয়।শুধু রেজাল্টই নয় মানুষ করে গড়ে তোলাই শিক্ষা।
একটি উজ্জ্বল রেজাল্ট কার্ড নিঃসন্দেহে আনন্দের, তবে তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ একজন শিক্ষার্থীর মানবিক, নৈতিক ও সামাজিক বিকাশ। প্রকৃত শিক্ষা কেবল নাম্বার অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং শিক্ষা হলো এমন এক প্রক্রিয়া, যা একজন শিশুকে দায়িত্বশীল নাগরিক ও আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।
অধিকাংশ অভিভাবকই চান তাঁদের সন্তান ভালো ফল করুক। কিন্তু প্রশ্ন হলো—ভালো ফল মানেই কি ভালো শিক্ষা? বাস্তব অভিজ্ঞতা বলে, অনেক সময় উচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী জীবনের বাস্তব চ্যালেঞ্জে ব্যর্থ হয়, আবার গড় ফলের শিক্ষার্থী যোগ্যতা, সততা ও নেতৃত্বগুণে সমাজে সফল হয়। এখানেই ফলাফলনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়।
শিক্ষার্থীর সাফল্যের পেছনে অভিভাবকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কেবল পরীক্ষার আগে ভালো রেজাল্টের প্রত্যাশা নয়, বরং সন্তানের দৈনন্দিন পড়াশোনা, আচরণ, শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, ডিজিটাল আসক্তি, উপস্থিতি এবং শেখার অগ্রগতি—এসব বিষয়ে সচেতন থাকা অভিভাবকের দায়িত্ব। শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ না করে শুধুমাত্র ভালো নম্বর আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।
পরীক্ষা কোনো শিক্ষার শেষ কথা নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীর শিখন ঘাটতি নির্ণয়ের একটি মাধ্যম। পরীক্ষার খাতা হলো শেখার একটি দরজা—যেখানে ভুল
20/12/2025
কেয়া বৃত্তি পরীক্ষা—শিশুদের মেধা বিকাশে সহায়ক ও শিক্ষা উৎসব
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন এসোসিয়েশন (কেয়া) পরিচালিত বৃত্তি পরীক্ষা আজ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর ৮টি কেন্দ্র এবং হাটহাজারী ৩টি ও রাউজানের ১টি কেন্দ্রে একযোগে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ সকাল ১০:০০ টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে ১টা পর্যন্ত চলে, পরীক্ষা চলাকালীন সময় পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি'র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মইনুদ্দীন কাদের লাভলু, হাটহাজারী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি, কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন এসোসিয়েশন- কেয়া'র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছৈয়দ হাফেজ আহমদ,বন্দর এলাকার কেন্দ্রগুলি পরিষদ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি'র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক এম. নজরুল ইসলাম খান, কেয়া'র মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম মল্লিক,পাঁচলাইশ- অক্সিজেন কেন্দ্র পরিদর্শনে ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষা অনুরাগী কেয়া'র ভাইস- চেয়ারম্যান লায়ন মো. শফিকুর রহমান চৌধুরী,রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ এর প্রধান পরিচালক অধ্যক্ষ কে এম মোস্তফা রেজাউল মনির। উপস্থিত ছিলেন কেয়া'র যুগ্ম মহাসচিব, ইপিজেড কর্ণফুলী মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ এনায়েত হোসেন,নব আলো আইডিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এ রহমান, ইপিজেড কর্ণফুলী মডেল স্কুলের শাখা প্রধান,কেন্দ্র সচিব মিরাজ মাহমুদ,অধ্যক্ষ ছৈয়দুল আজাদ, রাউজান কেন্দ্রের মো. হাসান ইমাম সুন্দরবন আইডিয়াল স্কুলের চেয়ারম্যান মোঃ রুবেল শেখ, জাহানারা বেগম এফ এম প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী,সানমুন আইডিয়াল স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক শামীমা আক্তার, চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন ইসলাম প্রমূখ।
এ পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক ক্ষুদে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালকদের উপস্থিতিতে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিশুদের জন্য এটি ছিল একদিকে যেমন মেধা যাচাইয়ের সুযোগ, অন্যদিকে তেমনি একটি আনন্দময় শিক্ষা উৎসব।
আয়োজকরা জানান, ২০০০ সাল থেকে কেয়া বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের মেধা বিকাশ, প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গঠন ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে