Siddiq'S Solution

Siddiq'S Solution

Share

You can easily learn Basics and Advance Level of MS office, Data Entry, Graphics Designing, Digital

27/11/2021

সকাল ১১ টা এবং সন্ধ্যা ৬ঃ৩০টায় ফ্রিল্যান্সিং এর সব কোর্স নিয়ে ফ্রি ক্লাস হবে। ক্লাস টি করে আপনারা অনেক কিছুই বুঝবেন আশা করি। ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে একটি কমপ্লিট ধারনা পাবেন। ক্লাস টি করে আপনার জন্য কোন কোর্স টি উপযুক্ত হবে সেটি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। আপনাদের সুবিধামত নিচের দুইটির যে কোন একটি সময়ে জুম এপস এ জয়েন হতে পারেন। যাদের আগে থেকেই ধারনা আছে তারা ক্লাস এ জয়েন না করলেও চলবে। তারা সরাসরি পিক এ দেওয়া রুটিন অনুযায়ী কোর্স এ অংশগ্রহন করবেন।
1. Time: Saturday, 11:00am (শনিবার সকাল ১১ টা)
Siddiqs Solution is inviting you to a scheduled Zoom meeting.
Join Zoom Meeting
https://us05web.zoom.us/j/7470301332...
Meeting ID: 747 030 1332
Passcode: 123456
2. Time: Saturday, 6:30 pm (শনিবার সন্ধ্যা ৬ঃ৩০)
Siddiqs Solution is inviting you to a scheduled Zoom meeting.
Join Zoom Meeting
https://us05web.zoom.us/j/8640345469...
Meeting ID: 864 034 5469
Passcode: 12345
একদম ফিক্সড টাইমে ক্লাস শুরু হয়ে যাবে। অনেকের ওয়াইফাই/মোবাইল ডাটা স্লো হলে তখন আওয়াজ শুনা না গেলে অস্থির হবেন না।ক্লাস শেষে ক্লাস ভিডিওর লিংক আপ্লোড দেওয়া হবে সেখান থেকে দেখতে পারবেন। ক্লাস এর মাঝখানে কোন প্রশ্ন করবেন না। ক্লাস এর শেষে প্রশ্ন এর জন্য সময় দেওয়া হবে তখন যাবতীয় প্রশ্ন করতে পারবেন।
যেহেতু জুম এপস হোস্ট কে ৪০ মিনিট এর বেশি সময় দেনা সেজন্যে যদি সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয় তবে আপনারা এই group এ নজর রাখবেন। সমস্যা হলে জানিয়ে দেওয়া হবে। Group এ জয়েন দিন। যাবতীয় তথ্য group এ দেওয়া হবে।
Group link:
https://www.facebook.com/groups/327283578908763

18/10/2021

আমরা সোস্যাল মিডিয়াতে অযথা সময় নস্ট করি। কিন্তু কিছু সময় যদি আমরা স্কিল ডেভেলপে দি তাহলে আপনি এই সোস্যাল মিডিয়া/ইন্টারনেট ব্যবহার করে ইনকাম করার পথ পেয়ে যাবেন।বসে থাকলে সময় এমনেও চলে যাবে। একটা স্কিল থাকলে সেটা কে কাজে লাগিয়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন এবং ভবিষ্যতেও কাজে আসবে।কাজ শিখার পর কিভাবে মারকেটপ্লেসে কাজ করে আয় করবেন, টাকা তুলবেন, পেপাল/পায়োনার একাউন্ট খুলবেন, প্রোফাইল বানাবেন, একেবারে সব প্রসেস এ টু জেড শিখানো হবে।

কোর্স ফিঃ সর্বনিম্ন ৫০ টাকা , সর্বোচ্চ ১২০০ টাকা।

ফ্রি রেজিস্ট্রেশন করতে ইনবক্স করুন অথবা লিঙ্ক থেকে রেজিস্ট্রেশন করুন। রেজিস্ট্রেশন লিংকঃ
https://forms.gle/aaRZijs4WV4MQRFj6

ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে সম্পূর্ণ ধারনা পেতে আমাদের পেজ এর পিন পোস্ট টি পড়তে পারেন। পিন পোস্ট লিংকঃ

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/photos/a.102282361999413/192412722986376/

12/09/2021

🌳🌳 পোস্ট টি সম্পুর্ন পড়ুন যদি উপকার না পান বা যদি কোন সাজেশন না পান তাহলে কমেন্টস এ গালি দিয়েন। 🌳🌳

💥💥আপনারা যারা ইন্টারনেট থেকে আয় করতে চান , ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাদের জন্য এই পোস্ট টি উপকারি হবে। যারা ফ্রিল্যান্সিং কি জানেন না তারা এই পোস্টের নিচের লিংক থেকে জেনে নিতে পারেন।লিংক এ সব দেওয়া আছে💥💥

❤️❤️লেখাটি সম্পূর্ণ পড়ুন । হতে পারে এই লেখাটি আপনাকে পড়ালেখা/বিজনেস/বেকার অবস্থার পাশাপাশি ইনকামের সুযোগ করে দিতে পারে। আমরা সোস্যাল মিডিয়াতে অযথা সময় নস্ট করি। কিন্তু কিছু সময় যদি আমরা স্কিল ডেভেলপে দি তাহলে আপনি এই সোস্যাল মিডিয়া/ইন্টারনেট ব্যবহার করে ছাত্র অবস্থায় ইনকাম করার পথ পেয়ে যাবেন।বসে থাকলে সময় এমনেও চলে যাবে। একটা স্কিল থাকলে সেটা কে কাজে লাগিয়ে আপনি ইনকাম করতে পারবেন এবং ভবিষ্যতেও কাজে আসবে। আমরা আপনাকে শুরু থেকে দক্ষতা অর্জন করিয়ে মার্কেট প্লেসে একাউন্ট খোলা, পেপাল ,পায়োনিয়ার থেকে শুরু করে মানি উইথড্র প্রসেস পর্যন্ত সবকিছু শিখিয়ে দিব।❤️❤️

🌲🌲যাদের জন্য কোর্সঃ🌲🌲

১। যারা ছাত্র/ছাত্রী (ক্লাস ৫ থেকে মাস্টার্স বা আরো বেশি)
২। যারা বেকার
৩। যারা চাকরিজীবি
৪। যারা অভিভাবক
৫। যারা লেখাপড়া কিছুটা জানে/মোবাইল ব্যবহার করতে পারে
৬। যারা সোস্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন
৭। যারা বাড়তি ইনকাম করতে চান
৮। যাদের কোন ব্যবসা আছে বা দোকান আছে
৯। যারা ফ্রিল্যান্সিং কে পেশা হিসেবে নিতে চান
১০। যারা পার্ট টাইম জব করতে চান
১১।যারা গৃহিণী
১২। যেসব মেয়েরা/ছেলেরা বাসায় সময় নস্ট না করে বাসায় বসে কিছু করতে চান
১৩। যারা সুস্থ এবং অসুস্থ

🚫🚫আমাদের থেকে কোর্স করেন বা না করেন যেসব ফাদে পা দিবেন নাঃ🚫🚫

১। যারা কোর্স চলাকালীন ইনকাম গ্যারান্টি দেয়। এরা হচ্ছে ধান্ধাবাজ। নিজেরায় বায়ার সেজে আপনাকে সাময়িক কাজ দিবে এরপর পালাবে। সময় দিতে হবে। আমরা আপনাকে গ্যারান্টি দিচ্ছি যে যদি কোর্স শেষ করার পর সময় দেন কিছু সময় লেগে থাকেন তাহলে আপনি সফল হবেন। এর মধ্যে গাইড হিসেবে আমরা তো আছি।

২। যারা স্টুডেন্ট রিভিউ নিয়ে স্ক্রিনশট দে। এরা নিজেরায় আইডি বানিয়ে সেখানে চ্যাট করে রিভিউ হিসেবে চালিয়ে দেয়।এরাও চিটার।

৩। যারা ১০০% স্ক্লারশিপ বা ছাড় দিবে কিন্তু শুধু রেজিস্ট্রেশনের জন্য ৫০০-১০০০ চেয়ে বসবে। পুরাই ফাও।

৪। যাদের ক্লাস যাচাই করার সুযোগ থাকেনা।

৫। ভেরিফাইড সারটিফিকেট এর নামে এপ দিয়ে ভুয়া সারটিফিকেট প্রদান করে।যার কোন ভেল্যু নেই।

৬। যাদের ক্লাস করার পরেও আপনি সন্তুষ্ট হন না বা বুঝেন না।

৭। যাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই, সাপোর্ট এর কথা বলে খবর ই থাকেনা।

৮।যারা বলে মোবাইল থেকে ডাটা এন্ট্রি করে ইনকাম করা যায়। বিলিভ মি এটা টোটালি ভুয়া বাটপারি কথা।

মোবাইল দিয়ে আপনি ইউটিউবিং, ভিডিও ইডিটিং, ফেসবুক বা ডিজিটাল মারকেটিং,করতে পারবেন। বাকিগুলোর জন্য ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ লাগবেই।

আপনার যদি ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ না থাকে আপনি ১০,০০০-১৫,০০০ টাকার মধ্যে পুরাতন ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ নিতে পারেন। মোবাইলের দামে এখন মোটামুটি মানের ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ পাওয়া যায়।তবে হ্যা আপনি মোবাইল থেকে আমাদের কোর্স গুলো করতে পারবেন, কোর্স এর ভিডিও সেভ করে রাখতে পারেন অথবা গুগল ড্রাইভে রাখতে পারেন। পরবর্তীতে যখন ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ নিবেন তখন ভিডিও গুলো দেখে রিভাইস করে কাজ করতে পারেন।

🌿🌿যাদের ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ নেই তারা ভিডিও ইডিটিং, ফেসবুক মারকেটিং বা ডিজিটাল মারকেটিং কোর্স করতে পারবেন। এগুলো মোবাইল দিয়ে করা যায়।🌿🌿

যেখানে কোর্স করেন না কেন অল্প টাকার ফাদে না পরে আগে কোর্স কি রকম যাচাই করবেন।

❤️❤️আমাদের কোর্স সমূহ এবং এর ক্লাস সংখ্যা আর প্রাইস নিচের লিঙ্ক থেকে দেখে নিনঃ❤️❤️

https://drive.google.com/file/d/1BZ4ehjRwfdpnsAum9-cC0fXRBl9J7iLA/view?usp=sharing

🍁🍁সর্বনিম্ন ৫০ টাকা, সর্বোচছ ১২০০ টাকা🍁🍁

🌻🌻আসলে সব দিক দিয়ে ফোকাস দিলে কোনটাই হয়ে উঠে না। এটাই চরম বাস্তবতা।আপনি কোন বিষয়ে ইন্টেরেস্টেড সেটা আগে ভাববেন,ভাবতে না পারলে আমাদের ইনবক্সে শেয়ার করবেন আমরাই আপনাকে সাহায্য করব। আপনার বয়স, লেখাপড়া,শ্রেনী,ফ্যামিলির অবস্থা, আপনার লাইফস্টাইল,সময় ইত্যাদি জানার পর আমরাই আপনাকে আপনার সুবিধা অনুযায়ী কোর্স সিলেক্ট করে দিব।🌻🌻

✍️✍️যে কোন একটা তে দক্ষ হোন, এরপর সেটা নিয়ে কাজ শুরু করে দিন। সেটা শিখা শেষ হলে মারকেটপ্লেস এ নেমে পড়ুন এরপরে অন্য বিষয়ে আস্তে আস্তে দক্ষতা বাড়ান। এটাই সবচেয়ে বেস্ট। আপনি একসাথে সব করতে চাইলে কোনটাই হবে না।✍️✍️

🍁আপনাদের সুবিধার জন্য কার জন্যে কোন কোর্স বেটার হবে তার একটা আইডিয়া নিচে দেওয়া হল।🍁

🌲🌲সবার উদ্দেশ্যেঃ🌲🌲

যারা কম্পিউটারের কিছুই জানেন না তারা প্রথমে “Troubleshooting and Digital Security” অথবা “Data Entry with MS Ofiice” কোর্স টি করতে পারেন।এতে আপনার বেসিক ফুল ক্লিয়ার হবে। কম্পিউটার চালনায় আর ঝামেলা হবেনা। তাছাড়া স্টুডেন্ট দের এটা অবশ্যই শিখা উচিত। পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন থেকে শুরু করে থিসিস রাইটিং এ “MS Office” জানা লাগেই। তাছাড়া আপনি কোর্স টি করে বেসিক স্ট্রং করার পাশাপাশি মারকেটপ্লেস এ জায়গা করে নিতে পারবেন।এটি খুব ই সহজ কোর্স । সবাইকে বলব যে আগে এই কোর্স টি করেন তারপর বাকিগুলো তে গেলে আপনার জন্য সহজ হবে।

🌲🌲যারা ছাত্র/ছাত্রী/পড়ালেখা করছেনঃ🌲🌲

যারা স্টুডেন্ট অবসরে বা পড়ার ফাকে ফাকে ইনকাম করতে চাচ্ছেন তাদের জন্য “Video Editing and Youtubing” কোর্স টি কাজের হতে পারে।এটা অল্প সময়ে শিখা যায় আর ফেসবুকে অযথা সময় ব্যয় না করে রুটিন করে ভিডিও মেক করে আপলোড দিলে ইউটিউব থেকে ইনকাম করা যায়।মোবাইল এর মাধ্যমেও আপনি করতে পারেন।আমরা আপনাকে পথ দেখিয়ে দিব। অল্প সময়ে কিভাবে ইউটিউবিং করবেন সেটার লাইভ ক্লাস এ কোর্স করে শিখতে পারেন সাথে ট্রিক্স এন্ড টিপস তো যেহেতু স্টুডেন্ট লাইফ ই শিখার উত্তম সময় তাই আপনি চাইলে যে কোন কোর্স করতে পারেন। তবে হ্যা পড়াশোনা বাদ দিয়ে নয়।

🌲🌲যারা আপাতত বেকার সময় কাটাচ্ছেন অথবা টিউশনি করছেনঃ🌲🌲

যাদের হাতে মোটামুটি সময় আছে ( বেশিনা ২-৩ ঘন্টা ) তাদের জন্য “Graphics Design” বেস্ট অপশন। এটাতে অল্পতেই অনেক বেশি আয় করা যায়।আমাদের গ্রাফিক্স কোর্স টি করে আপনি যদি উপকৃত না হোন তাহলে কোন টাকা দিয়েন না। আপনি শুধু ক্লাস গুলো করে বাসায় কিছু সময় দিলেই আপনি সফল হবেন যে সিউর।মেয়েরা ছবি নিয়ে , ডিজাইন নিয়ে ক্রিয়েটিভ বেশি হয় বিধায় মেয়েদের জন্য “Graphics Design” বেস্ট। তবে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। মারকেটপ্লেসে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরায় বেশি।

🌲🌲যাদের হাতে একদম সময় নেইঃ🌲🌲

শুধু কোর্স করেই শিখতে চান তাদের জন্য “Data Entry” বেস্ট অপশন।এটি আপনি বাসায় Practice না করলেও চলবে। Course চলাকালীন সময়েই আপনার Practice হয়ে যাবে।এটি অপেক্ষাকৃত সহজ।

🌲যাদের হাতে ৬ মাস মত সময় আর ধৈর্য আছেঃ🌲

অনেক টাকা ইনকাম যারা করতে চান,যারা এটাকেই প্রফেশন বানাতে চান তাদের জন্য “Web Design and Development” বেস্ট অপশন।

🌲🌲যারা মোটামুটি কাজ পারেন কিন্তু মারকেটপ্লেসে কাজ পাচ্ছেন নাঃ 🌲🌲

কিভাবে কাজ পাইতে হবে,কি করতে হবে সেটা বুজতে পারছেন না। তাদের জন্য “Freelancing and Marketplace” কোর্স টি অন্যতম সহায়ক হবে।

🌲🌲যারা একদম কিছুই জানেন নাঃ🌲🌲

একদম শুরু থেকে কম্পিউটার এর সব কাজ শিখতে চান, তাদের জন্য প্রথমে “ Troubleshooting and Digital Security” অথবা “Microsoft Ofiice Management” কোর্স টি খুব ই সহায়ক। এতে বেসিক একদম ক্লিয়ার হয়ে যাবে।আপনার ইংলিশে দক্ষতাও বৃদ্ধি পাবে।আমার সাজেশন হচ্ছে তারা “Data Entry with MS Office” কোর্স টি করলে একেবারে হয়ে যায়।

🌲🌲যারা অভিভাবকঃ🌲🌲

আপনি নিজেও নিজের দক্ষতা বা ইন্টেরেস্ট অনুযায়ী আমাদের থেকে কোর্স শিখতে পারেন অথবা নিজে না করলে আমাদের থেকে রেজিস্ট্রেশন করে আপনার ছেলে মেয়েদের কে শিখাতে পারেন। আপনার বিজনেস থাকলে সেটা অনলাইনে সেল করতে পারেন এক্ষেত্রে “Digital Marketing” টা আপনাকে হেল্প করবে।

🌲🌲যারা ব্যবসা করতে চান, বা কোন প্রোডাক্ট সেল করতে চান,বা নিজের দোকান আছেঃ🌲🌲

হতে পারে কাপড় বা মুদির দোকান বা যাই আছে হোক সেটা মাছের পুকুর অথবা গাছের ফল,অথবা আপনি যদি রান্না পারেন বা যদি কেক,আচার এসব বানাতে পারেন বা যে কোন কিছু যাই পারেন বা যাই আছে কিছু একটা যদি ফেসবুকে করতে চান তাহলে “Digital Marketing” আপনার জন্য সেরা অপশন।

🌲🌲যারা মেয়ে/গৃহিণীঃ🌲🌲

আপনি যদি রান্না পারেন বা বাগান করার শখ থাকে, বা সেলাই মেশিন আছে বা কাথা সেলান বা আচার/কেক/যে কোন কিছু বানাতে পারেন, বা আপনার যদি কিছুই না থাকে তাহলে ফেসবুকে আরেকজনের প্রোডাক্ট সেল করে দিতে পারেন ।সেভাবেও আপনি ইনকাম করতে পারেন।হতে পারে সেটা বোরকা, প্রসাধনী বা হেয়ার প্রোডাক্ট।আমরা আপনাকে শিখিয়ে দিব।

🌲🌲যারা অসুস্থঃ🌲🌲

বাসা থেকে বের হতে পারছেন না তারাও ঘরে বসে স্কিল ডেভেলপ করে আয় করতে পারেন।

❤️❤️আপনাকে ক্লাস করতে কোন টাকা দিতে হবে না। আপনি ২-৩ টা ক্লাস করেন এরপর যদি ভাল লাগে তাহলে পেমেন্ট করে ফুল কোর্স করবেন।ভাল না লাগলে করবেন না। এর চেয়ে অফার আর কি হতে পারে। কোর্স শেষে আপনি ভেরিফাইড সারটিফিকেট পেয়ে যাবেন।❤️❤️

🍁🍁আমাদের থেকে করুন বা অন্য যে কোন জায়গায় কোরস করার আগে সিলেবাস আর মান যাচাই করে নিবেন। অনেক জায়গায় যাচাই করার সুযোগ থাকেনা, পেমেন্ট করেই তারপর ধোকা খান।আমাদের এখানে আপনি ২-৩ টা ক্লাস করে যাচাই করে শুরু করতে পারবেন।🍁🍁

🍁🍁সার্টিফিকেটঃ🍁🍁

সার্টিফিকেট এর কথা বললে অনেক ইন্সটিটিউট আছে ভুয়া সার্টিফিকেট নাম মাত্র দিয়ে থাকে।যেগুলোর না আছে কোন ভেরিফিকেশন সিস্টেম না আছে কিছু। অনেকেই কাগজ এ নাম দেখেই মনে করে এটাই সার্টিফিকেট। আসলে ভাই এগুলো ডিজাইন করে আপনাদের দিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু আমরা আপনাকে আসল ভেরিফাইড সারটিফিকেট ই দিব যেটা আপনি সিভিতে বা জব এ এপ্লাই করতে পারবেন ১০০%..

🌿🌿এত লম্বা লেখা পড়ে কিছুটা হলেও ধারনা হয়েছে বলে ধরে নিচ্ছি। যারা কিছুই জানেন না এসব কোর্স নিয়ে তারা আমাদের পেজ এর পিন পোস্ট থেকে এসব ব্যপারে জেনে নিতে পারেন।🌿🌿

🌷🌷আমাদের কাছে কোর্স করতে চাইলে শীঘ্রই নতুন ব্যাচ এ জয়েন হওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করুন এই লিঙ্ক থেক🌷🌷

🌼🌼রেজিস্ট্রেশন লিঙ্কঃ🌼🌼

https://forms.gle/aaRZijs4WV4MQRFj6

অথবা ইনবক্স করুন । আপনার জন্য কোন কোর্স টি সুবিধা হবে সেটার সিলেকশনে আমরা সাহায্য করব।

🍁🍁কোর্স করতে যা লাগবেঃ🍁🍁
১। ধৈর্য
২। ইচ্ছা
৩।সময়
৪।মোবাইল/Smartphone অথবা ডেস্কটপ/ল্যাপটপ
৫।ইন্টারনেট সংযোগ
৬।Zoom Apps

❤️পোস্ট টি ভাল লাগলে দোয়া করবেন।শেয়ার করবেন বন্ধুদের সাথে।❤️

এখানে একসাথে সব লিংক দেওয়া হল

🍁🍁Troubleshooting🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/191086213119027

🍁🍁 Digital Security 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/191089393118709

🍁🍁 Data Entry 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/111132084447774

🍁🍁 Microsoft Office 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/103029198591396

🍁🍁 Graphics Design 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/104734685087514

🍁🍁 Digital Marketing 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/111154147778901

🍁🍁 Facebook Marketing 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/112910910936558

🍁🍁 Web design and Development 🍁🍁
https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/190082793219369

🍁🍁 YouTubing and Video Editing 🍁🍁
https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/189412436619738

🍁🍁 Ten Skill Made Your Life 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/102282368666079]

🍁🍁 Freelancing 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/103090525251930

🍁🍁 MarketPlace 🍁🍁

https://www.facebook.com/SiddiqsSolution/posts/103047168589599

🍁🍁 কোর্স এবং ফি জানতে 🍁🍁

https://drive.google.com/file/d/1BZ4ehjRwfdpnsAum9-cC0fXRBl9J7iLA/view?usp=sharing

🍁🍁রেজিস্ট্রেশন ফর্ম 🍁🍁

https://forms.gle/aaRZijs4WV4MQRFj6

Photos from Siddiq'S Solution's post 10/09/2021

ইন্টারনেটের এই যুগে সাইবার স্পেসে আপনি কতটা নিরাপদ? সোশ্যাল মিডিয়া, ইমেইল অথবা অ্যাপস ব্যবহারে অসতর্কতা, ভুয়া খবর, ফিশিং, অনলাইনে অনিরাপদ আর্থিক লেনদেনের কারণে প্রতিনিয়তই বিপদে পড়ছে মানুষ! সচেতন না হলে যে কোন সময় আপনিও হতে পারেন সাইবার অপরাধের শিকার! ডিজিটাল স্পেসে আপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আপনার করনীয় কি,আপনাকে কি করতে হবে,সাইবার ক্রাইম এর ভিক্টিম হলে কি করবেন এসব বিষয় নিয়ে আমাদের "ডিজিটাল সিকিউরিটি" কোরস টি সাজিয়েছি। কোরস শেষ করলে আপনি এই সোস্যাল মিডিয়ার ক্ষতিকর বিষয় জানতে পারবেন,সাথে চিনতে পারবেন কোনটা ভাল কোনটা মন্দ। নিজেকে সেফ রাখতে পারবেন। আপনার ব্যক্তিগত তথ্য আপনার সম্পদ। কাউকে দেওয়ার আগে বা কেউ হ্যাক করার আগে সে সম্পর্কে সতর্ক হোন।কোরস শেষে আপনাকে একটি সরকারি ভেরিফাইড সারটিফিকেট দেওয়া হবে। এটি আপনার সিভি কে আরো সমৃদ্ধ করবে।

Photos from Siddiq'S Solution's post 10/09/2021

ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করেনি এমন অভিজ্ঞতার মানুষ পৃথিবীতে বিরল। কিছু কিছু সমস্যা খুবই সাধারণ আবার কিছু সমস্যা জটিল। সাধারণ সমস্যাগুলাে অনেক সময় ব্যবহারকারীরাই ঠিক করে ফেলতে পারে। জটিল সমস্যার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞ কারও মাধ্যমে ঠিক করাতে হয়। কম্পিউটার বা বিভিন্ন যন্ত্রগুলােও এর ব্যতিক্রম নয়। যারা ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করে তারা নিশ্চয়ই লক্ষ করেন প্রত্যেকটি যন্ত্রের সাথে একটি করে ম্যানুয়াল বা ব্যবহার নির্দেশিকা থাকে। এ নির্দেশিকার একটি বৈশিষ্ট্য হলাে এর শেষদিকে এক বা দুটি পৃষ্ঠা থাকে যার শিরােনাম হলাে ট্রাবলশুটিং। ট্রাবলশুটিং অংশে সাধারণ সমস্যার প্রকৃতি ও এর সমাধান দেওয়া থাকে।

ট্রাবলশুটিং হচ্ছে সমস্যার উৎস বা উৎপত্তিস্থল নির্ণয়ের প্রক্রিয়া। সাধারণত কিছু প্রশ্ন উপস্থাপন করা হয় এবং পাশাপাশি সমাধান দেওয়া থাকে। ব্যবহারকারী তার সমস্যার প্রকৃতি অনুযায়ী সমাধান অনুসরণের মাধ্যমে বেশিরভাগক্ষেত্রে সমস্যাটি সমাধান করতে পারে..

মূলত ট্রাবলশুটিং হচ্ছে এমন কিছু যা একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকে করতে হয়। অন্য যেকোনাে ইলেকট্রনিক যন্ত্রের তুলনায় কম্পিউটার বা যন্ত্রের ট্রাবলশুটিং একটু বেশিই প্রয়ােজন হয়। এর একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে এ যন্ত্রগুলাে আমরা অনেক বেশি সময় ধরে ব্যবহার করি । তাই ব্যবহারকারীদের অবশ্যই সাধারণ ট্রাবলশুটিং সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। সাধারণত হার্ডওয়্যার সম্পর্কিত সমস্যার ক্ষেত্রে ট্রাবলশুটিং কথাটি ব্যবহূত হয়ে থাকে।

Photos from Siddiq'S Solution's post 09/09/2021

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি? কিভাবে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখব?
ওয়েব ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার হিসেবে নেওয়ার জন্য ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোর্স শেখার উদ্দেশ্যে অনেকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বই খুঁজে থাকেন। আপনি ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট জানতে চাইলে বা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট গাইডলাইন পেতে চাইলে কিংবা ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট কোর্স কোথা থেকে শিখতে পারবেন, ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে আজকের পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন। তাছাড়া ওয়েব ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মধ্যে কী কী পার্থক্য আছে, সে বিষয়েও আজ বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন।
বর্তমান সময়ে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্টের এত বেশি চাহিদা রয়েছে যেটি বলে শেষ করা যাবে না। আপনি যদি একজন ভালোমানের ওয়েব ডিজাইনার হতে পারেন, তাহলে টাকার পিছনে আপনাকে ছুটতে হবে না, টাকা আপনার পিছনে ছুটবে। কারণ একজন ভালোমানের ওয়েব ডিজাইনারের অনলাইনের বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে অনেক ভ্যালু রয়েছে। সেই সাথে আপনি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হতে পারলে সফলতা পাওয়া আপনার জন্য কোন ব্যাপার হবে না।
ওয়েব ডিজাইন কি? ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি? ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি? আপনার জন্য কোনটি আগে শেখা দরকার? কিভাবে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখবেন? কেথায় থেকে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখবেন? ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখতে কী কী লাগবে বা কত দিন লাগবে? ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখলে আপনি কিভাবে আয় করতে পারবেন ইত্যাদি ইত্যাদি, আজকের পোস্টে মূলত আমরা এই সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করব।
ওয়েব ডিজাইন কি?
একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করাকে সংক্ষেপে ওয়েব ডিজাইন বলা হয়। সাধারণত একটি ওয়েবসাইট দেখতে কি রকম হবে, সেটা ওয়েব ডিজাইনের উপর ডিপেন্ড করে। আরেকটু বিশ্লেষন করে বললে এভাবে বলা যায় যে, একটি ওয়েবসাইটের লোগো দেখতে কি রকম হবে, লগো কোন জায়গায় বসবে, ওয়েবসাইটের সাইডবার ডানে থাকবে না বামে থাকবে, মেনুবার কেমন হবে, ওয়েবসাইটের কালার কেমন হবে, ওয়েবসাইটের পোস্টের ফন্ট সাইজ কত হবে, ওয়েবসাইটের কোথায় কোথায় বিজ্ঞাপনের জন্য স্পেস রাখা হবে ইত্যাদি ইত্যাদি কাজ ওয়েব ডিজাইনের মাধ্যমে করা হয়। মোট কথা হচ্ছে আমরা একটি ওয়েবসাইটকে বাহ্যিক দৃষ্টিতে যেগুলো দেখতে পাই সেগুলো কেমন হবে, সেটা ওয়েব ডিজাইনের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় বা ডিজাইন করা হয়।
ওয়েবসাইটের ধরণ
কাজের সুবিধার জন্য সাধারণত দুই ধরনের ওয়েবসাইট হয়ে থাকে। যেমন-
• স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট।
• ডাইনামিক ওয়েবসাইট।
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে কোন ধরনের এ্যাডমিন প্যানেল থাকে না। অর্থাৎ যেকোন কাজ করার জন্য সরাসরি কোডিং এর মাধ্যমে কাজ করতে হয়। এমনকি কোন পোস্ট লিখার সময় সেটিও এইচটিএমল কোডের ভীতরে বসিয়ে দিতে হয়। বর্তমানে এ ধরনের ওয়েবসাইটের প্রচলন নেই বললে চলে।
ডাইনামিক ওয়েবসাইট
ডাইনামিক ওয়েবসাইটে কাজ করার জন্য এ্যাডমিন প্যানেল থাকে। মূলত ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে একটি ডাইনিক ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়। এ ধরনের ওয়েবসাইটে নারমালি কাজ করার জন্য কোন ধরনের কোডিং এর প্রয়োজন হয়।

উদাহরণ হিসেবে আমার এই পোস্টটি ধরে নিতে পারেন। এই পোস্টটি লেখার জন্য আমাকে কোন ধরনের এইচটিএমল বা সিএসএস বা অন্য কোন ধরনের কোডিং করতে হয়নি। আমি জিমেইল আইডি দিয়ে গুগল ব্লগারে লগইন করে একটি নতুন পোস্ট তৈরি করে পোস্ট এ্যাডিটর এর ভীতরে কোন ধরনের কোডিং ছাড়াই আমার লেখাটি পোস্ট করেছি। অথচ পোস্টের ভীতরে কোডিং এর কাজ অটোমেটিক সম্পন্ন হয়েছে। এই ধরনের ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলা হয়।
এখানে গুগল ব্লগার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করে একটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করে রেখেছে। আর আমরা সেটি ব্যবহার করে কোন ধরনের কোডিং নলেজ ছাড়া সরাসরি যেকোন ধরনের পোস্ট শেয়ার করতে পারছি। মুলত কোডিং ছাড়া এ্যাডমিন প্যানেলের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ডিজাইন ও ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট বা কন্টেন্ট লিখা সহ আনুষাঙ্গিক বিষয় নিয়ন্ত্রন করাকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কি?
একটি ওয়েবসাইটের ভীতরের অংশের মাধ্যমে বা এ্যাডমিন প্যানেলের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের বাহিরের অংশ তৈরির জন্য বা কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট করার জন্য ওয়েবসাইটের এ্যাডমিন প্যানেলকে ফ্যাংশনাল করার কাজই হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট। অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইট এর যাবতীয় ফাংশনাল কাজ করার জন্য যে কোড করা হয় তাকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলে। এ বিষয়টি আমি উদাহরনের মাধ্যমে আরো পরিষ্কার করছি।

গুগল ব্লগারে লগইন করার পর আপনার ব্লগের সেটিংস ও পোস্ট সহ অন্যান্য যে অপশন দেখতে পান সেগুলোই ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে করা হয়। তাছাড়া আপনারা যারা Magone থিমটি ব্যবহার করছেন, তারা ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন যে, SneeitSpot এর মাধ্যমে ব্লগের ডিজাইনের বিভিন্ন পরিবর্তন করা যায়। এই পরিবর্তন করানোর যে অপশন আমরা দেখতে পাই, সেগুলোই ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে করা হয়।

এগুলো আপনার কাজে লাগতে পারে-

• ফ্রি ওয়েবসাইট তৈরি: কিভাবে ফ্রি ওয়েবসাইট বানানো যায়?
• ব্লগ তৈরি করার নিয়ম: কিভাবে একটি ফ্রি ব্লগ তৈরী করব?
• কিভাবে BlogSpot ব্লগে Custom Domain সেটআপ করতে হয়?
তাছাড়া যারা বিভিন্ন ওয়ার্ডপ্রেস থিম ব্যবহার করেন, তারা অবশ্যই দেখে থাকেন যে, এক একটি থিম ইনস্টল করার পর থিম ডিজাইন বা ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য অনেক ধরনের ফিচার্স বা সেটিংস থাকে। যেগুলোতে শুধুমাত্র ক্লিক করে ওয়েবসাইটের ডিজাইন পরিবর্তন করা যায় এবং ক্লিক ও ড্রাগ এন্ড ড্রপ করে সহজে একটি ওয়েবসাইটকে মনের মত করে সাজানো যায়। এই ক্লিক এন্ড ড্রাগ ড্রপ করার যে ফ্যাংশন থাকে, সেগুলো ওয়েব ডেপেলপমেন্টের মাধ্যমে করা হয়।

আমরা শুধুমাত্র ক্লিক করে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করে মনে মনে ভাবি যে, আসলে ওয়েবসাইটের কাজ এ ধরনের হয়ে থাকে। আসলে আপনি ক্লিক করে ওয়েবসাইটের যে ডিজাইন করছেন, সেটি ওয়েবসাইটের বা থীমের ভীতরে কোডিং করে দেওয়া থাকে। মূলত HTML, CSS, Javascript and Jquary, PHP সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কোডিং করে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটকে সহজে কাজ করার উপযোগি করে তুলা হয়। আর যারা এই ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজ করে থাকেন, তাদেরকে ওয়েব ডেভেলপার বলা হয়।

ওয়েব ডেভেলপাদের ধরণ
সাধারণত কাজের ধরণ অনুসারে ওয়েব ডেভেলপারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার
• ব্যাক ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার
• ফুলস্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার
ফ্রন্ট ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার
এ ধরনের ডেভেলপাররা শুধুমাত্র একটি ওয়েবসাইটের বাহিরের অংশকে ডিজাইন করে থাকে। কোন ক্লায়েন্ট যখন একজন ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপারকে নির্দিষ্ট ডিজাইনের কোন ওয়েবসাইট তৈরি করে দিতে বলেন, তখন এ ধরনের ডেভেলপাররা তাদের ক্লায়েন্টের কাছ থেকে ওয়েবাসইটকের ডিজাইন জেনে নিয়ে শুধুমাত্র HTML ও CSS এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট ডিজাইন করে দেয়। এ ধরনের ডেভেলপাররা ওয়েবসাটকে ফ্যাংশনাল করে দেয় না।

ব্যাক ইন্ড ওয়েব ডেভেলপার
একজন ব্যাক ইন্ড ডেভেলপারকে অবশ্যই ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে পরিপূর্ণ নলেজ রাখতে হয়। কারণ ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ না জেনে ব্যাক ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করা যায় না। তবে এ ধরনের ডেভেলপাররা সাধারণত ফ্রন্ড ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করে না। কারণ এক সাথে দুটি কাজ করতে গেলে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয়।

নরমালি একজন ব্যাক ইন্ড ডেলেভপার ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপারের নিকট থেকে একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইনের কোডগুলো নিয়ে সেটির একটি এ্যাডমিন প্যানেল তৈরি করেন। এ্যাডমিন প্যানেল তৈরি করার পর সেই ওয়েবসাইটের ডিজাইন পরিবর্তন করার জন্য বা নতুন পোস্ট লেখার জন্য কোডিং করতে হয় না। অর্থাৎ একজন ব্যাক ইন্ড ডেভেলপার একটি ওয়েবসাইটকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটে রূপান্তর করে দেয়।

ব্যাক ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই HTML, CSS, Javascript and Jquary, PHP, Python, Bootstrap সহ আরো বিভিন্ন ধরনের কোডিং জানতে হবে। সবগুলো বিষয় সম্পর্কে পরিপূর্ণ অভীজ্ঞতা না থাকলে ব্যাক ইন্ড ডেলেভপমেন্টের কাজ করতে পারবেন না।

ফুলস্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার
যে ডেভেলপার একসাথে ফ্রন্ট ইন্ড ডেভেলপমেন্ট এবং ব্যাক ইন্ড ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে পারে, তাকে ফুলস্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার বলা হয়। এ ধরনের ওয়েব ডেভেলপার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ও ওয়েব ডিজাইনের কাজ সম্পর্কে অনেক অভীজ্ঞ হয়। তাছাড়া এ ধরনের ওয়েব ডেভেলপারের অনলাইন ও অফলাইন উভয় মার্কেটে অনেক ডিমান্ড থাকে।

ওয়েব ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর পার্থক্য কি?
অনলাইনে যারা নতুন তাদের অনেকেই ওয়েব ডিজাইন ও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর মধ্যে পার্থক্য বুঝে না। অথচ এই দুটি একটি হতে অন্যটি সম্পূর্ণ আলাদা। ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলমেন্টকে এভাবে বলা যায় যে, ওয়েব ডিজাইন দৃশ্যমান থাকে আর ওয়েব ডেভেলপমন্টে ওয়েব ডিজাইনকে প্রাণ দেয়। যেমন- ফেসবুক দেখতে কেমন, কোথায় ছবি থাকবে, কোথায় চ্যাট বক্স থাকবে, কোথায় হোম বাটন থাকবে, কোনটার রং কেমন হবে ইত্যাদি ইত্যাদি হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন এর কাজ। আর ফেসবুকে স্ট্যাটাস লিখে দিলে তা সবার কাছে পৌঁছে যাবে, ইমেইল পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইনে ক্লিক করলেই লগইন হয়ে যাবে, লাইক এ ক্লিক করলে একটা লাইক যোগ হবে এবং ব্যবহারকারীর কাছে লাইক এর নোটিফিকেশন চলে যাবে, ইত্যাদি হচ্ছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ।

কিভাবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখবো?
অনলাইনে অধিকাংশ লোক সহজে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার প্রফেস খুঁজে থাকেন। আপনি জেনে রাখুন, সহজে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শেখার কোন উপায় বা কোর্স নেই। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে এক ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। আর আপনি অবশ্যই জানেন যে, প্রোগ্রামিং শেখা কোন সহজ কাজ নয়। তবে আপনি ধৈর্য ধারণ করে নিচের উপায়গুলো অনুসরণ করলে আপনিও অল্পদিনে একজন ওয়েব ডেভেলপার হতে পারবেন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে কী কী লাগবে?
• অবশ্যই আপনার একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ লাগবে।
• আপনার প্রচুর ধৈর্য্য শক্তি ও মনোযোগ থাকতে হবে।
• কাজর শেখার জন্য আপনার প্রচুর আগ্রহ থাকতে হবে।
• কাজ করার জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকতে হবে। কারণ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট খুব সুক্ষ বিষয়।
• এডোবি ফটোশপ সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকতেই হবে।
• ইংরেজী ভালোভাবে না জানলেও মোটামুটি জানতে হবে।
• সৃজনশীল চিন্তা শক্তি থাকলে কাজ করতে সহজ হবে।
• ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট সম্বন্ধে ধারণা থাকতে হবে।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার লাগবে। যেমন- নোটপ্যাড++ ও এডবি ড্রিমওয়েবার।
ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার জন্য কী কী শিখতে হবে?
আপনি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই অনেক ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ জানতে হবে। নিচের সবগুলো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ভালোভাবে আয়ত্ম করতে পারলে আপনি একজন অভীজ্ঞ ওয়েব ডেভেলপার হতে পারবেন।

১। এইচটিএমএল (HTML)
এইচটিএমএল হচ্ছে এক ধরনের মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ। এইচটিএমএল দ্বারা একটি ওয়েবসাইটের বিভিন্ন অংশকে মার্ক করা হয়। একটি ওয়েবসাইটের হেডার কোথায় হবে, ফুটার কোথায় হবে, সাইডবার কোথায় থাকবে ইত্যাদি ইত্যাদি অংশগুলোকে এইচটিএমএল দ্বারা নির্ধারণ করা হয়। মূলত একটি ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি অংশ ভাগ বা নির্ধারণ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই এইচটিএমএল শিখতে হবে।
২। এক্সএমএল (XML)
XML অর্থ হলো eXtensive Markup Language. এটা এইচটিএমএল এর মত একটা মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ, তবে কাজ একটু ভিন্ন। এইচটিএমএল এর মত এখানেও এলিমেন্ট আছে, এট্রিবিউট আছে, এগুলো ব্যবহার করে একটা এক্সএমএল ডকুমেন্ট তৈরী করা হয়। তবে এইচটিএমএল এ এলিমেন্ট/ট্যাগ নির্দিষ্ট করা (যেমন Body, H1, P ইত্যাদি) আর এক্সএমএল (xml) এ নিজের ইচ্ছেমত এলিমেন্ট/ট্যাগ বানানো যায়। এইচটিএমএল এর সাথে এক্সএমএল এর বড় একটা পার্থক্য হচ্ছে এক্সএমএল এ এট্রিবিউট দিয়ে এলিমেন্টের ভিতর কি ডেটা আছে সেটা বর্ননা করা যায়, কিন্তু এইচটিএমএল এ এমন সুবিধা নেই।
৩। সিএসএস (CSS)
এইচটিএমএল দ্বারা আপনি একটি ওয়েবসাইটের যে অংশগুলোকে ভাগ করেছেন সিএসএস দিয়ে সেই অংশ বা পুরো ওয়েবসাইটকে ডিজাইন করতে হবে। আপনার ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি অংশের মাপ কতটুকো হবে, প্রত্যেকটি অংশে কালার কি রকম হবে, ছবি কত সাইজের হবে, ফন্ট সাইজ কত হবে বা কোন ফন্ট হবে ইত্যাদি সহ যাবতীয় ডিজাইনের কাজ করার জন্য সিএসএস শিখতে হবে।
৪। Responsive Design
এটি সিএসএস এর একটি অংশ। একটি ওয়েবসাইটকে সকল ধরনের ডেস্কটপ, লেপটপ, টেবলেট ও স্মার্টফোনের উপযোগী করে তুলাই হচ্ছে Responsive Design এর কাজ। আপনার ওয়েবসাইটকে সকল ধরনের ছাট বড় মোবাইল ও কম্পিউটারে পরিষ্কারভাবে শো করানোর জন্য এবং লেখাগুলো ভালোভাবে উপস্থাপন করার জন্য Responsive Design এর কাজ জানতে হবে। আপনি সিএসএস সম্পর্কে অভীজ্ঞ হলে এ কাজটি সহজে শিখতে পারবেন।
৫। Javascript & jQuery
Javascript & jQuery দিয়ে একটি ওয়েবসাইটের ইনটর একটিভ করা হয়। উদাহরণ হিসেবে ধরুন- ফেসবুকে কেউ যখন আপনার পোস্টে কোন লাইক বা কমেন্ট করে, তখন আপনার কাছে একটি নটিফিকেশন আসে। এই কাজকে ইনটর একটিভিটি বলা হয়। এ ধরনের কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই Javascript & jQuery শিখতে হবে। তাছাড়া আপনার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের স্লাইড শো, ইমেইল ফরম, ইমেল সাবস্ক্রিবশন ফরম ও লগইন ফরম তৈরি করে সেটাকে ফ্যাংশনাল করার জন্য Javascript & jQuery লাগবে।
৬। Bootstrap
Bootstrap হচ্ছে অনেক জনিপ্রয় একটি ফন্ট ইন ফ্রেমওয়ার্ক। এটির সাহায্যে একটি ওয়েবসাইটকে অধিক আকর্ষণীয় করে তুলা যায়। অধিকাংশ ক্লায়েন্টরা তাদের ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য Bootstrap এর ডিমান্ড করে থাকে। এইচটিএমএল, সিএসএস ও Javascript & jQuery শিখার পর Bootstrap শিখাটা আপনার জন্য একদম সহজ হয়ে যাবে।
৭। পিএচপি (PHP)
একটি ওয়েবসাইটকে ডায়নামিক বা ফ্যাংশনাল করার জন্য আপনাকে অবশ্যই পিএইচপি শিখতে হবে। ডায়নামিক ওয়েবসাইট নিয়ে আমি উপরের আলোচনা করেছি। মূলত একটি ওয়েবসাইটের এ্যাডমিন প্যানেল তৈরি করার জন্য পিএইচপি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত যে ওয়েবসাইট বেশি ডায়নামিক বা ফ্যাংশানাল করা থাকে, সে ওয়েবসাইট বা থীমের ডিমান্ড বেশি হয়।
৮। ওয়ার্ডপ্রেস (WordPress)
ওয়ার্ডপ্রেস হচ্ছে বর্তমান বিশ্বের সবচাইতে জনপ্রিয় CMS (Content Management) সফটওয়্যার। বিশ্বের যত জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে সবগুলো ওয়েবসাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি। এ জন্য আপনি অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিবেন। অন্যান্য বিষয়গুলো শিখতে পারলে ওয়ার্ডপ্রেস শিখতে আপনার বেশি সময় লাগবে না।
৯। গিট (Git)
Git হচ্ছে একটি সফটওয়্যার ভার্সন কন্ট্রল সিস্টেম। যেকোন ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার আরো অধিক জনপ্রিয় বা স্মুথ রাখার জন্য প্রতিনিয়ত আপডেট রাখতে হয়। আপনার ওয়েবসাইটের ভার্সন আপডেট বা নিয়ন্ত্রন করার জন্য গিট শিখতে হবে। আপনার তৈরি কোন ওয়েবসাইট বিক্রি করলে সেটি আপনার ক্লায়েন্টদেরকে গিট এর মাধ্যমে আপডেট দিতে পারবেন। কারণ আপডেট ছাড়া কোন সফটওয়্যার বা ওয়েবসাইটের উপর মানুষের আস্তা থাকে না। কাজেই ওয়েবসাইট সমসয় আপডেট রাখার জন্য আপনাকে অবশ্যই গিট শিখে নিতে হবে।
১০। UI অথবা UX
একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন করাই হচ্ছে UI এর কাজ। আপনি একজন ভালোমানের ওয়েব ডিজাইনার হতে চাইলে, আপনার অবশ্যই UI জানতে হবে। UI সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকলে আপনি নিজে নিজে ওয়েবসাইটের বিভিন্ন ডিজাইন তৈরি করে ক্রিয়েটিভিটি দেখাতে পারবেন। আপনি একজন ফুলস্ট্যাক ওয়েব ডেভেলপার হতে চাইলে আপনার UI সম্পর্কে ধারনা থাকা প্রয়োজন।
১১। ফটোশপ (Photoshop)
একজন ভালোমানের ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার হওয়ার জন্য ফটোশপ জানাটা বাধ্যতামূলক। কারণ ওয়েবসাইট ডিজাইন করার জন্য মাঝে মধ্যে ওয়েবসাইটের লোগো ডিজাইন করা প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে ফটোশপ জানা না থাকলে আপনি একজন অভীজ্ঞ ওয়েব ডেভেলপার হতে পারবেন না। তাছাড়া সাধারণত ক্লায়েন্টরা ফটোশপে তাদের ওয়েবসাইটের ডিজাইন করে একজন ওয়েব ডেভেলপারের কাছে নিয়ে আসে। এ ক্ষেত্রে ফটোশপ থেকে ওয়েবসাইটের এলিমেন্ট আলাদা করার জন্য অবশ্যই ফটোশপ সম্পর্কে জানা থাকতে হবে।
১২। এসইও (SEO)
একজন ওয়েব ডেভেলপারকে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের এ্যাডভান্স বিষয় জানার প্রয়োজন না হলেও বেসিক বিষয়ে ধারনা থাকতে হয়। কারণ ওয়েবসাইটের অনেক ট্যাগ রয়েছে যেগুলোর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের উপযোগি করে তৈরি করতে হয়। বিশেষকরে ওয়েবসাইটের কোথায় H1, H2, H3 ট্যাগ থাকবে এবং কোন কোন HTML অংশে সঠিক স্কীমা ব্যবহার করতে হবে, সেটি জানা না থাকলে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ হবে না। আর ওয়েবসাইট অপটিমাইজ করা না থাকলে ওয়েসবাইট তৈরি করে আপনার ক্লায়েন্টরা লাভবান হতে পারবে না।
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ক্যারিয়ার
আপনি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হলে ওয়েব ডেভেলপমেন্টকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারেন। একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার অনলাইনে বিভিন্ন প্লাটফর্ম হতে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারেন।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে কিভাবে আয় করবেন?
আপনি হয়ত বিষয়টি হালকাভাবে নিচ্ছেন। আপনি একজন ভালোমানের ওয়েব ডেভেলপার হলে আপনাকে কোন চাকরি খুঁজতে হবে না। তখন বিভিন্ন আইটি কোম্পানি আপনাকে চাকরির জন্য অফার করবে। কারণ ওয়েব ডেভেলপমেন্টের অনলাইনে ও অফলাইনে প্রচুর পরিমানে ডিমান্ড রয়েছে। নিচের কয়েকটি উপায়ে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে টাকা ইনকাম করে নিজের ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারেন।

১। কোম্পনিতে ওয়েব ডেভেলপার হয়ে
আপনি একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপার হলে বিভিন্ন আইটি কোম্পানিতে ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে চাকরিতে যোগ দিতে পারেন। একজন ওয়েব ডেভেলপার বিভিন্ন আইটি কোম্পানিতে প্রতিদিন মাত্র ৮ ঘন্টা কাজ করে মাসে ৭০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা বেতনে চাকরি করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে আপনাকে চাকরির জন্য কারো দরজায় দরজায় যেতে হবে না। আপনি কাজ জানলে আপনার কাজ বিভিন্ন চাকরির অফার নিয়ে আসবে।

২। ফ্রিল্যান্সিং করে
একজন দক্ষ ওয়েব ডেভেলপারের বিভিন্ন অনলাইন মার্কেট প্লেসগুলোতে কি পরিমানে ডিমান্ড রয়েছে সেটি একজন ফ্রিল্যান্সার ছাড়া কেউ বলতে পারবে না। আপনি একজন অভীজ্ঞ ওয়েব ডেভেলপার হলে ফ্রিল্যান্সিং করে ঘরে বসে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবেন। কারণ অনলাইন মার্কেট প্লেসে একটি ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট করে অনেক বেশি দামে বিক্রি করা সম্ভব হয়।

৩। নিজের ডিজাইন বিক্রি করে
অনলাইনে কি পরিমানে ওয়েব ডিজাইন বা ওয়েব থীম বিক্রয় হয় সেটি Theme Forest এ ভিজিট করলে আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। Theme Forest সহ আরো বিভিন্ন অনলাইন মার্কেট প্লেস হতে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইটের ডিজাইন ক্রয় করা যায়। Theme Forest এর প্রত্যেকটি থিমের লক্ষ লক্ষ সেল রয়েছে। আপনি ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলেপমেন্ট সম্পর্কে পারদর্শি হতে পারলে নিজের তৈরি ওয়েবসাইট বিক্রি করে মাসে প্রচুর পরিমানে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।

তাছাড়া বর্তমানে আমাদের দেশেও ওয়েবসাইটের প্রচলন বেড়েই চলেছে। এখন প্রত্যেকটি কোম্পানি তাদের নামে একটি ওয়েবসাইট রাখতে পছন্দ করে। এ ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন কোম্পানির ওয়েবসাইট তৈরি করে ভালোমানের টাকা আয় করতে পারবেন।

শেষ কথা
একজন অভীজ্ঞ ওয়েব ডিজাইনার বা ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার জন্য আপনাকে ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কী কী কাজ শিখতে হবে এবং কিভাবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ শিখতে হবে, আশাকরি সে বিষয়ে আপনি এখন বুঝতে পেরেছেন। সেই সাথে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখে ওয়েব ডেভেলপমেন্টকে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহন করলে কি পরিমানে আয় করতে পারবেন, সে বিষয়েও মোটামুটি ধারনা পেয়ে গেছেন।

বাজারে অল্প টাকাতে বিভিন্ন ধরনের কোর্স পাওয়া যায় কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সেগুলোতে সিরিয়াল মেইন্টেইন থাকেনা। আমাদের কাছে আপনি একদম শুরু থেকে কিভাবে শুরু করবেন,কোনটার পর কোনটা করতে হবে সব কিছু একদম গোছানো সিরিয়ালি পাবেন এবং একজন সফল ওয়েব ডেভেলপার হয়ে যেতে পারবেন। তবে হ্যা অবশ্যই আপনাকে অধ্যবসায়ী এবং সময় দিতে হবে। মিনিমাম ৬মাস। আমাদের কাছে আপনি অফলাইন এ ওয়েব ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর HD ভিডিও পাবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Kotowali
Chittagong
4000