21/05/2025
বর্তমান সোশ্যাল মিডিয়ায় টাকা উপার্জন অনেকের জন্যই সহজ। খুব সহজে লাখ টাকা উপার্জন করতে পারলেও কেউ চিন্তা করে না সেই টাকা হালাল নাকি হারাম উপায়ে আসছে!
অধিক টাকা আর জনপ্রিয়তা (ভাইরাল) হবার লোভ সামলানো সহজ নয়। কিছু বিষয় তুলে ধরলাম, যা হারাম উপার্জনের তালিকাভুক্তঃ
অশ্লীলতা বা শরীর প্রদর্শন করে কনটেন্ট বানানো,
বেহায়া নাচ বা অঙ্গভঙ্গি,
ভুয়া বা মিথ্যা গল্প বানিয়ে মানুষকে ধোঁকা দেওয়া,
মিথ্যা থাম্বনেইল বা ক্লিকবেইট দিয়ে ভিউ বাড়ানো,
হারাম পণ্যের (যেমন মদ, সুদের প্রতিষ্ঠান, জুয়ার অ্যাপস) বিজ্ঞাপন চালানো,
ইসলামবিরোধী বা গোনাহের কনটেন্ট মনিটাইজ করা,
অন্যের কনটেন্ট বা গান চুরি করে ব্যবহার করা (কপিরাইট লঙ্ঘন),
গালি বা অশালীন কথাবার্তাসহ কনটেন্ট বানানো,
ইবাদত বা দান সদকার ভিডিও করে লোক দেখানো ও নিজের খ্যাতি বাড়ানো,
ভাইরাল চ্যালেঞ্জে অন্যকে টেনে এনে গোনাহের পথে উৎসাহিত করা,
এসব উপায়ে উপার্জন করা স্পষ্ট হারাম।
নিজের হাতে কামাই করে অল্প টাকায় কষ্ট করে বেঁচে থাকুন, পরকাল সুন্দর থাকবে। হারাম উপার্জনে দুনিয়াতে অনেক ভালো লাইফ লিড করতে পারলেও মৃত্যুর পরের জীবন ভয়ানক।
আল্লাহ্র রসূল (সঃ) বলেছেনঃ
“নিশ্চয়ই আল্লাহ পবিত্র, তাই তিনি কেবল পবিত্র জিনিসই গ্রহণ করেন...” তারপর তিনি এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করলেন, যে দীর্ঘ সফর করেছে, ধুলোবালি ও কষ্টে জর্জরিত অবস্থায় আকাশের দিকে হাত তুলে বলে: ‘হে রব! হে রব!’ অথচ তার খাদ্য হারাম, পানীয় হারাম, পোশাক হারাম, এবং হারামে লালিত—তাহলে তার দোয়া কিভাবে কবুল হবে?” (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১০১৫)
“যে শরীর হারাম উপার্জনে লালিত হয়েছে, তার জন্য আগুনই উপযুক্ত স্থান।” (তিরমিজি, হাদিস:৬১৪)