25/06/2025
💖 একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ গেট এটি। যেটি একটি অসাধারণ শিল্পকর্ম । এই গেটের নকশাটি কেবল নান্দনিকই নয়, বরং একদম ব্যতিক্রমধর্মী। কারণ এই গেটটি তৈরি হয়েছে বইয়ের আদলে!
💖 বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেলজয়ী কাব্যগ্রন্থ গীতাঞ্জলি, বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর কাব্যগ্রন্থ অগ্নিবীণা থেকে শুরু করে মহাকবি কায়কোবাদের মহাশ্মশান, মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের শ্রীকান্ত, ডা. লুৎফর রহমানের মহৎ জীবন, সৈয়দ শামসুল হকের নুরুলদীনের সারাজীবন, হুমায়ুন আহমেদের শঙ্খনীল কারাগার, এমন সাহিত্যরত্নের সমাহার হয়েছে এই গেটে।
❤️ এছাড়াও বিদেশি সাহিত্যের বেশকিছু বই স্থান পেয়েছে গেটটির একটি পিলারে।
💗 এরকম ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যোগ কলেজ গেটটিকে সারাদেশে ভিন্ন মাত্রার পরিচিতি দিয়েছে।
💝 লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার একটি ইউনিয়নে অবস্থিত এই কলেজটি। সংগ্রহীত।
06/06/2024
বর্ষায় আগমনে প্রাকৃতিকভাবে সজ্জিত কৃষ্ণচূড়ার ফুল ও কদম ফুল যা আমাদের বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে তা স্মরন করিয়ে দেয়।
01/05/2024
বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
27/03/2024
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যাকাতের ৮ টি খাত নির্ধারন করেছে এর বাইরে অন্য খাতে যাকাতের টাকা দিলে আদায় হবে না ।যাহা নিম্ন রুপ:
26/03/2024
মহান স্বাধীনতা দিবস - ২০২৪ উপলক্ষে চট্টগ্রাম সরকারি মডেল স্কুল এন্ড কলেজে বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করা হয় : সূর্য উদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ,আলোচনা , দোয়া অনুষ্ঠান, কবিতা আবৃত্তি ,রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।প্রধান অতিথির বক্তৃতা দিয়েছেন মাননীয় অধ্যক্ষ জনাব ড.অর্থদশী’ বড়ুয়া স্যার মহোদয়,অনুষ্টানের সভাপতি ছিলেন -মহান স্বাধীনতা দিবস-২৪ কমিটির আহবায়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক ,জনাব সুব্রত কুমার ভৌমিক , বিশেষ অতিথি ছিলেন জনাব মোঃ আয়নাল হোসেন ,প্রভাষক , গণিত। আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মহান স্বাধীনতা দিবস-২৪ কমিটির সদস্য জনাব এস,এম, আশরাফুল হাবিব, প্রভাষক, ব্যবস্থাপনা । আরও বক্তব্য দেন জনাব মোহাম্মদ মোর্শেদুল করিম , প্রভাষক , ইসলামের ইতিহাস,জনাব মোহাম্মদ আব্দুল মোনায়েম, প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান,জনাব ইন্দ্রজিত কুমার রায় স্যার,প্রভাষক ,যুক্তিবিদ্যা ও জনাব বিপ্লব আচার্য স্যার , সহকারী শিক্ষক।সভার শুরুতে পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থসমূহ থেকে যথাক্রমে পবিত্র কুরআন শরীফ,পবিত্র গীতা ও পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ করা হয়। সর্বশেষে ড.মুহামমদ ওয়ালিউললাহ, প্রভাষক, আরবি ও ইসলাম শিক্ষা পরিচালনায় দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সকল শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার শান্তি কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি করা হয়। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ , প্রদ‘শক , আইসিটি বিভাগ।
25/03/2024
আজ ভয়াল ২৫ মার্চ। জাতীয় গণহত্যা দিবস।
১৯৭১ সালের এইদিনে বাঙালি জাতির জীবনে এক বিভিষিকাময় রাত নেমে আসে। মধ্যরাতে বর্বর পাকিস্তানি হানানদার বাহিনী কাপুরুষের মত তাদের পূর্ব পরিকল্পিত অপারেশন সার্চলাইটের নীলনকসা অনুযায়ী আন্দোলনরত বাঙালিদের কণ্ঠ চিরতরে স্তব্ধ করে দেওয়ার ঘৃণ্য লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
অনেকেই মনে করেন , ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু এক রাতের হত্যাকান্ডই ছিল না, এটা ছিল মূলতঃ বিশ্ব সভ্যতার জন্য এক কলংকজনক জঘন্যতম গণহত্যার সূচনা মাত্র।
অস্ট্রেলিয়ার ‘সিডনি মর্নিং হেরাল্ড’ পত্রিকার ভাষ্য মতে শুধুমাত্র পঁচিশে মার্চ রাতেই বাংলাদেশে প্রায় এক লক্ষ মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল, যা গণহত্যার ইতিহাসে এক জঘন্যতম ভয়াবহ ঘটনা। পরবর্তী নয় মাসে একটি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার লক্ষ্যে ৩০ লাখ নিরপরাধ নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পূর্ণতা দিয়েছিল সেই বর্বর ইতিহাসকে।
তাদের সংঘটিত গণহত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ সবই ১৯৪৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ শীর্ষক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে বর্ণিত সংজ্ঞায় গণহত্যার চূড়ান্ত উদাহরণ।
মার্কিন সাংবাদিক রবার্ট পেইন ২৫ মার্চ রাত সম্পর্কে লিখেছেন, ‘ঢাকায় ঘটনার শুরু মাত্র হয়েছিল। সমস্ত পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে সৈন্যরা বাড়িয়ে চললো মৃতের সংখ্যা। জ্বালাতে শুরু করলো ঘর-বাড়ি, দোকান-পাট লুট আর ধ্বংস তাদের নেশায় পরিণত হলো যেন। রাস্তায় রাস্তায় পড়ে থাকা মৃতদেহগুলো কাক-শেয়ালের খাবারে পরিনত হলো। বাংলাদেশ হয়ে উঠলো শকুন তাড়িত শ্মশান ভূমি।’
এই গণহত্যার স্বীকৃতি খোদ পাকিস্তান সরকার প্রকাশিত দলিলেও রয়েছে। পূর্ব পাকিস্তনের সঙ্কট সম্পর্কে যে শ্বেতপত্র পাকিস্তানী সরকার মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রকাশ করেছিল, তাতে বলা হয়: ‘১৯৭১ সালের পয়লা মার্চ থেকে ২৫ মার্চ রাত পর্যন্ত এক লাখেরও বেশী মানুষের জীবননাশ হয়েছিল।’
১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে জয়লাভ করা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগের কাছে পাকিস্তানী জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করার ফলে সৃষ্ট রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের প্রক্রিয়া চলাকালে পাকিস্তানী সেনারা কুখ্যাত ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে নিরীহ বাঙালী বেসামরিক লোকজনের ওপর গণহত্যা শুরু করে। তাদের এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল আওয়ামী লীগসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সকল সচেতন নাগরিককে নির্বিচারে হত্যা করা।
২৫ মার্চ দুপুরের পর থেকেই ঢাকাসহ সারাদেশে থমথমে অবস্থা বিরাজ করতে থাকে। এদিন সকাল থেকেই সেনা কর্মকর্তাদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মত। হেলিকপ্টার যোগে তারা দেশের বিভিন্ন সেনানিবাস পরিদর্শন করে বিকেলের মধ্যে ঢাকা সেনানিবাসে ফিরে আসে।
ঢাকার ইপিআর সদর দফতর পিলখানাতে অবস্থানরত ২২তম বালুচ রেজিমেন্টকে পিলখানার বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিতে দেখা যায়। এদিন মধ্যরাতে পিলখানা, রাজারবাগ, নীলক্ষেত আক্রমণ করে পাকিস্তানী সেনারা। হানাদার বাহিনী ট্যাঙ্ক ও মর্টারের মাধ্যমে নীলক্ষেতসহ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দখল নেয়। সেনাবাহিনীর মেশিনগানের গুলিতে, ট্যাঙ্ক-মর্টারের গোলায় ও আগুনের লেলিহান শিখায় নগরীর রাত হয়ে উঠে বিভীষিকাময়।
পাকিস্তানি হায়েনাদের কাছ থেকে রক্ষা পায়নি রোকেয়া হলের ছাত্রীরাও। ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব ও জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, ড. মনিরুজ্জামানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৯ জন শিক্ষককে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। ঢাবির জগন্নাথ হলে চলে নৃশংসতম হত্যার সবচেয়ে বড় ঘটনাটি। এখানে হত্যাযজ্ঞ চলে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত।
প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান অপারেশন সার্চ লাইট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সকল পদক্ষেপ চুড়ান্ত করে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করে করাচি চলে যান।
সেনা অভিযানের শুরুতেই হানাদার বাহিনী বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং শেষ শত্রু বিদায় না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাবার আহবান জানান।
বঙ্গবন্ধুর এই আহবানে সাড়া দিয়ে বাঙালী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং দীর্ঘ ৯ মাস সশস্ত্র লড়াই শেষে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পূর্ণ বিজয় অর্জন করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।(এস.এম.আশরাফুল হাবিব, প্রভাষক, চট্টগ্রাম সরকারি মডেল কলেজ, চট্টগ্রাম।)