CUSRC

CUSRC

Share

Research Institution

17/08/2021

সৌদিতে শিক্ষাবৃত্তি, পিএইচডি–মাস্টার্সে ৪০০০ ও ৩০০০ রিয়ালের সঙ্গে অন্য ভাতা

বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফ্রি স্কলারশিপ দেবে সৌদি আরবের কিং আবদুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের স্নাতক, মাস্টার্স ও পিএইচডি ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এ বৃত্তিতে। আগ্রহী শিক্ষার্থীর অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন এ বৃত্তির জন্য।

স্কলারশিপের জন্য কোনো আবেদন ফি নেই। বৃত্তিটি বিজ্ঞান, চারুকলা, মানবিক, ব্যবসায় প্রশাসন, প্রকৌশল, কম্পিউটার প্রকৌশলসহ সব একাডেমিক প্রোগ্রামের জন্য দেওয়া হবে। পিএইচডি প্রোগ্রামের জন্য সময়কাল তিন বছর, স্নাতকোত্তর ডিগ্রির জন্য দুই বছর এবং স্নাতক প্রোগ্রামের জন্য চার বছর।

বৃত্তির সুযোগ–সুবিধা
* বিমানের টিকিট (রিটার্নসহ)।
* পিএইচডি এবং মাস্টার্স পরীক্ষার্থীদের জন্য যথাক্রমে প্রায় ৪,০০০ রিয়াল এবং ৩,০০০ রিয়াল থিসিস প্রিন্টিং ভাতা।
* বই শিপিং ভাতা।
* খাবার ভাতা (প্রযোজ্যতার ক্ষেত্রে)।
* থাকার ব্যবস্থা।
* সফল প্রার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা।
* প্রস্তুতি ভাতা।
* মাসিক ভাতা।

আবেদনের যোগ্যতা
বাদশাহ আবদুল আজিজ বৃত্তির আবেদনের জন্য কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। এগুলো হলো-
* আবেদনকারীদের অবশ্যই আকর্ষণীয় একাডেমিক রেকর্ড থাকতে হবে।
* তিন বছরের বেশি আগে অবশ্যই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স্নাতক প্রশংসাপত্র থাকতে হবে।
* আবেদনকারীদের বয়স ১৭-২৫ বছর হতে হবে।
* পিএইচডি প্রোগ্রামের আবেদনকারীদের অবশ্যই ৩০ বছরের কম বয়সী হতে হবে।
* আরবি ভাষা, ইসলামিক আইন অধ্যয়ন, মনোবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের আবেদনকারীদের অবশ্যই আরবি ভাষায় দক্ষ হতে হবে।
এ বৃত্তির জন্য আবেদন করা যাবে এ বছরের শেষ দিন পর্যন্ত।

'কিং আবদুল আজিজ' স্কলারশিপ ও আবেদন পদ্ধতির ব্যাপারে বিস্তারিত জানতেঃ

https://scholarships365.info/king-abdulaziz-university-scholarship

প্রথম আলো ডেস্ক
প্রকাশ: ১৫ আগস্ট ২০২১

26/05/2021

যেভাবে ইংরেজি দ্রুত শিখবেন: ১০টি সহজ টিপস!

ইংরেজি বেশ মজার একটি ভাষা। ইংরেজিকে সাধারণত বেশ বোধগম্য ও সহজ ভাষা হিসেবেই ধরা হয়। আমরা প্রায় সময়ই ভেবে থাকি "না আমার দ্বারা এটি শেখা হবেই না।"

আমি বলবো, “না, আপনিই পারবেন। কীভাবে? চলুন শুরু করি…”

১) হাতের কাছাকাছি যা পান সব কিছুই পড়ার চেষ্টা করুন

ইংরেজি বই, সংবাদপত্র, ওয়েবসাইট, ইমেইল, ফেসবুক নিউজফিড: চোখের সামনে ইংরেজিতে যাই পান সব পড়ে দেখার চেষ্টা করবেন, বোঝার চেষ্টা করুন। এতে করে নতুন ভোকাবুলারি শেখা সম্ভব। যা ইংরেজি শেখার মূল। নতুন এবং পুরান দুইটাই। এভাবে একদিকে যেমন নতুন শব্দ শেখা যাবে, তার পাশাপাশি পুরাতন শব্দগুলো ঝালিয়ে নেওয়া সম্ভব। কিন্তু, শুধু পড়তে থাকলেই হবে না, আপনাকে…

২) নতুন শব্দগুলো নোট করে রাখতে হবে

এটা বেশ সাধারণ একটি টিপস হলেও কার্যকর। পড়তে পড়তে মজার একটি শব্দ সামনে আসলে মনে হয় 'আরে, এই শব্দের অর্থ আমি কখনোই ভুলবো না।' কিন্তু দেখা যায় এক সময় গিয়ে আমরা সেটা ভুলে যাই। সব সময় একটা ছোট নোটবুক, অথবা ডিজিটাল ভাবে করলে কোনো নোট-টেকিং অ্যাপের মধ্যে নতুন বা অজানা শব্দগুলো লেখে রাখতে হবে। শুধু শব্দটা না, অর্থ ও সিনোনিমসহ লেখে রাখতে হবে, যেন পরবর্তীতে এক নজরেই মনে করে নেওয়া যায়।

৩) বন্ধুদের সাথে ইংরেজি প্র্যাক্টিস করুন

কারো সাথে স্পিকিং না করেই ইংরেজি শেখবেন? উহু, সম্ভব না। জানি কী বলবেন, টেক্সট করে হয়তো অনেক ইংরেজি প্র্যাক্টিস করা সম্ভব। কিন্তু ওই যে, স্পিকিং প্র্যাক্টিসটা যে হলো না? প্রায় সময়ই মেসেজে দেখি যে, "ইংরেজি বুঝি, কিন্তু বলতে পারি না।" তাই আমাদের অভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে; কথা বলতে হবে, ইংরেজিতে।

৪) ইউটিউবে শিক্ষনীয় ইংরেজি চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইব করে রাখুন

রান্না ভালবাসেন? বিভিন্ন দেশের রাজনীতি শুনতে পছন্দ করেন? খেলার কমেন্ট্রি শুনতে পছন্দ করেন? তাহলে এ বিষয়গুলোর ভালো ভালো ইংরেজি চ্যানেলগুলোর ভিডিও অথবা পডক্যাস্ট শুনতে পারেন। দেখা গিয়েছে, প্রতিদিন আমাদের পাঁচ লক্ষ কর্মঘন্টা নষ্ট হচ্ছে** ট্রাফিক জ্যামের কারণে। এই সময়ে যদি আমার চ্যানেলের ভিডিওগুলো দেখে ডিরেক্ট ইংরেজি শেখার পাশাপাশি এই জিনিসগুলো করেন, তাহলে বলা যায় আপনার ইংরেজি চর্চা হবে সম্পূর্ণ।

৫) বন্ধুদের থেকে শেখা শুরু করুন

আমাদের ফ্রেন্ডলিস্টে সব সময়ই অন্তত এমন একজন বন্ধু আছে যে একদম সুন্দর করে ইংরেজিতে স্ট্যাটাস দিতে পারে। তাদের লেখাগুলো ঘাটুন। কঠিন বাক্যগুলো বোঝার চেষ্টা করুন। ওরা কী বুঝাতে চাচ্ছে এটা অনুধাবন করার চেষ্টা করুন। এভাবে কিন্তু ভোকাবুলারিও শেখা সম্ভব।

৬) প্রশ্ন করুন

আপনি হয়তো ঘরে বসে Spoken English কোর্সটি করছেন, এবং কোথাও আটকে গিয়েছেন, প্রশ্ন করুন। অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথেও আলোচনা করতে পারেন। একটা ব্লগ হয়তো পড়ছেন, লেখককে জিজ্ঞেস করুন আপনার কনফিউশনগুলো। আপনার বন্ধুকে বলুন, সে যে ইংরেজিতে স্ট্যাটাস দিয়েছে এটা যেন বুঝিয়ে দেয়।

৭) ইংরেজির যে টপিকগুলো আপনার শেখা অধিক প্রয়োজন সেগুলো আগে শিখুন

ইংরেজিতে ১০ লক্ষেরও বেশি শব্দ*** রয়েছে। সবগুলো অথবা অদরকারীগুলো শিখতে গেলে সারা জীবন চলে যাবে। তাই নিজেকে প্রশ্ন করুন, কোন ধরনের শব্দগুলো আমার এই মুহূর্তে জানা থাকা প্রয়োজন? আপনি যদি জেনারেল জিনিসগুলো শেখার উদ্দেশ্যে মেকানিক্যাল কোনো বিষয়ে কারো লেখা পি এইচ ডি পেপার নিয়ে বসেন, তাহলে কিন্তু যেখানে শুরু করেছিলেন সেখানেই থেকে যাবেন, কিছু শেখা হবে না।

৮) প্রতিদিন সামান্য করে শিখুন

একদিনেই ইংরেজিতে বাজিমাত করার চেষ্টা করছেন? আমরা প্রায়ই এমনটা করার চেষ্টা করি। রাত ৪ টা পর্যন্ত পড়ার পর পরের দিন দেখা যায় কিছুই মনে পড়ছে না। তাই প্রতিদিন পড়তে হবে এবং একটু একটু করে পড়তে হবে। সকালে ১৫টি শব্দ শিখেছেন। রাতে আরও নতুন ১৫টি শব্দ চর্চা না করে সকালের গুলো আবার brush-up করে ফেলুন। এতে করে শব্দগুলো মনে রাখা সম্ভব হবে।

৯) লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

শেখা শুরু করার আগে আপনাকে একটা কাজ করতে হবে। লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। আজ শেখা শুরু করলে এক মাস পর আপনি কতটুকু শিখতে চান, সেটা আগে থেকে লিখে রাখুন। প্রতিদিন এটা দেখবেন এবং নিজেকে বলবেন, "আর ২৫ দিন বাকি। আমার লক্ষ্য পূরণ করতে হলে আজ ৪ ঘন্টা পড়তে হবে।"

১০) শেখার শুরু করার পরও উন্নতি না হলে হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না কোনোভাবেই

ইংরেজি শেখা শুরু করলেন। দু' মাস হয়ে গেলো। আপনি ভেবে দেখলেন এখনও আপনি আপনার পাশের বন্ধুটির মত অনর্গল ইংরেজিতে কথা বলতে পারছেন না।

এখন কী করবেন, হাল ছেড়ে দিবেন? উহু, এই কাজটা ভুলেও করা যাবে না। ভেবে দেখুন, দু'মাস আগে আপনি যতটা ইংরেজি জানতেন, তার চেয়ে একটু হলেও বেশি জানেন কি না? উত্তর যদি হ্যাঁ হয় (এবং তা অবশ্যই হ্যাঁ হবে যদি আপনি শেখা শুরু করেন), তাহলে সেটাই যথেষ্ট।

লিখেছেন - Munzereen Shahid আপু

14/04/2021

ক্যারিয়ারের অসুখ

I need a job. I want a job. I just need a job. I want any type of job !!!
দেশের ৩৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ৯৩টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ৩টি আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিবছর বের হচ্ছে দুই লাখের বেশি আর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় 'জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়' থেকে বের হচ্ছে প্রতিবছর ৫ লাখেরও বেশি student। ৭ লাখ শিক্ষিতদের একটাই কথা – I want a job!
শিক্ষাজীবন শেষে কর্মজীবন শুরু তো করতেই হবে, খুব স্বাভাবিক। কিন্তু বাংলাদেশে কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটছে। একদিকে প্রচুর বেকার আর অন্যদিকে লক্ষ লক্ষ বিদেশি চাকুরির বাজার দখল করে নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ফিলিপাইনের চোখ এখন বাংলাদেশের কর্মবাজারের দিকে।
পরিস্থিতি খুব পরিষ্কার। দেশের চাকুরি ৪%-৫% সরকারি চাকুরি বাকি ৯৪%-৯৫% চাকুরি এখন বেসরকারি খাতে। আরও পরিষ্কার যে, চাকুরির অভাব নেই।
চাকুরির অভাব নেই অথচ চাকুরি পাচ্ছে না লাখ লাখ বাংলাদেশি তরুণ-তরুণী। ওদিকে লাখ লাখ বিদেশি বছরে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে যা বাংলাদেশের সব সরকারী চাকুরিজীবীদের মোট বেতনের চাইতেও অনেক বেশি।
তাহলে গ্যাপটা কোথায়? বছরে ৭ লাখ শিক্ষিত ছেলেমেয়ে তো বের হচ্ছে !!এরা কেন চাকুরি পাচ্ছে না, বিদেশিদের দখল করা লোভনীয় চাকুরিগুলো?
University Grants Commission (UGC) কতগুলো কারণ বলেছে – তারমধ্যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো থেকে যারা বের হচ্ছে তাদের ১। কমিউনিকেশন স্কিলস কম, ২। ইংরেজি বলতে পারার ছেলেমেয়ে খুবই কম, ৩। যা জানে, তা উপস্থাপন করতে পারে না এবং ব্যবসায়ীক ডিলিংসের যেসব উপস্থাপনা, সেগুলোতেও ভীষণ দুর্বল।
সম্ভবত ৩টি কারণই দারুণ সত্যি। কমিউনিকেশন স্কিলসের কথা বললে – বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা অনেক ছেলেমেয়েই আকাশ থেকে পড়ে !! এটা কী? খায় না গায়ে দেয়?
আরেকটি কারণ এর সাথে যোগ করা দরকার, প্রতিবছর যারা বের হচ্ছে, তাদের প্রায় সবাই সরকারি চাকুরির জন্য সেই মান্ধাতার আমলের ইথিওপিয়ার রাজধানী, ভারতের পররাষ্ট্রনীতি এসব মুখস্থ করা শুরু করে দেয় আর অষ্টম শ্রেণির অংক বই হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ করা ছেলেমেয়ের সবচেয়ে জরুরি বই!! সরকারি চাকুরিগুলো তেমনই – Knowledge based, প্রথমেই এখানে স্কিলস দরকার নেই। যারা চাকুরি পাবে তাদেরকে পরে তৈরি করে নেয়া হবে। এবং প্রশিক্ষণ খাতে তাদের জন্য বিপুল বাজেট থাকে।
কিন্তু বেসরকারি চাকুরি বা কর্পোরেট জব? সেখানে তো ইথিওপিয়ার রাজধানীর কোন ধার ধারছে না। সেখানে সরাসরি Skilled মানুষ চায়। সরকারের মতো তাদের বিপুল বাজেট নেই, যে নিয়োগ দেয়ার পরে প্রায় ৩০ বছর তাদের ধাপে ধাপে তৈরি করা হবে!
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় অসুখটা ঠিক এখানেই।
সরকারি চাকুরি প্রস্তুতি নিতে গিয়ে ৯৫% ছেলেমেয়ে হতাশ হয়ে পরে। এবং তারা যেহেতু ৬/৭ বছরও সেই মুখস্থ করেই সরকারি চাকুরি পাওয়ার জন্য দৌড়াতে থাকে, স্কিল অর্জনের সময়ই তো নেই। এরা পরবর্তীততে ঘোর বিপদে পড়ে। প্রথম দিকে যারা কর্পোরেটে ঢুকে গেছে, তাদের ধারে কাছে তাদের আর যাওয়ার সময় বা সুযোগটাও থাকে না।
এই বিপুল সংখ্যাটা, বলতে কষ্ট হয়, জব মার্কেটের জন্য অনেকটা অচল মালে পরিণত হয়।
আর ঘটনা ঠিক সেখানেই ঘটে । আমাদের ব্যবসায়ী, কর্পোরেটরা এই অচল মাল নিতে একদমই রাজি না। তারা চায় রেডিমেড চৌকস পেশাজীবী। টাকার যেহেতু অভাব নেই, তারা বিদেশ থেকে প্রচুর চৌকস কর্মী নিয়ে আসে। কারণ অচল মাল দিয়ে তারা প্রতিযোগিতার বাজার টিকতে পারবে না। অল্প কিছু ব্যতিক্রম বাদ দিলে তাদের আসলেই হাত পা বাঁধা।
প্রথম সর্বনাশটা ঘটে যায়, সরকারি চাকুরির পেছনে দৌড়াতে গিয়ে, দ্বিতীয় সর্বনাশটা ঘটে, কোন ধরনের স্কিল অর্জনের চেষ্টা না করে, চ্যালেঞ্জ নেয়ার সাহসটা না নিয়ে নিজেকে প্রতিযোগিতার মাঠে খেলার জন্য অনুপযুক্ত প্রমাণ করে দিয়ে।
তাহলে ক্যারিয়ারের প্রথম অসুখটি কী বাংলাদেশের ছেলেমেয়েদের?
প্রথম অসুখটি হলো ক্যারিয়ার নিয়ে কোন স্বপ্ন না থাকা, সুনির্দিষ্ট ক্যারিয়ার না থাকা। যে ৫% তাদের স্বপ্ন ঠিক করে প্রস্তুতি নিয়ে এগুতে থাকে, তারা জব মার্কেট ফাটিয়ে দেয়, চাকুরি তাদের পেছনে দৌড়ায়।
আর যে ৯৫% বলে – I want a job, I want any kind of job! তাদের ভীষণ অসুখ। কী জব সেটাই জানে না, মানে জীবনে সে কী চায়, সেটাই তো জানে না। যে তার জীবনে কী চায় সেটাই জানে না, সে আসলে তার প্রতিষ্ঠান তার কাছ থেকে কী চায়, জব মার্কেট কী চায়, সেটা বুঝবে কীভাবে!!
এদেশের লক্ষ লক্ষ ছেলেমেয়ে মাস্টার্স পাশ করার পরে ভাবে, সে কী করবে !! তখন সে ১০১ ধরনের চাকুরিতে আবেদন করতে থাকে। যেই সার্কুলারই পায়, আবেদন করতে থাকে।
অথচ অনার্সে থাকতে থাকতেই তার ক্যারিয়ারের ‘সুনির্দিষ্ট’ প্রস্তুতি নেয়ার কথা ছিলো। ৫% তাই করে, তারা নিজেদের লক্ষ্য ঠিক করে পড়ার সাথে সাথে ক্যারিয়ারের দৌড়টাও শুরু করে। বাকিরা? এই দৌড়ে পিছিয়ে পড়ে। আর একবার পিছিয়ে পড়লে, যারা আগে দৌড় শুরু করেছে, তাদের ধারে কাছে যায় না।
এই যে নিজের ক্যারিয়ারের কোন চয়েস নাই !! একটা সময়ে গ্রামে মেয়েদের কোন চয়েস থাকতো না। বাবা মা যেখানেই বিয়ে দিতো, সেখানেই কবুল বলতো। কিন্তু চাকুরির বেলায়? কোন চয়েসই নাই, বিশাল অংশের, ওই আগেরদিনের বিয়ের মতো – একটা হইলেই হইলো। সে জানেই না, তার কী করা উচিত। সে জানেই না, নিজের সাথে যায় এমন ক্যারিয়ারের জন্য তৈরি না হয়ে অন্য ক্যারিয়ারে বেতন যাই হোক, তা নরকে পরিণত হয়।
এই অসুখের চিকিৎসা একটাই – নিজের ক্যারিয়ার চয়েস থাকতেই হবে। ১০১টা জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করে শক্তির অপচয় না করে পুরো শক্তি নিয়ে একটা লক্ষ্যের দিকে ছুটতে হবে।
একটা পাইলাম আর ঢুকে পড়লাম – এর নাম ক্যারিয়ার নয়, এর নাম জীবন নয়। একটু আগে থেকে প্রস্তুতি আর সেই অনুযায়ী পরিশ্রম করলে ক্যারিয়ারের অসুখ ধারেকাছেও আসবে না। চাকুরির কোন অভাব নেই, যদি কমিউনিশন স্কিলস থাকে, ইংরেজিটা ভালো বলতে পারেন, প্রেজেন্টেশন সেই রকম দিতে পারেন, আর যে কাজ সেটাতে ভালোবাসা থাকে মানে সেই কাজটি করার সব দক্ষতা থাকে। ৫% এর আছে, বাকি ৯৫% ও এই সুযোগ নিতে পারে।
শেষে একটা দারুণ অ্যানালজি দিয়ে শেষ করতে চাই। আপনি এই বাজারে গেলে আপনার সামর্থ্যের মধ্যে সেরা জিনিসটি চান! একজন চাকুরিদাতাও কিন্তু তার সামর্থ্য অনুযায়ী সেরা কর্মীটি চায়। আপনি দক্ষ না হলে এখানে কেউ আপনাকে কিনবে না, কিনলেও ফুটপাতের দামে বিক্রি হতে হবে।
সিদ্ধান্ত আপনার – নিজের সেবার মূল্য কতটা দিতে নির্ধারণ করবেন। ননব্র্যান্ড আর ব্র্যান্ডের জিনিসের দাম কিন্তু অনেক তফাৎ! নিজেকে ব্র্যান্ড বানান, সময় কিন্তু সীমিত।

Copied from Abu Jahid vai

12/04/2021

ইন্টারভিউর সময় ইংরেজিতে কথা বলার জড়তা কাটানো কিংবা প্রয়োজনীয় বই টাকার অভাবে কিনতে না পারা বা অতিরিক্ত বই কেনার টাকা না থাকায় প্রস্তুতি নিতে না পারা ইত্যাদি ক্যারিয়ার প্রস্তুতির নানা সমস্যা নিয়ে কিছু এপস আপনাকে মুহুর্তেই সমাধান দিবে।

১. Buddytalk/Live Audio Chat: ইংরেজি শিখতে গেলে কথা বলার কোন বিকল্প নেই৷ কিন্তু আমরা সচরাচর কথা বলতে পারি না কথা বলার পার্টনার না পাওয়ায়। তাই আমাদের ইচ্ছা থাকলেও উপায় না থাকার কারণে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে ভয় পাই। এই অ্যাপটির মাধ্যমে আপনি ইংরেজিতে কথা বলার পার্টনার খুজে পাবেন।

২. : Moon+Reader: মোবাইলে কিংবা ট্যাবে বই পড়ার জন্য এর চেয়ে ভালো অ্যাপ আছে কিনা আমার জানা নেই। এই অ্যাপটির সাইজও খুব কম। অ্যাপের মাঝেই আপনি খুজে নিতে পারেন আপনার পছন্দের বইটি। এই অ্যাপটি ফোনে থাকা মানে আস্ত একটা লাইব্রেরি থাকা।

৩. Photomath: হঠাৎ গণিতের একটা প্রশ্ন সমাধান করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লেন। ঐ সময় আপনার সাথে কেউ নেই যে আপনাকে বুঝিয়ে দেবে। এমতাবস্থায় এই অ্যাপে গিয়ে প্রশ্নটির একখানা ছবি তুইলেই সাথে সাথে স্টেপ বাই স্টেপ সলিউশন দেবে এই অ্যাপটি।

৪. Camscanner: বন্ধুর কাছে তার নোট খাতাটা ধার নিলেন। তো তার নোটখাতাটি তাকে দিয়ে দেওয়ার আগে আপনি যদি দ্রুতই তার নোট খাতাটির একটা পিডিএফ ফাইল তৈরি করে নিজের ফোনে রাখেন তাহলে কেমন হয়? এই অ্যাপটি আপনাকে যেকোনো ডকুমেন্ট স্কান করে দিতে পারবে। একেবারে কম্পিউটারের স্ক্যানারের মতো।

কার্টেসি: বাংলাদেশ ক্যারিয়ার ক্লাব

PhD Programmes, Research Projects & Studentships in the UK & Europe 11/04/2021

PhD পর্বঃ-
পিএইচডি অর্জন বা শুরু করার জন্য কীভাবে প্রস্তুতি নিবেন?

ডক্টরাল ডিগ্রি অন্য যে কোনও ধরনের ডিগ্রির চেয়ে ভিন্নরকমের। আর তাই, কি কি করলে পিএইচডি প্রস্তুতি খুব ভাল হবে তা অনেকে পিএইচডি শুরুর সময় বুজতে পারেন না। নিচের গাইডলাইনটি কিছু জিনিস ব্যাখ্যা করবে যা আপনাকে আপনার পিএইচডির প্রস্তুতি নিতে বা শুরু করতে সহায়তা করতে পারে।

১। সম্পর্ক তৈরি করুন
পিএইচডি অর্জনের জন্য আপনার প্রস্তুতির শুরুতে বেশ কয়েকজন মূল ব্যক্তির সাথে কার্যকরী সম্পর্ক গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ।
আপনি পিএইচডি করার মাধ্যমে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে পেশাদার সম্পর্ক গড়ে তুলবেন তা হ'ল আপনার সুপারভাইজারের সাথে । সে/তারাঃ
আপনার ডক্টরাল গবেষণায় আপনাকে সহায়তা করবে।
আপনার পিএইচডি অধ্যয়নের সমন্বয় করতে সহায়তা করবে
আদেশ দিবে।
আপনার কাজের উপরে গঠনমূলক প্রতিক্রিয়া জানাবে (চূড়ান্ত থিসিসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি এই কাজ করবে)।

তবে আপনার সুপারভাইজারের প্রকৃত ভূমিকা এবং দায়িত্বগুলি প্রকৃতপক্ষে নির্ভর করে গবেষণা ধরনের উপর। নির্ভর করে বিশ্ববিদ্যালয়, আপনি ও আপনার সুপারভাইজারের কাজের ধরন এবং ব্যক্তিত্বের উপর।
সুতরাং, আপনার সুপারভাইজারের সাথে কার্যকরী সম্পর্ক গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ঘন ঘন যোগাযোগ, বিশেষত আপনার পিএইচডি প্রস্তুতির অংশ হিসাবে এটি গুরুত্বপূর্ণ।
আরও কিছু মূল সম্পর্ক রয়েছে যা বিকাশ করা উচিত। সে সম্পর্ক হতে পারে সহকারী সুপারভাইজার, পোস্টডক, পিএইচডি কলিগ, অন্যান্য গবেষণা কর্মী এবং সহায়তা কর্মীর সাথে।

আপনার বিভাগ / ল্যাব গ্রুপের সাথে জড়িত হওয়া
বেশিরভাগ গবেষণা বিভাগ এবং ল্যাব গ্রুপ নিয়মিত সভা করবে এবং এতে পিএইচডির শুরুতে জড়িত হওয়া দরকারি। আপনার বিভাগ সম্ভবত গবেষণা সেমিনার করবে - যেগুলি আরেকটি সুযোগ, এখানে আগ্রহ দেখানো দরকার এবং এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য একাডেমিশিয়ানের সাথে জড়িত হওয়ার সুযোগ আসে। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে অন্যান্য ইভেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তথ্য এবং গাইডেন্সের দরকারী সোর্স হওয়ার পাশাপাশি, আপনার বিভাগ বা ল্যাব গ্রুপের অন্য সদস্যরা আপনার বন্ধু হতে পারে। তাদের সাথে পেশাদার এবং সামাজিক সম্পর্ক স্থাপন আপনার পিএইচডি করার সময় সহায়ক হবে।

আমি যদি আমার সুপারভাইজারের সাথে মানিয়ে নিতে না পারি?
যদি কোনও কারণে আপনি যদি মনে করেন যে, আপনার সুপারভাইজারের সাথে আপনার সম্পর্কটি উল্টাপাল্টা, তবে বেশ কয়েকটি জিনিস করা যায়।
প্রথমত, অনেক ছাত্র সুপারভাইজার সম্পর্ক সঙ্গে সমস্যা একটি হল 'যোগাযোগের অভাব'। আপনার সমস্যাগুলি সম্পর্কে একটি সৎ এবং মুক্ত আলোচনা কার্যকর সম্পর্ক তৈরি করতে সহায়তা করতে পারে।
সমস্যা যদি সুপারভাইজারের কাজের স্টাইলে থাকে, যেমন খবর নেয়ার অনুপস্থিত বা বাড়াবাড়ি আচরণ, তবে মিটিং যোগাযোগ এটি সমাধান করতে পারে। আপনাকে সহায়তা করার জন্য অতিরিক্ত সুপারভাইজারও থাকবে।
আপনার যদি এখনও সমস্যা হয় তবে সমস্যাটি সমাধান করার জন্য আপনার ২য় সুপারভাইজার অথবা অন্যান্য স্টাফদের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। যদি সম্পর্ক অপূরণীয় হয় তবে আপনার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্দেশনা সহ সুপারভাইজারকে পরিবর্তন করা সম্ভব।

২। আপনার গবেষণা পরিকল্পনা করুন
আপনার পিএইচডির শুরুতে, বা আপনি শুরু করার আগে গবেষণা পরিকল্পনা (Extended research Proposal).
এর অর্থ রিসার্চ পরিকল্পনা প্রসারিত করা। আপনি যদি একটি লিখেও থাকেন তা প্রস্তাবিত, প্রকল্পটির আরও গবেষণা সম্প্রসারণ করা যায় এমন। আপনি পিএইচডি গবেষণা শুরু করার আগেই গবেষণা ক্ষেত্রটি সম্পর্কে আরও জ্ঞানী হওয়া খুবই কাজ দেয়।
যেহেতু পিএইচডি প্রায় একটি স্বাধীন গবেষণা প্রকল্প সেহেতু আপনি পরিকল্পনা এবং পরিচালনা জুড়ে দায়বদ্ধ থাকবেন। এই পরিকল্পনার মধ্যে স্মার্ট SMART (specific, measurable, actionable, relevant, time-bound) লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কিনা যাচাই করা দরকার।
আমার গবেষণার ফোকাস বদলে গেলে কী হবে?
আপনার গবেষণার জন্য যে পরিকল্পনাগুলি করেছেন তা আপনার পিএইচডি জুড়ে একই থাকবে বলে সম্ভাবনা কম। সমস্যা মোকাবেলা বা নতুন কিছুর অন্তর্ভুক্তি গবেষণার ফোকাস বা দিক পরিবর্তন করবে। তবে পিএইচডির শুরুতে কার্যকর পরিকল্পনা একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় যা এখানে সহায়তা করবে।

৩। উপযুক্ত কাজের পরিবেশের সন্ধান করুন
উপযুক্ত কাজের পরিবেশ আপনার পিএইচডিতে সফল হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। 'পিএইচডির উপর ফোকাস করা' সহজ করার জন্য সবকিছু 'সেট-আপ' করা উচিত।
যেমনঃ
আপনি যে গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ/অধ্যয়ন করছেন তার কাছাকাছি দূরত্বে বাস করা।
উপযুক্ত কাজের জায়গা খুঁজে বের করা যেটি একটি পরিষ্কার এবং পরিপাটি অফিস, যেখানে মন অন্য কোন দিকে বিক্ষিপ্ত হয়ে যাবে না।
গবেষণা সম্পন্ন করার জন্য সরঞ্জাম থাকা। যেমনঃ- কম্পিউটার, লাইব্রেরিতে অ্যাক্সেস ইত্যাদি।
আপনি যদি পিএইচডি করার জন্য কোনও নতুন শহর বা দেশে বসতি স্থাপন করেন তবে এটি আরও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। আপনি যত তাড়াতাড়ি এগুলো করবেন তা তত ভাল। এটি আপনার সুস্থতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। উপযুক্ত কাজের পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করার পাশাপাশি, আপনার প্রয়োজনীয় যে কোন দরকারে আপনি হাতের কাছে পান এইরকম সুযোগ-সুবিধা আপনাকে বাড়তি সুবিধা দিবে।

৪। আপনার অভিষেক সম্পূর্ণ করুন
আপনার পিএইচডি শুরু করার পরে, আপনি সাধারণত কিছুটা অভিষেকের মধ্য দিয়ে যাবেন। এটি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়, একটি নির্দিষ্ট বিভাগ বা আপনার সুপারভাইজার দ্বারা পরিচালিত হবে।
অভিষেক আপনাকে কিছু তথ্য সরবরাহ করবেঃ
প্রশিক্ষণ
স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তা
বিধি-নিষেধ (বিশ্ববিদ্যালয় এবং পিএইচডি প্রোগ্রাম, উভয়ের)
সভা ও সেমিনার, সংগঠন
পিএইচডি শুরুর সময় আপনাকে 'প্রশিক্ষণের প্রয়োজন বিশ্লেষণ' Training Needs Analysis (TNA) এর মতো দক্ষতা নিরীক্ষণের কাজ শেষ করতে বলা হতে পারে । এটি আপনার শক্তি ও দুর্বলতাগুলি চিহ্নিত করার এবং আপনার ডক্টরেট জুড়ে আপনার দক্ষতা উন্নত করার উপায় অনুসন্ধান করার একটি পথ। এটি আপনার পড়াশোনার শুরুতে শুরু করা হবে এবং আপনার পিএইচডি যাত্রা জুড়ে নিয়মিত আপডেট করা লাগতে পারে।
এই সময়, আপনাকে বিশ্ববিদ্যালয় বা বিভাগীয় ছাত্র সমিতিগুলিতে পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে এবং সামাজিক ইভেন্টগুলিতেও আমন্ত্রিত হতে পারেন।
তবে, অভিষেক আপনাকে পিএইচডি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা সরবরাহ করবে না । যেহেতু ডক্টরাল গবেষণা স্ব-শিক্ষিত অধ্যয়ন, আপনি আপনার সমস্ত প্রশিক্ষণ এবং বিকাশের প্রয়োজনীয়তার সাথে আপ-টু-ডেট থাকার জন্য নিজে দায়বদ্ধ থাকবেন।

৫। লিখতে শুরু করুন
আপনার পিএইচডির কার্যকর প্রস্তুতি এবং পরিচালনার জন্য আপনার গবেষণার শুরুতে লেখার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত । আপনার পিএইচডি শুরু করার আগেও এটি শুরু করা যেতে পারে।
আপনাকে প্রথম যে কাজটি সম্পন্ন করতে হবে তা হ'ল একটি 'অতীত কাজের পর্যালোচনা' (Literature review)। আপনাকে লিখিত কাজের কিছু ড্রাফট জমা দিতে হতে পারে। অতীত কাজের পর্যালোচনা (literature review) শুরু এবং শেষ যত তাড়াতাড়ি হবে আপনার পিএইচডি অর্জনের জন্য তা তত বেশি সুবিধা করে দিবে। এই অতীত কাজের পর্যালোচনা' (literature review) এমনকি আপনার চূড়ান্ত থিসিসের অংশও হয়ে যেতে পারে।

৬। গবেষণা পরিচালনা এবং তাড়াতাড়ি ফলাফল সংগ্রহ করুন
যদিও সাধারণত আপনার বেশিরভাগ গবেষণা এবং ফলাফলগুলি আপনার পিএইচডি অধ্যয়নের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বছরে উদ্ভব হবে, তথাপি আপনার পিএইচডির শুরুতেই আপনার গবেষণা শুরু করা অত্যন্ত উপকারী হতে পারে ।
কার্যকর পরিকল্পনা এবং পরিচালনা আপনাকে গবেষণার প্রাথমিক পর্যায়ে আপনার অনেক ভাল ফলাফল অর্জনের দ্বার উন্মোচন করবে।
এটি পরবর্তীকালে আপনার পিএইচডি তে গঠনমূলক কাজের অনুশীলন এবং অভ্যাসের বিকাশ ঘটাবে।

আমার প্রাথমিক গবেষণাটি যদি দুর্বল / কাজ না করে তবে কী হবে?
প্রাথমিক পর্যায়ে যে গবেষণাটি নিম্ন মানের বা কম গুরুত্বের সাথে শেষ হয় তা বৃথা যাবে না। এই কাজটি 'গবেষণা কৌশলগুলির' ক্ষেত্রে মূল্যবান 'অভিজ্ঞতা' সরবরাহ করবে এবং কার্যকর না হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে আপনাকে জানাবে। এই নেতিবাচক ফলাফলগুলি শেষপর্যন্ত আপনার চূড়ান্ত থিসিসের অংশও হতে পারে।
---------------------------------
মুলঃ findaphd.com
ভাষান্তর, সংস্করণ ও পরিমার্জনেঃ
A B Siddique Biplob, PhD
উমিও, সুইডেন

PhD Programmes, Research Projects & Studentships in the UK & Europe FindAPhD is a comprehensive guide to PhD studentships and postgraduate research degrees

11/04/2021

IELTS WRITING
LINKING WORD LIST.

#বাড়তি_তথ্য_দিতেঃ

Further
Furthermore
Moreover
In addition
Additionally
Then
Also
Too
Besides
Again
Equally important
First, Second
Firstly, Secondly

#তুলনা_করতেঃ

Similarly
Comparable
In the same way
Likewise
As with
Equally

#বিপরীত_তথ্য_দিতেঃ

However
Nevertheless
On the other hand
On the contrary
Even so
Notwithstanding
Alternatively
At the same time
Though
Otherwise
Instead
Nonetheless
Conversely

্রকাশ_করতেঃ

Meanwhile
Presently
At last
Finally
Immediately
Thereafter
At that time
Subsequently
Eventually
In the meantime
In the past

#ফলাফল_বুঝাতেঃ

Hence
Therefore
Accordingly
Consequently
Thus
Thereupon
As a result
In consequence
So
Then

#সংক্ষেপে_বর্ণনা_করতেঃ

In short
On the whole
In other words
To be sure
Clearly
Anyway
On the whole
In sum
After all
In general
It seems
In brief

#উদাহরন_দিতেঃ

For example
For instance
That is
Such as
As revealed by
Illustrated by
Specifically
In particular
For one thing
This can be seen in
An instance of this

#স্থান_বুঝাতেঃ

There
Here
Beyond
Nearby
Next to
At that point
Opposite to
Adjacent to
On the other side
In the front
In the back

#জোর_দিতেঃ

Undoubtedly
Indeed
Obviously
Particularly
In particular
Especially
Clearly
Importantly
Absolutely
Definitely
Never
It should be noted

#সিরিয়াল_বুঝাতেঃ

Following
Previously
Before
Subsequently
Above all
Last but not the least
First and foremost

#সামগ্রিক_ধারনা_দিতেঃ

As a rule
For the most part
In general/generally
On the whole
Overall
In most cases

#উদ্দেশ্য_বুঝাতেঃ

To
So that
So as to
In order to

#মতামত_প্রকাশেঃ

In my opinion
As far as I'm concerned
To my mind
It seems to me that

#পুরোপুরি_একমত_হতেঃ

Certainly
Doubtless
Definitely
Undoubtedly
No doubt
Of course

অনেক উপকারী পোস্ট।
হোক শুরু প্রস্তুতি।

11/04/2021

"গ্র্যাজুয়েশনের আগেই ক্যারিয়ারের জন্য যে কাজগুলো করে রাখা দরকার"

গ্র্যাজুয়েট হওয়ার পর আমাদের মাথায় রাজ্যের টেনশান। যখনই কোনো কোম্পানিতে আবেদন করতে যাই, তখন ইন্টারভিউ দেয়ার পর মনে হয় 'ইশ এই কাজটা যদি আগে করে রাখতাম, ঐ কাজটা যদি আগে জানতাম।' এরকম প্রচুর আফসোস কাজ করে আমাদের মধ্যে। তার উপর আমাদের আরো বড় সমস্যা হলো কেউ যখন কোনো পরামর্শ দেয় সেসব আমরা শুনিনা, পরামর্শমুলক কোনো বড় আর্টিকেল দেখলে বড় লেখা দেখে তা পড়িনা।
তাহলে চাকরিদাতা কি আপনার শ্বশুর যে, ঘরে এসে আপনাকে এমনি এমনি চাকরি দিয়ে যাবে। তাই গ্র্যাজুয়েশনের আগেই ক্যারিয়ারের জন্য যে কাজগুলো করে রাখা দরকার তা Doctrina এর মাধ্যমে আপনাদের জানাচ্ছেন একজন ক্যারিয়ার এক্সপার্ট ও ওয়েবডেভেলাপার।

১. বেসিক ইংলিশ:
তুমি দেশের সেরা ভার্সিটি বা সবচেয়ে খারাপ কলেজের ডিগ্রি কোর্স পড়ো না কেন। ইংরেজি নরমাল কথা বার্তা চালিয়ে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করতেই হবে। কোন একটা ইংরেজি পত্রিকা ধরে সেখানে কি নিয়ে নিউজ করছে সেটা বুঝার যোগ্যতা অর্জন করতেই হবে। নিজের সম্পর্কে বা দেশের সম্পর্কে এক বসায় দুই তিন পাতা ইংরেজিতে লেখার যোগ্যতা তৈরি করতে হবে। ইংরেজি শিখার জন্য ইউটিউবে প্রচুর ভিডিও আছে। ২ মাস ইংরেজি ভিডিও দেখে দেখে রুম বন্ধ করে ওদের কথার সাথে নিজে নিজে উচ্চারণ প্রাকটিস করো। দেখো তোমার ইংরেজি লেভেল কই থেকে কই চলে গেছে।

২. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট:
বন্ধুদের ঘুরতে যাওয়া হোক কিংবা ক্যাম্পসে কোন ইভেন্ট হোক- সেটা ইফতার পার্টি, বৈশাখী মেলা, rag পার্টি, জব ফেয়ার, এলামনাই রিউনিয়ন। যেটাই হোক তোমাকে ইভেন্টের একজন মেইন অর্গানাইজার হতেই হবে। তাহলে তুমি বুঝতে পারবে কিভাবে বিভিন্ন ধরনের মানুষ হ্যাডেল করতে হয়। কিভাবে বাজেট করতে হয়। প্লানিং করতে হয়। মানুষের কাজ থেকে হেল্প আদায় করতে হয়। ১৫-২০ টা জিনিস একসাথে কম্বাইন করার প্রাকটিক্যাল ট্রেনিং ফ্রি ফ্রি আর কোথাও পাবা না।

৩. এরিয়া অফ ইন্টারেস্ট:
তুমি যে সাবজেক্টেই পড়ো না কেন। যে ফিল্ডেই পড়ো না কেন। তোমাকে সেই ফিল্ডের যেকোনো একটা এরিয়াতে তোমার টেক্সট বইয়ের/ক্লাসের পড়ার বাইরে বেশি জানতে হবে। সেটার জন্য তুমি এক্সট্রা বই পড়তে পারো। গুগলে সার্চ দিয়ে আর্টিকেল বের করে পড়তে পারো। সেই ফিল্ডের ব্লগ বা রিসার্চ পেপার থাকলে সেগুলা জানতে হবে। নিজের ভিতরে কিউরিসিটি গ্রো করতেই হবে। তারপর যা যা শিখছো সেগুলা একটা একটা করে সামারি লিখতে হবে। সেই সামারি কোথাও না কোথাও পাবলিশ করার চেষ্টা করবা। ডিপার্টমেন্টের ম্যাগাজিন। সেটাও না পারলে বিশ্বের সেরা পাবলিশার ফেইসবুকে পাবলিশ করে দিবা। দুই একজন বন্ধু টিটকারি মারলেও তুমি কী কী শিখছো সেটা ফেইসবুকে পোস্ট করে দিবা।

৪. নিজস্ব ইনকাম:
তুমি কোটিপতির সন্তান হলেও- স্টুডেন্ট লাইফে তোমাকে কিছু না, কিছু ইনকাম করতেই হবে। তাতে রেস্পন্সিবিলিটি কিভাবে নিতে হয়। কিভাবে অন্যকে সার্ভ করতে হয়। কাজ দিয়ে হ্যাপি রাখতে হয় সেটা শিখতে পারবে। এই ইনকাম টিউশনি দিয়ে, কোচিং সেন্টারে ক্লাস নিয়ে, পার্টটাইম চাকরি দিয়ে হতে পারো। বন্ধুদের কাছে বা আশেপাশের মানুষের কাছে কিছু বিক্রি করে (হালের অনলাইন শপ) যেটাই হোক না কেন, বেশ কয়েকবার ইনকাম করার চেষ্টা তোমাকে করতেই হবে।

৫. বেস্ট ফ্রেন্ড:
তোমার একজন বেস্ট ফ্রেন্ড বানাতেই হবে। একটা ফ্রেন্ড সার্কেল থাকবে। তবে ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে বা বাইরে তোমার একজন বেস্ট ফ্রেন্ড থাকবেই। যার সাথে মিলে তুমি অনেক কিছু করবে। অনেক জায়গায় যাবে। দুজনের ইন্টারেস্ট লেভেল কাছাকাছি থাকবে। একজন আরেকজনকে হেল্প করবে। এই ক্লোজনেস তোমাকে ডাউন টাইমে হেল্প করবে। ফিউচার ঠিক করতে হেল্প করবে। কারণ সব বন্ধুর সাথে সব শেয়ার করা যায় না। বেস্ট বাডি না থাকলে- ইয়াং লাইফে নিজের ভিতরের ইমোশনাল অত্যাচারটা বড্ড রকমের বেশি হবে।

৬. নেটওয়ার্কিং:
তুমি যে ফিল্ডে কাজ করতে চাও। সেই ফিল্ডের কমপক্ষে দশজনের সাথে তোমার কানেকশন থাকতে হবে। তারা হতে পারে তোমার সিনিয়র। অন্য ভার্সিটির সিনিয়র বা অন্য কোথাও থেকে পাশ করা প্রফেশনাল হতে পারে। দেশের বাইরের কেউ হতে পারে। হয়তো কোন ওয়ার্কশপ বা সেমিনারে এ গিয়ে তাদের সাথে পরিচয় হইছে। তাদের সাথে তোমার যোগাযোগ থাকবে। তারা জানবে তুমি কোন কোন জিনিসে ভালো। তোমার প্যাশন কি। ফিউচার প্ল্যান নিয়ে তাদের সাথে ডিসকাস করবা।

৭. বিল্ড ইউর রেজুমি:
চার বছর ভার্সিটি পড়ার পর যদি দেড় পাতা রেজুমি লেখার মেটেরিয়াল তোমার লাইফে না থাকে তাইলে তুমি করলা? তোমাকে এক্সট্রা কারিকুলার এর সাথে জড়িত থাকতেই হবে। যেকোন একটা অর্গানাইজেশনের সাথে। সেরকম কোন অর্গানাইজেশন না থাকলে তুমি এবং তোমার বন্ধুরা মিলে একটা দিয়ে ফেলবে। সিনিয়র ভাইদের কাছ থেকে তাদের সিভি/রেজুমি জোগাড় করে ফেলবা। দরকার না থাকলেও সেকেন্ড ইয়ারে/থার্ড ইয়ারে তোমার একটা রেজুমি বানিয়ে ফেলবে। bdjobs বা এই জাতীয় অনলাইন জব সাইটগুলোতে গিয়ে দুই একটা জব সার্কুলার দেখে ঠিক করবে তারা কী কী চায়। তাহলে বুঝতে পারবে কোন কোন জায়গায় গ্যাপ আছে। তখন সেই গ্যাপগুলার এরিয়াতে ইমপ্রুভ করে ফেলবে।

৮. MS Word/PowerPoint:
তুমি যেই লাইনেই পড়ো কেন। MS word এ কিভাবে রিপোর্ট ফরম্যাট দিতে হয়, অটোমেটিক টেবিল অফ কন্টেন্ট কিভাবে বানাতে হয়। ট্রেকিং চেইঞ্জ, রেফারেন্স এড করার বিষয়গুলো জানতে হবে। একইসাথে ভালো পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বানানোর চেষ্টা করবে। তোমার ক্লাসে প্রেজেন্টেশন না থাকলে নিজেই নিজের জন্য বানিয়ে ফেলবে। how to make good PowerPoint presentation লিখে গুগলে সার্চ দিয়ে শিখার জন্য চেষ্টা করতে হবে।

৯. MS Excel:
তুমি ইঞ্জিনিয়ারিং/মেডিকেল/কিংবা হিস্ট্রি যে সাবজেক্টেই পড়ো না কেন। বেসিক Excel তোমাকে শিখতেই হবে। কিভাবে excel এ যোগ করে, এভারেজ বের করে। চার্ট বানায়, ফর্মুলা এপ্লাই করে, ডাটা ফিল্টার করে, ফর্মুলা বাদে ভ্যালু কপি-পেস্ট করে। একাধিক ওয়ার্কশীট থেকে ডাটার সামারি করে। সেটা তোমাকে জানতেই হবে। জাস্ট এক সপ্তাহ সময় দাও। নিজের কম্পিউটারে এক্সেল না থাকলে, গুগল ড্রাইভের গুগল শিট (sheet) এ কিভাবে করে শিখে ফেল।

১০. মঞ্চে উঠতে হবে:
স্টুডেন্ট লাইফে একবার না একবার তোমাকে স্টেজে উঠতেই হবে। মিনিমাম ৫০জন মানুষের সামনে। সেটা বক্তৃতা দিতে হোক। উপস্থাপনা করতে হোক। বা নাচ, গান/নাটক কিছু পারফর্ম করতে হোক। তোমাকে পাবলিকের সামনে দাঁড়ানোর ভয় কাটানোর এর চেয়ে ভালো সুযোগ স্টুডেন্ট লাইফের বাইরে কোথাও পাবা না।

১১. এক্সট্রা নলেজ:
পাঠ্য বইয়ের বাইরের জগতে তোমাকে হানা দিতেই হবে। সেটা হতে পারে কিছু বিখ্যাত বই পড়ে (বাংলায় বা ইংরেজিতে)। উপন্যাস বা আত্ন-উন্নয়নমূলক বা অন্য কোন ক্যাটাগরির বই। হতে পারে কিছু অস্কার বিজয়ী সিনেমা। মোস্ট পপুলার TED talks গুলা দেখলে। অন্য ডিপার্টমেন্টের ছেলেপুলেরা কী কী নিয়ে পড়তেছে সেটা নিয়ে মাঝে মধ্যে গল্প করলা। তাইলে তুমি তোমার জগতের বাইরের কিছু জিনিস সম্পর্কে অবগত হলে। আর তার পাশাপাশি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুজে কি জিনিস। কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর প্রাথমিক ধারণাগুলো নিয়ে রাখতে হবে।

১২) ব্যক্তিগত প্রিপারেশন:
তোমার একটা ব্যাংক একাউন্ট থাকতে হবে। টিউশনি করে হোক বা যেভাবেই হোক পাশ করার পর তিন-চার মাস চলার মতো টাকা তোমার ব্যাংকে থাকতে হবে। কারণ পাশ করার পরের দিনই সবাই চাকরি পেয়ে যাবে না। তোমাকে দুই জোড়া ফর্মাল ড্রেস কিনে রাখতে হবে। ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার সময় কাজে লাগবে।

মনে রাখবে- তোমার নিজেকেই নিজে গড়ে নিতে হবে। তোমার ভার্সিটি তোমাকে গড়ে দিবে না। শুধু একটা প্লাটফর্ম দিবে। সেই প্লাটফর্ম কাজে লাগানোর দায়িত্ব তোমার।
এই চেকলিস্ট ধরে ধরে এখন চেক করো- ১২ টা পয়েন্টের কোন কোন জায়গায় তোমার ঘাটতি আছে। সেগুলা ঠিক করার জন্য আজকে থেকেই কাজে নেমে পড়ো। তাহলে ছয় মাস বা এক বছর পরের তুমি, আজকের তুমির চাইতে অনেক বেশি আত্মপ্রত্যয়ী এবং যোগ্য হবে। সেটা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম। আর অবশ্যই তোমার বন্ধুদের ম্যানশান করে লেখাটা পড়তে দাও।

লিখেছেন: ঝংকার মাহবুব, সিনিয়র ওয়েব ডেভেলাপার, সংগ্রহ ও সম্পাদনা: মু. সাইফুল ইসলাম

করোনা: বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রস্তুতি 11/04/2021

https://www.prothomalo.com/life/durporobash/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%89%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9A-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF

করোনা: বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রস্তুতি আশা করি শিক্ষার্থীসহ সবাই সুস্থ আছেন। করোনা ভাইরাসের কারণে এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আপনারা যাঁরা বাইরে উচ্চশিক্...

গবেষণায় অবদানের জন্য সিইউএস‌আরসি সম্মাননা পেলেন ড. আতিয়ার রহমান | DailyKagoj24.Com 11/04/2021

https://dailykagoj24.com/%e0%a6%97%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b7%e0%a6%a3%e0%a6%be%e0%a7%9f-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%87/

গবেষণায় অবদানের জন্য সিইউএস‌আরসি সম্মাননা পেলেন ড. আতিয়ার রহমান | DailyKagoj24.Com আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডাটাবেজ ‘স্কোপাস’ -এর তালিকায় শীর্ষ পর্যায়ে থাকা গবেষক ড. আতিয়ার রহমানকে সম্মানন.....

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Chittagong