Baitul Aman madrasha,sandwip.chittagong,bd

Baitul Aman madrasha,sandwip.chittagong,bd

Share

শিক্ষার্থী ৪৫০ জন,শিক্ষক ও কর্মচারী ১?

16/01/2023

সকলের প্রতি দ্বীনি দাওয়াত রইল।

16/01/2023

সন্দ্বীপ ইত্তেহাদুল মাদারিসিল ক্বাওমিয়্যাহ'র উদ্যোগে সন্দ্বীপে এই প্রথম শুরু হতে যাচ্ছে S@ifur's শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০২৩!

প্রিয় সন্দ্বীপবাসী,
আসসালামু আলাইকুম
আমরা জানি, আধুনিক ও বুূ্দ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতাসম্পন্ন দক্ষ শিক্ষক-ই জাতি গড়ার কারিগর। বুদ্ধিবৃত্তিক যোগ্যতাসম্পন্ন দক্ষ শিক্ষক গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ১-৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ৭ দিন ব্যাপী শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ।

উক্ত শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে নিজেকে যোগ্যতাসম্পন্ন অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক হিসেবে গড়ে তুলুন।

ভর্তিচ্ছুকদের জন্য শর্তাবলিঃ
> আহলুস-সুন্নাহ্ ওয়াল জামাআতের আকিদাভুক্ত হতে হবে।
> সন্দ্বীপ ইত্তেহাদুল মাদারিসিল ক্বওমিয়্যাহ'র অন্তর্ভুক্ত যেকোনো প্রতিষ্ঠান প্রধানের সুপারিশপ্রাপ্ত হতে হবে।
> এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

[] ইংরেজি প্রশিক্ষণঃ
>১-৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
> প্রশিক্ষক-সাইফুর রহমান খান
প্রাক্তন শিক্ষক- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক- S@ifur's
S@ifur's এর মূল্যবান ৬টি বইসহ
রেজিষ্ট্রেশন ফি-১৮০০/-

[] বাংলা প্রশিক্ষণঃ
> ৪-৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
> প্রশিক্ষক- মাও. সাইফুল ইসলাম
পরিচালক- দৌলতপুর মারকাযুল উলুম মাদরাসা
ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।
রেজিষ্ট্রেশন ফি-৬০০/-

[] আরবি প্রশিক্ষণঃ
> ৬-৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ
> প্রশিক্ষক- মাও. সাইফুল ইসলাম
পরিচালক- দৌলতপুর মারকাযুল উলুম মাদরাসা
ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ।
রেজিষ্ট্রেশন ফি-৬০০/-

স্থানঃ মদীনাতুল উলুম মাদরাসা
এনাম নাহার মোড়ের পশ্চিম পার্শ্বে
খন্তার হাট, পৌরসভা, ওয়ার্ড নং-৮,
সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম।

নিবেদক-
আবু বকর ছিদ্দিক
সেক্রেটারী
সন্দ্বীপ ইত্তেহাদুল মাদারিসিল ক্বাওমিয়্যাহ।
পরিচালক
আজিমপুর আশরাফুল উলুম মাদরাসা।
মোবাইলঃ ০১৮৭৮-৭৫০৯৬৬

Photos from Baitul Aman madrasha,sandwip.chittagong,bd's post 31/01/2021

আজ ও আগামীকাল সন্দ্বীপের দ্বীন প্রিয় মানুষের ভালোবাসার প্রতিষ্ঠান "সন্তোষপুর মাদরাসার" বার্ষিক সভা।
সন্দ্বীপের সর্বস্তরের তওহিদী জনতার উপস্থিতি কামনা করছি।

14/05/2020

প্রিয় সন্দ্বীপ আমার।

Photos 14/05/2020

🌻ইতেকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত
🌻
মাহে রমজানে যেসব আমল দ্বারা বান্দা আল্লাহর নৈকট্যলাভে ধন্য হয়, তার মধ্যে এর শেষ দশকের ইতেকাফ অন্যতম। রমজানের শেষ দশক আগমন করলে রসুল (সা.) খুব বেশি ইবাদত-বন্দেগিতে লিপ্ত হয়ে পড়তেন। হজরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বলেন, ‘যখন রমজানের শেষ দশক আগমন করত রসুল (সা.) তাঁর কোমর বেঁধে নিতেন, রাত জাগতেন আর তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও জাগাতেন। ’ ইবনে খুজাইমা।
লাইলাতুল কদরপ্রাপ্তি, গুনাহ থেকে পরিত্রাণ, একাকী সংগোপনে মহান প্রভুর ইবাদত, আত্মিক উন্নতি সাধন, বাকি এগারো মাসের ইবাদতের অনুশীলনসহ অসংখ্য বরকতসমৃদ্ধ আমলের সমন্বয় হলো ইতেকাফ।
ইতেকাফের পরিচয় : ইতেকাফ শব্দের অর্থ স্থির থাকা, আবদ্ধ থাকা, অবস্থান করা। শরিয়তের পরিভাষায় মাহে রমজানের শেষ ১০ দিন বা যে কোনো দিন দুনিয়াবি সব কাজকর্ম তথা পরিবার-পরিজন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মসজিদে বা ঘরের পবিত্র স্থানে ইবাদতের নিয়তে অবস্থান করাকে ইতেকাফ বলে।
আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তোমরা মসজিদে ইতেকাফরত অবস্থায় স্ত্রীদের সঙ্গে মিলিত হবে না। ’ সূরা বাকারা : ১৮৭।
ইতেকাফের শর্তসমূহ : ইতেকাফের জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। তা হলো— ১. পুরুষ লোক জামে মসজিদে ইতেকাফ করবে আর মহিলারা ঘরের নিভৃত স্থানে ইতেকাফ করবে ২. ইতেকাফের নিয়ত করতে হবে ৩. সর্বদা পাক-পবিত্র থাকতে হবে ৪. রমজানের ইতেকাফকারী রোজাদার হবেন।
ইতেকাফের প্রকারসমূহ : ইতেকাফ তিন প্রকার— ১. সুন্নত ইতেকাফ : রমজানুল মোবারকের শেষ ১০ দিনের ইতেকাফই সুন্নত। ২১ তারিখের রাত থেকে ঈদুল ফিতরের চাঁদ দেখা পর্যন্ত এই ইতেকাফের সময়। কারণ রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতি বছর এ দিনগুলোতেই ইতেকাফ করতেন। এ কারণে একে সুন্নত ইতেকাফ বলা হয়। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, ‘নিশ্চয়ই রসুল (সা.) আমৃত্যু রমজানের শেষ দশকে ইতেকাফ করেছেন। এরপর তাঁর স্ত্রীগণ ইতেকাফ করেছেন
’ বুখারি।
২. ওয়াজিব ইতেকাফ : মানতের ইতেকাফ ওয়াজিব। ইবনে উমর (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন, ইয়া রসুলুল্লাহ! আমি জাহেলি যুগে হারাম শরিফে ইতেকাফের মানত করেছিলাম, এখন কী করব? তিনি জবাব দিলেন, তুমি তোমার মানত পূরণ কর। বুখারি।
তা ছাড়া সুন্নত ইতেকাফ ভঙ্গ হয়ে গেলে তা কাজা করা ওয়াজিব।
৩. নফল ইতেকাফ : এ ইতেকাফ মানুষ যে কোনো সময় করতে পারে। অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য ইতেকাফের নিয়তে মসজিদে অবস্থান করা। এর জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। যতক্ষণ মন চায় করতে পারে। রোজারও প্রয়োজন নেই। এমনকি যখনই মসজিদে প্রবেশ করবে নফল ইতেকাফের নিয়ত করা সুন্নত। এ তিন ধরনের ইতেকাফের ভিন্ন ভিন্ন বিধান আছে। আজ আমরা শুধু সুন্নত ইতেকাফের কিছু বিধান আলোচনা করব।
রমজানের ইতেকাফের হুকুম : রমজানের সুন্নত ইতেকাফকারীদের ২০ রমজানের সূর্যাস্তের আগে মসজিদের সীমানায় প্রবেশ করতে হবে এবং ২৯ বা ৩০ রমজান পরবর্তী মাস তথা শাওয়ালের চাঁদ দেখে মসজিদ থেকে বের হতে হবে। রমজানের শেষ ১০ দিনের ইতেকাফ সুন্নতে মুয়াক্কাদা আলাল কিফায়া। অর্থাৎ মহল্লার যে কোনো একজন ইতেকাফ করলে পুরো মহল্লাবাসীর পক্ষ থেকে ইতেকাফ আদায় হয়ে যাবে। কিন্তু মহল্লার একজন ব্যক্তিও যদি ইতেকাফ না করে তবে মহল্লার সবার সুন্নত পরিত্যাগের গুনাহ হবে। শামি।
ইতেকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত : রমজানের শেষ দশকে এ সুন্নত ইতেকাফের অধিক গুরুত্বের কারণ হলো লাইলাতুল কদরের নেকি লাভ করতে হলে ইতেকাফের মাধ্যমেই সহজে করা যায়। কারণ ইতেকাফকারী রমজানের শেষ দশকের সব রজনীতেই আমলে মগ্ন থাকেন। কোনো এক রজনী তো কদর হবেই। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘আমি লাইলাতুল কদরের সৌভাগ্য ও এই মহিমা অনুসন্ধানে প্রথম ১০ দিন ও মাঝের ১০ দিন ইতেকাফ করেছি, অবশেষে আমার কাছে একজন ফেরেশতা এসে বলেছে যে, তা শেষ দশকে। কাজেই তোমাদের মধ্যে যারা ইতেকাফ করতে চায় তারা যেন শেষ দশকে ইতেকাফ করে। ’ অতঃপর সাহাবায়ে কিরাম তাঁর সঙ্গে শেষ দশকে ইতেকাফ করলেন। মুসলিম।
শবেকদরকে পাওয়া এবং এই পবিত্র রাতের ঘোষিত ফজিলত থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য ইতেকাফ থেকে উত্তম আর কোনো উপায় নেই। কারণ আল্লাহতায়ালা কদরের রাতকে নির্দিষ্ট করে দেননি; বরং এর তারিখ গোপন রেখেছেন; যাতে মুসলমানরা রমজানের শেষ ১০ দিনের সব বেজোড় রাতে আমল করতে থাকে। রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘তোমরা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতসমূহে লাইলাতুল কদর খোঁজ কর। ’ বুখারি।
স্বাভাবিকভাবে মানুষের পক্ষে রাতের প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতে নিয়োজিত থাকা সম্ভব হয়ে ওঠে না। কিন্তু ইতেকাফ অবস্থায় যদি রাতে ঘুমিয়েও থাকে, তবু তাকে ইবাদতকারীদের মধ্যে শামিল করা হবে। তখন শবেকদরের প্রতিটি মুহূর্ত ইবাদতে ব্যয় করার ফজিলত অর্জন করবেন। লাইলাতুল কদর তালাশের পাশাপাশি ইতেকাফকারীর জন্য তার আত্মশুদ্ধি হাসিল, আল্লাহর সঙ্গে গভীর সম্পর্ক স্থাপন, পৃথিবীর সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে মাবুদের একচ্ছত্র ইবাদত করার উদ্দেশ্য থাকতে হবে।
হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘ইতেকাফকারী গুনাহ থেকে মুক্ত থাকে। তার সব নেক আমল এমনভাবে লিপিবদ্ধ হতে থাকে, যেভাবে সে নিজে করত। ’ ইবনে মাজাহ।

13/05/2020

কি সুন্দর বাগান, লকডাউন এর কারণে ফোটে না ফুল' আসে না মৌমাছি

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


বাউরিয়া, মৌলভীবাজার এর উত্তর পাশে
Chittagong
SANDWIP