Entrepreneurs Development And Research Centre

Entrepreneurs Development And Research Centre

Share

Together we can achieve sustainable progress for local people while opening up new opportunities for you to get involved.

We promote inclusive economic, social and ecological development to make an effective contribution towards sustainable and widesprea

20/06/2025

Hello, there is a good news for all the business owners. I am starting my own wholesale group. I will be bringing the products directly from china factories, which means the prices will be more affordable and you’ll get products in lots of varieties. The moq per person will be 1-2 for per product. Let me know if you are interested to get added.

27/06/2020

Upcoming Social Business Project

12/06/2020
04/05/2020

করোনা নিয়ে যারা ইয়ার্কি মারেন , একটু পড়ে নিবেন প্লীজ .....

কোভিড ১৯ সংক্রমিত হয়ে মারাত্মক অবস্থা থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মেজর ডাঃ মাহবুবের এক বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা, তার নিজের বর্ণনায় শুনুনঃ

“শুরুটা ছিল হাল্কা কাশি আর রানিং নোজ নিয়ে। উপরন্ত কয়দিন ধরে কেমন যেন টায়ার্ড লাগছিল। মাংসপেশীতে এবং হাড্ডিতে ব্যথা হচ্ছিল। দেরি না করে প্যারাসিটামল আর অ্যান্টিহিস্টামিন খাওয়া শুরু করলাম। সম্প্রতি সারাদিন রোগীদের নিয়ে অনেক ব্যস্ততায় থাকতে হত, তাই ভাবছিলাম, হয়তো এরই জন্য বেশি দুর্বল লাগছে। প্যারাসিটামল খাওয়ার পর মাংসপেশির ব্যথা কমে গেল, আর এন্টিহিস্টামিনের জন্য নাকের পানিও কিছুটা কমে গেল। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে যে, একটু হাটাহাটি করলেই খুব দুর্বল লাগছে। হালকা কাশিও আবার শুরু হল।

সেদিন অফিস থেকে ফেরার পর শরীরটা একটু গরম গরম লাগছিল। থার্মোমিটার দিয়ে মেপে দেখি জ্বর ১০২ ডিগ্রি। কি করবো কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। এক সিনিয়র স্যারকে জানালাম। স্যার সাথে সাথে বললেন হসপিটালে চলে আসতে এবং টেস্ট করাতে। সেদিন রাতেই হাসপাতালে চলে আসি। পরের দিন স্যাম্পল দেই টেস্ট করতে। সবাই আশ্বস্ত করছিল যে এটা নরমাল ভাইরাল ফিভার হবে এবং রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে। কিন্তু সন্ধ্যায় জানতে পারলাম, রিপোর্ট পজিটিভ। এটা শোনার পর বেশ কিছুক্ষণ মাথার বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম। মাথা কাজ করছিল না। কি করবো কিছু বুঝতে পারতেছিলাম না। পুরো বাকরুদ্ধ অবস্থা। নিজেকে আল্লাহর কাছে সমর্পণ করলাম।

গল্পটা বলার উদ্দেশ্য হলো সবাইকে এই ভাইরাসের আক্রমন এবং এর কষ্টদায়ক অবস্থা সম্পর্কে সাবধান করা এবং করোনার লক্ষণ ও ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে সবাইকে জানানো। এটা পড়ে যেন বাকিরা ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে একটা গাইডলাইন পান।

প্রথমেই বলে রাখা ভাল যে, এই রোগে ৮০% সংক্রমিতরাই থাকে Asymptomatic, মানে ৮০% রোগির কোন Symptoms ই থাকে না। তারা বুঝতে পারে না যে, তারা করোনা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। অথবা হাল্কা কাশি আর জ্বর দিয়েই এরা সেরে যায়। এই রোগীরা হচ্ছে খুব ভয়াবহ, কারণ এরা কখন কাকে infected করে দেয় বোঝা মুশকিল। বাকি ২০% রোগীর হয় complication, এদের multiorgan failure হবার চান্স বেশি। এর মধ্যে ৫% এর ICU support লাগে।

এখন Symptomatic ট্রিটমেন্ট সম্পর্কে বলি:
1. Tab Paracetamol 500mg for Fever
2. Tab. Fexo 120mg 1+0+1 as a antihistamine
3. Tab. Montair 10mg 0+0+1
4. ORS and water as much as can drink to maintain hematocrit level normal
5. Tab. Vitamin C 1+1+1 to increase immunity
6. Tab. Zinc 1+0+1 to increase immunity

রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর আরও কিছু ট্রিটমেন্ট শুরু করা হলো। এগুলো symptomatic ট্রিটমেন্ট এর বাইরে:
1. Tab. Reconil 200mg 2+0+2 on first day and then 1+1+1 on subsequent day for 10 days
2. Tab Faviparvir 8+0+8 on first day then 3+3+3 on subsequent days.
3. Cap Doxicap 100mg 1+0+1 for preventing atypical Pneumonia

পরের দিন HRCT করা হলো চেস্টের। সেখানে ARDS with ground glass appearance with নিউমোনিয়া আবিস্কার হোল। এরপর যুক্ত হল আরো নতুন কিছু ওষুধ
1. Inj Meropenam 1 gm IV TDS
2. Inj Moxaquine 400mg OD

জ্বর তাতেও কমেনি। এখনো 102 থেকে 104 পর্যন্ত জ্বর থাকছে। প্যারাসিটামল সাপোজিটরি, ইঞ্জেকশন, ট্যাবলেট কোন কিছুতেই জ্বর কমছে না। প্যারাসিটামল দিনে চারবার করে নিয়েও জ্বর কমে না। একটানা ৭ দিন জ্বর ছিল। এর মধ্যে একবারও জ্বর বেজলাইনে নামেনি। তাই একান্ত বাধ্য না হলে প্যারাসিটামল যত কম খাওয়া যায়, ততই ভালো। না হলে লিভার ড্যামেজ হবে, লিভার এনজাইম গুলো বেড়ে যাবে।

এরপর আসা যাক অন্য ইনভেস্টিগেশন এর কথা। Liver function test সহ বাকি test গুলো abnormal হওয়া শুরু করল।
* ALT বাড়তে শুরু করল।
* LDH বাড়তে শুরু করল।
* Serum Ferritine বাড়তে বাড়তে 9000 এর উপরে চলে গেল।
* Hematocrit 49%
* D-dimer : Negetive
* WBC count : 18000
* Neutrophil: 90%
* Hb%: 19
* S.creatinine 0.9
* CRP : Negetive
* S. Procalcitonin : Normal

উপায়ন্তর না দেখে এরপর নতুন নতুন ওষুধ যোগ হতে থাকলো:
* Inj Hepacline
* Tab Ursocal 300mg 1+1+1
* Tab Mucomist DT 600mg 1+1+1
* Inj Clexane 40 mg
* Ferritine load কমানোর জন্যে Inj Desferioxime add করা হলো।
* Lung এ ARDS এর জন্যে Tab Methylprednisolone 40mg 1+0+1 add করা হলো।

পরের দিন শরীরের দুর্বলতা আরো বেড়ে গেল। একটু নড়াচড়া করতেই breathlessness শুরু হলো। আমি বুঝতে পারছিলাম না এটা কি শ্বাসকষ্ট নাকি breathlessness? লক্ষণ দেখে মনে হইতেছিল না যে এটা এজমা জাতীয় শ্বাসকষ্ট। Pulseoxymeter এনে অক্সিজেন Saturation দেখার চেষ্টা করলাম। দেখি Oxygen saturation 83-84% show করছে। প্রথমে ভাবলাম মেশিন নষ্ট তাই আরেকটা মেশিন নিয়ে আসলাম, কিন্তু তাতেও দেখি একই রিডিং দিচ্ছে।

পালমোনোলজিস্টকে জানালাম। ঊনি সাথে সাথে অক্সিজেন শুরু করলেন। অক্সিজেন দেয়ার পর দেখি কিছুটা আরাম লাগছে। পরে বোঝা গেল যে, আমি হাইপোক্সিয়াতে চলে যাচ্ছিলাম। অক্সিজেন সেচুরেশন ফল করছিল। High flow(4-6lt) অক্সিজেন দেয়ার পর অক্সিজেন saturation আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করলো। অগত্যা এইসময় আমাকে ICUতে শিফট করা হলো।

এদিকে হঠাৎ করে lung-এর crepitation বেড়ে গেল। থেকে থেকে Lung-এর alveoli collapse করতে শুরু করেছে। High flow oxygen দিয়েও saturation 90-92% রয়ে যাচ্ছে। বুক ফুলিয়ে শ্বাস নিতেও কষ্ট হচ্ছিলো। মনে হচ্ছিলো যে বুকটা চেপে আসছে। মনে এক অজানা ভয় কাজ করতে শুরু করে দিল। বুঝতে পারলাম এরপরে ভেন্টিলেটর ছাড়া উপায় নাই। সে এক ভয়ঙ্কর অনুভূতি। শুরু হলো Prone Ventilation. এটা ভালই response করল। এতে Oxygen saturation improve করা শুরু করল।

প্রতিদিন ২ ঘন্টা পর পর posture চেঞ্জ করতে থাকলাম। নেগেটিভ fluid ব্যালেন্স করার জন্য IV infusion বন্ধ করে দেয়া হল। সাথে পানি খাওয়া কিছুটা কমিয়ে দিলাম। Hematocrit ঠিক রাখার জন্যে যতোটুকু দরকার ততটুকুই fluid খাচ্ছিলাম। oxygen support সবসময়ই লাগতো।

Oxygen দিয়ে রাখতাম অন্যথায় Hypoxia-র জন্যে Hb% বেড়ে যেত। যেটা raised ferritine আর raised Hb% মিলে multi organ damage করত। ধারনা করা হয় যে, COVID-19 এ raised ferritine -এর toxic iron level lung damage এর জন্যে দায়ি।

Rasied ferritine এর জন্যে Inj Desferoxime দেয়া হল যা এখানে chelating agent হিসেবে কাজ করবে। সাথে Inj Clexane 40mg দেয়া হল যেন Micro-embolism formation prevent হয়। ধারনা করা হয় যে COVID-19 এ sudden death হয় Micro-embolism formation অথবা stroke এর জন্য দায়ী ।

৩-৪ দিন পর থেকে Lung এর কিছুটা উন্নতি হওয়া শুরু করল। এরপর শুরু করা হলো Breathing exercise. এ Breath hold exerciseটা খুব ভালো। সেই সাথে Spirometer দিয়েও exercise শুরু করলাম। এর সাথে Prone ventilation, lateral ventilationও খুব ভালো কাজে দিল। এতদিন একদম বিছানা থেকে উঠতে পারতাম না। এখন একটু একটু করে হাটাহাটি শুরু করলাম। আস্তে আস্তে oxygen saturation বাড়তে শুরু করল। এর সাথে oxygen এর flow টাও কমিয়ে নিয়ে আসা হলো। এখন মোটমুটি ২ লিটার flow দিয়ে ৯৫-৯৬% saturation maintain করা হয়।

এতক্ষণ যা বল্লাম, গল্পের মতন মনে হলেও পথটা এতোটা সহজ ছিলনা। এক দিকে মানসিক দুঃচিন্তা এবং অন্যদিকে শারীরিক দুর্বলতা সব মিলিয়ে হতভম্বের মত ছিলাম। নিজে ICU Doctor হয়েও patient হয়ে আইসিইউ বেডে শুয়ে নিরব দর্শকের ভূমিকা ছাড়া কিছুই করার ছিলনা আমার। আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি যে আল্লাহ আমাকে রোগ থেকে শেফা দিয়েছেন। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হয় আমার Treating Physicianদের প্রতি বিশেষ করে Consultant Physician General Major General Aziz, Chief Physician Brig Asif, Pulmonologist Brig Aziz, Lt. Col Faiz Emon এবং Intensivist Col Masudul Alam Mazumder, Lt. Col Amin, Lt Col Sadat Bin Siraj, Major Ariful Haque Shaon সবার- যাদের সময়োপযোগী Treatment, decision, close monitoring এবং যথাসময়ে সকল প্রকার Drug available করা আমার জন্যে। এ ছাড়া হয়তো আমার অবস্থার উন্নতি সম্ভব ছিলনা। কর্তব্যরত সকল মেডিকেল এসিস্ট্যান্টরাও আপ্রাণ চেস্টা করেছে আমার জন্যে। CMH-এর Commandant , Deputy Commandant এবং MOIC Corona Ward সবসময় আমার খোঁজখবর রেখেছেন এবং আমার ব্যাকুল এবং হতাশায় ভেঙ্গে পড়া পরিবারের পাশে এসে দাড়িয়েছেন।

তবে সব চিকিৎসার মূলে হলো মনোবল শক্ত রাখা এবং আল্লাহর উপর অগাধ আস্থা রাখা। ICU তে থেকে মনোবল শক্ত রাখা আসলেই খুব দুরুহ ব্যাপার। তারপরও চেষ্টা করেছি মনোবল শক্ত রাখার। পরিবারের কথা চিন্তা করলেই মনটা ভেঙ্গে আসতো।”
===========

ইনি সিএমএইচের আইসিইউর ডাক্তার ছিলেন। সেনাবাহিনীর হাসপাতালের সর্বোচ্চ চিকিৎসা এবং সাপোর্ট নিয়ে আল্লাহর রহমতে সুস্থ হয়েছেন। কি আপনার এই অবস্থা হলে পারবেন এমন ব্যবস্থা, ট্রিটমেন্ট বা কেয়ার? যদি মনে করেন পাবেন, তবে করোনা বাধিয়ে ট্রাই করে দেখুন না! নাকি সতর্ক থাকবেন, সাবধানে থাকবেন, বাসায় থাকবেন?

কালেক্টেড from Sharif Islam

30/04/2020

#মাস্ক_নিয়ে_আর_কোন_অভিযোগ_কিংবা_প্রশ্ন_নয়।
$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$$
#বিশ্বাস_হচ্ছে_না?

মাস্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলায় তিনটি হাসপাতালের পরিচালকের বদলি নামে শাস্তি হলো!

১। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মাস্ক সংকট হেতু নিজ উদ্যোগে স্বাস্থ্যকর্মীদের মাস্ক কিনতে বলায় -----প্রেষণ বাতিল করে আর্মিতে ফিরিয়ে নেওয়া---- সূত্র: বিডিনিউজ২৪

২। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক নিম্নমানের মাস্ক গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে পাবনার হেমায়েতপুরের মানসিক হাসপাতালে তাৎক্ষণিক বদলি। ----- সূত্র: ইত্তেফাক।

৩। নিম্নমানের মাস্ক সরবরাহ করায় এর বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলায় মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে ওএসডি।----সূত্র: প্রথম আলো।

৪। নিম্ন মানের পিপিই নিয়ে কথা বলায় নোয়াখালীতে চিকিৎসককে তত্ত্বাবধায়কের শোকজ।
৫। মিডিয়া তে প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়ে তিনি আইসিটি অ্যাক্ট এ মামলার হুমকি।

এখন চিকিৎসক রা নিজ উদ্যোগে N95 musk সংগ্রহ করছেন। গত তিনদিনে প্রায় চট্টগ্রামে ১৫০০/ মাস্ক সংগ্রহ করেছেন।

আর আমি তো শঙ্কায় আছি! কখন দলীয় পদ নিয়ে নেয়। হা হা হা।
আসুন নিজেদের নিরাপত্তা নিজেরাই নেই, এখন আর মাস্ক এর জন্য হা হুতাশ নয় কোভিড পরবর্তী বাংলাদেশে নুতন কিছু দেখার প্রত্যাশা রইল, নিশ্চয়ই জননেত্রী শেখ হাসিনা অথর্ব, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্হা নিবেন।
নিজেদের কে সুস্থ থাকতে হবে নিজের পরিবারের স্বার্থে, জনগনের স্বার্থে, জাতির স্বার্থে।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।

লেখা:
ডাক্তার ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী

28/04/2020

আদা নাকি ৩৫০ টাকা !
৯৭ টাকায় আমদানি করে, খুচরা ৩৫০ টাকা বেশ ভালো, খুব ভালো।

আমরা প্রতিরোধ করবো কিভাবে ?
খুব সহজ, শুধু মাত্র ৬ মাস সামান্য কষ্ট করলেই হলো।
নিজ না করুন অন্তত পোষ্টটি শেয়াড় করবেন, যেনো অন্যরাও করতে পারে

আমাদের বাসায় যে আদা কিনে রাখি, দেখবেন টা থেকে চোখ / অঙ্কুর বের হয়। ২ দিন পানিতে ভিজিয়ে লাগিয়ে দিলেই হলো। ৬ মাস পরে একটি গাছ থেকে ৩০০-৫০০ গ্রাম আদা পাবেন।

একটি পরিবার এর বছরে ১২-১৫ কেজি আদা প্রয়োজন।
আমরা যদি প্রতি মাসে এরকম ১০ টি করে চারা লাগতে পারি তবে
আদায় ভরপুর থাকবে।

রাস্তার পারে, নদীর বাঁধে, পতিত জমি, এক বর্গফুট খালি জায়গা পেলেই লাগান। আপনি না খেতে পারেন, কেউ ন কেউ তো খাবে।

মে মাস আদা রোপনের সঠিক সময়|
তাই আপনার ঘরে থাকা কন্টেইনার এই লাগিয়ে ফেলুন আদা|

শুধু পর্যাপ্ত রোদ আর পানি পেলেই বাজার থেকে কিনতে হবেনা আদা|

20/04/2020

#করোনাকাল : গ্রোথ অব ইকোনোমি ভারসাস গ্রোথ অব স্পিরিটুয়ালিটি

১। গ্রোথ তত্ত্ব পাল্টে যাচ্ছে । শত বছর ধরে গড়ে ওঠা ইকোনোমিক গ্রোথ তত্ত্ব পাল্টাতে সময় লাগবে, বড় জোর ছয় মাস । তিন মাস পার হয়ে গেছে । তিন মাস বাকী আছে ।

২। কর্পারেটরা বলেন, ট্রাস্ট তৈরি করতে সময় লাগে । যুগের পর যুগ । যে ব্রান্ড যত পুরানো, সে ব্র্যান্ডের তত ট্রাষ্ট । এ ট্রাস্ট ভাঙতে সময় লাগেনা । এখন দেখা যাচ্ছে- ন্যাচারাল সাইন্স ছাড়া সোশ্যাল সাইন্সের থিউরিগুলো ঠুনকো হয়ে যাচ্ছে । ভেঙ্গে খান খান হয়ে যাচ্ছে কাঁচের বাটির মত ।

৩। গ্রোথ তত্ত্ব গড়ে ওঠেছে ভোগবাদের উপর ভিত্তি করে । অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা নিশ্চিত করতে মানুষের বেশি সম্পদ লাগেনা । ভোগ করতে লাগে । ইগোকে পুষ্ট করতে লাগে । ভোগ আর ইগোর পুষ্টি ; এর উপর গড়ে উঠেছিল অর্থনৈতিক তত্ত্ব ‘ গ্রোথ থিউরি ‘ ।

৪। পৃথিবীর বড় অর্থনীতি গুলোর দিকে তাঁকান । জিডিপির ১-৩ ভাগ মাত্র কৃষি ; ১৭-২০ ভাগ শিল্প ; ৭৬-৮০ ভাগ সেবা বা সার্ভিসেস । ৭৬-৮০ ভাগ সেবায় স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা সেবা বড়জোর দশ ভাগ । পরিবহন সংশ্লিষ্ট সেবা হতে পারে আরও দশভাগ । বাকি সব সেবা ভোগ কিংবা ইগোর পুষ্টি ।

৫। কয়েকটি উদাহরণ দেই । বিশ বছর আগেও আমরা টয়লেট টিস্যু ব্যবহার করি নাই। দশ বছর আগে ব্যবহার করতাম রুমাল- ফেসিয়াল টিস্যু নয় । এখন চিন্তা করুন- টিস্যু শিল্পে কত বিনিয়োগ, কত শ্রম, কত গ্রোথ । । ঢাকার আশেপাশের রিসোর্টগুলোর কথা চিন্তা করুন । এতে কত বিনিয়োগ, কত শ্রম, কত প্রবৃদ্ধি । একরাত থেকে স্যুইমিং পুলে একটি সেলফি দিলেন, বিশ হাজার টাকা খরচ । ইগো পুষ্ট হলো ।

৬। স্মার্ট ফোন শিল্প এবং বিপণণে গ্রোথ চিন্তা করুন । ক্যামেরার পরিবর্তন আর মডেল পরিবর্তন । গ্রোথের প্রয়োজনে আবিস্কার, শ্রম । মোবাইলের মডেল পাল্টালেন- ইগো পুষ্ট হলো । গ্রোথের প্রয়োজনে আবিস্কার, শ্রম । এভিয়েশন সেক্টরের গ্রোথ চিন্তা করুন । আমাদের পররাষট্রমন্ত্রী যতবার বিদেশ গিয়েছেন, পাড়ার কলিম সাহেব তার চেয়ে কম যান নাই । এ রকম কোটি কলিম সাহেবেদের বিদেশ যাত্রার যোগান দিতে পৃথিবীর উদর ক্রমশ: শুন্য হয়ে যাচ্ছে । লক্ষ কোটি বছর ধরে পৃথিবীর উদরে জমা করা তেল, গ্যাস- গ্রোথের যোগান দিতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে ।

৭। ভোগবাদ, ইগোর পুষ্টিতে সুড়সুড়ি আছে । সুড়সুড়ি দু’রকম । যন্ত্রে এবং মস্তিষ্কে । যন্ত্রে সুড়সুড়ি দিয়ে পাপিয়াদের গ্রোথ হয় । তাই, বিশ্বব্যাপী পর্নোর গ্রোথ অকল্পনীয় । মস্তিষ্কে সুড়সুড়ি দিয়ে বিনোদন সেক্টরের গ্রোথ হয় । প্রাচীন সম্রাটরা মস্তিষ্কে সুড়সুড়ি নেয়ার জন্য পাশা খেলতেন । আমরা এখন চ্যানেল পাল্টাই । বিনোদন সেক্টরের গ্রোথ নিয়ে সারা বিশ্ব উত্তাল অথচ স্বাস্থ্য , শিক্ষা, গবেষণায় তার ছিঁটে ফোঁটা নেই । নায়ক- নায়িকা, গায়িকা কিংবা খেলোয়াড় বিনোদন এবং ভোগের জগতের যোগসূত্র তৈরি করছেন । বিজ্ঞানীরা এখন মরিয়া হয়ে চিৎকার করছেন- টিকার জন্য মেসি – রোনালদোর কাছে যান । আমাদের বেতন মাত্র ১৮০০ ইউরো । আমরা আর কত পারি ।

৮। এর বিপরীত চিত্রও আছে । মাও সেতুং এর আমল থেকে চীনে শিক্ষা, স্বাস্থ্যের অগ্রাধিকার । বঙ্গবন্ধু পঞ্চাশের দশকে দু’বার চীন গিয়েছেন । ‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইতে বঙ্গবন্ধুর অভিজ্ঞতার অসাধারণ দার্শনিক বর্ণনা আছে । চীনের মৌলিক দর্শন এখনও আগের মতই আছে । ইউরোপ- আমেরিকায় সুড়সুড়িতে বিনিয়োগ অনেক বেশি অথচ চীন, মালয়েশিয়া, কিউবা, ইরানে পর্ণোগ্রাফি দেখার সুযোগও নেই । বিনোদনের হাজার চ্যানেল নিয়ে পাগলামি নেই । স্বাস্থ্য, শিক্ষায়- এদের অগ্রাধিকার সবচেয়ে বেশি ।

৯। করোনা পরবর্তী পৃথিবীতে গ্রোথ তত্ত্ব পাল্টে যেতে পারে । ঝড় উঠলে যেমন দীঘির ‘ বাবল- বুদবুদ’ থাকেনা ; তেমনি বাবল ইকোনমি বিদায় নিয়ে একটি প্রসাধনবিহীন ম্যাটম্যাটে চেহারার অর্থনীতি ভেসে উঠবে । কালো মেয়েকে কালোই দেখাবে । দাঁত উঁচু থাকলে, উঁচুই । খানাখন্দে ভরা পৃথিবীকে নতুনভাবে জানতে হবে ।

১০। সমাস্যা হলো, ইকোনোমিক গ্রোথ না হলে পৃথিবীব্যাপী কোটি কোটি লোকের কর্মসংস্থানের কি হবে ? কর্মসংস্থান সেখানেই হবে, যেখানে আপনি বুদ্ধিমান, প্রাজ্ঞ বিনিয়োগ করবেন । সুড়সুড়ির বিনিয়োগ সহজ, কিন্তু প্রাজ্ঞ নয় । বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যে আরও কত বিনিয়োগের দরকার ছিল, তা এখন স্পষ্ট হয়ে গেছে । শিক্ষায়, পুষ্টিতে বিনিয়োগের অন্তহীন সুযোগ আছে । তাই গ্রোথ তৈরি করতে হবে, শিক্ষায়- স্বাস্থ্যে, পুষ্টিতে । শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পুষ্টি খাতে কর্মসংস্থানের বেশি বেশি সুযোগ তৈরি করতে হবে ।

১১। পুরানো গল্পটা এখানেও প্রাসঙ্গিক । সৃষ্টিকর্তা মানুষের অপারেটিং সিস্টেমটা বানিয়ে তিনভাগে ভাগ করলেন । প্রথমভাগে, মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে প্রাণীর টিকে থাকার ‘ survival spirit’ দিলেন । এতে পড়ল ক্ষুধা, কাম, ফ্লাইট অর ফাইট রেসপন্স এসব । দ্বিতীয় ভাগে, মানবকুলকে পরীক্ষার জন্য ‘ ego spirit’ দিয়ে দিলেন । এতে পড়ল, ইগো, ভোগ, ক্ষমতা, সম্পদের লোভ । তৃতীয় ভাগ ‘ spirituality spirit’ । একে স্পিরিটুয়ালিটি, ক্ষমা, দানশীলতা, দায়িত্ব, মহত্ব দিয়ে সাজালেন ।

১২। তারপর, এ তিনভাগের মধ্যে ব্যালেন্স করার ব্যবস্থা করলেন । প্রথমটার ( ক্ষুধা-কাম) গ্রোথ বাড়লে, তৃতীয়টার ( স্পিরিচুয়ালিটি) গ্রোথ কমবে । দ্বিতীয়টার ( ইগো-ভোগ- লোভ-ক্ষমতা) গ্রোথ বাড়লে, প্রথমটারও ( ক্ষুধা-কাম) গ্রোথ বাড়বে । তৃতীয়টার গ্রোথ বাড়লে, প্রথম, দ্বিতীয় দু’টোর গ্রোথ নিয়ন্ত্রণে থাকবে ।

১৩। দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বনেতারা দ্বিতীয়টার গ্রোথ বাড়ানোর চেষ্টা করছেন । সাথে প্রথমটাও দ্রুত বাড়ছে । তৃতীয়টা দ্রুত কমছে । এ স্কেলে মানবজাতির গড় ‘কিউ’ কোনদিকে সেটা বের করার ব্যবস্থা থাকলে আমার ধারণা সেটা দুই এর নীচেই থাকবে ।

১৪। এ কারণে, লিডারশিপ সাইন্সের বিজ্ঞানীরা আইকিউ ( বুদ্ধিমত্তা) , ইকিউ ( Emotional Quotient- আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা) এর পাশাপাশি নতুন একটা কিউ নিয়ে দীর্ঘদিন ভাবছেন । এটাকে বলা হচ্ছে এসকিউ ( Spiritual Quotient) । তাঁরা বলছেন, সমাজের বৃহত্তর কল্যাণ করতে গেলে লিডারশিপের এবং জনগণের ‘এসকিউ’ বাড়াতে হবে ।

১৫। নতুন ধারার অর্থনীতিবিদগণ গ্রোথের বিজ্ঞান নিয়ে ভাবছেন । গ্রোথকে কতটা সাধারণ মানুষের উপকারে আনা যায়, সুখ ( হ্যাপিনেস ইনডেক্স) বাড়ানো যায় , সে চেষ্টাও চলছে । জোসেফ স্টিগলিজ সহ নোবেল বিজয়ী অনেক অর্থনীতিবিদ – এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন । করোনা তাঁদের জন্য একটা সুযোগ এনে দিয়েছে । উৎসাহীদের জন্য তাঁদের একটা বইয়ের নাম দেই ( for good measure: an agenda for moving beyond GDP) । নেট থেকে ডাউনলোড করে পড়তে পারেন ।

১৬। করোনা পরবর্তী পৃথিবীর কি বড় পরিবর্তন আসবে ? অনেক বিশ্বনেতার মনোজগত পাল্টে যেতে পারে । অনেকের যাবেনা । ( ট্রাম্প করোনা নিয়ে আপসেট না- নির্বাচনী প্রচারণা হচ্ছেনা এ নিয়েই আপসেট । লক আউট তুলে দেয়ার চেষ্টা করছেন বারবার ) । তবে, মানবজাতির এসকিউ ‘Spiritual Quotient’ কিছু হলেও বাড়বে- এটা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি ।

সংগ্রহ : মঞ্জুর সাদেক
চুয়েট শিক্ষার্থী

13/04/2020

ফাবিয়াইয়ি আলা ই রাব্বিকুমা তুকাযযিবান..
বিশ্বাস করা যায় ??
অবৈধ ম্যাক্সিকানদের আগমন ঠেকাতে ট্রাম্প দেয়াল তৈরি করেন। এখন ম্যাক্সিকান সরকারই আমেরিকানদের আগমন ঠেকাতে বর্ডার বন্ধ করে দেয়। কে কাকে আসলে নিয়ন্ত্রণ করে!!!!
বিশ্বাস করা যায়?
সোমালিয়ায় অবস্থানরত ইতালিয়ান ডেলিগেশন সোমালিয়ায় অবস্থানের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও ইতালি ফেরত আসলেন না। বললেন-সোমালিয়ায় অবস্থানের ভিসার মেয়াদ বাড়াতে। আর সোমালিয়ার প্রধানমন্ত্রী বৃটেনে ফিরলেন। সেখানেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন।
বিশ্বাস করা যায়?
জি ২০ এর সম্মেলনে বলা হয়েছিলো- সামরিক শক্তিতে আর অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে আমাদেরকে পরাভূত করার মতো কেউ নেই।
মাত্র তিন মাসের মাথায় অর্থনৈতিক ক্রাশের ভয়ে খোদ জার্মানের অর্থমন্ত্রীই সুইসাইড করলেন। আজ এই বৃহৎ শক্তি আতঙ্কিত।
বিশ্বাস করা যায়?
কোনো একটি গুলি, বোমা ছাড়াই পৃথিবীর প্রায় ৬ বিলিয়ন মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে থাকবে।
বিশ্বাস করা যায়?
উপাসনালয়গুলো খালি পড়ে থাকবে। ডাক্তার রোগী দেখতে অস্বীকার করবে।
বিশ্বাস করা যায়?
অসুস্থ প্রিয়জনের শয্যাপাশে প্রিয়জন থাকবেনা। প্রিয়জনের শেষ ফিউনারালে প্রিয়জন অংশ নিবেনা।
বিশ্বাস করা যায়?
নিষিদ্ধ হিজাবের দেশে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক হবে।
বিশ্বাস করা যায়?
বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাহচর্য পেতে যেখানে সবাই উন্মুখ। সেই বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীকে ছেড়ে তাঁর সেক্রেটারি পেছনের দরজা দিয়ে দৌড়ে পালাবে।
বিশ্বাস করা যায়?
মাত্র দু'মাস আগে মরক্কো হয়ে অবৈধ অভিবাসীরা বোটে চড়ে স্পেনে প্রবেশ করছিলো। এখন স্পেনিশরাই বোটে চড়ে মরক্কো প্রবেশ করছে।
বিশ্বাস করা যায়?
২০২০ সালে মানুষ বলেছিলো গাড়ি আকাশে উড়াবে। এখন সেই মানুষ ঘরে বন্দি হয়ে হাত ধোয়া শিখছে।
বিশ্বাস করা যায়?
করোনায় আক্রান্ত রোগী সারভাইভ করছে। আর ডাক্তার মারা যাচ্ছে।
বিশ্বাস করা যায়?
যুদ্ধ জয়ের জন্য যে মিলিটারিকে একত্রিত করা হয়। এখন বাঁচার জন্য তাদের প্রত্যেককে আলাদা করা হচ্ছে।
মাত্র তিনমাস আগে এইসব কথাগুলো যদি বলা হতো- তবে কে বিশ্বাস করতো? সামান্য এক অদেখা ক্ষুদ্র ভাইরাস পৃথিবীর সব হিসাব নিকাশ আর চিরায়ত বিশ্বাসকে ভেঙ্গে একেবারে চুরমার করে দিয়েছে।
(সংগৃহীত)

Want your school to be the top-listed School/college in Chittagong?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Chittagong
4000, 4100, 42XX