28/02/2026
Easy Study With Sabuj
Sabuj Dev
Math,Physics, Biology, Chemistry, Bangla,English, GK,IQ
•SSC
•HSC
•Admission
28/02/2026
Easy Study With Sabuj
Sabuj Dev
28/02/2026
Easy Study With Sabuj
🌟 কনফিউশন ক্লিয়ার
▫️ট্রপোস্ফিয়ার = আনবিক অক্সিজেন
▫️স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার = ওজোন (O3)
▫️মেসোস্ফিয়ার = পারমাণবিক অক্সিজেন
▫️থার্মোস্ফিয়ার = আয়নিত অক্সিজেন
২ বার পড়া শেষে 🔥 রিয়াক্ট দাও
Easy Study With Sabuj
Sabuj Dev
কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর:
১।মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ -১২০/৮০ mmHg
২।অনুচক্রিকার গড় আয়ু - ৫ থেকে ১০ দিন।
লোহিত রক্ত কণিকায় গড় আয়ু - ১২০ দিন
শ্বেতকণিকার গড় আয়ু - ১-১৫ দিন
৩।লোহিত কণিকার আকৃতি - চ্যাপ্টা।
৪।সর্বজন দাতা গ্রুপ - O+ গ্রুপ।
৫।রক্তে অ্যান্টিজেন নেই - O+ গ্রুপে।
৬।হৃৎপিন্ডের আকৃতি - ত্রিকোণাকার।
৭।রক্তে কিসের পরিমান বেশি থাকা শরীরে জন্য উপকারি - HDL
৮।রক্তে কোলেস্টেরল স্বাভাবিক পরিমান - ১০০-২০০mg/dl।
৯। রক্তে লোহিত কণিকা সঞ্চিত থাকে - প্লীহাতে
১০।মানুষের মোট ওজন শতকরা - ৮% রক্ত।
১১।ধমনির রক্তের pH - ৭.৪।
১২।পূর্ণবয়স্ক মানুষের রক্তের পরিমান - ৫-৬ লিটার
১৩।রক্ত গঠিত - যোজক টিস্যু।
১৪।রক্তের প্রধান উপাদান - লৌহ।
১৫।রক্তের প্রধান উপাদান - ২টি।
১৬।রক্তে রেচন পদার্থ - ইউরিয়া
১৭।রক্ত লাল দেখায় - হিমোগ্লোবিন থাকায়।
১৮।দেহের প্রহরী - শ্বেতকণা।
১৯।রক্তে লিম্ফোসাইটের পরিমান - ২০-৪৫%
২০।হিমোগ্লোবিন থাকে না - শ্বেতকণিকায়
২১।রক্তে অ্যান্টিজেন থাকে - ২টি।
২২।AB গ্রুপে রক্তের মানুষ - ৩%।
২৩।হৃৎপিন্ড বেষ্টনকারী পদার্থের নাম - পেরিকার্ডিয়াম (২ স্তর)।
২৪।নিলয়ের অপর নাম - ভেন্টিকল
২৫।একটি হৃৎস্পন্দনের সময় লাগে ০.৮ সেকেন্ড।
২৬।হৃৎপিন্ড প্রসারণকে বলা হয় - ডায়াস্টোল
২৭।প্রতিমিনিটে হার্টবিটকে বলে - ডাব।
২৮।কার্ডিয়াক চক্রের ধাপ - ৪টি
২৯।LDL এর পূর্ণরুপ -Low Density Lipoprotein।
৩০।সমগ্র রক্তে -৫৫% রক্তরস, ৪৫% রক্তকণিকা।
৩১।রক্তের তরল অংশকে বলে - প্লাজমা।
৩২।রক্ত কণিকা - ৩ প্রকার
৩৩।রক্ত রসের -১০% জৈব ও অজৈব।
৩৪।রক্তরস আলাদা করলে রক্তের রং হবে - হালকা হলুদ।
৩৫।প্লেটলেট অর্থ - অণুচক্রিকা
৩৬।ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হলে কোন অবস্থার সৃষ্টি হয় - পারপুরা।
৩৭।মানুষের রক্তের A গ্রুপ শতকরা - ৪২%।
৩৮।মানুষের রক্তের B গ্রুপ শতকরা - ৯%।
৩৯।মানুষের রক্তের AB গ্রুপ শতকরা - ৩%।
৪০।মানুষের রক্তের O+ গ্রুপ শতকরা - ৪৬%।
৪১।RBC - Red Blood cell।
৪২।রেসাস ফ্যাক্টরের সংকেত - Rh
৪৩।রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে - ডা. কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার (১৯০০ সালে)
৪৪।Rh ফ্যাক্টরের নামকরন করা হয় - বানর দ্বারা।
৪৫।হৃৎপিন্ডের অবস্থান - দুই ফুসফুসের মাঝে।
৪৬।হৃৎপিন্ডের ওজন - ৩০০ গ্রাম
৪৭।হৃৎপিন্ডের সংকোচনকে বলা হয় - সিস্টোল।
৪৮।মানুষের হৃৎপিন্ড প্রকোষ্ঠ - ৪ ভাগে
৪৯।রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা - ৮০ থেকে ১২০ গ্রাম/ডেসি.লিটার।
৫০।HDL এর পূর্ণরুপ -High Density Lipoprotein।
Easy Study With Sabuj
Sabuj Dev
11/02/2026
ভোটের সময় আঙুলে যে কালি লাগানো হয় তা সাধারণ কালি নয় — এটাকে ইনডেলিবল ইঙ্ক বা অমোচনীয় কালি বলা হয়। এই কালির মূল উদ্দেশ্য হলো একজন ভোটার যাতে একাধিকবার ভোট দিতে না পারেন, তা নিশ্চিত করা। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই ছোট্ট কালির দাগের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ইনডেলিবল ইঙ্ক বিশেষ রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি, যার প্রধান উপাদান হলো সিলভার নাইট্রেট। এটি ত্বকের প্রাকৃতিক লবণের সাথে বিক্রিয়া করে এমন এক যৌগ তৈরি করে, যা পানিতে গলে না এবং সহজে মুছে যায় না। সূর্যের আলো পড়লে এই দাগ আরও গাঢ় হয়ে ওঠে। তাই অনেকেই লক্ষ্য করেন, ভোট দিয়ে বাইরে ঘোরাঘুরির পর আঙুলের দাগ আগের চেয়ে বেশি কালো দেখায়।
অনেকে মনে করেন, সাবান, ডিটারজেন্ট, নেলপলিশ রিমুভার বা অন্যান্য কেমিক্যাল ব্যবহার করলে এই কালি তুলে ফেলা যাবে। কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব নয়। কারণ এই কালি শুধু ত্বকের উপরিভাগে থাকে না, বরং ত্বক ও নখের কোষের ভেতরে প্রবেশ করে যায়। ফলে জোর করে তুলতে গেলে উল্টো ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
এই দাগ দূর করার একমাত্র উপায় হলো সময়ের অপেক্ষা। আমাদের ত্বকের উপরিভাগের কোষ নিয়মিতভাবে ঝরে পড়ে এবং নতুন কোষ তৈরি হয়। সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে দাগ ধীরে ধীরে মিলিয়ে যায়।
ইনডেলিবল ইঙ্ক শুধু একটি কালি নয় — এটি ভোটাধিকার সুরক্ষার একটি কার্যকর বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। ছোট্ট একটি দাগ নিশ্চিত করে যে, একজন নাগরিক তার ভোটাধিকার একবারই প্রয়োগ করছেন। তাই আঙুলের এই দাগ আসলে দায়িত্ব পালন ও গণতন্ত্রে অংশগ্রহণের একটি দৃশ্যমান চিহ্ন।
Easy Study With Sabuj
Sabuj Dev
118 টি মৌল ভোটে দাঁড়ালে তুমি কারে ভোট দিতে???
🔥🔥 ভ্যাক্সিনের প্রকারভেদ 👉👉
🏮নিষ্ক্রিয় ---> হ্যারি পটার ইন কলেরা রিজিওন
♦হ -- হেপাটাইটিস A
♦প -- পোলিও
♦ই -- ইনফ্লুয়েঞ্জা
♦ক -- কলেরা
♦র -- র্যাবিস
🏮 শক্তি হ্রাস ---> মানুষ মানুষে টাকা-পয়সার যুদ্ধ
♦ম --- মিজলজ,মাম্পস
♦ট --- টাইফয়েড
♦প --- পানি বসন্ত ( চিকেন পক্স)
🏮টক্সোয়ড ----> Dhaka Town
♦D --- ডিপথেরিয়া
♦T --- টিটেনাস
🏮 সাবইউনিট ---> H(B)H
♦H(B) --- হেপাটাইটিস B
♦H --- হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস
🏮কনজুগেট ---> Hib
♦Hib --- হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ B
বিভিন্ন কোষের কোষ বিভব।
▫️শুষ্ক কোষ/ড্রাই ব্যাটারি (ফ্লাশ লাইট)→1.50 V
▫️লেড-এসিড কার ব্যাটারি (6 সেল = 12 V)→ 2.00 V
▫️ক্যালকুলেটর ব্যাটারি (মার্কারি)→1.30 V
▫️ ক্যালকুলেটর সিলভার বাটন ব্যাটারি→1.60 V
▫️ লিথিয়াম-আয়ন ল্যাপটপ ব্যাটারি→3.70 V
▫️হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ব্যাটারি→1.23 Vবিভিন্ন কোষের কোষ বিভব।
Easy Study With Sabuj
Sabuj Dev
✅NH3 - 107° - ত্রিকোনাকার পিরামিড।
✅NF3 - 102.5° - ত্রিকোনাকার পিরামিড।
✅PH3 - 94° - ত্রিকোনাকার পিরামিড।
✅H2O - 104.5° - V আকৃতি।
✅NH4 - 109° - চতুস্তলকীয়।
✅CO2 - 180° - সরলরৈখিক।
Easy Study With Sabuj
SaSabuj Dev
02/02/2026
রসায়ন আসলেই মজার সাবজেক্ট, যদি মজার ছলে পড়তে পারেন। 😍
আজকে আমরা জানবো পর্যায় সারণির 118 টি মৌলের কাজ । অর্থাৎ কোন মৌল কোন কাজে ব্যবহার হয় তা জানবো ।
1.হাইড্রোজেন (H)
রকেটে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হয় ।
2.হিলিয়াম (He)
গ্যাস বেলুনে ব্যবহার হয় ।
3.লিথিয়াম ( Li)
ব্যাটারি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
4.বেরিলিয়াম (Be)
মহাকাশযান তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
5.বোরন (B)
খেলার সামগ্রী তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
6.কার্বন (C)
হীরা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
7.নাইট্রোজেন ( N )
সার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
8.অক্সিজেন (O)
নিঃশ্বাসের সময় আমরা ব্যবহার করি ।
9.ফ্লোরিন (F)
পেস্ট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
10.নিয়ন (Ne)
বিজ্ঞাপনী লাইটে ব্যবহার হয় ।
11.সোডিয়াম (Na)
লবণে পাওয়া যায় ।
12.ম্যাগনেশিয়াম (Mg)
মশাল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
13.অ্যালুমিনিয়াম (Al)
বিমান তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
14.সিলিকন (Si)
কাঁচের গ্লাস তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
15.ফসফরাস (P)
ম্যাচ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
16.সালফার (S)
কামানের গোলা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
17.ক্লোরিন (C)
সুইমিং পুলে ব্যবহার হয় ।
18.আর্গন (Ar)
গ্যাস ঝালাই'র কাজে ব্যবহার হয় ।
19.পটাশিয়াম (K)
সার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
20.ক্যালসিয়াম (Ca)
ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
21.স্ক্যানডিয়াম (Sc)
সাইকেল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
22.টাইটেনিয়াম(Ti)
যুদ্ধ বিমান তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
23.ভ্যানাডিয়াম (V)
স্প্রিং তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
24.ক্রোমিয়াম (Cr)
গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
25.ম্যাঙ্গানিজ (Mn)
শক্তিশালী যন্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
26.আয়রন (Fe)
ব্রিজ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
27.কোবাল্ট (Co)
চুম্বক তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
28.নিকেল (Ni)
কয়েন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
29.কপার (Cu)
বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
30.জিংক (Zn)
পিতলের তৈরি জিনিসে ব্যবহার হয় ।
31.গ্যালিয়াম (Ga)
কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
32.জার্মিনিয়াম (Ge)
ক্যামেরার লেন্স তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
33.আর্সেনিক (As)
LED লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
34.সেলেনিয়াম (Se)
ফটোকপি মেশিনে ব্যবহার হয় ।
35.ব্রোমিন (Br)
ফ্লিম তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
36.ক্রিপ্টন (Kr)
ফ্লাস লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
37.রুবিডিয়াম (Rb)
সৌর বিদ্যুৎ যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।
38.স্ট্রনটিয়াম (Sr)
আতসবাজি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
39.ইত্রিয়াম ( Y )
লেজার কাটিং যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।
40.জিরকোনিয়াম (Zr)
অপারেশনের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
41.নায়োবিয়াম (Nb)
দ্রুত গতি সম্পন্ন ম্যাগ লেভ ট্রেন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
42.মলিবডেনাম (Mo)
কাটিং টুলস তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
43.টেকনিশিয়াম (Tc)
সিটি স্ক্যান যন্ত্র তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
44.রুথিনিয়াম (Ru)
বৈদ্যুতিক সুইচ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
45.রোডিয়াম (Rh)
সার্চ লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
46.প্যালাডিয়াম (Pd)
ধোঁয়া দূষণ রোধে ব্যবহার হয় ।
47.সিলভার (Ag)
অলঙ্কার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
48.ক্যাডমিয়াম (Cd)
রঙ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
49.ইন্ডিয়াম (In)
LCD মনিটর তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
50.টিন (Sn)
কৌটা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
51.অ্যান্টিমনি (Sb)
চোখের কাজল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
52.টেলুরিয়াম (Te)
টায়ার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
53.আয়োডিন (I)
লবণে ব্যবহার করা হয় ।
54.জেনন (Xe)
লাইট হাউজে ব্যবহার হয় ।
55.সিজিয়াম (Cs)
পারমাণবিক ঘড়ি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
56.বেরিয়াম (Ba)
এক্স রে তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
57.ল্যন্হানাম (La)
টেলিস্কোপ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
58.সিরিয়াম (Ce)
লাইটার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
59.প্রেজিওডিমিয়াম (Pr)
তেজস্ক্রিয়তা রোধক চশমা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
60.নিওডিমিয়াম (Nd)
ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
61.প্রোমিথিয়াম (Pm)
ডায়াল তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
62.সামারিয়াম (Sm)
প্লেনের ইলেকট্রিক মটরে ব্যবহার হয় ।
63.ইউরোপিয়াম (Eu)
রঙিন টেলিভিশন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
64.গ্যাডোলিনিয়াম (Gd)
MRI যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।
65.টারবিয়াম (Tb)
টিউব লাইট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
66.ডিসপ্রোজিয়াম (Dy)
উপাদানের সূক্ষ্মতা পরিমাপে ব্যবহার হয় ।
67.হলমিয়াম (Ho)
লেজার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
68.এরবিয়াম (Er)
অপটিক্যাল ফাইবার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
69.থিউলিয়াম (Tm)
চোখের লেজার সার্জারিতে ব্যবহার হয় ।
70.ইতের্বিয়াম (Yb)
লেজার ফাইবার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
71.লিউটেশিয়াম (Lu)
ফটো ডাইনোমিক মেডিসিনে ব্যবহার হয় ।
72.হাফনিয়াম (Hf)
সাবমেরিন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
73.ট্যানটালাম (Ta)
মোবাইল ফোন তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
74.টাংস্টেন (W)
বৈদ্যুতিক বাতির ফিলামেন্ট তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
75.রোনিয়াম (Re)
রকেট ইঞ্জিনে ব্যবহার হয় ।
76.ওসমিয়াম (Os)
কলম তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
77.ইরিডিয়াম (Ir)
স্পার্ক প্লাগ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
78.প্লাটিনাম (Pt)
গবেষণা কাজের যন্ত্রাংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
79.গোল্ড (Au)
অলঙ্কার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
80.মার্কারি (Hg)
উচ্চ তাপমাত্রা মাপার থার্মোমিটার তৈরিতে ব্যবহার হয়
81.থ্যালিয়াম (Ti)
শীতলতা মাপার থার্মোমিটার তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
82.লেড (Pb)
বন্দুকের গুলি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
83.বিসমাথ(Bi)
আগুন নেভানোর যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।
84.পেলোনিয়াম (Po)
এন্টি-স্ট্যাটিক ব্রাশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
85.অ্যাসটেটিন (At)
তেজস্ক্রিয় ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
86.রেডন (Rn)
টিউমার , ক্যান্সার নিরাময়ের কাজে ব্যবহার হয় ।
87.ফ্রান্সিয়াম (Fr)
পারমাণবিক গবেষণার কাজে ব্যবহার হয় ।
88.রেডিয়াম (Ra)
ঘড়ি, যানবাহনের নির্দেশকে ব্যবহার হয় ।
89.অ্যাক্টিনিয়াম (Ac)
রেডিও ইমিউনোথেরাপিতে ব্যবহার হয় ।
90.থোরিয়াম (Th)
গ্যাস বাতি তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
91. প্রোট্যাকটিনিয়াম (Pa)
উচ্চ তেজস্ক্রিয়তার কারনে গবেষণা ছাড়া কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।
92.ইউরেনিয়াম (U)
পারমাণবিক চুল্লির প্রধান উপাদান ।
93.নেপচুনিয়াম (Np)
মহাকাশযানের জেনারেটরে , নিউট্রন নির্দেশক হিসেবে ব্যবহার হয় ।
94.প্লুটোনিয়াম (Pu)
পারমাণবিক বোমা তৈরিতে ব্যবহার হয় ।
95.আমেরিসিয়াম (Am)
ধোঁয়া নির্ণয় যন্ত্রে ব্যবহার হয় ।
96.কিউরিয়াম (Cm)
খনিজ পদার্থ অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহার হয় ।
B
97.বার্কেলিয়াম (Bk)
তেমন কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।
98.ক্যালিফোর্নিয়াম (Cf)
খনিজ পদার্থ অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহার হয় ।
99.আইনস্টাইনিয়াম (Es) - 103.লরেনসিয়াম (Lr)
এগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, অতিমাত্রায় বিষাক্ত পদার্থ, শুধুমাত্র আণবিক গবেষণা ছাড়া কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।
104.রাদারফোর্ডিয়াম (Rf) - 108.ওগানেসন (Og)
এগুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণার বাইরে কোনো কাজে ব্যবহার হয় না ।
ধন্যবাদ সবাইকে । ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ।
Easy Study With Sabuj Sabuj Dev
📝 Content–120
টপিকঃ নিষ্ক্রিয় অঙ্গ (জীনতত্ত্ব ও বিবর্তন)
🔴 নিষ্ক্রিয় অঙ্গ/লুপ্তপ্রায় অঙ্গ
💡 মানবদেহে শতাধিক (১০০) নিষ্ক্রিয় অঙ্গের সন্ধান পাওয়া গেছে। যেমন-
✔️চোখের তৃতীয় পল্লব
(Plica semilunaris/Nictitating membrane)
✔️অ্যাপেনডিক্স (Appendix)
(বৃহদন্ত্রের সিকামের সাথে আঙ্গুলের মত যুক্ত অংশ। গিনিপিগ, খরগোশ ইত্যাদি তৃণভোজী প্রাণীতে অ্যাপেনডিক্স সুগঠিত ও কার্যকর)
✔️বহিঃকর্ণের তিনটি কর্ণপেশি
✔️পুচ্ছাছি (Coccyx)
✔️আক্কেল দাঁত
✔️সূচালো কর্তন দাঁত
✔️গায়ের লোম
✔️পুরুষের স্তন
✔️পিনিয়াল গ্রন্থি
✔️থাইমাস গ্রন্থি
✔️টনসিল
✔️উদরের খন্ডকীয় পেশী
© Sabuj Dev
© Easy study With Sabuj