জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা

জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা
বড় বাড়ীর দরজা, রেজুমিয়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী।
মোবাঃ 01876-191412,01280-005659

* জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা *

বড় বাড়ীর দরজা, বাঁশপাড়া নদীরকুল, রেজুমিয়া, ছাগলনাইয়া পৌরসভা, ফেনী।

★ বিভাগ সমূহ..
* হিফয বিভাগ।
* নাজেরা বিভাগ।
* আদর্শ নুরানী বিভাগ।
* কিতাব বিভাগ।
--------------------**--------------------
হাঃ মাওঃ রিয়াজুল ইসলাম
পরিচালক,অত্র মাদ্রাসা ও মসজিদ
মোবাইল নম্বরঃ ০১৮৭৬-১৯১৪১২, ০১৮৩০-০০৫৬৫৯

21/07/2025
18/05/2025

আলহামদুলিল্লাহ।
১৩/০৫/২০২৫ইং মঙ্গলবার আমাদের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আল্লাহ পাক সকল পরীক্ষার্থীদের দ্বীনের জন্য কবুল করুক, আমিন
১৮/০৫/২০২৫ খ্রিঃ

18/05/2025

আলহামদুলিল্লাহ।
১৩/০৫/২০২৫ইং মঙ্গলবার আমাদের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আল্লাহ পাক সকল পরীক্ষার্থীদের দ্বীনের জন্য কবুল করুক, আমিন
১৮/০৫/২০২৫ খ্রিঃ

আলহামদুলিল্লাহ।১৩/০৫/২০২৫ইং মঙ্গলবার  আমাদের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।আল্লাহ পাক সকল পরীক্ষার্থীদের দ্বীনের জন্য ...
18/05/2025

আলহামদুলিল্লাহ।
১৩/০৫/২০২৫ইং মঙ্গলবার আমাদের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আল্লাহ পাক সকল পরীক্ষার্থীদের দ্বীনের জন্য কবুল করুক, আমিন
১৮/০৫/২০২৫ খ্রিঃ

শিশুদেরকে প্রহার করার বৈধতা কতটুকু------------------------------------------মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী------------------...
01/02/2025

শিশুদেরকে প্রহার করার বৈধতা কতটুকু

------------------------------------------
মুফতী আবুল হাসান শামসাবাদী
------------------------------------------
বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে শিশুদেরকে প্রহার করা জায়িয নয়। হাত দিয়ে মৃদুভাবে শাসন করা যায়। কিন্তু তা-ও একসাথে তিনবারের বেশী জায়িয নয়।

এ ব্যাপারে হাদীসে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে–

قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني

হযরত রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)

তেমনি ফাতওয়ার কিতাবে এরকমই বলা হয়েছে। দেখুন, হাশিয়া-ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতারের ইবারত–

قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)

“দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–” بید“ (শিষ্টাচারের জন্য মা-বাবা সন্তানদেরকে হাত দ্বারা মামুলীভাবে প্রহার করতে পারেন,) এক্ষেত্রে উল্লেখ্য হলো– সেটা তিনের বেশী হতে পারবে না। তেমনি শিক্ষকের জন্য জায়িয হবে না তিনবারকে অতিক্রম করা। কেননা, রাসূলুল্লাহ (সা.) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন–“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” এ হাদীসটি ইসমাঈল (রহ.) আল্লামা আস্তুরুশনী (রহ.)-এর “আহকামুস সিগার” কিতাব থেকে উদ্ধৃত করেছেন। এ হাদীসের বাহ্যত নির্দেশনা হলো–নামায ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রেও বেত বা লাঠি দ্বারা প্রহার করা যাবে না। এভাবে দুররুল মুখতারে বলা হয়েছে–”لا بخشبة“ (লাঠির দ্বারা নয়।) এখানে লাঠি বলতে ব্যাপক মাধ্যমকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। তাই লাঠি বা দোররা ইত্যাদি যে কোন জিনিস দ্বারা প্রহার করা নিষিদ্ধ হবে। (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা)

সেই সাথে এ ব্যাপারে দারুল উলূম দেওবন্দের ফাতওয়া রয়েছে। তার লিঙ্ক নিম্নে প্রদত্ত হলো–

https://darulifta-deoband.com/home/ur/others/156983

দেওবন্দের উক্ত ফাতওয়ার অনুবাদ নিম্নে প্রদত্ত হলো--

শিরোনাম : ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়?

প্রশ্ন--১ :
----------

তালিবে ইলমীর যমানায় দেখতাম, আমাদের শিক্ষক মহোদয় ছাত্রদেরকে খুব পেটাতেন। চামড়ার বেল্ট, হিটারের তার ও বেত দ্বারা প্রহার করতেন। আর এ ব্যাপারে বলতেন--শরীরের যেখানে উস্তাযের আঘাত লাগে, সেই স্থানে দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। এ কথা কতটুকু সঠিক?

২ :-
----

ছাত্রদেরকে এভাবে যবরদস্তি করে পিটিয়ে অথবা জিঞ্জিরে বেঁধে শাস্তি দেয়া (ঐ ইলম শেখানোর জন্য যা ফরজে কিফায়াহ)--এটা কি জায়িয হবে?

উল্লিখিত প্রশ্ন দু’টির দলীল-প্রমাণ ও বিচার-বিবেচনাভিত্তিক জবাব প্রদান করে বাধিত করে কৃতজ্ঞতার পাশে আবদ্ধ করবেন। এটা বড় ইহসান হবে।

দারুল উলূম দেওবন্দের উত্তর :--
-------------------------------

بسم الله الرحمن الرحيم

কুরআন, হাদীস ও নির্ভরযোগ্য কোনো কিতাবে আমরা এ কথা পাইনি যে, ছাত্রের শরীরের যে অংশে উস্তাযের বেত লাগে, সেই অংশের উপর কি দোযখের আগুন হারাম হয়ে যায়। বরংহযরত নবী কারীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হযরত মিরদাস (রা.) কে (যিনি বাচ্চাদের পড়াতেন ) উদ্দেশ্য করে বলেন--

إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک

“খবরদার! বাচ্চাদেরকে তিনের বেশি মারবে না। কেননা, যদি তুমি তিনের বেশি মারো, তাহলে আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামত দিন তোমার থেকে তার ক্বিসাস বা বদলা নিবেন।” (হাশিয়া ইবনে আবিদীন-রদ্দুল মুহতার, ১ম খণ্ড, ৩৫১ পৃষ্ঠা/ ই‘লাউস সুনান, ১০ম খণ্ড, ২৫২ পৃষ্ঠা)

ফিকাশাস্ত্রবিদগণ এই হাদীসের আলোকে বলেছেন, শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়ার জন্য উস্তাদ হাত দ্বারা হালকা-মোলায়েমভাবে বাচ্চাদেরকে মারতে পারবেন। কিন্তু এক‌ সময়ে তিনবারের বেশি মারবেন না এবং বেত, লাঠি, ডান্ডা, কোড়া ও চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে কখনো মারবেন না। শরীয়তে তার অনুমতি নেই। চাই সেটা ফরজে আইনের ইলম হোক বা ফরজে কিফায়াহ পর্যায়ের ইলম হোক। তেমনিভাবে মা-বাবাও শিষ্টাচারিতার জন্য সন্তানদেরকে শুধু হাত দ্বারা হালকা-পাতলা শাসন করতে পারেন। কিন্তু বেত, লাঠি ইত্যাদি দিয়ে মারতে পারবেন না।

সুতরাং মক্তব ও মাদরাসাসমূহের কিছু উস্তায যে ছাত্রদেরকে জিঞ্জিরে বেঁধে নির্দয়ভাবে মারেন, অথবা বেত, লাঠি, চামড়ার বেল্ট ইত্যাদি দিয়ে মারা কিছুতেই জায়িয হবে না। উস্তাযগণের জন্য এত্থেকে বেঁচে থাকা জরুরী। ছাত্রদেরকে শুধুমাত্র স্নেহ ও মহব্বতের মাধ্যমে তা‘লীম দেয়া কর্তব্য। অথবা হালকা-পাতলা-মামুলী প্রহার বা শাসনের উপর ক্ষান্ত করা উচিত।

قولہ: ” بید“: أي: ولا یجاوز الثلاث، وکذلک المعلم لیس لہ أن یجاوزھا، قال علیہ الصلاة والسلام لمرداس المعلم:”إیاک أن تضرب فوق الثلاث؛ فإنک إذا ضربت فوق الثلاث اقتص اللہ منک“ اھ إسماعیل عن أحکام الصغار للأستروشني، وظاھرہ أنہ لا یضرب بالعصا في غیر الصلاة أیضاً۔ قولہ: ”لا بخشبة“: أي: عصاً، ومقتضی قولہ: ”بید“ أن یراد بالخشبة ما ھو الأعم منھا ومن السوط، أفادہ ط (رد المحتار، أول کتاب الصلاة، ۲:، ط: مکتبة زکریا دیوبند)۔

واللہ تعالیٰ اعلم

দারুল ইফতা
দারুল উলূম দেওবন্দ।
ফাতওয়া নং : 305-325/N=4/1439

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Mdalamgir Cox
01/02/2025

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! Mdalamgir Cox

জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসাবড় বাড়ীর দরজা, বাঁশপাড়া নদীরকুল, রেজুমিয়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী।      মোবাইলঃ ০১৮৭৬-১৯১৪১২        ...
11/01/2025

জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা
বড় বাড়ীর দরজা, বাঁশপাড়া নদীরকুল, রেজুমিয়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী।
মোবাইলঃ ০১৮৭৬-১৯১৪১২
*জরুরী বিজ্ঞপ্তি*
এত দ্বারা “জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা”র নুরানী বিভাগের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের অবগতির জন্য
জানানো যাইতেছে যে,
আগামী ১৫/০১/২০২৫ইং রোজ বুধবার সকাল ৯.০০ ঘটিকায় অত্র মাদ্রাসার ২০২৫ইং শিক্ষাবর্ষের
“নতুন সবক প্রদান ও অভিভাবক সমাবেশ” অনুষ্ঠিত হইবে। ইনশাআল্লাহ

উক্ত মহতি অনুষ্ঠানে আপনাদের সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করা যাইতেছে।

অনুরোধক্রমে
হাফেজ মাওলানা রিয়াজুল ইসলাম
পরিচালক, অত্র মাদ্রাসা

31/12/2024

জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসার সম্মানিত পরিচালক হাফেজ মাওলানা রিয়াজুল ইসলাম সাহেবের অক্লান্ত পরিশ্রম ও তত্ত্বাবধানে ২০২৪ইং শিক্ষাবর্ষে বয়স্কদের জন্য সহীহ শুদ্ধ ভাবে পবিত্র কুরআন শরীফ ও নামাজ শিক্ষা প্রশিক্ষণ আরম্ভ করেন।
প্রথম পর্বে ২৫জন জ্ঞান পিপাসুদের মধ্যে ১৫জন সহীহ শুদ্ধ ভাবে কুরআন শরীফ পড়তে সক্ষম হয়েছে। এবং তাদের পবিত্র কুরআন শরীফ সবক দেওয়া হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ

বিঃ দ্রঃ দ্বিতীয় পর্বের ভর্তি আগামী ১লা জানুয়ারী থেকে ১৫ জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে।

Address

বড় বাড়ীর দরজা বাঁশপাড়া নদীর কুল, রেজুমিয়া, ছাগলনাইয়া, ফেনী।
Chhagalnaiya
3910

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to জামেয়া দারুস সালাম মাদ্রাসা:

Shortcuts

Share

Category