Unique It Institute

Unique It Institute

Share

Build Carear, Discover your IT Profession...

Photos 15/08/2016

ভিডিও মার্কেটিং করে ইউটিউবের মাধ্যমে আয়।
ইউটিউব মার্কেটিং প্রশিক্ষণ কোর্স।
কোর্স ফিঃ ১০,০০০ টাকা।
মোট ক্লাস ১০টা। ( সপ্তাহে ২টা করে ক্লাস)
কোর্স শুরু হবে ২৫/৮/২০১৬ থেকে
মোট আসন সংখ্যা ১০ টা

যা পাবেন এই কোর্স থেকে
১) ১০০% আয় করার নিশ্চয়তা।
২) একটি গুগুল এডসেন্স একাউন্ট (হোষ্টেট)
৩) ভিডিও তৈরি করার সপ্টওয়ার।

বর্তমানে প্রচলিত অনলাইন মার্কেটিংয়ের মধ্যে ইউটিউব মার্কেটিং সর্বাধিক জনপ্রিয়।

যোগাযোগ ঠিকানা
ইউনিক আইটি
নুরুল হক ভবন ( ২য় তলা)
মোবাঃ ০১৯৭৭ ১০২৯৬২ / ০১৭৯৭ ৫০৪০৩০

Photos 09/06/2016

এই রমযানে আমাদের ৪র্থ মিশন
-----------------

আপনি কি ঠিকমত তারাবীর নামায আদায় করছেন? যদি এখনও শুরু না করে থাকেন তবে আজ থেকেই ইশা'র নামাযের পর তারাবীর নামায আদায় করা শুরু করে দিন।

আর যদি ইতিমধ্যেই আপনি তারাবীর নামায পড়া শুরু করে থাকেন, তাহলে আলহামদুলিল্লাহ! ♥♥♥

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মাদ (স) এর জীবনকাল থেকেই তারাবীর নামাযের প্রচলন শুরু হয়। পরবর্তীতে খলীফা হযরত উমার (রা) এই নামাযকে আবারও সবার সামনে গুরুত্বের সাথে তুলে আনেন। যদিও তারাবীর নামায ফরয নয়, কিন্তু এটি সারা বছরে কেবল রমযানের ত্রিশ রাতের জন্যই পাওয়া যায়! যদি আপনি একজন সত্যিকারের মুসলমান হয়ে থাকেন, তবে আপনি কোনভাবেই তারাবীর নামায পড়ার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।

"তারাবী" শব্দটার মানে হচ্ছে "বিশ্রাম বা আরাম"। তাই এই নামায কখনোই তাড়াহুড়া বা দৌড়ের উপর পড়ার জন্য নয়। আরাম করে সময় নিয়ে তারাবীর নামায পড়তে হয়।

আপনার আশপাশে যেসব মুসলমান ভাই রয়েছেন, তাদের নিয়ে মসজিদে গিয়ে তারাবীর নামায পড়ে আসুন। নিশ্চয়ই একটা ঘন্টা ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাঁটি কিংবা মুভি দেখার চেয়ে, ঘন্টাখানেক মসজিদে গিয়ে নামায আদায় করা খুউব ভালো কাজ কাজ!

যদি তারাবীর নামায নিয়ে আপনার কিছু প্রেরণার দরকার পড়ে, তবে মনে রাখবেন:
⚫ তারাবী খুবই "বিশেষ" এক নামায যা কেবল বছরে ৩০ টা রাতের জন্য আসে
⚫ তারাবীর নামায পড়ার মাধ্যমে আপনি আল্লাহ তা'লার আরও কাছাকাছি হতে পারছেন, যার অর্থ পরকালে জান্নাত আপনার জন্য করছে ইনশাআল্লাহ্!

নোট: তারাবীর নামায কেবল রমযানের প্রথম সপ্তাহেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা সারা রমযান জুড়ে পরিব্যাপ্ত। তাই সম্পূর্ণ রমযান জুড়েই তারাবীর নামায পড়ার জন্য নিজেকে তৈরি করে ফেলুন। :

Photos 30/10/2015

বিল গেটসের যে ৫টি উক্তি সবার জানা উচিত

বছরের পর বছর ধরে গেটস তার দীর্ঘ ব্যবসায়িক অন্তর্দৃষ্টি ও মানবহিতৈষী চেতনা থেকে কিছু জ্ঞানমূলক উক্তি দিয়েছেন।

এ সপ্তাহের বুধবারে ৬০ বছর পূর্ণ হলো বিল গেটসের। ৪০ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, পার্সোনাল কম্পিউটার প্রবর্তনের পথিকৃৎ বিল গেটস প্রযুক্তি বিশ্বে নিজেকে নিয়ে গেছেন এক অনন্য উচ্চতায়। ক্যারিয়ারে শুধুমাত্র তার অর্জনই টেক ইন্ড্রাস্টির সব সাফল্যকে ছাঁপিয়ে গেছে।

তিনি ও তার স্ত্রী সম্মিলিতভাবে ২০০০ সালে বিল এ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর থেকেই গেটস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবপ্রেমী, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগী হাত, দারিদ্র্যতা মুক্তির লড়াকু কর্মী। শিক্ষার প্রসারে প্রযুক্তির ব্যবহারকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতেও কাজ করছেন তিনি।

বছরের পর বছর ধরে গেটস তার দীর্ঘ ব্যবসায়িক অন্তর্দৃষ্টি ও মানবহিতৈষী চেতনা দ্বারা কিছু জ্ঞানমূলক উক্তি দিয়েছেন।

এখানে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি প্রকাশ করা হল:-

‘আমরা যদি পরবর্তী শতাব্দীর কথা চিন্তা করি তবে তারাই নেতা হবে যারা অন্যদের ক্ষমতায়ন করে।’

সূত্র: জোসেফ প্রিচার্ডের বিল গেটস: এ বায়োগ্রাফি, ২০১২।

‘সাফল্য একটি পরিপূর্ণ শিক্ষক। এটি স্মার্ট মানুষের চিন্তায় তারা কখনো ব্যর্থ হবে না এটি ঢুকিয়ে দেয়।’

সূত্র: দি রোড এহেড, বিল গেটস, ন্যাথান মাইহারভোল্ড এবং পিটার রিনিয়েরসন, ১৯৯৫

‘আগামীর বৈশ্বিক গ্রামের টাউন স্কয়ার হয়ে উঠছে ইন্টারনেট।’

সূত্র: বিল গেটস’ বিজনেস দি স্পিড অব থট, ১৯৯৯

‘আপনার সবচেয়ে অখুশি কাস্টমাররাই আপনার শিক্ষা নেওয়ার সবচেয়ে বড় উৎস।’

সূত্র: বিজনেস দি স্পিড অব থট, ১৯৯৯

‘একটি নির্দিষ্ট সময়ে গিয়ে অর্থের কোন উপযোগিতা আমার কাছে নেই। একটি সংস্থা গঠন এবং তা থেকে প্রাপ্ত সম্পদ বিশ্বের দরিদ্রতম স্থানে প্রদান করাতেই এর উপযোগিতা নিহিত।’

সূত্র: দি টেলিগ্রাফ, ২০১৩

সূত্র: হাফিংটন পোস্ট

Photos 27/10/2015

মাত্র ৯৯ ডলারের একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইলেক্ট্রনিকস পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনফোকাস। 'ক্যাঙ্গারু' নামের এই ডেস্কটপটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর ডিজাইন।

মাত্র ৯৯ ডলারের একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ইলেক্ট্রনিকস পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনফোকাস। 'ক্যাঙ্গারু' নামের এই ডেস্কটপটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো এর ডিজাইন। দেখলে মনে হবে একটি স্মার্টফোন, রাখা যায় মুঠোর মধ্যেই।

ইনফোকাস জানিয়েছে, তাদের এই মুঠো কম্পিউটারটি যেকোনো ডিসপ্লের সাথে ব্যবহারযোগ্য। এছাড়া এর সাথে মাউস কিংবা কীবোর্ড যুক্ত করে কাজ করার সুযোগও রয়েছে।

ক্যাঙ্গারুর আকৃতি ০.৫২x৩.১৭x৪.৮৮ ইঞ্চি যা পুরোপুরি স্মার্টফোনের মতোই দেখতে। মজার ব্যাপার হলো দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি বিনোদনের ক্ষেত্রেও এই মুঠো কম্পিউটার দারুণ কাজ করবে। টিভির সাথে একে এইচডিএমআই ক্যাবল দিয়ে সংযুক্ত করে গেম খেলা কিংবা মুভি দেখার কাজ সেরে নেওয়া যাবে। আর উন্নত গ্রাফিক্সের জন্য এই ডিভাইসটির মধ্যে আছে ইন্টেল এইচডি গ্রাফিক্স।

ডিভাইসটিতে আছে ১.৪৪ গিগাহার্জ ইন্টেল অ্যাটম এক্স৫ ৬৪-বিট প্রসেসর, ২ গিগাবাইট ডিডিআর৩ র‍্যাম, ৩২ গিগাবাইট ইএমএমসি স্টোরেজ। এছাড়া বাড়তি মেমোরির জন্য মেমোরি কার্ড স্লটও রয়েছে।

ফিচারের দিক থেকে কোন কমতি নেই ক্যাঙ্গারুতে। বাড়তি নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য এতে আছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার। এছাড়া আছে ওয়াইফাই কানেক্টিভিটি, দুটি ইউএসবি পোর্ট। একবার চার্জ দিলে চার ঘন্টা পর্যন্ত ডেস্কটপটি ব্যবহার করা যাবে যা সাধারণ ব্যবহারের জন্য পর্যাপ্ত।

ক্যাঙ্গারুতে প্রি-ইনস্টলড অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে থাকছে উইন্ডোজ ১০। তবে এতে লিনাক্স ভিত্তিক অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম সহ সব ধরণের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের সুযোগ থাকছে।

৯৯ ডলার বা প্রায় ৭,৮০০ টাকা মূল্যের এই মুঠোকম্পিউটার আগামী বছর অনুষ্ঠেয় কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিকস শো'তে প্রদর্শনের পরিকল্পনা করছে ইনফোকাস।

সূত্র: টেক টাইমস

Photos 05/10/2015

বিদেশে উচ্চশিক্ষা: সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন

বর্তমান সময়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের অনেকেরই প্রথম পছন্দ যুক্তরাষ্ট্র। স্নাতক কিংবা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে যাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের জন্য ভর্তির প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে সঠিক বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন। যেহেতু কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাওয়া এবং সেই প্রতিষ্ঠানটিতে ভর্তি-পরবর্তী অভিজ্ঞতার অনেকটা নির্ভর করে নিজের যোগ্যতা ও সামর্থ্য অনুযায়ী সঠিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের ওপর। তাই ভর্তির প্রক্রিয়া শুরুর অন্তত মাস দুয়েক আগে থেকেই পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তাদের ওয়েবসাইটে ঘুরে দেখতে হবে এবং প্রয়োজন হলে সেখানে পড়ছেন এমন কোনো শিক্ষার্থী বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাডমিশন অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনের ব্যাপারে বেশির ভাগ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে যে বিষয়টি প্রাধান্য পায় তা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ এবং শিক্ষাবৃত্তির সুযোগ। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে টিউশন ফি তুলনামূলকভাবে কম হয়, কিন্তু সীমিত তহবিলের কারণে এসব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেওয়া বৃত্তির পরিমাণও সীমিত হয়ে থাকে। অপর দিকে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ব্যয়বহুল হলেও এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মেধা ও আর্থিক অবস্থা অনুযায়ী প্রদানকৃত বৃত্তির পরিমাণ অপেক্ষাকৃত বেশি হয়। তবে বিশ্ববিদ্যালয় পাবলিক হোক বা প্রাইভেট, যেকোনো ধরনের বৃত্তির জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা অত্যন্ত বেশি হওয়ায় প্রতিযোগিতা থাকে তীব্র। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার আগেই ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীকে নিজেকে এই তীব্র প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য যোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করার দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
অনেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিংকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিলেও এর পাশাপাশি অন্যান্য কিছু বিষয়ও সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত, যা শিক্ষার মান এবং বিশ্ববিদ্যালয়-পরবর্তী কর্মজীবনে প্রভাব ফেলে। যেমন কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম, সেখানে অধ্যাপকদের সঙ্গে যেভাবে ব্যক্তিগতভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ থাকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম ভালোভাবে জানা সম্ভব হয়। আবার বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় অন্যান্য বিষয়ে পড়ছেন এমন শিক্ষার্থীর সঙ্গে চেনা-জানা হওয়ার সুযোগ বেশি থাকে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন বা অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক সক্রিয় থাকে এবং খণ্ডকালীন চাকরি খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে তাঁরা দারুণভাবে সহায়তা করেন। এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়টি কোথায় অবস্থিত, শহরে না শহরের বাইরে, যদি শহরে হয় তাহলে কোন শহরে, সেখানে কী ধরনের কাজের সুযোগ বেশি, এ সবকিছুর ওপরও অনেকাংশে নির্ভর করে ইন্টার্নশিপ এবং অন্যান্য সুযোগ কতটা পাওয়া যাবে। এ কারণে শিক্ষার্থীকে নিজেই স্থির করতে হবে তিনি কী ধরনের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা পেতে আগ্রহী, ভবিষ্যতে কোথায় ক্যারিয়ার গড়তে চান এবং সে অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করতে হবে।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়ের আবশ্যিক শর্তগুলো পূরণের প্রতি লক্ষ রাখা। যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনের জন্য কিছু টেস্ট স্কোর প্রয়োজন হয়, যেমন স্নাতক পর্যায়ের জন্য স্যাট, স্নাতকোত্তর পর্যায়ের জন্য জিআরই, জিম্যাট কিংবা ভাষাগত দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য আইএলটিএস, টোয়োফল ইত্যাদি। কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার জন্য এসব পরীক্ষায় ন্যূনতম স্কোরের আবশ্যকতা উল্লেখ করা থাকে। সে ক্ষেত্রে ওই স্কোর না পেলে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে আবেদন করা সম্ভব হবে না, তাই আগে থেকেই এসব নিয়মকানুন জেনে রাখতে হবে।
কোনো বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য প্রথমেই ঘুরে আসা উচিত বিশ্ববিদ্যালয়টির ওয়েবসাইট থেকে। ভর্তি-সংক্রান্ত সব তথ্যের পাশাপাশি এসব ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম, পড়াশোনার খরচ, বৃত্তি ইত্যাদির বিস্তারিত বর্ণনা, যা একজন শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জানার সুযোগ করে দেয়। একই সঙ্গে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য একজন অ্যাডমিশন কাউন্সিলরের ই-মেইল দেওয়া থাকে, যাঁর কাছ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টি সম্পর্কিত যেকোনো তথ্য জেনে নেওয়া যায়।
এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচনে সহায়তা করার জন্য অনলাইনে রয়েছে www.collegeboard. org, www.cappex. com প্রভৃতি ওয়েবসাইট এবং ফেস বুকের গ্রুপ www.fb.com/groups/HigherStudyAbroadwww.fb.com/groups/BdBeyondBorder যেগুলো ভর্তি-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদানের সঙ্গে সঙ্গে ভর্তির প্রক্রিয়ার সার্বিক প্রস্তুতিতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

Photos 20/07/2015

ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি

চলতি বছর থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আর ভর্তি পরীক্ষা নিবে না। অর্থ্যাৎ অধিভুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে ভর্তির জন্য আলাদা কোনো পরীক্ষা হবে না। এসএসসি ও এইচএসসির ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আর এ বছর ভর্তির কাজ শেষ করে ১ ডিসেম্বর ক্লাস শুরু করা হবে। গতকাল শনিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটের ১৭তম বার্ষিক অধিবেশনে এ কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য হারুন-অর-রশিদ। বিশ্ববিদ্যালয়টির জনসংযোগ, তথ্য ও পরামর্শক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ফয়জুল করিম সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানান।

সিনেটে উপাচার্য তাঁর অভিভাষণে এ পর্যন্ত কার্যকর হওয়া ২৮টি, বাস্তবায়নাধীন ৯টি এবং ভবিষ্যত কর্ম-পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে ২০১৬ সালের শেষের দিকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠান, র‌্যাংকিংয়ের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে পুরস্কৃত করা, এসএসসি ও এইচএসসি’র ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি, সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষে আর নয় বরং ভর্তি কার্যক্রম এগিয়ে আনা, ১লা ডিসেম্বর থেকে ক্লাস শুরু, ২০১৭ সালের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্পূর্ণ আইটিভিত্তিক এবং ২০১৮ এর মধ্যভাগ থেকে সম্পূর্ণ সেশনজটমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

Photos 16/07/2015
Photos 03/07/2015

অনলাইনে কিভাবে আয় করবেন? আসুন একসাথে অনেক গুলো টিপস দেখি....

বিশ্বজুড়ে শ্রমবাজারে ব্যাপক পরিবর্তন আনছে ইন্টারনেটে শ্রম বিনিময় ও অনলাইনে কাজের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও। স্বল্প সময়ে সহজে আয়ের সুযোগ থাকাতেই ইল্যান্স, ওডেস্ক, ফ্রিল্যান্সার নামে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে বাংলাদেশের তরুণ ফ্রিল্যান্সারদের সংখ্যা বাড়ছে আর তাঁরা কাজও করে যাচ্ছেন সমান দক্ষতায়।

স্বল্প সময়ে কম পারিশ্রমিকে জটিল কাজের সমাধান দিচ্ছেন ফ্রিল্যান্সাররা। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশগুলো থেকে আসছে নানা কাজ। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজের অর্ডার দিয়ে দক্ষ শ্রমিক বাছাই করে স্বল্প সময়ে, কম পারিশ্রমিকে কাজ করিয়ে নিচ্ছে।

কিন্তু একটা সময় ছিল যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্থানীয় প্রতিষ্ঠান বাদে কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভবই ছিল না। বর্তমানে অনলাইনে ক্লাউড পদ্ধতিতে খুব সহজেই বিশ্বের নানা প্রান্তের দক্ষ পেশাজীবীদের দিয়ে কম পারিশ্রমিকে কাজ করিয়ে নিতে পারছে প্রতিষ্ঠানগুলো। অনলাইনের এ শ্রমশক্তি নিয়ে সম্প্রতি ইকোনোমিস্টে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

পারিশ্রমিক ও প্রতিযোগিতাই বাড়িয়েছে জনপ্রিয়তা

খুব কম সময়ের নোটিশে ২২ মিনিটের একটি ভিডিও ইংরেজি থেকে স্প্যানিশ ভাষায় অনুবাদ করে দেওয়ার অর্ডার দিয়ে একটি কাজের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল ওয়েবসাইটে। কাজের জন্য বাজেট ধরা হয়েছিল এক হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয় অনলাইন মার্কেটপ্লেসের জনপ্রিয় দুটি সাইট ইল্যান্স ডটকম ও ওডেস্ক ডটকমে । এর বিপরীতে ইল্যান্সে ২৫ টি বিড জমা পড়েছিল। অর্থাত্, ২৫ জন ফ্রিল্যান্সার ইল্যান্সে ওই কাজটির পাবার জন্য আবেদন করেন। ১৫ টি দেশের এই ২৫ জন ফ্রিল্যান্সারের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ছিলেন নতুন ফ্রিল্যান্সার। ঘণ্টাপ্রতি কাজের ক্ষেত্রে যে পারিশ্রমিক চাওয়া হয়েছিল দেশ ভেদে তার ভিন্নতা ছিল। এ ক্ষেত্রে কোনো ফ্রিল্যান্সার ঘণ্টাপ্রতি ১৬ ডলার আবেদন করেছিলেন আবার কেউ বা কাজের বিনিময়ে পারিশ্রমিক চেয়েছিলেন ঘণ্টাপ্রতি ৩২ ডলার । কাজের অভিজ্ঞতা ও অঞ্চলভেদে এ পারিশ্রমিকের তারতম্য, দক্ষ ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কারণেই অনলাইনভিত্তিক মার্কেটপ্লেসগুলোর জনপ্রিয়তা বেড়েছে।

বিস্তৃত হয়েছে শ্রমবাজার

২০১২ সালে অনলাইন শ্রম বাজার ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ২০১৪ সাল নাগাদ অনলাইন এ শ্রম বাজার দ্বিগুণ হয়ে যাবে। ২০১৮ সাল নাগাদ অনলাইন শ্রমশক্তির বাজার ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলেই মার্কিন বাজার গবেষকেরা ধারণা করছেন।

প্রতিদ্বন্দ্বী ওডেস্ক ও ইল্যান্স

অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে সেরা প্রতিষ্ঠানের দাবি করে ওডেস্ক ও ইল্যান্স। ২০১২ সালে তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি সাইটে পাঁচ লাখেরও বেশি কাজ পোস্ট হয়েছে। ২০১২ সাল নাগাদ ওডেস্কে ৩০ লাখ ও ইল্যান্সে ২৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ পাওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। তবে ওডেস্ক ও ইল্যান্স নিজেদের প্রতিদ্বন্দ্বী দাবি করলেও অর্থ ব্যয়ের হিসাবে ইল্যান্সের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ওডেস্ক। ওডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, ২০১২ সালে শুধু ওডেস্কে সাড়ে তিন কোটি ঘণ্টা কাজ হয়েছে।

ইল্যান্সের প্রধান নির্বাহী ফাবিও রোসাটি এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, উচ্চ পর্যায়ের ফ্রিল্যান্স কাজের বাজার নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী ইল্যান্স, আর তাই ইবে এবং ফেসবুকের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমন সাধারণ পর্যায়ের কাজ করার কোনো চুক্তি করা হয় না। এর বিপরীত মত নিয়ে ওডেস্কের প্রধান নির্বাহী গ্যারি সোয়ারট বলেন, বড় আকারের প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা সৃজনশীলভাবে মেটাতে পারে বলেই ওডেস্কের অগ্রগতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, অনলাইন মার্কেটপ্লেস হিসেবে তৃতীয় অবস্থান হিসেবে ফ্রিল্যান্সার সাইটটিকে ধরা হয়। নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সারের হিসেবে এ সাইটটি অবশ্য শীর্ষে। এ সাইটটিতে ৭০ লাখ নিবন্ধিত ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন। তবে সাইটটিতে কাজের পারিশ্রমিক কম হওয়ায় এটি পিছিয়ে পড়ছে। ওডেস্ক, ইল্যান্স, ফ্রিল্যান্সার ছাড়াও নতুন নতুন আরও বেশ কিছু সাইট দ্রুত অনলাইনে সামনে চলে আসছে।

ব্যবসার কৌশল

শ্রমবাজার তৈরি ও ব্যবসা কৌশলের ক্ষেত্রেও অনলাইনের এ সাইটগুলো আলাদা। প্রতিটি কাজ সম্পন্ন হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি কেটে রাখে সাইটগুলো। পাশাপাশি কাজদাতা ও কর্মীর মধ্যে রেটিং, ফিডব্যাক পদ্ধতি যুক্ত করে কাজদাতা ও কর্মীর প্রোফাইলও সমৃদ্ধ করে। তবে পারিশ্রমিক নির্ধারণ ও পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় কাজ করে যাচ্ছে ওডেস্ক।

দক্ষতাই কাজ পাওয়ার একমাত্র উপায়

অনলাইন শ্রমবাজারে কাজ করে অনেকেই নিজের প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত দাঁড় করিয়ে ফেলেছেন। এ ধরনের ফ্রিল্যান্সারদের এখন উদ্যোক্তা বলা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এমনকি বাংলাদেশেও গড়ে উঠেছে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান। তবে বিশ্ব শ্রমশক্তি বিবর্তনের ক্ষেত্রে অনলাইনের এ শ্রম বিনিময় কী পরিবর্তন আনছে তা নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান অ্যাসেঞ্চারের মতে, অনলাইন শ্রমবাজারে কর্মী দ্রুত বাড়ছে। এ বাজার এখন ক্রমশ বাড়ছে। এ বাজারে কাজ করতে গেলে সবচেয়ে বেশি দক্ষতা থাকতে হবে তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে। ২০১২ সালে ওডেস্ক ও ইল্যান্সে সবচেয়ে বেশি কাজ পেয়েছেন ওয়েব প্রোগ্রামিং ও মোবাইল অ্যাপ তৈরিতে দক্ষ কর্মীরা। তবে কাজের অন্যান্য ক্ষেত্র দ্রুত বাড়ছে। ২০০৭ সালে মূলত চারটি বিভাগে কাজ পেতেন কর্মীরা। ২০১২ সালে এসে ৩৫ টিরও বেশি বিভাগে কাজ পাচ্ছেন তাঁরা। প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, অনুবাদ-ভাষান্তর, কপি তৈরি করার কাজগুলো দ্রুত বাড়ছে।

পারিশ্রমিক বৈষম্য

অনলাইনে দক্ষ কর্মী বাছাই করে পারিশ্রমিক নির্ধারণ করে কাজ দেওয়ার সুবিধা পান কাজদাতা। কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন হলে কাজদাতা ও কর্মী পরস্পরকে মূল্যায়নের সুবিধা পান। যা তাঁদের অভিজ্ঞতা হিসেবে প্রোফাইলে যুক্ত হয়। পরবর্তী কাজ পেতেও যা সহায়ক হয়। তবে অনলাইন শ্রম বাজারের পারিশ্রমিক বৈষম্য নিয়ে সমালোচনাও নেহাত কম নয়। কম পারিশ্রমিকে উন্নত দেশের বায়াররা উন্নয়নশীল দেশগুলোর ফ্রিল্যান্সারদেরকে দিয়ে কাজ করিয়ে নিচ্ছে। তবে ইল্যান্স ও ওডেস্ক কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে অবশ্য ভিন্নমত পোষণ করে। তাদের মতে, কাজ শুধু একমুখী নয়। অর্থাত্ উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকেও এসব সাইটে কাজ পোস্ট করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্রিল্যান্সাররাও আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।

অভিজ্ঞতা পারিশ্রমিক বাড়ায়

অনেকে ফ্রিল্যান্সার কম পারিশ্রমিকে কাজ শুরু করলেও এক বছরের মধ্যেই আবার তার কাজের ধরন অনুসারে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে নিচ্ছেন। এক বছরের অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে গড়ে শতকরা ৬০ শতাংশ হারে পারিশ্রমিক বাড়িয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটে যা তিন বছরে ১৯০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

অনলাইন শ্রমবাজারই ভবিষ্যৎ

অ্যাসেঞ্চারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাজদাতাকে শুধু স্থায়ী কর্মী নিয়োগ দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়াটা ঠিক হবে না বরং হাতের নাগালে থাকা অসংখ্য দক্ষ ভারচুয়াল কর্মীকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার সুযোগের কথাও ভাবতে হবে।

Collected : Internet

Photos 11/06/2015

>

বেড়েই চলেছে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা। ইনস্ট্যান্ড মেসেজিং প্লাটফর্মটির মাধ্যমে এখন ভয়েস কলও করা যায়। ফেসবুকের মালিকানাধীন এই অ্যাপটি ব্যবহার করছেন ৮০০ মিলিয়ন মানুষ। কাজেই এর ব্যবহার সম্পর্কে জ্ঞান থাকা দরকার আপনারও। এখানে জেনে নিন হোয়াটসঅ্যাপের ১০টি দারুণ কৌশল।

১. স্মার্টফোনটি যদি বদলে ফেলেন তবে আগের ফোনের চ্যাটিং হিস্ট্রি নতুন ফোনে নিতে পারবেন। মাইক্রোএসডি কার্ড ব্যবহার করলে চ্যাট হিস্ট্রি কার্ডে নিয়ে যান। এটি করতে মেনু>সেটিংস>চ্যাট সেটিংস>ব্যাকআপ কনভারসেশন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন। নতুন ফোনে এই কার্ডটি লাগিয়ে নিয়ে রিস্টোর করুন।
২. আপনি শেষ কখন হোয়াটসঅ্যাপে ছিলেন তা অন্যকে না জানাতে চাইলে সেটিংসে যান। সেখান থেকে অ্যাকাউন্টের প্রাইভেসিতে গিয়ে এটি বন্ধ করে দিন।

৩. আপনার পাঠানো মেসেজ শেষ কখন দেখা হয়েছে তা বুঝতে দেখুন চ্যাট উইন্ডো নীল রংয়ের হয়েছে কি না। নীল হলে বুঝবেন দেখা হয়েছে।

৪. আইওএস অপারেটিংয়ে জেলব্রেকিং ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ লক করা যায় না। তবে অ্যান্ড্রয়েডে পিন কোডের মাধ্যমে চ্যাট লক করতে পারবেন। এ জন্যে ম্যাসেঞ্জার অ্যান্ড চ্যাট ব্লকস, অ্যাপ লক অথবা স্মার্ট অ্যাপলক অ্যাপগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

৫. কম্পিউটারে ক্রোম ব্রাউজার থাকলে হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েবে গিয়ে তা ব্যবহার করতে পারবেন। এ জন্যে ব্রাউজার থেকে অ্যাপের ওয়েবে গিয়ে মেনু থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে নিন। মোবাইলের মতোই এতে চ্যাট করতে পারবেন।

৬. হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহারকারী সব ছবি হয়তো গ্যালারিতে দেখতে চান না। এটি বন্ধ করতে সেটিংস>প্রাইভেসি>ফটোস-এ যান। সেখান থেকে হোয়াটসঅ্যাপ অফ করে দিন।

৭. কিছু গ্রুপ কনভারসেশন খুব যন্ত্রণাদায়ক হয়ে ওঠে। আইফোন ব্যবহার করলে গ্রুপ চ্যাপ অপশনে গিয়ে গ্রুপ ইনফো স্ক্রিনে যান। সেখানে মিউট বাটন ট্যাপ করুন। অ্যান্ড্রয়েডে চ্যাট খুলে মিউট চেপে দিন। সেখানে শো নোটিফিকেশন এর টিক চিহ্নটি তুলে দিতে পারেন।

৮. মুছে ফেলা মেসেজ ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো, হোয়াটসঅ্যাপটি মুছে ফেলে তা আবারো ইনস্টল করুন। এ সময় জানতে চাওয়া হবে আপনি মেসেজ রিস্টোর করবেন কি না। রিস্টোর করলেই মুছে ফেলা মেসেজ ফিরে পাবেন।

৯. শুধু অ্যান্ড্রয়েডে প্রতিদিনের চ্যাটের জন্যে শর্টকাট তৈরি করে নিতে পারবেন। চ্যাটে প্রশ্নবোধক বাটনটি চেপে ধরে রাখুন। এরপর অ্যাড কনভারসেশন শর্টকাট সিলেক্ট করে নিন।

১০. কাউকে বড় আকারের মেসেজ ব্যক্তিগতভাবে পাঠাতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েডে মেনু থেকে নিউ ব্রডকাস্ট অপশন থেকে প্রাইভেট মেসেজ করে নিতে পারবে। আর আইওএস-এ চ্যাটস স্ক্রিনের ব্রডকাস্ট লিস্টস ট্যাপ করুন। এরপর নিউ লিস্ট ট্যাপ করে যাকে পাঠাতে চান তাকে সিলেক্ট করে নিন।

collected : tunerpage

Want your school to be the top-listed School/college in Chandpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Doabanga, Shahrasti
Chandpur
3610