Chandpur Govt. Technical High School
1965
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের অধীনে সাধারণ শিক্ষার একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান-চাঁদপুর সদর উপজেলার তরপুরচন্ডীতে অবস্থিত। এখানে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হয়। বিদ্যালয়ের নাম্বার হলো
09/05/2025
"এতো বিশ্রী ভাষা একজন শিক্ষকের মুখে মানায় না, এভাবে স্টুডেন্টদেরকে তাদের মা-বাপ তুলে গা*লি দেয়া উচিত না। "
কখনো কখনো কিছু অছাত্রসুলভ ও বাবা-মায়ের বখে যাওয়াদের জন্য "যেমন কুকুর, তেমন মুগুর" থিওরী প্রয়োগ করতে হয়।
ফয়জুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে গুরতর অভিযোগ!
"বে*জন্মা","উ*শৃঙ্খল","অ*সভ্য","শু*য়ো*রের বাচ্চা" - এসব কি একজন স্বনামধন্য স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মুখের ভাষা হতে পারে? অধস্থন কর্মচারীদের প্রতি তো কথাই নেই,এমনকি সম্মানিত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদেরও তিনি তার গা*লিগা*লাজ থেকে রেহাই দেন না।আমাদের প্রাণপ্রিয় শিক্ষকদের প্রতি উনার অকথ্য নির্যাতন তো উনার এই স্কুলে কার্যদিবস থেকেই চলমান। উনি আমাদের চোখের সামনে আমাদের শিক্ষকদেরকে যেভাবে অপমান করে,তাতে আমরা নিজেরাই শিক্ষার্থী হিসেবে লজ্জিত। তিনি প্রাত্যাহিক সমাবেশে সকলের সামনে মাইকে কোন সাহসে আমার শিক্ষকদেরকে রিজাইন করার হুমকি দেন?এটা কি উনার বাপের দিনের চাকরি?আমার শিক্ষকরা নিজেদের যোগ্যতায় এই স্কুলে চাকরি করছেন।কিন্তু উনি তো দা*লাল এর ক্ষমতায় এই স্কুলে রাজত্ব করছেন।
৪৮ ঘণ্টার জন্য সাসপেন্ড হয়েও উনার শিক্ষা হয় নাই। উনি এখনও দা*লালিই করে চলেছেন।উনার মুখে তো এখন পর্যন্ত আমরা ছাত্রদের অবদান সম্পর্কে কোনো কথাই শুনলাম না।কিছুদিন আগেও তো উনি বললেন যে কোটা আন্দোলন নাকি সেনাবাহিনী করেছে, তারাই নাকি এই দেশ থেকে স্বৈরাচার বিতাড়িত করেছে। সেররররাাাা...।👏👏
কোটা আন্দোলনের সময় আমাদের স্কুলের মেয়েরা যখন স্কুলের বাইরের দেয়ালে গ্রাফিতি করতে আসছিল, তখন তো সূচীর সাহায্যে এই মহিলা তাদেরকে ঠিকই শাসায়ছিল। কিন্তু পরে যখন দেখছে যে ছাত্ররা জিতে গেছে, তখন আবার ভালো সাজার জন্য নিজের মেয়েকেও গ্রাফিতি করতে পাঠায় দিছিল।
আামাদের থেকে উনার টাকা নেওয়ার প্রবণতা দেখলে মনেই হয় না যে আমরা একটা সরকারি স্কুলে পড়াশোনা করি।সরকারিভাবে যে বেতন বরাদ্দ, তা তো আবশ্যকই,এর পাশাপাশি উনি আমাদের থেকে প্রতিনিয়ত এই ওযুহাতে,ওই ওযুহাতে যে হারে টাকা নিচ্ছে,তা মডার্ণ কিংবা আাওয়ার লেডীর মতো প্রাইভেট স্কুলগুলো থেকেও নেওয়া হয় না।যেখানে মডার্ণ স্কুলের ১২ মাসের মোট বেতন ৪২০০ টাকা,আমরা এই ৩ মাসেই ২৫০০ টাকা দিয়ে দিলাম(পরীক্ষার ফি ছাড়া)।আবার উনি এখন ৭৫০ টাকা জমা দেওয়ার ফর্দ দিয়ে দিছে।আরে ভাই,টাকা কি গাছে ধরে! নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্তদের কথা তো বাদই দিলাম,আমাদের ক্লাসের উচ্চবিত্ত কিছু ফ্রেন্ডসও এসে বলে "ভাই,বড়লোক হইছি দেখে কি অযথা টাকা খরচ করতে হবে?"
আমাদের থেকে ১ দিন অনুপস্থিতির জন্য ৫০ টাকা করে জরিমানা নেওয়া হয়।রমযান মাসে সরকারি নির্দেশনায় ৪০ দিন ক্লাস বন্ধের কথা বলা ছিল।সেখানে উনি বলছে যে,প্রত্যেক ক্লাসের ফেব্রুয়ারি মাসের জরিমানার টাকা দিয়ে উনি রমযানে কোচিং করাবেন।আমরা কিন্তু একবারও বলি নাই যে আমর কোচিং ক্লাস করতে ইচ্ছুক।কিন্তুু যারা পরীক্ষায় (ফেব্রুয়ারিতে প্রত্যেক ক্লাসের ১ বিষয়ের একটা পরীক্ষা নেওয়া হইছে) ফেইল করছে,তাদেরকে উনি জোর করে কোচিং ক্লাস করালেন।এবং সকল শ্রেণিশিক্ষকগণ তখন আমাদেরকে বললেন যে, এই কোচিং ক্লাসের জন্য কোনো ফি বরাদ্দ নেই (আদতে এটাই হওয়ার কথা ছিল) অথচ কোচিং ক্লাসের পরে যে ৩ বিষয়ের পরীক্ষাটা হলো,সেখানে উনি অন্যদের থেকে ২০০ টাকা করে নিল এবং যারা কোচিং ক্লাস করছে,তাদের থেকে কোচিং ফি বাবদ ৬০০ টাকা সহ মোট ৮০০ টাকা নিল। এইগুলার কোনো মানে হয়?
কয়েকদিন আগে পিঠা উৎসবের স্টলের জন্য উনি প্রত্যেকের থেকে ২০০ টাকা করে নিছে।এখন আবার পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে প্রতিটি স্টল দেওয়ার জন্য উনাকে ১০০০ টাকা করে দিতে হইছে।উনি কি মগের মুল্লুক পাইছে নাকি?স্কুলটা কি উনার বাপের দিনের সম্পদ?আমাদের স্কুলে আমরা স্টল দিব,এইখানে উনাকে ঠিক কি কারণে আমাদের টাকা দিতে হবে?উনার কাছে কোনো জবাব আছে?উনি তো আবার এসেম্বলিতে মাইকে বড় মুখ করে বলে যে," আামার টাকা লাগবে দেখে আমি বারবার পরীক্ষা নিচ্ছি।তোমাদের আন্দোলন করতে ইচ্ছা করলে করতে পারো।" ভাই উনার বারবার পরীক্ষা নেওয়াতে তো আমাদের কোনো সমস্যা নাই,কিন্তু উনি পরীক্ষার নামে অহেতুক টাকা নিবে কেন?
আরেকটা কথা বলি,আমি উনার স্টুডেন্ট। সেই হিসেবে ধরে নিলাম যে, আমাকে গা*লিগা*লাজ করার অধিকার উনার আছে ( যদিও এতো বিশ্রী ভাষা একজন শিক্ষকের মুখে মানায় না, তাও আমি ধরে নিলাম)।কিন্তু স্টুডেন্ট - গার্ডিয়ান মিটিংয়ে উনি কোন সাহসে "মেয়েরা যেমন অ*সভ্য,তাদের অভিভাবকরাও অ*সভ্য" - এই কথা বলতে পারে?আমার বাবা- মা কে গা*লি দেওয়ার অধিকার উনাকে কে দিছে?উনি কি মনে করে নিজেকে?উনি অনেকবার এইভাবে স্টুডেন্টদেরকে তাদের মা-বাপ তুলে গা*লি দিছে।এত বড় স্পর্ধা উনি কোথায় পায়?আমরা কি উনার কিনা গোলাম নাকি?
৫ই আগস্টের পর আমরা চাইলেই উনাকে পদত্যাগ করাতে পারতাম।কিন্তু আমরা একজন শিক্ষকের সম্মান রক্ষার্থে তখন চুপ ছিলাম,ধৈর্য ধরে ছিলাম। তাই বলে আমাদেরকে দুর্বল ভাবার কোনে কারণ নেই।আমরা ৫০০০ টা ফুল যখন ৫০০০ টা বাঘিনীর রূপ ধারণ করব,তখন উনার মতো কালসাপ আমাদের সামনে দাঁড়াতেও পারবে না।
আমার সম্মানিত CZSian ভাইয়ারা উনাকে রাণী বলে সম্বোধন করতো।তারা তাদের রাণীকে এত ভালোবাসতো,যে তাদের সেই রাণীর ট্রান্সফার আটকাইতে তারা ধর্মঘট পর্যন্ত করছিল।উনার কুকর্ম সম্পর্কে জানার আগে উনাকে রাণী হিসেবে মেনে নিতে আমাদেরও কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে আর নাাা।আর সহ্য করতে পারতেছি না।আমাদের এত অপমান,আমাদের উপর এত অত্যাচার,আমাদের সামনে আমাদের শিক্ষকদের অপমান, তাদের উপর হওয়া অত্যাচার,আমাদের সামনে আমাদের বাবা-মায়ের অপমান,আমাদের স্কুলের সম্পদে উনার অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং বারবার আমাদের থেকে অহেতুক টাকা নেওয়া আর মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।উনি সবার সহ্যের সীমা পার করে ফেলছে।
একটা সময় যেই স্কুলটাতে ভর্তি হওয়ার জন্য, পড়ার জন্য দিনকে রাত,রাতকে দিন করে পড়াশোনা করছি,যেই স্কুলটার জন্য পুরা একটা বছর অকথ্য কষ্ট করছি,রাতের ঘুম হারাম করছি,সেই স্কুলটাতে এখন যেতেও ইচ্ছা করে না,,,, শুধুমাত্র উনার মতো একজন দা*লালের জন্য,,উনার মতো একজন ফ্যা*সি*স্টের জন্য।।কিন্তু এবার সময় আসছে ঘুরে দাঁড়ানোর।
আর কত সহ্য করবা?
মনে রেখো,,
" অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে,
তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে "
তাই,ঐ অত্যাচারীকে,ঐ স্বৈরাচারকে আর অত্যাচার করতে দিও না।তাকে আর ক্ষমা করো না।আর সহ্য করো না।আর চুপ করে থেকো না।
‼️‼️‼️
জাগো নবাব নন্দিনীরা...এখনই সময় জেগে ওঠার।নিজের ভিতরে প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে দাও।ঐক্যবদ্ধ হও।আমাদের একতার কাছে অনেক বড় বড় ফ্যা*সি*স্টও হেরে যেতে বাধ্য হবে।।
down culprits
down fascist
down ribald
down rasheda
(একজন শিক্ষার্থীর ম্যাসেজ থেকে)
21/02/2025
28/10/2023
আসুন নতুন শিক্ষাক্রম সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানি এবং অপপ্রচার না করি। মুখস্থ বিদ্যা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ ঘটাতে শিক্ষক ও অভিভাবক উভয় মিলে সহায়তা করি।
শিক্ষক ও অভিভাবক উভয়েই স্বজনপ্রীতি পরিহার করে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সততার সাথে শিক্ষার্থীর মেধার মূল্যায়ন করি।
তবেই জনগণের মাঝে বিশ্বাস ফিরে আসবে এবং নতুন শিক্ষাক্রম জনগণ সাদরে গ্রহণ করবে ইনশাআল্লাহ।
Congratulations
লেখাটি কার জানা নেই। কৃতজ্ঞতা লেখকের প্রতি।
ফুটা বালতি হতে সাবধান!
***********************
১. আপনি সুন্নতি দাড়ি রেখেছেন কিন্তু বেপর্দা মেয়ে দেখে দৃষ্টি নত করেন না। (ফুটা বালতি!)
২. আপনি হিজাব পড়েন কিন্তু সাথে মেকাপ আর পারফিউম দিয়ে। (ফুটা বালতি!)
৩. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই যথাসময়ে পড়েন আপনি কিন্তু নামাজে মোটেও মনোযোগ, খুশুখুজু নেই। (ফুটা বালতি!)
৪. সাধারণ মানুষের সামনে আপনি খুবই বিনয়ী কিন্তু বাসায় আসলেই পরিবারের সাথে কর্কষভাষী আর বদমেজাজি। (ফুটা বালতি!)
৫. বাসায় মেহমান আসলে যত্নের সাথে মেহমানদারী করেন, কিন্তু তারা চলে গেলে তাদের খুঁটিনাটি দোষত্রুটির গীবত করা শুরু করেন। (ফুটা বালতি!)
৬. আপনি অনেক দানসদকা করেন আবার যাদেরকে দান করলেন তাদেরকে খোঁটা দিয়েও কথা বলেন। (ফুটা বালতি!)
৭. আপনি প্রতিদিন তাহাজ্জুদ পড়েন, কুরআন তিলাওয়াত করেন কিন্তু আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে রেখেছেন। (ফুটা বালতি!)
৮. রোযা রেখে ক্ষুধা-তৃষ্ণার কষ্ট সহ্য করছেন অথচ আপনিই কাউকে গালি দেন, উপহাস করেন, অভিশাপ দেন। (ফুটা বালতি!)
৯. আপনি মানুষের অনেক উপকার করেন, কিন্তু সেটা করেন মানুষের মধ্যে আপনার নামকাম প্রচার হওয়ার জন্য, খ্যাতির জন্য, শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই না। (ফুটা বালতি!)
১০. আপনি ফেসবুকে দ্বীনী পোস্ট দেন, ইসলামিক লেখালেখি করেন, কিন্তু তা লাইক-ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য, আল্লাহর জন্য না। (ফুটা বালতি!)
ফুটা বালতিতে যতই পানি ভরেন, তা কি সেখানে থাকবে??
আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপলব্ধি করার তৌফিক দিন।
আমীন🤲
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Website
Address
Chandpur
3602
Opening Hours
| Monday | 07:30 - 12:00 |
| 12:30 - 17:00 | |
| Tuesday | 07:30 - 12:00 |
| 12:30 - 17:00 | |
| Wednesday | 07:30 - 12:00 |
| 12:30 - 17:00 | |
| Thursday | 07:30 - 12:00 |
| 12:30 - 17:00 | |
| Saturday | 07:30 - 12:00 |
| 12:30 - 17:00 | |
| Sunday | 07:30 - 12:00 |
| 12:30 - 17:00 |