14/04/2017
শুভ নববর্ষ ১৪২৪
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bharua Gov't Primary School. Shahrsati,Chandpur, Education, Shahrasti, Chandpur.
14/04/2017
শুভ নববর্ষ ১৪২৪
26/03/2017
26শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ভড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
25/03/2017
ভড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রী জান্নাতুন নুর অর্পা 2016 শহীদহালিম লিয়াকত বৃত্তি পরীক্ষায় বৃত্তি পেয়েছে সবাই দোয়া করবেন
17/03/2017
প্রাথমিক শিক্ষার লক্ষ্য ঃ
শিশুর শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, নৈতিক, মানবিক, নান্দনিক, আধ্যাত্মিক ও আবেগিক বিকাশ সাধন এবং তাদের দেশাত্মবোধে, বিজ্ঞানমনষ্কতায়, সৃজনশীলতায় ও উন্নত জীবনের স্বপ্ন দর্শনে উদ্বুদ্ধ করা।।
প্রশ্নঃ মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
ক. সাতক্ষীরায়
খ. মেহেরপুরে
গ. চুয়াডাঙ্গায়
ঘ. নবাবগঞ্জে
প্রশ্নঃ 'সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই' কে বলেছেন?
ক. চণ্ডীদাস
খ. বিদ্যাপতি
গ. রামকৃষ্ণ পরমহংস
ঘ. বিবেকানন্দ
02/03/2017
ভড়ুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর দেয়ালিকা
29/12/2016
PEC Examination 2016
16/12/2016
মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম সাহেবের সহধর্মিণী মরহুমা রুবি ইসলামের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মিলাদ অনুষ্ঠান
16/12/2016
মহান বিজয় দিবস 2016 উদযাপন
Copied from প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ডায়েরি
প্রাইমারি শিক্ষকের মর্যাদার প্রশ্ন ?
একজন সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক সকাল ৯.০০ টা থেকে বিকাল ৪.৩০ পর্যন্ত অবস্থান করেন এবং প্রত্যেক শিক্ষক ৭/৮ টি শ্রেণি পাঠদান দিয়ে থাকেন। এছাড়াও বিদ্যালয় বহির্ভূত রাষ্ট্রীয় কাজ যেমন, ভোট গ্রহণ, ভোটার তালিকা প্রণয়ন, শিশু জরিপ, খানা জরিপ, আদমশুমারিসহ অফিসিয়াল নানা কাজকর্ম করতে হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো আয়া, পিয়ন না থাকায় তাদের কাজগুলো শিক্ষকদেরই করতে হয়। শিক্ষকতা মহান পেশা হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এই মহান পেশার কারিগররা এদেশের সবচেয়ে অবহেলিত লোক। বলা যায়, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষক, অধিকার বঞ্চিত এক মহান পেশার নাম।
ব্রিটিশ আমলে উপমহাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সুশৃঙ্খল রূপ দেওয়ার জন্য ইংরেজ কবি ও পার্লামেন্টারিয়ান টমাস ব্যাবিংটন ম্যাকলেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তার প্রণীত শিক্ষানীতি ছিল রাজনৈতিক কূটচাল ঘেরা পলিসি। ভারত ছাড়ার আগে তারা শুধু শিক্ষা নয়, রাজনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে এ ধরনের পলিসি রেখে গেছে। ফলে, সমাজে তৈরি হয়েছিল এমন এক গোষ্ঠী যারা সমাজের মূলস্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের উঁচু স্তরের মানুষ মনে করতেন। আজও সেই বিচ্ছিন্ন এলিট জনগোষ্ঠী নিজেদেরকে উন্নয়নের সাথে গোটা দেশের উন্নয়নকে সম্পৃক্ত করে ভাবতে পারে না। তার প্রভাব এখনও বিদ্যমান। সহকারী শিক্ষকদের প্রমোশনের মাধ্যমে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হওয়ার পদ্ধতিটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এমন কি, প্রমোশনে প্রধান শিক্ষক হওয়ার স্বপ্নও এখন দুঃস্বপ্ন। প্রমোশন বন্ধ করে সরাসরি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রথম থেকেই সহকারী শিক্ষকগণ প্রধান শিক্ষকের ঠিক পরের ধাপটিতেই বেতন পেতেন এবং একই শ্রেণিভুক্ত কর্মচারী হিসেবে প্রায় সমযোগ্যতায় ছিলেন সেই ১৯৭৩ সাল থেকেই। দুটি পদের মাঝে অন্যকোনো পদের অস্তিত্ব নেই।
২০০৬ সাল থেকে প্রধান শিক্ষকদের সাথে সহকারী শিক্ষকদের বেতন ও পদ মর্যাদার বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে, বর্তমানে তা তিন ধাপের প্রায় দুই বছর ধরে সহকারী শিক্ষকরা বৈষম্য নিরসনের জন্য সরকারের বিভিন্ন মহালে ধরনা দিয়ে আসছেন। সরকারের সদিচ্ছা ও আশ্বাস থাকার পরও এ বৈষম্য বহন করতে হচ্ছে সহকারী শিক্ষকদের। বিভিন্ন মহল সহকারী শিক্ষকদের এ দাবিকে যৌক্তিক বলে মনে করলেও কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের মেধা, যোগ্যতা, শ্রম প্রধান শিক্ষকদের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। পরিবর্তনের ধারায় সহকারী শিক্ষকগণ পূর্বের (প্রাথমিক পণ্ডিতদের) অবস্থান থেকে অনেক বেশি যোগ্যতাসম্পন্ন। আইটি অভিজ্ঞতাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক-স্নাতকত্তোর ডিগ্রিধারী প্রায় ৮০% ভাগ শিক্ষক। অনেকেই উচ্চ শিক্ষায় (এম ফিল/পিএইচডি) গবেষণারত। অথচ শুধুমাত্র প্রধান শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা প্রদান করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব ও মর্যাদার দিক থেকে প্রধান শিক্ষকদের সাথে সহকারী শিক্ষকদের বেতন ধাপের ব্যবধান থাকবে এটা স্বাভাবিক ধরে নিলেও তিন ধাপের ব্যবধান কখনই যুক্তিসঙ্গত নয়। পূর্বের ন্যায় প্রধান শিক্ষকদের পরের ধাপেই থাক সহকারী শিক্ষকদের বেতনের ধাপ এটাই এখন সকলের দাবি। ১৯৭৩ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলে যখন দেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে পুরোপুরি জাতীয়করণ করা হয়েছিল তখন তিনি প্রধান শিক্ষকের সাথে সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদায় কোনো বৈষম্য সৃষ্টি করেননি। এই মহান নেতৃত্ব বেঁচে থাকলে হয়ত বা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের বৈষম্য আর বঞ্চনা নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে বেঁচে থাকতে হতো না। প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণের যে উদার বাস্তবায়ন তিনি দেখিয়েছেন তা থেকে এটি সহজেই অনুমেয়। বর্তমান সরকার ও অধিক শিক্ষা বান্ধব,. বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ সরকার প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে জাতীয়করণও অবকাঠামো নির্মাণ, শিক্ষকদের আইসিটি প্রশিক্ষণ ডিজিটাল ক্লাসরুম, উপবৃত্তি প্রদান, বছরের প্রথমদিনেই বই উত্সবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দেওয়াসহ ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে সরকার। এবারের জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি জনাব মোতাহার হোসেন তার মূল্যবান বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছিলেন যেন, সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হয়। এদেশের দেশের সচেতনমহল সহ সকল প্রাথমিক শিক্ষক এ আহ্বানকে স্বাগত জানায়। প্রকৃতপক্ষে, শিক্ষার সার্বিকমান উন্নয়নে যেমন মানসম্মত শিক্ষক দরকার, তেমনি মানসম্মত শিক্ষকদের মর্যাদাপূর্ণ ও মানসম্মত জীবন ব্যবস্থা করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই, নিয়মমাফিক পদোন্নতি এবং যোগ্যতা ভিত্তিক বেতন স্কেল এখন শিক্ষকদের প্রাণের দাবি, সময়ের দাবি। এগুলো বাস্তবায়িত হলে উচ্চশিক্ষা থেকে বেরিয়ে আসা কৃতি ও মেধাবীর প্রাথমিক শিক্ষায় আরও আগ্রহী হবে, কেউ আর এ পেশাকে ইনফেরিওর পেশা বলে মনে করবে না। প্রাথমিক শিক্ষকতা হবে যথার্থই এক মহান পেশার নাম। এগিয়ে যাবে শিক্ষা, সমৃদ্ধ হবে শিক্ষার ভিত্তি।
| Monday | 09:00 - 16:30 |
| Tuesday | 09:00 - 16:30 |
| Wednesday | 09:00 - 16:30 |
| Thursday | 09:00 - 16:30 |
| Saturday | 09:00 - 16:30 |
| Sunday | 09:00 - 16:30 |