Charkalia High School Community

Charkalia High School Community

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Charkalia High School Community, High School, Chandpur.

• Community Page of Charkalia High School 🏫
• News • Events • Memories • Students & Alumni ❤️
• Where memories begin and never end 🌱
• Connecting students, teachers & alumni
• Sharing school updates, memories & events
• A place of memories and learning

14/05/2026

চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় কমিউনিটিতে আপনাকে স্বাগতম 🎓

এটি আমাদের প্রিয় চরকালিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সকল শুভানুধ্যায়ীদের একটি মিলনস্থল। এখানে আমরা আমাদের স্কুল জীবনের সুন্দর স্মৃতি, অভিজ্ঞতা, অর্জন এবং বর্তমান সময়ের বিভিন্ন আপডেট শেয়ার করি।

এই কমিউনিটির মাধ্যমে আমরা একে অপরের সাথে আরও কাছাকাছি থাকতে চাই, হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের খুঁজে পেতে চাই এবং স্কুল জীবনের সেই সোনালী দিনগুলো আবারও মনে করতে চাই।

👉 এখানে আপনি শেয়ার করতে পারবেন:

স্কুলের পুরনো ও নতুন ছবি
স্মৃতিময় গল্প ও অভিজ্ঞতা
শিক্ষামূলক পোস্ট ও টিপস
বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও আপডেট
বন্ধুদের খোঁজখবর

আমাদের লক্ষ্য হলো একটি সুন্দর, সম্মানজনক ও সক্রিয় কমিউনিটি গড়ে তোলা, যেখানে সবাই মিলেমিশে ভালো কিছু শেয়ার করতে পারবে।

আপনার অংশগ্রহণই এই কমিউনিটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে ❤️

ধন্যবাদ সবাইকে 🙏

14/05/2026

🌿✨ সাইয়েদুল ইস্তেগফার — ইস্তেগফারের শ্রেষ্ঠ ও সর্বোত্তম দোয়া ✨🌿

ইসলামে ইস্তেগফার (আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত।
আর এই ইস্তেগফারের মধ্য থেকে সবচেয়ে উত্তম ও পূর্ণাঙ্গ দোয়া হলো “সাইয়েদুল ইস্তেগফার”।

রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে এই দোয়া শিক্ষা দিয়েছেন এবং এর ফজিলত সম্পর্কে বিশেষ সুসংবাদ দিয়েছেন।

📖 সহিহ হাদিসের রেফারেন্স

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“যে ব্যক্তি এই দোয়া পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে দিনে (সকাল) পড়বে এবং সে দিনই মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
আর যে ব্যক্তি রাতে পড়বে এবং সে রাতেই মারা যাবে, সেও জান্নাতে যাবে।”

📚 সহিহ আল-বুখারি
(হাদিস: 6306)

👉 অর্থাৎ, এই দোয়াটি শুধু ইস্তেগফার নয়, বরং জান্নাত লাভের একটি মহান মাধ্যম—যদি ঈমানের সাথে পড়া হয়।

🌸 দোয়াটি (Arabic Text)

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ
خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ
وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ
أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ
أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ
وَأَبُوءُ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي
فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

সহজভাবে পড়ার জন্য

আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বী, লা ইলাহা ইল্লা আনতা
খালাকতানী ওয়া আনা আব্দুকা
ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাৎ
আউযু বিকা মিন শার্রি মা সানাৎ
আবূউ লাকা বিনিয়ামাতিকা আলাইয়া
ওয়া আবূউ বিদানবি ফাগফির লী
ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনত

🌿 সহজ বাংলা অর্থ

হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই।
আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা।
আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী আপনার অঙ্গীকার ও ওয়াদার উপর আছি।
আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
আমি আপনার দেওয়া নেয়ামতের স্বীকৃতি দিচ্ছি এবং নিজের গুনাহও স্বীকার করছি।
হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন, কারণ আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।

🌙✨ ফজিলত ও গুরুত্ব

✔ এটি ইস্তেগফারের সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও সুন্দর রূপ
✔ আল্লাহর একত্ব, বান্দার দুর্বলতা ও ক্ষমা চাওয়ার পূর্ণ স্বীকৃতি রয়েছে এতে
✔ সকাল ও সন্ধ্যায় পড়ার বিশেষ ফজিলত আছে
✔ সহিহ হাদিস অনুযায়ী জান্নাতের সুসংবাদ রয়েছে
✔ হৃদয়কে নরম করে এবং গুনাহ থেকে ফিরে আসতে সাহায্য করে

💡 কেন এটাকে “সাইয়েদুল ইস্তেগফার” বলা হয়?

“সাইয়েদ” অর্থ শ্রেষ্ঠ বা নেতা।
এই দোয়াটি অন্যান্য সব ইস্তেগফারের মধ্যে সবচেয়ে পূর্ণাঙ্গ ও অর্থবহ হওয়ায় একে বলা হয় “ইস্তেগফারের নেতা”।

🤲 আসুন আমরা সবাই প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় এই দোয়াটি পড়ার অভ্যাস করি।
আল্লাহ আমাদের জানা-অজানা সব গুনাহ ক্ষমা করুন এবং জান্নাত নসিব করুন। আমিন।

10/05/2026

সিরিয়াল অনুযায়ী "হজ্জে তামাত্তু" করার সহজ গাইড।
এটি শর্টকাট মনে রাখার জন্য অনেক সহজ হবে।

Photos from Charkalia High School Community's post 06/05/2026

কুরআনের ৬টা আয়াতে শিফা — ৬টা রোগের ৬টা সমাধান
একটা কুরআনে ৬টা আয়াতে শিফা। ৬টা ভিন্ন রোগ। ৬টা ভিন্ন কষ্ট। আর ৬ জায়গাতেই আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন — শিফা শুধু শরীরের জন্য না, মানুষের পুরো জীবনের জন্য।
কখনো ভেবে দেখেছেন — আল্লাহ কেন কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় বারবার “শিফা” শব্দটা এনেছেন?
কারণ মানুষ শুধু জ্বর-সর্দিতে ভোগে না। মানুষ বুকের ব্যথায়ও ভোগে। মানুষ মানসিক অস্থিরতায়ও ভোগে। মানুষ শারীরিক রোগে ভোগে। মানুষ আত্মার শূন্যতায়ও ভোগে। মানুষ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায়ও ভোগে। মানুষ ঈমানের দুর্বলতায়ও ভোগে।
আর আল্লাহ চান — আপনি যখন এই রোগগুলোর মধ্যে পড়বেন, তখন যেন জানেন ঠিক কোন আয়াতের দিকে ফিরে যেতে হবে।
আমরা অনেক সময় শিফা মানে শুধু ওষুধ বুঝি। কিন্তু কুরআন শেখায় — শিফা কখনো বুকের জন্য, কখনো মনের জন্য, কখনো শরীরের জন্য, কখনো রুহের জন্য, কখনো দীর্ঘদিনের কষ্টের জন্য, কখনো ঈমানের দুর্বলতার জন্যও হয়।
আজকের পোস্টে সেই ৬টা আয়াত — ৬টা রোগের ৬টা সমাধান।
সূরা তাওবা ১৪ — যখন বুকের ভেতর জমে থাকা কষ্ট সারাতে হবে
অনেক মানুষের রোগ শরীরে না, বুকে। বাইরে স্বাভাবিক। ভিতরে ভাঙা। কারও অন্যায়ে বুক জ্বলছে। কারও অপমানে রাতের ঘুম নেই। কারও বিশ্বাসভঙ্গের ব্যথা বছরের পর বছর জমে আছে। কারও কষ্ট কাউকে বলা যায় না, শুধু বুকের ভেতর পাথরের মতো চেপে বসে থাকে।
আল্লাহ বলেন —
وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِينَ
উচ্চারণ: ওয়া ইয়াশফি সুদূরা কাওমিম মুমিনীন
অর্থ: “আর তিনি মুমিনদের বুকসমূহকে শিফা দান করবেন।”
(সূরা তাওবা: ১৪)
খেয়াল করুন — এখানে শিফা বলা হয়েছে সুদূর, অর্থাৎ বুকের জন্য। কারণ মানুষ অনেক সময় এমন ব্যথা বহন করে, যা রিপোর্টে ধরা পড়ে না, এক্স-রেতে দেখা যায় না, ডাক্তারও লিখে দিতে পারে না। কিন্তু আল্লাহ দেখেন। আল্লাহ জানেন। আল্লাহ বুকের জমে থাকা ক্ষতও সারিয়ে দিতে পারেন।
কখন পড়বেন? যখন বুক ভারী লাগে। যখন কারও আচরণে ভিতরটা জ্বলে। যখন অপমান, অন্যায়, রাগ, ব্যথা — সব একসাথে ভেতরে জমে আছে। যখন মনে হয় — “আমি কাউকে কিছু বলতে পারছি না, কিন্তু ভিতরে খুব কষ্ট হচ্ছে।”
সূরা ইউনুস ৫৭ — যখন মানসিক রোগে ভিতরটা অস্থির হয়ে গেছে
সব রোগ চোখে দেখা যায় না। কিছু রোগ আছে, যা শুধু মানুষ নিজে জানে। বাইরে হাসছে, ভিতরে কাঁদছে। সবাই ভাবছে ঠিক আছে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে মন ভেঙে যাচ্ছে। অকারণ ভয়, overthinking, anxiety, হতাশা, অস্থিরতা, সন্দেহ, দুশ্চিন্তা — এসবও রোগ। আর এই রোগে মানুষ খুব নিঃশব্দে ভোগে।
আল্লাহ বলেন —
يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُورِ
উচ্চারণ: ইয়া আইয়ুহান নাসু ক্বাদ জা-আতকুম মাওইযাতুম মির রাব্বিকুম, ওয়া শিফাউল লিমা ফিস সুদূর
অর্থ: “হে মানুষ, তোমাদের কাছে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে, আর যা বক্ষসমূহে আছে তার জন্য শিফা এসেছে।”
(সূরা ইউনুস: ৫৭)
এখানে আল্লাহ বলছেন — তোমার ভিতরের অদৃশ্য ব্যথারও শিফা আছে। মানসিক অন্ধকারেরও শিফা আছে। মনের জটেরও শিফা আছে। তোমার বুকের ভেতর যে ঝড়, কুরআন সেই ঝড়ের দিকও জানে।
কখন পড়বেন? যখন মাথা শান্ত থাকে না। যখন রাত জেগে চিন্তা করেন। যখন ঘুম আসে না। যখন মন বসে না। যখন ভিতরে ভিতরে সব কিছু জট পাকিয়ে গেছে। যখন মানুষের মাঝে থেকেও নিজেকে একা লাগে।
সূরা নাহল ৬৯ — যখন শারীরিক রোগে শরীর ভেঙে পড়েছে
আমরা অনেক সময় ভাবি — ইসলাম শুধু দোয়া শেখায়। কিন্তু ইসলাম আমাদের এটাও শেখায় যে, আল্লাহ শিফা শুধু আকাশ থেকে নামান না, তিনি দুনিয়ার উপায়ের মধ্যেও রাখেন। মধুর ভেতরে শিফা রেখেছেন। গাছপালার ভেতরে শিফা রেখেছেন। চিকিৎসার ভেতরে শিফা রেখেছেন। অর্থাৎ, বৈধ উপায় গ্রহণ করাও আল্লাহরই শিক্ষা।
আল্লাহ বলেন —
فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ
উচ্চারণ: ফীহি শিফাউল লিন্নাস
অর্থ: “এর মধ্যে মানুষের জন্য শিফা রয়েছে।”
(সূরা নাহল: ৬৯)
এ আয়াতে আল্লাহ মধুর কথা বলেছেন। কিন্তু এর শিক্ষা আরও বড়। আল্লাহ দেখাচ্ছেন — শারীরিক রোগেরও শিফা আছে। শরীরের যত্ন নেওয়াও দ্বীনের বাইরে না। চিকিৎসা নেওয়াও তাওয়াক্কুলের বিরুদ্ধে না। বরং শিফা আল্লাহর, আর উপায়ও আল্লাহর দেওয়া।
কখন পড়বেন? যখন শরীর ভেঙে যায়। যখন দুর্বল লাগে। যখন সাধারণ বা দীর্ঘ রোগে ভুগছেন। যখন মনে করিয়ে দিতে চান — “আমি চিকিৎসা নেবো, কিন্তু শিফা চাইবো আল্লাহর কাছেই।”
সূরা ইসরা ৮২ — যখন আত্মার ভেতর অন্ধকার জমে গেছে
মানুষের একটা সময় আসে, যখন বাইরে থেকে সব কিছু ঠিক, কিন্তু ভিতরে শান্তি নেই। নামাজ পড়ে, কিন্তু স্বাদ নেই। তাওবা করতে চায়, কিন্তু চোখে পানি আসে না। গুনাহে ক্লান্ত, কিন্তু ফিরে আসার শক্তি পাচ্ছে না। দুনিয়ার সব কিছু আছে, কিন্তু রুহে আলো নেই। এটাই আত্মার অসুস্থতা।
আল্লাহ বলেন —
وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ
উচ্চারণ: ওয়া নুনাযযিলু মিনাল কুরআনি মা হুয়া শিফাউঁ ওয়া রাহমাতুল লিল মুমিনীন
অর্থ: “আমি কুরআনের এমন কিছু নাযিল করি, যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।”
(সূরা ইসরা: ৮২)
খেয়াল করুন — এখানে আল্লাহ শুধু শিফা বলেননি, সঙ্গে রহমতও বলেছেন। কারণ আত্মার রোগ শুধু যুক্তিতে সারে না; সেখানে দরকার রহমত, দরকার নূর, দরকার আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া। কুরআন শুধু তথ্য না, কুরআন রুহকে জীবিত করার আলো।
কখন পড়বেন? যখন মনে হয় ভিতরটা শুকিয়ে গেছে। যখন গুনাহে ক্লান্ত। যখন আল্লাহকে চান, কিন্তু আগের মতো নরম হতে পারেন না। যখন মনে হয় — “আমি দূরে চলে গেছি, কিন্তু ফিরতে চাই।”
সূরা শুআরা ৮০ — যখন দীর্ঘমেয়াদী রোগে ধৈর্য ভেঙে যাচ্ছে
দীর্ঘ রোগ মানুষের শরীরের চেয়ে মনকে বেশি ক্লান্ত করে। একদিনের রোগ আলাদা। কিন্তু মাসের পর মাস, বছরের পর বছর।
ইবরাহীম (আ.) বলেন —
وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ
উচ্চারণ: ওয়া ইযা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফীন
অর্থ: “আর আমি যখন অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে শিফা দান করেন।”
(সূরা শুআরা: ৮০)

05/05/2026

এই পোস্টটি বিজ্ঞাপনের জন্য নয়। যাদের আবেদন করতে সমস্যা হবে, তারা যেন ফোন করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন—এই কারণে এটি শেয়ার করা হয়েছে। কেউ দয়া করে অন্যভাবে নিবেন না।

বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে বি-২০২৬ ব্যাচে 'ডাইরেক্ট এন্ট্রি সেইলরস ফর ডকইয়ার্ড' হিসেবে টেকনিক্যাল শাখায় জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ।

বাসায় বসে আবেদন করতে পারবেন ফ্রেন্ডস্ কম্পিউটার জোন চাঁদপুর সরকারি কলেজ মেইন গেইট, চাঁদপুর। মোবাইলঃ ০১৬২২-৯৫৩২৬৭, ০১৫৭৭-৩০৬২৮১

03/05/2026

চাঁদপুর সদরে জাপানি ভাষা শিখুন সম্পূর্ণ ফ্রীতে

01/03/2026

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেশের ৬৪টি জেলায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় ফ্রিল্যান্সিং শেখার সুবর্ণ সুযোগ। আবেদন শেষ সময় ৩ মার্চ। প্রতিদিন সকাল-বিকাল নাস্তা, দুপুরের খাবার পাবেন এবং প্রশিক্ষণ শেষে পাবেন প্রায় ১৫,০০০/- টাকা। আজই আবেদন করে নিন।

১.শিক্ষাগত যোগ্যতা: সর্বনিম্ন HSC পাস
২. বয়সসীমা ১৮ থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।
ক্লাস শুরুঃ (১ এপ্রিল হতে ৩০ জুন) সপ্তাহে ৬ দিন, (সকাল ৯টা – বিকাল ৫টা)।

প্রশিক্ষণ সমূহ:
১. কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন
২.ফ্রিল্যান্সিং
৩.বেসিক ইংলিশ
৪.ডিজিটাল মার্কেটিং
৫.সফটস্কিল ট্রেনিং
৬.স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ
৭. গ্রাফিক্স ডিজাইন ও
৮.ভিডিও এডিটিং।

22/02/2026
20/01/2026

ASSET প্রকল্পে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জনশক্তি ও প্রশিক্ষণ ব‍্যারো কর্তৃক পরিচালিত কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, চাঁদপুর সদর, চাঁদপুর Accelerting and Strengthening Skills for Economic Transformation (ASSET) প্রকল্পের আওতায় দেশের ও আন্তর্জাতিক শ্রম বাজারের চাহিদার সাথে সামঞ্জস্য রেখে দেশের যুব, শ্রমিক, নারী, প্রতিবন্ধী, অনগ্রসর ও সুবিধা বঞ্চিতদের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে সরকারি খরচে ০৩ মাস/৩৬০ ঘন্টা মেয়াদি (ফেব্রুয়ারি-এপ্রিল)/২০২৬ইং সেশনে নিম্ন বর্ণিত অকুপেশন/কোর্সে ভর্তি ইচ্ছুক প্রশিক্ষণার্থীদের নির্ধারিত ওয়েব এড্রেস হতে ফরম সংগ্রহ করে, যথাযথ পূরণ করে অত্র প্রতিষ্ঠানে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে জমা দেওয়ার জন্য আহ্বান করা যাচ্ছে। ফরম সংগ্রহের এড্রেস-(https://rb.gy/j5lucy)

11/12/2025

মাসনুন আমল : যাদু এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়
-------------------------------
ক. পূর্বকথা -
বিসমিল্লাহ্‌! …যারা যাদু আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরা তো বটেই, তাঁদের সাথে আমাদের সবারই যাদু এবং জ্বিন-শয়তানের ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিখিয়ে দেয়া আ'মলগুলো যত্নসহকারে করা উচিত। এগুলোকে মাসনুন আমল অর্থাৎ সুন্নাহসম্মত আ'মল বলে। এসবের অসাধারণ সব উপকারিতার পাশাপাশি বড় যে লাভ রয়েছে, তা হচ্ছে আল্লাহর ওপর তাওয়াককুল বাড়ে।
সব সুন্নাতই গুরুত্বপূর্ণ, আর সারাদিনের; বিশেষত সকাল-সন্ধ্যার ফযিলতপূর্ণ অনেক দুয়া ও যিকর হাদিসে আছে, সবকিছু বিস্তারিত এখানে উল্লেখ করা তো সম্ভব না। আর সবসময় সবগুলোর ওপর আমলও সম্ভব না। তাই আমরা এখানে অল্প কিছু মাসনুন দোয়া এবং আ'মল নিয়ে আলোচনা করবো। আল্লাহ্‌ আমাদের এসবের প্রতি যত্নবান হবার তাওফিক দেন। আমিন।

খ. সকাল-সন্ধ্যার আমল:

১. আ’উযু বিকালিমা-তিল্লা-হিত্তা-ম্মা-তি, মিং-শাররি মা-খলাক্ব।
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ
সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার পড়া। বিষ, যাদু এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে বাঁচতে। (জামে তিরমিযী, ৩৫৫৯)

২. বিসমিল্লা-হিল্লাযী লা-ইয়াদ্বুররু মা‘আসমিহী, শাইউং ফিলআরদ্বী ওয়ালা- ফিসসামা-ই, ওয়াহুওয়াস সামি’উল ‘আলীম।
بِسْمِ اللهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ العَلِيمُ
সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার পড়া। সব ধরনের ক্ষতি এবং বিপদ-আপদ থেকে নিরাপদ থাকতে..। (জামে তিরমিযী, ৩৩৩৫)

৩. জিন-শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচতে সকাল সন্ধ্যায় আয়াতুল কুরসি (সুরা বাকারা ২৫৫নং আয়াত) পড়া। (হাকিম ১/৫৬২)

৪. সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস: প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার করে পড়া। সব ধরনের অনিষ্ট থেকে বাঁচতে এটা রাসুল স. এর শিখানো আ'মল। (সুনানে আবি দাউদ)

৫. লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা-শারীকালাহ, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হ্ামদ, ওয়াহুওয়া 'আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ ، وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ ، لَهُ الْمُلْكُ ، وَلَهُ الْحَمْدُ ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
প্রতিদিন ফজর ও মাগরিবের পর ১০বার করে পড়া। (আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ) সম্ভব হলে প্রতিদিন সকালে ১০০বার পড়া। এর ফজিলত অনেক বেশি এবং জ্বিন-শয়তানের ক্ষতি থেকে বাঁচতে এটা পরিক্ষিত আমল। (বুখারি, মুসলিম হাদিস নং ৪৮৫৭)

৬. সুরা তাওবাহ ১২৯ নং আয়াতের অংশ-
حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ، عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় সাতবার এটি পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তাঁর জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবেন। (সুনানে আবি দাউদ)

গ. ঘুমের আগের আমল:

১. ওযু করে ঘুমানো, তাহলে ফিরিশতারা হিফাজতের জন্য দুয়া করতে থাকে। ডান কাত হয়ে ঘুমানো। এমনিতেও সর্বদা ওযু অবস্থায় থাকা সুন্নাত। (তাবারানী; আওসাত)
২. শোয়ার পূর্বে কোন কাপড় বা ঝাড়ু দিয়ে বিছানা ঝেড়ে নেয়া। (মুসলিম)
৩. আয়াতুল কুরসি পড়া। (বুখারী)
৪. সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া। (বুখারী)
৫. সুরা ইখলাস, সুরা ফালাক, সুরা নাস পড়ে হাতের তালুতে ফুঁ দেয়া, এরপর পুরো শরীরে হাত বুলিয়ে নেয়া। এভাবে তিনবার করা। (বুখারী)
৬. খারাপ স্বপ্ন দেখলে তিনবার হালকা থুতু ফেলা, এরপর আল্লাহর কাছে স্বপ্নের ক্ষতি থেকে আশ্রয় চাওয়া, এবং পার্শ্ব পরিবর্তন করে ঘুমানো। এই স্বপ্নের কথা আম মানুষের সাথে না বলা। এছাড়া ঘুমের সময় ভয় পেলে শেষের দোয়াটা (ঘ/৭নং) পড়া যেতে পারে।

ঘ. অন্যান্য সময়ের আমল:

১. বিসমিল্লাহ্‌ বলে দরজা-জানালা লাগানো। ঘরে প্রবেশ করতে এবং খাওয়ার আগে বিসমিল্লাহ্‌ বলা।

২. সম্ভব হলে মদিনার আজওয়া খেজুরের ব্যবস্থা করা, না হয় যে কোন আজওয়া খেজুরেও হবে। রাসুল সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সাতটি আজওয়া খেজুর সকাল বেলায় আহার করবে সেদিন তাঁকে কোন বিষ ও যাদু ক্ষতি করতে পারবে না। (বুখারী)

৩. টয়লেটে ঢুকার পূর্বে দোয়া পড়া-
بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ الْخُبْثِ وَالْخَبَائِثِ
বিসমিল্লাহি, আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ’উযুবিকা, মিনাল খুবসি ওয়াল খবা-ইছ।
অর্থ: হে আল্লাহ আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি খারাপ পুরুষ ও মহিলা জ্বিন থেকে। (সহীহ মুসলিম, ৩৭৫)

৪. বিয়ের প্রথম রাতে স্ত্রীর কাছে গিয়ে, সম্ভব হলে মাথায় হাত রেখে পড়া-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا وَخَيْرَ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ مَا جَبَلْتَهَا عَلَيْهِ
(আবু দাউদ ২২৪৩ এবং ইবনে মাযাহ ১৯০৮ দ্রষ্টব্য)

৫. স্ত্রী সহবাসের পূর্বে দোয়া পড়া।
بِسْمِ اللَّهِ، اللَّهُمَّ جَنِّبْنَا الشَّيْطَانَ، وَجَنِّبِ الشَّيْطَانَ مَا رَزَقْتَنَا
বিসমিল্লাহি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ শাইত্বা-না, ওয়া জান্নিবিশ্-শাইত্বানা মা-রযাকতানা। (বুখারী, ৪৮৭০)

৬. দৈনিক একবার হলেও মসজিদে প্রবেশের দোয়া পড়া
أَعُوذُ بِاللَّهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيْمِ مِنْ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন: মসজিদে প্রবেশের সময় কেউ এটা পড়লে শয়তান বলে, এই ব্যক্তি আজ সারাদিনের জন্য আমার থেকে রক্ষা পেয়ে গেল। (সুনানে আবি দাউদ, ৩৯৩)

৭. ঘুমের সময় ভয় পেলে বা অন্যসময় খারাপ অনুভূতি হলে এই দোয়াটি পড়া
أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ الله التَّامَّاتِ مِنْ غَضَبِهِ وَعِقَابِهِ وشَرّ عِبَادِهِ ، ومِنْ هَمَزَاتِ الشّيَاطِينِ وأَنْ يَحْضُرُونِ
উচ্চারণঃ আ‘ঊযু বিকালিমা-তিল্লাহিত্তা-ম্মাতি মিন্ গাদ্বাবিহি ওয়া ইক্বা-বিহি ওয়া শাররি ‘ইবা-দিহি ওয়ামিন হামাযা-তিশ্শায়া-ত্বীনি ওয়া আন ইয়াহ্দুরূন। (আবু দাউদ ৩৮৯৩)
..
শেষ কথাঃ
এই যিকরগুলো যতটা গুরুত্ব ও মনযোগের সাথে করা হয়, এর উপকারও তত বেশি হয়। আর কোনোদিন দোয়া পড়তে ভুলে গেলে পরে মনে পড়ার সাথে সাথেই পড়ে ফেলতে হয়। আর উল্লেখ্য, নারীদের মাসিকের সময়ে নামাজ-তিলাওয়াত না থাকলেও দোয়া-দরুদ পড়তে কোনও সমস্যা নেই, তাই এই দিনগুলোতে হিফাজতের আমলে অবহেলা করা উচিত না।
এগুলো সব ঠিকমত অনুসরণ করুন, ইনশাআল্লাহ্‌ জাদু, জিন, বদনজর, ইত্যাদিসহ অসংখ্য বিপদ-আপদ ও ক্ষতি থেকে হেফাজতে থাকবেন।

Want your school to be the top-listed School/college in Chandpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Chandpur
3600