01/05/2020
হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীকে নিয়মিত সংসদ টিভিতে প্রচারিত ক্লাস দেখা ও সিলেবাস অনুযায়ী পড়ালেখা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া গেল এবং এব্যাপারে অভিভাবকগনকে সহযোগিতা করার জন্য অনুরোধ করা হল। প্রয়োজনে বিষয় শিক্ষকগনের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করবে। শুভেচ্ছান্তে- প্রধান শিক্ষক
14/11/2019
“তোমার বাবা কী করে?"
এই প্রশ্নটা খুবই আপত্তিকর। একটা ছোট শিশু নিজেকে চিনতে শেখার আগেই তাকে শিখতে হচ্ছে তার বাবার পেশা। অবশ্য, নামেই পেশা, মূলত সেটা সামাজিক পরিচিতি। স্কুলে গেলে ক্লাস ওয়ান-টু এর বাচ্চাগুলোও জানে অমুকের বাবা ডাক্তার, তমুকের বাবা ব্যারিস্টার। এবং স্বভাবতই যার বাবার পেশাগত তেমন কোন সামাজিক পরিচিতি নেই, সে ব্রাত্য হয়ে থাকে সেই শিশুদের শ্রেণীকক্ষেই।
আমার বিচিত্র ধরণের বন্ধুদের কথা অনেকে জানেন। এমনই একজন বিচিত্র বন্ধু ছিল হাসিব। কিছুটা তোতলা ছিল। তার বাবা পেশায় একজন ট্রাক চালক ছিলেন। মা ছিলেন গার্মেন্টস কর্মী। একটামাত্র ঘর ভাড়া নিয়ে হাসিবরা থাকত আমাদের এলাকায়। বিকেলে গলির ভেতর ফুটবল খেলতে সবাই যেতাম, সবার বাবাই কিছু না কিছু, শুধু হাসিবের বাবা একজন ট্রাক চালক। ট্রাক চালক হওয়া কোন অপরাধ না হলেও সেই বয়সেই আমরা বুঝতে পারতাম সচিব-ব্যারিস্টারের মত সামাজিক সম্মানও এই পেশায় নেই। আমরা মাঝে মাঝেই এর ওর বাসায় যেতাম বিকালে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খেলতে বের হবার জন্যে ডাকতে। কোন বাসায় যদি কেউ হাসিবকে জিজ্ঞেস করে বসত- "এই ছেলে তোমার বাবা কী করে?", হাসিব খুব বিব্রত বোধ করত। মাথা নিচু করার জন্যেই হোক আর বিব্রত বোধ করার জন্যেই হোক, হাসিবের তোতলামি কয়েকগুণ বেড়ে যেত তখন। সে কোনমতে বলত- টা টা টা টারাক চালায়। তখন প্রশ্নকর্তা বা প্রশ্নকর্ত্রী এমনভাবে "ও" বলতেন হাসিবের মনটাই খারাপ হয়ে যেত। সবাই যখন বল নিয়ে দৌড়াচ্ছে, সে মুখ শুকনা করে গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে ঘাস চিবাতো।
কলেজে প্রথম দিনের ফিজিক্স ক্লাস। প্রয়াত প্রফেসর চন্দন কুমার বোস (আমার অত্যন্ত শ্রদ্ধার একজন শিক্ষক) সবার নাম ধাম জানতে চাইছেন। রাবেয়া নামে একটা মেয়ে ছিল সে মাথা নিচু করে বলল, "আমার বাবা বাবুর্চির কাজ করে"। পুরো ক্লাস হো হো করে হেসে উঠল। রাবেয়াকে আর কোনদিন ওর বাবা কী করে সেটা কারও কাছে বলতে শুনিনি।
সবার বাবাই সবার কাছে ঈশ্বরের মতো। নিজেই সর্বশ্রেষ্ঠ এই মতবাদ প্রমাণের আজকের পৃথিবীতে সকল পেশার সমান মূল্যায়ন হয়তো কখনও হবে না, কিন্তু মেথরের সন্তানের কাছে তার বাবা আর প্রেসিডেন্টের সন্তানের কাছে তার বাবা সবসময় একই রকম থাকবে। কেন শিশুদের মাথায় আমরা ঢুকিয়ে দিচ্ছি এই ভ্রষ্ট ধারণাটা- তোমার বাবা কিছুই না/তোমার বাবা একদম হাতি-ঘোড়া? কী যায় আসে যদি আমার বাবা কিছুই না হন? কী যায় আসে যদি আমার বাবা দেশের সবচেয়ে পরিচিত ব্যক্তি হন? মানুষ হিসেবে আমার পরিচয় কি আমার বাবা কে দিয়ে হবে?
শৈশবে একটা সময় আমাদের এলাকায় অনেক চুরি হতো। পাশের বাসার নাজির মামা সারা রাত পোষা কুকুর নিয়ে জেগে বসে থাকতেন আর প্রায়ই চোর ধরে ফেলতেন। প্রায়ই ঘুম থেকে উঠে দেখতাম একটা চোর ধরা পড়েছে রাতে, আর তাকে মহাসমারোহে এলাকার সবাই মিলে বেঁধে পিটাচ্ছে। একদিন দেখলাম এরকম একজন মানুষকে চোর বলে পেটানো হচ্ছে, একটু দূরে মানুষটার স্ত্রী আমার বয়েসী একটা ছেলের হাত ধরে কাঁদছে। ছেলেটার চোখে পানি নেই, তবে বিস্ময় আছে। সে একটু পর পর বলছে, "আমার আব্বারে মাইরেন না, আমার আব্বা তো চোর না।" একজন ছেলেটাকে জিজ্ঞেস করল, "তাইলে তর বাপে কী?" ছেলেটা তখন থতমত খেয়ে বলল, "আমার আব্বা"।
ছেলেটা ঠিকই বলেছিল। তার বাবার পরিচয় তার কাছে শুধুই বাবা, বাবার পেশা না। বাবা পেশায় চোর হলেও তার কাছে তো ঈশ্বরের মতোই। যেই ছেলেটা বাবা সচিব বলে নিজেকে উপসচিব মনে করে, বাবা ডাক্তার বলে নিজেকে অর্ধেক ডাক্তার মনে করে ওরা কখনও স্বীকার করে না যে বাবা ঘুষ খায় বা অন্যায়ভাবে টাকার পাহাড় গড়ে। তবে সেই ছেলেটা বাবা চোর দেখেই কিন্তু নিজেকে অর্ধেক চোর মনে করেনি, খুব সহজ ভাবে সত্যি কথাটাই বলেছিল- আমার আব্বা।
যেই স্কুলে শিখানো হচ্ছে 'জন্ম হোক যথাতথা কর্ম হোক ভাল', সেই স্কুলেই কেবলমাত্র বাবার পরিচয়ের উপর ভিত্তি করে শিশুকে সুবিধা/স্নেহ দেয়া হচ্ছে। এর চেয়ে বড় হিপোক্রেসি আর কী হতে পারে?
26/03/2019
অভিনন্দন!
জনাব MD Nasir Uddin Tapader স্যার।
উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক নির্বাচিত হওয়ায় মোঃ নাসির উদ্দিন তপদার কে মানবতার বন্ধন
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ উর্দযাপন উপলক্ষে উপজেলা পর্যায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেস্ঠদের তালিকায় প্রকাশ করে। মত....
15/03/2019
Beauty of Hazrat Shahjalal High School
18/10/2018
হযরত শাহ্জালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের তৈরি বিজয় ফুল...
05/04/2018
হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরুস্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয় মতলব দক্ষিন উপজেলার একটি স্বনামধন্য বিদ্যালয়।
বিদ্যালয়ের ক্রিড়া শিক্ষক মোঃ বশির উল্ল্যাহ প্রধানীয়া’র অসাধারন উপস্থাপনায় অনুষ্ঠান প্রানবন্ত হয়ে উঠে।
হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরুস্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠিত।
হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রিড়া, সাংস্কৃতিক ও পুরুস্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যালয়ের ক্র...
21/02/2018
বাংলাদেশ ধীরে ধীরে আধুনিক হচ্ছে। তথ্য প্রযুক্তি আর যোগাযোগ মাধ্যমে যোগ হয়েছে অনেক নতুন মাত্রা। তেমনি এ দেশের মানুষগুলোও দিন দিন আধুনিক হচ্ছে। আধুনিক হচ্ছে প্রত্যেকের মন মানসিকতা।
একটা সময় বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রম খুজে পাওয়া যেত না। পরিবারের বৃদ্ধ মানুষগুলো অসহায় হয়ে থাকলে নিজের সন্তানদের কাছেই থাকতে পারতো। নিজের সন্তানকে একনজর দেখার মধ্যে যে কতটা শান্তি লুকায়িত আছে, সেটা একমাত্র তারাই বলতে পারবে যারা বাবা অথবা মা হয়েছে। কিন্তু এখন আধুনিকতার নামে অনেক সন্তান নিজের বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসে।
বাবা মা এমন দুজন মানুষ যাদের প্রতিটা মূহুর্ত ভালোবাসা যায়। তাদের উপস্থিতি হৃদয়টাকে পূলকিত করে। তারা পাশে না থাকলে শূন্যতা উপলব্দ্ধি করা যায়। সেই বাবা মাকে এখন আর সবসময় ভালোবাসতে হয় না। প্রতিটি বছরেই দুইটি দিন নির্দিষ্ট করা আছে। ঐ দুইদিন যত ইচ্ছা হয় ভালোবাস।বাকি দিনগুলোতে বাবা মায়ের খোজ না নিলেও হবে।
১৪ই ফ্রেব্রুয়ারি। বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। আচ্ছা আমরা কতজন মানুষ এই দিনটির পিছনের গল্প জানি? আমরা কি আদৌ অনুভব করতে পারি ভালোবাসার প্রকৃত অনুভূতি? ধরুন আপনি কাউকে ভালোবাসেন। এখন আপনি কি ১৪ই ফ্রেব্রুয়ারির জন্য অপেক্ষা করবেন। যে এই দিনটি আসলে আমি যাকে ভালোবাসি তাকে আমার সব কথাগুলো বলবো। আমার মনের সব কথাগুলো তার সাথে ভাগাভাগি করবো। নাকি আপনার কাছে সেই মানুষটা প্রতিদিনই স্পেশাল। যারা সত্যিকার ভালোবাসে তারা দিবসের জন্য বসে থাকেনা। ভালোবাসতে কোন দিবস লাগেনা।
আর এক প্রকার মানুষ আছে যারা ১৪ই ফ্রেব্রুয়ারি মানে বোঝে প্রেমিক প্রেমিকার ভালোবাসার দিন। তাদের বলছি ভালোবাসার দিনে শুধু প্রেমিক অথবা প্রেমিকাকেই নয় নিজের পরিবারের মানুষগুলোকে ভালোবাসুন। নিজের বন্ধু বান্ধবকে ভালোবাসুন। তাদের সময় দিন। কেননা প্রকৃত ভালোবাসা শুধুমাত্র পরিবারের কাছ থেকেই পাওয়া যায়। আপনি কি বাবা মায়ের ভালোবাসার সাথে অন্য কারো ভালোবাসার তুলনা করতে পারবেন? ভাই বোনের মিষ্টি আর দুষ্ট সম্পর্কের সাথে কি অন্য কোন সম্পর্কের তুলনা দিতে পারবেন? আর যাই হোক আমি পারবোনা। আমি সবার আগে আমার পরিবারের প্রত্যেকটা মানুষকে ভালোবাসি।
আমি ১৯৫২ সালের সেইদিনটা দেখিনি। যেদিন সালাম রফিক বরকত রাজপথে রক্ত দিয়েছিলো। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় আজো জ্বলজ্বল করে তাদের কীর্তির কথা। তাদের নামগুলো লেখা আছে স্বর্ণাক্ষরে। সেখান থেকেই জানতে পারি ভাষার জন্য তাদের কত ভালোবাসা ছিলো। তারা কতটা কঠিন ছিলো বাংলা ভাষার মান রক্ষার জন্য। নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতে তারা এতটুকুও ভাবেনি। আর আজ আমরা কি করছি?
২১শে ফ্রেব্রুয়ারি এলেই একগুচ্ছ ফুল নিয়ে শহিদ মিনারের আঙ্গিনায় সোপর্দ করে আমাদের ১৬ আনা দায়িত্ব পালন করে আসি। মনে হয় এটাই একমাত্র করনীয় কাজ। আমরা বাংলা ভাষার মান কতটা অক্ষুন্ন রাখতে পেরেছি? যে ভাষার জন্য এতগুলা প্রাণ জড়ে গেল, সেই ভাষার মূল্যায়ন আমরা কতটা করছি? শুধু একদিনেই কি আমাদের সব দায়িত্ব শেষ?
সমাজ ব্যবস্থা এমনভাবে আগাচ্ছে প্রত্যেকটি দিবস হয়ে যাচ্ছে স্বার্থ হাসিলের একটা মাধ্যম। যখনি বৃক্ষ দিবস আসে আমাদের দেশের নেতা কর্মীগণ গাছ হাতে জনসম্মুখে চলে আসে। মানুষকে গাছের প্রয়োজনীয়তা বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্ত পরেরদিন দেখা যায় সেই নেতাই অবৈধভাবে গাছ কেটে নিজের পকেট ভরছে। আবার নারী দিবসে যেই বক্তা নারীর অধীকার নিয়ে ভাষণ দিচ্ছে, সেই বক্তাই পরের দিন নারীকে ভোগ্য সামগ্রী বানাচ্ছে।
যতদিন না প্রতিটা মানুষ নিজেকে বদলাতে না পারবে, ততদিন নিজেদেরকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবেনা। নিজেদের পারস্পরিক হিংসা যতদিন মিটানো না যাবে, ততদিন উন্নতির চাকা সচল হবেনা। আসুন আমরা দিবসের জন্য অপেক্ষা না করে প্রতিদিন ভালোবেসে যাই। বছরের প্রতিটা দিন হোক ভালোবাসার দিন। বছরে একদিন গাছ লাগানোর জন্য অপেক্ষা না করে যখনি সম্ভব হয় গাছ লাগাই। বাংলা ভাষার মান রক্ষা করি। কেউ যেন বাংলাকে বিকৃত করে উপস্থাপন না করতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখি।
সর্বোপরি আসুন সবাই বাংলা মাকে ভালোবাসি।
♡♡বাংলাদেশ♡♡
14/07/2017
হযরত শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ব্যতিক্রমি উদ্যোগ!
এই উদ্যোগে হয়তো আজকেই পরিবর্তন আসবে না, তবে পরিবর্তনের যে ধারা তার ভিত্তি স্থাপিত হল ।
সচেতন শিক্ষা্থীদের এই উদ্যোগে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি ।
#পরিবর্তন #চাই
#আই #লাভ #মাই #স্কুল