16/05/2026
সকল বেওয়ারিস কুকুরগুলো দ্রুত টিকা দেওয়া বা মেরে ফেলা উচিত। উন্নত বিশ্বে একটাও বেওয়ারীস কুকুর পাওয়া যাবে না। এদেশে যারা কুকুর লালন পালন করে, তারাও চাইলে নিয়ে যেতে পারে। তবে রাস্তায় বেওয়ারীস কুকুর রাখা উচিত না।
গাইবান্ধায় কুকুরে কামড়ানো পাঁচজনকে টিকা দিয়েও কেন বাঁচানো গেল না
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কুকুরে কামড়ানো পাঁচজন টিকা নেওয়ার পরও কেন মারা গেলেন, সেটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। স্বজ....
27/02/2026
সজাগ ফাউন্ডেমশন এর পক্ষ থেকে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ইদ উপলক্ষে গরীব ও অসহায় শিশুদের মাঝে নতুন পোষাক বিতরন কর্মসূচী গ্রহন করা হয়েছে।
উক্ত কর্মসূচীতে আপনাদের সার্বিক সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি। সবাই নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগীতা করার অনুরোধ করা হলো। এর বাইরে আপনার পরিচিতদের নিকট থেকেও সার্মর্থ্য অনুযায়ী সহযোগীতা সংগ্রহ করার অনুরোধ করা হলো।
নিম্নোক্ত ব্যাংক বা বিকাশ নাম্বারে অর্থ পাঠাতে পারেন:
Accoun Name: SOJAG FOUNDATION
AC/NO: 1517202000770
Account Type: Current
Branch: Shahrasti Branch, Chandpur
Bank: Sonali Bank PLC
Routing No: 200131995
১) রিয়াদ হোসেন - ০১৬২৩৪৪৬৯৯৭
২) সাইফুল ইসলাম ফাহাদ - ০১৬৩১৪৫২৩২০
04/02/2026
মুসলমানদের মধ্যে কাজিন ম্যারেজ তথা মামাতো, পিসতুতো, কাকাতো বা মাসতুতো বোনকে বিয়ে করা খুবই কমন। এগুলো মুসলমানদের কাছে বৈধ ও সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য। কিন্তু এটা নিয়ে একটা ভারতীয় অমুসলিমদের মধ্যে একটা 'কেমন জানি' ভাব দেখা যায়, তাদের কাছে এটা খুবই জঘন্য কাজ বলে বিবেচিত হয়। এটা নিয়ে নোংরা ট্রলও করা হয়।
যাইহোক সমস্যা নেই তুতো বোনরা মুসলমানদের জন্য নিজের বোন না। মুসলমানরা চাইলে তাদেরকে বিয়ে করতে পারে। এটা মুসলমানদের কাছে খুবই সহজ যেমনটা বিধবা বিবাহ মুসলমানদের কাছে খুবই সহজ বিষয়।
ভারতীয় হিন্দুদের মধ্যে উত্তর ভারত ও বাংলায় কাজিন ম্যারেজকে খুবই খারাপ নজরে দেখা হলেও কাজিন ম্যারেজ দক্ষিণ ভারতে হিন্দুদের মাঝে বহুলভাবে প্রচলিত। বিশেষ করে ক্রস কাজিন। মামাতো ও পিসতুতো।
নৃতত্ত্ববিদ অতুল সুর তাঁর বই 'ভারতের বিবাহের ইতিহাস' বইতে লিখেছেন, “... দক্ষিণ ভারতে ও পশ্চিম ভারতে অনেক স্থানে সপিণ্ডবিধির শ্লথতা দেখা যায়। এ সকল জায়গায় মামাতো বোন ও পিসতুতো বোন বাঞ্ছনীয় পাত্ৰী হিসাবে পরিগণিত হয়। দক্ষিণ ভারতে তামিল ব্রাহ্মণ হিন্দুদের মধ্যে মামার সঙ্গে ভাগ্নীর বিবাহও প্রচলিত আছে ।”
অর্থাৎ দক্ষিণী ব্রাহ্মণদের মধ্যে তুতো বিবাহ তো কমন এমনকি তাদের মধ্যে ভাগ্নীকে বিয়ে করাও প্রচলিত। তবে ভাগ্নীকে অবশ্যই বড়োবোন থেকে হতে হবে।
২০১৫-১৬ সালের National Family Health Survey (NFHS-4) দেখিয়েছে যে—সমগ্র ভারতের কাজিন ম্যারিজের গড় হার হলো ১১%, এদিকে দক্ষিণ ভারতে কাজিন ম্যারিজের গড় হার হলো ২৩% অর্থাৎ প্রতি চারজনে একজন কাজিন ম্যারেজ করে। এরপর ভারতে মুসলমানদের কাজিন ম্যারেজের গড় হার হলো ১৫ % মাত্র। আর ধর্মীয়ভাবে গোটা দেশে হিন্দুদের হার হলো ৯%, মুসলমানদের ১৫%।
২০২২ সালে The Hindu-তে প্রকাশিত National Family Health Survey (NFHS-5) মতে,
কর্নাটকে ১৫ থেকে ৪৯ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে মাতৃপক্ষের প্রথম কাজিনকে (মামাতো ভাইকে) বিয়ে করার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
সেই রিপোর্টে আরো দেখা যায় কোন রাজ্যে কাজিন ম্যারিজের হার কেমন—
Tamil Nadu: 27.9%
Karnataka: 26.6%
Andhra Pradesh: 26.4%
Puducherry: 19.2%
Telangana: 18.2%
দ্রাবিড় হিন্দুরা ২০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দক্ষিণ ভারতে আত্মীয়-স্বজনদের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আসছে। ২০১৩ সালের গবেষণায় দেখা গেছে যে, 'দক্ষিণ ভারতের হিন্দু জনসংখ্যার মধ্যে, প্রায় ৩০% বিবাহ আত্মীয়-স্বজনদের সাথে হয়।
ResearchGate-এর একটি গবেষণাপত্রে দেখা গেছে যে জেলাভিত্তিক এই ধরণের বিবাহের শতাংশের হার তামিলনাড়ুর রামানাথপুরম জেলায় সর্বোচ্চ ৪২.৫%।
কিছু বিখ্যাত উদাহরণ দিলাম:
1. অভিনেতা N. T. Rama Rao (Senior NTR) বিয়ে করেছিলেন তাঁর মামাতো বোন Basava Rama Tarakam–কে।
2. অভিনেতা Siva karthikeyan বিয়ে করেছেন তাঁর কাজিন Aarthi–কে।
3. Satyajit Ray তাঁর কাজিন Bijoya Ray-কে বিয়ে করেছিলেন।
4. Edgar Allan Poe বিয়ে করেছিলেন কাজিন Virginia Clemm–কে।
5. War of the Worlds-এর লেখক H.G. Wells বিয়ে করেন তাঁর কাজিন Isabel Mary Wells–কে।
6. Albert Einstein এর দ্বিতীয় স্ত্রী Elsa Lowenthal ছিলো কাজিন।
এরপরও কাজিন ম্যারেজ নিয়ে কেবল মুসলমানদের ট্রল করা হয়। নোংরামি করা হয়।
04/02/2026
“মাথাব্যথা শুধু মুসলমানদের জন্য: হিন্দু সমাজের পলিয়ান্দ্রি নীরবতার প্রহসন”
✍️ঝুমুর রায় চণ্ডালিকা
উত্তর ভারতের পাহাড়ি অঞ্চলে আজও শাস্ত্র এবং “পরিবারের ঐতিহ্য” বলে এক নারীকে পাঁচ থেকে সাত ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। হ্যাঁ, এটি পলিয়ান্দ্রি—একটি শুধু হিন্দু সমাজে প্রচলিত সামাজিক ও অর্থনৈতিক কৌশল, যা পরিবারে জমি-বিভাজন রোধ করে। কিন্তু এই নারী অধিকার, ন্যায় বা নৈতিকতার প্রশ্নে কেউ মাথা ব্যথা করে না।
অদ্ভুত, কিন্তু সত্যঃ
➡️মুসলমানদের চার বিয়ে দেখে হিন্দুত্ববাদীরা সরব, চিৎকারে ফেটে পড়ে।
➡️একই শাস্ত্রীয় বিয়েব্যবস্থা হিন্দু সমাজে—এক নারীকে একাধিক স্বামী—সে বিষয়ে নীরব।
এখানে স্পষ্ট দ্বৈত মানদণ্ড।
নারীর শরীর, তার স্বাধীনতা, তার অধিকার—সবই তুচ্ছ। শুধু যে ধর্ম বা সম্প্রদায়ের সঙ্গে এটি সম্পর্কিত সে গুরুত্বপূর্ণ। হিন্দু হলে এটি “ঐতিহ্য”, মুসলমান হলে “অনৈতিকতা”।
এই দ্বিচারিতার প্রমাণ আরও চরম:
উত্তর ভারতের এই প্রথা বহু শতাব্দী ধরে চললেও কোনো হিন্দু রাজনৈতিক দল বা সমাজকর্মী মাথাব্যথা পায়নি।
কিন্তু মুসলমানের চার বিয়ে নিয়ে নির্মম সমালোচনা, আইনি হুমকি, সামাজিক অপমান চলে।
এটি কেবল ধর্ম ও নারী অধিকারকে পলিটিক্যাল হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রমাণ। নারী এখানে শুধু একটি প্রতীক, যাকে ব্যবহার করা হয় ধর্মীয় নৈতিকতার নামে রাজনৈতিক আক্রমণের জন্য।
হিন্দুত্ববাদীদের জন্য একটি কঠিন সত্য:
যদি তাদের সত্যিকারের নারীর অধিকার বা ন্যায় নিয়ে চিন্তা হত, তারা উত্তর ভারতের পলিয়ান্দ্রি নিয়ে চুপ থাকত না।
কিন্তু মাথাব্যথা আসে শুধু মুসলমানদের জন্য, যা স্পষ্ট করে দেয়—এখানে ন্যায় নয়, ধর্ম ও রাজনৈতিক বৈষম্য প্রধান।
সমস্যার মূল: নারীর অধিকার নয়, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের উপর ভিত্তি করে দ্বৈত মানদণ্ড।
ভারতীয় সমাজে ন্যায় এবং নৈতিকতা বিচার হয় শুধু কার ধর্মে জন্মেছে দেখে।
যারা চার বিয়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলছে, তাদের নিজেদের সমাজের একই বা আরও চরম প্রথার দিকে চোখ ফেরাতে হবে।
এটাই মূল প্রতিবাদ:
“মাথাব্যথা শুধু মুসলমানদের জন্য, নৈতিকতার লাঠি শুধুই অন্যদের উপর—এটাই হিন্দুত্ববাদীদের নীরবতার, দ্বৈত মানদণ্ডের কড়া বাস্তবতা।”
03/01/2026
যে সকল সংবাদ পত্র আইপিএল বর্জন করবে না, বুজে নিবেন তারা ফ্যাসিস্ট ভারতের এজেন্ট।
https://www.facebook.com/share/p/19hZeRAxc3/
03/01/2026
বাংলাদেশে যারা আইপিএল নিয়ে আলোচনা করবে, এরা কোন না কোন ভাবে ভারতের এজেন্ট।
ভারতের উগ্রবাদী সন্ত্রাসী হিন্দুরা যেমন আমাদের শত্রু, পাকিস্তানেরও উগ্রবাদীরা আমাদের শত্রু।
আপনি নেপাল, ভুটান বা অন্য দেশের হিন্দুদের নিয়ে আলোচনা করুন কিন্তু ভারতকে বর্জন করুন। তেমনিভাবে পাকিস্তানের জন্যও প্রযোজ্য।
নিজ দেশকে যারা ভালোবাসবে না তারাই এই দুই দেশের ভালোবাসা দেখাবে।
01/12/2025
সিঙ্গাপুরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞায় আরও কড়াকড়ি
আমাদের স্কুলের কি হবে?
শিক্ষগন যুগের সাথে কতটা আপডেটেড?
সিঙ্গাপুরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে স্মার্টফোন ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞায় আরও কড়াকড়ি
সম্প্রতি বিশ্বের অনেক দেশের স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
31/10/2025
SICIP-BACI প্রকল্পের আওতায় ৪ মাস মেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ কোর্সে
ভর্তি চলছে!!!
🛑 সম্পূর্ণ ফ্রি প্রশিক্ষণ কোর্স!! 🛑
❇️ট্রেড সমূহ:
১। ইলেকট্রিক্যাল ইন্সটলেশন এন্ড মেইনটেন্যান্স (EIM)
২)প্লাম্বিং এন্ড পাইপ ফিটিং
৩) ম্যাসনরী, স্টীল বাইন্ডিং এন্ড ফেব্রিকেশন
৪) টাইলস এ্যান্ড মার্বেল ওয়ার্কস
কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে নিজেকে স্বাবলম্বী করে তুলতে,দেশে- বিদেশে আকর্ষনীয় বেতনে স্বনামধন্য শিল্প প্রতিষ্ঠানে চাকুরীর যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে এই কোর্সে ভর্তি হন ।
৪ মাস মেয়াদি কারিগরি প্রশিক্ষণ শেষে টিএ ভাতা(দৈনিক উপস্থিতির ভিত্তিতে ১৫০/-) প্রদান করা হবে এবং বিভিন্ন সনাম ধন্য প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হবে।
🏠বিস্তারিত:
স্কিল ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট(এসডি
আই)
SKILL DEVELOPMENT INSTITUTE(SDI) Block # I, Sector # 16. Rajuk Uttara 3rd Phase,Uttara,
( তুরাগ থানা ও পাসপোর্ট অফিসের পাশে)।
Mobile :
01711362377.