যদিও দিন শেষে ঈদ আনন্দের... ঈদ খুশীর..., তবুও বারবার.. বারংবার.. ঈদের আগে ও পরে এমন কি পবিত্র ঈদের দিনেও যাদের জীবন থেকে ঈদের খুশী চিরতরে হারিয়ে যায়, কিংবা জীবনটাই চলে যায়... তাদের কথা কেনো জানি মনের ভেতরে গহীন ক্ষত সৃষ্টি করে! পরিবারের সাথে ঈদ-আনন্দের সাম্রাজ্যে থেকেও মাথার ভেতর থেকে সরানোই যাচ্ছেনা অবিসৃতির স্মৃতিগুলো..!
সেই বিয়ে করে বউ নিয়ে ফিরতি পথের ১৪ জন বরযাত্রীর চিরতরে অন্তর্যাত্রা.. কিংবা..
মুহুর্তে জীবন ওলটপালট হয়ে যাওয়া উল্টে যাওয়া ট্রেনের যাত্রীগুলো.. অথবা..
সেই লঞ্চের পাটাতনে পিষ্ট হওয়া মানুষগুলো... বা..
ঈদের দিনে সলীল সমাধির শিকার হওয়া ৫ শিশু...
আর...
তাদের সবার পরিবারের হাহাকার.. আর্ত চিৎকার...!!
ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনাগুলো বারবার মস্তিষ্কে ঠকঠক করে বলছে... আমিও তো হতে পারতাম তাদের দলে.. কিংবা আমার পরিবার...! হতে পারতাম, কিন্তু হইনি.. আমরা মহাভাগ্যবান..! সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে নিয়ে আমাদের জীবনদান করে বোনাস দিলেন..! তবুও কেনো সেই চলে যাওয়া মানুষগুলোকে এমন হতভাগ্যের শিকার হতে হয় জানিনা..! মৃত্যু কি আরেকটু স্বাভাবিক হতে পারেনা..?! মহান আল্লাহই ভাল জানেন..!
হয়তো তিনি আমাদের শিক্ষা দেন... সময়ের সমষ্টিই যেখানে জীবন, সেখানে ক্ষণিক সময়কে প্রায়োরিটি দিতে গিয়ে জীবনটা হারাতে নেই..!
আমাদের মতো স্ট্রাগল করে জীবন চালানো মানুষজনের কাছে ঈদের উপলক্ষটা অনেক বড় সুখের খোরাক, তাই শত বেদনার মাঝেও ঈদকে কেন্দ্র করে আনন্দরাশি ভরে নিই নিজেদের ঝুলিতে..! ঝুলিতে ভরা এই আনন্দটুকুই হয়তো রসদ যোগাবে আবারো কিছুদিন জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাবার..! আমরা যুদ্ধ করি তো জীবনটাকেই বাঁচিয়ে রাখতে!
এই যে সুখ-দুঃখের, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির, স্বপ্ন-সফলতার দোলাচলে ভরা আমাদের এতো আয়োজনের এতো সাধের জীবন....সে কি কয়েকদন্ড সময়ের কাছে ঠুনকো..??
না,.... এই যে বেঁচে থাকা.. এই যে এখনও বেঁচে আছি... এটাই তো জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি..!
বেঁচে থাকা... বড় আশ্চর্য সুন্দর...!!
©️ মোঃ আফসারুল ইসলাম (পলাশ)
২৪ মার্চ ২০২৬
Md. Afsarul Islam
It's a digital Blog creator page.
Annual Credit Officer's Meeting 2026
It's a Ayesha's school compound.Here She started her Primary education. She has promoted from pre-primary to class one this year.Pray for her bright future.
With my little Princess.Without you day is sunless, night is moonless and time is joyless. You are root of all my happiness Ayesha mamoni.May ALLAH keeps you healthy and happy and keep away from all grief.Please keep us in your prayer.
কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস।
কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
কেরানীগঞ্জে মা-মেয়েকে হত্যার পর ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস
নিহত মা রোকেয়া রহমান (৩২) ও মেয়ে জোবাইদা রহমান ফাতেমা (১৪)। ছবি: যুগান্তর
কেরানীগঞ্জে শিক্ষিকার বাসা থেকে শিক্ষার্থী জোবাইদা রহমান ফাতেমা (১৪) ও তার মা রোকেয়া রহমানের (৩২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদেরকে ২১ দিন আগে হত্যা করে বাসায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মা-মেয়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় শিক্ষিকা মীম আক্তার (২৪) ও তার আপন ছোট বোন নুসরাত জাহানকে (১৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গত ২৫ ডিসেম্বর বিকালে ওই বাসায় প্রাইভেট পরতে যায় সদ্য নবম শ্রেণিতে উঠা ফাতেমা। পরে তাকে খুঁজতে সেখানে যান ফাতেমার মা রোকেয়া। এরপর দুজনই নিখোঁজ হন।
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি সাইফুল আলম জানান, ওই দিনই (২৫ ডিসেম্বর) প্রথমে মেয়েকে, তারপর মাকে হত্যা করে শিক্ষিকা ও তার বোন নুসরাত। এরপর ফ্ল্যাটের একটি রুমের খাটের নিচে মায়ের লাশ ও বাথরুমের ফলস ছাদের ভেতর মেয়ের লাশ লুকিয়ে রাখে। লাশ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত তারা ওই ফ্ল্যাটে স্বাভাবিক জীবনযাপন করেন। এই অবস্থায় গত ৬ জানুয়ারি শিক্ষিকার ৩ বছরের ছেলের জন্মদিন পালন করতে সপরিবারে তারা ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নানাবাড়িতে যায়। ১০ জানুয়ারি তারা আবার কেরানীগঞ্জে ফিরে আসে।
শিক্ষিকার স্বামী রংয়ের ডিলারের ব্যবসা করেন। তিনি ঘরে গন্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে স্ত্রী বলতেন- বাইরের কুত্তা মরে পড়ে আছে, সেই গন্ধ আসে। গন্ধে বিরক্ত হয়ে স্বামী বৃহস্পতিবার ঘর সার্চ করতে থাকেন। ফ্ল্যাটটিতে ৩টি কক্ষ রয়েছে। এক পর্যায়ে একটি কক্ষের খাটের নিচে তিনি লাশ দেখতে পেয়ে চিৎকার করে বেরিয়ে আসেন। তখন বিষয়টি জানাজানি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
জানা যায়, এইচএসসি পাশ ওই শিক্ষিকা কোনো প্রাতিষ্ঠানিক জব করতেন না। বাসায় থেকে প্রাইভেট পড়াতেন।
ওসি জানান, শিক্ষিকার প্রতিবেশী ছিলেন ভিকটিম রোকেয়া। তারা পূর্ব পরিচিত। শিক্ষিকা একটি এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা কিস্তি তুলেছিলেন। এই ঋণের জামিনদার (গ্রান্টার) ছিলেন রোকেয়া। কিন্তু সময়মতো কিস্তির টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন শিক্ষিকা। এনজিও কিস্তির টাকা না পেয়ে জামিনদার রোকেয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি করে। এ নিয়ে রোকেয়া ও শিক্ষিকার মধ্যে চরম বাকবিতণ্ডা হয়। শিক্ষিকার সঙ্গে তার আপন ছোট দুই বোনও থাকতো। ছোট দুই বোনের একজন নুসরাত (১৫)। বোনকে (শিক্ষিকাকে) গালিগালাজ ও অপমান করায় সে রোকেয়ার ওপর প্রচন্ড ক্ষুব্ধ ছিল।
তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন (২৫ ডিসেম্বর) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে রোকেয়ার মেয়ে ফাতেমা প্রাইভেট পড়তে ওই বাসায় গেলে নুসরাতের সঙ্গে ফাতেমার কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নুসরাত ফাতেমার গলা চেপে হত্যা করে। ফাতেমাকে হত্যার পর শিক্ষিকার বুদ্ধিতে ফাতেমার জামা খুলে সেগুলো নুসরাত পরিধান করে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়। বাড়িতে দুটো সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সিসিটিভি ফাঁকি দিতে নুসরাত ফাতেমার পোশাক পরে বেরিয়ে যায়। যাতে পরবর্তীতে কেউ সিসিটিভি চেক করলে বুঝতে পারে ফাতেমা শিক্ষিকার বাসা থেকে বেরিয়ে গেছে। এর দুই ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রোকেয়াকে শিক্ষিকা ফোন করে। তার মেয়ে ফাতেমা অসুস্থ হয়ে পড়েছে বলে জানায়। তাকে নিয়ে যেতে বলে। ফোন পেয়ে রোকেয়া শিক্ষিকার ফ্ল্যাটে ঢুকলে তাকে পেছন থেকে গলায় ওড়না পেচিয়ে ধরে নুসরাত। এ সময় শিক্ষিকা মীম তাকে ধাক্কা দিয়ে মেঝেতে ফেলে দেন। এরপর দুই বোন মিলে গলায় ওড়না পেচিয়ে শ্বাসরোধে রোকেয়াকে হত্যা করে। মেয়ে ফাতেমার ওজন কম হওয়াতে তাকে দুজন তুলে বাথরুমের ফলস ছাদের ভেতর আর মা রোকেয়ার লাশ বক্স খাটের ভেতর লুকিয়ে রাখে।
এদিকে এ ঘটনার তদন্তে পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। মা-মেয়ে নিখোঁজ হয় ২৫ ডিসেম্বর। ২৭ ডিসেম্বর স্ত্রী ও মেয়ের নিখোঁজের বিষয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন রোকেয়ার স্বামী শাহীন আহমেদ। এতেও কোনো কাজ না হওয়ায় গত ৬ জানুয়ারি তিনি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি পুরো ঘটনা উল্লেখ করলেও পুলিশ লাশ উদ্ধারের আগ পর্যন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেনি।
আরও পড়ুন
কাঁঠাল গাছে কৃষকের ঝুলন্ত লাশ
কাঁঠাল গাছে কৃষকের ঝুলন্ত লাশ
মামলার বাদী শাহীন আহমেদ পেশায় আইনজীবীর সহকারী (মুহুরি)। তিনি অভিযোগ করেন, আমি বারবার বলার পরও পুলিশ ওই ফ্ল্যাট সার্চ করতে যায়নি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল কললিস্ট বিশ্লেষণ করেনি। এগুলো করলে হয়তো ওদের জীবিত পেতাম না। কিন্তু লাশটা অনেক আগেই পেতাম। ওরা যখন পঁচে-গলে গেছে তারপর আমরা ওদের হত্যা ও গুমের বিষয়টি জানতে পারি। তিনি ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতার দুজনই হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেছে। শুক্রবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। আসামি নুসরাতের বয়স ১৫ বছর; নাবালিকা। তাকে গাজীপুরের কোনাবাড়িতে ‘শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে’ পাঠানো হবে।
কেরানীগঞ্জ হত্যা
জানিনা উনার নাম কি । শুধু জানি উনি বসুন্ধরা মসজিদের ইমাম। উনার কথাগুলো খুবই ভালো লেগেছে। তাই শেয়ার করলাম।
কিন্তু উনার কথায় কোনো উত্তেজনা না থাকায় এরকম গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো ভাইরাল হয়না। কিংবা উনার নামও বিশেষভাবে কেউ জানেনা।
আজকে এক জুমাবার। বেশ কয়েকমাস আগে উনি জুমাবারের খুতবায় বলেছেন-
মুসলমান হিসাবে কলেমা, নামাজ , রোজা, হজ্ব , যাকাত এই পাঁচটি কর্তব্য অবশ্যই পালন করতে হবে। কিন্তু এই পাঁচটির সাথে কেউ যদি নীচের চারটি কাজ না করে -তবে তাঁর নামাজ যেখানে পড়া হয়েছে সেখানেই রয়ে যাবে। এটা আর কখনো রবের কাছে পৌঁছাবেনা। কাজেই অনুধাবন করা দরকার ব্যাপারটি কত সিরিয়াস।
এই চারটি বিষয় হলোঃ
এক নাম্বারঃ সত্যবাদী হতে হবে। উনি বলেছেন- দুনিয়ার সব মসুলমানরা যদি আজকে থেকে সত্য বলা শুরু করে তবে দেখবেন -কালকে থেকেই তাদের জীবনে আমূল পরিবর্তন নেমে আসবে। আর যদি সত্যবাদী না হয়- তবে তাদের অধঃপতন কেউ ঠেকাতে পারবেনা এবং কোনো ইবাদতই রবের কাছে পৌঁছাবেনা।
দুই নাম্বারঃ উত্তম চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। আপনি যতই নামাজ, রোজা , হজ্ব পালন করেন না কেন- আপনার চরিত্র যদি ঠিক না থাকে তবে আপনার নামাজ , রোজার কোনো মূল্য নেই। মানুষ দেখবেনা আপনি কত হাজার ওয়াক্ত নামাজ পড়েছেন, কত বছর রোজা রেখেছেন। মানুষ দেখবে শুধু আপনার চরিত্র।
এ প্রসংগে তিনি নবী সাঃ এর জীবনের একটা ঘটনা উল্লেখ করেছেন। নবী সাঃ গভীর রাতের নীরব আঁধারে ঘুম থেকে জেগে জায়নামাজে দাঁড়াতেন। খুব ধীরে ধীরে দরজা খুলতেন, খুব আস্তে আস্তে ওযু সেরে নামাজে দাঁড়াতেন। যেন সামান্য শব্দে তাঁর স্ত্রী আয়েশা রাঃ এর ঘুম ভেঙ্গে না যায়। এতে বুঝা যায় তাঁর চরিত্র কত উত্তম ছিলো। আর আমরা এক রাকাত তাহাজ্জুদ আদায় করলেই কোনো না কোনোভাবে সবাইকে জানাই এবং ইবাদতের গর্বে গর্বিত হয়ে যাই।
তিন নাম্বারঃ হালাল আয়। যত রকমের ইবাদত আছে করেন না কেন। সবচেয়ে বড় ইবাদত হলো মানুষের হালাল আয়। আপনার আয় যদি হালাল না হয়। তবে হারাম আয়ের সব ইবাদতই হারাম হয়ে যায়। কত বড় একটা কথা চিন্তা করতে পারেন।
আমরাতো শুধু কেবলমাত্র শুয়োর মাংসকেই হারাম মনে করি। তিনি বলেছেন- নামাজ পড়ে কপালে কালো দাগ ফেলা সহজ, টাকা থাকলে শতবার উমরাহ করো সহজ, ধনী হয়ে যাকাত দেয়াও সহজ। কিন্তু হালাল আয়ে জীবন চালানো অতো সহজ না। এটা কঠিন। চারপাশে ঘুষ, দূর্নীতি, জুচ্চুরি ইত্যাদির মাঝে হালাল আয় করা কঠিন। কিন্তু আল্লাহর রহম পেতে হলে এই কঠিন কাজটাই করতে হবে শত কষ্টের মাঝেও হাসিমুখে এবং ধৈর্য্যের সাথে।
চার নাম্বারঃ আমানত রক্ষা করা। শুধু মালের আমানত না , কেউ যদি কোনো কথা রাখে সেটা রক্ষা করতে হবে। কেউ যদি কোনো দায়িত্ব পায় সেটাও রক্ষা করতে হবে। কোনো পদ পেলে, কোনো দায়িত্ব পেলে, কোনো রকমের ক্ষমতা পেলে, মুয়াজ্জিন হলে, ইমাম হলে, চৌকিদার থেকে রাষ্ট্রপতি যে যে দায়িত্ব পাক সেটা যথাযথভাবে রক্ষা করাই আমানত। কোনো অবস্থাতেই কোনো আমানতের খেয়ানত করা যাবে না।
এবার আপনারা নিজেদের দিয়ে তাকিয়ে চিন্তা করুন- আপনাদের -আমাদের করা ইবাদত কি এখানে রয়ে যাবে । নাকি রবের কাছে পৌঁছাবে। যদি পৌঁছাতে চান- তবে নামাজ, রোজার পাশাপাশি এই কাজগুলো যথাযথভাবে সম্পাদন করতে হবে এবং দেখুন এই কাজগুলো যথাযথ সম্পাদন করার ফলে আপনার জীবনে এবং জাতীয় জীবনে কোনো পরিবর্তন আসে কিনা।
রাব্বুল আলামীন এই চারটি কাজ আমাদের সবাইকে গুরুত্বের সাথে পালন করার তাওফিক দিন ।
আমিন, আমিন, আমিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Contact the school
Telephone
Website
Address
Chandpur