21/02/2017
সকল ভাষা শহীদদের জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি!! আল্লাহ্ সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি, আমিন।
তারাপল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
21/02/2017
সকল ভাষা শহীদদের জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি। আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি!! আল্লাহ্ সকল শহিদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি, আমিন।
ভাইবা বোর্ডে যে প্রশ্নগুলো প্রায় ই করা হয়ঃ
-
১. আপনার নাম কি?
-
২. আপনার নামের অর্থ কী?
-
৩. এই নামের একজন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম বলুন?
-
৪. আপনার জেলার নাম কী?
-
৫. আপনার জেলাটি বিখ্যাত কেন?
-
৬. আপনার জেলার একজন বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধার
নাম বলুন।
-
৭. আপনার জেলার একজন বিখ্যাত ব্যক্তির নাম
বলুন।
-
৮. আপনার বয়স কত?
-
৯. আজ কত তারিখ?
-
১০. আজ বাংলা কত তারিখ?
-
১১. আজ হিজরি তারিখ কত?
-
১২. আপনি কি কোনো দৈনিক পত্রিকা পড়েন?
-
১৩. পত্রিকাটির সম্পাদকের নাম কি?
-
১৪. আপনার নিজের সম্পর্কে ইংরেজিতে বলুন।
উত্তর : Thanks the Viva board Members specialy the
Chairperson of the viva board to give me a chance to
speak something about myself. I am......
-
-
লাইক দিয়ে সাথেই থাকুন।
গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন সমূহঃ
🌍 UNESCO = United Nations Educational, Scientific and cultural Organization. (1946)
🌍 WHO = World Health Organization. (1948)
🌍 ITU = International Telecommunication Union. (1865)
🌍 FAO = Food and Agricultural Organization. (1945)
🌍 UPU = Universal Postal Union. (1874)
🌍 ICAO = International Civil Aviation Organization. (1947)
🌍 IBRD = International Bank for Reconstruction and Development. (1944)
🌍 IMF = International Monetary Fund. (1944)
🌍 WIPO = World Intellectual Property Organization. (1970)
🌍 ILO = International Labour Organization. (1919)
🌍 WMO = World Meteorological Organization. (1873)
🌍 MIGA = Multilateral Investment Guarantee Agency. (1988)
🌍 IFAD = International Full for Agricultural Development. ( 1977)
🌍 UNIDO = United Nations Industrial Development Organization. (1966)
🌍 IMO = International Maritime Organization. (1948)
🌍 WTO = World Trade Organization. (1948)
🌍 UNICEF = United Nations Children's Fund. (1946)
🌍 UNFPA = United Nations Population Fund. (1969)
ধন্যবাদ।। শেয়ার করে রাখুন। পরবর্তী পোষ্ট পেতে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন। বর্তমান পোষ্টটির অবস্থান নিয়ে কমেন্ট করুন।
26/08/2016
প্রধান শিক্ষকের সাথে গ্রামের যুব সমাজ।
চাঁদপুররের ঐতিহাসিক
হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের
ইতিবৃত্ত
শতাব্দীর প্রাচীন চাঁদপুর জেলার
হাজীগঞ্জ বড় মসজিদ-এর মনোমুগ্ধকার
নির্মাণ শৈলী আজও অনবদ্যতায় ভাস্বর।
এর প্রতিটি নির্মাণ শৈলীতে বিকশিত
স্থাপত্য সৌকর্যের বিশুদ্ধ ব্যাকরণ। এটি
জেলার সর্ববৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী একটি
মসজিদ।
ঐতিহাসিক সূত্রে, ১৩৩৭ বঙ্গাব্দের ১৭
আশ্বিন মাওলানা আবুল ফারাহ জৈনপুরী
(র.) এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
মসজিদের মেহরাবটি কাঁচের ঝাড়ের
টুকরো দিয়ে খচিত।
সুরা ইয়াসিন ও সুরা জুমা আরবি অক্ষরে
চক্রাকারে লেখা আছে মসজিদের
ভেতরের দেয়ালের প্রথম অংশে। ১শ’ ২২
ফুট উঁচু মিনারটি বসানো হয়েছে ৪টি
পিলারের ওপর।
১শ’ ১৮ ফুট উচ্চতায় ফানুসের মত একটি টপ
ও দু’হাত গোলাকার প্লাটফর্ম আছে।
শুক্রবারের খুতবা পাঠের স্থানটি মুল্যবান
পাথর ও টাইলসে সজ্জিত। মিনার ও
মসজিদের ওপর রয়েছে তারকা খচিত ৩টি
গম্বুজ।
প্রতিদিন ৮টি মাইক দিয়ে আজান প্রচার
করা হয়। যার আওয়াজ হাজীগঞ্জ
উপজেলার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না,
পাশ্ববর্তী উপজেলার মানুষজনও শুনতে
পায়। হাজীগঞ্জ বড় মসজিদের মোট
আয়তন ২৮ হাজার ৪শ’ ৫৫ বর্গফুট।
মহিলাদের জন্য এ মসজিদে পৃথক
নামাজের স্থান রয়েছে। জুমাতুল বিদার
নামাজ পড়ার জন্য সমাগম ঘটে হাজার
হাজার মানুষের।
আহমাদিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো.
মহিবুল্লাহ আজাদ জানালেন,
‘ঐতিহাসিক এ মসজিদে প্রথম একচালা
ঘরের এবাদতখানা ছিল। পরে টিনের
দোচালা। প্রথম জুমার আজান হয় ১৩৪৪
সনের ১০ অগ্রহায়ণ।’
তিনি আরো জানান, ‘প্রথম জুমায়
উপস্থিত ছিলেন অভিভক্ত বাংলার
তৎকালীন মূখ্যমন্ত্রী একেএম ফজলুল হক,
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, নওয়াব
মোশারফ হোসেন ও নওয়াবজাদা খাজা
নসরুল্লাহ। ওই নামাজের ইমামতি করেন
পীরে কামেল আলহাজ্ব মাওলানা আবুল
বাশার জৈনপুরী (র.)।;
মসজিদটি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে
পরিচালিত হচ্ছে নিয়ত-মানতের টাকায়।
গঠন করা হয়েছে আহমদ আলী পাটওয়ারী
ওয়াকফ এস্টেট। স্থায়ী আয়ের উৎস
হিসেবে ০.৬ একর সম্পত্তি ও ১২১টি
দোকান ঘরের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মসজিদ কেন্দ্রিক ধর্মীয় ও সামাজিক
কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠন করা
হয়েছে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক মসজিদ
কমপ্লেক্স।
এর মোতায়াল্লী, মহাপরিচালক হচ্ছেন
প্রতিষ্ঠাতা ও ওয়াকিফ আহমদ আলী
পাটওয়ারী (রা.) এর প্রপৌত্র ড. মো.
আলমগীর কবির পাটওয়ারী। প্রতিষ্ঠান এ
পর্যন্ত কোন সরকারি সহযোগিতা পায়নি।
বরং প্রতি বছর সরকারকে লক্ষাধিক
টাকা ওয়াকফ খাতে দিতে হয়।
বর্তমানে মসজিদের সংস্কার চলছে।
বাকি কাজ সম্পন্ন করতে আরো প্রয়োজন
১০/১২ কোটি টাকা। দেশী-বিদেশী
ধর্নাঢ্য ব্যাক্তিদের এগিয়ে আসতে
আহবান জানিয়েছেন মোতাওয়াল্লী
অধ্যক্ষ ড. মো. আলমগীর কবির
পাটওয়ারী।
৯৫% ছাত্র-ছাত্রী নিমোক্ত প্রশ্নের
উত্তর দিতে ব্যর্থ হয়।
প্রশ্ন : ২১ ফেব্রুয়ারি কী দিবস?
উত্তর : শহীদ দিবস।
প্রশ্ন : ২৬ মার্চ কী দিবস?
উত্তর : স্বাধীনতা দিবস।
প্রশ্ন : ১৫ আগস্ট কী দিবস?
উত্তর : জাতীয় শোক দিবস।
প্রশ্ন : ২১ নভেম্বর কী দিবস?
উত্তর : সশস্র বাহিনী দিবস।
প্রশ্ন : ১৪ ডিসেম্বর কী দিবস?
উত্তর : শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
প্রশ্ন : ১৬ ডিসেম্বর কী দিবস?
উত্তর : বিজয় দিবস।
প্রশ্ন : ১০ জানুয়ারি কী দিবস?
উত্তর : বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন দিবস।
প্রশ্ন : ২৮ জানুয়ারি কী দিবস?
উত্তর : সলঙ্গা দিবস।
প্রশ্ন : ০২ ফেব্রুয়ারি কী দিবস?
উত্তর : জনসংখ্যা দিবস।
প্রশ্ন : ২২ ফেব্রুয়ারি কী দিবস?
উত্তর : আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার
দিবস।
প্রশ্ন : ২৮ ফেব্রুয়ারি কী দিবস?
উত্তর : ডায়াবেটিক দিবস।
প্রশ্ন : ১৫ মার্চ কী দিবস?
উত্তর : রাষ্ট্রভাষা দিবস।
প্রশ্ন : ২২ অক্টোবর কী দিবস?
উত্তর : নিরাপদ সড়ক দিবস।
প্রশ্ন : ২৪ এপ্রিল কী দিবস?
উত্তর : খাপড়া ওয়ার্ড দিবস।
প্রশ্ন : ২৮ মে কী দিবস?
উত্তর : নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস।
প্রশ্ন : ৩০ মে কী দিবস?
উত্তর : সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের শাহাদত দিবস।
প্রশ্ন : ০৭ জুন কী দিবস?
উত্তর : ছয় দফা দিবস।
প্রশ্ন : ২৩ জুন কী দিবস?
উত্তর : পলাশী দিবস।
প্রশ্ন : ০৭ নভেম্বর কী দিবস?
উত্তর : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস।
প্রশ্ন : ১৬ অক্টোবর কী দিবস?
উত্তর : বঙ্গভঙ্গ দিবস
★নিচের পেইজ থেকে সংগ্রহীতঃ-
কারেণ্ট ওয়াল্ড ও বিশ্ব পরিচিতি
কারেণ্ট ওয়াল্ড ও বিশ্ব পরিচিতি
কারেণ্ট ওয়াল্ড ও বিশ্ব পরিচিতি
কারেণ্ট ওয়াল্ড ও বিশ্ব পরিচিতি
05/07/2016
http://www.hajigonjkantho.com/1504
হাজীগঞ্জের তারাপাল্লা এফএনএফ ক্লাবের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত - Hajigonj Kantho কবির হোসেন তালুকদার : হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩নং কালচোঁ ইউনিয়নের তারাপাল্লা গ্রামে অবস্থিত সামাজিক সংগঠন এফএনএফ..
10/06/2016
http://www.hajigonjkantho.com/226
হাজীগঞ্জের তারাপাল্লা এফএনএফ ক্লাব সংগঠনটি শিক্ষিত সমাজ গঠনে এক নব সূচনা হাজীগঞ্জ কন্ঠ অনলাইন ॥ হাজীগঞ্জ উপজেলার তারাপাল্লা গ্রামে অবস্থিত তারাপাল্লা ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলী ক্লাব একটি একতা বদ্ধ সামাজিক, অরাজনৈতিক সংগঠন । এই ক্লাবটি শিক্ষার মান উন্নয়নে, সমাজের গরীব, মে…
উপজেলার প্রথম ধড্ডা ও দ্বিতীয়
স্থানে মডেল কলেজ
এসএম মিরাজ মুন্সী
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের আওতাদীন
চাঁদপুর জেলার মধ্যে প্রতি বছর সবচেয়ে
হাজীগঞ্জ উপজেলা পাশের হার বেশী
দেখা যেত। এবারে ব্যাতিক্রম লক্ষনীয়
এইচ এস সি পরীক্ষার ফলাফল গতকাল
রবিবার ঘোষনার পর দেখা গেছে।
উপজেলার ৮ টি কলেজ থেকে এ বছর ২৮শ
৮৯ জন পরিক্ষার্থীর মধ্যে থেকে পাশ
করেছে ১৭শ ৭৫ জন। অপর দিকে এইস এস
সির ফলাফল মাত্র ৩ টি কলেজ থেকে এ
+ অর্জন করেছে মাত্র ৩৭ জন। যা
এবারেই সব চেয়ে কম এ+ এর সংখ্যা
হাজীগঞ্জ উপজেলায়। এ বছরেই প্রথম
হয়েছে প্রথম এইস এসসির ফলাফলে
ধড্ডা মোয়াজ্জেম হোসেন চেীধুরী
ডিগ্রি কলেজ উপজেলার প্রথম স্থান
অধিকার করেছে, যার পাশের হার
৮৮%। আর এ প্রতিষ্ঠানের ১৭ জন
শিক্ষার্থী এ+ পেয়েছে। উপজেলার
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে হাজীগঞ্জ
মডেল ইউনিভার্সিটি কলেজ । এ বছর
৯০৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্য পাশ করেছে
৭৫১ জন। পাশের হার ৮৩%। এ
প্রতিষ্ঠানের জেনারেল ও বিএম
শাখাসহ মোট এ+ এর সংখ্যা ১১২ জন।
এছাড়াও হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ
থেকে মোট পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন
করে ৬৬৭ জন,পাশ করেছে ২৪৬ জন,এ+ ১২
জন,পাশের হার মাত্র ৩৫.২৮%।
হাজীগঞ্জ মডেল পাইলট হাই স্কুল এন্ড
কলেজের মোট পরিক্ষার্থীর সংখ্যা
ছিল ১৭৬ জন। আর পাশ করেছে ৫৮ জন।
যার পাশের হার মাত্র ৩৩%। দেশগাও
ডিগ্রি কলেজের পরিক্ষার্থীর সংখ্যা
রয়েছে ২শ ৩৬জন। পাশ করেছে ১৫৩ জন।
যার পাশের হার রয়েছে ৭৬%। বলাখাল
মুকবুল আহমেদ ডিগ্রী কলেজের
পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩শ ২১ জন।
পাশ করেছে ১শ ১৪ জন। পাশের হার
৩৫.৫১% । নাসির কোট কলেজের
পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১শ ৭৪ জন।
পাশ করেছে ১শ ২৭ জন। পাশের হার
৭০%। কাকৈরতলা জনতা কলেজের
পরিক্ষার্থীর সংখ্যা ১শ ৮২জন। পাশের
হার ৭০%।
এ বছর ফলাফল বিপর্যয়ের কারন জানতে
চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
বলেন, সহসায় এর কারন জানতে
উপজেলার সব কলেজ অধ্যক্ষদের নিয়ে
বসে জানতে পারব। তবে আগামি দিনে
আরো ভাল ফলাফল অর্জনে আমাদের
সর্বাধিক সহযোগিতা থাকবে।
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা "ঈদ মোবারক"
আব্রাহাম লিংকন এর খোলা চিঠি প্রধানশিক্ষকের নিকট।
মাননীয় মহাশয়,
আমার পুত্রকে জ্ঞান অর্জনের জন্য
আপনার কাছে প্রেরণ করলাম।
তাকে আদর্শ মানুষ হিসাবে গড়ে
তুলবেন এটাই আপনার কাছে আমার
বিশেষ দাবী। আমার পুত্রকে অবশ্যই
শেখাবেন- সকল মানুষই ন্যায়পরায়ন
নয়, সকল মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়। তাকে
এও শেখাবেন প্রত্যেক বদমায়েশের
মাঝেও একজন বীর থাকে। প্রত্যেক
স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও
একজন নির্মোহ নেতা থাকে।
তাকে শেখাবেন প্রত্যেক শত্রুর
মাঝে একজন বন্ধু থাকে।
আমি জানি এটি শিখতে তার সময়
লাগবে, তবুও যদি পারেন তাকে
শেখাবেন, পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে
পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত
ডলার অধিক মূল্যবান। এও তাকে
শেখাবেন, কিভাবে পরাজয়কে
মেনে নিতে হয় এবং কিভাবে
বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়।
হিংসা থেকে দূরে থাকার
শিক্ষাও তাকে দেবেন। যদি
পারেন নীরব হাসির গোপন সৌন্দর্য
তাকে শেখাবেন। সে যেন আগে
ভাগেই বুঝতে শেখে, যারা
পীড়নকারী তাদেরকে সহজে কাবু
করা যায়। বইয়ের মাঝে
কি রহস্য লুকিয়ে আছে তাও তাকে
বুঝতে শেখাবেন।
আমার পুত্রকে শেখাবেন,
বিদ্যালয়ে নকল করার চেয়ে
অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশী
সম্মানজনক। নিজের উপর যেন তার
সুমহান আস্থা থাকে। এমনকি সবাই
যদি সেটাকে ভুলও মনে করে। তাকে
শেখাবেন, ভদ্রলোকের প্রতি ভদ্র
আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর
হতে। আমার পুত্র যেন সে শক্তি
পায়, হুজুগে মাতাল জনতার পদাংক
অনুসরণ না করার। সে যেনো সবার
কথা শোনে এবং সত্যের পর্দায়
ঢেকে ভালোটাই শুধু গ্রহণ করে- এ
শিক্ষাও তাকে দেবেন। দুঃখের
মাঝে কিভাবে হাসতে হয় এবং
কান্নার মাঝে যে লজ্জা নেই
একথা তাকে বুঝতে শেখাবেন।
যারা নির্দয়, নির্মম তাদেরকে সে
যেন ঘৃণা করতে শেখে। আর
অতিরিক্ত আরাম আয়েশ থেকে
সাবধান থাকে। আমার পুত্রের
প্রতি সদয় আচরন করবেন কিন্তু
সোহাগ করবেন না। কেননা আগুনে
পুড়েই ইস্পাত খাঁটি হয়। আমার
সন্তানের যেন অধৈর্য্য হওয়ার
সাহস না থাকে, থাকে যেন তার
সাহসী হওয়ার ধৈর্য্য। তাকে এ
শিক্ষাও দেবেন- নিজের প্রতি
যেন তার সুমহান আস্থা থাকে, আর
তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে
মানব জাতির প্রতি।