06/02/2024
প্রিয় শিক্ষকের প্রতি পরম শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করছি। যার হাতে আমার কম্পিউটার শিক্ষা যিনি 1996-1997 সালে আমাকে কম্পিউটারে দক্ষ করে তুলেছেন। আপনারা যারা আজকে আমাকে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ে দক্ষ মনে করেন। বিভিন্ন অনলাইন কাজে আমার প্রতি আস্থা রাখেন। বিভিন্ন ওয়েব সার্ভিসে আমার কাছে ছুটে আসেন, জানেন কে আমাকে এই দক্ষতা গুলি অজর্নে অগ্রনি ভুমিকা রেখেছেন? তিনি হলেন আমার একেবারে প্রিয় শিক্ষক জনাব আব্দুল আজিজ মোল্লা। যখন চাঁদপুর জেলার কোথাও কম্পিউটারের কথা কল্পনাও করে নাই ঠিক তখনই আমার এই প্রিয় শিক্ষকের হাতে আমার কম্পিউটার জগতে প্রবেশ করা। ১৯১৬ সাল থেকে শুরু করে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত দুইটি বছর ধরে তিনি আমাকে কম্পিউটারে দক্ষ করে তুলেছেন। স্যার কখনো বিরক্ত বোধ করেনি। ক্লাশের সময়ের পরেও কখনো বিকাল বেলা আবার কখোনো সন্ধা বেলা যখন সবাই রিলাক্স করে ঠিক সেই সময়ও স্যার আমাকে কম্পিউটারে সময় দিয়েছেন। হয়তোবা আপনারা বলবেন কত টাকা খরচ করে আপনি কম্পিউটার শিখেছেন। উত্তরটা হলো একেবারে ফ্রিতে স্যার আমাকে শিখিয়েছেন! আজকের দিনে হলে নিশ্চিত লক্ষ টাকা খরচ হত। সবসময় স্যারের কথা অনেক অনেক মনে পড়ে। যখনই আমার কম্পিউটার শিখা শেষ পর্যয়ে ঠিক তখনই আমার প্রিয় স্যার পাড়ি জমান নিজের প্রিয়জনদের কাছে পাবার জন্য নিজ এলাকায়। তখনথেকেই স্যারকে অনেক অনেক মিস করছি। আজকের এই সময়ে স্যার যদি আমার পাশে থাকতো তাহলে আরো কতকিছুই শিখতে পারতাম জানতে পারতাম। স্যারের স্থায়ী ঠিকানাটা আমার পুরো পুরি যানা নেই। তবে এইটুকু জানি তাঁর বাড়ী যশোর জেলায়। পুরো ঠিকানা না জানলেও কি হবে আমি স্যারের ঠিকানা জানি যে, স্যার বর্তমানে খুলনা জেলার শাহপুর মধুগ্রাম কলেজে (সদ্য জাতীয়কৃত) কলেজে কর্মরত আছেন।
আমার স্যারের সুস্বাস্থ্য কামনা করে সবাই দোয়া করবেন। আর দোয়া করবেন এইরকম একজন শিক্ষক যেন বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিঠানে থাকে।
আর হ্যাঁ স্যারের অনুপ্রেরনায় আজ আমিও একজন শিক্ষক হয়েছি। জানিনা আমার ছাত্র-ছাত্রীর জন্য আমি কতটুকু করতে পেরেছি। তবে দোয়া করবেন আমিও যেন আমার স্যারের মত একজন সবার প্রিয় শিক্ষক হয়ে আমার সকল ছাত্র-ছাত্রীর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গঠন করে দিতে পারি।
আবারও আমার প্রিয় স্যারের জন্য দোয়া কামনা করছি। এখন আপনারা হয়তো বলবেন এত বছর পরে এমন পোষ্ট কেন দিলেন। কারন স্যার যখন আমাদের ছেড়ে মানে চাঁদপুর ছেড়ে খুলনায় চলে যান তখন কোন মোবাই প্রযুক্তির প্রচলন ছিল না। তাই স্যারের সাথে আর কোন ভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। আজকের এই ডিজিটাল যুগে বহু কষ্টে স্যারের মুঠু ফোনের নম্বর সংগ্রহ করে স্যারের সাথে কথা একদিন কথা হয়।
আর আজ স্যারের সাথে আবার ডিজিটাল প্লাটফর্মে যুক্ত হতে পেরেছি তাই আনন্দে আজকের এই পোষ্ট করা। আপনারা যারা আপনাদের এই মুল্যবান সময় নষ্ট করে পুরো পোষ্টটি পড়েছেন আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ যানাই। আসলে স্যারের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই কখন যে এত বড় একটা পেষ্ট লিখে ফেল্লাম !!
সব শেষে আমার স্যারের জন্য ও আমার জন্য দোয়া প্রর্থনা করে বিদায় নিলাম।