03/01/2025
প্রিমিয়াম কোয়ালিটির কটন বাটিক শাড়ী 💗
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বৈদিক গীতা পাঠশালা, Private School, কচুয়া-উপজেলা রোড ( Center ), Chandpur.
03/01/2025
প্রিমিয়াম কোয়ালিটির কটন বাটিক শাড়ী 💗
ম স লি ন শা ড়ী ❤️
বৈদিক গীতা পাঠশালা র আজ এক বছর পূর্ণ হলো।
আজকের এই দিনে ভগবান শ্রী বিষ্ণুকে সাক্ষী রেখে গীতা যজ্ঞের মাধ্যমে এই পাঠশালার কার্যক্রম শুরু করা হয়েছিল।
আপনাদের সকলের আশীর্বাদ প্রার্থী। সবাই প্রার্থনা করবেন যেন সামনের দিন গুলো সন্দর ভাবে পরিচালনা করতে পারি।
জয় সনাতনের জয় 🙏
ভীষন মিস করছি :'( আবার কবে সবাই একসাথে পাঠশালায় যাবো। সবাই একসাথে গীতা পাঠ করবো।
কোভিড-১৯ এর জন্য অনির্দিষ্ট কালের জন্য পাঠশালা বন্ধ।
সুস্থ হয়ে উঠো পৃথিবী, আমাদের যে এখনও অনেক শেখার বাকী :'(
নিবেদনে, বৈদিক গীতা পাঠশালা 💙
25/05/2020
জয় রাধে।জয় রাধে।জয় রাধে।জয় রাধে।জয় রাধে।
ওঁ তৎ সৎ
ওঁ নারায়ণায় নমোঃ
ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়।
ওঁ নমো ব্রাক্ষ্মণায় দেবায় গো ব্রাহ্মণ্য হিতায় চ
জগদ্ধিতায় শ্রীকৃষ্ণায় গোবিন্দায় নমো নমোঃ
জয় রাধামাধব।
13/05/2020
🌱 শ্রী জগন্নাথ দেবের অপ্রাকৃত লীলা মহিমা🙏🙏
# # ভক্ত মণিদাসের নৃত্য কীর্তনঃ
🌷 জগমোহনঃ শ্রীজগন্নাথদেবের আনন্দ বিধানের জন্য নৃত্য-কীর্তনের স্থান' এক সময়ে পুরীতে মণিদাস নামে একজন মালী বাস করতেন। তিনি স্বপরিবারে সুখে দিন যাপন করছিলেন। দুর্ভাগ্যক্রমে এক সময় তার পত্নী মারা গেলেন, তার সন্তানেরাও একের পর এক সকলেই মারা গেল। এইভাবে মণিদাস তার পরিবারের সকলকেই হারালেন। তিনি এইভাবে সম্পূর্ণ একা হয়ে পড়লেন।
তিনি ভাবতে লাগলেন যে,পুনরায় তার পরিবারের সদস্য সংগ্রহের প্রয়োজন নেই। বরং তার চেয়ে আমি হরিনাম আশ্রয় করব। এই রকম মনস্থ করে তিনি বৈষ্ণব বেশ আশ্রয় করলেন এবং ভগবানের দিব্যনাম কীর্তন করতে লাগলেন। মণিদাস দুই টুকরো নারকেলমালা দিয়ে (ওড়িষ্যা ভাষায় সাধেই) এক জোড়া করতাল তৈরী করলেন। সেই সাধেই বা নারকেল মালার তৈরী করতাল বাজিয়ে তিনি জগন্নাথ মন্দিরের সিংহদ্বারের সামনে নৃত্য কীর্তন করতে লাগলেন। প্রগাঢ় ভক্তি সহকারে প্রভুকে প্রণাম নিবেদন করে তিনি মন্দিরে প্রবেশ করতেন, তারপর তিনি জগমোহনের কাছে চলে যেতেন। জগমোহন নামে পরিচিত মন্দিরেরই এই স্থানটি হচ্ছে একটি কীর্তন কক্ষ-(নাট মণ্ডপ) যেখানে ভক্তগণ প্রভুর সামনে নৃত্য কীর্তন করে থাকেন। মণিদাস সরবে তার করতাল বাজিয়ে সেখানে নৃত্য কীর্তন করতে শুরু করতেন। নৃত্যের তালে তালে তিনি প্রভু জগন্নাথদেবের মুখ কমলের দিকে তাকিয়ে দিব্যনাম কীর্তন করতে করতে একবার এগিয়ে যেতেন আবার পিছিয়ে গরুড় স্তম্ভের কাছে চলে আসতেন। এইভাবে গভীর প্রেমোচ্ছ্বাস সহকারে উন্মাদবৎ নৃত্য করে তিনি বিভিন্ন ভাবে প্রভুর মহিমা গান করতেন। প্রতিদিন এইভাবে জগমোহনে প্রভু জগন্নাথদেবের সামনে আনন্দোল্লাসে নৃত্য ও কীর্তন করতেন। কিছুদিন পর পাণ্ডাগণের মধ্যে একজন পাণ্ডা জগমোহনে বসে পুরাণ পাঠ শুরু করলেন। তিনি বিষ্ণু পুরাণ পাঠ ও আলোচনা করতেন এবং অনেক ভক্ত তাঁর সামনে বসে শ্রবণ করত। তিনি খুব সুচারু রূপে পাঠ করতেন এবং তাঁর সেই মনোজ্ঞ পাঠে প্রত্যেকে আকৃষ্ট হতো। সেই সময় মণিদাস সেই নাট মণ্ডপে উপস্থিত হলেন এবং উচ্চরবে কীর্তন করতে শুরু করলেন। তিনি প্রভুর সামনে প্রেমানন্দে মত্ত হয়ে কীর্তন করতে লাগলেন। এই সময় তার পদদ্বয় বারংবার ভূমি থেকে উচ্চে উঠে যেতো। কারও প্রতি তার কোনো ভয় ছিল না। তিনি প্রেমোন্মত্ত হয়ে ভূমিতে গড়াগড়ি দিতে দিতে কখনও বা পুরাণ পাঠরত পুরাণ-পাণ্ডার( এই নামে তিনি খ্যাত হয়েছিলেন) সামনে চলে আসতেন। এতে তিনি ক্রুদ্ধ হয়ে মণি দাসের প্রতি বললেন, ওহে মূর্খ! এখানে আমরা বিষ্ণুপুরাণ পাঠ করছি, তুমি কি দেখতে পারছো না?
এমনকি পুরাণের দিকেও তুমি পা তুলছো। এই পাপের জন্য তোমার দণ্ড ভোগ করতে হবে। দেখো, এখানে সব সুধী ভদ্রলোকেরা বসে নিবিষ্ট মনে বিষ্ণুপুরাণ পাঠ শ্রবণ করছেন। তুমি এতই উদ্ধত যে এখানে লাফালাফি করে নৃত্য করছ, আর এতো উচ্চরবে কীর্তন করছ। তুমি কেন শান্ত হয়ে বসে নীরবে পুরাণ পাঠ শ্রবণ করছ না?
এইভাবে পুরাণ পাণ্ডা মণিদাসকে খুব তিরস্কার করলেন। কিন্তু মণিদাস শ্রীজগন্নাথ দেবের জগৎ-বিমোহন রূপ দর্শন করে এতটাই বিমোহিত হয়ে গিয়েছিলেন যে তিনি এসব কথায় কোনো প্রত্যুত্তর করলেন না। শ্রোতাগণ যখন দেখলেন যে মণিদাস পুরাণ পাণ্ডার কথায় কোনো সাড়া দিচ্ছে না, তখন তারা তাকে বললেন,ওহে নির্বোধ! তুমি কি এই পুরাণ পাণ্ডার কথা শুনতে পাচ্ছ না? তুমি তাঁকে একজন সাধারণ মানুষ বলে মনে করছ। এখান থেকে সসম্মানে বিদায় হও, না হলে বেশ উত্তম-মধ্যম প্রহার তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
মণিদাস একথা শুনে খুব দুঃখিত হলেন। তিনি শ্রীজগন্নাথদেবের কাছে গেলেন এবং অভিমান ভরা কন্ঠে বললেন, হে প্রভু তুমি দাবি করে থাকো যে, যদি কেউ তোমার চরণে শরণাগত হয় তুমি তাকে আশ্রয় প্রদান কর। আশ্রয় লাভের আকাঙ্খী সকল মানুষকে আশ্রয় দানের জন্য তুমি দুহাত বাড়িয়ে প্রতীক্ষা করে আছো। আমি তোমার শরণ গ্রহণ করেছি কিন্তু শরণাগত হওয়া সত্ত্বেও আমাকে সব সহ্য করতে হচ্ছে। এখন আমি বুঝতে পারছি তুমি কতখানি মহান, আসলে তুমি তোমার শরণাগত সেবকের প্রতি অত্যন্ত নিষ্ঠুর, দয়াহীন। এই কথা বলে মহাক্রোধ করে মণিদাস তার করতাল গুলো ছুড়ে ফেললেন। বিরক্তহৃদয়ে মণিদাস তার আশ্রমে ফিরে এলেন। সেই রাত্রে তিনি আর কিছু আহার করলেন না। প্রভুর ধ্যান করতে করতে সেদিন তিনি আর শ্রীজগন্নাথদেবের সন্ধ্যারতি দর্শন না করেই নিদ্রার উদ্দেশ্যে শয়ন করলেন।
সেদিন মন্দিরে আরতি ও অন্যান্য অনুষ্ঠান সমাপ্ত হলে পূজারীগণ মন্দিরের দ্বারগুলি বন্ধ করলেন এবং তাদের নিজ নিজ গৃহে ফিরে গেলেন। কিন্তু শ্রীজগন্নাথদেব নিদ্রা যেতে পারলেন না। তাঁর ভক্ত মণিদাসকে অপমান করা হয়েছে এবং সে অভুক্ত রয়েছে, কিছু আহার করেনি। সুতরাং প্রভু রাজপ্রসাদে গেলেন এবং রাজা যেখানে শয়ন করছিলেন তার পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন। প্রভু রাজাকে বললেন, আমার ভক্ত মণিদাস আমার আনন্দ বিধানের জন্য প্রতিদিন নৃত্যকীর্তন করে থাকে। আমি তার কীর্তন ও নৃত্য উপভোগ করে থাকি। ঠিক যেমন একজন মানুষের যদি এক বছর বয়সী একটি পুত্র থাকে, যখন তার পুত্র মেঝেতে হামাগুড়ি দিতে দিতে তার পিতার দিকে এগিয়ে আসে, তার পিতার কোলে চড়ে বসে এবং অস্ফুট স্বরে কিছু ভাঙ্গাভাঙ্গা কথা বলে, তা তার পিতাকে কতই না আনন্দ দেয়, ঠিক তেমনি আমি ও মণিদাসের নৃত্য কীর্তন উপভোগ করি। তোমার পুরাণ পাণ্ডা তাকে প্রহার করেছে এবং আমার মন্দির থেকে তাকে বহিষ্কার করেছে। সে রাগ করে সেই স্থান হতে প্রস্থান করেছে এবং কিছুমাত্র আহার না করে নিদ্রা গিয়েছে। সেই রাত্রে সে আমার সামনে আর নৃত্য কীর্তন করতে আসেনি। যতক্ষণ না আমার ভক্ত আমার সামনে আসছে, ততক্ষণ আমিও কোন আহার গ্রহণ করব না। তোমার উচিৎ হবে অবিলম্বে মণিদাসের কাছে যাওয়া এবং তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করা। তার কাছে যাও এবং তাকে এই নাটমণ্ডপ জগমোহন দান কর, যাতে সে নৃত্য ও কীর্তন করতে পারে। যখন তুমি এটি করবে, কেবল তখনই আমি আহার গ্রহণ করব। বিশ্বকর্মা এই জগমোহন নিমার্ণ করবে আমার মুখমণ্ডল দর্শন করবে। আমি চাই না এই পুরাণ পাণ্ডা জগমোহনে এসে শাস্ত্র পাঠ করুক। তুমি যদি চাও তাহলে লক্ষীদেবীর মন্দিরের সামনে এই পুরাণ পাঠ চলতে পারে। এই কথা বলে প্রভু শ্রীজগন্নাথ অন্তর্হিত হলেন। তারপর তিনি মণিদাসের কাছে আবির্ভূত হলেন। প্রভু তাকে বললেন, হে মণিদাস! কেন তুমি অনাহারে রয়েছে? এখন উঠে কিছু আহার কর। আগামীকাল তোমার সমস্ত সমাধান হয়ে যাবে। মণিদাস প্রভুর আদেশ শ্রবণ করলেন এবং মহা আনন্দসহকারে জেগে উঠে কিছু ভোজন করলেন। তিনি উপলদ্ধি করলেন যে,প্রভু তাকে কৃপা করেছেন। এদিকে রাজপ্রাসাদে নিদ্রা হতে উঠে রাজা অবিলম্বে মণিদাসের গৃহের দিকে চললেন। তার গৃহে গিয়ে রাজা অত্যন্ত প্রীতিভরে আলিঙ্গন করলেন। অত্যন্ত সম্ভ্রমসহকারে রাজা তার হাত ধরলেন এবং তাকে জগমোহনে নিয়ে এলেন। তিনি তার মাথার সুন্দর একটি উষ্ণীষ পড়িয়ে তাকে বললেন, এই জগমোহনে তুমি তোমার সাধেই করতাল বাজিয়ে সুখে নৃত্য কীর্তন করতে থাক। এইভাবে তুমি প্রভুর প্রীতি বিধান কর। মণিদাস খুবই খুশি হলেন। তারপর থেকে তিনি প্রতিদিনই এই জগমোহনে এসে নৃত্যকীর্তন করতেন এবং এইভাবে প্রভুর আনন্দবিধান করতেন। তখন থেকে জগমোহনে আর পুরাণ পাঠ হয় না। পূরাণ পাণ্ডা তার শাস্ত্র আলোচনার আসর সরিয়ে নিয়ে লক্ষীদেবীর মন্দিরের সামনে নিয়ে গিয়েছিলেন। প্রভু তাঁর ভক্তের ভক্তিতে এতটাই অভিভূত হয়েছিলেন যে তিনি পুরাণ কথার আলোচনাকে অন্যত্র সরিয়ে দিয়েছিলেন।
জয় জগন্নাথ।। 🙏🙏🙏
🙏
| 03:00 - 17:30 |