বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, শাহরাস্তি

বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, শাহরাস্তি

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, শাহরাস্তি, Tutor/Teacher, shahrasti, Chandpur.

19/08/2026

"বাচ্চার খাওয়ার প্লেটটা কি আপনিই বেসিনে রেখে আসেন? জানলে অবাক হবেন, জার্মানিতে বাচ্চাদের ঘরের কাজ করাটা সামাজিকভাবে তো বটেই, এমনকি আইনিভাবেও প্রায় বাধ্যতামূলক!"
.....

আমাদের দেশে একটি ১৫ বছরের ছেলে নিজের গ্লাসে পানি ঢেলে খেলেও আমরা খুশি হয়ে বলি, "আমার ছেলেটা কত বড় হয়ে গেছে!" অথচ জার্মানিতে একজন বাবা-মা বিশ্বাস করেন, ঘরের কাজ কোনো শাস্তি বা বয়স্কদের একার দায়িত্ব নয়। এটি হলো পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে বাচ্চার 'বেসিক লাইফ স্কিল' বা বেঁচে থাকার প্রাথমিক দক্ষতা। জার্মান সিভিল কোডে (BGB) এমনকি এমন একটি ধারাও রয়েছে, যেখানে বলা আছে যে, সন্তান তার বয়স ও সামর্থ্য অনুযায়ী বাবা-মাকে গৃহস্থালির কাজে সাহায্য করতে বাধ্য!

জার্মান প্যারেন্টিংয়ের মূল ফিলোসফিই হলো 'Selbstständigkeit' বা স্বনির্ভরতা। তারা বাচ্চাদের রাজপুত্তুর বা রাজকন্যা বানিয়ে বড় করে না, তারা তাদের এমনভাবে বড় করে যেন তারা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে একা সারভাইভ করতে পারে।

কিডোরার আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো, শিশুকে ঘরের কাজ দেওয়ার পেছনের শিশু মনস্তত্ত্ব কী, কেন আমাদের দেশের অতিরিক্ত আদর বাচ্চাদের পঙ্গু করে দিচ্ছে এবং জার্মান মডেল অনুযায়ী আপনার শিশুর বয়স অনুযায়ী তাকে কী কী কাজ দিতে পারেন তার একটি সম্পূর্ণ চার্ট।

১. বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ: 'সেন্স অফ বিলঙ্গিং' এবং এক্সিকিউটিভ ফাংশন
সেন্স অফ বিলঙ্গিং (Sense of Belonging):
সাইকোলজি বলে, যখন একটি বাচ্চাকে ঘরের কোনো দায়িত্ব দেওয়া হয়, তখন তার ব্রেন বুঝতে পারে—"এই পরিবারে আমারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, আমি শুধু একজন ভোক্তা (Consumer) নই, আমি একজন কন্ট্রিবিউটর (Contributor)।" এই অনুভূতি তার আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

এক্সিকিউটিভ ফাংশন (Executive Function):
কাপড় ভাঁজ করা বা নিজের ঘর গোছানোর মতো কাজগুলো শিশুর ব্রেনের 'এক্সিকিউটিভ ফাংশন' (প্ল্যান করা, ফোকাস ধরে রাখা এবং কাজ শেষ করা) ডেভেলপ করতে সাহায্য করে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একটি দীর্ঘমেয়াদী গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশুরা ছোটবেলা থেকে ঘরের কাজ করে বড় হয়, তারা কর্মজীবনে এবং ব্যক্তিগত জীবনে সবচেয়ে বেশি সফল ও সুখী হয়।

২. জার্মান মডেল: বয়স অনুযায়ী দায়িত্ব দেওয়ার চার্ট (Age-Appropriate Chore Chart)
আপনার বাচ্চার বয়স অনুযায়ী তাকে ঠিক কোন কাজগুলো দেওয়া উচিত, তার একটি বিজ্ঞানসম্মত জার্মান চার্ট নিচে দেওয়া হলো:

** ২-৩ বছর বয়স (টডলার):
এই বয়সে বাচ্চারা বাবা-মাকে অনুকরণ করতে ভালোবাসে। তাদের কাজগুলো হবে মূলত খেলার ছলে।

১। খেলার পর নিজের খেলনাগুলো বক্সে তুলে রাখা।

২। ময়লা কাগজ বা চিপসের প্যাকেট ডাস্টবিনে ফেলা।

৩। নিজের বইগুলো শেলফে গুছিয়ে রাখা।

** ৪-৫ বছর বয়স (প্রি-স্কুলার):
এই বয়সে তাদের মোটর স্কিল কিছুটা পরিপক্ব হয়, তাই ছোট ছোট দায়িত্ব দেওয়া যায়।

১। খাওয়ার আগে নিজের প্লেট এবং চামচ ডাইনিং টেবিলে এনে রাখা।

২। খাওয়ার পর নিজের প্লেট বেসিনে রেখে আসা।

৩। সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানা গোছাতে বাবা-মাকে সাহায্য করা।

৪। পোষা প্রাণীকে (যদি থাকে) খাবার দেওয়া।

** ৬-৮ বছর বয়স (স্কুলগামী শিশু):
এই বয়সে তারা স্বাধীনভাবে নিজেদের কাজ করতে পারে।

১। পরদিনের জন্য নিজের স্কুলব্যাগ এবং স্কুলের পোশাক গুছিয়ে রাখা।

২। গাছে পানি দেওয়া।

৩। নিজের শুকনা কাপড় ভাঁজ করে আলমারিতে রাখা।

৪। নিজের রুমের মেঝে ঝাড়ু দেওয়া বা ডাস্টার দিয়ে মোছা।

** ৯-১২ বছর বয়স (প্রি-টিনস):
এই বয়সে তাদের উপর পরিবারের কিছু যৌথ দায়িত্ব দেওয়া যায়।

১। বেসিনে থাকা নিজেদের থালাবাসন ধুয়ে ফেলা।

২। বাবার সাথে বা মায়ের সাথে ময়লার ব্যাগ বাইরে ফেলে আসা।

৩। সকালের সাধারণ নাশতা (যেমন: ডিম ভাজা, স্যান্ডউইচ বানানো বা সিরিয়াল তৈরি করা) নিজে নিজে করা।

** ১৩+ বছর বয়স (টিনএজার):
একজন টিনএজারকে এমন কাজ দিতে হবে যেন সে ১৮ বছর বয়সে একা থাকতে পারার মতো স্কিল অর্জন করে।

১। নিজের কাপড় নিজে ধোয়া বা ওয়াশিং মেশিন চালানো।

২। পরিবারের জন্য সপ্তাহে অন্তত একদিন একবেলা রান্না করা।

৩। ঘরের সাধারণ বাজারের লিস্ট করা এবং বাজার থেকে কিছু জিনিস কিনে আনা।

৩. কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে বাবা-মায়েদের জন্য 'স্মার্ট প্রটোকল'
চার্ট দেখে কাজ দিলেই হবে না, কাজগুলো সফলভাবে করানোর জন্য নিচের নিয়মগুলো মানা জরুরি:

পারফেকশন আশা করবেন না:
৪ বছরের বাচ্চা বিছানা গোছালে সেখানে ভাঁজ থাকবেই। তাকে ধমক দেবেন না বা তার সামনে বিছানাটি পুনরায় গোছাবেন না। এতে তার কাজ করার আগ্রহ মরে যাবে। তার 'চেষ্টা'-কে প্রশংসা করুন, 'পারফেকশন'-কে নয়।

কাজের বিনিময়ে টাকা নয়:
ঘরের কাজ করার জন্য বাচ্চাকে কখনো টাকা বা চকলেট ঘুষ দেবেন না। ঘরের কাজ করা কোনো চাকরি নয়, এটি পরিবারের সদস্য হিসেবে তার দায়িত্ব। তবে নির্দিষ্ট কাজের বাইরে অতিরিক্ত কোনো বড় কাজ করলে তাকে পুরস্কৃত করতে পারেন।

নির্দেশ নয়, গাইড হোন:
"যাও, তোমার রুম গুছিয়ে রাখো!"—এভাবে নির্দেশ দিলে বাচ্চা বোরিং ফিল করবে। এর বদলে বলুন, "চলো, আমরা ১০ মিনিট টাইমার সেট করি এবং দেখি কে কত দ্রুত নিজের রুম গোছাতে পারে!"

৪. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট এবং 'হেল্পিং হ্যান্ড' কালচার
আমাদের দেশে আমরা বাচ্চাদের ঘরের কাজ থেকে দূরে রাখাকে এক ধরনের 'স্ট্যাটাস' বা আভিজাত্য মনে করি।

বাসায় কাজের মানুষ থাকা সত্ত্বেও, মা হয়তো বাচ্চার জুতো পরিয়ে দিচ্ছেন, বাচ্চার বই গুছিয়ে দিচ্ছেন। আমরা ভাবি, "বাচ্চা শুধু পড়াশোনা করবে, ঘরের কাজ করার ওর কী দরকার!" এই অতিরিক্ত আদর এবং প্রটেকশনের কারণে আমাদের বাচ্চারা বড় হয়ে 'লার্নড হেল্পলেসনেস' বা অর্জিত অসহায়ত্বের শিকার হচ্ছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েও নিজের কাপড় ধুতে পারে না, নিজের জন্য এক কাপ চা বানাতে পারে না। জার্মানিতে ১৮ বছর বয়সে একটি ছেলে বা মেয়ে যখন সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজের জীবন শুরু করে, আমাদের দেশে তখন ২৫ বছর বয়সের একজন যুবকও সকালের নাশতার জন্য মায়ের ওপর নির্ভর করে।

৫. স্বনির্ভরতাই সন্তানের সেরা উপহার!

প্রিয় বাবা এবং মা,
আমি জানি আপনার মনে হয়, "ও তো ছোট, আমি থাকতে ওকে কেন কষ্ট করতে দেব?" আপনার এই মায়াটা পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র অনুভূতি।

কিন্তু একটু ভেবে দেখুন, আপনি তো সারাজীবন তার প্লেটটা ধুয়ে দেওয়ার জন্য বেঁচে থাকবেন না। কাল যখন বাস্তব পৃথিবীর কঠিন সংগ্রামগুলো তার সামনে এসে দাঁড়াবে, তখন সে কীভাবে তা সামলাবে, যদি সে নিজের ছোট কাজগুলোই একা করতে না শেখে? তাই আজ থেকেই মায়ার ছদ্মবেশে সন্তানের ডানা কেটে ফেলা বন্ধ করুন। তাকে একটু কষ্ট করতে দিন, একটু ঘাম ঝরাতে দিন। নিজের হাতে করা ছোট ছোট কাজের মাধ্যমেই সে শিখবে কীভাবে দায়িত্ব নিতে হয়। আপনার শেখানো এই ছোট ছোট 'লাইফ স্কিল'-গুলোই তাকে একদিন একজন আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল এবং স্বনির্ভর মানুষ হিসেবে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে বাঁচতে শেখাবে!

কিডোরা স্মার্ট কমিউনিটি:
সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার এই প্যারেন্টিং জার্নিতে বিজ্ঞানভিত্তিক সাপোর্ট পেতে এবং নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে আজই যুক্ত হোন আমাদের Kidora - Parenting Club ফেসবুক গ্রুপে।

*** আপনার বাচ্চার বর্তমান বয়স কত এবং তাকে স্বনির্ভর করার জন্য ঘরের ছোট কোন কাজটি (যেমন- নিজের খেলনা গোছানো বা প্লেট ধোয়া) আপনি আজ থেকেই তাকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন?

17/08/2026

🎧 ছন্দে ছন্দে English শেখা! 🌟

অডিও শোনার তালে তালে New Words ও Opposite Words শিখছে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা। 🎧📚

শুধু শব্দ শেখা নয়, বরং শব্দগুলোর অর্থ ও বিপরীতার্থক শব্দ অভিনয় ও অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে উপস্থাপন করছে তারা। আনন্দ, ছন্দ ও অভিনয়ের সমন্বয়ে ইংরেজি শেখার এই কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের শেখাকে করেছে আরও সহজ, আনন্দময় ও স্মরণীয়। ❤️

শেখা যখন আনন্দের, তখন জ্ঞান হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত। 🌱

Photos from বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, শাহরাস্তি's post 15/08/2026

বিয়াম ফাউন্ডেশন, ঢাকা কর্তৃক পরিচালিত ৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এ অংশগ্রহণ করে আমাদের বিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি অর্জন করেছে।

কৃতী শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ বিয়াম ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত বৃত্তি, সম্মাননা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের কিছু স্থিরচিত্র।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ আব্দুল বারী, এমপি, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
জনাব মোঃ এহছানুল হক, সিনিয়র সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়;
মিজ্ কানিজ মওলা, সচিব, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনাব মোঃ আবদুল মালেক, মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), বিয়াম ফাউন্ডেশন।

আমাদের কৃতী শিক্ষার্থীদের এই অর্জনে আমরা গর্বিত ও আনন্দিত। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। 🌸

অভিনন্দন ও শুভকামনা আমাদের গর্বিত শিক্ষার্থীদের। 🥰

11/08/2026

বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

10/08/2026

🏆 GPA-5 এর হারে শাহরাস্তিতে আমরাই প্রথম।
📊 মোট পাশের হার: ৯৫.৪৫%
✨ সাফল্যে শ্রেষ্ঠত্বের স্বাক্ষর।

31/07/2026

বাচ্চার থেকে বেশি Competition বাচ্চার মায়ের।
ভুল করছেন।

Dr. Nilanjana Sanyal
Clinical Psychologist & Psychoanalyst

27/07/2026
24/07/2026

🌼 শেখা যখন আনন্দের...

শিশুরা সবচেয়ে ভালো শেখে আনন্দের মধ্য দিয়ে। আমাদের শ্রেণিকক্ষে তাই পাঠদান শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়; গান, ছড়া, নাচ, খেলা এবং বিভিন্ন অংশগ্রহণমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিটি পাঠ হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উপভোগ্য।

এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী হতে ও নিজের ভাব প্রকাশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আমরা বিশ্বাস করি, প্রতিটি শিশুকে নিজেকে প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়াই তার সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের অন্যতম সেরা উপায়।

🌼 বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, শাহরাস্তি, চাঁদপুর—শেখার প্রতিটি মুহূর্ত হোক আনন্দময়, আত্মবিশ্বাসী ও অনুপ্রেরণামূলক।

22/07/2026

নূরানী ক্লাসে আমাদের ছোট্ট শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আগ্রহ ও আন্তরিকতার সঙ্গে সূরা কুরাইশ তিলাওয়াত ও মশক করেছে। শিক্ষকের স্নেহময় তত্ত্বাবধানে তারা শুদ্ধ উচ্চারণ, তাজবীদের নিয়ম এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তুলছে।

আমরা বিশ্বাস করি, শৈশব থেকেই কুরআনের শিক্ষা ও সুন্দর চরিত্র গঠনের এই অনুশীলন তাদের জীবনের প্রতিটি ধাপে আলোর পথ দেখাবে।

Photos from বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল, শাহরাস্তি's post 21/07/2026

শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ নিশ্চিত করতে আমাদের বিদ্যালয়ে প্রতি মাসেই নিয়মিত দ্বিপাক্ষিক (শিক্ষক-অভিভাবক) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এ মাসেও প্রতিটি শ্রেণির অভিভাবকদের অংশগ্রহণে সফলভাবে সভা সম্পন্ন হয়েছে।

সভায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, আচরণ, উপস্থিতি, শৃঙ্খলা, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে আন্তরিক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষার্থীদের আরও ভালো মানুষ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারস্পরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আমরা বিশ্বাস করি, বিদ্যালয় ও পরিবারের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই একজন শিক্ষার্থীর সফলতার সবচেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি।

সকল সম্মানিত অভিভাবককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই তাঁদের মূল্যবান সময়, মতামত ও সহযোগিতার জন্য। আপনাদের অব্যাহত অংশগ্রহণই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।

Want your school to be the top-listed School/college in Chandpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Shahrasti
Chandpur
3620

Opening Hours

Monday 09:00 - 16:00
Tuesday 09:00 - 16:00
Wednesday 09:00 - 16:00
Thursday 09:00 - 16:00
Saturday 09:00 - 16:00
Sunday 09:00 - 16:00