28/02/2023
Cambrian Int'l School & College ,
Hajigonj থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২ এ অংশগ্রহণ করে আমার কন্যা জুমানা কিবরিয়া আরিশা ট্যালেন্টপুলে ও মাহমুদুল হাসান তাজিম সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২২
*************************
অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী -০২ জন
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত -০১ জন
সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত-০১ জন
Cambrian Int'l School & College
16/02/2023
দাঁড়ি বনাম দাড়ি
***************
মুখের দাড়িতে চন্দ্রবিন্দু দিতে নেই, কিন্তু বাক্যের দাঁড়িতে চন্দ্রবিন্দু লাগবে। মুখের ‘দাড়ি’ নিচের দিকে ঝুলে থাকে। তাই চন্দ্রবিন্দু দিলে পড়ে যায়। এজন্য মুখের ‘দাড়ি’ চন্দ্রবিন্দু ছাড়া লিখতে হয়। বাক্যের দাঁড়ি, দাঁড়িয়ে থাকে। তার মাথায় চন্দ্রবিন্দু দিলে পড়ে যায় না। এজন্য বাক্যের ‘দাঁড়ি’ চন্দ্রবিন্দু দিয়ে লিখতে হয়।
সূত্র: নিমোনিক প্রমিত বাংলা বানান অভিধান, ড. মোহাম্মদ আমীন, পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লি.
06/02/2023
সন্তানের জন্য বেশি বেশি সম্পদ জমা না করে, সন্তানকেই সম্পদ বানিয়ে যান। সু-শিক্ষিত আর আদর্শ সন্তানই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ✅
25/01/2023
জ্ঞানী হবে অপমান
গুণী হবে দোষী,
সত্য যাবে নির্বাসনে
মিথ্যা হবে বেশী।
লজ্জা উড়বে আকাশেতে
শরম খাবে ধান,
জাতে উঠবে অজাতেরা,
থাকবেনা আর মান ৷
জ্ঞানীরা চুপসে যাবে
জ্ঞানহীনদের কাছে,
কথাগুলো বিদ্যানেরা সত্যি বলে গেছে।
25/01/2023
পাঠ্যপুস্তকে ডারউইনের বিবর্তনবাদ অন্তর্ভুক্ত করার কঠোর সমালোচনা করেছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য গোলাম কিবরিয়া টিপু। তিনি বলেন, বানর থেকে মানুষ হয় এটা ধর্মবিরোধী প্রচার।
লিংক প্রথম কমেন্টে দেয়া আছে।
25/01/2023
আপনার বাচ্চার সঙ্গে কোন বয়সে কেমন ব্যবহার করবেন-
24/01/2023
স্যার একটা কথা কমু?
-হ্যাঁ বল।
-আজ আমারে সাড়ে ১২টায় ছুটি দিবেন?
-কেন? কী করবা?
-বাসায় গিয়া ভাত খামু, পেটে খুব ক্ষিধা লাগছে।
-কেন সকালে খেয়ে আসোনি?
-জ্বি না, স্যার।
-কেন?
-তরকারি নাই। আর লবণ দিয়া ভাত খাইতে পারি না। তাই খাইতে পারি নাই।
-কথাটা শুনতেই বুকের মধ্যে কেমন যেন
লাগলো।
-রাতে কী খেয়েছো?
-গরম ভাতে পানি দিয়া ডাল মনে করে ভাত।
-এখন কী দিয়ে খাবে?
-মায় কইছে স্কুল ছুটির পর গেলে কচু
রাইন্ধা রাখব। হেইডা দিয়া মজা কইরা ভাত খামু। মায় খুব মজা কইরা কচু রানবার পারে।
-(কখন যে চোখটা ঝাপসা হয়ে আসল বুঝতে পারিনি।) একদিন তোমার মায়ের হাতের রান্না করা কচু খেয়ে আসব। নিবা তোমার বাসায়?
-যাইবেন স্যার সত্যি?
-হ্যাঁ যাব। যাও বাসায় গিয়ে পেট ভরে ভাত খাও। (মুখে পৃথিবী জয় করা হাসি নিয়ে বই হাতে নিয়ে তার চলে যাওয়ার দিকে মন্ত্র মুগ্ধের মত তাকিয়ে রইলাম।)
তরকারির জন্য ভাত খেতে পারছে না। অথচ আমাদের এই সমাজে কত মানুষ আছে যাদের খাবারের মেনুতে কত আইটেম থাকে। যা তারা খেয়ে শেষও করতে পারে
না। উচ্ছিষ্ট অংশ চলে যায় ডাস্টবিনে।
এমন অনেক বাবা মা আছেন যারা ছেলেকে ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়ান। গাড়ি করে নিয়ে যান। ছেলের কত আবদার!
সব পূরণ করতে ব্যস্ত। অথচ রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষ গুলোর দিকে ফিরেও তাকান না।
তাকাবেন কেন?? তাকালেই তো ঘাড়ে এসে পড়বে। আমরা তো নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত। হাজার টাকার বডি স্প্রে গায়ে দিয়ে ঘুরে
বেড়াই। ইদ আসলে ব্যস্ত হয়ে পড়ি শপিং নামক টাকা উড়ানোর খেলায়। কেউ পাখি,কেউ কিরণমালা,কেউ শীলা কি জাওয়ানি নামক উদ্ভট সব পোশাক
কিনতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু বুঝতে চাই না এই বাইরের পোশাক গুলোতে আমাকে কি মানাচ্ছে?
অথচ একটা গরীব লোক এসে বলছে-দুইটা টাকা দেন। তখন বলি-ভাংতি নাই। মাফ কর। গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে চাইনিজ এ
অনেক-ই যায়। কত টাকা খরচ হয় হিসাব রাখে না অথচ গরীব রিক্সাচালক যখন বলে-পাঁচটা টাকা বাড়াইয়া দেন।
তখন তার গায়ে হাত তুলতে দ্বিধাবোধ করে না। ঐ গরীব লোক গুলোর অপরাধ কি?
অপরাধ একটাই যে সৃষ্টিকর্তা তাদেরকে গরীবের ঘরে পাঠিয়েছেন। আর আপনাকে সোনার চামচ মুখে দিয়ে কোন ধনী বাবার ঘরে-
আসুন আমাদের যাদের সামর্থ্য রয়েছে আমরা এদের পাশে দাড়াই, আমাদের টাকা
থেকে কিছু অংশ দিয়ে ওদের জন্য কিছু করি------😒😒😒😒...
আল্লাহতায়ালা আমাদের তৌফিক দিন আমিন।
#সংগৃহীত এবং ঈষৎ সংশোধিত
10/01/2023
জাতীয় সংগীত
*************
১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়। এই সঙ্গীত বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫) বিরোধী রাজনীতিক, স্বদেশী কর্মী ও বিপ্লবীরা বাঙালি জনগণকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যম হিসেবে এ গান প্রচার করেন। কিন্তু বিশ শতকের বিশের দশকে আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদ স্তিমিত হয়ে পড়লে এই গানের প্রচলন কমে যায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে গানটির পুনরুজ্জীবন ঘটে। ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত এক জনসভায় গানটি গীত হয়। ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের ভাষণের প্রাক্কালে গানটি গাওয়া হয়েছিল। ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রিয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা প্যারেডেও গানটি গীত হয়।
মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হতো। স্বাধীনতার পর সাংবিধানিকভাবে (অনুচ্ছেদ ৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়। গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত
*************************
আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে -
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি।
কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো-
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে-
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি।
07/01/2023
সন্তানকে কোনভাবেই দ্বাদশ শ্রেণি পাস করার আগে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল দিবেন না। এমতাবস্থায় সন্তান আপনাকে যত ধরনের চাপই সৃষ্টি করুকনা কেন আপনি আপনার সিদ্ধান্তে যেকোন মূল্যে অটুট থাকার চেষ্টা করবেন। সন্তানের হাতে মোবাইল দেওয়ার অর্থ হলো সে ঘরে থেকেও ঘরে নেই !
আপনার সন্তানের জন্য মোবাইল বন্দুকের চেয়েও ভয়ংকর। কারণ, বন্দুকের গুলিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক মরে, আর মোবাইলের অপব্যবহারে একটা জাতি নিঃশেষ হতে পারে। তাই নিজের প্রাণভোমরা সন্তানকে অসময়ে মোবাইল নামক পারমানবিক বোমা দেওয়া থেকে বিরত থাকুন।
30/12/2022
SSC 2022 এ GPA-5 প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রথম আলো থেকে কৃতি সংবর্ধনা পেতে লিঙ্কে প্রবেশ করে নিবন্ধন করে নাও।
শিখো-প্রথম আলো জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতিদের সংবর্ধনা ২০২২
২০২২ সালের এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা
নিবন্ধন করতে আজই লগইন করো-https://www.gpa5reception.com/