Bisnodi Islamia Seniour Madrasha

Bisnodi Islamia Seniour Madrasha

Share

We r Bisnodi Islamia Sinior Madrashas students.

21/03/2021
16/12/2017

হাটি হাটি পা পা করে ৪৬ টি বছর অতিক্রম করেছে আমাদের দেশ, আমাদের মা, আমাদের প্রাণ, আমাদের বাংলাদেশ।
একবার নিজেকে প্রশ্ন করে দেখেছেন এই ৪৬ বছরে জাতী হিসেবে কি দিতে পেরেছি আমরা আমাদেরই এই দেশকে?
আর কিছু না পারলেও- "এই দেশকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না"- এই কটূক্তি দেশকে হয়ত ঠিক মতই করা হয়েছে আমাদের।
রাজনৈতিক নেতারা প্রায়ই একটা কথা বলেন- আমি নিজে বড় হলেই তো দেশ বড় হবে, কথাটা পজিটিভ নাকি নেগেটিভ তা জানি না, কিন্তু আমার কাছে কথাটা ১০০% সত্য।
হ্যাঁ, আমি নিজে বড় হলেই তো আমার দেশ বড় হবে। কারন, আপনাকে আমাকে বড় করার দায়িত্ব আমাদের দেশের নয়, বরং এটাতো আমাদের-ই দায়িত্ব আমাদের নিজ দেশকে বড় করার। দেশের টাকায় আমরা চলি না, আমাদের টাকায় দেশ চলে।
ভাই, আগে নিজে খেলে তো পরে বাপের নাম। আপনি নিজে বড় হলেই তো তখন আরো ২০ জন লোকের চাকরির ব্যবস্থা করতে পারবেন। আর এইভাবে একজন একজন করতে করতে যখন গোটা দেশের নাগরিক স্বনির্ভর হতে শুরু করবে তখনই চেঞ্জ হবে এই দেশের অর্থনীতি। নেতাদের দুর্নীতির দোষ দিয়ে নিজের অক্ষমতা আর কত ঢেকে রাখবো আমরা?
এত দুর্নীতির পরেও কি দেশে প্রতি বছর নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে না? নতুন নতুন মানুষ স্বনির্ভর হয়ে নিজের ভাগ্য চেঞ্জ করছে না? তাহলে আপনি-আমি কেন পারবো না?
২০১৮ এর দ্বারপ্রান্তে এসে আপনি কি মনে করেন আমাদের এখনো সেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিসিএস ক্যাডার, ছোট হলেও অন্তত একটা সরকারি চাকুরী পেতেই হবে? যদি এই ভাবনা থেকে বের হওয়া না যায় তাহলে দেশ আগামী ২০০ বছরেও কিছুই করতে পারবে না। তাই এখনই সময় এই জাল থেকে বের হওয়ার। ভাবতে হবে স্বনির্ভর হওয়ার। নিজের পায়ে নিজে দাড়াতে শিখতে হবে।
বাবা-মায়ের ডাক্তারি, ইঞ্জিনিয়ারিং এর পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরা তো ভুলেই যাই আমাদের আসল মেধা আসলে কোন জায়গায় ছিলো? আরো ভয়ঙ্কর বিষয় হচ্ছে, ইউনিভার্সিটি তে ভর্তির পরেও আমরা অনেকেই জানি না আমাদের জীবনের ক্যারিয়ার গোল কি?
আমার মনে হয় আমাদের দেশে শতভাগ পাশ এর থেকে শতভাগ ব্যবসায়ী তৈরি করা বেশী প্রয়োজন। প্রয়োজন জাতীকে নিজের পায়ে নিজেকে দাড়াতে পারার মানসিকতা তৈরি করার।
সত্যি বলতে আমাদের এখন চায়না হওয়ার প্রয়োজন। ঘরে ঘরে বেকার সিএসই/বিবিএ পাশ ছেলেমেয়ের পরিবর্তে আমাদের ঘরে ঘরে ছোট ছোট উদ্যোক্তা প্রয়োজন। নিজে কিছু করার চেষ্টা না করে শুধু সরকারের আশায় বসে থেকে সত্যিই কোন লাভ নেই। পৃথিবীর কোন দেশেই সরকার তার নাগরিকদের ধনী বানায় নাই, বরং নাগরিকরা ধনী হয়েই তাদের সরকারকে ধনী বানিয়েছে। দেশ তো তখনই শক্তিশালী হবে যখন তার নাগরিকরা আগে শক্তিশালী হবে।
তাই দেশ আপনার জন্য কি করেছে সেটা না বলে এখন থেকে বলুন- দেশকে বড় করার জন্য আপনি নিজেকে আগে কতটুকু বড় করতে পেরেছেন। দেশকে আপাতত ভুলে যান, সৎভাবে আগে নিজেকে বড় করুন, তাহলেই দেখবেন দেশ আপনা আপনি ই বড় হবে।
বিজয়ের এই দিনে চলুন সবাই এক সাথে শপথ নেই- শুধুমাত্র সরকারের আশায় থেকে নয়, বরং নিজেকে নিজে তৈরি করার মাধ্যমেই আমরা সামনে এগুবো।
আমি নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখলেই তো দেশ আমাদের উপরে ভর করে দাড়াতে পারবে। কারন, দেশকে নিয়ে আমি নই, বরং আমাকে নিয়েই দেশ।
আর যদি কম্পিউটারের এই যুগেও বলেন নিজের পায়ে দাঁড়ানো অসম্ভব, তাহলে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আমেরিকা, ইন্ডিয়া বা চায়নার মত কোন দেশের বা হাতের ননীর পুতুল হয়ে থাকার জন্য....... কিন্তু না, আমরা সেটা হতে দিবো না। কারণ, আমাদের হাতেই তো ডিজিটাল বাংলাদেশ, আমরাই গড়ব বেকারমুক্ত কম্পিউটার স্বাক্ষর স্বনির্ভর বাংলাদেশ....💜💜

01/05/2017

চলতে-ফিরতে আমরা কত কি-ই না বলে থাকি। ভালো-মন্দ কত কিছুই উচ্চারিত হয় আমাদের জবানে। অথচ একটু খেয়াল করে নিয়ত ঠিক করলেই অর্জিত হয় অসংখ্য ছওয়াব। স্থান-কাল বুঝে মাত্র কয়েকটি শব্দ উচ্চারণেই হাছিল হয় অমূল্য নেকী ও সন্তুষ্টি। নিচে কয়েকটি ধারায় এমন কিছু পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার কথা আলোচনা করা হলো- যা দু’একটি শব্দ বলে অতি সহজেই আদায় করা যায়।
(১). ভালো কিছু খাওয়া বা পান করার সময়, কোনো কিছু লেখা বা পড়ার সময় অর্থাৎ যেকোনো ভালো কাজ শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(২). ভালো কিছু খাওয়া বা পান করা শেষে, কোনো খোশ খবর শোনা হলে, কেউ ‘কেমন আছো’ জিজ্ঞেস করলে- তার জবাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [ইবনে মাজাহ শরীফ]
(৩). কারো হাঁচি আসলে ‘আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল’ বা সংক্ষেপে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [তিরমিযী শরীফ]
(৪). কোনো হাঁচিদাতকে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলতে শুনলে- তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(৫). খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক সুবহানূ তায়ালা উনার শ্রেষ্ঠত্ব, মহত্ত্ব বা বড়ত্বের কোনো নিদর্শন দেখলে কিংবা শুনলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(৬). স্বাভাবিকের মধ্যে কোনো ব্যতিক্রম দেখলে কিংবা আশ্চর্য ধরনের কোনো কথা শুনলে তথা কুদরতী কিছু দেখলে বা শুনলে ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(৭). বেশ ভালো বা সুন্দর কোনো কিছু বেশি দেখলে ‘মাশাআল্লাহ’ বলা সুন্নত। [মুসলিম শরীফ]
(৮). ভবিষ্যতে কোনো কিছু করার ইচ্ছা পোষণ করলে ‘ইনশাআল্লাহ’ বলা সুন্নত। [পবিত্র সূরা কাহাফ শরীফ]
(৯). কোনো বাজে বা খারাপ তথা হারাম-কুফরী-শিরকী কথা শুনলে বা কোনো বাজে বা খারাপ কাজ তথা হারাম-কুফরী-শিরকী কাজ দেখলে ‘নাউযুবিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(১০). কোনো বিপদের কথা শুনলে কিংবা কোনো খারাপ, অশুভ বা ক্ষয়-ক্ষতির সংবাদ শুনলে, কোনো কিছু হারিয়ে গেলে, কোনো কিছু চুরি হয়ে গেলে, কোনো দুঃখ-কষ্ট পেলে ‘ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ বা সংক্ষেপে ‘ইন্নালিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [মুসলিম শরীফ]
(১১). কথা প্রসঙ্গে কোনো গুনাহের কথা বলে ফেললে, সঙ্গে সঙ্গে ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলা সুন্নত। [পবিত্র সূরা মুহম্মদ শরীফ]
(১২). উপরে উঠার সময় ‘আল্লাহু আকবার’ বলা এবং নিচে নামার সময় ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(১৩). নিশ্চিতভাবে না জেনে কোনো বিষয়ে কিছু বললে, কথা শেষে “ওয়াল্লাহু আ’লাম” বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(১৪). কেউ কিছু দিলে কিংবা কারো মাধ্যমে কোনো কাজ হলে বা কেউ কোনো উপকার করলে তার বদলে ‘জাযাকাল্লাহু খাইরান’ বা ‘জাযাকাল্লাহ’ বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(১৫). কোনো বিজয় লাভ করলে কিংবা বিজয় লাভের আশায় শ্লোগান দিলে ‘আল্লাহু আকবার’ বলা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি উনার প্রিয় রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত সুন্নত মুবারক যথাযথভাবে পালন করার তাওফীক দান করুন। আমীন!

Want your school to be the top-listed School/college in Chandpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Stadium Road
Chandpur