11/03/2024
আলহামদুলিল্লাহ অনেক বছর পর স্ব চক্ষে রমজানের চাঁদ দেখলাম।
اللهم اهله علينا بالأمن و الإيمان و السلامة و الدين - آمين، يا ربا العالمين.
দ্বীনি ইলম শিক্ষার একটি বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান
11/03/2024
আলহামদুলিল্লাহ অনেক বছর পর স্ব চক্ষে রমজানের চাঁদ দেখলাম।
اللهم اهله علينا بالأمن و الإيمان و السلامة و الدين - آمين، يا ربا العالمين.
গরুর গোস্ত হিন্দুদের জন্য হারাম। তারা এটা খাবে না, এ পর্যন্ত ঠিক আছে৷ কিন্তু মুসলমানরাও খেতে পারবে না কেন? একই ডাইনিং বিভিন্ন আইটেম থাকলে সমস্যা কোথায়? এসব কিছু বাদ দিলাম, সেহরিতে মুসলমানরা গরু খাবে, সেটাও আন্দোলন করে আদায় করতে হবে?
হায় আফসোস! ৯০% মুসলমানের দেশে হিন্দুকে একটা হারাম থেকে দূরে রাখতে এতো সাবধানতা, যেখানে কেউ তাকে গরু খেতে বাধ্য করছে না! বিপরীতে মুসলমানের সন্তানকে নিন্মলিখিত নানাবিধ হারামে লিপ্ত হবার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে!
১। মুসলমানের সন্তানের জন্য নাচ গান হারাম, তবু তাকে বাধ্যতামূলকভাবে শিল্প সংস্কৃতি সাবজেক্ট পড়ানোর নামে নাচের মুদ্রা এবং গানের গ্রামার শেখানো হচ্ছে।
২। অবাধ মেলামেশা এবং নন মাহরামের স্পর্শ হারাম, তবু তাকে শেখানো হচ্ছে বন্ধুর হাত ধরে ঘুরাঘুরি নিরাপদ স্পর্শ।
৩। শরিফ থেকে শরিফা হওয়া হারাম, তবু তাকে কৌশলে এই বিষ গেলানো হচ্ছে।
৪। একজন মুসলমানের সন্তানের জন্য পর্দা করা ফরজ। অথচ, এটা নিয়ে আমাদের সন্তানদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রতিনিয়ত হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে। বিপরীতে, হিন্দু হবার কারনে এর দশভাগের একভাগ হেনস্তার শিকার কোন বোন হলে, মিডিয়া ও সুশীল সমাজ পাগল হয়ে যেত।
৫। হারাম কাজে টাকা খরচ করা হারাম, অথচ কুয়েটে দেখলাম কনসার্টের জন্য মুসলমান ছাত্রদের কাছ থেকেও বাধ্যতামূলক টাকা আদায় করা হচ্ছে।
এছাড়াও ক্যাম্পাসে পূজা-অর্চনাসহ হিন্দুদের প্রোগ্রামের অনুমতি পাওয়া যত সহজ, মুসলমান ছাত্রদের কোন ধর্মীয় প্রোগ্রামের অনুমতি পাওয়া ততটাই কঠিন।
এইসব দ্বিচারিতা নিয়ে আমাদের কথা বলা উচিত৷ এই বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের। এখানে কাউকে তার ধর্মে পালনে বাধা দেয়া হয় না। তাহলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের প্রতি রাষ্ট্র এতটা খড়গহস্ত কেন?
Mehedi Hasan
গভীর আক্ষেপের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, ইসলামের জন্য কাজ করতে চাওয়া একটি মহল মানতেই পারছেন না যে উম্মাহর প্রথম ও শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম সাহাবায়ে কেরামের নিন্দা/সমালোচনা করা যাবে না, তাঁদের প্রতি বদগুমানি/মন্দ ধারণা পোষণ করা যাবে না। এই অবস্থানে তারা অনড় হয়ে উঠছেন।
৪৫ বছর আগে মারা যাওয়া একজন চিন্তাবিদ আলেম ব্যক্তিত্ব সাহাবায়ে কেরামের 'বুদ্ধিদীপ্ত' সমালোচনার দরজা খুলে দিয়ে গিয়ে কতটা বিচ্যুতি ঘটিয়েছেন, এখনকার তার অনুসারীদের সাহাবা-সমালোচনার অবারিত অধিকার চর্চার দৃশ্য থেকে এটা বোঝা যায়। সেই চিন্তাবিদ হয়তো এতটা চিন্তা করেননি, কিন্তু সমকালীন যোগ্য মনীষী আলেমরা তাকে সেই সময়ে এজন্যই সতর্ক করেছিলেন।
এদেশের বেদাতি 'সুন্নি নামধারী' সুফিধারার অনেক ঘরানাই শিয়া চিন্তা দ্বারা প্রভাবিত। কথায় কথায় তারা হযরত মুয়াবিয়া রা.-এর কঠোর সমালোচনা করতো। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সাহাবায়ে কেরাম বিষয়ক আলেমদের আলোচনা-চর্চার কারণে তাদের অনেকের মধ্যেই বোধোদয় ঘটেছে। এখন তাদের কেউ কেউ প্রকাশ্যেই বয়ানে বলছেন, হযরত মুয়াবিয়া রা. আল্লাহর রাসূলের সাহাবী, তাঁর সমালোচনা করা যাবে না।
বিচ্যুতির শিকার একদল মানুষ যেখানে ফিরে আসছেন, সেখানে শিক্ষিত সচেতন ইসলাম প্রতিষ্ঠাকামি কিছু মানুষ সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনার সিদ্ধান্ত ও চর্চা থেকে কিছুতেই নিজেদেরকে সরাতে পারছেন না। এবং সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করা যাবে না- এই কথাটি মেনে নেওয়ার মধ্যে তারা নিজেদের পরাজয় দেখছেন।
সাহাবী বিরোধী ইসলাম দুশমনদের এই বৈশিষ্ট্য ছিল। গোটা প্রাচ্যবাদ এই বিষাক্ত 'অবদান' ছড়িয়ে গিয়েছে। ইসলামের প্রথম যুগ ও উত্থানপর্বকে যারা বিষন্ন ও বিষাক্ত ইতিহাস-পর্ব হিসেবে উপস্থাপন করতে মরিয়া, এটা তাদের মিশন। এই মিশনের জালে দ্বীনপ্রেমী মানুষেরা কিভাবে ফেঁসে যেতে পারেন? এটা কি তাদের উন্নতি নাকি অবনতি, এটা কি তাদের দ্বীনি উত্থান নাকি পতন-তাদেরই ভেবে দেখা উচিত। বারবার ভেবে দেখা উচিত। বারবার ভেবে দেখা উচিত। আপনারা কী নিয়ে ঝগড়া করছেন? কাদের সমালোচনার অধিকার চাচ্ছেন? এই ইস্যুতে আপনাদের হার মেনে নেওয়া অথবা চুপ থাকায় কী ক্ষতি?
Copy. Muhtaram
sharif muhammad.
26/02/2024
আলহামদুলিল্লাহ আমাদের বাঁশ কালেকশন চলছে।
২১ শে ফেব্রুয়ারি "ভাষা দিবসে"।
শহীদ গনের স্বরনে ও আত্মার মাগফিরাতের জন্য নফল নামাজ আদায় করে মহান আল্লাহ্ পাকের নিকট দোয়া করি। এবং দান সাদকা করি। তাতে কবরে শহীদানগের আত্মা শান্তি পাবে। এবং নিজেদের ঈমান ও নেক আমলকে শিরকমুক্ত রাখি। এবং শিরক ও নাফরমানী করে তাদের আত্মাকে কষ্ট না দেই। আমীন। শিরককারীকে আল্লাহ পছন্দ করেন না। তওবা ছাড়া শিরকের পাপ আল্লাহ মাফ করেন না। তাই শিরককারীকে পুনরায় তওবা করে অতপর কালিমা পাঠ করে মুসলমান হতে হবে।
14/02/2024
انا لله وانا اليه راجعون سقى الله ثراه وجعل الجنة مثواه.
গত মাসের ৩ তারিখ এয়ারপোর্টে দেখা হয়েছিল। জিজ্ঞাসা করলাম হুজুর কেমন আছেন! বললেন বাবা শেষ বয়সে আছি দোয়া চাই। আজকে হুজুর আল্লাহর জিম্মায় চলে গেলেন। আল্লাহ তায়ালা হুজুরের সকল ভুল ভ্রান্তি গুলোকে ক্ষমা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের উচ্চ মাকাম দান করুক।
আমীন।