Chandgaon NMC Adarsha High School

Chandgaon NMC Adarsha High School The CHANDGAON N.M.C. The School was established in 1947. With a mission to face the challenges of the 21st century Mr.

MODEL HIGH SCHOOL, CHITTAGONG also known as 'Chowdhury School' is an ancient School situated at the south area of Chandgaon, Khwaja road, Chittagong district, Bangladesh. MODEL HIGH SCHOOL, CHITTAGONG (Bangla: চান্দগাঁও এন।এম।সি। আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ) also known as 'Chowdhury School' is an ancient School situated at the south area of Chandgaon, Khwaja road, Chittagong district, Banglad

esh. The campus is at 1 km east to the Bahaddarhat, Chittagong.The full name of the school is Nasir Mohammed chowdhury School.It is one of the best schools in this part of this country. Solaiman Chowdhury took a bold decision to launch this School for spreading the light of knowledge. Gradually the school is now one of the best schools in this part of the world. Not to say, our highly skilled teachers have been helping us to face the challenges ahead in an efficient and effective manner. Without their sole contribution, the school could never be in today’s stage. The students of the school have been actively working in different national and international organization and their performance is quite satisfactory.

27/02/2026

#শোক_সংবাদ

# আমাদের সকলের প্রিয় সৈয়দ মামা আর নেই।

​গভীর শোকের সাথে জানাচ্ছি যে, আমাদের বিদ্যালয়ের সাবেক দপ্তরী, সবার প্রিয় সৈয়দ মামা আজ রাত ১১:২৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
​তিনি শুধুমাত্র একজন কর্মী ছিলেন না, বরং কয়েক প্রজন্মের ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে ছিলেন একজন স্নেহময় অভিভাবক। উনার সদালাপী মুখটি আমাদের স্মৃতিতে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

তার ​মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। তিনি বিদ্যালয়ের প্রতি যে শ্রম ও ভালোবাসা বিলিয়ে দিয়েছেন, তা আমরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি।
​আমরা উনার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি এবং মহান আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করছি যেন তার পরিবারকে শোক সইবার শক্তি দান করেন।

​আসুন আমরা সকলে মিলে উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ তায়ালা উনাকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আমিন।

বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত মান নিয়ে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে।সাম্প্...
03/08/2025

বাংলাদেশে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত মান নিয়ে ক্রমেই উদ্বেগ বাড়ছে।

সাম্প্রতিক গবেষণা ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এইচএসসি পাস শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও দক্ষতা অনেকটাই আন্তর্জাতিক মানের নিচে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশের এইচএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা গড়ে আন্তর্জাতিকভাবে সপ্তম শ্রেণির সমতুল্য জ্ঞান ও সক্ষমতা অর্জন করছেন।

বিষয়টি শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে।

বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে এই উদ্বেগ আরও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি শিশু ১৮ বছর বয়সে সাধারণত ১১ বছর মেয়াদি আনুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পন্ন করে (১ম শ্রেণি থেকে একাদশ শ্রেণি)।

কিন্তু বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা শেখার মান বিবেচনায় এর মধ্যে কেবল ৬.৫ বছরের সমতুল্য শিক্ষাই অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে।

অর্থাৎ, শিক্ষাবর্ষ (Learning-Adjusted Years of Schooling) অনুযায়ী বাংলাদেশ অন্তত ৪.৫ বছর পিছিয়ে আছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি শিশুর ১৮ বছর বয়সে সাধারণত ১১ বছরের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা (১ম শ্রেণি থেকে একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত) সম্পন্ন করার কথা।

তবে শেখার গুণমান ও দক্ষতা বিবেচনায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা মাত্র ৬.৫ বছর সমতুল্য মানসম্পন্ন শিক্ষা অর্জন করতে সক্ষম হচ্ছে।

অর্থাৎ, প্রায় সাড়ে চার বছরের মানঘাটতি বিদ্যমান, যা শিক্ষার গুণগত দুর্বলতার একটি বড় প্রমাণ।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সমন্বিত আন্তর্জাতিক টেস্ট স্কেলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা গড়পড়তা ৩৬৮ স্কোর করেছে।

যেখানে ৬২৫ স্কোর মানে ‘উন্নত অর্জন’ এবং ৩০০ স্কোর মানে ‘ন্যূনতম অর্জন’।

এই স্কোর নির্দেশ করে, দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থী পাঠ, লেখালেখি ও গণিতের মতো মৌলিক দক্ষতায় দুর্বল, যা শিক্ষার প্রকৃত মান হ্রাসের অন্যতম প্রধান কারণ।

মানবসম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থানও আশাব্যঞ্জক নয়।

বিশ্বব্যাংকের হিউম্যান ক্যাপিটাল ইনডেক্স (HCI) অনুযায়ী, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ ১৫৭টি দেশের মধ্যে ছিল ১০৬তম অবস্থানে।

সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ০.৪৮।

অর্থাৎ, যদি বর্তমান শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা অপরিবর্তিত থাকে, তাহলে আজকের একটি শিশু ভবিষ্যতে তার সম্ভাব্য উৎপাদনশীলতার মাত্র ৪৮ শতাংশ অর্জন করতে পারবে।

বাংলাদেশে এ রকম বসার ব্যবস্থা চালু করা উচিত...
03/08/2025

বাংলাদেশে এ রকম বসার ব্যবস্থা চালু করা উচিত...

11/07/2025

অনুভূতি!

আংকেল😒
17/06/2025

আংকেল😒

16/06/2025

চান্দগাঁও এন.এম.সি. আদর্শ উচ্চ বিদ‍্যালয়ের সন্মানিত সিনিয়র শিক্ষক(অব) জনাব ননী গোপাল দাশ ১৫/০৬/২০২৫ তারিখ বিকেল ৪:৪০ মিনিটে ইন্তেকাল করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন বার্ধ‍ক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। আমরা শোকাহত।

26/04/2025

এই যে হরহামেশাই দেখা যায়— প্রেমিকা নিয়ে দুই ছাত্রের ব্যক্তিগত বাগ্‌বিতণ্ডার জের ধরে দুই কলেজের ছাত্রদের মধ্যে দফায়-দফায় সংঘর্ষ, বাসের ভাড়া নিয়ে কন্ডাক্টরের সাথে উদ্ভূত বিবাদকে কেন্দ্র করে রাজপথে সহিংসতা, পার্শ্ববর্তী মার্কেটের কর্মচারীদের সাথে বিবাদে জড়িয়ে দুই-চার-পাঁচজনের প্রাণহানি, দুই কলেজের দ্বন্দ্ব তিন কলেজে ছড়িয়ে চার কলেজ বন্ধ ঘোষণা; এর মধ্যে কিন্তু নটর ডেম কলেজের নাম সাধারণত শোনা যায় না। কেন শোনা যায় না? কেননা নটর ডেম কলেজে পড়াশোনা হয়। আর ঐসব কলেজে পড়াশোনা হয় না বা কম হয়। যা-ও হয়, নিয়মকানুনের বালাই নেই। পড়াশোনা কম হওয়ার কারণে ঐ কলেজগুলোর ছাত্ররা করার মতো কিছু পায় না। করার মতো কিছু না পেয়ে তারা বিনোদনের অংশ হিশেবে মারামারিতে লিপ্ত হয় এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সেই মারামারি জিইয়ে রাখে। মারামারি শেষ করার আগেই একটা ব্যাচ পাশ করে বেরিয়ে গেলে পরের ব্যাচ সেই অসমাপ্ত মারামারি শেষ করে। কথিত আছে— অকর্মণ্য মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা।

ক্লাসের প্রথম দিনই নটর ডেম কলেজের ছেলেদের হাতে ছোট্ট একটা পুস্তিকা তুলে দেওয়া হয়। কলেজের ইতিহাস, ঐতিহ্য আর নিয়মকানুন সন্নিবেশিত থাকে সেই পুস্তিকায়। সপ্তাহখানেক বাদে ঐ পুস্তিকার ওপর একটা পরীক্ষা হয়, যাতে ছেলেরা কলেজের অতীত ও আইন সম্পর্কে জানতে বাধ্য হয়। নটর ডেমে প্রতি সপ্তাহে দুটো করে 'কুইজ টেস্ট' হয়। এই কুইজ মানে লিখিত পরীক্ষা। সেই পরীক্ষার নাম্বার ছাত্রদের বার্ষিক আমলনামায় যুক্ত হয়। নটর ডেমের ছাত্ররা বছরে অন্তত একশো চারটা পরীক্ষা দেয়। অর্থাৎ এখানে বারোমাস পরীক্ষা লেগেই থাকে। এইসব পরীক্ষা নামমাত্র পরীক্ষা না। প্রতিটি পরীক্ষার খাতা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ছাত্রদের হাতে তুলে দেওয়া হয়, যাতে তারা আত্মসমালোচনার সুযোগ পায়। ধারাবাহিকভাবে কেউ কম মার্ক পেলে তাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সমস্যা থাকলে উপদেশ ও উৎসাহ দেওয়া হয়। পরীক্ষা নিজ শ্রেণিকক্ষে হয় না, অন্য শ্রেণিকক্ষে হয়; যাতে ছাত্ররা 'কমফোর্ট জোন'-এর বাইরে পরীক্ষা দিতে অভ্যস্ত হয় (যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা অন্য কলেজে হয়)।

নটর ডেম কলেজের প্রতিটি ক্লাস যথাসময়ে শুরু হয়। এই কলেজে আটটা মানে সাতটা ঊনষাটও না, সাতটা একষট্টিও না। এখানে আটটা মানে সাতটা ষাট। প্রত্যেক শিক্ষক একদম কাঁটায়-কাঁটায় সঠিক সময়ে ক্লাসে আসেন। নিয়মিত শিক্ষক কালেভদ্রে অনুপস্থিত থাকলে অন্য শিক্ষক আসেন, তিনিও সঠিক সময়ে আসেন। এসে গালগল্প করেন না, ঠিকঠাকভাবেই পড়ান। মধ্যাহ্নবিরতি বিশ মিনিট। বেশিও না, কমও না। দেরি করে এলে ছাত্রদেরকে ক্লাসে সাধারণত ঢুকতে দেওয়া হয় না। দেরি করে ক্লাসে আসার কথা নটর ডেমের ছাত্রদের চিন্তায়ই থাকে না। কোনো ছাত্র টানা কয়েকদিন ক্লাসে না এলে তার অভিভাবক ডাকা হয় এবং 'জেল ক্লাস' দেওয়া হয়। অনুপস্থিতির দিনগুলোয় ক্লাসে যা পড়ানো হয়েছিল, জেল ক্লাসে ঐসব ছাত্রকে ঐসব বিষয় পড়তে বাধ্য করা হয়। কলেজের লাইব্রেরির ভেতরে জেল ক্লাসের আয়োজন করা হয়, নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত হওয়ার আগে জেল থেকে বেরোনোর সুযোগ নেই। কয়েদিরা জেলে ঠিকমতো পড়ল কি না, তা দেখভালের জন্য জেল সুপার আছেন। ক্লাসে অনুপস্থিতির কাফফারাস্বরূপ কাউকে-কাউকে কলেজের ঝাড়ুদারদের সাথে কাজে লাগিয়ে দেওয়া হয়, অর্থাৎ কলেজের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করতে হয়। ক্লাসে শতভাগ উপস্থিত থাকলে সেইসব ছাত্রকে নটর ডেম কলেজ 'পারফেক্ট অ্যাটেনডেন্স সার্টিফিকেট' দেয়।

এখন কয়টা ক্লাব আছে, জানি না। আমরা যখন ছাত্র ছিলাম (২০০৪-০৬), তখন নটর ডেমে আঠারোটা ক্লাব ছিল। প্রতি বুধবার একটা ক্লাস কম হতো, সেই সময়টা ছিল 'ক্লাব আওয়ার'। ঐ সময়টুকু বরাদ্দ রাখা হতো ক্লাবকার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য। নটর ডেম ডিবেটিং ক্লাব, আবৃত্তিসংঘ আর লেখককুঞ্জের সদস্য ছিলাম। যত দূর মনে পড়ে— অন্তত একটা ক্লাবের সদস্য হওয়া তখন বাধ্যতামূলক ছিল। অর্থাৎ নটর ডেম কলেজ কেবল ঠেসে-ঠেসে পড়ায়ই না, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও ছাত্রদেরকে সম্পৃক্ত রাখে, তৈরি করে নেতৃত্বগুণ। এই ক্লাবগুলো নামমাত্র ক্লাব না; এইসব ক্লাবে বারোমাসজুড়ে প্রদর্শনী, প্রতিযোগিতা, সেমিনার লেগেই থাকে। কোনো নিষ্ক্রিয় ক্লাব এখানে নেই। নটর ডেমের অভিধানে নিষ্ক্রিয়তা বলে কোনো শব্দ নেই। লেখককুঞ্জের তরফ থেকে প্রতিমাসে প্রত্যেক ছাত্রের হাতে এক কপি করে 'ঢাকঢোল' (কলেজ ম্যাগাজিন) স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যায়, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

এই কলেজের কোনো ছাত্র মাঝারি আকারের অপকর্ম করলে তাকে ইয়েলো লেটার পাঠিয়ে ক্লাস থেকে ডগের (ডিরেক্টর অব গাইডেন্স) কাছে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়, বড় ধরনের অপকর্মের জন্য রেড লেটার। ডগের দপ্তরে নিয়ে তাকে 'মানসিক চিকিৎসা' দেওয়া হয়। মোটামুটি তাতেই কাজ হয়ে যায়। কোনো ছাত্র চাইলে নটর ডেম কলেজে কেরানির কাজ করতে পারে, বিনিময়ে সে বেতন পাবে এবং বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ পাবে।

চাঞ্চল্যকর ব্যাপার হলো— নটর ডেম কলেজের ক্লাসে ইচ্ছেমতো বেঞ্চে বসা যায় না। বেঞ্চ নির্দিষ্ট থাকে। লোমহর্ষক ব্যাপার হলো— কেবল বেঞ্চ না; একজন ছাত্র বেঞ্চের কোন অংশে (ডানে, বামে না মাঝে) বসবে, তাও পূর্বনির্ধারিত থাকে। কোনো ছাত্র অনুপস্থিত থাকলে তার আসনে অন্য কেউ ধপাস করে বসে পড়তে পারবে— তাও না। ঐ আসন ফাঁকা থাকবে। প্রতিটি ক্লাসে রোল কল করা হয়, তবে নিঃশব্দে। শিক্ষক রোল নাম্বার উচ্চারণ করে ডাকেন না। কোন ছাত্রের কোন বেঞ্চে বসার কথা, রোল কলের খাতায় সেই মানচিত্র আঁকা থাকে। শিক্ষক শুধু অনুপস্থিত ছাত্রদেরকে চিহ্নিত করেন। এতে দেড়শো ছাত্রের রোলকল দেড় মিনিটেই হয়ে যায়। এক সপ্তাহ পরপর বেঞ্চবদল হয়। সামনের বেঞ্চের ছাত্রদেরকে পেছনের বেঞ্চে নিয়ে যাওয়া হয়, পেছনের বেঞ্চেরদেরকে সামনে। এটুকুই। বেঞ্চমেট কখনোই পরিবর্তিত হয় না। অর্থাৎ একই বেঞ্চমেটের সাথে দুই বছর ক্লাস করতে হয়।

মোটামুটি এই হলো নটর ডেম কলেজ, আরামবাগের মাটিতে যেন একখণ্ড সেনানিবাস। এত-এত নিয়মকানুন আর পড়াশোনার এত চাপের মধ্যে মারামারি করার মতো পর্যাপ্ত সময় নটর ডেম কলেজের ছেলেদের হাতে থাকে না। ফলে, কখনও শোনা যায় না আরামবাগের ব্যবসায়ী, ফকিরাপুলের বাস কনডাক্টর বা পার্শ্ববর্তী টিঅ্যান্ডটি কলেজের সাথে নটর ডেমের ছেলেদের সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে জড়ানোর মতো সময়ই তাদের হাতে নেই। ছাত্রসংঘর্ষ রোধ করার একটাই উপায়— ছাত্রদেরকে সারাবছর পড়াশোনা, পরীক্ষা, ক্লাবকার্যক্রম আর নানাবিধ আনন্দ-আয়োজনে ব্যস্ত রাখা। কলেজে পড়াশোনা না হলে বা আনন্দের ব্যবস্থা না থাকলে ছাত্ররা সংঘাতের মধ্যে আনন্দ খুঁজে নেবে— সেটাই স্বাভাবিক। সংঘাতমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার জন্য নটর ডেম মডেল আমাদের হাতের কাছেই আছে। এই মডেলের জন্য ইউরোপ-আমেরিকায় যেতে হবে না। আরামবাগেই এই মডেল সহজলভ্য। প্রয়োজন কেবল সদিচ্ছা। শিক্ষকরা ক্লাসে না পড়িয়ে, ছাত্রদের জন্য আনন্দের ব্যবস্থা না করে, সারাক্ষণ সরকারের পদলেহন আর সমিতি করে বেড়ালে ছাত্ররা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে সংঘর্ষে জড়াবেই।

আখতারুজ্জামান আজাদ
১০ মার্চ ২০২৩

ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে কথা!
01/01/2025

ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে কথা!

31/08/2024
16/08/2024

নতুন বাংলাদেশের আশায়...

নতুন শিক্ষা পদ্ধতি কি আমাদের বিপদে ফেলতে যাচ্ছে?। New Curriculum 2023 Explained | Enayet Chowdhury
29/11/2023

নতুন শিক্ষা পদ্ধতি কি আমাদের বিপদে ফেলতে যাচ্ছে?। New Curriculum 2023 Explained | Enayet Chowdhury

মেডিকেল+ ভার্সিটি'ক' +ইঞ্জিনিয়ারিং অফুরন্ত এক্সাম! সাথে ডিজিটাল প্রশ্নব্যাংক 📝 সকল রাইটারের অনুশীলনীর প্রশ্ন সহ.....

Address

Khaza Road
Chandgaon
4212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chandgaon NMC Adarsha High School posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Chandgaon NMC Adarsha High School:

Shortcuts

Share

Category