সেগুনবাগিচা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন

সেগুনবাগিচা স্টুডেন্টস ইউনিয়ন

Share

আলোকিত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে অঙ্গিকারবদ্ধ আমরা....

27/04/2026

ছোট্ট একটা আয়াত, অথচ কতো পাওয়ারফুল! মোটিভেশনে টইটুম্বুর। শুধু এই একটা আয়াতকে মনে প্রাণে আঁকড়ে ধরতে পারলে আমাদের জীবনের নানাবিধ অস্থিরতা অর্ধেকে নেমে আসত।
"আর তুমি আল্লাহর ওপর নির্ভর করো, কর্ম সম্পাদনে আল্লাহই যথেষ্ট।"

— (সূরা আহযাব: ৩)

10/06/2025

দেশে নতুন করে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যাও দিনদিন বাড়ছে। মূলত, ভারতসহ পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দেশে করোনার নতুন ধরন ছড়িয়ে পড়ায় এই শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে মাস্ক ব্যবহারের পাশাপাশি বেশি কিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য বেশ কিছু জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আজাদ খান সোমবার (৯ জুন) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে জানান, করোনার নতুন উপধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে হবে। একইসথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেসব বিষয় মানার কথাও বলা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে-

১. করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষিত থাকতে নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধোয়া।

২. জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং বাইরে বের হলে মাস্ক পরা।

৩. কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি আশপাশে থাকলে অন্তত তিন ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৪. অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা।

বিজ্ঞাপন

৫. হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু অথবা কনুই দিয়ে মুখ ও নাক ঢেকে রাখা।

সম্প্রতি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায়ও বলা হয়েছে, দেশের আন্তর্জাতিক প্রবেশপথগুলোতে থার্মাল স্ক্যানার ও ডিজিটাল থার্মোমিটারের মাধ্যমে আগত যাত্রীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে।

একইসঙ্গে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত মাস্ক, গ্লাভস ও পিপিই মজুত রাখার পাশাপাশি করোনার উপসর্গ দেখা দিলে ঘরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গুরুতর হলে নিকটস্থ হাসপাতালে যেতে বলা হয়েছে।

প্রয়োজনে আইইডিসিআরের হটলাইনে (০১৪০১-১৯৬২৯৩) যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দু-দিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

সূত্র: আরটিভি নিউজ

10/08/2024
01/03/2024

বেইলী রোডের অগ্নি দূর্ঘটনায় আমরা শোকাহত... 😥

21/01/2024
29/10/2023

পেট খারাপ করছিলো।
একটা হোটেলে গেলাম রাতের খাবার খাইতে। মাছ মাং'স কিছুই খাইতে ইচ্ছা হচ্ছিলো না। বয়কে বললাম, ভাত, ডাল আর আলু ভর্তা দিতে।
পাশের টেবিলে দেখি ০৩ জন বসে গরুর মাং'স দিয়ে ভাত খাচ্ছে। একজন আবার আমার বন্ধু শিহাবের মতো দেখতে। আমি আলু ভর্তা দিয়ে ভাত মেখে মুখে দিতে দিতে কয়েকবার শিহাব সদৃশ মানুষটার দিকে তাকাচ্ছিলাম।
একটুপর দেখলাম, এক বাটি গরুর মাং'স দিয়ে গেলে বয়। বললো, ঐ টেবিল থেকে আপনার জন্য দিছে, টাকা ওনারা দেবে, আপনে পেট ভরে খান।
আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম। অপমানিতবোধ করলাম না একটুও। মনে হলো, এখনও এই পৃথিবীর মানুষ কতো ভালো। এই নক্ষত্রভরা রাতে ০৩ জন মানুষ চাচ্ছে, আরও একজন মানুষ তাদের মতো করে গরুর মাং'স দিয়ে ভাত খাক।
আমি খাওয়া শেষ করে মোট ০৪ জনের বিল দিয়ে চুপিচুপি চলে আসলাম। এই নক্ষত্রভরা রাতে ঐ ০৩ জন মানুষও জানুক, ভালোবাসা ছোঁয়াচে।
লেখা: অমিতাভ বিন বকসী

24/10/2023

আমরা যা করি, অতিরিক্ত করি।

পরীক্ষা নেয়া শুরু করলে ক্লাস ফাইভ, ক্লাস এইটে ও পাবলিক পরীক্ষা নেয়া শুরু করি, আগা মাথা কিছু না বুঝেই।

বেশ কয়েক বছর পরে বুঝতে পারি, আহারে! এসব তো কোন কাজে আসছেনা। তখন আবার বন্ধ করে দিই।

মানে পরীক্ষা নিলে শুধু পরীক্ষা নিই আর না নিলে পরীক্ষা একেবারেই বন্ধ করে দিই। মাঝামাঝি কিছু নেই। একেবারে দুই মেরু।

এভাবে প্রশ্ন ব্যাংক, সৃজনশীল কত কিছু করলাম। আবার দুই দিন পর বন্ধ করে দিলাম।

কোন কিছু না বুঝেই শুরু করি, আম ছালা সব হারিয়ে আবার বন্ধ করে দিই।

মাঝখানে শিক্ষার্থীরা সাফার করে। ওদের কিছু শিক্ষা বর্ষ নষ্ট হয়। অভিভাবকদের অর্থ নষ্ট হয়। রাষ্ট্রের ট্যাক্সপেয়ারদের অর্থের অপচয় হয়।

আর শিক্ষকগণ চেয়ে চেয়ে দেখেন। তেমন কিছু বলতে পারেননা, চাকুরী হারানোর ঝুঁকি কে নিবে?

এ বছর থেকে ক্লাস সিক্স- সেভেনে শুরু হওয়া নতুন কারিকুলাম অবশ্য সবকিছুকে হার মানিয়েছে।

পরীক্ষা বিহীন, শুধু মূল্যায়ন নির্ভর, প্রজেক্ট নির্ভর এই সিস্টেমে শিক্ষার্থী, অভিভাবক প্রায় সবাই ই বিরক্ত,
চরম বিরক্ত।

সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে অভিভাবকগণ শঙ্কিত। হতাশ।

মায়ের রান্না করা কিংবা হোটেল থেকে কিনে নেয়া খাবার, চাচার বানানো কাঠের বাড়ি, বন্ধু আর টিম লিডারদের করে দেয়া প্রজেক্ট মূল্যায়ন করে ও কী লাভ?

আসলে অনেক অভিভাবকই চায়না তাদের ছেলে মেয়ে সারাদিন কাটাকুটি করে লেখা পড়া করুক। বর্তমান বিশ্বায়নের যুগে প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানের দিকে ঝুঁকছে পুরো পৃথিবী। সেখানে ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে নকশীকাঁথা সেলাই, মাটির হাড়ি পাতিল রঙ করা, প্রতিদিন কাগজ কাটা, পুতুল বানানো, শহরের বাড়িতে মুরগী পালন, ছাগল পালন ইত্যাদি হাস্যরসের জন্ম দিচ্ছে।

অভিভাবকরা প্রজেক্টের সরঞ্জাম সাপ্লাই দিতে দিতে বিরক্ত, স্টুডেন্টরা গভীর রাত পর্যন্ত এসব প্রজেক্ট করতে করতে ত্যক্ত- বিরক্ত, ক্লান্ত। স্টুডেন্টরা এখন নিজেরাই বলছে, এর চেয়ে পরীক্ষা সিস্টেম অনেক ভালো ছিলো।

হ্যাঁ, এসব করুক। সবই করুক। কোন সমস্যা নেই।
তবে মূল পড়াশুনা বাদ দিয়ে নয়। এসব নিয়ে তো সারাদিন পড়ে থাকলে হবেনা।

তাছাড়া, নিম্নবিত্ত আর মধ্যবিত্ত এমনিতেই আকাশচুম্বী দ্রব্যমূল্যের কারণে খুবই বেকায়দায় আছে। এর উপর প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজেক্টের জন্য এটা সেটা কিনবে কিভাবে?

সত্যি কথা বলতে কি, ক্লাস সাইজ বিশ/ ত্রিশ জনের হলে, কোয়ালিফাইড এবং যথেষ্ট ট্রেনিং প্রাপ্ত শিক্ষক থাকলে, অভিভাবকগণ যথেষ্ট সচ্চল ও সচেতন হলে -- তখন হয়তো এরকম পরীক্ষা বিহীন, শুধু মূল্যায়ন নির্ভর, প্রজেক্ট নির্ভর এই সিস্টেমের কথা ভাবা যেতো। তাও শুধু প্রাইমারি পর্যায়ে।

হাই স্কুল কিংবা কলেজ পর্যায়ে নয়, কোনভাবেই নয়।

এখন ক্লাস সিক্স/ সেভেনে পড়া শিক্ষার্থীদের অনেকে বাসায় কিছুই পড়েনা। রাতদিন মোবাইল, ইউটিউব নিয়ে পড়ে থাকে। অভিভাবক কিছু বললে ওরা বলে, প্রজেক্ট করছি।তোমরা এসব বুঝবেনা।

আর আট জনের গ্রুপকে হয়তো একটা প্রজেক্ট দেয়া হলো, আট জনের আট জায়গায় বাসা। আজকের প্রজেক্ট কালই জমা দিতে হবে। তো ওরা সেই প্রজেক্ট একসাথে কিভাবে করবে?

ঐ একজনই করে, বাকীরা হুদাই নাম্বার পায়। ভুল বললাম। ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি পায়, কোন গ্রেড/ নাম্বার পায়না।

ওরা স্কুলে উৎসব উৎসব ভাব নিয়ে হাবিজাবি প্রজেক্ট করে।

আরে ভাই, স্কুল তো সিরিয়াস ক্লাস করার জায়গা। সেই ক্লাস ঠিকঠাক হচ্ছে কী? ওরা ঠিকঠাক সায়েন্স, ম্যাথ, ইংরেজি, বাংলা শিখছে কী?

বই হয়তো মোটামুটি ভালো তবে পরীক্ষা না থাকলে স্টুডেন্টরা পড়বে কি?

ও আচ্ছা, পরীক্ষা না থাকলে এসব শিখেও কী লাভ?

বাপরে বাপ। কি সিস্টেম আসলো!

অভিভাবকরা কিছু বুঝেনা, অনেক শিক্ষক বুঝেনা। আমরা ভার্সিটিতে পড়ালেও এসব আজগুবি সিস্টেমের আগামাথা কিছু বুঝিনা।

তবে শুধু একটা বিষয় বুঝি, এসব স্টুডেন্টকে জিগ্যেস করলে গ্রামার পারেনা, ম্যাথ পারেনা। পড়াশুনা বাদে জগতের সব বিষয় ওরা পারে।

আমাদের আর্থসামাজিক পরিপ্রেক্ষিতে এসব আসলে একেবারেই অচল, অবাস্তব। মোটেও উপযোগী নয়।

এখন একটা ক্লাসে পঞ্চাশ/ ষাট / সত্তুর জন শিক্ষার্থী থাকলে একজন শিক্ষক পঞ্চাশ মিনিটের ক্লাস টাইমে ওদের কি পড়াবেন, কি প্রজেক্ট দিবেন, কি মূল্যায়ন করবেন?

বাস্তবে হবে কি, অফিস রুমে বসে বসে সব স্টুডেন্টকে কিছু একটা ধরিয়ে দিতে হবে -- ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি।

আসল মূল্যায়ন ও প্রায় অসম্ভব।

আর ঐ শিক্ষককে দোষারোপ করেও আসলে কি লাভ ?

বুঝলাম আমাদের আগের সিস্টেম পারফেক্ট ছিলোনা।

তো ওটাকে আরো উন্নত করেন।

প্রয়োজনে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত এবং সমাদৃত ব্রিটিশ কারিকুলামের অনুকরণে আমাদের সমাজ, সংস্কৃতি ও আর্থসামাজিক অবস্থার সাথে মিল রেখে আমাদের মতো করে একটা কারিকুলাম সাজান।

ব্রিটিশ কারিকুলামে তো পরীক্ষা রয়েছে, মূল্যায়ন হয় নম্বর ও গ্রেড ভিত্তিক।

পৃথিবীর দুই শ'র কাছাকাছি দেশে এটা তো আর এমনি এমনি সমাদৃত হয়নি। নিশ্চয় ওদের কারিকুলাম অনেক বেশী ভালো, অর্গানাইজড বলেই সবাই এটাকে গ্রহণ করেছে। অনেক বছরের গবেষণার ফসল জনপ্রিয় এই শিক্ষা পদ্ধতি।

#পুনশ্চ

কোচিং বাণিজ্য থেকে মুক্তি দিতে গিয়ে আমরা পরীক্ষা বন্ধ করে দিবো?

বিষয়টা মাথা ব্যথার জন্য মাথা কেটে ফেলার মতো হয়ে গেলোনা?

তাছাড়া কোচিং এ তো শিক্ষার্থীরা কিছু শিখে, পড়াশুনাই করে, তাই না?

আমরা স্কুল / কলেজে মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত না করে কোচিং বন্ধ করে ও কি লাভ আসলে?

দেশের কয়টি কলেজে ইন্টারমিডিয়েটের সিলেবাস পুরো শেষ হয়? এর দায় আসলে কার?

পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, পর্যাপ্ত ক্লাস রুম নেই, সিলেবাস শেষ হবে কিভাবে?

আরেকটা বিষয়, কলেজ/ ভার্সিটি পড়ুয়া লাখ লাখ ছেলেমেয়ে টিউশানি করেই নিজে চলে, অনেকে পরিবারকে সাপোর্ট দেয়।

হুট করে পরীক্ষা বিহীন সিস্টেমে চলে গেলে তাদের কি হবে?

দেশে এরকম আর কোন পার্ট টাইম ইনকামের সহজ কোন ব্যবস্থা আছে কী?

ওরা কোথায় যাবে?

ওদের কথা কেউ ভাবছেন কী?

আরেকটি বিষয়, এসব ত্রিভুজ, বৃত্ত, চতুর্ভুজ ইত্যাদি পেয়ে এসএসসি, এইচএসসি পাশ করার পর ওদের ভার্সিটিতে ভর্তি প্রক্রিয়া কেমন হবে?

বিদেশে উচ্চ শিক্ষা নিতে চাইলে ওরা কম্পিটিশানে টিকতে পারবে তো?

🖊️ লিখেছেনঃ Rezuanul Hoque

20/10/2023

একসময় ছোট বড় সবকিছু আল্লাহর কাছে চাইতাম। মসজিদে গেলে মনে হতো আল্লাহর কাছে অনেক কিছু বলার আছে, চাইবার আছে। পরীক্ষার আগে প্রশ্ন যেন কমন পড়ে, এজন্য কত কাকুতিমিনতি করে আল্লাহর কাছে চেয়েছি। হয়তো খুব সিলি মনে হবে, কিন্তু সেইসময় আমাদের ছোট্ট হৃদয়গুলো জানতো, এমন একজন আছেন, যার কাছে সবকিছু চাওয়া যায়, যিনি সবকিছু দিতে পারেন, ওনার কাছে অসম্ভব বলে কিছু নেই।

এখন আমরা শিখছি- ইউ ক্যান ডু ইট, স্বপ্ন যেন তোমাকে ঘুমাতে না দেয়, নিজের উপর বিশ্বাস রাখলে কেউ আটকাতে পারবে না, তুমি চাইলে সব পারবে- এরকম নানান 'আমিময়' মোটিভেশন।

এই দুনিয়ার মোটিভেশন রবের সাথে সেই নিষ্পাপ সম্পর্কটা নষ্ট করে দিয়েছে। আল্লাহর কাছে নাছোড়বান্দার মতো কিছু চাইবার সেই সহজ সরল জীবনটা আমাদের ছেড়ে চলে গেছে। অতি সাধারণ কিছু চাইতে গেলেও যে চোখে পানি চলে আসত, সারাদিন আল্লাহর নাফরমানিতে কাটিয়ে সেই চোখ আজ মরুভূমি! কাঁদলেও চোখে পানি আসে না। কী এক জিল্লতির জীবন!

যে মোটিভেশনাল স্পীচ মহান রবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আমিময় জীবনের দিকে ধাবিত করে সেটা আসলে সফলতার মোটিভেশনাল স্পীচ নয় সেটা ধ্বংসের।

This Duniya is nothing but a beautiful lie - Quran 3.:185

© সাজিদ ইসলাম

10/10/2023

👮‍♂️ডিসেম্বরে ১০ তারিখ আসতেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সৈনিক পদের বিশাল নিয়োগ👮‍♂️

উচ্চতা ৫ ফুট 6 (ছেলে) // ৫ ফুট 4 (মেয়ে)
বয়স: ১৭-২০ বছর।
সকল জেলা থেকে ছেলে মেয়ে উভয়ে আবেদন করতে পারবে।
এখন থেকেই প্রস্তুতি নাও।
লক্ষ্য যদি অটুট থাকে, স্বপ্ন পূরণ তোমারই হবে।
ইনশাআল্লাহ।

Want your school to be the top-listed School/college in Chakaria?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Chakaria
4740

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Friday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00