Gourab Kumar Das

Gourab Kumar Das Education Consultant upto HSC & Hon's Compulsory English
(1)

BBA(Finance), MBA(Studying), CMA(Studying), CIICT(Studying), Director of GTP Coaching, Ex-Assistant teacher(English) CISC, Founder of Pilot Academic Care & Admission Coaching, Founding President of Students Walfare Association, Cumilla.

With Gourab Nishan – I'm on a streak! I've been a top fan for 16 months in a row. 🎉
14/01/2026

With Gourab Nishan – I'm on a streak! I've been a top fan for 16 months in a row. 🎉

আশা হারাবেন না; জীবনে যেকোনো অবস্থান হতে যেকোনো মূহুর্তে সুন্দর সংবাদ আসতে পারে!
12/01/2026

আশা হারাবেন না; জীবনে যেকোনো অবস্থান হতে যেকোনো মূহুর্তে সুন্দর সংবাদ আসতে পারে!

একদিন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রহস্য করে মাইকেল মধূসুদন দত্তকে বললেন, "মাইকেল, তুমি কি ইংরেজি বর্ণমালার E অক্ষরকে বাদ দিয়...
23/12/2025

একদিন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রহস্য করে মাইকেল মধূসুদন দত্তকে বললেন, "মাইকেল, তুমি কি ইংরেজি বর্ণমালার E অক্ষরকে বাদ দিয়ে একটি কমপ্লিট প্যারাগ্রাফ লিখতে পারবে?"

মধূসুদন একটুও দেরি না করে বললেন, "I doubt I can. It’s a major part of many many words. Omitting it is as hard as making muffins without flour. It’s as hard as spitting without saliva, napping without a pillow, driving a train without tracks, sailing to Russia without a boat, washing your hands without soap. And, anyway, what would I gain? An award? A cash bonus? Bragging rights? Why should I strain my brain? It’s not worth doing."

(আমি পারব কিনা তা নিয়ে আমি সন্দিহান। এটি বেশিরভাগ শব্দের মূল অংশ। এই কাজ ময়দা ছাড়া পিঠা বানানোর মতোই কঠিন। ঠিক যেমনটা কঠিন লালা ছাড়া থু থু ফেলা, বালিশ ছাড়া ঘুমানো, রেললাইন ছাড়া ট্রেন চালানো, নৌকা ছাড়া রাশিয়া যাত্রা করা এবং সাবান ছাড়া হাত ধোয়া। যাই হোক, কাজটি করতে পারলে আমি কি পাব? কোনো পুরষ্কার? টাকা-পয়সা? কোনো অধিকার? তাহলে মস্তিষ্ককে অযথা কেন এতটা চাপ দেব? এটা কোনো কাজের কাজ নয়।)

খেয়াল করুন, দীর্ঘ অনুচ্ছেদের কোথাও E বর্ণের উপস্থিতি নেই।

21/12/2025

প্রিয় শিক্ষার্থীরা
SSC এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বা মে মাসের শুরুতে!
সূত্র:

ইসরায়েলের গবেষকরা চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছেন—তারা ৩ডি-প্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি জীবন...
09/12/2025

ইসরায়েলের গবেষকরা চিকিৎসাবিজ্ঞানে এক যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছেন—তারা ৩ডি-প্রিন্টিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি জীবন্ত, স্পন্দিত হৃদপিণ্ড তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন, যেটি রোগীর নিজস্ব কোষ থেকে উদ্ভূত।

এই হৃদপিণ্ডটি তৈরি করা হয়েছে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ে। এটি আকারে বেশ ছোট—একটি খরগোশের হৃদপিণ্ডের মতো। তবুও এতে রয়েছে প্রকৃত রক্তনালী, কক্ষ, এবং কার্যকরী টিস্যু। আশ্চর্যজনকভাবে, এটি নিজেই সংকুচিত হয় এবং তরল পাম্প করতে পারে।

প্রক্রিয়াটি শুরু হয় রোগীর চর্বি কোষকে স্টেম সেলে রূপান্তর করার মাধ্যমে, তারপর সেগুলোকে কার্ডিয়াক টিস্যুতে গঠন করা হয়। যদিও এটি এখনও ছোট আকারের, গবেষণাটি প্রমাণ করছে যে ল্যাব-উৎপন্ন অঙ্গ তৈরি করা এখন কেবল বিজ্ঞান কল্পকাহিনী নয়।

দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো প্রতিটি রোগীর জন্য পুরো আকারের মানবহৃদয় ৩ডি-প্রিন্ট করা, যা তাদের শরীরের সঙ্গে পুরোপুরি মেলে এবং প্রত্যাখ্যানের কোনো ঝুঁকি নেই।

এই প্রযুক্তি একদিন বিশ্বব্যাপী অঙ্গের ঘাটতির সমস্যার সমাধান করতে পারে এবং পুনর্গঠনমূলক চিকিৎসার ভবিষ্যত সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন করতে পারে।

এটা সেই জায়গা...ডাইনোসর এর শেষ যেখানে শুরু হয়েছিল। 🦖💥আজ এই জায়গাটা নির্জন, গাছ আর সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে আছে...কিন্তু ...
08/12/2025

এটা সেই জায়গা...
ডাইনোসর এর শেষ যেখানে শুরু হয়েছিল। 🦖💥

আজ এই জায়গাটা নির্জন, গাছ আর সমুদ্রের নিচে লুকিয়ে আছে...
কিন্তু 66 মিলিয়ন বছর আগে, এই ঝড় এসেছিল এখানে
যিনি সমগ্র পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দিয়েছেন। 🌍⚡

এই গর্তের নাম চিক্সুলুব ক্রেটার।
এবং এটিকে তৈরি করা হয়েছিল মাত্র ১০-১৫ কিলোমিটারের গ্রহাণু।
কিন্তু তার গতি?
৬০,০০০ কিলোমিটার/ঘন্টার বেশি। 🚀

যখন এটা পৃথিবীতে আঘাত করে,
তাহলে সংঘর্ষটি এত ভয়াবহ ছিল যে
শক্তির মূল্য ছিল ১০ বিলিয়ন পরমাণু বোমা। 💣💣💣

সংঘর্ষের মাত্র ১ সেকেন্ডে—
🔥 চারপাশের সবকিছু বাষ্প হয়ে গেছে
🔥 শকওয়েভ মাটিতে ১,০০০+ কিমি/ঘণ্টার দিকে দৌড়ায়
🔥 বাতাস 5,000°C পর্যন্ত গরম হয়েছে
🔥 পুরো আকাশ আগুনের গোলা দিয়ে ভরা

আর হ্যাঁ...
পৃথিবীতে ১ কিলোমিটার উচ্চ সুনামি উঠেছে,
যা বর্তমান আকাশপাতালগুলোর চেয়ে উঁচুতে ছিল। 🌊😳

এর পর মাস ধরে সূর্যালোক পৃথিবীতে পৌঁছায়নি।
ধোঁয়া, ধূলো আর কার্বন ছেয়ে গেছে পুরো আকাশ।
এবং এখানে এটা শুরু হয়েছে
সবচেয়ে বড় গণবিলুপ্তির ঘটনা।

🌑 75% প্রাণী চলে গেছে।
পুরো বাস্তুতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গেছে।
ডাইনোসররা চিরতরে মুছে গেছে।

এবং সেই গর্ত যা তাণ্ডব সৃষ্টি করেছে...
তার প্রস্থ?
প্রায় ২০০ কিমি! 😨🕳️
এত বড় যে পুরো দিল্লি-এনসিআর, মুম্বাই এবং জয়পুর এর ভিতরে একসাথে ফিট হয়ে গেছে।

কিন্তু সবচেয়ে আকর্ষণীয় জিনিস?
যদি এই গ্রহাণু আঘাত না করত,
তাই হয়তো আজও ডাইনোসররা এই পৃথিবীর রাজা ছিল...
আর মানুষের কোন অস্তিত্ব নেই। 🦖➡️ 🛎 ♂️

কখনও কখনও ধ্বংস হল নতুন শুরু।
এবং চিক্সুলুব ছিল শুরু...
মানুষ আসার পথ কে খুলে দিয়েছে। 🌟

05/12/2025
05/12/2025

"বিশ্বাস রাখো, তুমি পারবে; তাহলেই তুমি অর্ধেক পথ পেরিয়ে গেলে।"
– থিওডোর রুজভেল্ট

আজ যে মাউন্ট এভারেস্টকে আমরা পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত হিসেবে চিনি, তার চূড়াই ছিল একসময় গভীর সমুদ্রের তল! শুনতে অবাক লাগল...
03/12/2025

আজ যে মাউন্ট এভারেস্টকে আমরা পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত হিসেবে চিনি, তার চূড়াই ছিল একসময় গভীর সমুদ্রের তল! শুনতে অবাক লাগলেও ভূতত্ত্ববিদদের গবেষণা বলছে—এভারেস্টের শীর্ষে যে চুনাপাথর ও সামুদ্রিক জীবাশ্ম পাওয়া যায়, সেগুলো এসেছে প্রাচীন টেথিস সাগরের তলদেশ থেকে।

প্রায় ৫ কোটি বছর আগে, ভারতীয় প্লেট ধীরে ধীরে উত্তরের দিকে সরে এসে ইউরেশীয় প্লেটের সঙ্গে প্রচণ্ড শক্তিতে ধাক্কা খায়। এই সংঘর্ষ এতটাই শক্তিশালী ছিল যে সমুদ্রের তলদেশ ভাঁজ হয়ে উঠে যেতে শুরু করে। সেই ভাঁজ ধীরে ধীরে রূপ নেয় বিশাল হিমালয় পর্বতমালায়। আর সেই বিশাল পর্বতমালারই সর্বোচ্চ বিন্দু হলো—মাউন্ট এভারেস্ট।

গবেষণা বলছে, এভারেস্ট শুধু একসময় সমুদ্রের তলদেশ ছিল না, বরং এখনো প্রতি বছর কয়েক মিলিমিটার করে ওপরে উঠছে। অর্থাৎ পৃথিবী এখনও নীরবে বদলে যাচ্ছে!

সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়—এভারেস্টের চূড়ায় যে চুনাপাথর পাওয়া যায়, সেগুলো তৈরিই হয়েছে সমুদ্রের প্রাণী, শেওলা ও নরম জলজ প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে। অর্থাৎ আজ যে চূড়া থেকে মানুষ সূর্যোদয় দেখে, সেখানেই একসময় ছিল তরঙ্গ, মাছ আর নীল সমুদ্রের নীরব রাজত্ব।

সমুদ্রের তলদেশ থেকে বিশ্বের ছাদ — এভারেস্টের ইতিহাস সত্যিই পৃথিবীর সবচেয়ে মহাকাব্যিক রূপান্তরের গল্প।

লেখক লিও তলস্তয় সাইকেল চালানো শিখেছিলেন ৬৭ বছর বয়সে।শিল্পী পাবলো পিকাসো বিয়ে করেছিলেন ছিয়াত্তর বছর বয়সে।সবচেয়ে বেশি বয়সে...
29/11/2025

লেখক লিও তলস্তয় সাইকেল চালানো শিখেছিলেন ৬৭ বছর বয়সে।
শিল্পী পাবলো পিকাসো বিয়ে করেছিলেন ছিয়াত্তর বছর বয়সে।

সবচেয়ে বেশি বয়সে নোবেল পাওয়া মানুষটির নাম লিওনিদ হুরউইজ, তিনি বেশি না মাত্র ৯০ বছর বয়সে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন।
সবচেয়ে বেশি বয়সে অস্কার পুরস্কার পেয়েছেন ইমানুয়েল রিভা, মাত্র ৮৫ বছর বয়সে!

একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরেই আমরা ও আমাদের ছেলেমেয়েদের একটা বড় অংশ বলতে থাকি - আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবেনা। এভারেস্টে উঠবো কীভাবে? বয়স আছে?

তাদের বলি - সবচেয়ে বেশি বয়সী যে মানুষটি এভারেস্টে উঠেছেন তাঁর নাম ইউকিরো মুইরা, তার বয়স ছিল মাত্র ৮১ বছর! সবচেয়ে বেশি বয়সে সাহিত্যে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন ডরিস লেসিং, মাত্র ৮৮ বছর বয়সে!

একবার না পারলে হাল ছেড়ে দিয়ে , দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার দরকার নেই। দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়ার আগে আমাদের আফসোস হওয়া উচিত - কি কি করিনি? কোথায় কোথায় কোথায় যাইনি ?
স্নো ফল দেখেছি কি? আইফেল টাওয়ার দেখেছি কি?

সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় দেখেছি কি?

হাল ছেড়ে দিলে হবে না। জীবনটা এ প্লাস, বি প্লাসের না। কারণ সফলতার মার্কশিট বলে কিছু নেই। যদি থাকতো তাহলে ড্রপ আউট স্টুডেন্ট বিল গেটস বিশ্বের সবচেয়ে ধনী হতেন না, মার্ক জুকারবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্তফা দেওয়ার দশ বছর পর অনারারি ডক্টরেট পেতেন না অথবা মৃত্যুর পর ভ্যানগঘ পৃথিবীর সবচেয়ে এক্সপেন্সিভ শিল্পী হতেন না।

জীবনের বেঁচে থাকার দিনগুলো সবচেয়ে আনন্দের হয়, জীবনের সবচেয়ে পরিশ্রম করার দিনগুলিতে, জীবনে বারবার হেরে যাওয়ার দিনগুলিতে। কতো দিন গেছে একটা অংক না পেরে ১৬ পাতা খরচ হয়েছে,তবুও মেলেনি! কতো দিন গেছে একটা ভালো লেখা লিখতে না পারার দুঃখে পুরো ডায়েরি কুচি কুচি করে ছিঁড়ে নতুন ডায়েরি নিয়ে বসতে হয়েছে!

আসলে জীবনটা রেস নয়, জীবনটা জার্নি! জীবনের সবচেয়ে আনন্দ থাকে জীবনে হাল ছেড়ে না দেওয়ায়। আর যাইই হোক - জীবনের শেষদিন পর্যন্ত লেগে থাকার মজাটা কিন্তু জীবন শেষ হয়ে গেলে পাওয়া যাবে কি?

( সংগৃহীত)

Address

Gourab Teaching Point
Burichang

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gourab Kumar Das posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Gourab Kumar Das:

Shortcuts

Share

Category