এক নজরে বিষ্ণুপুর : ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার সীমান্ত গেসা,পুর্ব পাস দিকে নয়নাভিরাম সিলেট রেলপথ, সীমান্ত অতন্ত্র পহরী সমৃদ্ধ আদর্শ গ্রাম বিষ্ণুপুর। যার উত্তর দিকে দুলাল পুর,পুর্ব দিকে কালাছড়া, পশ্চিম দিকে খালদোবিল শ্রীপুর,দক্ষিণ দিকে মেরাসানি গ্রাম। এই গ্রামের উপর দিয়ে সিঙারবিল - হরষপুর রোড টি অবস্থিত,
কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে ৯টি গ্রামের মধ্যে স্থানে অবস্থিত ৮নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদ।শিক্ষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন ও খেলাধুলা নিয়ে তার আপন গতিতে চলমান।
ক)নাম-৮ নংবিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদ।
খ)আয়তন-২২.৮২বর্গ কি:মি: ( প্রায়)
গ)লোকসংখ্যা:১৫,৮২৯জন(প্রায়)
ঘ)গ্রামের সংখ্যা: ৯টি
ঙ)মৌজার সংখ্যা: ১১টি
চ)হাট/বাজারের সংখ্যা-৪টি
ছ)উপজেলা থেকে যোগাযোগের ব্যবস্থা- সিএনজি, মাধ্যমে
জ)শিক্ষার হার: ৮২% (চিঠি পরতে ও লিখতে পারে, ২০০১ সালের আদমশুমারী অনুসারে)
ঝ)সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা- ৫টি
ঞ)কিন্ডারগার্টেন - ২ টি
ট)উচ্চ বিদ্যালয়- ৪টি
ড)মাদ্রাসা-৫টি
ঢ) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান- জনাব জামাল উদ্দিন ভুঁইয়া (বর্তমান)।
ন)হিন্দ ধর্মালয় স্থান-১টি (ছতর পুর)
ত)ঐতিহাসিক পর্যটন স্থান-১টি
থ)ইউপি নতুন ভবন স্থাপিত কাল: সাল ২০০৯ইং
দ)নবগঠিত পরিষদের বিবরণ:
শপথ গ্রহনের তারিখ:১০-৮-১১
প্রথম সভার তারিখ: ১৭/০৮/১১
মেয়াদ উত্তীর্নের তারিখ:
ধ)গ্রাম সমূহের নাম:-
বিষ্ণুপুর, দুলালপুর, বক্তারমুড়া, ছতরপুর, ঘনশ্যামপুর, মহেষপুর, রুপা, কালাছড়া,ইকরতলী
ন)ইউনিয়ন পরিষদের জনবল
নির্বাচিত পরিষদ সদস্য: ১৩জন
ইউনিয়ন পরিষদ সচিব: ১জন
ইউনিয় গ্রাম পুলিশ : ৯
গ্রামভিত্তিক লোকসংখ্যা:-
বিষ্ণুপুর- 4420 জন
দুলালপুর-1235 জন
বক্তারমুড়া-1126 জন
ছতরপুর-2819 জন
ঘনশ্যামপুর-782 জন
মহেষপুর-1328 জন
রুপা -704 জন
কালাছড়া-2809 জন
ইকরতলী-606 জন
তথ্য সূত্র- আদমশুমারী ২০১১ প্রতিবেদন।
যোগাযোগ ব্যবস্থা :-
বিজয়নগর উপজেলা হতে ইউনিয়ন পরিষদের দুরত্ব ৭.১৫কি:মি:
বিজয়নগর উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সিএনজি যোগে রানওয়ে বাজার আসা যায়।
উপজেলা হতে ইউনিয়নে যাতায়াত ব্যবস্থা:
সি অ্যান জি ভাড়া ৪০টাকা(জন প্রতি)
সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন থেকে বিষ্ণুপুর গ্রামে যাতায়াতের তথ্য:
সিঙ্গারবিল বাজার থেকে বিষ্ণুপুর
সিএন জি ভাড়া ১৫ টাকা(জনপ্রতি)
চম্পকনগর বাজার থেকে বিষ্ণুপুর
সি এন জি ভাড়া২০টাকা(জনপ্রতি)
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ইতিহাস:-
নানা সংকৃতি আর ইতিহাসের অন্তরালে এই বিষ্ণুপুর ইউনিয়নটি। বৃহত্তর২৪ নং সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের অন্তভুক্ত ছিল বিষ্ণুপুর ইউনিয়নটি, নানা সমস্যার সম্মুখীন হওয়ার পরে বৃহত্তর ২৪নং সিঙ্গারবিল ইউনিয়টির থেকে পৃথক করা পর নামকরন করা হয় ৮ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন। বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ লোক কৃষিকাজ করে, তাছাড়াও সরকারী, বেসরকারি, প্রবাসিদের বসবাস গ্রামটিতে।
বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব :
যাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রমে বিষ্ণুপুর গ্রাম টি আদর্শ গ্রাম হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে, তাদের মধ্যে কয়েক জনের নাম গ্রামের ইতিহাসে শ্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে, যেমন : জনাব মহিউদ্দিন মাস্টার (প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্টাতা),জনাব গালিম ভুঁইয়া,জনাব রশিদ ভুঁইয়া, জনাব সিদ্দিক ভুঁইয়া (বিষ্ণুপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ভুমিদাতা),জনাব পীর মোহাম্মদ ভুঁইয়া, জনাব বজলুর রহমান ভুঁইয়া (ইউনিয়ন প্রতিষ্টাতা চেয়ারম্যান), জনাব শহীদ উদ্দিন মাস্টার, জনাব আবদুল কাইয়ুম মাস্টার, জনাব তোতা মিয়া সরকার, জনাব ইয়াহিয়া সরকার, জনাব জহিরুল ইসলাম (জুরালি মাস্টার),জনাব সিরাজুল ইসলাম (সেরুমেম্বার) জনাব আল মামুন চেয়ারম্যান(ইউনিয়ন নামকরণ ),জনাব মাহমুদুল হক সরকার(পুর্বাচল কলেজ উদোক্তা),জনাব শহীদুল ইসলাম সুদু সুবেদার (ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার),জনাব ইয়াসিন ভুঁইয়া, জনাব সৈয়দ হোসেন ভুঁইয়া, জনাব আজিজ ভুঁইয়া, জনাব এলু মাস্টার, জনাব আব্দুল বাছির( মিজান মোল্লা),জনাব মালি ভুঁইয়া, জনাব ফজলু ভুঁইয়া, জনাব আবদুর রউফ ভুঁইয়া, জনাব শমসের খান,জনাব গিয়াস উদ্দিন ভুঁইয়া, জনাব হাবিব উল্লাহ খান, জনাব আকতারহোসেন খান, জনাব ইসহাক সরকার,জনাব ফারুক সরকার, জনাব ফিরুজ ভুঁইয়া,জনাব সাইদ উদ্দিন ভুঁইয়া (বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তা),জনাবা মেজর আনার কলি, সাবেরা খানম (বাংলাদেশ অগ্রণী ব্যাংক কর্মকর্তা) নাইমা আকতার(বি আর টি সি) আছমা আকতার (বাংলাদেশ মহিলা পুলিশ) ল্যাফটেনেণ্ট কর্ণেল মুসফিকুর রহমান (জুয়েল)জাতিসংঘশান্তি রক্ষা কমিশনের কর্মরত জনাব সরকার আরিফ মোহাম্মদ শৈবাল আরো নাম না জানা অনেকে গ্রামের উন্নয়েনে স্ব-স্ব ভুমিকা রেখে গেছেন। তাছাড়া ক্যাপ্টেন জান্নাতুল ফেরদৌস বাংলাদেশের প্রথম নারী ছাত্রীসেনা (প্যারাট্রুপার)।
জান্নাতুল ফেরদৌসের বাবা ব্যবসায়ী (জনাব আমিন সরকার)ও মা গৃহিণী। চার ভাই বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়
জান্নাতুল ফেরদৌস বর্তমানে মিলিটারি একাডেমির কম্পিউটার প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি ২০০৯ সালের ৫৯তম বিএমএ লং কোর্সের মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।২০০৭ সালে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৫৯তম ব্যাচের ক্যাডেট হিসেবে তার যাত্রা শুরু করেন। তিনি বর্তমানে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন।দনা
বাংলাদেশে প্রথম নারী ছাত্রীসেনা (প্যারাট্রুপার) হিসেবে তিনি সফলভাবে এক হাজার ফুট উঁচু থেকে অবতরণের সম্মান অর্জন করেছেন। ২০১২ সালের বেলা ১১টা ২০মিনিটে তিনি জালালাবাদ সেনানিবাসের পানিছড়া এলাকায় বিমানবাহিনীর একটি বিমান থেকে প্যারাসুটের মাধ্যমে সফলভাবে মাটিতে অবতরণ করেন।